কবে হবে দোহার পৌর নির্বাচন??

কবে হবে দোহার পৌর নির্বাচন?? সীমানা জটিলতায় ১৯ বছর ধরে আটকে আছে রাজধানীর পার্শ্ববর্তী দোহার পৌরসভার নির্বাচন। এদিকে বছরের পর বছর কাক্সিক্ষত সেবা না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পৌরবাসী।

একটি প্রভাবশালী মহল এই পৌরসভার নির্বাচনের পথে বাধা হয়ে আছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দোহার উপজেলার জয়পাড়া, রাইপাড়া, সুতারপাড়া ও মাহমুদপুর ইউনিয়নের আংশিক নিয়ে ২০০০ সালে গঠিত হয় দোহার পৌরসভা। ওই বছর ২৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয় প্রথম নির্বাচন। এর পর সীমানা জটিলতা, রাজনৈতিক প্রভাব ও নামকরণ নিয়ে আদালতে মামলা থাকায় কেটে যায় ১৩ বছর। ২০১৩ সালে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলেও ভোট গ্রহণের মাত্র তিন দিন আগে মাহমুদপুরের বাসিন্দা আব্দুস সোবহান সীমানা জটিলতা নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট করেন। এতে নির্বাচন আবার ঝুলে যায়। আব্দুস সোবহানের অভিযোগ, মাহমুদপুরের যে অংশটি দোহার পৌরসভায় পড়েছে, তারা নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত। তাদের বাদ দিয়ে পৌরসভা সীমানা নির্ধারণের দাবি জানান তিনি। ২০১৩ সালের ২৫ মে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। তফসিল ঘোষণার পরপর ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে ২৫ এপ্রিলের মধ্যে মেয়র পদে ১৫ জন ও নয়টি সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৭৬ জন ও তিনটি সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই, প্রার্থিতা বাতিল ও প্রত্যাহারের পর প্রতীক বরাদ্দ পান ৭৪ জন প্রার্থী। নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছিলেন প্রার্থীরা। এক যুগ পর নির্বাচন হওয়ায় ভোটাররাও ছিলেন নতুন জনপ্রতিনিধিকে বেছে নেওয়ার অপেক্ষায়। সেই মুহূর্তে ৭ মে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড মাহমুদপুর ইউনিয়নের চর লটাখোলার বাসিন্দা আবদুস সোবহান বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদন করেন।

পৌরবাসী মনে করেন, ১৯ বছর ধরে তারা গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। ভোটাধিকার প্রয়োগ করে তারা মেয়র ও কমিশনার নির্বাচনের সুযোগ পাচ্ছেন না। পৌরসভার বাসিন্দা কুদ্দুস জানান, বর্তমানে পৌর এলাকায় নাগরিক সুবিধা নেই বললেই চলে। পৌর কর্তৃপক্ষ নিয়মিত বাজেট প্রকাশ হলেও চোখে পড়ার মতো কাজ হয়নি। বছরের অধিকাংশ সময় পৌর শহরের প্রধান সড়কগুলো থাকে খানাখন্দে ভরা। মশা নিধনে নেই কোনো ব্যবস্থা।

রাইপাড়া ইউনিয়নের শাহরিয়ার হোসেন অভিযোগ করেন, তাদের কাছ থেকে পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ ট্যাক্স নিচ্ছে। কিন্তু রাস্তাঘাটের উন্নয়নের কথা বললে দুই পরিষদ থেকে একে অন্যের ওপর দায় চাপানো হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন জানান, দুই সংস্থার টানাহেঁচড়ায় পৌরবাসী কুপোকাত। রাস্তায় খুঁটি আছে তো বাতি নেই। তাই রাতের শহরে সড়কবাতি জ্বলে না। অন্ধকারে চলাফেরা করতে তাদের সমস্যা হয়। এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণের উপায় কী তা তারা জানেন না। এদিকে গত ২৪ মার্চ অতিরিক্ত কর আদায়ের প্রতিবাদে পৌরসভা কার্যালয় ঘেরাও করে ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডবাসী। এ সময় কিছু অতি উৎসাহী পৌরসভায় ভাঙচুর চালায়।

পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পরে আন্দোলনকারীদের একিটি প্রতিনিধি দল মেয়র আ. রহিমের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে। পৌরসভার নির্বাচনসহ বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে মেয়র আব্দুর রহিম মিয়া সব দায় সরকারের ওপর চাপিয়ে দিয়ে বলেন, ‘সরকার চাচ্ছে না দেখে নির্বাচন হচ্ছে না। আমি এখান থেকে সরে যেতে পারলে বাঁচি।’

মেয়র আরও বলেন, ১৭ বছর ধরে নির্বাচন হয় না। জনসাধারণও ঠিক সময়ে ট্যাক্স দিচ্ছে না। ট্যাক্স সংগ্রহ করতে গেলে কর্মকর্তাদের মারতে আসে। আমি কোথা থেকে উন্নয়ন করব। সরকারের কাছ থেকে বছরে মাত্র ৬০ লাখ টাকা পাই। এত কম টাকায় উন্নয়ন হবে কেমনে। সীমানা জটিলতা ও মামলার ব্যাপারে মেয়র কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

এসএসসি পরীক্ষায় দোহারের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর রেজাল্ট

 এসএসসি পরীক্ষায় সারা দেশের মত দোহারের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর রেজাল্ট তুলনামুলক ভাবে ভাল হয় নি। সারা দেশে যখন জিপিএ ৫ এর ছরাছড়ি তখন দোহারের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মাঝে জিপিএ ৫ এর হাহাকার। দোহারে পাশের হার জিপিএ ৫ এর অবস্থানে সবচেয়ে ভাল মুকসুদপুর শামসুদ্দীন শিকদার উচ্চ বিদ্যালয়ের। ৯৬.৭০% পাশের হারের পাশাপাশি স্কুলটি জিপিএ ৫ অর্জন করেছে ৩১টি। এর পর রয়েছে জয়পাড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। স্কুলটিতে পাশের হার ৯৩.১৩%। সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ছিল বেগম আয়েশা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে, ৩৭৭ জন, পাশ করেছে সর্বাধিক সংখ্যক ২৭৯ জন।

বাহ্রা হাবিল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়

পরীক্ষার্থীঃ ১৭৩,

পাসঃ ১২৪

পাসের হারঃ ৬৮%

জিপিএ ৫: ২ টি

বেগম আয়েশা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়

পরীক্ষার্থী: ৩৭৭

পাস: ২৭৯

পাসের হার: ৭৪.০১%

জিপিএ ৫: ৩টি

এমদাদ আলী হাই স্কুল

পরীক্ষার্থী: ১১৪

পাস: ৯১

পাসের হার: ৭৯.৮২%

জিপিএ ৫: ০০টি

ফ্যামস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল

পরীক্ষার্থী: ৬৪

পাস: ৪৪

পাসের হার: ৫৩.১২%

জিপিএ ৫: ০০টি

ইকরাশী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়

পরীক্ষার্থী: ১৮৫

পাস: ১১৯

পাসের হার: ৬৪.৩২%

জিপিএ ৫: ১টি

ইসলামাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়

পরীক্ষার্থী: ১৩৩

পাস: ১১৬

পাসের হার: ৮৭.২২%

জিপিএ ৫: ০০টি

জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়

পরীক্ষার্থী: ১৩১

পাস: ১২২

পাসের হার: ৯৩.১৩%

জিপিএ ৫: ৭টি

কবি নজরুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

পরীক্ষার্থী: ১৮৮

পাস: ১৫৬

পাসের হার: ৮২.৯৮%

জিপিএ ৫: ৪টি

কার্তিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়

পরীক্ষার্থী: ২০৫

পাস: ১৫৬

পাসের হার: ৭৬.১০%

জিপিএ ৫: ১টি

কাটা খালী মেছের খান উচ্চ বিদ্যালয়

পরীক্ষার্থী: ১৪০ জন

পাশ: ৯৫

পাশের হার: ৬৭.৮৬%

জিপিএ ৫: ০০টি

আজাহার আলী মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়

পরীক্ষার্থী: ১৫৫

পাস: ৭৫

পাসের হার: ৬৫.২২%

জিপিএ ৫: ০০টি

লটাখোলা উচ্চ বিদ্যালয়

পরীক্ষার্থী: ৬৩

পাস: ৫১

পাসের হার: ৮০.৯৫%

জিপিএ ৫: ০০টি

মধুরখোলা উচ্চ বিদ্যালয়

পরীক্ষার্থী: ৯৫

পাস: ৮৮

পাসের হার: ৯২.৬৩%

জিপিএ ৫: ০০টি

মালিকান্দা মেঘুলা উচ্চ বিদ্যালয়

পরীক্ষার্থী: ১৮৭

পাস: ১৫৭

পাসের হার: ৮৩.৯৬%

জিপিএ ৫: ৩টি

মুকসুদপুর উচ্চ বিদ্যালয়

পরীক্ষার্থী: ৬১

পাস: ৪২

পাসের হার: ৬৮.৮৫%

জিপিএ ৫: ০০ টি

নারিশা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

পরীক্ষার্থী: ৮৪

পাস: ৭৫

পাসের হার: ৮৯.২৯%

জিপিএ ৫: ৫টি

নারিশা উচ্চ বিদ্যালয়

পরীক্ষার্থী: ১১৭

পাস:৮৫

জিপিএ ৫: ০০টি

শিলাকোঠা উচ্চ বিদ্যালয়

পরীক্ষার্থী: ৬৯

পাস: ৫৪

পাসের হার:৭৮.২৬%

জিপিএ ৫: ১টি

সুতারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়

পরীক্ষার্থী: ৬৯

পাস: ৫৪

পাসের হার: ৭৮.২৬%

জিপিএ ৫: ১টি

মুকসুদপুর শামসুদ্দীন শিকদার উচ্চ বিদ্যালয়

পরীক্ষার্থী: ২১২

পাশঃ ২০৫

পাশের হারঃ ৯৬.৭০%

জিপিএ ৫: ৩১টি

মাদ্রাসা বোর্ড:

জয়পাড়া আলিয়া মাদ্রাসা

পরীক্ষার্থী: ৪৮

পাস: ৪৩

জিপিএ ৫: ৫ টি

মইতপাড়া আলিয়া মাদ্রাসা

পরীক্ষার্থী: ৩১

পাস: ৩১

জিপিএ ৫: ০০টি

তানশীর ইসলাম ক্যাডেট মাদ্রাসা

পরীক্ষার্থীঃ ৬

পাসঃ ৬

জিপিএ ৫: ৩

শাইনপুকুর মাদরাসা

পরীক্ষার্থী: ২১

পাস:  ১৭

জিপিএ ৫: ০০টি

এসএস সি পরীক্ষা ২০১৯ : নবাবগঞ্জের সকল বিদ্যালয়গুলোর ফলাফল

এসএস সি পরীক্ষা ২০১৯ এর ফলাফল নবাবগঞ্জের সকল বিদ্যালয়গুলোর ফলাফল
নবাবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থী- ১৭৩, উত্তীর্ণ- ১৭০, পাশেরহার- ৯৮.২৭%, জিপিএ ৫- ১০ জন
নবাবগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থী- ১৩৮, উত্তীর্ণ- ১২৪,পাশেরহার- ৮৯.৮৬%,জিপিএ ৫ – ৫ জন
কলাকোপা কে.পি.উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থী- ১৩৮,উত্তীর্ণ- ১২৯,পাশেরহার- ৯৩.৪৮%,জিপিএ-৫- ৩ জন
বান্দুরা হলিক্রশ উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থী- ২৫৪,উত্তীর্ণ- ২২২,পাশেরহার- ৮৭.৪০%,জিপিএ ৫ – ৭ জন
বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থী- ৮৫,উত্তীর্ণ- ৪৬,পাশেরহার- ৫৪.১২%,জিপিএ-৫- ০
বক্সনগর উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থী- ১০৫,উত্তীর্ণ- ৮৯,পাশেরহার- ৮৪.৭৬%,জিপিএ-৫- ০
বাহ্রা ওয়াসেক মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থী- ১০০,উত্তীর্ণ- ৮৮,পাশেরহার- ৮৮%,জিপিএ-৫- ০
পি.কে.বি. উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থী- ১৪০,উত্তীর্ণ- ১২৯,পাশেরহার- ৯২.১৪%,জিপিএ-৫- ১জন
দাউদপুর উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থী- ৭২,উত্তীর্ণ- ৫৮,পাশেরহার- ৮০.৫৬%,জিপিএ-৫- ০
তাশুল্লা উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থী- ১২২,উত্তীর্ণ- ৮৫,পাশের হার ৬৯.৬৭%, জিপিএ-৫- ০
বারুয়াখালী উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থী- ১৫৫,উত্তীর্ণ- ১৩৫,পাশের হার- ৮৭.১০%, জিপিএ-৫- ২জন
সেন্টইউফ্রেজি’স বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ
মোট পরীক্ষার্থী- ২৯৫,উত্তীর্ণ- ২১৮,পাশের হার- ৭৩.৯০%,জিপিএ-৫- ১ জন
বেগম হাসিবা উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থী- ১০৭,উত্তীর্ণঃ ৯৬,পাশের হার- ৮৯.৭২%,জিপিএ-৫- ০
হরেকৃষ্ণ কুসুমকলি উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থী- ৮৫,উত্তীর্ণ- ৭৬,পাশেরহার- ৮৯.৪১%,জিপিএ-৫- ৪ জন
শিকারীপাড়া টি.কে.এম. উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থী- ১৯১,উত্তীর্ণ- ১৬৪,পাশের হার- ৮৫.৮৬%,জিপিএ-৫- ১ জন
সেন্টথেকলা’স বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থী- ৫৭,উত্তীর্ণ- ৫১,পাশের হার- ৮৯.৪৭%,জিপিএ-৫- ০
ঘোষাইল উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থী- ১০১,উত্তীর্ণ- ৬৮,পাশের হার- ৬৭.৩৩%,জিপিএ-৫- ০
তুইতাল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থী- ৫৩,উত্তীর্ণঃ ৪৬,পাশেরহারঃ ৮৬.৭৯%,জিপিএ-৫ঃ ০
খানেপুর উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৬৮,উত্তীর্ণঃ ৫১,পাশেরহারঃ ৭৫%,জিপিএ-৫ঃ ০
মহব্বতপুর উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৫৩,উত্তীর্ণঃ ৩৪,পাশেরহারঃ ৬৪.১৫%,জিপিএ-৫ঃ ০
বকচর তুইতাল উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৪৭,উত্তীর্ণঃ ২৯,পাশেরহারঃ ৬১.৭০%,জিপিএ-৫ঃ ০
আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৮৪,উত্তীর্ণঃ ৭৪,পাশেরহারঃ ৮৮.১০%,জিপিএ-৫ঃ ০
মহাকবি কায়কোবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৫৬,উত্তীর্ণঃ ৪৫,পাশেরহারঃ ৮০.৩৬%,জিপিএ-৫ঃ ০
গালিমপুর সোনাবান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৯০,উত্তীর্ণঃ ৭২,পাশেরহারঃ ৮০%,জিপিএ-৫ঃ ০
চুড়াইন তারিণী বামা উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৭১,উত্তীর্ণঃ ৬৬,পাশেরহারঃ ৯২.৯৬%,জিপিএ-৫ঃ ০
গালিমপুর রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থীঃ ২০৯,উত্তীর্ণঃ ১৬৯,পাশেরহারঃ ৮০.৮৬%,জিপিএ-৫ঃ ০
আগলা চৌকিঘাটা জনমঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থীঃ ১৯৭,উত্তীর্ণঃ ১৭৯,পাশেরহারঃ ৯০.৮৬%,জিপিএ-৫ঃ ৪ জন
মুন্সীনগর উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৮৭,উত্তীর্ণঃ ৬৮,পাশেরহারঃ ৭৮.১৬%,জিপিএ-৫ঃ ০
মেলেংউচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থীঃ ১১১,উত্তীর্ণঃ ৫৯,পাশেরহারঃ ৫৩.১৫%,জিপিএ-৫ঃ ০
দুধঘাটা বালুখন্ড উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৩৮
উত্তীর্ণঃ ২৫
পাশেরহারঃ ৬৫.৭৯%
জিপিএ-৫ঃ ০
কৈলাইল ইউনিয়ন টেকনিক্যাল উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৬৯
উত্তীর্ণঃ ৪০
পাশেরহারঃ ৫৭.৯৭%
জিপিএ-৫ঃ ০
এম. মহিউদ্দিন ভুইয়াঁ উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৬৭
উত্তীর্ণঃ ৫৩
পাশেরহারঃ ৭৯.১০%
জিপিএ-৫ঃ ০
পাতিলঝাপ উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থীঃ ১০৭
উত্তীর্ণঃ ৭৬
পাশেরহারঃ ৭১.০৩%
জিপিএ-৫ঃ ০
সিংহরা উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৫২
উত্তীর্ণঃ ৩৭
পাশেরহারঃ ৭১.১৫%
জিপিএ-৫ঃ ০
শোল্লা বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থীঃ ১৮৯
উত্তীর্ণঃ ১৭৫
পাশেরহারঃ ৯২.৫৯%
জিপিএ-৫ঃ ২জন
উত্তর বালুখন্ড P G উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থীঃ ২৮
উত্তীর্ণঃ ১৯
পাশেরহারঃ ৬৭.৮৬%
জিপিএ-৫ঃ ০
কবি নজরুল উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৭৫
উত্তীর্ণঃ ৬৯
পাশেরহারঃ ৯২%
জিপিএ-৫ঃ ০
পারাগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থীঃ ১১৪
উত্তীর্ণঃ ৮৫
পাশেরহারঃ ৭৪.৫৬%
জিপিএ-৫ঃ ০

দোহারের উন্নয়নে আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাবো: আলমগীর হোসেন

আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে দোহার উপজেলায় সব ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ করে যাবো বলে জানান দোহার উপজেলা পরিষদের সফল ও নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব আলমগীর হোসেন।

গত ২ মে বিকেল ৪ ঘটিকায় ডায়ারকুম ডায়াগজারিয়া সবুজ অঙ্গন সংঘ মাঠ প্রাঙ্গনে সুতারপাড়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সকল নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে দোহার উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান জনাব আলমগীর হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান জনাব সুজাহার বেপারী ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা ইসলাম বীথির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। উক্ত অনুষ্ঠানে সুতারপাড়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার জনাব মোঃ আলিমের সভাপতিত্বে, দোহার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক হাবিবুর রহমান বেপারীর সঞ্চালনায় ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক জনাব মনির হোসেনের সার্বিক তত্বাবধানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান জনাব আলমগীর হোসেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলমগীর হোসেন বলেন, এ অঞ্চল আমার নিজের অঞ্চল। তাই এ অঞ্চলে যত ধরনের সমস্যা আছে আমি তার সমাধান করে দেবো। তিনি আরও বলেন আপনারা ভাগ্যবান কারন আপনারা দোহার-নবাবগঞ্জের সাংসদ হিসেবে জননেতা জনাব সালমান এফ রহমানের মত মানুষকে পেয়েছেন। তিনি দোহার নবাবগঞ্জের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দোহার উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জনাব সুজাহার বেপারী ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা ইসলাম বীথি দোহারের সার্বিক উন্নয়নে আলমগীন হোসেনের সাথে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন।

এসময় ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি জনাব ফজলুল হক সহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের  নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দোহার ও নবাবগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের ভোগান্তি

ঢাকা-২ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অধীন দোহার ও নবাবগঞ্জের গ্রাহকদের ভোগান্তি দিন দিন বাড়ছে। দুই উপজেলায় দিনের বেশিরভাগ সময় বিদ্যুৎ থাকে না বললেই চলে। খুঁটি স্থানান্তরের নামে প্রায় দিনই ভোগান্তির জন্ম দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। গ্রাহকরা অভিযোগ করছেন, গত এক সপ্তাহে এ দুই উপজেলায় গড়ে মাত্র ৫ ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে বলে জানা যায়।

ঢাকা-২ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এহেন কর্মকান্ডে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়ে ক্ষোখের বহিঃপ্রকাশ ঘটাচ্ছেন। গত ১ নভেম্বর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দোহার-নবাবগঞ্জসহ ১০২ উপজেলাকে শতভাগ বিদ্যুতায়নের ঘোষণা করেন। এর পরও বিদ্যুতের সুবিধা থেকে বঞ্চিত এ দুই উপজেলাবাসী। সোমবার (২৯ এপ্রিল) বিকাল থেকে বিদ্যুৎ ছিল না নবাবগঞ্জ উপজেলায়। রাত ১২টায় বিদ্যুৎ এলেও কয়েক মিনিট পর আবার চলে যায়। আবার আসে রাত সাড়ে তিনটায়। এ নিয়ে ঢাকা-২ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে নিয়ে জনমনে ক্ষোভ দানা বাঁধছে। অনেক সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনা করে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন।

ফারুক হোসেন নামে একজন লিখেছেন ‘সারাদিন খাম্বা সরানোর নাম করে ১০ ঘণ্টা লোডশেডিং দেবেন। দিনশেষে হালকা সান্তনামূলক বিদ্যুৎ দিয়ে পড়ে না চোখের পলকের আগে তা ছিনিয়ে নেবেন, নবাবগঞ্জবাসী কি রোবট নাকি। আকাশে মেঘ দেখলেই বিদ্যুৎ দেবেন না এটা রীতিমতো আমাদের ওপর জুলুম।’

দোহার উপজেলার পালামগঞ্জ এলাকার নাজনীন শিকদার বলেন, ‘রাতে প্রচ- গরম থাকে। বাচ্চাদের পরীক্ষা চলছে, এভাবে বিদ্যুৎ না থাকলে বাচ্চারা পড়াশোনা করবে কী করে। এ ছাড়া মাগরিবের আজানের সময় বিদ্যুৎ চলে যায়। আমরা এর দ্রুত সমাধান চাই।’

দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজের একাদশ শ্রেণির পরীক্ষার্থী রাশেদ মিয়া বলেন, রাতে প্রচুর গরম থাকে, তার মধ্যে কারেন্ট থাকে না। কীভাবে পড়তে বসি বলেন। আমাদের রেজাল্ট খারাপ হলে দায় ঢাকা-২ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে নিতে হবে।

কাশিমপুর এলাকার শাকিল বলেন, আমরা উপজেলার সদরে অবস্থান করেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ পাচ্ছি না। প্রচন্ড গরমে এভাবে লোডশেডিং থাকলে বাচ্চারাসহ অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়বে। আমরা এর সমাধান চাই।

এ ব্যাপারে মুঠোফোনে ঢাকা-২ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দোহার শাখার ডিজিএম খোরশেদ আলম বলেন, দোহারের গ্রিডটি নষ্ট হওয়াতেই এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। রমজান মাস সামনে রেখে আমরা সমস্যা সমাধানের সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। আশা করছি, স্বল্পভাবে এক সপ্তাহের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে। তবে সমস্যার স্থায়ী সমাধান পেতে দেড় বছর লাগবে।

গরমে পুড়ছে দেশঃ দোহার – নবাবগঞ্জে তাপমাত্রা ৩৬º, গরম অনুভুত ৪৪º

প্রচণ্ড তাপদাহে পুড়ছে দেশ। গরমে নাজেহাল প্রাণীকূল। এই গরম কমার কোনো লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না। এদিকে  দোহার নবাবগঞ্জে তাপমাত্রা বেড়ে ৩৬º ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠেছে। আর জয়পাড়া আর নবাবগঞ্জ সদরে তা ৩৭º সেলসিয়াস। আর আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে এই তাপমাত্রা অনুভূত হচ্ছে ৪৪º সেলসিয়াস। এতে  গত প্রায় ২ সপ্তাহেই ধরেই এমন তাপপ্রবাহ চলছে দেশজুড়ে; এতে অস্থির হয়ে পড়ছে জনজীবন, বিশেষ করে কর্মজীবি ও শ্রমজীবি জনগণ।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজশাহীতে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় বলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ নাজমুল হক জানিয়েছেন। এদিন রাজধানী ঢাকায়ও তাপমাত্র তার কাছাকাছি ৩৭ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠে।

ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ সব বিভাগে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা এখন ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে।

বৈশাখের এই গরম থেকে মুক্তির একটি সঙ্কেত দেখা যাচ্ছে, সেটা হল বঙ্গোসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ। আবহাওয়াবিদ নাজমুল বলেন, ‘দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ বিরাজ করছে। তা কয়েকদিন পর নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে।’ এই নিম্নচাপ সাগর থেকে উপকূলের দিকে এগোলে আসবে ঝড়-বৃষ্টি; তাতে তাপমাত্রা কমলেও মাত্রাভেদে ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাও থেকে যায়।

নবাবগঞ্জে ১ মাছ ব্যবসায়ীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা

ঢাকার নবাবগঞ্জে গোবিন্দ রাজবংশী (৫০) নামে মাছ ও কাপড়ের ব্যবসায়ীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বুধবার গভীর রাতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছেন। গতকাল বেলা ১২টার দিকে কোঠাবাড়ী চক এলাকা থেকে সবজির মাচার খুঁটিতে ঝুলানো মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত গোবিন্দ রাজবংশী উপজেলা বান্দুরা ইউনিয়নের বারদোয়ারী গ্রামের হরমোহন রাজবংশীর ছেলে। তিনি বান্দুরা বাজারে মাছ ও কাপড়ের ব্যবসা করতেন। নিহতের স্ত্রী সাগরিকা রাজবংশী বলেন, আমার স্বামী কোঠাবাড়ী চকে দেওয়ান আক্তারের দু’টি ডাঙ্গা ভাড়া নিয়ে মাছ চাষ করতেন। ডাঙ্গা পাহারার জন্য লোকও রাখা হয়েছিলো। পাহারাদাররা বাড়িতে বেড়াতে গেছে বিধায় বুধবার সন্ধ্যায় গোবিন্দ ডাঙ্গা পাহারা দিতে আসে।

রাত ন’টার দিকে আমার সঙ্গে তার শেষ কথা হয়। সাগরিকা রাজবংশী আরও বলেন, সকাল ৮টার দিকে স্বামীর জন্য ভাত নিয়ে ডাঙ্গায় আসি। দেখি সবজির মাচায় গলায় রশি দিয়ে ঝুলানো মরদেহ। তার পুরো মুখ গামছা দিয়ে বাঁধা ছিলো। পরে পুলিশ এসে লাশ থানায় নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে নবাবগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। নিহতের মুখের ভিতর টিস্যু পেপার ঢোকানো ছিলো। বুকে, হাতে, পায়ে ক্ষতর চিহ্ন রয়েছে। নবাবগঞ্জ থানার ওসি মোস্তফা কামাল বলেন, এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আশাকরি দ্রুত অপরাধীদের চিহ্নিত করতে পারবো।

ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যাঃ ঢাকা-নবাবগঞ্জ সড়ক অবরোধ

ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী সেতু মলের আত্মহত্যার ঘটনার বিচার দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখান উপজেলা। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে গতকাল শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার আলাদা তিনটি স্থানে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

সেতু মলের আত্মহননের ঘটনার বিচার দাবিতে বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-নবাবগঞ্জ সড়কের গোয়ালখালী এলাকায় দৌলতপুর কবি নজরুল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করে। পরে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এদিন দুপুর ১টার দিকে ঢাকা-নবাবগঞ্জ সড়কের খারশুর এলাকায় খারশুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। পরে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এ ছাড়া বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের নিমতলা এলাকায় মানববন্ধন করে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদ ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ।

এর আগে এদিন সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশফিকুন নাহার সেতু মলের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় সেতুর মা রেখা মল এই ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

আগলায় বসতঘর পুড়ে ছাই

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা খান হাটি গ্রামে আব্দুর রহিমের বসত টিন-কাঠের ঘরে ভয়াবহ আগুন লেগে ঘরে থাকা আসবাবপত্র এবং বারান্দায় থাকা ৩ টি ছাগল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৩-৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবী পরিবারের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত আনুমানিক ১০ টার দিকে ঘরে আগুন জ্বলছে দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে প্রায় ১ ঘন্টা চেষ্ঠার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে আগুনে কিভাবে সূত্রপাত হয়েছে জানতে পারে নি আব্দুর রহিম।

গালিমপুর তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই আলনুর তারেক বলেন, আগুনের ঘটনাটি আমাদের কেউ জানায় নি। এ ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই।

কাতারে শত শত কর্মী কফিল খুঁজে না পেয়ে পথে পথে ঘুরছেন

মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ ধনী দেশ কাতারের রাজধানী দোহায় বৈধভাবে পাড়ি জমানোর পরও বাংলাদেশী শ্রমিকদের দিন কাটছে মানবেতরভাবে। লাখ লাখ টাকা খরচ করে যাওয়ার পর তাদের ভাগ্যে জুটছে না চাকরি। খুঁজে পাচ্ছেন না কোম্পানি। বাধ্য হয়ে আরবিদের দয়ায় এখন তাদের রাত কাটাতে হচ্ছে গাড়ির ভেতর অথবা কোনো মজলিসে। এসব অভিযোগ জানাতে দেশটিতে থাকা বাংলাদেশ দূতাবাসে গেলে সেখান থেকেও শ্রমিকদের সহযোগিতা না করে তাড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। কাতারের পথে পথে বেকার ঘুরে বেড়ানো এসব নিঃস্ব ও প্রতারিত কর্মী দ্রুত তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কাতারের দোহা থেকে লিখিত ও অডিও বার্তায় পাঠানো অভিযোগে আব্দুল মালেক উল্লেখ করেন, চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি তিনি রাজধানীর উত্তরার লিননাস ওয়ার্ল্ড সার্ভিস নামক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাতারে গিয়েছেন। এর জন্য তার খরচ হয়েছে তিন লাখ ৭২ হাজার টাকা। চুক্তি মোতাবেক কোম্পানির ভিসা দেয়ার কথা বলা হয়। কাজ করতে হবে ৮ ঘণ্টা। থাকা মালিকের। খাওয়ার জন্য ৩০০ রিয়াল দেয়া হবে। আর মাসিক বেতন হবে ১৫০০ রিয়াল। দুই বছর পর দেশে যাওয়ার জন্য কোম্পানি থেকে আসা যাওয়ার বিমান টিকিট দেয়া হবে। কিন্তু কাতারে যাওয়ার পর থেকে আড়াই মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তার ভাগ্যে কাজ জুটেনি। খুঁজে পাননি চুক্তি মোতাবেক কোম্পানি। যে কফিলের কথা বলে দালাল নিয়ে এসেছে এখন পর্যন্ত তারও দেখা পাননি তিনি। এখন দালালকে ফোন দিলে ফোনও ধরছে না। কখনো ফোনে পেলেও উল্টো হুমকি দেয়া হচ্ছে। এসব কারণে তার দিন কাটছে মানবেতরভাবে। তিনি বলেন, দিন কাটে যেমন তেমন, রাত কাটাতে হচ্ছে কখনো গাড়িতে অথবা আরবিদের কোনো মজলিসের অনুষ্ঠানে। মালেক লিখেছেন, এমন দুর্দশা তার একার নয়, শত শত প্রবাসী বাংলাদেশী তার মতো ফ্রি ভিসার নামে কোম্পানির কাজ না পেয়ে বেকার পথে পথে ঘুরছেন।

লিখিত এবং অডিও বার্তায় আব্দুল মালেক আরো অভিযোগ করেন, এসব অভিযোগ জানাতে তিনিসহ কয়েকজন প্রতারিত শ্রমিক অনেক কষ্ট করে খুঁজে বের করে বাংলাদেশ দূতাবাসে গেলে সেখান থেকেও তাদের সাহায্য সহযোগিতা না করে তাড়িয়ে দেয়া হয়।

দূতাবাসের কর্মকর্তারা তাদের বলেছেন, ‘তোমরা এখানে কেন এসেছো? তোমাদের ভিসা আমরা দিয়েছি? এমন কথা শুনে ভারাক্রান্ত মন নিয়ে দূতাবাস থেকে তারা বের হয়ে যান। তাদের মতো সমস্যা নিয়ে দূতাবাসে শত শত শ্রমিক অপেক্ষা করছে জানিয়ে আব্দুল মালেক উল্লেখ করেন, রাতে আমরা কোথায় থাকব? অনুরোধ করলে আরবিরা আমাদের কোনো দিন তাদের গাড়িতে রাখে। আবার কখনো কোনো মজলিসে নিয়ে রাখে। এভাবেই আড়াই মাস পার করেছি। কিন্তু এখনো পর্যন্ত আমাদের বিপদ থেকে উদ্ধারে কেউ-ই এগিয়ে আসছে না। তার মতে, সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা না দেয়া হলে বিদেশে হাজার হাজার রেমিট্যান্স যোদ্ধারা নিঃস্ব হয়ে যাবে।

এর আগে টেলিফোনে আব্দুল মালেক এসব অভিযোগ করে বলেন, আমরা যখন কাতারে আসি তার আগে দেশে বিএমইটি থেকে ট্রেনিং দিয়ে আমাদের হাতে স্মার্ট কার্ড দেয়া হয়। তখন বলা হয়েছিল বিদেশে স্মার্ট কার্ড দিয়ে তোমরা সব ধরনের সহযোগিতা পাবে। এ তথ্য দূতাবাস কর্মকর্তাদের কাছে বললে তারা বলছেন, ‘এসব স্মার্ট কার্ড-মার্ড এই দেশে চলে না? এরপর দূতাবাস থেকে জানিয়ে দেয়া হয় ‘তোমাদের জন্য দূতাবাসের কিছুই করণীয় নাই’। তবে তিনি ওই কর্মকর্তার নাম জানাতে পারেননি।

গতকাল শনিবার সন্ধ্যার পর এসব অভিযোগের সত্যতা জানতে কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমদের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এদিকে গতকাল সন্ধ্যার পর প্রতারিত শ্রমিক আব্দুল মালেকের দেয়া অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তরার লিননাস ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের মালিক এবং পাঞ্জেরী হজ অ্যান্ড ওমরাহ সার্ভিসের চেয়ারম্যান আলহাজ মো: আরজু আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি শুধু বলেন, আব্দুল মালেকের নামে কাতার থেকে একটি ভিসা পাঠিয়েছিল আব্দুর রব নামের এক ব্যক্তি। তার রেফারেন্সে মালেক আমার অফিসে এসেছিল। আমার অফিস থেকে শুধু বিমানের টিকিট ইস্যু করা হয়েছিল। তবে তাকে বিদেশে পাঠাতে প্রসেসিং কেনো এজেন্সির নামে হয়েছে তা তিনি বলতে পারেননি।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব রৌনক জাহানের সাথে এ সমস্যার বিষয়ে গত রাতে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

তবে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর বহির্গমন শাখার একজন কর্মকর্তা নয়া দিগন্তকে নাম না জানিয়ে বলেন, কাতারগামী কর্মীদের সত্যায়ন পদ্ধতি এখন উঠে গেছে। গত দুই মাস থেকে সত্যায়ন ছাড়াই কাতারগামী কর্মীরা যেতে পারছে। তবে সেখানে তারা কোন অবস্থায় আছে সেই প্রতিবেদন আমাদের হাতে আসেনি। অবশ্য ব্যুরোর একজন কর্মকর্তা দূতাবাসের সত্যায়ন পদ্ধতি তুলে দেয়ায় শ্রমিকদের কোম্পানির সুযোগ-সুবিধার বিষয়টি ঝুঁকির মধ্যে থেকে যাবে বলে এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন। এখন তার ওই বক্তব্যই সত্য হতে চলেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সত্যায়ন ছাড়া কাতারে পাড়ি জমানো শ্রমিকেরা কেমন আছেন সেটি সরেজমিন জানতে প্রতিনিধিদল পাঠানোর কোনো বিকল্প নেই।