নবাবগঞ্জে গালিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

ঢাকার নবাবগঞ্জের গালিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২০১৯-২০ অর্থবছরের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে বাজেট সভায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ইউপি সদস্যসহ সকল শ্রেনী পেশার মানুষের উপস্থিতে গালিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তপন মোল্লার সভাপতিত্বে বাজেট ঘোষণা করেন ইউপি সচিব গগন চন্দ্র দাস। এবারের অধিবেশনে ৭২,৫৯,৮৮৭ টাকার  বাজেট ঘোষনা করা হয়।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম সালাউদ্দিন মনজু। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইঞ্জি. সৈকত হোসেন সাগর, মৎস্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আজিজুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজ হোসেন সাচ্চু প্রমুখ।

অধিবেশন শেষে প্রধান অতিথি পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে দুস্থ পরিবারের মাঝে ভিজিএফ এর চাল বিতরণ উদ্বোধন করেণ।

পদ্মায় হারিয়ে যাচ্ছে মিনি কক্সবাজার দোহারের মৈনট ঘাট

ঢাকার দোহারের মিনি কক্সবাজারখ্যাত মৈনট ঘাট টানা তিন বছরের মতো এবারো প্রবল নদী ভাঙনের মুখে পড়েছে। যার ফলে পদ্মা নদীর তীরবর্তী এই পর্যটন এলাকাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক, শ্রমিক, সড়ক ও নৌযান পরিবহনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লোকজন এবং এলাকাবাসী চরম উৎকণ্ঠায় মধ্যে সময় কাটাচ্ছেন।

এলাকাবাসীর দাবি, মৈনট ঘাট এলাকার তীর সংরক্ষণ ও ভাঙনরোধে দ্রুত ব্যবস্থা না করলে অচিরেই পদ্মা নদীতে হারিয়ে যাবে এই পর্যটন এলাকাটি। ফলে বেকার হয়ে পড়বেন কয়েক হাজার ব্যবসায়ী ও শ্রমিক।

মৈনট ঘাটের ব্যবসায়ীরা জানান, বিগত সময়ে পদ্মার ভাঙনে তাদের ফসলি জমি, ঘরবাড়ি পদ্মার গর্ভে চলে গেছে। কোনোমতে এলাকায় ব্যবসা করে পরিবার-পরিজন নিয়ে টিকে আছেন। চলমান মৌসুমে পদ্মায় স্রোতের বেগ বাড়ার ফলে নদীর পাড় ভেঙে যাচ্ছে। কখন যে তাদের দোকান নদীতে চলে যায় তা নিয়ে চিন্তিত। ইতোমধ্যে কয়েকটি দোকান ও স্থাপনা নদীতে পতিত হয়েছে।

মৈনট ঘাটের হোটেল ব্যবসায়ী শাহ আলম বলেন, এক সময় আমাদের প্রচুর জমি ছিল যা এখন পদ্মার গর্ভে। বিনোদনের জন্য এখানে ঘুরতে আসা পর্যটকদের কাছে বিভিন্ন ধরনের খাবার বিক্রি করি। আমরা সরকারে কাছে দাবি জানাই, পর্যটন এলাকাটিকে পদ্মার ভাঙন থেকে রক্ষা করা হোক।

স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর এ ঘাট থেকে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আয় হয়, কিন্তু ভাঙন রক্ষায় কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। ফলে কোনো নিয়ম কানুনের তোয়াক্কা না করেই ঘাট মালিকরা তাদের ইচ্ছামতো দোকানপাট তুলছে। এ ছাড়া ঘাটের পাশেই ইট বালুর ব্যবসার কারণে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটছে। এদিকে ঘাট মালিকরাও প্রাথমিকভাবে ভাঙন রোধে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। হুমকির মুখে এ পর্যটন এলাকাটিকে রক্ষা করতে সরকারের উচিত দ্রুত ব্যবস্থা করা। এ ছাড়া মিনি কক্সবাজার সংলগ্ন নারায়ণপুর, চরকুসুমহাটি গ্রামসহ প্রায় ৬/৭টি গ্রাম পদ্মার গর্ভে চলে যাবে। বাড়বে ভূমিহীন কৃষক ও শ্রমিকের সংখ্যা। আমরা দোহারবাসী মৈনট ঘাট রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করছি।

চর মাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন মুন্সী বলেন, আমি উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছি। মৈনটঘাট এলাকাটিকে রক্ষা করতে সরকারের উচিত দ্রুত ব্যবস্থা করা।

এ বিষয়ে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা বলেন, মৈনট ঘাটের ভাঙনের বিষয়টি আমি শুনেছি ও পরিদর্শন করে পানি সম্পদ মন্ত্রী মহোদয়ের দপ্তরে লিখিতভাবে জানিয়েছি।

মৈনট

এই দিকে ভাঙ্গন রোধে অতি দ্রুত সরকার ও স্থানীয় এমপি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের দ্রুত হস্থক্ষেপ চেয়ে ১ জুন শুক্রবার বিকালে মৈনটে মানববন্ধনের আয়োজন করেছে সে টুগেদার নামে একটি সামাজিক সংগঠন।

নবাবগঞ্জে প্রকল্প উদ্ভোধন করলেন ভ্যাটিকেন রাষ্ট্রদূত

ঢাকার নবাবগঞ্জে ঢাকা ক্রেডিট সমিতির বান্দুরা বহুমুখী প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে উপজেলার মোলাশীকান্দা জোনাস রোজারিও ভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রদূত আর্চবিশপ জর্জ  কোচেরী এই প্রকল্পের উদ্ভোধন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দি খ্রীষ্টান কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট মার্কুজ গমেজ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত জর্জ  কোচেরী  বলেন, দি খ্রীষ্টান কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেড মানুষের সেবায় প্রতিনিয়ন কাজ করে যাচ্ছেন। আশা করি তারা এই কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা ধরে রাখবে।

বিশেষ অতিথি ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান নাসিরউদ্দিন আহমেদ ঝিলু, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি হিউবার্ট গমেজ, কমার্স ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আব্দুল খালেক খান, দি মেট্রোপলিটন কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির চেয়াম্যান আগস্টিন পিউরীফিকেশন, বিআরডিবি’র উপ-প্রকল্প কর্মকর্তা (পজীব) মো. ইসহাক মিয়া, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাবির হোসেন পাভেল, কুসুমহাটি ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আজাদ প্রমূখ।

দোহারে দুই মাদকসেবীর কারাদন্ড

ঢাকার দোহার উপজেলায় শেখ মাহফুজ ও  সেলিম নামে দুই মাদকসেবীকে কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। দন্ডপ্রাপ্ত মাহফুজ উপজেলার শাইনপুকুর বেথুয়া এলাকার শেখ আনোয়ারের ছেলে এবং সেলিম শ্রীনগর উপজেলার পশ্চিম বাঘড়ার হালিম চৌকিদারের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার উপজেলার শাইনপুকুর বেথুয়া এলাকা থেকে মাদক সেবনের সময় মাহফুজ ও  সেলিমকে আটক করে ফুলতলা তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে পাঁচ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র উভয়কে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।

পচা ও বাসী খাবার বিক্রি : দোহারের সেন্টার ছিফ’কে জরিমানা

ঢাকার দোহারের স্বনামধন্য রেস্টুরেন্ট ‘সেন্টার ছিফ’কে পচা-বাসি খাবার বিক্রি করায় এবং লাইসেন্স না থাকায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। শনিবার দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা আক্তার রিবা ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন।

এব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা আক্তার রিবা বলেন, বাসি ও পচা খাবার বিক্রি এবং লাইসেন্স না থাকায় ‘সেন্টার ছিফ’কে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান মানুষকে পচা ও বাসি খাবার পরিবেশন করছে এটা কারও কাছে প্রত্যাশিত নয়। ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

দোহারে মডেল মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন সালমান এফ রহমান

ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিষ্ঠিত ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের আওতায় ঢাকার দোহারে মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

২৪ মে শুক্রবার বিকালে মসজিদটি’র ভিত্তি প্রস্তর শুভ উদ্বোধন করেন ঢাকা-১ এর সংসদ সদস্য ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা জনাব সালমান এফ রহমান।

উদ্বোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান, ঢাকা জেলা আওয়ামিলীগ এর সহ-সভাপতি ফজলু রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্মকর্তা, দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদনা ও দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন সহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

দোহারের গণপূর্ত বিভাগের বাস্তবায়নে মডেল মসজিদটি নির্মাণ কাজের ১২কোটি ৫০লক্ষ ৩৭হাজার ১২১টাকা ২৪ পয়সা ব্যয় হবে। কাজ শুরুর এক বছরের মধ্যে দৃষ্টি নন্দন মসজিদটি নিমার্ণ কাজ সমাপ্ত করা হবে বলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে।

দোহার-নবাবগঞ্জকে মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা হবেঃ সালমান এফ রহমান

দোহার-নবাবাগঞ্জকে মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা হবে ঘোষনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা, দোহার-নবাবগঞ্জের সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান। ঢাকার দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগ ও উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন

শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এর পূর্বে ঐ দিন বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে উপজেলার সুতারপাড়ায় মোল্লা বাড়ির সংলগ্ন একটি মডেল মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সালমান এফ রহমান।

ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে যে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে সে দায়িত্ব আমি যথাযথভাবে পালন করবো। এছাড়া ঈদের পরে আপনাদের সাথে বসে আপনাদের সমস্যাগুলো দেখবো এবং তা সমাধানের চেষ্টা করবো। নির্বাচনের আগে বলেছিলাম দোহার-নবাবগঞ্জকে আধুনিক উপজেলায় পরিনত করবো সেই কথা রাখব ইনশাল্লাহ। শুক্রবার ঢাকার দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সকল সহযোগী সংগঠন আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সালমান এফ রহমান আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছে দোহার- নবাবগঞ্জে যা যা উন্নয়ন করার প্রয়োজন তা আপনি করেন। প্রধানমন্ত্রী যেহেতু আমাকে নিজে উন্নয়ন করতে বলেছে সেহেতু উন্নয়নের সব ধাপ আমি দেখে দেখে করে দিব। সবাইকে অগ্রিম ঈদ মোবারক জানিয়ে সালমান এফ রহমান তার বক্তব্য শেষ করেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব  করেন দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল, সঞ্চালনায় ছিলেন দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা-২০ আসনের এম.পি জনাব বেনজির আহমেদ, ভূমি অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক ড. কে এম আ. মান্নান, ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন, নবাবাগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু, দোহার উপজেলা ইউ.এন.ও আফরোজা আক্তার রিবা, দোহার উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. সুজাহার বেপারী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা ইসলাম বিথী, কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আনার কলি পুতুল, সমাজ সেবক ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কবির, দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র, দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেকেন্ড অফিসার সৌমেন মৈত্রসহ আওয়ামীলীগ  ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীবৃন্দ।

স্বর্ণ ও রৌপ্যের যাকাত ফরয হওয়ার দলীল

স্বর্ণ ও রৌপ্য খনিজ সম্পদের অন্যতম। এ সম্পদের অপ্রতুলতা ও শ্রেষ্ঠত্বের কারণে প্রাচীনকাল থেকেই বহু জাতি এ দু’টি ধাতু দ্বারা মুদ্রা তৈরী করেছে ও দ্রব্যমূল্যের মান হিসাবে গ্রহণ করেছে। এ কারণে ইসলামী শরী‘আত স্বর্ণ ও রৌপ্যের উপর বিশেষ দৃষ্টি নিবদ্ধ করে তার উপর যাকাত ফরয করেছে। আর যাকাত অনাদায়ে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রেখেছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

وَالَّذِيْنَ يَكْنِزُوْنَ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ وَلَا يُنْفِقُوْنَهَا فِيْ سَبِيْلِ اللهِ فَبَشِّرْهُمْ بِعَذَابٍ أَلِيْمٍ- يَوْمَ يُحْمَى عَلَيْهَا فِيْ نَارِ جَهَنَّمَ فَتُكْوَى بِهَا جِبَاهُهُمْ وَجُنُوْبُهُمْ وَظُهُوْرُهُمْ هَذَا مَا كَنَزْتُمْ لِأَنْفُسِكُمْ فَذُوْقُوْا مَا كُنْتُمْ تَكْنِزُوْنَ-

‘যারা স্বর্ণ ও রৌপ্য পুঞ্জীভূত করে এবং তা আল্লাহর পথে ব্যয় করে না, তাদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তির সুসংবাদ দাও। সেদিন জাহান্নামের অগ্নিতে তা উত্তপ্ত করা হবে এবং তা দ্বারা তাদের ললাট, পার্শ্বদেশ ও পৃষ্ঠদেশে দাগ দেওয়া হবে আর বলা হবে, এটাই তা, যা তোমরা নিজেদের জন্য পুঞ্জীভূত করতে। সুতরাং তোমরা যা পুঞ্জীভূত করেছিলে তা আস্বাদন কর’ (তওবা ৯/৩৪-৩৫)

রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন,

مَا مِنْ صَاحِبِ ذَهَبٍ وَلاَ فِضَّةٍ لاَ يُؤَدِّى مِنْهَا حَقَّهَا إِلاَّ إِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ صُفِّحَتْ لَهُ صَفَائِحَ مِنْ نَارٍ فَأُحْمِىَ عَلَيْهَا فِىْ نَارِ جَهَنَّمَ فَيُكْوَى بِهَا جَنْبُهُ وَجَبِيْنُهُ وَظَهْرُهُ كُلَّمَا بَرَدَتْ أُعِيْدَتْ لَهُ فِىْ يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ خَمْسِيْنَ أَلْفَ سَنَةٍ حَتَّى يُقْضَى بَيْنَ الْعِبَادِ فَيُرَى سَبِيْلُهُ إِمَّا إِلَى الْجَنَّةِ وَإِمَّا إِلَى النَّارِ-

‘প্রত্যেক স্বর্ণ ও রৌপ্যের মালিক যে তার হক (যাকাত) আদায় করে না, ক্বিয়ামতের দিন তার জন্য আগুনের বহু পাত তৈরী করা হবে এবং সে সমুদয়কে জাহান্নামের আগুনে গরম করা হবে। অতঃপর তার পাঁজর, কপাল ও পিঠে দাগ দেওয়া হবে। যখনই তা ঠান্ডা হয়ে যাবে তখন পুনরায় তাকে গরম করা হবে। (তার সাথে এরূপ করা হবে) সেদিন, যার পরিমাণ হবে পঞ্চাশ হাযার বছরের সমান। (তার এ শাস্তি চলতে থাকবে) যতদিন না বান্দাদের বিচার নিষ্পত্তি হয়। অতঃপর সে তার পথ ধরবে, হয় জান্নাতের দিকে, না হয় জাহান্নামের দিকে’।[1]

দোহারে ভেজাল বিরোধী অভিযানঃ ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

বৃহস্পতিবার ১৭ রমজান দোহারের মধ্য লটাখোলায় খাদ্য ভেজাল বিরোধী যৌথ অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে নগদ ৩৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন নির্বাহী ম্যাজেষ্ট্রেট আফরোজা আক্তার রিবা ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র ।সরেজমিনে মায়ের দোয়া বেকারি পরিদর্শন কালে দেখা যায় নৃত্য প্রয়োজনীয় খাবার অসাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি করছেন কেক, বিস্কুট,রুটি, ড্রেনেজ প্রভৃতি ।এ যেন নিয়ম নীতি ত্বোয়াক্ক না করেই চালাচ্ছেন বেকারি ।

বিএসটিআই অনুমোদন আছে কিনা? উত্তরে বেকারি মালিক জামাল কোন সঠিক উত্তর দিতে দিতে পারেনি ।তিনি জানান বেকারি ছেড়ে দিবো তাই কার অনুমোদন সংগ্রহ করিনি ।তার এই অপরাধের জন্য বিজ্ঞ বিচারক তাকে প্রথমে ৩০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন । পরে মানবিক দিক বিবেচনা করে ১৫ হাজার টাকা নগদ জরিমানা আদায় করা হয় ।

অধিকাংশ মিষ্টি ছিল নোংরা ও মেয়াদ উর্ত্তীণ হওয়ায় মা মিষ্টান্না ভান্ডারকে ২০ হাজার টাকা নগদ অর্থদন্ড প্রদান করেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র । খাদ্য ভেজাল বিরোধী নিয়ন্ত্রন আইনের আওতায় তাদের উভয়কে অর্থদন্ড দিয়ে সর্তক করেছেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিজ্ঞ বিচারক ।

নবাবগঞ্জে দুই জনকে কুপিয়ে হত্যা

ঢাকার নবাবগঞ্জে মোটরসাইকেল আরোহী দুই ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের মহব্বতপুর তালতলা এলাকায় বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- উপজেলার গালিমপুর ইউনিয়নের নোয়াদ্দা এলাকার কৃষক আবুল কালাম (৫৫) ও মো. জাহিদ (৪৪)।

নিহতের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার ইফতারের পর কালাম ও জাহিদ মোটরসাইকেল নিয়ে পার্শ্ববর্তী দোহার উপজেলার বাস্তা এলাকায় পীরের বাড়িতে যান।

সেখান থেকে ফেরার পথে মহব্বতপুর তালতলাসংলগ্ন এলাকায় তিন দুষ্কৃতকারী রাস্তায় কলাগাছ ফেলে তাদের পথরোধ করে। এ সময় দুর্বৃত্তরা কালাম ও জাহিদকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে চলে যায়।

এতে ঘটনাস্থলেই কালামের মৃত্যু হয়। আর জাহিদকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য সেখান থেকে ঢাকায় নেয়ার পথে জাহিদের মৃত্যু হয়।

তবে কী কারণে তারা খুন হয়েছেন সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি নিহত দুই ব্যক্তির স্বজনরা।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ওসি মোস্তফা কামাল যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি আমরা দেখছি। ঘটনাস্থল পুলিশ পরিদর্শন করেছে। অপরাধী যেই হোক তাদের খুঁজে বের করা হবে।