নবাবগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ খাবার তৈরি, পণ্যের মেয়াদ উত্তীর্ণ এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স না থাকায় ঢাকার নবাবগঞ্জে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার বিকেল ৫ টায় উপজেলা বাগমারা বাজারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ.এম সালাউদ্দিন মঞ্জুর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানা করা হয়৷

এসব প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- বাগমারা বাজারে অবস্থিত ২ টি খাবার হোটেলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরির অপরাধে ভোক্তা অধিকার আইনে একটিকে ১০ হাজার টাকা এবং অপর একটিকে ৫ হাজার টাকা, আলপনা স্টোর নামে এক মুদি দোকানে পণ্যের মেয়াদ উত্তীর্ণ থাকায় ১০ হাজার টাকা, অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রি ও ড্রাগ লাইসেন্স না থাকায় রানা ফার্মেসীকে ৫ হাজার টাকা এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি এবং ড্রাগ লাইসেন্স না থাকায় হিউম্যান কেয়ার ফার্মেসীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রট এইচ.এম সালাউদ্দিন মঞ্জু বলেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে হোটেলে খাবার তৈরি এবং ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্যের মেয়াদ না থাকায় এসব প্রতিষ্ঠান গুলোকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে৷ এবং বাগমারা চাঁদনী প্লাজার কাপড়ের দোকান গুলোকে ঈদকে সামনে রেখে নির্ধারণ দামের চেয়ে যেন বেশি দামে না বিক্রি করে সেজন্য তাদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

নবাবগঞ্জে সূরা মুখস্থকরণ প্রতিযোগিতা

 পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় সূরা মুখস্থকরণ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার উপজেলার শিকারীপাড়ায় সমাজ কল্যাণ সংসদ নামের একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার চারটি ইউনিয়ন যথাক্রমে শিকারীপাড়া, জয়কৃষ্ণপুর, বারুয়াখালী ও নয়নশ্রী ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ ড. আলমাস আলী খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মিরাজুল হোসেন চৌধুরী (বাবর মিয়া)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চার ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকবৃন্দ।

দোহারে স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ঢাকার দোহার উপজেলায় সোমাইয়া আক্তার (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রীর ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে ঐ ছাত্রীর বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। সোমাইয়া উপজেলার পূর্ব সুতারপাড়ায় এলাকার মৃত দিদারের মেয়ে। সে ইসলামাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির মানবিক বিভাগের ছাত্রী ছিল।

পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে সোমাইয়ার মা ছেলেকে ডাক্তার দেখাতে ঢাকায় যায়। এসময় বাড়িতে সোমাইয়া, ওর আরেক ভাই ও দাদি ছিলেন। বিকালে সোমাইয়াকে কোথাও না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে। একপর্যায়ে পাশের ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

দোহার থানার উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম জানান, আত্মহত্যার কারণ জানা যায়নি। মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য লাশ মঙ্গলবার রাতেই স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মানিকগঞ্জে হাতে ভাজা মুড়ির কদর

গ্রামের নাম ধলাই। মানিকগঞ্জ সদর উজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের অন্তর্গত এই গ্রামের ঐতিহ্য হচ্ছে হাতে ভাজা মুড়ি। যে মুড়ির কদর জেলার গণ্ডি পেরিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। আর এই মুড়ি তৈরির প্রধান কারিগর হচ্ছেন গ্রামের গৃহিণীরা। বছরের ১২ মাস তারা মুড়ি তৈরির কাজে ব্যস্ত থাকলেও রমজান মাসে তাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। প্রতিদিন কাক ডাকা ভোরেই ঘুম ভেঙে যায় মুড়ির কারিগরদের। চোখে মুখে পানি দিয়েই নেমে পড়েন মুড়ি তৈরির কাজে। বিশেষ করে

গ্রামের গৃহিণীরা পরম মমতা দিয়ে এই মুড়ি তৈরি করে থাকেন। সারা বছর মুড়ি বিক্রি করে তেমন লাভের মুখ না দেখলেও রমজান মাসে বেশি লাভবান হন তারা।

সরজমিন ধলাই গ্রামের সাগর মিয়ার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, মুড়ি ভাজার ধুম। সাগর মিয়া ও তার স্ত্রী রোকেয়া বেগম ব্যস্ত মুড়ি তৈরির কাজে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও এই দম্পত্তি মাটির চুলায় পরম মমতা দিয়ে ভুসি ভাঙা মুড়ি ভাজছেন। প্রায় ৩৫ বছর ধরে এই পেশায় থেকে তারা আজ স্বাবলম্বী। মুড়ি তৈরিই হচ্ছে তাদের আয় রোজগারের একমাত্র অবলম্বন। সংসারে দু’বেলা খেয়ে পরে সুখেই আছেন ৬৫ বছরের সাগর মিয়ার পরিবার।

সাগর মিয়া কাজের ফাঁকে জানালেন মুড়ি তৈরির গল্প। বলেন, আমাদের গ্রামের এক সময় হাতে ভাজা মুড়ির ঐতিহ্য ছিল। সকাল থেকেই প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই মুড়ির ম-ম গন্ধ পাওয়া যেত। কিন্তু সেই ঐতিহ্য এখন আর নেই। এখন আমরা কিছু পরিবার বাবা দাদার আদি পেশাকে ধরে রেখেছি।

বলেন, সারা বছর মুড়ি তৈরি করলেও রমজান মাসে আমাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায় কয়েক গুণ বেশি। কারণ হাতে ভাজা মুড়ি দামের সাথে তুলানা করে কেউ নেয় না। এক কেজি মুড়ি কমপক্ষে ১২০ টাকা কেজি দরে পাইকারী ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করি। তারা খুচরা বাজারে তারা সেই মুড়ি বিক্রি করেন ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে।

ভুসিভাঙ্গা মুড়ির ধান মানিকগঞ্জ জেলায় উৎপাদন হয়না। আনতে হয় সুদুর বরিশাল থেকে। বর্তমানে এক মণ ধান ১৫০০ টাকা। অথচ বছর কয়েক আগে এই ধান কিনেছি ১ হাজার টাকা মণ। ধানের দাম বেড়েছে কিন্ত মুড়ির দাম আগের মতোই।

সাগর মিয়ার স্ত্রী রোকেয়া বেগম ভ্যাপসা গরমে আঁচল দিয়ে মুখের ঘাম মুছতে মুছতে বলেন, মুড়ি ভাজতে গিয়ে চুলায় আগুনের তাপ, প্রচণ্ড গরম এবং হাড় ভাঙা খাটুনি খাটতে হয়। যেদিন স্বামীর সংসারে পা রেখেছি সেদিন থেকেই ব্যস্ত হয়ে পড়ি মুড়ি তৈরিতে। ৩০ বছরের অধিক সময় ধরেই জড়িয়ে আছি মুড়ি ভাজার কাজে। তাই আগুনের তাপ এখন আর গতরে লাগে না। প্রতি সপ্তাহে প্রায় চার দিন মুড়ি ভাজতে পারি। প্রতি দুই মণ ধানে ৪৬ কেজি মুড়ি হয়। এতে প্রায় ৩ হাজার টাকার মতো লাভ হয়। রোকেয়া বলেন, আমরা যে মুড়ি তৈরি করি তাতে কোনো ধরনের ভেজাল নেই। নেই কোনো রাসায়নিক ক্ষতিকারক পদার্থ। যার কারণে আমাদের তৈরি হাতে ভাজা মুড়ির চাহিদা ও কদর বেশি। তবে সারা বছরের চাইতে রোজার সময় চাহিদা বেড়ে যায় কয়েক গুল। প্রতি কেজি মুড়ি পাইকারি বিক্রি করি ১২০ টাকায়। পাশের বাড়ির মুড়ি তৈরির কারিগর সকিনা বেগম। প্রায় ৩৫ বছরের বেশি সময় এই পেশা নিয়োজিত আছেন। স্বামী তাহের আলীর বাড়ির ঘরের লক্ষ্মী তিনি। সংসারে উন্নতির চাবিকাঠিও তিনি। সকিনা বেগম বলেন, সেই ছোট্ট বয়সে স্বামীর সংসারে যেদিন পা রেখেছি সেদিন থেকেই ব্যস্ত হয়ে পড়ি মুড়ি তৈরিতে। প্রায় ৪৫ বছরের অধিক সময় ধরেই মিশে আছি মুড়ি ভাজার কাজে। আমাদের মুড়ির কদর আছে সবখানেই। সারা বছর মুড়ি ভাজি কিন্ত রমজান মাসে চাহিদা অনকে বেশি। তাই প্রতিদিনই আজানের সময় ঘুম থেকে উঠতে হয়। উঠেই বসে পড়ি চুলার পাড়ে। প্রায় বিকাল পর্যন্ত মুড়ি ভাজতে হয়। পাইকার ব্যবসায়ীরা বাড়ি থেকে মুড়ি কিনে নিয়ে শহরের অধিক দামে বিক্রি করে।

নবাবগঞ্জে সাড়ে বারো কোটি টাকা ব্যায়ে মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন

ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিষ্ঠিত ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের আওতায় ঢাকার নবাবগঞ্জে মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন ঢাকা-১ এর সংসদ সদস্য ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা জনাব সালমান এফ রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্মকর্তা, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন ঝিলু সহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

নবাবগঞ্জের গণপূর্ত বিভাগের বাস্তবায়নে মডেল মসজিদটি নির্মাণ কাজের ১২কোটি ৫০লক্ষ ৩৭হাজার ১২১টাকা ২৪ পয়সা ব্যয় হবে। এক বছরের মধ্যে দৃষ্টি নন্দন মসজিদটি নিমার্ণ কাজ সমাপ্ত করা হবে বলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত এসিল্যান্ডের নিউজ৩৯ সম্পাদকের সৌজন্য সাক্ষাৎকার

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত দোহার উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভুমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্রের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন নিউজ৩৯ এর সম্পাদক ও দোহার-নবাবগঞ্জ সোশ্যাল মুভমেন্টের সভাপতি ও সরকারি পদ্মা কলেজের প্রভাষক তারেক রাজিব। এই সময় জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র দোহারের যাবতীয় উন্নয়ন কর্মকান্ডে দোহারের নাগরিক ও সাংবাদিক সমাজকে তার পাশে এসে দাড়ানোর জন্য আহবান করেন। এই সময়  নিউজ৩৯ এর সম্পাদক ও দোহার-নবাবগঞ্জ সোশ্যাল মুভমেন্টের সভাপতি ও সরকারি পদ্মা কলেজের প্রভাষক তারেক রাজিব তার যেকোন উন্নয়ন ও সামাজিক কাজে পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন। এই সময় জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র আরো বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার আসলে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে গেলে তার পরিবার, সংসার ও ব্যক্তিগত সুখ-দুঃখকে বিসর্জন দিতে হয়।  তারপরও আমি সব কিছুর উর্ধে থেকে এই দায়িত্ব পালন করে যাব।

দোহার পৌর ছাত্রলীগের পূর্নাঙ্গ কমিটি অনুমোদন

পাপেল মাহামুদ নিজাম কে সভাপতি ও মোঃ মিজানুর রহমান সাদ্দাম কে সাধারণ সম্পাদক করে দোহার পৌরসভা ছাত্রলীগের পূর্নাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন ঢাকা জেলা (দঃ) ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ গিয়াসউদ্দিন সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এহসান আরাফ অনিক। এই কমিটি টি ৭১ জন সদস্য বিশিষ্ট কমিটির এক নম্বর সহসভাপতি হয়েছেন রাশেদুল হাসান চঞ্চল এবং আরো মোট ৯ জন সহ- সহ-সভাপতি রয়েছে এই কমিটির মধ্যে । এক নম্বরে রয়েছে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে তৌহিদুল আলম বাবু। তাছাড়া এ পদে আছেন আর মোট ৫ জন। এক নম্বরে যুগ্ম সম্পাদক পদে রয়েছেন মোঃ মারুফ মোল্লা। তাছাড়া আরো রয়েছেন মোট ৪ জন। এছাড়া প্রচার সম্পাদক পদে আছেন শাহীন শিকদার। উপ-প্রচার সম্পাদক পদে রয়েছেন একজন। দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন সাফাতুল আজাদ (সৌরভ)। উপ-দপ্তর সম্পাদক পদে রয়েছেন একজন। গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক হয়েছেন মেহেরাজ আহমেদ। উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে আছেন একজন। শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক পদে সালমান হোসেন। উপ-শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক পদে রয়েছেন একজন। সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদ পেয়েছেন মোঃ ওহিদুল ইসলাম। উপ- সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে আছেন একজন। সমাজসেবা সম্পাদক পেয়েছেন আরিফ হোসেন। উপ-সমাজ সেবা সম্পাদক পদে আছেন একজন। ক্রীড়া সম্পাদক পদে আছে শেখ ইমন। উপ-ক্রীড়া সম্পাদক পদে আছেন একজন। পাঠাগার সম্পাদক হয়েছেন সবুজ কুমার বিশ্বাস। উপ-পাঠাগার সম্পাদক পদে আছেন একজন। তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম। উপ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক পদে আছেন একজন। অর্থ সম্পাদক পদে মোঃ সায়িম। উপ-অর্থ সম্পাদক পদে আছেন একজন। আইন বিষয়ক সম্পাদক পদে আছেন রেজুয়ান হোসেন (ইমন)। উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদক পদে আছেন একজন। পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক পদে আছেন মোঃ মিশার খন্দকার। উপ-পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক পদে আছেন একজন। স্কুল ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সাকিব হাসান। উপ-স্কুল ও ছাত্র বিষয়ক পদে আছেন একজন। বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক সাদুন মোস্তফা। উপ-বিজ্ঞান বিষয়ক পদে রয়েছেন একজন। ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সৈকত মাদবর। উপ-ধর্ম পদে আছেন একজন। গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক পদে আছেন দিদারুল ইসলাম। উপ গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক একজন। ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক পদে আছেন মোঃ সাকিব মোল্লা। উপ ত্রান ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক আছে একজন। ছাএী বিষয়ক সম্পাদক পদ পেয়েছে কানিজ ফাতিমা। মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ তানভীর শেখ। উপ-মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আছেন একজন। এছাড়া, সহ-সম্পাদক পদে আছেন ৪ জন এবং সদস্য পদে আছেন ১০ জন।

নির্বাচনী সকল ওয়াদা শীঘ্রই পূরণ করবো – সালমান এফ রহমান এমপি

শরিফ হাসান,নিউজ৩৯ঃ শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত ঢাকার নবাবগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে  উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ  উপদেষ্টা, ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান এমপি বলেছেন, পবিত্র মাহে রমজানের মাস মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য জান্নাতের মাস। এ মাসে যারা গুনাহ মাফ করতে পারল না তাদের চেয়ে নাদান আর কে হতে পারে। সারা বছর আমরা যা কিছু করেছি আল্লাহ  আমাদের ওয়াদা দিয়েছে এ মাসে আমাদের ক্ষমা করে দেবেন। সালমান এফ রহমান বলেন, দোহার-নবাবগঞ্জবাসীকে যা যা কথা দিয়েছিলাম, সেই কথাগুলো ইনশাল্লাহ আমি রাখবো। আমি এলাকার উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার করেছিলাম।

এরই মধ্যে কাজগুলো শুরু হয়ে গেছে। শিগগিরই আপনারা তা দেখতে পারবেন।  তিনি বলেন, এমপির কোটায় যে বরাদ্দ এসেছে তা আমার খরচ করার কথা। অতীতে এমপিরা  নিজেরা সেই টাকা খরচ করেছে। কিন্ত আমি সব টাকাই ইউপি চেয়ারম্যানদের মধ্যে বণ্টন করে দিয়েছি। ওনারা আপনাদের নির্বাচিত প্রতিনিধি। এলাকার উন্নয়নে তারা সেই টাকা ব্যয় করবে। নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য সুবেদ আলী টিপু, ইউনিক গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. নুর আলী, ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন মিয়া, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ, দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালাউদ্দিন মঞ্জু, নবাবগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়াম্যান তাবির হোসেন খান পাভেল, ইয়াসমিন আক্তার, দোহার থানার ওসি মো. সাজ্জাদ হোসেন নবাবগঞ্জ থানার ওসি মো. মোস্তফা কামাল প্রমুখ। ইফতারের আগে সালমান এফ রহমান নবাবগঞ্জে উপজেলা মডেল মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করেন।

২৫ শে মে দোহার-নবাবগঞ্জ পেশাজীবি পরিষদের ইফতার পার্টি

আগামী ২৫ শে মে দোহার-নবাবগঞ্জ পেশাজীবি পরিষদের ইফতার পার্টি । ইফতারে রেজিস্টড়েশনের শেষ তারিখ ২০মে।  এতে অতিথিদের তালিকা নিম্নরুপ। প্রধান অতিথি মেজর জেনারেল (অব) অধ্যাপক ডা. এ,আর, খান – তত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা,  বিশেষ অতিথি ১. মাহবুবা চৌধুরী, সম্পাদক, দৈনিক মানবজমিন ২. প্রকৌশলী মো.সেলিম মিয়া প্রকল্প পরিচালক, এলজিইডি ৩. বাবর আশরাফুল হক সংগঠনের উপদেষ্টা ৪. শাকিল আহমেদ হেড অব নিউজ, ৭১ টিভি ৫. ড. কবিরুল বাশার অধ্যাপক, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়

ধন্যবাদন্তে থাকবেন খালিদ হোসেন সুমন যুগ্ন সাংগঠনিক সম্পাদক দোহার-নবাবগন্জ পেশাজীবি পরিষদ ও সদস্য সচিব ইফতার মাহফিল ও পরিচিত সভা উদযাপন কমিটি

দোহারের নতুন এসি ল্যান্ড জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র

দোহারে সহকারি কমিশনার ভূমি (এসি ল্যান্ড) হিসাবে যোগ দিয়েছেন জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র । ছাত্রজীবনে অত্যন্ত মেধাবী এই কর্মকর্তা ৩৪ তম বিসিএস এ উত্তীর্ণ হন প্রশাসন ক্যাডারে। তিনি জাহাংগীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এনভারনমেণ্টাল সায়েন্স এ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। তার পৈতৃক নিবাস গাইবান্ধা জেলায়। এখানে যোগদানের পূর্বে তার কর্মস্থল ছিল নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট, আইসিটি বিভাগ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নারায়ণগঞ্জ জেলায়। ২৬ ফেব্রুয়ারি,২০১৯ সালে তিনি সহকারি কমিশনার ভূমি হিসেবে পদায়ন পান।