দোহারে প্রতিবন্ধি দোকানি মুনির হত্যা মামলার দুই আসামী আটক

দোহার উপজেলার প্রতিবন্ধি মুদি দোকানি মুনির হত্যার দুই বছর পর আদালতের নির্দেশে পুনরায় হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের আটকে নির্দেশ দিলেন আদালত।এ ঘটনায় রোববার রাতে অভিযুক্তদের মধ্যে দুইজনকে আটক করেছে দোহার থানা পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন উপজেলার দোহার ঘাটা গ্রামের গনজের আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম জানু(৫৫),একই গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে ওমর ফারুক দিপু(২৪)।

পুলিশ সুত্রে জানা যায়,২০১৭ সালের ২৪ই জুন সকালে নিহত মুনিরের মুদি দোকানের ভিতর থেকে তার মৃত দেহ উদ্ধার করেন দোহার থানা পুলিশ।এ সময়ে নিহতের গলায় গভীর কালো জখমের চিহ্ন দেখে মৃত্যুর সঠিক কারন জানতে লাশ মিডফোর্ড স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন পুলিশ।পরবর্তীতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে স্বাভাবিক মৃত্যুর রির্পোট পেয়ে দোহার থানা পুলিশ মামলাটির ফাইনাল রিপোর্ট আদালতে প্রেরন করেন।এ বিষয়ে মামলার বাদী নিহতের বড়ভাই বিল্লাল আদালতে নারাজি দিলে আদালত সিআর মামলা গ্রহন করে মামলার পূর্নতদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন।আদালতের আদেশ পেয়ে সিআইডি গতবছর ২০১৮ সালে মামলার প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করলে আদালত হত্যার বিষয়টি বুঝতে পেরে জিআর মামলা হিসাবে রুজু করতে দোহার থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন।গত বৃহস্পতিবার আদালতের আদেশ পেয়ে মামলাটির দায়িত্ব পান দোহার থানার এস আই ওখিল রঞ্জন সরকার।

এ বিষয়ে দোহার থানার এস আই ওখিল রঞ্জন সরকার জানান,মামলাটির সুষ্ঠ তদন্তের জন্য ও অভিযুক্তদের আটকের স্বার্থে বেশী কিছু বলা যাবে না।দুইজনকে আটক করা হয়েছে মঙ্গলবার আটককৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।

এ বিষয়ে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.সাজ্জাদ; হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান,হত্যার ঘটনার জড়িতর্দে দ্রুত আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

গাছেদের অ্যাম্বুল্যান্স!

গাছ এবং আরও গাছ। পৃথিবী যে ভাবে ধ্বংস হচ্ছে, তা রোখার জন্য দূষণ কমানোর পাশাপাশি বিশ্ব জুড়ে গাছের সংখ্যা বাড়ানোই অন্যতম জরুরি পথ বলে মেনে নিয়েছে বিশ্বের সমস্ত পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা। এখন যে ভাবে উষ্ণ হচ্ছে পৃথিবী, তাতে প্রকৃতি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার আগে হাতে আর খুব বেশি সময়ও নেই বলেই জানিয়েছেন পরিবেশবিদেরা। এই সময়ে শুধু নতুন গাছ লাগানো নয়, পুরোনো গাছেদের যত্ন এবং পরিচর্যাও সমান প্রয়োজন। আসলে, পরিবেশ রক্ষার জন্য একটি ছোট্ট পদক্ষেপকেও স্বাগত জানাচ্ছে বিশ্ব।

ঠিক এমনই একটা সময়ে, সম্প্রতি পার হয়ে যাওয়া বিশ্ব জীববৈচিত্র্য দিবস উপলক্ষে চেন্নাইয়ে শুরু হল, গাছেদের অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা! উদ্বোধন করলেন উপ-রাষ্ট্রপতি ভেঙ্কাইয়া নায়ডু।

কিন্তু গাছেদের জন্য অ্যাম্বুল্যান্স কী রকম! কী ভাবেই বা কাজ করবে সেটি?

জানা গিয়েছে, নানা সময়ে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে উপড়ে যায় বহু গাছ। কখনও আবার নির্মাণের কাজে বাধা তৈরির ‘অপরাধে’ নির্বিচারে কেটে ফেলা হয় তাদের। এই অ্যাম্বুল্যান্স তাদেরই তুলে নিয়ে গিয়ে নতুন করে মাটিতে পোঁতার ব্যবস্থা করবে। সম্প্রতি ঘূর্ণীঝড় ফণীর তাণ্ডবে ওড়িশা-সহ দাক্ষিণাত্যের পূর্ব উপকূল জুড়ে কয়েক লক্ষ বড় গাছ উপড়ে গিয়েছে। সেই গাছগুলিকেই তুলে নিয়ে গিয়ে ফের নতুন কোনও জায়গায় বসানোর চেষ্টা করা হবে গাছগুলি।

আইডিয়াটি প্রথম এসেছিল পরিবেশ আন্দোলনকারী কে আবদুল ঘানির মাথায়। ভারতের সবুজ মানুষ, গ্রিন ম্যান অফ ইন্ডিয়া বলে পরিচিত আবদুল চল্লিশ লক্ষ গাছ পুঁতেছেন দেশে। আরও অনেক সামাজিক আন্দোলনে তাঁর নাম সামনে এসেছে বারবার। একটি বেসরকারি সংস্থার কাছে তিনি এই প্রস্তাব রাখলে, কাজ শুরু হয় বিষয়টি নিয়ে।

উপড়ে যাওয়া গাছকে নিয়ে গিয়ে অন্য জায়গায় লাগানোর পাশাপাশি, এই অ্যাম্বুল্যান্স বিভিন্ন জায়গায় বয়ে নিয়ে বেড়াবে নানা গাছের বীজও। শহরের মানুষদের মধ্যে গাছ লাগানো-সংক্রান্ত সমস্ত রকম সচেতনতা ও সাহায্য করবে তারা। কোনও গাছ মারা গেলে, তার অংশগুলো ঠিক জায়গায় পৌঁছেও দেবে তারা।

অ্যাম্বুল্যান্সেই থাকবেন দক্ষ মালি ও গাছ-কর্মীরা। তাঁদের সঙ্গে থাকবে বাগান করার নানা জিনিসপত্র, সার, জল, ঝারি, খুরপি ইত্যাদি।

এই প্রোজেক্টে বিশেষ ভাবে সহায়তাকারী বেসরকারি সংস্থা সাগার তরফে সুরেশকুমার যাদব বলেন, “একই সঙ্গে দূষণ বাড়ছে এবং গাছের সংখ্যা কমছে। এই অবস্থায় বড় বড় প্রাপ্তবয়স্ক গাছগুলির মৃত্যু বোধ হয় আমাদের পক্ষে মেনে নেওয়া মুশকিল। সে জন্যই, কোনও গাছ যাতে প্রাকৃতিক বা মানুষিক কারণে মরে না যায়, তাই সেগুলিকে রক্ষা করার এই উদ্যোগ এই সময়ে অত্যন্ত জরুরি বলে মনে হয়েছে আমাদের। যা যন্ত্রপাতি বা ওষুধপত্র দরকার, সে সবই আমরা রেখেছি অ্যাম্বুল্যান্সে। কোথাও থেকে গাছ তুলে এনে অন্য জায়গায় লাগানোর জন্যও অত্যাধুনিক পদ্ধতি প্রয়োগ করা হচ্ছে।”

কে আবদুল ঘানি, এই অ্যাম্বুল্যান্স প্রকল্পের উদ্যোক্তা, বলেন, “কত গাছ ঝড়ে উপড়ে যায়। পড়ে পড়ে মারা যায় সেগুলি। নতুন করে লাগানোর ব্যবস্থা করাই হয় না। এই অ্যাম্বুল্যান্স আর তা হতে দেবে না। হেল্পলাইনে ফোন করামাত্র আমরা অ্যাম্বুল্যান্স নিয়ে পৌঁছে যাব, বিনামূল্যে গাছটিকে সরিয়ে আনব।”

তিনি আরও বলেন, “শুধু প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে উপড়ে যাওয়াই নয়। অনেক সময়েই দেখা যায়, গাছের কারণে সমস্যায় পড়ছেন পথচারী বা শহরবাসীরা। সেগুলি কেটে ফেলতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা। শুধু চেন্নাইয়েই এরকম ঘটনা শয়ে শয়ে ঘটছে রোজ। আমাদের জানালে আর এভাবে মারতে হবে না গাছগুলিকে। যত্ন করে তাদের সরিয়ে অন্যত্র বসাব আমরা।”

“দোহারে পদ্মা কলেজের ছাত্রী সুবর্ণা মন্ডল হত্যার বিচারের দাবীতে মানবন্ধন”

তৌহিদ,নিউজ৩৯ঃ ঢাকার দোহারে সুবর্না মন্ডল হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচীর আয়োজন করে সরকারি পদ্মা কলেজের ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার মুকসুদপুর এলাকায় পদ্মা কলেজের শিক্ষক, শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকাবাসীর যৌথ উদ্দ্যোগে কলেজের সামনে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এসময় সেখানে চলাচলকারী সকল যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

নিহত সুবর্ণা মন্ডল সরকারি পদ্মা কলেজের ছাত্রী ছিলেন এবং মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ির ইসলামপুর গ্রামের হৃদয় মন্ডলের স্ত্রী ছিলেন । নিহতের মা রেখা মন্ডল ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, অনেক দিন ধরেই সুবর্ণাকে তার ননদের স্বামী শুভংকর মন্ডল উত্তপ্ত করে কুপ্রস্তাব দিচ্ছিলেন। তার কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গত ২০ জুন শুভংকর মন্ডল ও শশুর বাড়ির লোকজন শারীরিক নির্যাতন করে সুর্বনাকে হত্যা করে। ঐ ঘটনায় নিহতের মা রেখা মন্ডল বাদী হয়ে সুবর্ণার স্বামী হৃদয় মন্ডল, ননদের স্বামী শুভংকর মন্ডল, ননদ অঞ্জনা মন্ডল ও শ্বাশুড়ি শেফালী মন্ডল কে আসামী করে টঙ্গীবাড়ি থানায় মামলা করেন। তবে ঘটনা পর থেকে আসামীরা পলাতক থাকায় তাদেরকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। মানববন্ধনে অংশগ্রহনকারীরা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবী জানান।

বাধ নির্মাণের স্বার্থে দোহারে জাহাজ বানানো বন্ধ

বাধ নির্মাণের স্বার্থে দোহারে জাহাজ শিল্পাঞ্চল নামে পরিচিত নারিশা ডাক বাংলো এলাকায় মংগলবার থেকে  জাহাজ বানানো বন্ধ রয়েছে। যথাযথ অনুমতি না থাকায়, পরিবেশ দূষণ  রোধ ও নদীর তীর সংরক্ষণ এবং বাধ নির্মাণের জন্য ঢাকা-১ আসনের এমপি সালমান এফ রহমান তাৎক্ষণিক সকল নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেন। একই সাথে পরবর্তী নির্দেশনা না-দেয়া পর্যন্ত তিনি উপস্থিত দোহার উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা, দোহার থানা ওসি কে বিষয়টি লক্ষ্য রাখতে নির্দেশ দেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গনে স্বেচ্ছাসেবক লীগ

আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ। রোববার সকালে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অ্যাড‌ভো‌কেট মোল্লা মোঃ আবু কাওছার ও সাধারণ সম্পাদক পংকজ নাথ এম‌পি ও সিনিয়র সহ-সভাপতি বাবু নির্মল রঞ্জন গুহের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহসহ ঢাকা মহানগর  ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রোজ গার্ডেনে আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে এই দলের আত্মপ্রকাশ ঘটলেও পরে তা অসাম্প্রদায়িক সংগঠন হিসেবে বিকাশ লাভ করে শুধু আওয়ামী লীগ নাম নিয়ে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এ দেশে পাকিস্তানি সামরিক শাসন, জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে সকল আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে এ দলটি।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, আইয়ুবের সামরিক শাসন-বিরোধী আন্দোলন, ১৯৬৪-এর দাঙ্গার পর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা, ১৯৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলন ও ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের পথ বেয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ২৪ বছরের আপোষহীন সংগ্রাম-লড়াই এবং ১৯৭১ সালের নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ তথা সশস্ত্র জনযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ওই বছরের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের মধ্যদিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বাঙালির হাজার বছরের লালিত স্বপ্নের ফসল স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

১৭৫৭ সালের এই দিনে ভাগীরথী নদীর তীরে অস্তমিত হয়েছিল বাংলার স্বাধীনতার সূর্য। ১৯২ বছর পর একই দিনে বাংলার মানুষের মুক্তি আর অধিকার আদায়ের জন্য গঠিত হয় উপ-মহাদেশের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। গণতান্ত্রিকভাবে জন্ম নেয়া মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী এই দলটির ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী  উৎযাপন করলো  ২৩ জুন ।

গত কাল সকালে সূর্য উদয় ক্ষণে কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এ ছাড়া বেলা ১১টায় টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের প্রতিনিধিরা শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন।

দোহারে ভাড়াটিয়াকে নামিয়ে দেয়ায় দোকান মালিককে হুমকি

দোহারে নিয়মিত ভাড়া প্রদান না করায় নূর মোহাম্মদ নূরু নামে এক ভাড়াটিয়াকে দোকান থেকে নামিয়ে দেয়ায় দোকান মালিককে মামলা ও দেখে নেয়ার হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। দোকান মালিক তায়েবুর রহমান ও তার ভাই মিজানুর রহমান জানান, ১লা জানুয়ারি ২০১০ সালে ৫ বছর মেয়াদি চুক্তিপত্রে টিসিএল শোরুমে ব্যবসা পরিচালনার জন্য ভাড়া নেন ভাড়াটিয়া নূর মোহাম্মদ নূরু। গত ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৪ সালে এই ৫ বছর চুক্তিপত্রের মেয়াদ শেষ হলেও বাড়িওয়ালার নিজ প্রয়োজনে দোকান ঘর প্রয়োজন হওয়ায় দোকান ঘর খালি করে জামানতের টাকা ফেরত নিয়ে দোকান ছেড়ে দেয়ার নোটিশ প্রদান করেন। পরপর ৩টি নোটিশ করার পরও ওই দোকান ছেড়ে না দিয়ে টালবাহানা করে বিভিন্ন উপায়ে জোরপূর্বক আরও ৫ বছর ধরে ব্যবসা পরিচালনা করে চলেছেন। একপর্যায়ে গত ৮ই মে দোকান মালিক মিজানুর রহমান দোহার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দোহার থানা প্রশাসন ও জয়পাড়া পূর্ববাজার সমিতির সদস্যদের নিয়ে বসলে ১৯শে জুন ২০১৯ এর মধ্যে দোকান ছেড়ে দিবেন বলে অঙ্গীকার করেন ভাড়াটিয়া। ১৫ই জুন অতিবাহিত হলেও দোকান থেকে না নেমে দোকানে জোরপূর্বক থাকার চেষ্টা করেন তিনি। পরে জয়পাড়া পূর্ববাজার ব্যবসায়ী সমিতি প্রশাসনকে অবহিত করে বাজার কমিটির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ভাড়াটিয়া নূর মোহাম্মদ নূরুর দোকানে গিয়ে তাকে না পেয়ে তার কর্মচারী মো. জিয়াদ ও নূরুর ছেলে মো. কায়েস-এর উপস্থিতিতে ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা দোকানের মালামালের একটি তালিকা প্রস্তুত করে পার্শ্ববর্তী একটি গোডাউনে নিরাপত্তার স্বার্থে সংরক্ষণ করেন।

এর আগে নূরুকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি তাতে কর্ণপাত না করে উল্টো তাকে দোকান থেকে বের করে দেয়ায় মামলা করা সহ দেখে নেবেন বলে ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যদের হুমকি প্রদান করেন।

এ বিষয়ে জয়পাড়া পূর্ব বাজার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল হাসেম ( হাসি) জানান, নুরু আমাদের ব্যবসায়ীদের সুনামকে ক্ষুণ্ন করেছে। তাকে ব্যবসায়ী সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী একাধিক নোটিস করার পরও তিনি দোকান খালি করেননি। পরে থানা প্রশাসনকে অবহিত করে আমরা আমাদের নিয়ম অনুযায়ী দোকান মালিককে সঙ্গে রেখে তাকে দোকান থেকে নেমে যাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি। এ বিষয়ে ভাড়াটিয়া নূর মোহাম্মদ নূরু হুমকির কথা অস্বীকার করে পরে কথা বলবো বলে মুঠোফোন কেটে দেন।

নবাবগঞ্জে বিভিন্ন দাবীতে নবাবগঞ্জ উন্নয়ন সংস্থার মানববন্ধন

ঢাকার নবাবগঞ্জ-দোহার সড়কের মরিচা ও তুলশিখালী সেতু টোলমুক্ত সহ বিভিন্ন দাবীতে মানববন্ধন করেছেন নবাবগঞ্জ উন্নয়ন সংস্থা নামে একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। সোমবার বেলা ১২টায় উপজেলা সদর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এ মানববন্ধন করা হয়।

মরিচা ও তুলশিখালী  সেতু টোলমুক্ত সহ মানববন্ধনে নবাবগঞ্জে গ্যাস চাই, সন্ত্রাস মুক্ত নবাবগঞ্জ চাই, নবাবগঞ্জকে মাদকমুক্ত ও ইভটিজিং মুক্ত দেখতে চাই, ইছামতি নদীর বর্জ্যমুক্ত ও দখলমুক্ত চাই, পরিচ্ছন্ন ও ফুটপাত দখলমুক্ত এবং নিরাপদ সড়কের দাবি জানান মানববন্ধনকারীরা।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- দোহার নবাবগঞ্জ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মানবেন্দ্র দত্ত, সংগঠনের সভাপতি শেখ তোফায়েল আহমেদ , মহানগর শ্রমিক ফেডারেশনের প্রচার সম্পাদক বাবুল লাল মন্ডল, শ্রমিক নেতা- অবিনাশ সরকার, বাবুল মোল্লা, মো. শাহজাহান, আব্দুস সাত্তার সিকদার, সোয়েব আহমেদ প্রমূখ।

দোহারে বাস চালককে কুপিয়ে জখম

ঢাকার দোহার উপজেলার নিকড়া এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মো. শাহিন শেখ নামে এক বাস চালককে কুপিয়ে যখম করেছে প্রতিপক্ষ। শাহিন ঢাকা-দোহার চলাচলকারী ডিএন পরিবহনের চালক। এ ঘটনায় ওই ব্যক্তির মা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে চারটার দিকে দোহার উপজেলার জয়পাড়া কলেজ মোড়ে ডিএন পরিবহনের কারনে যানজটের সৃষ্টি হয়। যানজটকে কেন্দ্র করে বাসের হেলপার জুলহাসের সাথে নিকড়া এলাকার রাসেল বেপারীর কথাকাটা এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তখন অনু নামে এক ব্যক্তির মধ্যস্থতায় দুইপক্ষ ঐদিন বিকালে নিকড়া রাসেল বেপারীর বাড়িতে মিমাংসায় রাজি হয়।

বিকালে ডিএন পরিবহনের চালক শাহিন, ম্যানেজার মো. মজনু, সুপার ভাইজার বাবুল বেপারী ও শাহিনের মা কমলা বেগম মিমাংসা জন্য নিকড়া রাসেলদের বাড়িতে যায়। দুই পক্ষের কথাবার্তার এক পর্যায় রাসেল ও তার এক সহযোগী শাহিনকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে যখম করে। আহত অবস্থায় শাহিনকে উদ্ধার করে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

আহত বাস চালক শাহিনের মা কমলা বেগম বাদি হয়ে দোহার থানায় রাসেল সহ দুই জনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করে।

এ বিষয়ে দোহার থানার উপ-পরির্দশক সৌমেন মিত্র বলেন, এ বিষয়ে দোহার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দোহারে নতুন ভোটারদের তালিকা তৈরি শুরু

ঢাকা জেলা দোহার উপজেলা প্রথম ধাপে পৌরসভা ১ নং ওয়ার্ডের নারী-পুরুষ মিলে প্রায় হাজারের অধিক নতুন ভোটার তালিকা গ্রহন করেন উপজেলা নিবার্চন কমিশন । সারা বাংলাদেশে নতুন ভোটারদের লক্ষ্য মাত্র হলো প্রায় ২ কোটি ।যা দোহারে লক্ষ্য মাত্রা হলো ১৮ হাজার । এই কার্যক্রম চলবে ১ মাস ১৫ দিন ।গত ২০ জুন বৃহস্পতিবার সকালে পৌর ভবনের ২য় তলা প্রথম ধাপের কার্য শুরু হয় । ভোটার তালিকা গ্রহনের শেষ তারিখ ৩ জুলাই পর্যন্ত ।

নতুন ভোটার হতে হলে অবশ্য জন্ম নিবন্ধন পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি ও পৌর কর পরিশোধ করতে হবে,পৌরসভায় আওতায় যেসকল ভোটার রয়েছে।উল্লেখ্য যে,যদি কেউ স্কুল সাটিফিকেট অনুযায়ী ফরম ফিলাপ করেন,তাহলে তাকে তার ফটোকপি দিতে হবে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার এর দায়িত্ব নিয়োজিত কর্মকর্তাগন ।এই কাজে ১৪ জন কর্মকর্তা নিয়োজিত রয়েছে । সকাল ৮.০০ থেকে বিকাল ৫.০০ ঘটিকা পর্যন্ত চলে তাদের এই কার্যক্রম । সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সর্ব শেষ ৪/৬ জুলাই এর মধ্যে কার্য শেষ করার নির্দেশ রয়েছে ।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার দোহার শাখায় টিম ম্যানেজার মুহাম্মদ ওয়ালিদ নিউজ৩৯কে জানান, ২০ জুন থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত চলবে এই কার্যক্রম ।নতুন ভোটারদের জাতীয় পরিচয় পত্র কবে নাগাত দিবেন নিবার্চন কমিশন ? উত্তরে তিনি বলেন,১ থেকে ২ বছর সময় লাগতে পারে।কেননা এখন জাতীয় পরিচয় পত্র এর পরিবর্তে স্মাট কার্ড হিসেবে পাবে ভোটাররা।যার ফলে একটু সময় লাগবে ।কেননা ২০০৭-১৬-১৭ সনের জাতীয় পরিচয় পত্রটি স্মাট কার্ড হিসেবে পরিনত হয়েছে । আগামি নভেম্বর মাসের মধ্যে তা পৌছে দেওয়া হবে সব উপজেলায় ।নতুন ভোটাররা কি আসন্ন নির্বাচনে ভোট দিতে পারবে? জবাবে তিনি বলেন ১৮ বছর প্লাস তারা ভোট দিতে পারবে । কারন নতুন তালিকায় তাদের নাম থাকবে ।

প্রতিদিনের হাদিস: ঈমান

হাদিস নং ১১: অমর ইবনু খালিদ (রহঃ) … আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, এক ব্যাক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করল, ইসলামের কোন কাজটি উত্তম? তিনি বললেন, তুমি খাবার খাওয়াবে ও পরিচিত অপরিচিত সবাইকে সালাম দিবে।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

বর্ণনাকারী রাবীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাঃ)

হাদিস নং ১২: মূসা’দ্দাদ (রহঃ) ও হুসাইন আল মু’আল্লিম (রহঃ) … আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ তোমাদের কেউ প্রকৃত মু’মিন হবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য তা-ই পছন্দ করবে, যা নিজের জন্য পছন্দ করে।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

বর্ণনাকারী রাবীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী

অধ্যায়ঃ ঈমান

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন