শিকারীপাড়ায় ইয়াবা ব্যবসায়ী আটক

ঢাকার নবাবগঞ্জের শিকারীপাড়া থেকে সাধু বিশ্বাস (৩৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার শিকারীপাড়া ইউনিয়নের শিবপুর গ্রাম থেকে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ  তাকে আটক করা হয়। আটককৃত সাধু বিশ্বাস জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের সোনাবাজু গ্রামের সন্তোষ বিশ্বাস ছেলে।

বারুয়াখালী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক নাসির উদ্দিন মৃধা জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস আই ফরহাদুজ্জামান ভূইয়া ও এএসআই সোহরাব হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে শিবপুর থেকে সাধু বিশ্বাসকে ২০ পিস ইয়াবাসহ আটক করে। পরে মাদক আইনে মামলা দিয়ে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

প্রিয়া সাহার অভিযোগ উদ্দেশ্যমূলক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

0

সাম্প্রদায়িক নিপীড়নের শিকার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে হোয়াইট হাউজে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহা যে অভিযোগ করেছেন তা উদ্দেশ্যমূলক বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। শুক্রবার রাতে প্রিয়া সাহার দেয়া সাক্ষাৎকারের পর তিনি এ মন্তব্য করেন। আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, তিনি (প্রিয়া সাহা) যে অভিযোগ করেছেন, তেমন কিছু ঘটেছে বলে আমার জানা নেই। এটা নিশ্চয়ই কোন চক্রান্ত। এটা উদ্দেশ্যমূলক বলেই আমার মনে হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, কথা হচ্ছে যে, এ ধরনের অভিযোগ (সংখ্যালঘু নির্যাতন) বাংলাদেশের কোনো মানুষই বিশ্বাস করবে না। করেও না। কারণ, এদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার। প্রধানমন্ত্রীর কঠোর পরিশ্রমের কারণে দেশ আজ এ পর্যায়ে এসেছে, যা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল।

ভিডিওতে যে মহিলাকে (প্রিয়া সাহা) কথা বলতে দেখা গেছে, তিনি তো কোনোদিন আমাদের কাছে এসে এমন দুঃখের কথা বলেন নাই। পুলিশ প্রশাসন সবসময় সজাগ থাকে যেন দেশের কোনো জায়গায় সংখ্যালঘুরা কোনোভাবে অত্যাচারিত না হয়। তাকে এখনো বলব, এ ধরনের কোনো ঘটনা যদি ঘটে থাকে, তবে তিনি যেন আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আমরা এ ধরনের অভিযোগের কোনো সত্যতা এখন পর্যন্ত খুঁজে পাইনি।

দোহারে শামীমা রাহিম শিলার বই বিতরণ

দোহার উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা রাহিম শিলা শুক্রবার দোহারের ৪টি কলেজের মেধাবী কিন্ত দুস্থ শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ করেছেন। তিনি প্রায় ৩০জন একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের মাঝে সকল পাঠ্য এসব বই বিতরণ করেন। সরকারি পদ্মা কলেজ, মালিকান্দা ও মেঘুলা কলেজ, বেগম আয়েশা মহিলা কলেজ ও জয়পাড়া কলেজের শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ কালে তিনি বলেন, শিক্ষা মানুষকে নৈতিকতা, সাহসিকতা, দেশপ্রেম, সততা ও জীবন কিভাবে চলবে তা শেখায়। শিক্ষায় মানুষকে গণতান্ত্রিক ও অধিকার আদায়ে সচেষ্ট করে। তিনি আরো বলেন, এসব একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অজ্ঞনতার অন্ধকার দূর করে একটি সমৃদ্ধ ও সুখী বাংলাদেশ গড়বে বলে প্রত্যাশা করি।

এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়ালেখা করতে, মাদক থেকে দূরে থাকতে ও পত্রিকা পড়তে উদবুদ্ধ করেন। এসময় বিভিন্ন স্তরের দলীয় নেতা-কর্মি ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।

পুরোনো সীমানাতেই হবে দোহার পৌরসভার নির্বাচন

0

পুরোনো সীমানাতেই হবে দোহার পৌরসভার নির্বাচন। সীমানা জটিলতায় ১৯ বছর ধরে আটকে থাকলেও আদালতের রায়ে ৯০ দিনের মাঝে নির্বাচন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সেই হিসাবে অক্টোবরের মাঝেই হওয়ার কথা দোহার পৌরসভা নির্বাচন। সীমানা নিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনা থাকলেও যেহেতু নতুন করে পৌরসভার সীমানার গেজেট ঘোষনা হয় নি সেহেতু ২০০১ সালের সীমানাতেই আয়োজিত হতে যাচ্ছে দোহার পৌরসভা নির্বাচন। এমনটাই জানিয়েছেন দোহারের নির্বাচন কর্মকর্তা।

একদিকে করের বোঝা আরেকদিকে ক্রমাগত স্বেচ্ছাচারী পৌরসভা, ফলে কাঙ্খিত সেবা না পাওয়া পৌরবাসীর ক্ষোভ একেবারে নতুন না। পৌরবাসী না পাচ্ছে পৌরসভার সেবা না পাড়ছে অযোগ্য ও সেচ্ছাচারী পৌরসভার কোন সেবা। তাই দোহার পৌর নির্বাচন অনেকটাই জনদাবিতে পরিনত হয়েছে দোহার পৌরবাসীর জন্য।

২০০১ সালে গঠিত দোহার পৌরসভা গঠন করা হয় দোহার উপজেলার জয়পাড়া ইউনিয়নের পুরোটা ও রাইপাড়া, সুতারপাড়া ও মাহমুদপুর ইউনিয়নের আংশিক নিয়ে। ২০০০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয় প্রথম নির্বাচন। এর পর সীমানা জটিলতা, রাজনৈতিক প্রভাব ও নামকরণ নিয়ে আদালতে মামলা থাকায় কেটে যায় ১৮ বছর। ২০১৩ সালে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলেও ভোট গ্রহণের মাত্র তিন দিন আগে মাহমুদপুরের বাসিন্দা আব্দুস সোবহান সীমানা জটিলতা নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট করেন। এতে নির্বাচন আবার বন্ধ হয়ে যায়। তার অভিযোগ ছিল, মাহমুদপুরের যে অংশটি দোহার পৌরসভায় পড়েছে, তারা নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত। তাদের বাদ দিয়ে পৌরসভা সীমানা নির্ধারণের দাবি জানান তিনি। এই মর্মে তিনি হাই কোটে রিট করেন। অবশেষে ২০১৯ সালে দোহার পৌরবাসীরা দোহার পৌরসভার নির্বাচনের দাবি নিয়ে দেখা করে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেস্টা সালমান এফ রহমানের সাথে। তিনি অতি দ্রুত সীমানা জটিলতা দূর করে পৌরসভা নির্বাচনের আশ্বাস দেন। এরপর  পৌরবাসি সীমানা নিয়ে কিছুটা দ্বিধায় থাকলেও গেজেট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত পুরোনো সীমানাতেই পৌরনির্বাচন হবে বলে জানান দোহার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা।

এ নিয়ে নিউজ৩৯ দোহার পৌরসভার ইন্জিনিয়ার মশিউর রহমান এর কাছে যায় তখন তিনি বলেন যে আমি এই পৌরসভার নির্বাচন সম্পর্কে কিছু বলতে পারি না সে টা নির্বাচন কমিশনার জানে।

এরপর নিউজ৩৯ দোহার উপজেলার নির্বাচন কমিশনর এর কাছে নির্বাচন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন যে পৌরসভা নতুন করে কোন আইন পাশ হয় নাই পৌরসভা পুরাতন টাই আছে আর নতুন পৌরসভা গঠন করতে হলে নতুন গেজেট প্রকাশ করতে হবে এরপর ধারাবাহিক ভাবে নতুন পৌরসভা গঠন হবে। তখন তার কাছে জানতে চাইয়া হয় যে এই বেপারে কোন আদালত থেকে কোনো ধরনের নোটিশ আছে কিনা তিনি জানায় না এই বেপারে আমরা কোন নোটিশ পাইনি পেলে আপনাকে জানাবো নতুন পৌরসভা নিয়ে নির্বাচন করতে চাইলে গেজেট প্রকাশ করতে হবে আর সেটা সরকার চাইলে যে কোন সময় করতে পারবে আর যদি  এখন নির্বাচন হয় তাহলে পুরাতন পৌরসভা নিয়ে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে হবে আর এই পুরাতন পৌরসভা নিয়ে নির্বাচন হবে।

মুকসুদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটি গঠন

দোহার উপজেলা মুকসুদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। মুকসুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ হান্নান খানকে আহবায়ক ও মিজানুর রহমান খান মিলন, আব্দুর রহিম শেখ, হাজী আব্দুল মোতালেবকে যুগ্মা আহবায়ক করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম খান বাবুল ও সাধারন সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদারের সাক্ষরিত এই কমিটিকে আগামী তিন মাসের মধ্যে পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষনা করার দায়িতে দেয়া হয়েছে। এই সময়ে মুকসুদপুর ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ডের পূর্নাঙ্গ কমিটি করে কাউন্সিলের মাধ্যমে মুকসুদপুর  ইউনিয়ন কমিটি গঠন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ৩১ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটিতে ২০ সদস্যের নাম ঘোষনা করা হয়েছে। আগামী সাত দিনের মাঝে বাকি ৭ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করে আহবায়ক কমিটিকে পূর্নাঙ্গ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

নারিশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটি গঠন

দোহার উপজেলা নারিশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ফরিদ আহমেদ মোড়লকে আহবায়ক ও সেলিম তালুকদার, বখতিয়ার হোসেন লেবু খান, মুক্তার হোসেনকে যুগ্মা আহবায়ক করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম খান বাবুল ও সাধারন সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদারের সাক্ষরিত এই কমিটিকে আগামী তিন মাসের মধ্যে পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষনা করার দায়িতে দেয়া হয়েছে। এই সময়ে নারিশা ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ডের পূর্নাঙ্গ কমিটি করে কাউন্সিলের মাধ্যমে নারিশা  ইউনিয়ন কমিটি গঠন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ৩১ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটিতে ১৬ সদস্যের নাম ঘোষনা করা হয়েছে। আগামী সাত দিনের মাঝে বাকি ১১ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করে আহবায়ক কমিটিকে পূর্নাঙ্গ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

নবাবগঞ্জের হাসনাবাদ সড়কের বেহাল দশা

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের হাসনাবাদ এলাকার মাত্র ৫০০মিটার সড়কের বেহাল দশা। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে সড়কটি দিয়ে কোন যানচলাচল করতে চায় না। এতে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা ও স্কুল এবং কলেজগামী শিক্ষার্থীরা। হাসনাবাদ গীর্জা থেকে সেন্ট ইউফ্রেজিস্ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ গেট পর্যন্ত সড়কটিতে সামান্য বৃষ্টি হলেই হাঁটু পানি জমে যায়। এছাড়া পুরাতন বান্দুরা বাজার থেকে সেন্ট ইউফ্রেজিস বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের যাওয়ার সড়কটিরও বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে একাধিক গর্ত। এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে  র্দুঘটনা, বিকল হচ্ছে গাড়ি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসনাবাদ গির্জার প্রধান ফটক থেকে হাসনাবাদ সেন্ট ইউফ্রেজিস বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের দূরত্ব সর্বোচ্চ ৫শ’ মিটার। সড়কটি বর্তমান অবস্থা খুবই নাজুক। সড়কটি থেকে পিচ ও ইটের খোয়া উঠে গিয়ে সড়কের মধ্যে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে কোন যানবাহন বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া সড়কটি দিয়ে এখন আর যেতে চায় না। বিশেষ প্রয়োজনে যানবাহন গেলেও অনেক সময় গর্তের মধ্যে চাঁকা ফেঁসে গিয়ে যানবাহন বিকল হয়ে পড়ে জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। এতে প্রতিনিয়ত ঘটে নানা রকম দুর্ঘটনা। বর্তমান সড়কটি যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন এ সড়কটি দিয়ে হাসনাবাদ সেন্ট ইউফ্রেজিস বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ, হাসনাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বান্দুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী যাতায়াত করে থাকে। সামান্য বৃষ্টি হলে সড়কটিতে পানি জমে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় তিনটি বিদ্যাপীঠের শিক্ষার্থীদের। এছাড়া হাসনাবাদে ঐহিত্যবাহী জপমালা গির্জায় প্রতি রোববার কাঁচারীঘাট, পুরাতন বান্দুরা, মোলাশীকান্দা, দেওতলা এলাকা থেকে খ্রিষ্টান সম্পদায়ের শত শত লোক এ সড়কটি দিয়ে গির্জায় যাতায়াত করে। সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়ায় গির্জায় যাতায়াতে প্রতিনিয়ত সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তাদেরকে। সড়কটি সংস্কার না হওয়ার সব ধরনের যান চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে। অন্যদিকে দীর্ঘদিনেও সড়কটির সংস্কার না হওয়ায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের উপর অনেকটা ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগী এলাকার লোকজন। অথচ স্থানীয় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. হিল্লাল মিয়ার বাড়ির যেতেও এই সড়কটি ব্যবহার করতে হয়। এ সড়কটি দিয়ে চলাচলকারী জনগন নির্বাচিত জনপ্রতিনিদের দুষছেন। তাদের দারি জনপ্রতিনিধিদের অবহলোর কারণে সড়কটি  সংস্কার সম্ভব হচ্ছে না।

বান্দুরা সরকারি প্রাথমিক বালক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্র শাহরিয়ার সান বলেন, রাস্তাটির অবস্থা অনেক খারাপ। আমাদের অনেক কস্ট হয়। বৃষ্টি হলে পানি জমে, জামা কাপড় নস্ট হয়। তাই স্কুলেই আসি না।

হাসনাবাদ সেন্ট ইউফ্রেজিস বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের ১০ শ্রেণির ছাত্রী সুরাইয়া আফরিন বলেন, আমাদেরকে ইকরাশি থেকে প্রতিদিন স্কুলে আসতে হয়। কোন গাড়ি এই রোড দিয়ে আসতে চায় না। ফলে বাধ্য হয়ে হেঁটেই আসতে হয়। সামান্য বৃষ্টি হলেই চলাচল করা যায়। পানি মধ্যে হাঁটতে গিয়ে র্দুঘটনার ঘটনাও ঘটেছে প্রতিনিয়ত।

অটোরিক্সা চালক মঞ্জু মিয়া বলেন, বান্দুরা থেকে দোহারের পালামগঞ্জ পর্যন্ত পুরো সড়কটি ভাল। তবে এই ৪/৫শ মিটার ভাঙ্গার কারনে কোন অটো গাড়ি বা রিক্সা এই সড়কটি দিয়ে আসতে চায় না। বাধ্য হয়ে আমরা প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে দোহার যাই।

স্থানীয় বাসিন্দা রতন ডি কস্তা বলেন, হাসনবাদ গির্জা থেকে স্কুল পর্যন্ত সড়কটির দূরত্ব সর্বোচ্চ ৫শ মিটার হবে। সড়কটির অবস্থা এতই খারাপ প্রয়োজনের সময়ও গাড়ি পাওয়া যায় না। মাত্র ৫শ মিটার সড়কের কারনে সড়কটি দিয়ে কোন গাড়ি যাতায়াত করতে চায় না। এছাড়া বৃষ্টি হলে পাঁয়ে হেঁটেও যাতায়াত করা যায় না। রোববার গির্জায় খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের লোকজনকে বিশেষ প্রার্থনায় আসতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

হাসনাবাদ সেন্ট ইউফ্রেজিস বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সিস্টার মার্গ্রেট বলেন, গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির অবস্থা খুব খারাপ। প্রতিদিন সড়কটি দিয়ে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত করতে হয়। এছাড়া গির্জায় কোন অনুষ্ঠান হলে খ্রীস্টান সম্প্রদায়ের লোকজনদের খুব ভোগান্তিতে পড়তে হয়। তাই ত দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা প্রয়োজন।

এবিষয়ে বান্দুরা ইউপি চেয়ারম্যান মো. হিল্লাল মিয়া রাস্তাটির দূর্ভোগের কথা স্বীকার করে বলেন, অনেক দিন আগে রাস্তটি মেরামত করা হয়েছিলো। রাস্তাটি আবার মেরামতের জন্য বেশ কয়েকবার উপজেলা প্রকৌশলী অফিসকে তাগাদা দিয়েছি কিন্তু এ বিষয়ে তাদের কোন আগ্রহ নেই।

 নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, সড়কটির ব্যাপারে আমি অবগত আছি। আশা করছি খুব শীঘ্রই কাজের দরপত্র আহবান করা হবে।

নবাবগঞ্জে ছাত্রের আত্মহত্যা

ঢাকার নবাবগঞ্জের শুভঙ্কর মন্ডল নামে এক কলেজ ছাত্র আত্মহত্যা করেছে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। মৃত শুভঙ্কর উপজেলার কৈলাইল গ্রামের জয় গোপাল মন্ডলের ছেলে। সে দোহার নবাবগঞ্জ কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।

নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাতে পুলিশ শুভঙ্করের মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পুলিশ আরও জানায়, মঙ্গলবার দুপুরের দিকে নিজ ঘরে গলায় রশিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে।

মৃতের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুভকংর মন্ডল এবছর অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরিক্ষায় অংশগ্রহন করে। হঠাৎ কেন আত্মহত্যার পথ বেছে নিলো তারা বুঝতে পারছে না।

নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক আবিদ হোসেন বলেন, শুভঙ্করের মানসিক সমস্যার কারনে এই পথ বেছে নিয়েছে হয়তো।

এদিকে, গত ১৬দিনে নবাবগঞ্জে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটনায় ৩জনের মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

নবাবগঞ্জে ইয়াবাসহ আটক ২

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৭৫টি ইয়াবা ট্যাবলেটসহ খোকন মোল্লা (৩৬) ও সহিদুল ইসলাম (২৪) নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বারুয়াখালী ইউনিয়নের আলালপুর থেকে শহিদুল ইসলামকে ও বুধবার সকালে জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের কুঠরী এলাকা থেকে খোকন মোল্লাকে আটক করা হয়।

আটককৃত সহিদুল ইসলাম নবাবগঞ্জ উপজেলার আলালপুর গ্রামের মো. হুকুম ফকির ছেলে এবং খোকন মোল্লা মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার ধুলসুরা গ্রামের হাকিম মোল্লার ছেলে ।

বারুয়াখালী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই আব্দুর রশিদ ও এএসআই রবিউল ইসলামের নের্তৃত্বে কনস্টেবল আশরাফুল ইসলাম, আলমগীর হোসেন ও মো. ইমরুল অভিযানে অংশগ্রহণ করেন।

নবাবগঞ্জ থানার বারুয়াখালী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক নাসির উদ্দিন মৃর্ধা জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টায় আলালপুর এলাকা থেকে সহিদুলকে ২০টি ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করে পুলিশ। এছাড়া বুধবার সকাল ১০টার দিকে জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের কুঠরী এলাকা থেকে খোকন মোল্লাকে ৫৫টি ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়।

পরিদর্শক নাসির উদ্দিন মৃর্ধা আরও জানান, বুধবার দুপুরে সহিদুল ও খোকনকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

দোহারে ভাইস চেয়ারম্যানের ভাতিজাকে অপহরণের চেষ্টা

ঢাকার দোহার উপজেলায় হাফিজুর বেপারী (১৩) নামে এক শিক্ষার্থীকে অপহরণের চেস্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে অপহরণে ব্যর্থ হয়ে শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। রবিবার সকালে উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের দোহার বাজার সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হাফিজুর কাজিরচর গ্রামের গফুর বেপারীর ছেলে এবং দোহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। হাফিজুর বেপারী সদ্য নির্বাচিত দোহার উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সুজাহার বেপারির ভাতিজা।

আহত হাফিজুর জানান , সকাল সারে এগারো টার দিকে নিজ বাড়ি মধুরচর থেকে স্কুলে যাওয়ার উদ্যেশ্যে বের হয়। দোহার বাজার পাল বাড়ির সামনে আসলে হটাৎ গেন্জি দিয়ে মুখ ঢাকা অবস্থায় পিছন থেকে কি যেন নাকে শুখানোর চেস্টা করে। পরে তার সাথে অনেক ধস্তাদস্থি হয়। অপহরণের ব্যর্থ হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হাফিজুরের হাতে আঘাত করে পালিয়ে যায় র্দুবৃত্তরা। স্থানীয়রা আহত হাফিজুরকে উদ্ধার করে দ্রুত দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

বাম হাতের রগ কেটে যাওয়ার কারনে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকায় প্রেরন করতে বলে কর্তব্যরত চিকিৎসক। আহতের পরিবারের দাবি, কোন চাদাঁবাজ বা অপহরন চক্রের কেউ হয়তো এ ঘটনা ঘটাতে পারে।

হাফিজুরের চাচা দোহার উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সুজাহার বেপারী বলেন, আমার ভাতিজাকে অপহরণের চেস্টা করা হয়েছিল। ব্যর্থ হয়ে তাকে আহত করে পালিয়ে গেছে। আমি এর সুষ্ঠ বিচার চাই এবং এই ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানাই।

দোহার থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক সৌমেন মিত্র বলেন, খবর পেয়ে সাথে সাথেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। ইতিমধ্যে ঘটনার সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোন লিখিত অভিযোগ করেনি হাফিজুরের পরিবার। এদিকে এমন ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।