ঠিকাদারের গাফিলতিতে গোবিন্দপুর-নয়নশ্রী সড়ক এখন নালা

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার যন্ত্রাইল ইউনিয়নের গোবিন্দপুরের ডাক্তারবাড়ি থেকে নয়নশ্রী ইউনিয়নের বালিরডিগরের অরুণের বাড়ি পর্যন্ত এক কিলোমিটার মাটির রাস্তা পাকা করা হবে। এ জন্য দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি খুঁড়ে রাখা হয়েছে। বর্তমানে সড়কটি প্রশস্ত নালায় (ড্রেন) পরিণত হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীসহ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে পথচারী ও এলাকাবাসী।

উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৪ নভেম্বর উপজেলার যন্ত্রাইল ইউনিয়নের ছোট গোবিন্দপুর ডাক্তারবাড়ি থেকে বালিরডিগরের অরুণের বাড়ি পর্যন্ত এক কিলোমিটার মাটির রাস্তা পাকাকরণের কাজটি উপজেলা প্রকৌশলী অফিস থেকে দরপত্রের মাধ্যমে মেসার্স ভূঁইয়া অ্যান্ড ব্রাদার্স নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়। পরে মাটি কাটার যন্ত্র (ভেকু) দিয়ে রাস্তাটির মাটি খুঁড়ে রাখা হয়। এরপর আর কাজই করেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি।

বুধবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, মাটি খুঁড়ে রাখায় সড়কের কোথাও কোমরপানি, কোথাও হাঁটুপানি জমেছে। সড়কের দুই পাশে মাটির স্তূপ, মাঝখানে কাদাপানি জমে আছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, তিন-চার মাস ধরে রাস্তার ঠিকাদার মাটি কেটে এ অবস্থা করে রেখেছেন। রাস্তাটি বর্তমানে নালায় পরিণত হয়েছে। কোনো যানবাহন তো দূরের কথা, মানুষও হাঁটাচলা করতে পারছেন না। বাধ্য হয়ে লোকজন গোবিন্দপুর বাজার থেকে বিকল্প রাস্তা দিয়ে তিন কিলোমিটার ঘুরে বালিরডিগর যাচ্ছেন। জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দিয়ে দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ, মহব্বতপুর হাইস্কুল, ধাপারি বাজার এবং বিভিন্ন ব্যাংক-বিমার কাজে প্রতিনিয়ত মানুষ নবাবগঞ্জ সদরে আসা-যাওয়া করেন। এ ছাড়া এই অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের একমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সেন্ট থ্রেকলাস বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে যেতেও সড়কটি ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু সড়কটি পাকা না হওয়ায় নিয়মিত দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীসহ জনসাধারণকে। বিশেষ করে সামান্য বৃষ্টিতেই দুর্ভোগ বেড়ে যায়। সড়কে পানি জমে এ রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। আর উৎপাদিত কৃষিপণ্য পরিবহনেও ভোগান্তি পোহাতে হয় এ অঞ্চলের কৃষকদের। সোমবার রাতে ও মঙ্গলবার সকালের বৃষ্টিতে মাটির ওই সড়কে পানি জমে কাদার সৃষ্টি হয়েছে। অথচ এই এক কিলোমিটার মাটির সড়কটি পাকা হলে প্রায় ১০ গ্রামের মানুষের কষ্ট লাঘব হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা শামসুউদ্দিন বলেন,  ‘রাস্তার মাটি খুঁড়ে রাখায় আমাদের চলাচলে চরম ভোগান্তি হচ্ছে। কয়েক মাস ধরে রাস্তার কাজ বন্ধ। এভাবে থাকলে আমরা হাঁটাচলা করব কীভাবে?’

বান্দুরা হলিক্রস স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক শশাঙ্ক ভূষণ পাল চৌধুরী বলেন, ঠিকাদার রাস্তাটি খুঁড়ে রেখেছেন। এটি বর্তমানে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। জনবহুল এলাকার রাস্তাটি পাকা না হওয়ায় কয়েক হাজার মানুষ দীর্ঘদিন থেকে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। তিনি আরও বলেন, রাস্তার মাটি কেটে ফেলায় ড্রেনের মতো হয়ে এতে অনেক পানি জমে আছে। শিশুরা যেকোনো সময় পানিতে পড়ে বড় দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে।

বালিরডিগর গ্রামের শ্যামল গমেজ বলেন, গ্রামের নিকটবর্তী বিদ্যালয় সেন্ট থ্রেকলাস উচ্চবিদ্যালয়ে চলাচলের জন্য এই রাস্তা একমাত্র ভরসা। কিন্তু সড়কটির মাটি কেটে রাখায় রাস্তাটি ড্রেনে পরিণত হয়েছে। বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থীরা এক কিলোমিটারের রাস্তা তিন কিলোমিটার ঘুরে বিদ্যালয়ে যাচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে।

সেন্ট থ্রেকলাস বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাথী গমেজ বলে, ‘বৃষ্টি হয়ে রাস্তাটি নালায় পরিণত হয়েছে। হাঁটু পর্যন্ত পানি জমে যায়। ফলে স্কুলে যেতে গেলে আমাদের ভিজে যেতে হয়। আমাদের জন্য হলেও রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন।’

এ বিষয়ে কথা বলতে মেসার্স ভূঁইয়া অ্যান্ড ব্রাদার্সের মালিক মো. তোফায়েল ভূঁইয়ার মুঠোফোনে কল দিয়ে বন্ধ পাওয়া যায়। তবে তাঁর সহযোগী মো. তৌফায়েল প্রথম আলোকে বলেন, ‘ভাই (তোফায়েল) দেশের বাইরে গেছেন। তিনি এলে কাজ শুরু করা হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। এলাকাবাসীর চরম ভোগান্তি হচ্ছে। এ বিষয়ে আমি ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগের অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি। শিগগিরই তাঁর চুক্তি বাতিল করে পুনরায় টেন্ডারের মাধ্যমে কাজটি সম্পূর্ণ করা হবে।’

নারিশায় স্যামস-৯২ এর কয়েল বিতরন

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার মালিকান্দা স্কুল এন্ড কলেজ ভিত্তিক সামাজিক সংগঠন স্যামস-৯২ এর পক্ষ থেকে নারিশা ইউনিয়নে ফ্রি মশার কয়েল বিতরন করা হয়েছে। নারিশা ইউনিয়নের দ.শিমুলিয়া ও তালপট্টি গ্রামে এই মশার কয়েল বিতরন করা হয়।

এই মশার কয়েল বিতরন – ২০১৯ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলার সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা রাহিম শীলা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ছোট ছোট কাজের মধ্যে দিয়ে এলাকার সাধারন মানুষের সাথে মিশতে পেরে খুব ভালোলাগে। তাদের সাথে দেখা হওয়া, কথা বলা সত্যি আনন্দের।

অনুশ্তহানে SAMS এর উদ্দ্যেগে Aci কম্পানির ১০০০ প্যাকেট মশার কয়েল বিতরণ করা হয় ।

বন্যায় কবলিত গ্রাহকদের সচেতনতায় পল্লী বিদ্যুৎ এর আলোর ফেড়িওয়ালা কার্যক্রম

ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর আওত্বাধীন বন্যায় কবলিত গ্রাহকদের সচেতনতায় ‘আলোর ফেড়িওয়ালা’ ব্যানারে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করেছে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২। মঙ্গলবার ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর বান্দুরা সাব জোনাল অফিস এ কর্মসূচির আয়োজন করেন।  পদ্মার পানিতে ঢাকার নবাবগঞ্জের জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন ও মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ধুলশুড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম তলিয়ে গেছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। পুরো এলাকা পানিতে নিমর্জিত থাকায় বিদ্যুতায়িত হয়ে র্দুঘটনার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে বান্দুরা সাব জোনাল অফিসের এজিএম (ওএন্ডএম) মো. আবুল কামাল এর নের্তৃত্বে নবাবগঞ্জের জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন থেকে সচেতনামূলক প্রচারণা শুরু হয়। নৌকায় করে পানিতে নির্মজিত এলাকায় মাইকিং করে মানুষকে সচেতন করা হয়। এছাড়া বন্যায় কবলিত প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে বিদ্যুৎ সম্পর্কে সচেতন করা হয়। এসময় কেউ বিদ্যুতায়িত হলে খালি হাতে স্পর্শ না করা, বৈদ্যুতিক খুঁটি বা তাঁর ছিড়ে গেলে এবং যেকোন র্দুঘটনার সংবাদ সাথে সাথে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়। এসময় জনসাধারণকে সচেতনভাবে চলাফেরা করার আহবান করেন পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা। পরে হরিরামপুর থানার গঙ্গারামপুর বাজারের ব্যবসায়ীদের সাথে এবং ইব্রাহিমপুর ঈশ্বরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকার্থীদের সাথে মতবিনিময় করেন কর্মকর্তারা। ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের র্দুঘটনা রোধে নানা দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে বেঁড়িবাধ থেকে বারুয়াখালী বাজার পর্যন্ত সচেতনার জন্য মাইকিং করা হয়।

গঙ্গারামপুর বাজারের ব্যবসায়ী রফিক কাজি বলেন, বর্ষার প্রথম থেকে পল্লী বিদ্যুতের লোকজন আমাদের নানা পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। তাদের পরামর্শ আমরা মেনে চলা চেস্টা করছি। যাতে কোন র্দুঘটনা না ঘটে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী সাদ্দাম মিয়া বলেন, বর্ষার অনেক সময় একটু ভুলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অনেক র্দুঘটনা ঘটে। সে অর্থে পল্লী বিদ্যুতের এমন কর্মসূচি খুব গুরুত্বপূর্ণ।

ইব্রাহিমপুর ঈশ্বরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ আহাম্মদ হোসেন বলেন, আমরা মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার বাসিন্দা হলেও বিদ্যুৎ সেবা পাচ্ছি ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর মাধ্যমে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ‘আলোর ফেড়িওয়ালা’ যে কর্মসূচির আয়োজন করেছে তার জন্য আমি তাদের সাধুবাদ জানাচ্ছি। এতে র্দুঘটনা কমে যাবে বলে আমি মনে করি।

ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর বান্দুরা সাব জোনাল অফিসের এজিএম (ও এন্ড এম) মো. আবুল কামাল বলেন, আলোর ফেড়িওয়ালার মাধ্যমে জয়কৃষ্ণপুর ও ধুলশুড়া ইউনিয়নের বন্যা কবলিত এলাকায় বিতরণ বিদ্যুৎ লাইনের নিরাপত্তা ও জানমাল বৈদ্যুতিক র্দুঘটনা থেকে রক্ষা করার জন্য আমরা প্রতিটি বাড়ি, বাজার ও স্কুলে ক্যাম্পেইন করেছি। মানুষজনকে সচেতন করার মাধ্যমে র্দুঘটনা রোধ করাই আমাদের লক্ষ্য।

এসময় বারুয়াখালী অফিসের ইনচার্জ, ওয়ারিং ইন্সপেক্টর ও কয়েকজন লাইন ক্রু উপস্থিত ছিলেন।

ছেলেধরা সন্দেহে নবাবগঞ্জে নারীকে পুলিশে সোপর্দ  

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় ছেলেধরা সন্দেহে এক নারীকে আটকের পর পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয় বাসিন্দারা। উপজেলার কলাকোপা ইউনিয়নের বাগমারা বাজারে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আটক নারীর নাম মনজিলা আক্তার (২৫)। তিনি খুলনা জেলার বাসিন্দা। তবে বর্তমানে ঢাকার কেরানীগঞ্জের রুহিতপুরে ভাড়া থাকেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শী বাগমারা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মো. নয়ন জানান, আটককৃত সাথী বেলা ১১টার দিকে বাগমারা বাজারের সেতুর ঢালে উদ্দেশ্যবিহীনভাবে ঘুরছিলেন। তার গতিবিধি সন্দেহজনক হলে স্থানীয়রা তার কাছে গিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করে। তখন সাথী জানান সে তার ছোট আম্মার জন্য অপেক্ষা করছেন। একথা শুনে স্থানীয়রা সকলে আড়ালে চলে যায়।

কিছুক্ষণ পর সাথী স্থান পরিবর্তন করে বাগমারা লাইসিয়াম ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সামনে গিয়ে দাড়ায়। তাতে স্থানীয়দের সন্দেহ আরও বেড়ে যায়। তারা পুনরায় গিয়ে সাথীর কাছে তার ছোট আম্মার মোবাইল নম্বর চাইলে সে কোন নম্বর দিতে পারেনি। এতে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তার সঙ্গে থাকা ব্যাগে কি রয়েছে দেখতে চাইলে সে ছেলে শিশুদের কয়েকটি শার্ট ও মেয়ে শিশুদের কয়েকটি জামা দেখায়। তারপর তাকে বিভিন্নভাবে প্রশ্ন করা হলে সে তার সদুত্তর দিতে পারেননি। এসময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে র্সোপদ করেন।

নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ গোলাম নবী শেখ বলেন, মনজিলাকে নিরাপদে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তা না হলে ছেড়ে দেওয়া হবে।

নয়নশ্রীতে বাড়িতে বাগান তৈরি বিষয়ক কর্মশালা

ঢাকার নবাবগঞ্জে ‘বসত বাড়িতে ভেষজ/প্রাকৃতিক পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ বাগান তৈরি বিষয়ক কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১২টায় নয়নশ্রী ইউনিয়ন পরিষদ সভা কক্ষে এ কর্মশালা করা হয়। এনজিও সংস্থা কারিতাসের এসডিডিবি প্রকল্পের আওতায় ইউনিয়নের ৬টি হিতৈষি সংগঠন ও উন্নয়ন কমিটির ৩৫জন সদস্য এতে অংশগ্রহন করেন। যুথি প্রবীণ, প্রতিবন্ধি ও মাদকাসক্তদের স্বনির্ভর সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ জন গমেজ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এ্যাডভোকেট মো. নাসির উদ্দিন। উপস্থিত ছিলেন- কাতিরাস কর্মকর্তা রিচার্ড ডি সিলভা, মো. ফজলুল হক, নির্মল গমেজ প্রমূখ।

নবাবগঞ্জে মহাকবির ৬৮তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

মহাকবি কায়কোবাদের ৬৮তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার নবাবগঞ্জে কবির স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বেলা ১২টায় উপজেলার চৌকিঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ সভা করা হয়। মহাকবির কায়কোবাদ স্মৃতি পরিষদ এর আয়োজন করে।

সংগঠনের সভাপতি আবুল কালাম মল্লিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের সভাপতি আব্দুর রহমান লেবন। বক্তব্য রাখেন, কবির নাতি মো. নাজিম আল কোরেশী, সমাজকর্মী- আব্দুস সোবাহান, বেলায়েত হোসেন স্বাধীন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শেখ আরশাদ আলী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী রতন, সদস্য মো. শাহীন প্রমূখ।

নবাবগঞ্জের মানুষই জানে না কায়কোবাদ কে?

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা পূর্বপাড়া গ্রামে ১৮৫৭ সালে ২৫ ফেরুয়ারী জন্মগ্রহন করেন মহাকবি কায়কোবাদ। কায়কোবাদ কবির সাহিত্যিক নাম হলেও তাঁর প্রকৃত নাম মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী। তার পিতা ঢাকা জেলা জজ কোর্টের আইনজীবি শাহামাতুল্লাহ আল কোরাশী। মাত্র ১৩ বছর বয়সে ১৮৭০ সালে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘বিরহ বিলাপ’ প্রকাশ হলে বাংলা সাহিত্যঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। ১৯০৪ সালে তার মহাকাব্য মহাশ্মশান প্রকাশ হলে তিনি মহাকবি উপাধি লাভ করেন। কবিতা লেখার পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন আগলা ডাকঘরে চাকুরী করেছেন। ১৯৫১ সালের ২১ জুলাই পরলোকগমন করেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম এই কবি। রবিবার ছিল মহাকবির’র প্রয়াণ দিবস। বাংলা সাহিত্যে কায়কোবাদের অসাধারণ অবদানের জন্য সারাদেশের মানুষের কাছে কবি সমাদৃত হলেও তাঁর জন্মভূমিতেই এখন অবহেলিত তিনি।

মহাকবির বাড়ীতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিজ গ্রামে কবির স্মৃতি চিহ্ন বলতে তেমন কোন কিছু এখন আর অবশিষ্ট নেই। এখন মহাকবির ব্যবহ্নত একটি ভাঙাচূড়াঘর ও একটি আম গাছ ছাড়া আর কিছুই নেই কবির স্মৃতি হিসেবে। কবির বাড়ীতে যারা বসবাস করছেন তারা কবির সম্বন্ধে তথ্য দিতে নারাজ। তবে রান্না কাজে ব্যস্ত একজন গৃহিনী বলেন, কবির কোনো চিহ্ন এখন আর ঐ বাড়ীতে নেই। কবির বংশধররা সম্পূর্ণ জমি বিক্রি করে চলে গেছেন বলে তিনি দাবি করেন। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, কবির বংশধররা কিছু জমি বিক্রি করেছিলেন। কিন্ত প্রতিবেশিরা সম্পূর্ণ জমিই দখল করে নিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, ২০০৬ সালে জেলা পরিষদের উদ্যোগে কবির বাড়ির সামনের রাস্তাটি কবির নামে নামকরন করে একটি ফলক নির্মাণ করা হলেও ফলকটি রাতের আধারে দুর্বৃত্তরা ভেঙে ফেলেছে। ফলে রাস্তাটি যে কায়কোবাদের নামে করা হয়েছে সেটিও অনেকে জানে না এলাকার অনেকে। ১৯৭২ সালে সাবেক এমপি সুবিদ আলী খান কায়কোবাদের সম্মনার্থে তার কর্মস্থল আগলা ডাকঘর সংলগ্ন জমিতে প্রতিষ্ঠা করেন কায়কোবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

এছাড়া কবির বাড়ির পশ্চিমে ১৯৮৩ সালে আগলা মাছপাড়ায় প্রতিষ্ঠিত করা হয় কায়কোবাদ যুব ক্লাব ও গণপাঠাগার। গত ১০/১২ বছর ধরে পাঠাগারটির সকল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কোন দর্শনার্থী আগলা গ্রামে গেলে কবি সর্ম্পকে কিছ্ইু জানতে পারেন না। পাঠাগারটি পূনরায় চালু করার ব্যাপারে বার বার উদ্যোগের কথা বলা হলেও স্থানীয়দের মধ্যে জটিলতা থাকায় চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলার চৌরাস্তায় কায়কোবাদের নামে গোল চত্বর নির্মান করা হলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে চত্বরটি সরিয়ে ফেলা হয় এবং পরবর্তীতে স্বাধীনতা চত্বর স্থাপন করা হয়। বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে চত্বরটি পুনঃস্থাপনের দাবি জানালেও কোন উদ্যোগ চোখে পড়েনি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মহাকবি শুধূ আগলা না নবাবগঞ্জের গর্ব। তবে আমরা তাকে সেভাবে মূল্যায়ন করতে পারি না। কবির সম্পর্কে বর্তমান প্রজন্ম কিছুই জানে না। নিজ ভূমিতেই কবি আজ অবহেলিত।

কায়কোবাদের নাতি টুটুল আলম কোরেশী বলেন, কবির বাড়িটি দখলমুক্ত করে কবির নামে একটি পাঠাগার ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করা হলে তার সর্ম্পকে নতুন প্রজম্ম অনেক কিছু জানতে পারবে। মহাকবি কায়কোবাদ নবাবগঞ্জের গর্ব। কবির বাড়ির সামনে যে মসজিদের আযান শুনে আযান কবিতাটি লিখেছিলেন সেটি এখন কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

বাংলা ১৩০০ সালে মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন জমিদার মজিদ মিয়া। মসজিদে নামাজ পড়তে আসা কাজল চৌধুরী বলেন, এই মসজিদে নিয়মিত নামাজ পড়তেন কবি কায়কোবাদ। মহাকবিকে মূল্যায়ন করতে না পারাটা আমাকে জন্যে লজ্জার।

সাভারে দুই শিশুকে ধর্ষণ

সাভার ও আশুলিয়ায় পৃথক স্থানে দু’শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। সাভারের কাউন্দিয়া ও আশুলিয়ার গোমাইল এলাকায় এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে কাউন্দিয়ায় ধর্ষণের ঘটনায় হাসান (২০) নামে এক যুবককে আটক করা গেলেও গুমাইলে শিশু ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষক আজগর আলী পলাতক রয়েছে। উভয় ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হয়েছে।

সাভার থানা পুলিশ জানায়, শনিবার দুপুর ১২টায় উপজেলার গুমাইল উত্তরপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ভাড়া বাড়িতে ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করে লম্পট আজগর আলী (৬৪)। এ ঘটনায় রোববার ওই শিশুর মা আশুলিয়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করলেও অভিযুক্ত ধর্ষক পলাতক থাকায় তাকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। অভিযুক্ত ধর্ষক আজগর আলী গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানাধীন শান্তিরাম এলাকার মৃত দারাজ উদ্দিনের ছেলে। সে আশুলিয়ার গুমাইল উত্তরপাড়া এলাকার একই বাড়িতে পার্শ্ববর্তী একটি কক্ষে ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি কারখানায় নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করতো।

আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাকিবুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়ার পর শিশুটিকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া পলাতক ধর্ষক আজগর আলীকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে সাভারের কাউন্দিয়া এলাকায় ৭ম শ্রেণি পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক করে তাকে কৌশলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে হাসান নামে এক বখাটে। এ ঘটনায় থানায় মামলার পর অভিযুক্ত ধর্ষককে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রাণ কৃষ্ণ।

পদ্মায় বাড়ছে পানি আতঙ্কে দোহারের ১৪ গ্রামবাসী

গত তিন দিনের টানা ভারি বর্ষণ আর উজান থেকে বেয়ে আসা পানিতে দোহারের পদ্মা নদীতে পানি বেড়ে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। নদীর পানি প্রচণ্ড স্রোতে লোকালয়ে প্রবেশ করছে। ফলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সরেজমিন জানা যায়, উপজেলার নয়াবাড়ি, মাহমুদপুর, বিলাশপুর, নারিশা ও মুকসুদপুর ইউনিয়নের পদ্মা নদী তীরবর্তী প্রায় ১৪টি গ্রামে নদীর পানি হু হু করে ঢুকছে। এই অবস্থায় নদী তীরবর্তী ১৪টি গ্রামের প্রায় দশ হাজার মানুষ বন্যার শিকার হয়েছে। এভাবে পানি বাড়তে থাকলে তাদের ফসলি জমি,বাড়িঘর পানির নিচে তলিয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা।

দোহারের মাহমুদপুর, চর মাহমুদপুর, বাহ্রাঘাট, বিলাশপুর, নয়াবাড়ি, ধোয়াইর, মেঘুলা, রানীপুর ও মধুরচর এলাকায় অনেক ঘরবাড়ি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন অবকাঠামো পানিতে ডুবে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এর আগে গত বছর পদ্মা নদীতে পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নদীভাঙন দেখা দিয়েছিল।

এ বিষয়ে দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন জানান, দোহারের মাহমুদপুর, চর মাহমুদপুর, বাহ্রাঘাট, বিলাশপুর, নয়াবাড়ি, ধোয়াইর, মেঘুলা, রানীপুর ও মধুরচর এলাকায় ফসলি জমি, ঘরবাড়ি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন অবকাঠামো পানিতে ডুবে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। বিষয়টি ঢাকা-১ আসনের সাংসদ ও প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকে জানানো হয়েছে।

নবাবগঞ্জে পানিবন্দী ১২ গ্রামের মানুষ

প্রবাহমান পদ্মা নদী সংলগ্ন ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার প্রতান্ত্য জনপদ জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন। যা দোহার ও নবাবগঞ্জবাসীর নিকট বেড়িবাধ এলাকা হিসেবে পরিচিত। চলমান বর্ষা মৌসুমে পদ্মা নদীর প্রবল বর্ষন ও পানি বৃদ্ধির ফলে গত কয়েক দিনে বেড়িবাধ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত ১২টি গ্রামের প্রায় ২৫শ’ মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।

ইতিমধ্যে প্রবল বর্ষণে নিশ্চহ্ন হয়ে গেছে অধিকাংশ গ্রামীণ জনপথসহ কৃষি ফসল। তলিয়ে গেছে বসতবাড়ি এবং বিভিন্ন গ্রামীণ অবকাঠমো। ফলে আতংক আর উৎকন্ঠার মধ্যে রাত দিন পার করছে অধিকাংশ গ্রামবাসী।

সরেজমিনে দেখাযায়, পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি ও প্রবল বর্ষের কারণে, জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের, রায়পুর, চারাখালি, বালেঙ্গা, রাজাপুর, কান্তারটেক, কেদারপুর, আশয়পুর, পানি কাহুর, আর ঘোষাইল, ঘোষাইল, তিকপালদিয়া ও সোনাবাজু গ্রামে অবস্থিত বসত ভিট বাড়ি, কৃষিজমি, মসজিদ, মন্দির, স্কুল ও হাট বাজারে অবস্থিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পানিতে তলিয়ে গেছে।

এছাড়া জনসাধারনের চলাচলের সকল গ্রামীণ কাঁচা সড়ক পানিতে ডুবে গেছে। সংযোগ বিছিন্ন অবস্থায় পড়ে আছে ৪টি সেতু। বন্য কবলিত পানিবন্দী গ্রামবাসী এখন নৌকায় যাতায়াত করছেন। বালেঙ্গা , ঘোসাইল ও রায়পুর বাজারের অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। গ্রামগুলোতে বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট দেখা দিয়েছে। অনেকে ঘরবাড়ি রেখে পরিবার পরিজন গবাদিপশু পাখি নিয়ে অনত্র নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাচ্ছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, তারা এখনও কোনও সরকারি ত্রাণ কিংবা কর্মকর্তার দেখা পাননি এখানেও। আজ কয়েকদিন যাবত পানির সাথে যুদ্ধ করে তাদের বাঁচতে হচ্ছে।

কথা হয় বন্য কবলিত আশয়পুর গ্রামের নির্মাণ শ্রমিক শামসুল হকের সাথে। তিনি বলেন, আজ প্রায় ১০ দিন হলো আমাদের এলাকা পানিতে ডুবে গেছে। আমরা পানিবন্দী অবস্থায় বসবাস করছি। স্থানীয় ইউপি চেয়ানম্যান মাসুদ ভাই ছাড়া কোনও নেতা-নেত্রী  বা সরকারি লোক আমাদের কোনও খোঁজ-খবর নিতে আসেনি।

এ সময় কৃষক বাচ্চু মিয়া বলেন, আমার ৫ বিঘা পাট ও শাকসব্জি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। কয়েকদিন ধরে নৌকা চালিয়ে সংসার চালাতে হচ্ছে। পরিবার পরিজন নিয়ে অনেক কষ্টে আছি আমাগো দেখার কেউ নাই।

বন্যা কবলিত জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মাসুদুর রহমান বলেন, ঢাকার নবাবগঞ্জ ও মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার সিমান্তবর্তী এই অ লটি একটি অবহেলিত এলাকা। পদ্মার পানি ও ভাঙন থেকে নবাবগঞ্জ উপজেলাকে রক্ষায় ৯৭-৯৮ অর্থবছরে তৎকালিন আওয়ামী লীগ সরকার এই এলাকায় বাধ নির্মাণ করে। এতে করে এই ইউনিয়নের একটি বিরাট অংশ ভাঙন ও প্রাকৃতিক দূর্যোগ থেকে রক্ষা পায়। অন্যদিকে পদ্মা নদী সংলগ্ন এই ইউনিয়নের প্রায় ১২ থেকে ১৫টি গ্রাম প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে পানিতে ডুবে যায়। ফলে স্থানীয় কৃষক ও সাধারন মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ে।

তিনি রক্ষাবাঁধে পরিকল্পিতভাবে আরও বেশ কয়েকটি সুইজগেট নির্মাণের দাবিসহ সরকারের সংশিষ্ট দপ্তরকে বন্যা কবলিত পানিবন্দী অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর অনুরোধ জানান।

নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইসএম  সালাউদ্দিন মনজু বলেন, নিয়মিত খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত এলাকাটি পরিদর্শন করা হবে।