আপনার কথা বলুন নিউজ৩৯কে; পৌছে যাবে এমপি (সালমান এফ রহমান) মহোদয়ের কাছে

0

আপনার এমপি, আপনার সাংসদ প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদ্বেষ্টা জনাব সালমান এফ রহমান সাধারণের নেতা হিসাবে নিজেকে নিয়ে গিয়েছেন জনগণের দরজায়। নিয়মিত তিনি ‘গণ সাক্ষাৎ’ করছেন দোহার-নবাবগঞ্জবাসীর সাথে। বিগত ৪ বছর যাবত নিউজ৩৯ নিয়মিত ধারাবাহিকভাবে সালমান এফ রহমান এমপি’র জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছে, কেননা নিউজ৩৯ বিশ্বাস করে দোহার-নবাবগঞ্জকে উন্নয়নের রোল মডেল করতে হলে, এমন একজনের হাতে এই সংসদীয় আসনের দায়িত্ব থাকতে হবে যিনি তার প্রজ্ঞা, ক্ষমতা, ব্যক্তিত্ব দ্বারা সরকারের কাছ থেকে যে কোন দাবী আদায় করে নিতে পারেন, আর তিনিই হলেন সালমান এফ রহমান।

আপনারা যারা দেশে-বিদেশে, কাছে-দূরে, ব্যস্ততা বা বিভিন্ন কারণে জননেতা সালমান এফ রহমানের নিকট আপনার চাহিদা, দাবী বা অভিযোগ সরাসরি জানাতে পারছেন না, তারা নিউজ৩৯ এর ফেসবুক পেজে কমেণ্টস করে বা ম্যাসেঞ্জারে জানাতে পারেন আপনার কথা। আমরা সেই কথা পৌছে দিবো এমপি মহোদয়ের কাছে।প্রথম ধাপের জন্য আপমাদের মতামত জানানোর শেষ সময় বিকাল ৩.০০টা শনিবার, ২৬শে অক্টোবার,২০১৯।

ধন্যবাদান্তে,

নিউজ৩৯ কর্তৃপক্ষ

সালমান রহমানের নির্দেশে লিজের জমিতে দোহার আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয় উচ্ছেদ

দোহারে ‘অবৈধ ভবনের’ আওয়ামী লীগ কার্যালয় উচ্ছেদে সালমান এফ রহমানের নির্দেদোহার উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কার্যালয় হিসেবে ২০১২ সাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসা ভবনটি অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় সেখানে কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান। ইতিমধ্যে ওই ভবনে থাকা দলীয় কার্যালয় থেকে আসবাবপত্র স্থানান্তর করা হয়েছে। খুলে ফেলা হয়েছে দলীয় সাইনবোর্ডও।

জানা যায়, ২০১২ সালে লিজকৃত সম্পত্তির শর্ত ভেঙে উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের নামে বরাদ্দকৃত সাত শতাংশ ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মান্নান খানের ভাই মোতালেব খানের নামে বরাদ্দকৃত চার শতাংশ জমিতে মোতালেব খান নিজস্ব অর্থায়নে চারতলা বিশিষ্ট একটি ভবন তৈরি করেন। ভবনটির দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার সামান্য অংশ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় হিসেবে রেখে পুরো ভবনের ভাড়া ও সুবিধা মোতালেব খান নিজে ভোগ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার বলেন, ভবনের বিষয়টি জানার পর বর্তমান এমপি সালমান এফ রহমান আমাদের ডেকে নির্দেশ দিয়েছেন- অবৈধ ওই ভবন থেকে আওয়ামী লীগ অফিসের কার্যক্রম সরিয়ে নিতে।

তাঁর নির্দেশমতো আমরা সেখানে দলীয় কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছি এবং দলের সাইনবোর্ড সরিয়ে নিয়েছি। বর্তমানে দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের অস্থায়ী কার্যালয় হিসেবে ফজলুর রহমান ফাউন্ডেশনের অফিসটি ব্যবহার করা হচ্ছে। দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল বলেন, ওই ভবনের পেছনের অংশের সাত শতাংশ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের জন্য আমার ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদারের নামে লিজ নেয়া। সামনের অংশে চার শতাংশ মোতালেব খানের নামে। কিন্তু তিনি নিজস্ব অর্থায়নে এই মোট এগারো শতাংশ জায়গায় চারতলা একটি ভবনই করেছেন। কথা ছিল আওয়ামী লীগ কার্যলয়ের নিচের অংশে থাকা দোকানগুলোর পজেশন বিক্রি করে তিনি আমাদের অংশের ভবনের নির্মাণ ব্যয় তুলে নিবেন। কিন্তু জমি যেহেতু লিজের সেহেতু ওই দোকানগুলোর পজেশনও কেউ কিনতে আগ্রহী হননি। আর ভবনের বেশি অংশ মোতালেব খানই ব্যবহার করে ভাড়া তুলেছেন।

নজরুল ইসলাম বাবুল বলেন, ইতিমধ্যে আমরা বর্তমান এমপি সালমান এফ রহমানের নির্দেশে ওই ভবন ছেড়ে দিয়ে আওয়ামী লীগের ব্যানার, ফেস্টুন সরিয়ে ফেলেছি। আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের জন্য বিকল্প জায়গা খোঁজা হচ্ছে বলে জানান তিনি। এমপি বলেছেন, প্রয়োজনে নিজস্ব অর্থায়নে তিনি দলীয় কার্যালয়ের জন্য ভবন করে দিবেন। এ বিষয়ে মোতালেব খান বলেন, তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমোদন নিয়েই আমি ব্যক্তিগত অর্থায়নে ভবনটি নির্মাণ করেছি। লিজের সম্পত্তিতে কোনো পাকা ভবন নির্মাণ করা যাবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আমার জানা নেই। দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, লিজকৃত সম্পত্তিতে বহুতল ভবন নির্মাণ করে তারা লিজের শর্ত ভঙ্গ করেছেন। সেজন্য এ বছরের ৪ঠা এপ্রিল তাদের কারণ দর্শানোর প্রথম নোটিশ দেন বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা ও সেসময়ে দায়িত্বে থাকা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালমা খাতুন। পরবর্তীতে তারা নোটিশের জবাবও দিয়েছেন। কিন্তু জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় গত ১৫ই অক্টোবর তাদের পুনরায় আরেকটি নোটিশ দেয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি আমাদের এমপি সালমান এফ রহমান জানেন। তিনি আমাদের ডেকে এ ব্যাপারে আইন ও নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, দোহারের প্রাণকেন্দ্র জয়পাড়া বাজারের এবি ব্যাংকের চতুর্থ তলা এখন উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল ও সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন।

দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আক্তার রিবা বলেন, লিজের শর্ত ভঙ্গ করায় প্রথম দফায় তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল। জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় দ্বিতীয় দফায় আরেকটি নোটিশ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আইন ও নীতিমালা অনুযায়ী দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এমপিও হলো দোহারের মইতপারা দাখিল মাদ্রাসা

নতুন করে এমপিওভুক্ত (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) করা হলো ২৭৩০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বুধবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেন। এর মধ্য দিয়ে বহু শিক্ষক-কর্মচারীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হলো। একই সাথে নতুন এমপিও হলো দোহারের মইতপারা দাখিল মাদ্রাসা , কেরাণিগঞ্জের আব্দুল কাইয়ুম দাখিল মাদ্রাসা। উক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারী সকলে এই আনন্দ সংবাদে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও মোবারকবাদ জানান।

নতুন করে এমপিওভুক্ত (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) করা হলো ২৭৩০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বুধবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেন। এর মধ্য দিয়ে বহু শিক্ষক-কর্মচারীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হলো।

প্রধানমন্ত্রী আজ ঘোষণা দিলেও এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে গত জুলাই মাস থেকে। সাড়ে ৯ বছর পর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হলো।

সর্বশেষ ২০১০ সালে এক হাজার ৬২৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছিল, এবার ২৭৬৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ৬৫০–এর মতো বিদ্যালয় ও কলেজ রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত ২৭৩০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির ঘোষণা এলো।

বুধবার গণভবনে নতুন করে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৬ষ্ঠ-৮ম) ৪৩৯টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৬ষ্ঠ-১০ম) ৯৯৪টি, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় একাদশ থেকে দ্বাদশ ৬৮টি, কলেজ একাদশ থেকে দ্বাদশ ৯৩টি, ডিগ্রি কলেজ (১৩শ-১৫শ) ৫৬টি, মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দাখিল ৩৫৭টি, আলিম ১২৮টি, ফাজিল ৪২টি, কামিল ২৯টি। কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কৃষি ৬২, ভোকেশনাল ১৭৫ এবং এইচএসসি (বিএম) ২৮৩টি।

দোহারে নিষেধ অমান্য করায় ৩১ জন মৌসুমী জেলে আটকঃ সিন্ডিকেট ধরতে মরিয়া প্রশাসন

তৌহিদ হোসেনঃ বুধবার দোহারে নিষেধ অমান্য করে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে মা ইলিশ মাছ ধরায় ৩১ জন মৌসুমী জেলেকে আটক করা হয়। পরে তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

দোহার উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে এ সাজা দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা আক্তার রিবা জানান, বুধবার ভোর ৪টা থেকে পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে ৩১ জন মৌসুমী জেলেকে আটক করা হয়। পরে তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, মৌসুমী জেলেদের একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। আমরা সেই সিন্ডিকেট খোঁজার চেস্টা করছি। দ্রুত তাদের সনাক্ত করা হবে। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, নিষেধাজ্ঞার এই ১৫ দিনে পদ্মা নদী থেকে প্রায় ২ শতাধিক জেলেকে আটক করে সাজা দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের বেশিরভাগই মৌসুমি জেলে। এছাড়া ১০ লাখ মিটার কারেন্ট জাল ধ্বংস করা হয়েছে।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রিয়াংকা সাহা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

ক্যাসিনোকাণ্ডে এবার পদ হারালেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি

0

ক্যাসিনোকাণ্ডে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাওসারকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। বুধবার ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে হোয়াইট হল কনভেনশন সেন্টারে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় এ তথ্য জানান দলটির সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি অলরেডি স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির সঙ্গে কথা বলেছি। নেত্রীর নির্দেশনা আমি তাকে জানিয়েছি।

ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা আওয়ামী লীগের নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সম্মেলনের বিষয়টা আপনারা প্রস্তুতি নিতে থাকেন, আমি নেত্রীর সঙ্গে আলাপ করে আপনাদের জানিয়ে দেব। এখানে একটা বিষয় আছে নির্বাচন কমিশন আগামী বছরের প্রথম দিকে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের চিন্তা-ভাবনা করছে। কাজেই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সেটা বিচার করল আর বেশি দিন বাকি নেই। নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে।

সম্প্রতি রাজধানীর ক্যাসিনো কারবারে ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমের শিরোনামে আসেন মোল্লা কাওসার।

গত সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে কাওসারসহ স্ত্রী পারভীন লুনা, মেয়ে নুজহাত নাদিয়া নীলা এবং তাদের প্রতিষ্ঠান ফাইন পাওয়ার সল্যুয়েশন লিমিটেডের ব্যাংক হিসাব জব্দ করে। এ কারণে সম্মেলনের আগেই তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হচ্ছে বলে সংগঠনের ভেতরে-বাইরে জোর গুঞ্জন শুরু হয়।

পোস্টার-ব্যানার-ফেস্টুনে সালমান এফ রহমানের ছবি দিতে লাগবে অনুমোদন

পোস্টারে সালমান এফ রহমানের নাম ও ছবি ব্যবহার করতে সালমান এফ রহমানের অনুমোদন নিতে হবে জানিয়েছে সালমান এফ রহমানের কার্যালয়। মঙ্গলবার সালমান এফ রহমানের অফিসিয়াল ফেসবুক ফ্যানপেজে দেয়া এক নোটিশে এই বিষয়ে জানানো হয়েছে। নোটিশে বলা হয় ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব সালমান এফ রহমানের ছবি সম্বলিত কোন পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন প্রচারের ক্ষেত্রে অবশ্যই এর অনুলিপি সালমান এফ রহমানের কার্যালয়ে দাখিল করে পূর্বানুমতি নিতে হবে।জনাব সালমান এফ রহমানের অনুমতি ব্যতিত কোন অবস্থাতেই তাঁর ছবি ব্যবহার করে পোস্টার,ব্যানার,ফেস্টুন ব্যবহার করা যাবেনা।

শুধুমাত্র সরকারের উন্নয়ন প্রচারের জন্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবি ব্যবহার করে পোস্টার,ব্যানার, ফেস্টুন করা যাবে কোন অবস্থাতেই এখানে সালমান এফ রহমানের ছবি ব্যবহার করা যাবেনা।

নোটিশে আরো বলা হয়, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি, দলে অনুপ্রবেশকারী এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা জনাব সালমান এফ রহমানের সাথে নিজেদের ছবি সংযুক্ত করে ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন টানিয়ে নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে এবং এলাকায় নিজেদের প্রভাবশালী হিসেবে প্রচার করে যাচ্ছে।

ইতিমধ্যেই সকল অনুমোদন বিহীন ব্যনার,পোস্টার,ফেস্টুন অপসারণের জন্য দোহার এবং নবাবগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এবং অফিসার ইন চার্জদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

নবাবগঞ্জে কৃষি ঋণের টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ

ঢাকার নবাবগঞ্জ শাখা কৃষি ব্যাংকের প্রাক্তন ব্যবস্থাপক সাফিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে কৃষি ঋণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। সাফিয়ার রহমান কৃষকদের কাছ থেকে কাগজপত্র, স্বাক্ষর নিয়ে ঋণের টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ। সাফিয়ার রহমান ২৮শে অক্টোবর ২০১৩ইং থেকে ১৪ই অক্টোবর ২০১৫ইং সাল পর্যন্ত এ শাখায় ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি ব্যাংকের রাজধানীর কাওরান বাজার কর্পোরেট শাখায় কর্মরত আছেন বলে বর্তমান শাখা ব্যবস্থাপক জানান।

জানা যায়, এ অভিযোগে ইতিমধ্যে কৃষি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সাফিয়ার রহমানকে ডিমোশন দিয়েছে। এ ছাড়া ব্যাংকের ২ কোটি ২৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ৫ম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এ ছাড়াও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাফিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন খাতে অগ্রিম টাকা, খরচ ভাউচার দেখিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংকের ২ কোটি টাকা আত্মসাৎসহ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত করছেন।

ভুক্তভোগী গ্রাহক উপজেলার সমসাবাদ গ্রামের আব্দুল খালেক, দক্ষিণ শোল্লা গ্রামের সামছুল ইসলামসহ কয়েকজন স্থানীয় সংবাদকর্মীদের এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ২০১৩-১৫ইং সালে কৃষি ব্যাংক নবাবগঞ্জ শাখার তৎকালীন ব্যবস্থাপক সফিয়ার রহমান আমাদের ২ লাখ টাকা ঋণ দেয়ার জন্য কাগজপত্রে স্বাক্ষর নেন।

পরে হেড অফিসের অনুমতির জন্য কাগজ পাঠানো হয়েছে বলে জানান। কিন্তু ২ মাস পর জানানো হয় ঋণ অনুমোদন হয়নি। কাগজপত্র ফেরত চাইলে তিনি দেননি। ৩০শে নভেম্বর ২০১৭ইং সালে ব্যাংকের শাখা থেকে ঋণ পরিশোধের চিঠি আসে। আমরা বুঝতে পারি ব্যবস্থাপক সাফিয়ার রহমান আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। এরপর গ্রাহকরা এ বিষয়ে ব্যাংকে জানান।

শোল্লা গ্রামের ভুক্তভোগী গ্রাহক দেলোয়ার হোসেন জানান, ব্যাংক স্ব-প্রণোদিত হয়ে ২৭শে আগস্ট ২০১৯ইং তারিখে সাক্ষ্য ও প্রমাণসহ গ্রাহকদের উপস্থিত হতে চিঠি দেন এবং তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করেন। ঋণের টাকা আদায়ে ব্যাংক বার বার চিঠি দিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ডেকেছিলেন। তাই তার কার্যালয়ে গিয়েছিলাম। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে দুর্বিষহ জীবন যাপন করছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচএম সালাউদ্দীন মনজু বলেন, কৃষকরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকে খেয়াল রেখে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।

কৃষি ব্যাংক নবাবগঞ্জ শাখার বর্তমান ব্যবস্থাপক মো. রায়হান আহমেদ জানান, আমি নতুন যোগদান করেছি। আমার বেশি কিছু জানা নেই।

এ বিষয়ে সাফিয়ার রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের কোনো মাধ্যম না পাওয়ায় তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

দোহারে সেন্টু-ঝিন্টুর বাড়িতে ডিবির অভিযান

ঢাকার দোহারের রাইপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক ঝিন্টু বেপারী ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম সেন্টুর বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।  রবিবার বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানের সময় ঝিন্টু বেপারী ও শফিকুল ইসলাম সেন্টুকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। সেন্টুর স্ত্রী তানিয়া সুলতানা ও চাচী আনোয়ারা বেগম অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তারা জানান, বেলা ১২টার দিকে ডিবি পরিচয়ে ১০/১২ জন্য সদস্য বাড়িতে ঢুকে বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালায়।

অন্যদিকে ঝিন্টুর প্রতিবশীরা জানান, ওই বাড়ি থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও হাতকড়া উদ্ধার করে নিয়ে গেছে অভিযানে আসা সদস্যরা।

এব্যাপারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ঢাকা এর সহকারি পরিচালক সুব্রত সরকার শুভ জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানের অংশ হিসেবে ঝিন্টু বেপারী ও শফিকুল ইসলাম সেন্টুর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। এসময় ঝিন্টু বেপারীর বাড়ি থেকে ২টি রিভালবার, ২ রাউন্ড গুলি ও একটি হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করা  হয়েছে। তবে শফিকুল ইসলাম সেন্টুর বাড়িতে কিছু পাওয়া যায়নি। ঝিন্টুর স্ত্রী তাহমিনা আক্তারকে আটক করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি ঝিন্টু বেপারীকে রাইপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

সালমান এফ রহমানের সাথে দোহার আওয়ামী লীগের বিশেষ সভা

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা জনাব সালমান এফ রহমান এমপির সাথে তার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দোহার উপজেলা আওয়ামিলীগের কার্যকরী কমিটির বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, দোহার উপজেলা আওয়ামিলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল, সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার, ইফতেখার আহমেদ হৃদয় মিয়া, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ গিয়াসউদ্দিন সোহাগ সহ দোহার উপজেলা আওয়ামিলীগের নেতৃবৃন্দ।

স্বেচ্ছাসেবকলীগের কাউন্সিলঃ কেন্দ্রীয় সভাপতির দৌড়ে এগিয়ে নির্মল গুহ

0

প্রায় ৯ বছর পর কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মেলন হতে যাচ্ছে স্বেচ্ছাসেবক লীগের। আর সংগঠনটির ঢাকা মহানগর কমিটির সম্মেলন হতে যাচ্ছে ১৩ বছর পর। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নেতৃত্বের পালাবদলের এই সম্মেলন ঘিরে এরই মধ্যে নেতাকার্মীদের কাছে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। ক্যাসিনো কান্ডের পর বিতর্কিত অনেক নেতাই এখন গাঢাকা দিয়েছে আর ত্যাগী নেতারা এখন মাঠে সক্রিয়। যোগ্য, সাংগঠনিক, বিতর্ক মুক্ত কমিটি গঠন হোক এমন প্রত্যাশা সবার।

আগামী ১৬ নভেম্বর স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ১১ ও ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে সংগঠনটির ঢাকা মহানগর দক্ষিন ও উত্তরের সম্মেলন। ২০১২ সালে ১১ জুলাই স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটিতে সভাপতির দায়িত্ব পান মোল্লা আবু কাওছার আর সাধারণ সম্পাদক হন পঙ্কজ দেবনাথ। কাক্সিক্ষত পদ পেতে এরই মধ্যে নিজেদের মেলে ধরতে নেতাকর্মীদের কাছে যাচ্ছেন পদপ্রত্যাশীরা। পদপ্রত্যাশীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের লড়াইয়ে অন্তত এক ডজনেরও বেশি নেতা পদপ্রত্যাশা করছেন। তারা নিজেরাও চান সংগঠনের নেতৃত্বের গুরু দায়িত্ব যে-ই পান, তিনি যেন স্বচ্ছ ভাবমুর্তি আর সাংগঠনিক দক্ষ হন। বর্তমান সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওছার ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের সভাপতি এবং ক্যাসিনো অভিযানে কিছুটা বিতর্কের মাঝে পড়েছেন এবং সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ পরপর দুই বার একই দায়িত্ব পালন করছেন। তাই নেতাকর্মীদের ধারণা শীর্ষ দুই পদেই এবার পরিবর্তন আসবে।

এবার শীর্ষ দুটি পদে আলোচনায় আরো আছেন তারা হলেন- স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্তমান সহ-সভাপতি ও সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক নির্মল রঞ্জন গুহ, সহ-সভাপতি মঈন উদ্দীন মঈন, আফজালুর রহমান বাবু। সাধারণ সম্পাদক পদে স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব গাজী মেজবাউল হক সাচ্চু। সাচ্চু ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। দুই শীর্ষ পদে আরো আলোচনায় আছেন ১/১১ পরবর্তী সময়ে শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনে অগ্রণী ভ‚মিকা পালনকারী কয়েকজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা। তাদের তিন জনই স্বেচ্ছাসেবক লীগ বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক। তারা হলেন ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল হাসান জুয়েল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ সোহেল রানা টিপু ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ সাকিব বাদশা। তিনজনেরই ছাত্রলীগের সোনালী অর্জন হিসেবে সুনাম রয়েছে। তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসা এই নেতাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও দলের অন্যান্য নেতারাও খুব পছন্দ করেন। বর্তমান দপ্তর সম্পাদক সালেহ মোহাম্মদ টুটুল ছাড়াও আছেন আরো কয়েকজন।

আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সূত্র বলছে, দুর্নীতির সঙ্গে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাদের নাম আসায় অঙ্গ সংগঠনগুলোতে নতুন নেতৃত্ব আনার প্রক্রিয়া খুব বিচার বিশ্লেষনের মধ্য দিয়ে যাবে। অতীতে এসব বিষয় বিবেচনায় থাকলেও এবার সেই প্রক্রিয়া হবে খুবই তীক্ষè। স্বেচ্ছাসেবক লীগের শীর্ষ পদে যারা আসতে চান শিগগিরই তাদের বায়েডাটা জমা দিতে বলা হবে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে।

১৯৯৪ সালের ২৭ জুলাই ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের সাবেক নেতাদের সমন্বয়ে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। বর্তমানে আওয়ামী লীগের অন্যংতম সহযোগী সংগঠন এটি।

সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু ইনকিলাবকে বলেন, ইতোমধ্যে সম্মেলন উপলক্ষে ১২ উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ২৬ অক্টোবর বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে সারা দেশের জেলা ও মহানগর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আসবেন। সম্মেলন কিভাবে সুন্দরভাবে আয়োজন করা হবে এ বিষয়ে সকলের পরামর্শ নেয়া হবে। তিনি আরো জানান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ১১ নভেম্বর রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে এবং ১২ অক্টোবর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে ঢাকা মহানগর উত্তরের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।