মা ইলিশ রক্ষায় জিরো টলারেন্স দোহার প্রশাসন

ঢাকা দোহার উপজেলার বুধবার ভ্রাম্যমান অাদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা আক্তার রিবা, দোহার থানা পুলিশ বাহিনী ও মৎস কর্মকর্তা পিয়াংকা সাহার নেতৃত্বে নদীতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সে সময় (বুধবার) ৪ জন জেলেসহ ( ইউসুফ, সুমন, হাসেম, জামাল শেখ) প্রায় তিন লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দকরা হয় এবং সে সাথে ১৬০ কেজি মা ইলিশ উদ্ধার করা হয়। পরে জব্দকৃত মা ইলিশ মাছ গুলো উপজেলার মধুরচর আশ্রয়ন প্রকল্পের হতদরিদ্র মানুষের মাঝে ও ৬টি স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ করে দেওয়া হয় । ভ্রাম্যমান আদালত ৪ জেলেকে ১০দিন করে বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠায়। পরে জব্দকৃত কারেন্ট জাল অাগুনে পুরিয়ে ধ্বংস করে হয়। দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা বলেন যে, পদ্মা নদীতে নিয়মিত অভিযান চলবে এবং যারা মা ইলিশ ধরবে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইলিশ ধরার রিরুদ্ধে অভিযান আটক ৫ জেলে

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মা ইলিশ ধরার অপরাধে ঢাকার দোহার উপজেলার মৈনট ঘাটে অভিযান চালিয়ে সোমবার চাঁদপুরের ৫ জেলেকে আটক করা হয়েছে। তাদেরকে জিজ্ঞেসাবাদ করলে তারা যানায় যে আমাদের কে মাছ ধরার জন্য ভাড়া করে নিয়ে আসেন আড়তদার শফিকুল ইসলাম। অভিযানে তাদের সাথে থাকা কারেন্ট জাল জব্দ করে আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। পরে ভ্রাম্যমান আদালত আটককৃত ৫ জনকে ১৫ দিন করে কারাদন্ড দেয়। দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা আক্তার রিবা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র, কোষ্টগার্ড পুলিশ ও মৎস অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা আক্তার রিবা বলেন, দোহারের বিভিন্ন নদীতে মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের অভিযান চলমান থাকবে

দোহার নবাবগঞ্জ সহ ঢাকা জেলা প্রশাসকের ৩৫টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

0

ঢাকা জেলার অন্তর্গত বিভিন্ন ইউনিয়নে “হিসাব সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর” পদে শূণ্যপদে অস্থায়ী ভিত্তিতে ঢাকা জেলার স্থায়ী বাসিন্দাদের নিকট হতে দরখাস্ত আহবান করেছে ঢাকা জেলা প্রশাসকের স্থানীয় সরকার শাখা।

মোট পদ – ৩৫টি

বেতন – জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ৯৩০০ – ২২৪৯০/=

বয়স – ৩০ বছর, মুক্তিযোদ্ধা কোটা’র ক্ষেত্রে ৩২ বছর

আবেদনের শেষ তারিখঃ ২০/১০/২০১৯

লিংকঃ http://www.dhaka.gov.bd/site/news/c7d725ff-a06a-4780-bfeb-792b7bcc0385/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%A4-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A6%E0%A7%87-”%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AC-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A6%B0”-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A7%82%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%8B%E0%A6%97-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%A4

গুলিস্থান-বান্দুরা রোডে বিআরটিসি বাস বন্ধ, কর্মকর্তাদের মারধর ও গাড়ী ভাংচুর

বহু প্রতিক্ষীত গুলিস্থান- বান্দুরা রোডের বিআরটিসি এসি বাস সার্ভিস প্রথম দিনেই বন্ধ হয়ে গেছে। গত ১১/১০/২০১৯ রোজ শুক্রবার ৯:৩০ মিনিটে গুলিস্তান হতে বন্দুরার উদ্যেশ্যে ছেড়ে আসা বিআরটিসি বাস টি ১১:৩০ মিনিটে খারশুর নামক স্থানে আসলে তা আটকে দেয় এন.মল্লিক ও যমুনা পরিবহনের মালিক ও শ্রমিকেরা।

এসময় বিআরটিসি বাসের সাথে থাকা শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের মারধর করে গাড়ী আটকে রাখে। এন মল্লিক পরিবহনের মালিক নার্গিস মল্লিকের ছেলে রবিন মল্লিক, ইসমাইল মল্লিক, কোমরগঞ্জের সেন্টু, দেলোয়ার, যাদু, যমুনা পরিবহনের মালিক চন্দন বাবু সহ অজ্ঞাত আরো ১৫/২০ জনের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেন বিআরটিসি কেরানীগঞ্জ ডিপোর কর্মকর্তা মন্টু মিয়া।

তিনি বলেন, গত শনিবার সকাল ৯:৩০ মিনিটে বিআরটিসির ঢাকা-বান্দুরা রোডে প্রথম বাসটি কেরানীগঞ্জ হয়ে সিরাজদিখানের খারশুর বেনুয়াখালী অতিক্রম করা মাত্রই এন.মল্লিক ও যমুনা পরিবহনের মালিক ও শ্রমিকরা আক্রমণ করে গাড়ীটি ভাঙচুর সহ আমাদের সুপার ভাইজার তাহের কে মেরে হাত ভেঙে দেয়। এছাড়াও বাসে থাকা যাত্রী, শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের নানা ভাবে হেনস্থ করে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে যমুনা পরিবহনের মালিক চন্দন মন্ডল। তিনি বলেন, আমি শুনেছি কে বা কারা বিআরটিসি এসি বাস সার্ভিসটি বন্ধ করে দিয়েছে। এর সাথে আমার কোন যোগসূত্র নেই। হামলার সময় আমি এলাকার বাহিরে ছিলাম। এ ব্যাপারে এখনো পর্যন্ত কোথাও কোন মামলা হয়নি।

তবে বিআরটিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখঃ যে গুলিস্তান-বান্দুরা, রোহিতপুর (নতুন সোনাকান্দা বিসিক) ভায়া কদমতলী, গুলিস্তান হয়ে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত মোট ৩০ গাড়ী চলাচল করার কথা রয়েছে। তবে এর আগেও একাধিক পরিবহন এই রোডে চলাচল শুরু করলেও টিকে থাকতে পারেনি অন্যান্য পরিবহন মালিকদের দৌরাত্ম্যে ও অসহযোগিতার জন্য।

জলাতঙ্ক রোগ প্রতিরোধে দোহারে কুকুরকে ভ্যাকসিন

জলাতঙ্ক রোগ প্রতিরোধে দোহার উপজেলার কুকুরকে ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে। জুনেটিক ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রাম। সিডিসি, সাস্থ্য অধিদপ্তর আওতায় দোহার উপজেলা জলাতঙ্ক নির্মুলে ৫ দিন ব্যাপি কুকুরের টিকাদান। সোমবার থেকে দোহার উপজেলার ও পৌরসভার এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই জলাতঙ্ক প্রতিরোধের জন্য প্রতেকটি ইউনিয়নে ২ টি করে টিম থাকবে এবং দোহার পৌরসভা ৫টি টিম গঠন করা হয়েছে যে টিম গুলো সোমবার থেকে শুক্রবার পযর্ন্ত কাজ করবে। এই প্রতিটি টিমে একজন করে ডাঃ ও কিছু সংখ্যাক কর্মী থাকবে যারা ডাঃ সাথে থেকে কুকুর কে ভ্যাকসিন দিবে। এর আগে এই ভ্যাকসিন কি ভাবে কুকুর কে দেওয়া হবে সে বিষয়ে একটি ট্রাডিং দেওয়া হয় সে সময় উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলার চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, দোহার উপজেলার নির্বাহীকর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা, দোহার উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা ইসলাম বীথী, দোহার উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান সুজাহার বেপারী, দোহার উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রধান ডাঃ জসিম উদ্দিন, ডাঃ আল আমিন, ডাঃ ওমর ফারুক সহ অন্য অন্য সেচ্ছাসেবী গন।

প্রকাশিত সংবাদে দোহার থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের প্রতিবাদ

সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অনলাইন ও ফেসবুক নিউজে দোহার থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দোহার থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হিন্দোল বারী। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেয়া এই প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তার প্রতিবাদলিপিতে নিজকে সৎ, দেশপ্রেমিক দাবী করে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনৈতিক সুযোগ সুবিধাপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষকদের বিরাগভাজনের শিকার হয়ে ষড়যন্ত্র এর শিকার হয়েছেন।

তিনি বলেন, আমরা বিরুদ্ধে অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি অত্যান্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে গত ২ বছর ধরে দোহার উপজেলায় কর্মরত রয়েছি, আমি কোন খারাপ বা অসৎ কাজে জড়িত হইনি। বিগত সময়ে যারা বিভিন্ন অর্থ আত্মসাত, দায়িত্বে অবহেলা ও সরকারি বরাদ্দের হিসাব এলোমেলো করেছেন, আমি এখানে আসার পর সেসব অনেক কাজ বন্ধ করেছি, এবং দূর্নীতি দমনে সচেষ্ট রয়েছি।

আমার সততা, কর্তব্যনিষ্ঠা, দায়িত্ববোধ সম্পর্কে দোহার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, দোহার উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা, দোহার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, দোহার থানা প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক সমিতি, দোহার থানা প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক সমিতিসহ স্থানীয় জনসাধারণ অবগত আছেন। তাদের সহযোগীতায় দেশ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে আমি আমার এই সততা ও দূর্নীতিদমন প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখবো ইনশাল্লাহ। যে বা যারা আমার চরিত্রহননের এই কাজ করেছেন, আমি তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবো। আর একইসাথে সকল প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

রোগী আছে ডাক্তার নেই- নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

 ‘সকাল ৮ টায় না এসে, ডাক্তার আসেন ১০ টায়’ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী আছে, নেই ডাক্তার। তবে, ডাক্তার থেকেও না থাকার মতো। সরকারী নিয়মনীতি অনুযায়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লে´ের ডাক্তার সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত ডিউটি করার কথা থাকলেও তারা প্রতিদিনই সকাল ১০ টা বা কেউ আবার ১১ টায়ও আসেন। আবার বেলা ২ টার আগেই দুপুর ১ টা হলেই চলে যান। এভাবেই কাটিয়ে দেয় বছরের পর বছর।

এসব বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নেই কোন ধরনের ব্যবস্থা। এবং এসব বিষয় গুলো সম্পর্কে সেবা নিতে আসা রোগীরা প্রতিনিয়িত তার কাছে অভিযোগ করলেও নেননি কোন ব্যবস্থা। দেখেও যেন তিনি দেখেন না কিছুই। ৯ অক্টোবর ২০১৯,সময় সকাল ৯:৫৪ মিনিটি। হাসপাতালে ডুকেই দেখা যায় হাসপাতালের আসল চিত্র। মনে হলো এ যেন সরকারী হাসপাতাল নয় , যেন সরকারী অন্য কোন দফতর। অন্যনান্য সরকারী দফতরে যেমন সকাল ১০ টা থেকে ডিউটি করেন কর্মকর্তারা, তেমনি হাসপাতালের ডাক্তারদেরও দেখা যায় এমন চিত্র। ৯:৫৪ মিনিট হলেও নেই ৩ টি কক্ষের ডাক্তার। ডাক্তারদের অপেক্ষায় প্রতিটি রুমের সামনে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায় অনেক রোগী । এমনকি অনেকেই সকাল ৯ টা থেকে দাড়িয়ে থাকতে থাকতে আরও রোগী হয়ে গেছে।

তবে, এই তিনটি কক্ষের মধ্যে ২১ নাম্বার কক্ষের দায়িত্বরত ডাক্তার শাহীন রেজাকে আসতে দেখা যায় বেলা ১০:১৫ মিনিটে। ঐসময় তার কক্ষের সামনে দেখা যায় প্রায় ২০ জনেরও বেশি রোগী। এমনকি কোন এক রোগী তাকে বলেছে , স্যার অনেক্ষণ ধরে বসে আছি, আপনাকে খুজছি। একথায় ডাক্তার শাহীন রেজা উওর দেন- খুজতে থাকেন।

উপজেলার চন্দ্রখোলা এলাকা তেকে আসা কৃষ্ণ নামের এক রোগী প্রতিবেদককে বলেন, আমি সকাল সাড়ে ৯ টারও আগে এসেছি হাসপাতালে। প্রায় ১ ঘন্টা বসে থাকার পর ১০:৫৪ মিনিটে ডাক্তার এসেছেন।

এবিষয়ে ২১ নাম্বার কক্ষের কর্মরত ডাক্তার শাহীন রেজার কাছে সরকারী ডিউটির ‘সময়’ জানতে চাইলে তিনি বলেন , অফিসে গিয়ে জিঞ্জেস করেন।

নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ সহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি দেখা হবে। এবং প্রতিনিয়তই আমরা প্রতিটি ডাক্তারদের বলে থাকি নিদিষ্ঠ সময়ে অফিসে আসার জন্য।

এবিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ.এম সালাউদ্দিন মনজু বলেন, বিষটি আসলে আমার জানা নেই। তবে, নির্ধারিত সময়ে যদি কোন ডাক্তার ডিউটিতে না আসে তাহলে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দোহারে বিডি ক্লিনের পরিস্কার অভিযান শুরু

“পরিচ্ছন্নতা শুরু হোক আমার থেকে” স্লোগানকে সামনে রেখে বিডি ক্লিন দোহার উপজেলা এর উদ্যোগে শুক্রবার থেকে পরিস্কার অভিযান শুরু হয়েছে। দোহার উপজেলা বিডি ক্লিনের পক্ষ থেকে শুরু হওয়া এই পরিস্কার অভিযানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা।

সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে দোহার উপজেলা পরিষদ থেকে শুরু হয়ে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পর্যন্ত পরিছন্ন করা হয়েছে এবং সচেতন করা হয়েছে আসে পাশের মানুষকে।

বিডি ক্লিন

১ম ইভেন্টের কার্যক্রম পরিচালনা করেন দোহার উপজেলার সম্মানিত নির্বাহী কর্মকর্তা এসময় তিনি পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বিডি ক্লিনের শপথ বাক্য ও পাঠ করান।

বিডি ক্লিন

দোহারে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে কারেন্ট জাল জব্দ

ঢাকার দোহার উপজেলায় মা ইলিশ মাছ সংরক্ষণ অভিযানের প্রথম দিনে পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার ভোর রাতে অভিযান পরিচালনা করেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা আক্তার রিবা। তবে এঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।

দোহার উপজেলা অফিস সূত্র জানায়, প্রতি বছরের মতো এ বছরও ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ‘ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান’ এর আওতায় ৯ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ, পরিবহণ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও মজুদ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার পদ্মা নদীতে ও বিলাশপুর একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত জাল নদীর তীরবর্তী এলাকায় প্রশাসন, পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন পেশার লোকজনের উপস্থিতিতে কেরোসিন ঢেলে প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ফেলা হয়।  তবে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে জেলেরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকেই আটক করা যায়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা জানান, আজ থেকে অভিযান শুরু হয়েছে। আগামী ২২ দিন আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ পদ্মায় মাছ শিকার করলে, ইলিশ বিক্রি করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অভিযানে উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মৎস কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান, দোহার থানা এসআই জাফর ইকবাল উপস্থিত ছিলেন।

নয়নশ্রীতে খোলা ভবনে পাঠদান, আর্থিক সংকটে নির্মাণ কাজ বন্ধ

0

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার নয়নশ্রী ইউনিয়নের খানেপুরে ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় খানেপুর ইসলামিয়া ইবতেদায়ী মাদরাসা। স্থানীয় শিশুদের মাঝে ধর্মীয় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতেই প্রতিষ্ঠানটি নির্মাণ করা হয়। নয়নশ্রী ইউনিয়নের একমাত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা হওয়ায় এলাকাবাসীও সহযোগিতায় এগিয়ে আসে। তবে আর্থিক সংকটের কারনে বর্তমান খোলা ভবনে পাঠদান করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

স্থানীয় ও প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে স্থানীয় বাসিন্দা সাংবাদিক রাশিম মোল্লা, আবদুল্লাহ মো. হারুন, এলাকাবাসী ও কুয়েত প্রবাসীদের সহযোগিতায় শুরু হয় মাদরাসাটির কার্যক্রম। কিছুদিন পর কুয়েত প্রবাসী মো আায়ুব আলী মোল্লা, আয়ুব হোসেন, চুন্নু মিয়া, মো. সোহেল মোল্লা ও  গ্রামবাসীরা উদ্যোগ নেন ভবন নির্মাণের। তারা অনুদান দিয়ে সহযোগিতা করেন প্রতিষ্ঠানটিকে। শ্রেণীকক্ষ সংকটের কারণে তিনতলা একটি ভবন নির্মাণের কার্যক্রম চলছে সেই অনুদানে। তবে অর্থ সংকটের কারনে একতলা ভবনের কাজও শেষ করতে পারেনি প্রতিষ্ঠান কর্র্তৃপক্ষ। বন্ধ রয়েছে ভবন নির্মাণে কাজ। শুরু থেকে আজ অবধি বাইরের কিংবা সরকারের কোনো সহযোগিতা ছাড়াই চলছে এই প্রতিষ্ঠানটি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চারপাশ খোলা ভবনে ক্লাশ করতে হচ্ছে ছোট্ট শিশু শিক্ষার্থীদেরকে। ফলে পড়াশুনায় মন বসাতে পাচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা জানান, ভবন না থাকায় তাদের অনেক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বিশেষ করে গরমে ক্লাশ করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে অনেক শিক্ষার্থীরা।

 শিক্ষকরা জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থীদের বিনা বেতনে পড়ানো হয়। এখন চরম আর্থিক সংকটের কারণে মাদরাসাটি বন্ধের উপক্রম হয়েছে। মাদরাসাটি বন্ধ হয়ে গেছে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন এলাকার শিক্ষার্থীরা।

মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হাজী আব্দুল বারেক ভূইয়া বলেন, এলাকাবাসী ও কয়েকজন কুয়েত প্রবাসীরা মাদরাসার উন্নয়নে সহযোগিতা করে আসছে। সরকারিভাবে সহযোগিতা না পাওয়ায় বর্তমান আর্থিক সংকটের কারনে বন্ধ হওয়ার পথে মাদরাসাটি। মাদরাসাটি ধর্মীয় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে এলাকার কোমলবর্তী শিক্ষার্থীরা। মাত্র ৫ লাখ টাকা হলে ভবনটির নির্মাণ কাজ শেষ করা যাবে বলে জানান তিনি। তাই বাকী কাজটুকু সম্পন্ন করার জন্য সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানান তিনি ।