মুকসুদপুরে অটোরিকশা ও ইজিবাইক চালকদের মাঝে ত্রান বিতরণ

মুকসুদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম এ হান্নান খান, সরকারি ও মাননীয় সাংসদ জনাব সালমান এফ রহমানের ব্যক্তিগত অর্থায়নে মুকসুদপুর ইউনিয়নের সকল অটো রিকশা চালকদের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরন করেন।
এ সময় অটো চালকদের উদ্দেশ্যে অধ্যাপক এম এ হান্নান খান সকল কে সরকারি আইন ও নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরুধ করেন। এছাড়া ও তিনি বলেন, এই মহামারিতে সরকারের করোনা মোকাবেলায় আপনাদের কাছে অনুরুধ আপনারা ঘরে থাকুন। আমরা আপনাদের পাশে আছি, সুধু ইকটু ধৈর্যধারণ করুন। সকলের প্রতি আমার একটাই আহব্বান
“সকলে ঘরে থাকুন সুস্থ থাকুন”

নয়াবাড়িতে অসহায়দের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

ঢাকার দোহার উপজেলার নয়াবাড়ি ইউনিয়নে অসহায় ও হতদরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার ও ফজলুর রহমান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে প্রায় ১০০০ অসহায় পরিবারের মাঝে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আফরোজা আক্তার রিবার উপস্থিতিতে এ ত্রাণ পৌছে দেওয়া হয়।
সম্প্রতি সারা বিশ্বে করোনা ভাইরাস এক আতংকের নাম। করোনা ভাইরাসের প্রকোপে সারা দেশের মত দোহারের নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো চরম বিপাকে পড়েছে। পরিবারের উপার্জনশীল ব্যক্তি করোনার ফলে কাজ হারিয়ে এক প্রকার অভাব অনাহারে দিন যাপন করছে। তাই প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ও ফজলুর রহমান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে গরিব ও অসহায়দের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার লক্ষে এ ত্রাণ বিতরণ করা হয়।
এ সময় নয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব শামীম আহমেদ হান্নান বলেন , আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে নয়াবাড়ি ইউনিয়নে ১০০০ (এক হাজার) পরিবারে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছি, প্রত্যেক ওয়ার্ডের মেম্বার এবং ওয়ার্ডের নেতাকর্মীর সহযোগিতায় ঘরে ঘরে পৌছে দিচ্ছি, যার মধ্যে ছিল ১০ কেজি চাল, এবং আমাদের এমপি মহোদয় জনাব সালমান ফজলুর রহমানের পক্ষে উপহার হিসেবে ছিল ডাল,তেল, আলু,লবন ও ছোলা। তিনি আরো জানান, যদি কেউ ত্রাণ সহায়তা থেকে বাদ পরে তাহলে ইউনিয়ন পরিষদে যোগাযোগ করার সাথে সাথে ত্রাণ পেয়ে যাবে।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) জনাব জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।

দোহারে নতুন করে করোনা আক্রান্ত নেই

গত ২৮ এপ্রিল সংগৃহীত নতুন ১৬ জনের উপাত্তের পরীক্ষা শেষে দোহার উপজেলার সকল করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ পাওয়া গেছে। শনিবার (২রা মে) সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।

জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র নিউজ৩৯ কে জানান, ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত দোহারে মোট নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২৪৮ জনের। এদের মধ্যে ৪ জন বাদে আর নতুন করে কেউ আক্রান্ত হয়নি।
তবে ২৯ ও ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত যাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে তাদের রিপোর্ট এখনো পাওয়া যায়নি।

উল্ল্যেখ্য দোহারে এ পর্যন্ত করোনায় মোট আক্রান্ত ৪ জন এদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়।

দোহারে করোনার সংক্রামণ যাতে ছড়িয়ে না পরে,তাই দোহার উপজেলা পরিষদ ও দোহার উপজেলা প্রশাসন সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ করে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা ও সহকারী কমিশনার ভূমি জ্যোতি বিকাশ চন্দ্রের নিকট দোহারবাসী কৃতজ্ঞ।

দোহারে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতকরনে প্রশাসনের অভিযান ও অর্থদন্ড

উপজেলায় সরকারি নির্দেশনা না মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে একসঙ্গে একাধিক লোক চলাফেরা করায় ৫ জনকে অর্থদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত৷

শুক্রবার দুপুরে দোহার উপজেলার মেঘুলা ও দোহার বাজারে অভিযান চালিয়ে এই অর্থদন্ড প্রদান করেন সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব জ্যােতি বিকাশ চন্দ্র এর ভ্রাম্যমাণ অাদালত।
বাজার ও রাস্তায় অযথা জনসমাগম সৃষ্টির জন্য ৫ জনকে ৯০০ টাকা অর্থদন্ড দেয় ভ্রাম্যমান আদালত।

এ বিষয়ে দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জ্যােতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, করোনা প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। অনেকেই সরকারি নির্দেশনা না মেনে রাস্তায় ঘুরাফেরা করায় এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখায় তাদেরকে অর্থদন্ড দেওয়া হয়েছে। তাদের পরবর্তী সময়ের জন্য সতর্কও করে দেওয়া হয়েছে৷ তিনি আরো জানান, করোনা সংক্রমণ রোধে দোহারকে নিরাপদ রাখতে অামাদের অভিযান চলমান থাকবে। সকলকে সরকারি আদেশ মেনে চলার অনুরোধ করেন।

উল্লেখ্য যে, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বাড়ির বাহিরে ঘুরাঘুরি এবং একসঙ্গে একাধিক লোকজন জনসমাগম সৃষ্টি করতে পারবে না৷ এমনকি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাহিরে বের হতেও পারবেন না এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতেও বলা হয়েছে৷

এ সময় র‍্যাব ও দোহার থানা পুলিশের সদস্যরা ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহযোগিতা করেন।

দোহারে ডিএনএসএম এর উদ্যোগে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

সারাদেশ যখন করোনা ভাইরাসের প্রকোপে গৃহবন্দী, ঠিক সে সময় দোহারের অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে এসে দাড়ায় দোহার নবাবগঞ্জ সোসাইল মুভমেন্ট (ডিএনএসএম)। রবিবার সকালে দোহারের অন্যতম এ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি দোহারের প্রায় ৫৫০টি পরিবারের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে দোহার উপজেলার নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার গুলো অনেকটা অসহায় হয়ে পড়েছে। সাধারন মানুষের কাজ না থাকায় অভাব অনটনে দিন কাটছে নানা শ্রেণি পেশার মানুষের। তাই ডিএনএসএম এর পক্ষ থেকে এ ধরনের গরিব ও অসহায়দের মাঝে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেওয়া হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আলমগীর হোসেন, দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আফরোজা আক্তার রিবা, দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজিব শরিফ, দোহার নবাবগঞ্জ সোসাইল মুভমেন্টের সভাপতি মু. তারেক রাজিব, সহ সভাপতি মাহমুদুল হাসান সুমন সহ ডিএনএসএম এর কর্মীবৃন্দ।
ত্রাণ বিতরণ প্রসঙ্গে উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বলেন, ডিএনএসএম এর ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। দোহার উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে আমি তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আফরোজা আক্তার রিবা দোহার নবাবগঞ্জ সোসাইল মুভমেন্টের এ কর্মসূচী কে সাধুবাদ জানান।
দোহার নবাবগঞ্জ সোসাইল মুভমেন্টের সভাপতি মু. তারেক রাজিব বলেন, ডিএনএসএম পূর্বেও দোহার নবাবগঞ্জের মানুষের পাশে ছিল, সামনেও থাকবে। এছাড়াও পূর্বে ৬৭ টি ও বর্তমানে ৪৩৩ টি ও প্রশাসনের সহযোগিতায় ৫০ টি সহ প্রায় ৫৫০ টি পরিবারের মাঝে দোহারের সন্তান হিসেবে উপহার স্বরুপ এ ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

হটলাইনে ফোন করলেই মিলছে খাদ্য সামগ্রী

দোহার উপজেলা প্রশাসনের হটলাইনে ফোন করে খাদ্য সামগ্রী পেল দোহার উপজেলার অনিক হোসেন নামে এক ব্যক্তির পরিবার। এছাড়াও হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছে এমন কয়েকটি বাড়িতে নিজ দায়িত্বে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিচ্ছে দোহার উপজেলা প্রশাসন। করোনা ভাইরাসের কারনে দোহার উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ কাজ হারিয়ে অসহায় জীবনযাপন করছে। অভাব অনটনে কাটছে তাদের প্রতিটি মূহুর্ত। কিন্তু উপজেলা প্রশাসনের ব্যাপক তৎপরতা জনমানুষের মনে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। এমনটাই জানিয়েছেন দোহারের সাহেব বাজার সংলগ্ন আব্বাস আলী শিশু একাডেমির পাশে বসবাসকারী এক ব্যক্তি।
সোমবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের হটলাইনে যোগাযোগ করলে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আফরোজা আক্তার রিবা নিজ দায়িত্বে এক পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা করে।
এ সময় দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আফরোজা আক্তার রিবা বলেন, হটলাইনে ফোন করা ব্যক্তিদের বাড়িতে গিয়ে আমরা খাদ্য সামগ্রী সহ নগদ অর্থ সহায়তা করছি। এছাড়া যারা হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছে তাদের বাসায় আমরা নিজ দায়িত্বে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিচ্ছি।
এই কঠিন সময়ে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ পেয়ে অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফোটে।

দোহারে আরো একজন করোনা রোগী সনাক্তঃ মোট আক্রান্ত দুই

দোহার উপজেলায় আরো একজনের শরীরে করোনা সনাক্ত হয়েছে। দোহার উপজেলার লটাখোলার চমৎকার বিড়ির ফ্যাক্টরির পাশে আক্রান্ত ব্যক্তি বসবাস করে বলে জানা যায়। আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) জনাব জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আফরোজা আক্তার রিবা জানান, করোনা আক্রান্ত ঐ ব্যক্তির বাড়ি রংপুর জেলায়। তিনি ঢাকা চাকরি করেন। সম্প্রতি তিনি ঢাকা থেকে বসবাসের জন্য দোহারে আসেন, তার স্ত্রী দীর্ঘদিন যাবত দোহারে বসবাস করে এবং স্ত্রী দোহারের চমৎকার বিড়ির ফ্যাক্টারিতে কাজ করত। গত দুইদিন আগে তার শরীরে করোনা উপসর্গ দেখা দিলে গত মঙ্গলবার নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর এ পাঠানো হয়। বুধবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সরকারি মেইলে ঐ ব্যক্তির করোনা পজেটিভ থাকার খবর আসে।
আক্রান্ত ব্যক্তির স্ত্রী চমৎকার বিড়ির ফ্যাক্টরিতে কাজ করতো বিধায় সেটিকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও আশে পাশের কয়েকটি বাড়ি এবং পাশের কাঠপট্রি লকডাউন করা হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত কয়েকদিন ভর্তি থাকায় হাসপাতালের কয়েকজন ডাক্তারকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখতে বলা হয়েছে। এ নিয়ে দোহারে আক্রান্তের সংখ্যা দুই।

করোনা সন্দেহে মৃত্যু: লাশ দাফন করলেন জনপ্রতিনিধি ও চিকিৎসক

করোনা ভাইরাস এমন এক ভাইরাস, যে ভাইরাস কাউকে করুনা করেনা। এমনই একটি ঘটনা ঘটে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার চুরাইন ইউনিয়নের মুসলেম হাটি গ্রামের এক বৃদ্ধের সাথে।
৬৫ বছর বয়সী এ বৃদ্ধ বেশ কিছুদিন যাবত বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। ২৯ এপ্রিল ঢাকার গেন্ডারিয়ায় একটি বাসায় তিনি মৃত্যুবরন করেন। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে সন্দেহে লাশ দাফনে বাধা দেয় এলাকার স্থানীয় জনগন। বিষয়টি নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জানানো হলে লাশ দাফনে এগিয়ে আসেন নবাবগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাবির হোসেন পাভেল ও নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শহিদুল ইসলাম।
বুধবার সন্ধায় কিছু মুসল্লি নিয়ে লাশ দাফন কাফনের যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন নবাবগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাবির হোসেন খান পাভেল ও নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শহিদুল ইসলাম। নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়, বৃদ্ধ ব্যক্তি গত কয়েক মাস যাবত বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। আর্থিক সমস্যার কারণে তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে পারেননি স্বজনরা। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এমন সন্দেহে এলাকার লোকজন তার স্বজনদের সাথে বিভিন্ন ধরনের খারাপ আচরন করে।

দোহার উপজেলায় ২০ শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু

দোহার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন নিউজ৩৯-কে বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ আক্রান্ত ব্যাক্তিদের জন্য দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ২০ শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। প্রতিদিন নিয়মিত রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। ইনশাআল্লাহ, আমরা দোহারকে করোনা মুক্ত করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছি।

এজন্য ধন্যবাদ জানাই মাননীয় সংসদ সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা জনাব সালমান এফ রহমানকে, যার সার্বিক ত্তত্বাবধানে আমরা সবাই ক্লান্তিহীন কাজ করে চলেছি।

নেতাকর্মীদের নিয়ে ধান কাটলেন দোহার উপজেলার কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক

কৃষকের ধান কাটে মাড়াই করলেন দোহার উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান খান হিমু ও দোহার উপজেলা কৃষক লীগের নেতৃবৃন্দ।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে দোহার আড়িয়াল বিলে দোহার উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান খান হিমু ও দোহার উপজেলা কৃষক লীগের নেতৃবৃন্দের সাথে নিয়ে কৃষকদের সঙ্গে থেকে ধান কাটা মাড়াইয়ে অংশ নিয়ে এর উদ্বোধন করেন তারা। এসময় কৃষকলীগের ১০ জন নেতাকর্মী নিয়ে নিজেও ধান কাটতে মাঠে নেমে পড়েন তিনি।

এসময় হামিদুর রহমান হিমু বলেন, আমরা কৃষকলীগ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন মাঠে কাজ করার উদ্যোগ নিয়েছি। করোনার কারণে সারাবিশ্বে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সেই আতঙ্ক থেকে ধান কাটা মাড়াইয়ে যাতে শ্রমিক সংকট না হয় এজন্য আমরা মাঠে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান খান হিমু সহ দোহার উপজেলা কৃষক লীগের নেতৃবৃন্দ।