নেতাকর্মীদের নিয়ে ধান কাটলেন দোহার উপজেলার কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক

কৃষকের ধান কাটে মাড়াই করলেন দোহার উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান খান হিমু ও দোহার উপজেলা কৃষক লীগের নেতৃবৃন্দ।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে দোহার আড়িয়াল বিলে দোহার উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান খান হিমু ও দোহার উপজেলা কৃষক লীগের নেতৃবৃন্দের সাথে নিয়ে কৃষকদের সঙ্গে থেকে ধান কাটা মাড়াইয়ে অংশ নিয়ে এর উদ্বোধন করেন তারা। এসময় কৃষকলীগের ১০ জন নেতাকর্মী নিয়ে নিজেও ধান কাটতে মাঠে নেমে পড়েন তিনি।

এসময় হামিদুর রহমান হিমু বলেন, আমরা কৃষকলীগ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন মাঠে কাজ করার উদ্যোগ নিয়েছি। করোনার কারণে সারাবিশ্বে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সেই আতঙ্ক থেকে ধান কাটা মাড়াইয়ে যাতে শ্রমিক সংকট না হয় এজন্য আমরা মাঠে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান খান হিমু সহ দোহার উপজেলা কৃষক লীগের নেতৃবৃন্দ।

আড়িয়াল বিলে ধান কাটলেন নির্মল রঞ্জন গুহ ও আফজালুর রহমান বাবু

২৫ এপ্রিল, শনিবার সকাল ৮.০০ টায় বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ ও সাধারণ সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবুর নেতৃত্বে মুন্সিগঞ্জের আড়িয়াল বিলে ধান কাটার কার্যক্রম শুরু হয়, এ সময় কেন্দ্রীয়, মুন্সিগঞ্জ জেলা ও কয়েকটি উপজেলার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। জাতির সকল দুর্যোগে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ জনগণের পাশে আছে, পাশে থাকবে ।

নির্মল রঞ্জন গুহ বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সকল দুর্যোগে মানুষের পাশে ছিলেন, বর্তমানে আছেন, আগামীতেও থাকবে। জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকতে কোনো মানুষ না খেয়ে কষ্ট পায় না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে করোনা দুর্যোগেও দলের প্রতিটি নেতাকর্মী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে স্বাধ্যমত কাজ করে চলছে।তাই ধৈর্য দায়িত্বশীলতা ও দেশপ্রেম নিয়ে একযোগে সবাইকে এই প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আজ করোনা মহামারির কারনে বিপদে পড়ছে দেশের যে সকল কৃষক তাদের পাশে থেকে বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সকল নেতা কর্মিকে সাদ্যমত সাহায্যর হাত বাড়িয়ে দিতে অনুরোধ করেন নির্মল রঞ্জন গুহ । তিনি বলেন, করোনা প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নাই। একমাত্র সচেতনতাই পারে করোনা ভাইরাসকে প্রতিহত করতে। অপ্রয়োজনে বাড়ির বাইরে যাওয়া যাবে না। আর যারা প্রবাস ফেরত তাদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে হবে। সবাইকে সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

একেএম আফজালুর রহমান বাবু জনগনের উদ্দেশ্য বলেন, সরকারের নির্দেশ মেনে চলুন, করোনা ভাইরাস এর হাত থেকে রক্ষা পেতে ঘরে থাকুন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নির্দেশাবলী মেনে চলুন, সেনাবাহিনী ,পুলিশ এবং আমরা সমন্বয় করে কাজ করছি তাই বিনা প্রয়োজনে কেউ বাইরে যাবেন না, সবাই ঘরে থাকুন । নিরাপদে থাকুন।

কেরানীগঞ্জে ইমামের স্ত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ

কেরানীগঞ্জ উপজেলায় এবার মসজিদের ইমামের স্ত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে এক যুবলীগ নেতার তিন দেহরক্ষী ও তার ড্রাইভারের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার কলাতিয়া ইউনিয়নের জৈনপুর গ্রামে।
অভিযোগকারী জৈনপুর মসজিদের ঈমাম হাফেজ মো. কামরুল ইসলাম জানান, আমি জৈনপুর জামে মসজিদের ঈমামতি করি এবং কলাতিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের একজন স্থায়ী বাসিন্দা। আমার স্ত্রী একজন ডায়াবেটিসের রোগী।
গত ১৮ এপ্রিল রাত সাড়ে ৮টার দিকে আমার স্ত্রী প্রতিদিনের মতো এশার নামাজ শেষে বাসার সামনে হাটাহাটি করছিল। আমি ও আমার দুই ছেলে মসজিদে ছিলাম এশার নামাজের জন্য। ওই সময় ঢাকা জেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারেকের গাড়ির ড্রাইভার রিপন (৩৬) মদ্যপ অবস্থায় বাড়ির সামনে থেকে আমার স্ত্রীকে জোর করে টেনে হিঁচড়ে পাশের একটি বিলে (চকে) নিয়ে যায়। তাকে সহযোগীতা করে আব্দুল বারেকের তিন দেহরক্ষী শেখ দিপু, আলামত ও মামুন বেপারী।
তারা আমার স্ত্রীকে খারাপ মেয়ে ভেবে বিলে নিয়ে শ্লীলতাহানি, মারধর ও গালিগালাজ করে। পরে আমার স্ত্রী পরিচয় দিলে তারা আমার বাসার পাশের বাসায় জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পেরে সে ঠিক বলেছে। এরপর ওরাই আমার স্ত্রীকে বাসায় নিয়ে এসে রেখে যায়। আমি বাড়িতে এসে ঘটনা জানার পর মসজিদের সভাপতি মো. নুরুজ্জামান খানকে জানাই।
পরে আমি ও সভাপতি আব্দুল বারেকের বাসায় গিয়ে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে বারেক সাহেব বলেন, বিষয়টা আপনি কারো কাছে বলবেন না আমি নিজেই এর বিচার করে দেব এবং ২৪ এপ্রিল বিচারের তারিখ দেয়। বারেক সাহেব তা না মেনে বিচারের সময়ের আগে ২৩ এপ্রিলই বিচার বসায়।
বারেক সাহেব একদিকে বিচার বসিয়ে অন্যদিকে পুলিশকে খবর দিয়ে বিচারে আসা সালিশগণদের ছত্রভঙ্গ করে বিচার বানচাল করে দেয়। এই চারজনের বিরুদ্ধে আগে অনেক মা-বোনের ইজ্জত নষ্ট করার অভিযোগ আছে কিন্তু ক্ষমতাবান হওয়ায় এদের বিরুদ্ধে কেউ কিছু বলতে পারে না।
পরে আমি সুষ্ঠু বিচারের আশায় উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ, কলাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, কেরানীগঞ্জ প্রেস ক্লাব বরাবর আবেদন জানালাম। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। তারা যেন আর কোনো মা-বোনের শ্লীলতাহানি না করতে পারে সবার কাছে এই দাবি জানাই।
এ ব্যাপারে ঢাকা জেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারেকের মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। এর সুষ্ঠু বিচার হওয়া দরকার তা আমিও চাই। মসজিদের ইমাম ও সভাপতি আমার কাছে ঘটনার দিন রাতে বিষয়টি অবগত করেন। তখন আমি সভাপতিকে বলি আপনি এলাকার মুরব্বি বিচারটি আপনি করেন। আমি করোনার জন্য বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ নিয়ে ব্যস্ত থাকি।
তখন তারা ২৪ এপ্রিল বিচার ডেকে ২৩ তারিখে বিচার বসায় মসজিদ কমিটি। আমি তখন সালিশগণদের আছরের নামাজ পরে আসতেছি বলে মসজিদে যাই। নামাজ পড়ে এসে দেখি বিচারস্থলে প্রায় পাঁচ শতাধিক লোকজন জড়ো হয়ে হট্টগোল করছে দেশের করোনা পরিস্থিতিতে এত লোক একসঙ্গে জড়ো হওয়ায় আমি কলাতিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে বিষয়টা জানাই। তারা এসে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
আমি ঘটনাটি শোনার পর নিজে তদন্ত করে দেখেছি ঘটনাটি সত্য এবং অভিযুক্ত রিপন অপরাধী। বাকী তিনজন সেখানে থেকে নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে নিজেরাই বাড়িতে দিয়ে আসে। অভিযুক্ত রিপনের বিচার অবশ্যই হোক সেটা আমিও চাই।
এ ব্যাপারে কলাতিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. নয়ন মিয়া জানান, বৃহস্পতিবার আমাদের কাছে অভিযোগ আসে জৈনপুরে অনেক মানুষ জড়ো হচ্ছে। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা জড়ো হওয়া মানুষদের মাইকিং করে ছত্রভঙ্গ করে দেই।
এ ব্যাপারে কলাতিয়া ইউপি চেয়ারম্যান তাহের আলী বলেন, বিষয়টি খুবই ন্যাক্কারজনক। দেশের আলেম সমাজ ও মা-বোনেরা যদি এভাবে নাজেহাল হয় তাহলে আমরা আইএমএ যাহেলীর যুগে চলে যাব।
অভিযুক্ত চার যুবক প্রতিদিনই সন্ধ্যার পরে নেশা করে থাকে। তারা ক্ষমতাসীন দলের এক নেতার ছত্রছায়ায় থাকার কারণে কেউ মুখ খুলতে চায় না। আমরা যখন অভিযোগ পেয়েছি তা সুষ্ঠু তদন্ত করে এর কঠিন বিচার করব।
এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করলে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি কাজি মাইনুল ইসলাম পিপিএম বলেন, আমরা শুক্রবার বিকেলে অভিযোগ পেয়েছি, রাতের মধ্যেই মামলা হয়ে যাবে।

দোহার-নবাবগঞ্জে ঢাকা জেলার বিএনপির ত্রাণ বিতরণ

ঢাকা জেলার দোহার-নবাবগঞ্জ উপজেলায় ২৫০০ প্যাকেট ত্রান বিতরণ করেছে ঢাকা জেলা বিএনপি। ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাকের নেতৃত্বে করোনা মহামারীর প্রকোপে বেকার হওয়া নিম্নবিত্ত মানুষের মাঝে এই ত্রান বিতরণ করা হয়।
এই মুহূর্তে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রভাবে বেকার হয়ে পড়েছে দরিদ্র শ্রমজীবী অসহায় দিনমজুর প্রান্তিক মানুষেরা। এই দরিদ্র প্রান্তিক মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক। দুই হাজারের বেশী পরিবারের মাঝে আসন্ন রমজান মাস উপলক্ষে এই খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আগামী দিনের রাষ্ট্র নায়ক বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নির্দেশে এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে বলে জানান ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক। দোহার-নবাবগঞ্জের প্রতিটি ইউনিয়নের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা চলছে, এবং প্রতিটি ইউনিয়নে বিতরণের সময় নিজে উপস্থিত থাকছেন খন্দকার আবু আশফাক।
খন্দকার আবু আশফাক জানান, এই সংকট সমাধান না হওয়া পর্যন্ত খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে ঢাকা জেলা বিএনপি।

বানাঘাটায় আবু আশফাকের ত্রাণ বিতরণ

ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক রবিবার দোহার উপজেলার বানাঘাটা গ্রামে অসহায়, দুস্থদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছেন৷
খন্দকার আবু আশফাক নিউজ৩৯-কে বলেন, “আমরা এই করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে আল্লাহর সাহায্য চাই। একইসাথে অসহায়ের পাশে দাড়িয়েছে বিএনপির নেতা-কর্মীরা। সারাদেশে আমরা প্রায় ১২লক্ষ ত্রাণ বিতরণ করেছি। আমরা জনগণের সাথে সম্পৃক্ত, তাই আছি জনগণের সুখে-দুখে একসাথে। দোহার-নবাবগন্জে এই মুহূর্তে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রভাবে বেকার হয়ে যাওয়া দরিদ্র শ্রমজীবী অসহায় দিনমজুর প্রান্তিক মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা জেলা বিএনপি। ইতঃমধ্যে দোহারে দুই হাজারের বেশী পরিবারের মাঝে আসন্ন রমজান মাস উপলক্ষে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা জেলা বিএনপি নিয়মিত ত্রাণ বিতরণ করছে বলে, পুলিশ আমাদেরকে হয়রানি করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। আমার বাসায় ইতঃমধ্যে পুলিশ অভিযান চালানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।
এই ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্তিত ছিলেন দোহার পৌরসভার ওয়ার্ড কমিশনার ফরহাদ ব্যাপারী, যুবদলের সাবেক সভাপতি আবুল হাশেম, জয়পাড়া কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জহিরুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

প্রেরণার উৎস দোহারের তরুণ ব্যবসায়ী হাবিবুর হেলাল

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার কাটাখালি গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান হেলালের পক্ষ থেকে করোনা মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় সাধারণ মানুষের মাঝে ত্রাণ ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বয়সে তরুণ এই ব্যবসায়ী ত্রাণ বিতরণে হতে পারেন অন্যদের অনুপ্রেরণার উৎস। গোপনে নিজে বাড়ীতে প্যাকেটিং করে, রাতের গভীরে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে পৌঁছে দিয়েছেন ত্রাণ। তিনি স্রষ্টা আল্লাহ কে খুশি করার নিয়তে ঢাকা ঢোল না পিটিয়ে গত ২২, ২৩, ২৪ ও ২৫ এপ্রিল এই ত্রাণ বিতরণ করেন।

এই সময় প্রায় ২০০ পরিবারের মাঝে এই ত্রাণ ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। যাচাই-বাছাই করে করোনা মহামারীতে বেকার ও অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে এই ত্রান পৌছে দেয়া হয়।

ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিনি দোহার চান্দের বাজার সহ, কাটাখালি আংশিক, বানাঘাটা আংশিক, দোহার এবং সুতারপারা আংশিক নিম্নবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য ১৬৫টি এবং ঢাকায় ২৫টি সর্বমোট -১৯০ টি পরিবারের জন্য ত্রান ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রতি প্যাকেটে ৫ কেজি চাল, ১ কেজি পিয়াজ, ১ কেজি চিনি, ৫০০ গ্রাম ডাল, ১কেজি ছোলা, ১ কেজি তেল, ৫০০গ্রাম খেজুর, ৫০০ গ্রাম মুড়ি দেয়া হয়।

এই সময় হাবিবুর রহমান হেলাল এই কাজে সহযোগিতা করার জন্য নজরুল ইসলাম খান, সাব্বির হোসেন পাপ্পু, নিজু, জয়, দূর্জয়, হাবিব এদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এবং সার্বিক সহায়তার জন্য বন্ধু ফয়েজ ও সোহেল ভাই (ইতালি প্রবাসী) এবং ছোট ভাই হৃদয়কে ধন্যবাদ জানান। এই কঠিন সময়ে ত্রান পেয়ে অসহায় মানুষগুলোর মুখে হাসি ফুটেছে।

এছাড়া ঢাকা সহ দোহারে দোহার নবাবগঞ্জ সোশ্যাল মুভমেন্ট এবং প্রিয় বাংলা ত্রাণ কার্যক্রমে অনুদান দিয়েছেন। তিনি দোহার নবাবগঞ্জ সোশ্যাল মুভমেন্ট এর সহ-সভাপতি।

নবাবগঞ্জে ৩ বছরের শিশু ধর্ষনের চেষ্টা

নিউজ৩৯ : ঢাকার নবাবগঞ্জের মাঝিরকান্দা এলাকার চালনাই ইটভাটায় এক যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ বেলা ১ টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। প্রাথমিক অবস্থায় অভিযুক্ত যুবক কে স্থানীয় জনগণ গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে প্রেরণ করে।
সোমবার দুপুরে নবাবগঞ্জের চালনাই ইটভাটায় ৩ বছরের এক শিশুকে ধর্ষনের চেষ্টা করে এক যুবক। চালনাই চকে ইটভাটার এই শ্রমিক একটি ৩ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করতে গিয়ে স্থানীয় লোকের হাতে ধরা পড়ে। পরে ৯৯৯ এ কল করে তাকে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে এলাকাবাসী। শিশুটির বাবাও একই ভাটার শ্রমিক।
নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোস্তফা কামাল জানান, শিশুটির পরিবার থেকে এখনো কেউ কোনো মামলা বা জিডি করে নি। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানো হলে আসামীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

দোহারে করোনায় ২ জন নতুন আক্রান্ত

নিউজ৩৯ : দোহারে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত হলেন ৪ জন। এরমধ্যে শনিবার ১ জন মারা গিয়েছেন এবং প্রথম আক্রান্ত ব্যাক্তি সুস্থতার পথে রয়েছেন। নতুন আক্রান্ত ব্যাক্তিরা হলেন সমাধান ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ডা. মনিররুজ্জামান এর সহকারী এক ব্যাক্তি। তার বাসা জয়পাড়ায়। অপরজন হলেন মেঘুলা এলাকার অধিবাসী, মেঘুলা বাজার কমিটির সাবেক এক সাধারণ সম্পাদক। বিগত দিনে তারা সমাধান ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালে সেবা নিয়েছেন।

রোববার সকালে প্রাপ্ত ফলাফলে তারা সংক্রমিত হয়েছেন বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। তাদের চিকিৎসার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। রাজধানী ঢাকার যে সকল হাসপাতালে করোনাভাইরাসের চিকিৎসা দেয়া হয়, তার যেকোনো একটিতে আজ তাদের চিকিৎসার জন্য পাঠানো হবে বলে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জসিম উদ্দিন জানান।

ইতোমধ্যে আক্রান্তদের স্বজনদেরসহ আশপাশের পরিবারগুলোকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে জানিয়ে ডা. জসিম বলেন, তাদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন সব ধরনের সহযোগিতা করবে। এছাড়া আক্রান্তদের এলাকা দুটি সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ করা হবে কি-না সে বিষয়ে পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেবে।

নবাবগঞ্জে নতুন করোনা রোগী সন্ধান, কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

নবাবগঞ্জ উপজেলার বাহ্রা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাবুল হোসেন নামে এক সদ্য বিদেশ ফেরত প্রবাসীর করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন মঞ্জু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর মেডিকেল অফিসার ডাঃ হরগোবিন্দ সাহা অনুপ নিউজ৩৯ কে বলেন, IEDCR থেকে প্রতিনিধি এসে, রোগীর নমুনা নিয়ে গিয়েছিলো। তারা কনফার্ম করেছে তিনি করোনা আক্রান্ত।

বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন আছে।

দোহারে প্রশাসনের অভিযান, ৬ জনকে জরিমানা

লকডাউন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে দোহারের বিভিন্ন স্থানে চলছে দোহার উপজেলা প্রশাসন, দোহার থানা পুলিশ প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযান। অভিযানে নিয়ম না মেনে ফুটপাতে দোকান বসানোয় ৬ জনকে ৩০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা ও সহকারী কমিশনার ভূমি জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।