ঈদে বন্ধ থাকছে দেশের সবচেয়ে বড় শপিংমল বসুন্ধরা ও যমুনা ফিউচার পার্ক

করোনা ভাইরাসের  ঝুঁকির মধ্যেই.সরকার ব্যবসায়ীদের কথা চিন্তা করে এবং অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে আগামী ১০ মে থেকে সীমিত পরিসরে দোকানপাট ও শপিংমল খোলার অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি চিন্তুা করে দেশের সবচেয়ে বড় দুই শপিংমল যমুনা ফিউচার পার্ক ও বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যমুনা ফিউচার পার্ক কর্তৃপক্ষ। যমুনা ফিউচার পার্ক কতৃপক্ষ জানান, দেশজুড়ে চলমান সংকটময় পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত দেশের মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে যমুনা ফিউচার পার্ক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

অনুরুপভাবে বসুন্ধরা সিটি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (অ্যাকাউন্ট) শেখ আব্দুল আলিম বলেন, যতদিন পরিস্থিতির উন্নতি না হবে ততদিন বসুন্ধরা সিটি শপিংমল বন্ধ থাকবে।

তিনি আরো বলেন, দেশে প্রতিনিয়ত করোনা সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই জনগণের কথা মাথায় রেখে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মসজিদে জামাতে নামাজের অনুমতি

 

মসজিদে জামাতে মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের অনুমতি দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী।

 

 

 

আজ বুধবার কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়ার পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ ধন্যবাদ জানানো হয়।

 

 

 

বিবৃতিতে বলা হয়, রমজান মাসের ফজিলতের কথা বিবেচনায় নিয়ে সুস্থ ব্যক্তিদের জন্য ৫ ওয়াক্ত জামাতে নামাজ, জুমা ও তারাবি এবং ইতিকাফের জন্য দেশের সব মসজিদ খুলে দেয়ায় আল্লামা আহমদ শফী ও দেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরাম প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্টদেরকে ধন্যবাদ জানান।

 

 

 

বিবৃতিতে মসজিদ কর্তৃপক্ষকে যথাযথ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারের আরোপিত নির্দেশনাসমূহ যথাযথভাবে পালন করতে সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

 

 

 

এদিকে আগামীকাল বৃহস্পতিবার  জোহর থেকে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার শর্তে দেশের মসজিদগুলো উন্মুক্ত করে দেয়া হচ্ছে। আজ বুধবার  সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে।

কাল থেকে দূরত্ব মেনে মসজিদে নামাজ

সামাজিক দূরত্ব মেনে কাল থেকে সব মসজিদে নামাজ পড়তে পারবেন মুসল্লিরা। ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আগামীকাল জোহরের নামাজ থেকে মসজিদে সব ধরণের নামাজ পড়তে পারবেন মুসল্লীরা।

শর্ত সাপেক্ষে তারাবিসহ সব নামাজ সবার জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নামাজ পড়ার কথা বলা হয়েছে।

কেরানীগঞ্জে র‌্যাব-পুলিশসহ আরো ৮ জনের করোনা শনাক্ত

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি : ঢাকার কেরানীগঞ্জে গত ২৪ ঘন্টায় ৭ র‌্যাব সদস্য ও কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ১ পুলিশ সদস্যসহ নতুন করে আরো ৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এনিয়ে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িছে মোট ২৩৫ জনে। বিষয়টি নিশ্চিত করে কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর মোবারক হোসাইন জানান, এপর্যন্ত র‌্যাব সদস্য আক্রান্ত হয়েছে ২৯ জন এবং কেরানীগঞ্জ মডেল ও দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানা মিলিয়ে মোট ৩০জন পুলিশ সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন। প্রতিদিন এখানে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এতে চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে জিনজিরা, আগানগর, শুভাঢ্যা ,কালিন্দী, কোন্ডা, তেঘরিয়া ও শাক্তা ইউনিয়নসহ ১০টি ইউনিয়নের অধিবাসীরা।

দোহারে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় ৩ জনকে অর্থদন্ড

ঢাকার দোহারে জনসমাগম রোধ করার জন্য ও সরকারি নির্দেশনা কার্যকর করার জন্য উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় দোহার উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব জ্যোতি বিকাশ চন্দ্রের নেতৃত্বে ও দোহার থানা পুলিশের সার্বিক সহযোগিতায় দোহারের জয়পাড়া বাজার ও পালামগঞ্জ বাজারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।

উল্লেখ্য ব্যবসায়ীদের কথা চিন্তা করে ও অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সরকার আগামী ১০ মে থেকে সীমিত পরিসরে দোকান-পাট ও শপিংমল খোলা রাখার নির্দেশনা দেন। কিন্তু কিছু দোকানদার নিয়ম না মেনে এখন থেকেই দোকান খোলা শুরু করে দেয়।

জনাব জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র নিউজ৩৯ কে জানান, সরকারি নির্দেশনা মাঠ পর্যায়ে কার্যকর হচ্ছে কিনা তা মনিটরিং করার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বেশ কিছু ব্যবসায়ী নিয়মের তোয়াক্কা না করে দোকান-পাট খোলা রাখছে। তাই আমরা সার্বক্ষণিক মাঠ পর্যায়ে কাজ করছি বলে জানান জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।

এ সময় সরকারি নির্দেশনা না মানার অভিযোগে ৩ জন কে ৪৫০০ টাকা অর্থদন্ড দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব জ্যোতি বিকাশ চন্দ্রের ভ্রাম্যমান আদালত।

বাসায় চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ রশিদ মোল্লার পুরো পরিবার

এডভোকেট রশিদ মোল্লা। গ্রামের বাড়ি ঢাকার নবাবগঞ্জ। থাকেন ৩০/৩ নারিন্দার শাসাহেব বাড়ির লেন, গেন্ডারিয়ায় তার বাসায়। গত ২৪শে মার্চ জরুরি অবস্থা ঘোষণার পর থেকে ৮ ও ১০ই এপ্রিল মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস পরে নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার সদাই কিনতে বাজারে যান তিনি। এরপর গায়ে হালকা জ্বর অনুভব করতে থাকেন। রাতে বাড়তে থাকে জ্বর। দিন যায়, রাত যায় আর বাড়তে থাকে হাঁচি-কাশি। মনের মধ্যে সন্দেহ তীব্র হতে থাকে। এভাবে কেটে যায় পাঁচ দিন।

এরপর ১৬ই এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে করোনা টেস্ট করান তিনি। পরদিন আইইডিসিআর থেকে ফোন করে জানানো হয়, তার করোনা পজিটিভ। এ কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের সকল সদস্যদের কাছ থেকে আলাদা হয়ে যান তিনি । অবস্থান নেন আলাদা একটি রুমে । এরই মধ্যে পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও দেখা দেয় জ্বর ঠান্ডা হাঁচি কাশি। ২০শে এপ্রিল তাদেরকেও করোনার টেস্ট করানো হয়। কিন্তু এখনো তাদেরকে করোনা টেস্টের রিপোর্ট জানানো হয়নি। এই অবস্থায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে পুরো পরিবার।

পুলিশ ১৬ই এপ্রিল থেকেই তাদের বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করেন। এভাবে তারা গত প্রায় এক মাস ধরে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। এর মধ্যে মাত্র একদিন আইইডিসিআর থেকে রশিদ মোল্লার কাছে ফোন করে জানাতে চাওয়া হয় কেমন আছেন আপনি? বাসায় অন্যদের থেকে আলাদা থাকুন। আর কোনো খোঁজখবর নেয়া হয়নি তার। এরপর আইইডিসিআর এর দেয়া কয়েকটি নম্বরে ফোন করেও পরবর্তী কোন খবর জানতে পারেননি। এখনো রিপোর্ট দেয়া হয়নি তার পরিবারের তিন সদস্যদের।

এদিকে আইইডিসিআর তাদের খোঁজ খবর না নিলেও নিজেদের উদ্যোগে পরিচিত চিকিৎসকদের পরামর্শে ঔষধ সেবন করে তারা এখন পুরোপুরি সুস্থ। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখনো তাদের বাড়ির লকডাউন তুলে নেয়নি।
এ ব্যাপারে কথা হয় রশিদ মোল্লার সঙ্গে। তিনি জানান, ১৬ই এপ্রিল দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে করোনা টেস্ট করি। পরের দিন আইইডিসিআর থেকে আমাকে ফোন করে জানানো হয় আমার করোনা পজিটিভ। এ কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের সকল সদস্যদের কাছ থেকে আমি আলাদা হয়ে যাই। অবস্থান নিই আলাদা একটি রুমে। এরই মধ্যে পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও দেখা দেয় জ্বর ঠাণ্ডা হাঁচি কাশি। ২০শে এপ্রিল তাদেরকেও করোনার টেস্ট করি। কিন্তু এখনো তাদেরকে করোনা টেস্টের রিপোর্ট জানানো হয়নি। তাই এখনো ঘরে অবস্থান করছি। তবে আমরা সবাই সুস্থ আছি।

কিভাবে আক্রান্ত হলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিভাবে আক্রান্ত হয়েছি, তা নিশ্চিতভাবে বলতে পারব না। তবে এতটুকু বলতে পারি, ২৩শে মার্চ থেকে সরকার কর্তৃক জরুরি অবস্থা ঘোষণার পর থেকে আমি বাইরে কোথাও যাইনি। শুধুমাত্র নিত্য প্রয়োজনীয় বাজার-সদাই কিনতে ৮ই এপ্রিল ও ১০ই এপ্রিল বাজারে যাই। বাজারে যাওয়ার আগে হ্যাণ্ড গ্লাভস, মাস্ক ও পায়ে কেডস পড়ি। তারপরও আমি কেন আক্রান্ত হলাম বুঝতে পারছি না। তবে আমার মনে হচ্ছে, বাজার থেকে আনা তরিতরকারির মাধ্যমে আক্রান্ত হতে পারি।

কিভাবে সুস্থ হলেন- এমন প্রশ্নের জবাবে মানবজমিনকে তিনি বলেন, আমার আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে পরিচিত চারজন চিকিৎসক মোবাইল ফোনে ম্যাসেজ করে পাঠিয়েছে। এছাড়া পানিতে লেবু, আদা, গোলমরিচ, তেজপাতা গরম করে চা বানিয়ে খেয়েছি। এক ঘণ্টা পরপর গরম পানির ভাপ নিয়েছি। বেড শীট, রুম প্রতিদিন গরম পানি দিয়ে পরিস্কার করেছি। মহান আল্লাহকে ডেকেছি। পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ে আল্লাহর কাছে সুস্থতার জন্য দোয়া করেছি। আল্লাহর রহমতে আমরা এখন পুরো পরিবার সুস্থ হয়ে গেছি। আমার কাছে মনে হয়েছে, মন থেকে আল্লাহর কাছে কোনো কিছু চাইলে কাউকে ফিরিয়ে দেন না।

যুক্তরাজ্যে স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য শামীমা রাহিম শীলার খাদ্য বিতরণ

আছিফ সজল, নিউজ৩৯: সারা বিশ্ব যখন করোনা মহামারীতে বিপর্যস্ত, ঠিক তখনই স্বাস্থ্য কর্মীরা এই বিপর্যয় কাটিয়ে উঠার জন্য করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করছে একেবারে সামনে থেকেই। এর ব্যতিক্রম নয় যুক্তরাজ্যও। করোনা বিপর্যয় থেকে যুক্তরাজ্যকে রক্ষা করার জন্য তারা লড়াই করছে সামনের সারি থেকে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের এই লড়াই তাদের পাশে এসে দাড়িয়েছে বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসকদের পাশে এসে দাড়িয়েছে যুক্তরাজ্য ও স্কটল্যান্ড বিএনপি। তাদের উদ্যোগে ও দোহার উপজেলার সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা রাহিম শীলার তত্ত্বাবধানে যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যকর্মীদের মাঝে খাবার বিতরন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

স্কটল্যান্ড বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল রহিম এই খাবার সরবরাহের ব্যাপারে নিউজ৩৯কে বলেন, যুক্তরাজ্যের সরকার, বাংলাদেশের আওয়ামী  সরকারের দ্বারা নির্যাতিত ও নিপিড়ীত বিএনপি নেতাকর্মীদের যেভাবে আশ্রয় দিয়েছে তাতে আমরা সত্যই কৃতজ্ঞ। আজকে এই দেশ যখন করোনা মহামারীতে বিপর্যস্ত, তখন আমাদের সুযোগ এসেছে এই দেশের জন্য কিছু করার। তাই তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা এই দেশের স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশে এসে দাড়িয়েছি। ।

উল্লেখ্যঃ আব্দুল রহিম ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার নারিশার সন্তান ও তার স্ত্রী শামীমা রাহিম শীলা দোহার উপজেলার সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান।

দোহারে সরকারি জমি দখলমুক্ত করলো প্রশাসন

দোহার উপজেলার বউবাজার গ্রামে একটি সরকারি জমি দখল মুক্ত করে দোহার উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র। ৪ মে সোমবার এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সরেজমিনে অভিযান চালান জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র। এ সময় বউবাজার গ্রামের দখলকৃত সরকারি জমিতে মার্কেট নির্মাণ বন্ধ করে দিয়ে দখলদার ব্যক্তিকে অর্থদন্ড দেয়া হয়।

জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র জানান, দোহার উপজেলার বউবাজার এলাকার ১নং খাস খতিয়ানের প্রায় ২৬ শতাংশ সরকারি জমির কিছু অংশ নিজের দখলে নিয়ে মার্কেট নির্মাণ শুরু করে একই গ্রামের শওকত হোসেন নামের এক ব্যক্তি। বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ প্রশাসনকে সাথে নিয়ে সোমবার দুপুরে সরেজমিনে অভিযান চালিয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়। এছাড়াও জমি উদ্ধার করে এবং উদ্ধারকৃত জমিতে সরকারি সাইনবোর্ড টানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

সরকারি আদেশ অমান্য করে লোক সমাগম করে কাজ করানোর অপরাধে অভিযুক্ত শওকত হোসেনকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।

শোল্লা ও বক্সনগর ইউনিয়নের মধ্যবিত্ত মানুষের পাশে মুশফিকুর লিমন

আছিফ সজল,নিউজ৩৯ঃ ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ও বক্সনগর ইউনিয়নের অসহায় মধ্যবিত্ত বিভিন্ন পরিবারের কাছে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য উপহার হিসাবে পাঠিয়েছেন মুশফিকুর রহমান লিমন। করোনা পরিস্থিতিতে নবাবগঞ্জের অনেক পরিবারই কাজ হারিয়ে, বেকার হয়ে বাসায় বসে রয়েছে। তাদের সহযোগিতার জন্য এগিয়ে এসেছেন ঢাকা-১ আসনের সাংসদ সালমান এফ রহমানের একান্ত আস্থাভাজন মুশফিকুর রহমান লিমন। তার অর্থায়নে  নবাবগঞ্জের শোল্লা ও বক্সনগর ইউনিয়নে মুফতি ইব্রাহিম ও মাওলানা আতিকের তত্ত্বাবধানে এই উপহার সামগ্রী বিতরন করা হয়। এই উপহার সামগ্রী বিতরনে সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাবিথ পাভেল। মুশফিকুর রহমান লিমন বিভিন্নভাবে প্রতিনিয়ত দোহার-নবাবগঞ্জবাসীর পাশে রয়েছেন।

জয়পাড়া বাজারের দোকান কর্মচারীসহ দোহারে নতুন করে দুইজনের করোনা শনাক্ত

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলায় নতুন করে আরও দুইজনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দোহার উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৬ জনে। নতুন আক্রান্ত এক জন জয়পাড়া বাজারের এক দোকানের কর্মচারী। সোমবার (৪ মে) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জসিমউদদীন বলেন, জয়পাড়া বাজারের কর্মচারী ২১ বছর বয়সী আক্রান্ত ওই যুবকের শরীরে করোনার তেমন উপসর্গ ছিল না। আক্রান্ত অবস্থায় সে রাইপাড়া আকন বাড়ির মসজিদে নামাজ আদায়, জয়পাড়া বাজারে দোকানে কাজ করা সহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেছে। ওই বিষয়গুলো মাথায় নিয়ে উপজেলা ও থানা প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তার বাড়ি উত্তর রাইপাড়া গ্রামে আকন বাড়ি মসজিদের পাশে। সে জয়পাড়া বাজারের একটি চাল-ডালের দোকানের কর্মচারী।

দোহারে নতুন করে আক্রান্ত দুইজনের মাঝে রয়েছেন একজন নারী চিকিৎসক। এই নারী চিকিৎসকের বাড়ি নারিশা। তিনি মুলত সোহরাওয়ার্দি হাসপাতালের একজন চিকিৎসক। তার বয়স ৫০ বছর। করোনা পরীক্ষা করার জন্য মুলত তিনি দোহারে এসেছিলেন এবং নমুনা দিয়ে তিনি আবার ঢাকা চলে যান। তার স্বামীও একজন চিকিৎসক। এই ডাক্তার বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন।

উল্লেখ্য সবশেষ দোহারের বিভিন্ন স্থান থেকে ১১ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকার আইইডিসিআর-এ পাঠানো হয়।