নবাবগঞ্জে সেনাবাহিনীর  খাবার বিতরণ

প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই নানাভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।  জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা থেকে শুরু করে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা সহ নানাভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন তারা। তারই ধারাবাহিকায় এবার করোনা ভাইরাসের কারণে চলমান সংকটে নবাবগঞ্জের দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে পুষ্টিকর খাবার তুলে দিচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

১১ মে সোমবার নবাবগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রধান ডাঃ শহিদুল ইসলামের হাতে এই খাবার তুলে দেয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সদস্য ও নবাবগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মীরা।

পশ্চিম ধোয়াইরে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়িসহ আসেপাশের বাড়ি লকডাউন

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলা পশ্চিম ধোয়াইর গ্রামের করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়িসহ তার বাড়ির আশপাশের কয়েকটি বাড়ি লকডাউন করেছে দোহার উপজেলা প্রশাসন। আজ সকালে এসে তাদের প্রশাসন এসে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশনা প্রদান করে গেছে। রবিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলা, থানা ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং নয়াবাড়ির চেয়ারম্যান শামীম আহ্মেদ হান্নান আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়ি ও গ্রামে গিয়ে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেন।

দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিনের প্রতিবেদনের সূত্র ধরে নতুন করে পশ্চিম ধোয়াইর গ্রামে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। একইসাথে আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে মেলামেশার সূত্র ধরে ওই গ্রামের আশপাশের কয়েকটি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। লকডাউন করা বাড়ির সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টাইনের বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

এদিকে নয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ হান্নান, করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়ি ও আশে পাশের বাড়ির খাদ্য ও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পৌছে দেয়ার দায়িত্ব নিয়েছেন।

দোহার ও নবাবগঞ্জে ঢাকা জেলা পরিষদের ত্রান বিতরণ

ঢাকা জেলা পরিষদের তত্তাবধান ও অর্থায়নে ঢাকা জেলার দোহার ও নবাবগঞ্জে প্রায় ১৩০০ পরিবারের মাঝে ত্রান বিতরন করা হয়েছে। ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান নিজে উপস্থিত থেকে দরিদ্রদের মাঝে এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করেন। শনিবার সকালে দোহারের কবি নজরুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদাণ করা হয়।

ঢাকা জেলা পরিষদের অর্থায়নে এ পর্যন্ত ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সহ জেলা পরিষদের আওতাধীন ৫টি উপজেলায় ৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হয়। এছাড়া উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ২৫০টি পিপিই ও সাত হাজার মাস্ক হস্তান্তর করা হয়। অন্যদিকে, ব্যক্তিগত অর্থায়নে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার ১ হাজার ৩০০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হয়। এর মাঝে দোহারে বিতরন করা হয় ৫০০ প্যাকেট ও নবাবগঞ্জে বিতরন করা হয় ৮০০ প্যাকেট।

দোহারে নয়াবাড়ীতে করোনা রোগী শনাক্ত

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার নয়াবাড়ী ইউনিয়নে আরো একজন করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এই নিয়ে দোহারে করোনা রোগীর সংখ্যা দাড়ালো ৭ জন।

দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বরাত দিয়ে জানা যায়, নয়াবাড়ি ইউনিয়নের ধোয়াইর ক্যাপ্টেন রফিকের বাড়ির পাশে আক্রান্ত যুবকের বাড়ী। সে মে মাসের ১ম সপ্তাহে তারিখে কেরানীগঞ্জের কালিগঞ্জ থেকে বাড়িতে আসে। তার করোনা আক্রান্তের খবরে নয়াবাড়ি ইউনিয়নের ধোয়াইর বাজার ও এর আসেপাশে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক ভাবে আক্রান্ত পরিবারের নিরাপত্তা শংকাও তৈরি হয়েছে।

তবে নয়াবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ হান্নান আক্রান্ত পরিবারের যাবতীয় দায় দায়িত্ব গ্রহন করেছেন। এবং সামাজিক ভাবে তাকে নিরাপদে রাখার ও খাদ্য সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

রমজানে দাঁত ও মুখের যত্ন

চলছে পবিত্র মাস রমজান। এই মাসে  পরিবর্তিত হয় আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা, সেই সাথে পরিবর্তিত হয় আমাদের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন নেওয়ার নিয়মকানুনেরও। রমজানে কী করা যাবে আর কী করা যাবে না তা নিয়ে আমরা অনেকেই সন্দিহান থাকি। এ মাসে দাঁতের যত্নে কী করা উচিত, মুখের যত্নে কী করা উচিত, কখন দাঁত ব্রাশ করা উচিত বা মাউথওয়াশ ব্যবহার করা যাবে কী না প্রভৃতি নিয়ে অনেকের মনেই নানা প্রশ্ন জাগে।

আসুন দেখে নিই, রমজানে দাঁত ও মুখের যত্নে আমাদের কী করা উচিত। রমজানে কোনটা নিষিদ্ধ আর কোন কাজটা হালাল:

দাঁত মাজার সময় –

একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমান সারাদিন না খেয়ে রোজা রাখেন। তার দৈনিক খাদ্যাভ্যাসের পরবর্তন হয় এই মাসে। তিনি সন্ধ্যায় ইফতার ও ভোররাতে সেহরি গ্রহণ করেন। এ পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রোজাদারদের দাঁত মাজার সময়েও পরিবর্তন আনা জরুরী। রমজানে ইফতারের পরে একবার ব্রাশ করে ফেললে ভালো। পরে সেহরির পরে একবার। এ দুবার ব্রাশ করতে হবে। এছাড়া প্রতিবার নামাযের আগে মেসওয়াক করা হলে তা দাঁত ভালো রাখতে সাহায্য করবে।

রমজানে দাঁত ও মুখের যত্ন সম্পর্কে কিছু ভ্রান্ত ধারণা –

যারা রোজা রাখে তাদের মধ্যে বারবার থুতু ফেলার একটি প্রবণতা দেখা যায়।এটা কিন্তু অপ্রয়োজনীয়। মাহে রমজানে দীর্ঘ সময় মানুষ খাওয়া-দাওয়া থেকে বিরত থাকে। এই সময়ে শারীরিকভাবে কিছু পরিবর্তন আমাদের হয়। যেমন শরীরে পানির কিছু ঘাটতি ঘটে। সেই কারণেই দেখা যায় মুখ শুকিয়ে আসে। মুখের যে লালা, যাকে আমরা স্যালাইভা বলি,এটিও কমে যায়। কমে যাওয়ার কারণে ভেতরে স্বাস্থ্যগত যে পরিবর্তন হয়, এর কারণে ভেতরে শুষ্ক একটি পরিবেশ বিরাজ করে। এই শুষ্ক অবস্থা মুখ ও দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য খুব ক্ষতিকর একটি ব্যাপার। এই শুষ্ক অবস্থা তো কোনো কিছু খেয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়, যেহেতু রমজান চলছে। তাই থুথু ফেলে মুখ আর ও শুকনো করে ফেলা কোনভাবেই উচিত নয়।

রক্তপাতের কারণে রোজা ভঙ্গ হয় বিধায় অনেকে দাঁতের জরুরী সমস্যায়ও চিকিৎসা করতে চান না। অনেক রোগী প্রশ্ন করেন মাড়ি দিয়ে একটু রক্ত পড়ল, রোজা আছে কি না? আবার কেউ বলে যে স্কেলিং করতে গেলে রোজা থাকবে কি না। তাদের জন্য আনন্দের বিষয় হচ্ছে, আজকাল অনেক আল্ট্রাসোনিক বা যে ধরনের স্কেলার মেশিন চলে এসেছে যার মাধ্যমে স্কেলিং করলে রক্তপাত হয় না বরং রক্তহীন ও ব্যথাহীনভাবে করা যায়।তাছাড়া ভিটামিন-সি যুক্ত খাবার এবং পানি রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে।

আর যাদের প্রদাহ আছে, যাকে আমরা বলি জিনজিভাইটিস বা মাড়ির প্রদাহ সেটি কিন্তু যত্নটা না করলে আরো বেশি বেড়ে যায়। সেখানে খাদ্যকণা জমে যায়। খাদ্যকণার মধ্যে ব্যাকটেরিয়া বা বিভিন্ন জীবাণু এসে একটি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করে। এতে মাড়ির প্রদাহ, প্রদাহের কারণে রক্তপাত, মুখে দুর্গন্ধ ও নানা রকম প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। সুতরাং রমজানে মুখের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ওপর বিষয়টি বেশির ভাগ নির্ভর করবে। আর হাদিসেই বলা আছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ইমানের অঙ্গ।

সাধারণ মানুষের মধ্যে আরেকটি ভ্রান্ত ধারণা আছে যে, রোজা রেখে মাউথওয়াশ ব্যবহার করা যাবে না। কিন্তু মাউথওয়াশ তো বাহ্যিক একটি জিনিস। মুখে কুলি করে ফেলে দিচ্ছেন, এতে রোজার ক্ষতি হওয়ার কোনো কারণ নেই,বরং মুখের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

তাই আসুন, রমজানে আমরা নিশ্চিন্তে দাঁত ও মুখ পরিষ্কার রাখি। এতে আমাদের স্বাস্থ্যও যেমন ভালো থাকবে, তেমনি আমাদের রোজাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

রোযা ছাড়াও বছরে অন্তত দুইবার ডেন্টিস্ট এর পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ডাঃ ইশতি জাহান আভা

বি.ডি.এস(রাজশাহী মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল ইউনিট)

পি.জি.টি ( ঢাকা ডেন্টাল কলেজ)

কনসালটেন্ট,আভা ওরাল & ডেন্টাল কেয়ার, মিরপুর, ঢাকা।

বি.এম.ডি.সিঃ ৬৭০৪

অনলাইনে বা টেলিফোনে  সেবার জন্য

মোবাইলঃ ০১৭৯৪-৫৯২৪৩৩

দোহারে – নবাবগঞ্জে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সেনাবাহিনী

জুবায়ের শরীফ ও তৌহিদুল ইসলাম নিউজ৩৯ঃ ঢাকার দোহার নবাবগঞ্জ উপজেলায় গরিব ও অসহায় পরিবারের মাঝে কয়েক দফায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় আজ ৮ই মে শুক্রবার দোহার ও নবাবগঞ্জে প্রায় ৫০ টি সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। মেজর রাশাদ বিন কালামের নেতৃত্বে সেনা সদস্যগণ প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে এ খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেন।

সারা দেশের মত দোহার ও নবাবগঞ্জেও করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। ফলশ্রুতিতে চলমান লকডাউন এর কারণে সাধারণ জনজীবন অনেকটাই বিপর্যস্ত। এর ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন দোহার ও নবাবগঞ্জ এর নিম্ন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলো। নানা শ্রেণী পেশার মানুষ কাজ হারিয়ে এক প্রকার অসহায় অবস্থায় জীবন যাপন করছে । স্বাভাবিক আয়ের উৎস চলমান না থাকা এবং সামান্য জমানো অর্থ শেষ হয়ে যাওয়ায় ক্ষুধার্ত অবস্থায় দিন যাপন করছে এসব পরিবারের অনেক সদস্যরা। তাই এই অসহায় মানুষগুলোর কষ্ট দূরীকরণে ও তাদের মুখে হাসি ফুটানোর লক্ষে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

এই কঠিন সময়ে ত্রাণ পেয়ে অসহায় মানুষগুলোর মুখে হাসি ফুটেছে।

নবাবগঞ্জে ত্রাণ বিতরণকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ নেতাকে পিটিয়ে আহত

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার বাহ্রা ইউনিয়নের এক ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতাকে ত্রান বিতরন কেন্দ্র করে পিটিয়ে আহত করার ঘটনা ঘটেছে। আহত জয়নাল আবেদিন(৫২) বাহ্রা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা তাঁতীলীগের সহ-সভাপতি। বুধবার দুপুরে বলমন্তচর ব্রিজের ঢালে এ ঘটনা ঘটে। আহত জয়নাল আবেদীন উপজেলার বলমন্তচর গ্রামের মৃত শাহেদ বেপারীর ছেলে।

জয়নাল আবেদীন অভিযোগ করেন, বেলা আনুমানিক পৌনে ১২টার বলমন্তচর ব্রিজের ঢালে ত্রাণ বিতরণ নিয়ে আমার সঙ্গে ভ্যান চালক ফালান ও স্থানীয় শেখ করিমের বাকবিতন্ডা হয়। দুপুরে বাগমারা থেকে বাড়ি ফেরার পথে ব্রিজের ঢালে আসা মাত্র করিম ও তার দুই ছেলে তুহিন ও তুষারসহ আরও ৫/৬ জন আমার উপর হাতুরী লাঠি নিয়ে হামলা করে। এক পর্যায়ে ইট দিয়ে আমাকে আঘাত করতে থাকে এবং আমার ডান গালের নীচে মারাত্মক জখম হয়। আমার ডাকচিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে আমাকে প্রাননাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয়রা আমাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন।

নবাবগঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক মৃত্যুঞ্জয় কুমার কীর্তনিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

অর্ধ যুগেও সংস্কার হয় নি বান্দুরা বাজারের রাস্তা

বান্দুরা ব্রিজ পাড় হলেই যে জায়গাটা অবস্থিত তা নতুন বান্দুরা তিন রাস্তার মোড় নামে পরিচিত। শিকারীপাড়া, বারুয়াখালী, জয়কৃষ্ণপুর ও নয়নশ্রী ইউনিয়নবাসীর একমাত্র পথ এটি। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত করতে হয় এই রাস্তা দিয়ে। এই চার ইউনিয়ন শুধু নয় মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলা ও মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার হাজার হাজার মানুষ এই রাস্তা ব্যবহার করে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পৌঁছে দিতে বিভিন্ন পরিবহন নিয়মিত যাতায়াত করে। বছরের পর বছর পার হলেও কোন কাজ হচ্ছে না গুরুত্বপূর্ণ এই জায়গাটার।

নবাবগঞ্জের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই বাজারের এই রাস্তাটি যেন কোন বেওয়ারিশ লাশ। অথচ নির্বাচনের আগে বর্তমান সংসদ সদস্য, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি উন্নমন উপদেষ্টা জনাব সালমান এফ রহমান, নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ (ঝিলু) সহ অনেক নেতৃবৃন্দ এই খানাখন্দে ভরা রাস্তার উপর দিয়েই  যাতায়াত করেছেন নির্বাচনের আগে। নির্বাচনের পড়েও তারা দুইবার এসেছেন এই রাস্তা দিয়ে। বান্দুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিল্লাল মিয়াও দেখে না দেখার মত অবস্থায় রয়েছেন। এছাড়া শিকারীপাড়া ইউনিয়নের প্রভাবশালী আওয়ামীলীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলীমুর রহমান খান (পিয়ারা), বারুয়াখালী ইউনিয়নের প্রভাবশালী আওয়ামীলীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. আরিফুর রহমান শিকদার, জয়কৃষ্ণপুর  ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মাসুদুর রহমান এবং নয়নশ্রী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. রিপন মোল্লাকেও বান্দুরা বাজারের রাস্তা সংস্কারে তেমন কোন উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি যদিও তারা নিয়মিত যাতায়াত করেন এই রাস্তা দিয়ে।

বিগত  ৬-৭ বছর যাবৎ ইজিবাইক চালক ও অন্যান্য গাড়ি চালকেরা চাঁদা উঠিয়ে কিছু ইটের টুকরো ভেঙে রাস্তার উপরে দিলেও তা ভাল হওয়ার পরিবর্তে আরো নাজুক অবস্থা হয়েছে। মাঝে মাঝে ইজিবাইক ও মালবাহী গাড়ী  উল্টে পরে যায় বৃষ্টি হলে। ছোট ছোট ছাত্রছাত্রী ও রোগীদের অবস্থা বিবেচনায় রেখে রাস্তাটি অনতিবিলম্বে সংস্কার করা দরকার বলে সকলে আবেদন করেন।

মধ্যরাতে খাবার নিয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান

মধ্যরাতে খাবার নিয়ে ঘরে ঘরে পৌছে দিচ্ছেন নবাবগঞ্জ উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান তাবির আহমেদ খান পাভেল। মানবিকতার এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের এই তরুন ভাইস চেয়ারম্যান।

রাতে ফোন পেলেন ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের হযরতপুর তালিমুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসায় খাদ্য সামগ্রী নেই। মধ্য রাতে প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী নিয়ে তিনি পৌছে যান মাদ্রাসায়।

নিউজ৩৯কে তাবির আহমেদ পাভেল বলেন, করোনা ভাইরাসের কারনে হযরতপুর মাদ্রাসায় চরম খাদ্য সংকট দেখা দেয়। আমি বিষয়টি জানতে পেরে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে মাদ্রাসায় পৌছে দেই। এবং স্থানীয় চেয়ারম্যান মেম্বারদের নিয়মিত মাদ্রাসায় খোজ রাখতে বলি। তিনি আরো জানান, নবাবগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি অসহায় পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য চলমান করোনা পরিস্থিতে উক্ত মাদ্রাসার সিংহ ভাগ ছাত্র বাসায়  চলে গেলেও অন্যান্য জেলার কিছু ছাত্র যানচলাচল বন্ধ থাকার কারনে বাসায় যেতে পারেনি। যার ফলে মাদ্রাসায় খাদ্য সংকট দেখা দিলে মধ্য রাতে নিজ দায়িত্বে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেন তাবির আহমেদ খান পাভেল।

এসএসসি পরিক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে ঈদের পর

চলমান করোনা সংকটের ফলে চরম বিপাকে পড়েছে সদ্য এসএসসি পরিক্ষা শেষ করা শিক্ষার্থীরা। প্রতি বছর যে সময়টিতে শিক্ষার্থীরা ভর্তি নিয়ে ব্যস্ত থাকে, এবছর সেই সময়টি পাড় করছে ফলাফলের অপেক্ষা করে। কবে নাগাদ পাওয়া এসএসসি পরিক্ষার ফল সেটা এখনো অনিশ্চিত। তবে কিছুটা আশার আলো দেখাচ্ছে শিক্ষাবোর্ড গুলো।

ঈদের পর এসএসসি ও সমমানের পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশ হতে পারে এমন আশার বাণী শুনাচ্ছেন শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা।  দীর্ঘ  সময় বন্ধ থাকার পর আংশিক খোলা হচ্ছে শিক্ষাবোর্ডগুলো। এছাড়াও চলতি মাসের শেষের দিকে ফলাফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা যায়। সর্বপরি করোনা ভাইরাসের উভর নির্ভর করছে এসএসসি ফলাফল প্রকাশের সময়। যদি পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয় তাহলে মে মাসের শেষের দিকে ফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ডাক যোগাযোগের মাধ্যমে দেশের সকল পরিক্ষকের কাছে জমা থাকা উত্তরপত্র বোর্ড অফিসে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়ে।