বান্দুরায় রাতের আঁধারে কেটে ফেলা হল ৬০টি কলাগাছ

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের এক কৃষকের কলা বাগানের ৬০টি গাছ রাতের আঁধারে কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সফিউদ্দিন শিকদার অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে নবাবগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক সফিউদ্দিন শিকদার নিউজ৩৯কে বলেন, আমি ব্যবসার জন্য নিজের জমিতে পাশে ৩/৪ দিন আগে ৬০টি কলা গাছ লাগিয়েছিলাম। সোমবার রাতে কে বা কারা আমার কলা গাছগুলো কেটে ফেলেছে। তিনি আরো বলেন, আমার সাথে কারো শত্রুতা থাকতে পারে। কিন্ত গাছের সাথে এ কেমন শত্রুতা। এভাবে গাছ কাটাটা দুঃখজনক। এব্যাপারে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।

লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজগর আলী বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনাটি খুবই ন্যাক্কারজনক। তদন্ত চলছে। তদন্ত করে বিষয়টির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মোবাইলে এসএমএস ও ফোনের মাধ্যমে দোহার-নবাবগঞ্জে ত্রান পেয়েছে ২৮০ পরিবার

ঢাকা জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে মোবাইলে এসএসএস ও ফোনের মাধ্যমে ত্রান সামগ্রী হাতে পেয়েছে দোহার নবাবগঞ্জের ২৯০টি পরিবার। আজ ঢাকা জেলা প্রশাসনের দেয়া এক প্রেস রিলিজে এই তথ্য জানানো হয়। এই সময় প্রেস রিলিজে আরো জানানো হয় দোহার-নবাবগঞ্জ-কেরানীগঞ্জসহ ঢাকা জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে মাররেক বন্ধ ও খোলা রাখার নিয়ম অনুসরন করা হচ্ছে কি না সেটা তদারকি ও আইন অমান্যে সার্বিক ব্যবস্থা ও ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় মোবাইল কোর্টে ৭০ মামলায় জরিমানা করা হয় ৫৮ হাজার ৭০০ টাকা।

 

 

জেলা প্রশাসন অফিস থেকে জানানো হয়, লোকজনের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারি নির্দেশনা প্রতিপালনে কার্যনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এ সময় সরকারী নির্দেশ অমান্য করে জনসমাগম করায় ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে ও উপজেলা গুলোতে ৩২ মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এই মামলা পরিচালনা করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও ঢাকা জেলা পুলিশ সহায়তা করে।

ইঞ্জিনিয়ার মেহবুবের ঈদ সামগ্রী বিতরণ

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ও নারিশ ইউনিয়নে ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কবির ঈদ সামগ্রী বিতরন করেছেন। করোনা মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় সাধারন মানুষের মাঝে এই ঈদ সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে। এই সময় ৭০০ পরিবারের মাঝে এই ত্রান সামগ্রী বিতরন করা হয়। ১২ মে মঙ্গলবার এই ঈদ সামগ্রী অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে পৌছে দেয়া হয়।

সারা দেশের মতো দোহারও ক্রোনা মহামারীতে আক্রান্ত। সাধারন মানুষের কাজ না থাকায় এক প্রকার অসহায় ও ক্ষুধার্ত অবস্থায় তারা দিন যাপন করছে। এই সময় এই অসহায় পরিবারগুলোর পাশে এসে দাড়িয়েছে ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কবির। ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কবিরের পক্ষ থেকে এই অসহায় ও দরিদ্র পরিবারগুলোর মাঝে মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের পল্লীবাজার, মৌড়া বাজার, দুবলী বাজার, ফুলতলা বাজার, মুকসুদপুর বাজার, নারিশা ডাকবাংলো ও নারিশা বাজারে চা’র দোকানে গিয়ে ঈদ সামগ্রী তুলে দেন। এই সময় তিনি নিজে উপস্থিত থেকে এই ঈদ সামগ্রী বিতরনে তদারকি করেন। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন বীরমুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহিম খলিল সবুজ, বিশিষ্ট সমাজ সেবক আক্কাচ উদ্দিন, ডেফোডিলস হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক এরশাদ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এই কঠিন সময়ে ত্রান পেয়ে অসহায় মানুষগুলোর মুখে হাসি ফুটেছে।

দোহারে খন্দকার আবু আশফাকের ত্রান বিতরণ

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার দোহার পৌরসভায় করোনা মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় সাধারন মানুষের মাঝে ত্রান বিতরন করেছেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক। এই সময় প্রায় ৩০০ পরিবারের মাঝে এই ত্রান সামগ্রী বিতরন করা হয়। ১২ মে মঙলবার দোহার পৌরসভার অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে এই ত্রান পৌছে দেয়া হয়।

সারা দেশের মতো দোহারও করোনা মহামারীতে অর্থনৈতিক ভাবে বিপর্যস্ত। সাধারন মানুষের কাজ না থাকায় এক প্রকার অসহায় ও ক্ষুধার্ত অবস্থায় তারা দিন যাপন করছে। এই সময় এই অসহায় পরিবারগুলোর পাশে এসে দাড়িয়েছে ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও নবাবগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাক। খন্দকার আবু আশফাকের পক্ষ থেকে এই অসহায় ও দরিদ্র পরিবারগুলোর মাঝে নিত্য প্রয়োজনিয় খাদ্য সামগ্রী  পৌছে দেয়া হয়। এই খাদ্য সামগ্রী দোহার পৌরসভা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, ছাত্রদলের তত্ত্বাবধানে সবার মাঝে বিতরন করা হয়। এই সময় উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা বিএনপির সভাপতি মিছির চেয়ারম্যানসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা।

এই কঠিন সময়ে ত্রান পেয়ে অসহায় মানুষগুলোর মুখে হাসি ফুটেছে।

জয়পাড়া বাজারে সরকারি নির্দেশ না মানায় ৪ ব্যক্তিকে জরিমানা

জয়পাড়া বাজারে সরকারি নির্দেশ না মেনে রাস্তায় চলাফেরা করার জন্য ৪ ব্যক্তিকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি না মেনে মোটরসাইকেল চালানোর অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে চারজনকে ১৭ শ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

১১ মে বিকালে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে জয়পাড়া বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন দোহার উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র। অভিযানে সহযোগিতা করেন দোহার থানা পুলিশ। অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র সংবাদিকদের বলেন, সরকারি বিধি নিষেধ অমান্য করে ও স্বাস্থ্যবিধি না মেনে প্রতিষ্ঠান খোলা রাখলে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিজেদের সচেতন হতে হবে। যারা কেনা বেচা করবেন সকলকে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে।

উল্লেখ্য করোনা পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে গত (১০ মে ) থেকে সকাল ১০ টা হতে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার বিষয়ে নির্দেশনা দেয় সরকার।

নবাবগঞ্জে সরকারি ত্রান বিতরণ

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলারকলাকোপা ও নয়নশ্রী ইউনিয়নের করোনা মহামারীতে অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ কর্মহীন ও অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসমাগ্রী বিতরণ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন।   এই সময়সরকারি চাল, স্থানীয় সাংসদ সলামান এফ রহমানের ডাল, তেল, লবন এবং উপজেলা প্রশাসনের শাক-সবজ করোনায় ক্ষপ্তিগ্রস্থ মানুষের মাঝে বিতরন করা হয়।  সোমবার বেলা ১১টায় কলাকোপা ইউনিয়নের উপজেলা ভূমি অফিসের সামনে ও বেলা ১২টায় নয়নশ্রী ইউনিয়নের গোল্লা সাধু ফ্রান্সিস জেভিয়ার গীর্জা মাঠে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে খাদ্য বিতরণ করা হয়।

 

 

সারা দেশের মতো নবাবগঞ্জও করোনা মহামারীতে আক্রান্ত। সাধারন মানুষের কাজ না থাকায় এক প্রকার অসহায় ও ক্ষুধার্ত অবস্থায় তারা দিন যাপন করছে। এই কঠিন সময়ে ত্রান পেয়ে অসহায় মানুষগুলোর মুখে হাসি ফুটেছে।

 

 

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম সালাউদ্দীন মনজু, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো. রাজিবুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কর্মকর্তা ডা. মো. শহীদুল ইসলাম, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. শাহজালাল, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হাসান আহমেদ, কলকোপা ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইব্রাহীম খলিল, বান্দুরা ইউপি চেয়ারম্যান মো. হিল্লাল মিয়া, গোল্লা গীর্জা ধর্মপল্লীর সহ-সভাপতি টমাস রোজারিও প্রমুখ।

সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন দোহারের প্রথম করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি

অবশেষে সুস্থ হয়ে নিজ বাড়িতে ফিরলেন ঢাকার দোহার উপজেলার প্রথম করোনা ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তি। ২১ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ঢাকার রিজেন্ট হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়ে রোববার ( ১০ মে) রাতে তিনি বাড়িতে ফেরেন। ওই ব্যক্তির বাড়ি উপজেলার দক্ষিণ জয়পাড়ার মাঝিপাড়া এলাকায়। তিনি এখন পুরোপুরি সুস্থ রয়েছেন বলে জানিয়েছে আক্রান্ত ব্যক্তির পরিবার।

গত ২১ এপ্রিল দক্ষিণ জয়পাড়া এলাকার ঐ ব্যক্তির শরীরে করোনা পজেটিভের রিপোর্ট আসে। তিনিই দোহারের প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী ছিলেন। পরে তাকে ঢাকার রিজেন্ট হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। হাসপাতালে ২১ দিন চিকিৎসা গ্রহণ শেষে সম্পূর্ণ সুস্থ্যতা লাভ করেন তিনি।রোববার তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। বাড়িতে ফিরলেও নিয়মানুসারে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন তিনি।

দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জসিম উদ্দিন নিউজ৩৯কে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তিনি এখন সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন ও ১৪ দিনের জন্য হোম কোয়ারেন্টানে রাখা হয়েছে।

নবাবগঞ্জে নতুন করে ৩ জন করোনায় আক্রান্ত

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় নতুন করে ৩ জন করোনা আক্রান্তের সংবাদ পাওয়া গেছে। নতুন আক্রান্ত সবার বাড়িই নবাবগঞ্জ উপজেলার নয়নশ্রী ইউনিয়নে। এ নিয়ে উপজেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৬ জনে।এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন সাতজন। নতুন তিন জনের একজন ব্যাংকার, একজন ছাত্র ও আরেকজন শ্রমিক।

সোমবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডাঃ হরগোবিন্দ সরকার অনুপ জানান, রোববার দিবাগত রাতে পরীক্ষার ফলাফল পেয়ে তারা ওই তিনজন আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন। আক্রান্ত তিনজনই উপজেলার নয়নশ্রী ইউনিয়নের বাসিন্দা। এরা সম্প্রতি রাজধানী ঢাকা থেকে ফিরেছেন। রাতে আসা পরীক্ষার ফলাফলের মাধ্যমে একদিনে নতুন করে ওই তিন রোগী শনাক্ত করা হয়েছে।

নতুন আক্রান্তদের চিকিৎসার বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে জানিয়ে ডাঃ অনুপ জানান, সংক্রমনের ঝুঁকি এড়াতে আক্রান্তদের স্বজনদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে নির্দেশ দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

 

করোনা উপসর্গ নিয়ে  কালিন্দা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতির মৃত্যু

করোনা উপসর্গ নিয়ে  কালিন্দা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী নুরুল ইসলাম বাচ্চু নুর মৃত্যু বরন করেছেন। তিনি জ্বর,সর্দি,কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে কয়েকদিন ধরে ভুগছিলেন এবং গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে গত রোববার ( ১০ মে) কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (১১মে) সকাল ৮টায় তিনি মারা যান। তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য আইইডিসিআরে পাঠানো হয়েছে। আইইডিসিআরে নমুনা পাঠানোর তথ্য নিশ্চিত করেছেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর মোবারক হোসাইন।

 

 

এই দিকে কালিন্দা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি হাজী নুরুল ইসলাম বাচ্চু নুর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বিদ্যুৎ,জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ।

 

 

এছাড়া আরো শোকা জানিয়েছেন কালিন্দী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন গনি, সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী জাহিদ হোসেন রনি।

কেরানীগঞ্জে ২৪ ঘন্টায় এসিল্যান্ড দম্পতি সহ আক্রান্ত ২০, সর্বমোট ৩২৭

 ইতোমধ্যেই কেরানীগঞ্জ কে করোনার হটস্পট হিসেবে ঘোষণা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গতকালের ৩০৭ জন সহ আজ আরো ২০ জনের শরীরে করোনা উপস্থিতির কথা জানিয়েছে কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মীর মোবারক হোসেন। আজ ১১ মে সোমবার রাত ১১ টায় খবরটি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন এই কর্মকর্তা ।

নতুন আক্রান্ত হওয়া রুগীর মধ্যে  সানজিদা আব্দুল্লাহ তিন্নি, সহকারী কমিশনার ( ভূমি), দক্ষিণ রাজস্ব সার্কেল, কেরাণীগঞ্জ এবং তাঁর স্বামী জনাব ইমরান আব্দুল্লাহ  করোনা পজিটিভ হয়েছেন। এর পাশাপাশি  জিনজিরা ইউনিয়নের ১০ জন এর মাঝে সাজেদা হাসপাতালের ২ জন। কালিন্দী ইউনিয়নের  ০১ জন, শুভাঢ্যা ইউনিয়নের ০২ জন,  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ০১ জন, রুহিতপুর ইউনিয়নের  ০১জন  ও  তেঘরিয়া ইউনিয়নের ০৪ সহ মোট ২০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে।

এদিকে আজ সকাল ৭ টায় করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে কালিন্দী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি নরুল ইসলাম বাচ্চু(৫৫)। উপজেলায় এখনো পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৩২৭ জন। ৩৫ জন রুগী সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছে এবং ৮ জন মৃত্যু বরণ করেছে।