যতদিন সামর্থ্য থাকবে ততদিন দোহারবাসীর পাশে থাকব: মেহবুব কবির

যতদিন সামর্থ্য থাকবে ততদিন দোহারবাসীর পাশে থাকব, আমি দোহারের সন্তান। এই দোহারকে আমি কখনোই ভুলে যেতে পারবো না। তাই জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত দোহার বাসীর পাশে থাকতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কবির।শনিবার  (১৬ মে) দোহার উপজেলার জয়পাড়া বাজারে সংকটে থাকা দোকানিদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে একথা বলেন।

এসময় ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কবির বলেন, আমি কোন রাজনৈতিক নেতাও নই, কোন জনপ্রতিনিধিও নই কিন্তু নিজের ইচ্ছা থেকেই দোহারবাসীর পাশে সবসময় থাকার চেষ্টা করি। যতদিন সামর্থ্য থাকবে আপনাদের পাশে থাকব। যে কোন দূর্ভোগ-দূর্যোগে আপনারা আমাকে পাবেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মুহাম্মদ আলমাছ উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহিম খলিল সবুজ, জয়পাড়া পূর্ব বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আলমগীর হোসেন, জয়পাড়া বাজার সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন মাঝি, হাসপাতাল রোড ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুরু মোল্লাসহ আরও অনেকে।

শনিবার সকাল থেকে শুরু করে উপজেলার জয়পাড়া বাজার, হাসপাতাল রোড, সাহেব বাজার, খালপাড় এবং বৌ-বাজারের ২৬৫ জন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও চা দোকানির মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন তিনি।

ব্যক্তি উদ্যোগে কৃষকদের জন্য রাস্তা ঠিক করে দিলেন মিজানুর রহমান

এই বরো মৌসুমে, অন্যান্য এলাকার মত ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার গালিমপুর ইউনিয়নেও ধান কাটা শুরু হয়েছে। উক্ত ইউনিয়নের ৮-৯ নং ওয়ার্ডের অধিকাংশ মানুষের কৃষি জমিই চক যবুখালি- ব্ক্সনগর সরকের পাস ঘেঁষে। কিন্তু উক্ত রাস্তাটি কাঁচা এবং অসম্পূর্ণ, বৃষ্টিতে রাস্তার অবস্থা আরো বেহাল। যার ফলে অনেক দূর্ভোগ পোহাতে হয়েছে উক্ত ওয়ার্ডের মানুষের।

 

গাড়ী না ঢুকতে পাড়ায় মাথায় করে ধান বাড়িতে তুলতে বাড়তি শ্রমিক নিতে হচ্ছিল তাদের। তাদের এই দূর্ভোগের কথা শোনামাত্রই, রাস্তাটি সরজমিনে দেখতে যান সোনাহাজরা গ্রামের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট ব্যবসায়ি ও সমাজসেবক জনাব মিজানুর রহমান মিজান। তিনি সাথে সাথেই তার ছোট ভাই জিয়াউর রহমান কে রাস্তাটি চলাচল উপযোগী করার ব্যবস্থা করতে বলেন।

 

বর্তমানে রাস্তা মেরামতের কাজ শেষ, মিজানুর রহমান মিজান এর ছোট ভাই জিয়াউর রহমান আমাদের কে জানান। বর্তমানে রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলাচল করতে পারছে।

 

উল্লেখ যে, কিছু দিন পূর্বে করোনা ভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত গালিমপুর ইউনিয়নের প্রায় ১৪০০ পরিবারের কাছে মিজানুর রহমান মিজান উপহার হিসেবে খাদ্য সামগ্রী নিজ হাতে পৌঁছে দেন।

করোনাকে পাশে রেখেই চলতে হবে!!

জীবন না জীবিকা ? পরিস্থিতির বাস্তবতা যদি এই হয় ৬ মাস বা ১ বছর একই ভাবে গেলো তখন করোনাকে সাথে নিয়েই চলতে হবে ! অদ্ভুত কথা না ! ধরুণ করোনার রোগী আমার সামনে তাকে সতর্কতার সাথে দেখলাম, পরামর্শ দিলাম।  না হয় ধরুণ, আপনার ফ্যামিলিতে একজন করোনা রোগী আছে, তাকে সতর্কতার সাথে সেবা দিতে হবে যাতে আপনার ফ্যামিলির অন্য কারো না হয় । এভাবে জীবনের প্রতি ক্ষেত্রেই সাবধানে পা ফেলতে হবে । এটাকে মানিয়ে নেওয়া বা অভিযোজিত হওয়া বলা যায় কি ? তাই বলতে হবে । নতুন জীবন চর্চা শুরু করতে হবে । এর মধ্য দিয়ে যদি Herd immunity আমরা অর্জন করে ফেলি মন্দ কি !

দেখুন আজ আবার জার্মান ফুটবল লীগ শুরু হলো ! যদিও দর্শক ছাড়া । তার পর ও শুরু হলো। এর পর ইতালীয় লীগ শুরু হবে ।  সভ্যতা থেমে থাকবে না । দেশে দেশে লকডাউন শিথিল হচ্ছে ,  আর কয়েকমাস পর অনেক দেশ ইচ্ছে করলেও লকডাউনে যেতে পারবে না, কারণ অর্থনীতি ।

করোনাকে সাথে নিয়ে চলার আরো একটি বাস্তবতা হলো, এই ৪/৫ মাসে আমরা যারা সচেতন তারা বাকী অসচেতনদের সচেতন করতে পারিনি , এর পর আর পারা যাবেও না । এই অসচেতন জনগোষ্ঠীর সংখ্যাই বেশি । তাহলে কি করবেন এখন ?  ৬ মাস গেলে সবার কর্মক্ষেত্রে বাধ্য হয়েই ফিরতে হবে । তখন জীবিকাই হবে বড় শ্লোগান।

আরো আছে । ভ্যাকসিন কবে আসবে তারও ঠিক নেই । এই বছরে হয়তো সম্ভব নয়। ঈদ উদযাপন করুন সামাজিক দূরত্ব মেনে, কোলাকুলি না করে,  দূর থেকে সালাম ও শুভেচ্ছা বিনিময় করে ।

এই লেখাটা যখন লিখছি, সামনে টিভিতে জার্মান লীগের খেলা লাইভ দেখছি।  ওদের থেকে সাহস পাচ্ছি।

ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন, সাবধানে থাকুন ।

ডা. বাবুল হোসেন

সহকারি অধ্যাপক

এনাম মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, সাভার

কৈলাইলে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার কৈলাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পান্নু মিয়ার বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগে ঝাড়ু মিছিল করে কৈলাইল ইউনিয়ন বাসী। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচী ও ভিজিডির চালসহ সরকারি সহায়তার কার্ড বিতরণে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির নানা অভিযোগকে কেন্দ্র করে এই ঝাড়ু মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার দুপুরে ইউনিয়নের পাড়াগ্রাম বাজারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও ঝাড়– মিছিল করে এলাকাবাসী।

 

 

এলাকাবাসীর দাবি, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচী ও ভিজিডির তালিকায় অনেকের নাম থাকলেও তা পায়নি উপকারভোগীরা। এছাড়া সরকারের বিভিন্ন সহায়তার কার্ড ও ভাতা প্রদানে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ এনেছেন চেয়ারম্যান পান্নু মিয়ার বিরুদ্ধে।

 

 

নিজ আত্মীয়দের মধ্যে স্বামী-স্ত্রী ও তার ছেলে-স্ত্রীসহ একই পরিবারে বহুমুখী কার্ড বিতরণের অভিযোগ এলাকাবাসীর। লিখিত বক্তব্যে, ঐসব উপকারভোগীর নাম, ঠিকানা, তালিকা নম্বর সহ তারা পাঠ করেন।

 

 

এই সময় স্থানীয় আওয়ামীলীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ এলাকাবাসী প্রতিবাদ সভা করেন। প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন- ঢাকা জেলা দক্ষিণ কৃষকলীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মো. নাসির উদ্দীন, ঢাকা জেলা দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মঈনুল হক পিলু, ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি মোবারক হোসেন, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মুরাদ খান, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মো. সুজন, সাধারণ সম্পাদক ফারুক মোল্লা, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. মামুন, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি পারভেজ মোশারফ, কৈলাইল ইউপির ৬নং ওয়ার্ড সদস্য শেখ আব্দুল হালিম প্রমূখ। এসময় এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ জেলা প্রশাসক বরাবর দিতে এলাকাবাসীর গণস্বাক্ষর গ্রহন করা হয়। পরে এলাকাবাসী সাংবাদিকদের সামনে লিখিত অভিযোগ পড়ে শোনান।

 

 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আমাদের সময়কে কৈলাইল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পান্নু মিয়া বলেন, এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমাকে হেয় করতে একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

যাদের হাত ধরে ডিএনএসএমের মধ্যবিত্ত প্রকল্পঃ মুশফিকুর রহমান লিমন

১৬ মে ২০২০ তারিখ থেকে শুরু হয়েছে ডিএনএসএমের মধ্যবিত্তদের নিয়ে প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় দোহারের প্রায় ৩০০ মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে পৌছে যাবে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী। ফোনের মাধ্যমে সাহায্যের আবেদন করলেই খাবার পৌছে যাবে মধ্যবিত্তের দ্বারে।

প্রায় ২০ কেজির এই প্যাকেজে থাকছে এরই ধারাবাহিকতায় ১২ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি তেল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি পিয়াজ, ১ কেজি চিনি, ১ কেজি লবণ, ১ প্যাকেট সেমাই, ১ টি লাক্স সাবান। ৪৫০ প্যাকেট ত্রান দেয়ার পর এই উদ্যোগ গ্রহনে যে মানুষটির অবদান সবচেয়ে বেশি, যাকে বলাই যায় এই প্রকল্পের স্বপ্ন দ্রষ্টা তিনি হলেন মুশফিকুর রহমান লিমন। মুলত তার উৎসাহেই আজকে শুরু হলো ডিএনএসএমের এই মধ্যবিত্ত প্রকল্প।

৪৫০ প্যাকেট ত্রান বিতরনের পর ডিএনএমএম যখন কিছু দিন বিশ্রামে থাকার চিন্তা করছে ঠিক সেই সময় ৩ মে ২০২০ তারিখে নিউজ৩৯ এর সম্পাদক ও ডিএনএসএমের সভাপতি তারেক রাজিবকে মোবাইলে ফোন দেন সালমান এফ রহমানের ভাতিজা ও তার আস্থাভাজন মুশফিকুর রহমান লিমন। তিনি ডিএনএসএমের সভাপতিকে ফোন দিয়ে মধ্যবিত্তদের নিয়ে নতুন একটা প্রোগ্রাম শুরু করার অনুরোধ করেন এবং একই সাথে ২৫ হাজার টাকা বিকাশে পাঠিয়ে এই প্রোগ্রাম শুরু করতে অনুরোধ করেন। তিনি তারেক রাজিবের সাথে কথা বলার আগেই টাকা পাঠিয়ে অতি দ্রুত এই প্রোগ্রাম শুরু করতে বলেন। শুধু মাত্র তার উদ্যোগের কারনেই ডিএনএসএমের আজকের মধ্যবিত্তদের নিয়ে এই প্রোগ্রাম।

মুশফিকুর রহমান লিমনকে দোহার নবাবগঞ্জ সোশ্যাল মুভমেন্ট এর পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা এবং দোয়া। তার প্রতি অনুরোধ, সব সময় তাকে যেন এভাবেই পাশে থেকে অনুপ্রাণিত করার জন্য পাই।

উদ্বোধন হলো দোহার-নবাবগঞ্জ সোশ্যাল মুভমেন্ট DNSM এর “মধ্যবিত্তদের উপহার” প্রকল্পের

ঢাকা জেলার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও আস্থার সামাজিক সংগঠন দোহার নবাবগঞ্জ সোস্যাল মুভমেন্ট (DNSM)এর পক্ষ থেকে মধ্যবিত্তদের উপহার প্রকল্পের উদ্বোধন হলো শনিবার। এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা।
এই সময় ফোনকল যাচাই বাছাই করে প্রায় ৩০০ পরিবারের মাঝে এই ইফতার সামগ্রী বিতরন করা হয়। ১৬ মে শনিবার থেকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের জন্য অসহায় দোহার ও নবাবগঞ্জের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর মাঝে এই খাদ্যসামগ্রী পৌছে দেয়া হয়।
করোনা ভাইরাস মহামারীতে সাধারন মানুষের কাজ না থাকায় এক প্রকার অসহায় ও ক্ষুধার্ত অবস্থায় মধ্যেবিত্তরা আছেন চরম অসহায় অবস্থায়। তারা কারো কাছে বলতে পারেন না, হাত পাততে পারেন না৷
এই সময় এই অসহায় পরিবারগুলোর পাশে এসে দাড়ায় দোহার নবাবগঞ্জ সোস্যাল মুভমেন্ট সামাজিক সংগঠন । তাদের পক্ষ থেকে এই অসহায় ও দরিদ্র পরিবারগুলোর মাঝে ১২ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি তেল, ১ কেজি চিনি, ১ কেজি লবণ, ১ কেজি পিয়াজ, ২ কেজি আলু, ১ প্যাকেট সেমাই ও ১ টি সাবানসহ প্রায় ২০ কেজির প্যাকেট পৌছে দেয়া হচ্ছে।
৩রা মে সাংসদ সালমান এফ রহমানের আস্থাভাজন মশফিকুর লিমনের অনুপ্রেরণায় এই প্রকল্প শুরু করে DNSM. এরপর পর্যায়ক্রমে তানভীর হোসেন সানু মোল্লা, ইভো চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার সোহেল, হাবিবুর রহমান হেলাল, নাইম হোসেন, নুরুল হক ব্যাপারী, নয়াবাড়ি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ হান্নান সহ দেশ বিদেশ থেকে অনুদান সংগ্রহ করা হয়।
দোহার উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা বলেন, উপজেলা প্রশাসন সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যেন কেউ অভুক্ত না থাকে। এর বাইরে যারা লজ্জ্বায় বলতে পারেন না, তাদের জন্য দোহার নবাবগঞ্জ সোশ্যাল মুভমেন্ট এর এমন উদ্যোগ সত্যই প্রশংসনীয় এবং আমাদের কাজকে এই উদ্যোগ সহজ করেছে। আমার পক্ষ থেকে তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই এবং ভবিষ্যতেও পাশে থাকার প্রত্যাশা করি।
দোহার নবাবগঞ্জ সোশ্যাল মুভমেন্ট এর সভাপতি তারেক রাজীব বলেন, সকল দূর্যোগে দোহার নবাবগঞ্জ সোশ্যাল মুভমেন্ট সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়েছে মানুষের পাশে থেকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে। এবার ২২ শে মার্চ প্রথম আমরাই দোহার নবাবগঞ্জে ত্রাণ বিতরণ শুরু করি। প্রায় ১১৭ পরিবারে ত্রাণ দেয়া হয়েছে। এরপর ২৬ মার্চ প্রথম দোহার নবাবগঞ্জে জীবাণুনাশক স্প্রে কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। এরপর ১৯ এপ্রিল আমরা ৪৩৩ পরিবারে ত্রাণ বিতরণ করি। এছাড়া দোহার উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় ১০০ পরিবারে ত্রাণ বিতরণ হয়। ৩রা মে সাংসদ সালমান এফ রহমানের আস্থাভাজন মসফিকুর লিমন ভাইয়ের উৎসাহে মধ্যবিত্তদের প্রকল্প শুরু করি। প্রায় ২৮০ মধ্যবিত্ত ও ২০ টি নিম্নবিত্ত পরিবারে এই সহায়তা ইনশাআল্লাহ পৌছে দেয়া হবে।
যারা অনুপ্রেরণা দিয়েছেন, অনুদান দিয়েছেন, পাশে থেকেছেন, তথ্য দিয়েছেন তারাসহ সকল স্বেচ্ছাসেবীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।একই সাথে দোহার উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন এবং নিউজ৩৯ কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
আমরা ভবিষ্যতেও এই কাজ চলমান রাখতে পারবো যদি আল্লাহর রহমতে আপনারা এগিয়ে আসেন।

আম পাড়াকে কেন্দ্র করে কৈলাইলে ৫ জনকে কুপিয়ে জখম

আম পাড়াকে কেন্দ্র করে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার কৈলাইল ইউনিয়নে ৫ জনকে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষ। আহতরা হলেন হরেরাম পোদ্দার, রতন পোদ্দার, মাদব পোদ্দার, দিলীপ পোদ্দার ও আন্না পোদ্দার। প্রথমে সবাইকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এর মাঝে মাদব ও রতন পোদ্দারের অবস্থা ঝুকিপূর্ন হওয়ায় তাদের নবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।

এলাকাবাসী থেকে জানা যায়, হরেরামের সাথে তার প্রতিবেশী বিমলের সাথে আমগাছ নিয়ে বেশ কিছু ধরেই ঝামেলা চলছে। প্রতিবছরই আমের সময় আসলে আম পাড়া নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় দুই পক্ষের। এই আম পাড়া ও আম চুরি করা নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে তাদের দুই পক্ষের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায় বিমল, তার ছেলে রাজকুমার এবং পরশের স্ত্রী তাদেরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী তাদের উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

এই বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানা উপপরিদর্শক শাহাদাত নিউজ৩৯ কে বলেন, আমরা বিষয়টি জেনেছি। এই ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

দোহারে জি এস চৌধুরির বড় ছেলের ইন্তেকাল

মাহমুদুল হাসান সুমন/তারেক রাজীব, নিউজ৩৯: দোহার উপজেলা পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান মরহুম জি,এস চৌধুরীর বড় পুত্র এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক জনাব আনোয়ার শফি চৌধুরীর (ইভো চৌধুরী) বড় ভাই জনাব রসূল শফি চৌধুরী (হিলু চৌধুরী) আজ ভোর রাতে ক্যন্সারে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন।ইন্নানিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর। তিনি মৃত্যুকালে স্ত্রী ও একমাত্র পুত্র রেখে গিয়েছেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জয়পাড়া কলেজ, জয়পাড়া মডেল প্রাইমারিসহ দোহার নবাবগঞ্জের অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রয়েছে তাদের পারিবারিক অবদান।

তার চাচা ছিলেন দোহারের সাবেক এমপি জনাব মরহুম আশরাফ আলী চৌধুরী। আজ সকাল ৯ টায় তার নিজ বাসভবন ঢাকার গুলশানে প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তার ২য় জানাজার নামাজ আজ দুপুর ২টায় ঢাকার দোহারে তার নিজ বাস ভবনে অনুষ্ঠিত হয়।জানাজা শেষে মরহুমের লাশ তার পারিবারিক কবরস্থান ঢাকার দোহারের জয়পাড়ায় দাফন করা হবে।

তিনি ও তার পরিবারের কাছে দোহারবাসী ঋণী।আমরা নিউজ৩৯ পরিবার তার রুহের প্রতি মাগফেরাত কামনা করি ও তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই।আল্লাহ যেন তাকে জান্নাত নসীব করেন। আমিন

করোনার টাইমলাইন

২০১৯

ডিসেম্বর ৩১: চীনে নতুন অজানা নিউমোনিয়া রোগী শনাক্ত।

২০২০

জানুয়ারি ১১: চীনে প্রথম মৃত্যু।

ফেব্রুয়ারি ২: চীনের বাইরে প্রথম ফিলিপাইনে একজনো করোনা আক্রান্ত রোগী মারা যান।

ফেব্রুয়ারি ১১: করোনাসৃষ্ট রোগের নামকরণ করা হয় “কোভিড-১৯”।

ফেব্রুয়ারি ২৯: যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম মৃত্যু।

মার্চ ৮: বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত। রোগীদের মধ্যে দুজন পুরুষ প্রবাসী বাংলাদেশী ছিলেন যারা সবে ইতালি থেকে ফিরে এসেছিলেন এবং একজন মহিলা আত্মীয় ছিলেন, যিনি তাদের একজনের সংস্পর্শে এসে সংক্রামিত হন।

মার্চ ৩১: নবাবগঞ্জে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত।

এপ্রিল ১০: নবাবগঞ্জে ২য় করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত। আক্রান্ত ব্যক্তি নয়নশ্রী ইউনিয়নের ছোট তাশুল্লা গ্রামের বাসিন্দা।

মার্চ ১৮: বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর প্রথম মৃত্যু। মৃত ব্যক্তির বয়স ছিল ৭০ বছর।

মার্চ ২০: দোহারের জয়পাড়া বাজার সহ বড় বাজারগুলো বন্ধ ঘোষণা।

এপ্রিল ১২: নবাবগঞ্জের প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেন।

এপ্রিল ১৩: নবাবগঞ্জের বক্সনগরে একজন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি সনাক্ত। মোট শনাক্ত ৩ জন।

এপ্রিল ১৪: দেশে আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়ায়।

এপ্রিল ১৬: নবাবগঞ্জে ২ জন করোনা রোগী সনাক্ত, আক্রান্তরা চুড়াইন ইউনিয়নের বাসিন্দা। মোট আক্রান্ত ৫ জন।

এপ্রিল ২০: দেশে মৃতের সংখ্যা একশ ছাড়ায়।

এপ্রিল ২০: নবাবগঞ্জের চূড়াইন ইউনিয়নে এক জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত। মোট আক্রান্ত ৬।

এপ্রিল ২১: দোহারে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত তিনি দক্ষিণ জয়পাড়ার বাসিন্দা ও সমাধান ক্লিনিকের একজন চিকিৎসকের সহকারী।

এপ্রিল ২১: নবাবগঞ্জের চূড়াইন ইউনিয়নে ২ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত। নবাবগঞ্জে মোট আক্রান্ত ৮।

এপ্রিল ২২: দোহারে ২য় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত। রোগী রংপুর নিবাসী, লটাখোলায় স্ত্রীর কর্মস্থলে আসে।

এপ্রিল ২৫: নবাবগঞ্জে ২ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত। আক্রান্তরা যন্ত্রাইল ও শোল্লা ইউনিয়নের বাসিন্দা। নবাবগঞ্জে মোট আক্রান্ত ১০ জন।

এপ্রিল ২৪: দোহারে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু,  তিনি ঢাকার রিজেন্ট হসপিটালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। রোগী রংপুরের স্থায়ী নিবাসী।

এপ্রিল ২৬: দোহারে ২ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত, মোট শনাক্ত ৪।

মে ৩: নবাবগঞ্জের করোনা আক্রান্ত ৩য় ব্যক্তি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেন।

মে ৪: দেশে আক্রান্তের সংখ্যা দশ হাজার ছাড়ায়।

মে ৪: দোহারে দুইজন আক্রান্ত শনাক্ত। একজন জয়পাড়া বাজারের একটি চাল-ডালের দোকানের ২৯ বছর বয়সী কর্মচারী, অপরজন সোহরাওয়ার্দি হসপিটালের ৫০ বছর বয়সী একজন নারী চিকিৎসক, তার বাড়ী নারিশা।

মে ১০:  দোহারের নয়াবাড়ী ইউনিয়নের ধোয়াইর গ্রামে এক জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত। দোহারে মোট আক্রান্ত ৭।

মে ১০: দোহারে প্রথম রোগী সুস্থ্য। তিনি রিজেন্ট হসপিটাল থেকে রাতে বাড়ী ফেরেন।

মে ১০: নবাবগঞ্জে ৩ জন আক্রান্ত শনাক্ত, রোগীদের এক জন কৈলাইল ও বক্সনগরের ২ জন। এদের মধ্যে দুই জন শিশু। মোট আক্রান্ত ১৩ জন।

মে ১১: নবাবগঞ্জের নয়নশ্রী ইউনিয়নে ৩ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত। আক্রান্ত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে রাজধানী ঢাকায় বসবাস করতেন। এক সপ্তাহ আগে তাঁরা গ্রামের বাড়িতে আসেন। নবাবগঞ্জে এ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ১৮।

মে ১২: জয়পাড়ায় একজন ২৯ বছর বয়সী নারী আক্রান্ত শনাক্ত। দোহারে আক্রান্তের সংখ্যা আট।

মে ১২: নবাবগঞ্জে ২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত। নবাবগঞ্জে মোট আক্রান্ত দাড়াল ২০ এ। এ পর্যন্ত সুস্থ্য ৭ জন।

মে ১৩: দোহারে এক দিনে ৫ জন নতুন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত। আক্রান্তদের একজন দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত ১৩।

মে ১৩: নবাবগঞ্জের বান্দুরা ইউনিয়নে ১ জন করোনা আক্রান্ত। নবাবগঞ্জে এ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ২১।

মে ১৪: দোহারের ১২ মে তারিখে আক্রান্ত নারীর মৃত্যু দোহারে ২য় মৃত্যু। রোগীর নাম সোমা পাল, জয়পাড়া পাল বাড়ির মদন পালের মেয়ে।

মে ১৪: দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগ লকডাউন। জরুরী বিভাগের অস্থায়ী কার্যক্রম জয়পাড়া পোস্ট অফিস গেটের বিপরীতে নতুন ভবনে স্থানান্তর।

মে ১৭: দোহারে একদিনে রেকর্ড ১৭ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত। আক্রান্তদের মধ্যে ১৬ জন পুলিশ সদস্য, এক জন চিকিৎসক। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত ৩০।

মে ১৮: নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৩ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত। আক্রান্তরা নয়নশ্রী ইউনিয়নের বাসিন্দা। এ পর্যন্ত নবাবগঞ্জ উপজেলায় মোট আক্রান্ত ২৪।

মে ২১: নবাবগঞ্জ উপজেলায় ২১ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত। আক্রান্তদের দুই জন নয়নশ্রী, এক জন বান্দুরা বাজার ও আঠারো জন নতুন বান্দুরার অধিবাসী। এদের মধ্যে একজন শিশু ও দশ জন নারী।

মে ২১: দোহার উপজেলায় ৫ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত। ৪ জন জয়পাড়া বাজার সংলগ্ন (পূর্বে করোনায় মৃত সোমা পালের পরিবারের সদস্য) ও এক জন রাইপাড়ার বাসিন্দা।

মে ২২: নবাবগঞ্জে ২ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত। আক্রান্তরা বাগমারা ও দাউদপুরের বাসিন্দা। দাউদপুরের ব্যক্তি একজন মাছ বিক্রেতা। নবাবগঞ্জে মোট আক্রান্ত দাঁড়াল ৪৭ জন!

মে ২৪: দোহারে ৩ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত। আক্রান্তদের বাড়ি উপজেলার বিলাসপুর, কুসুমহাটি ও মাহমুদপুর ইউনিয়নে। আক্রান্ত ৩ জনের মধ্যে ২ জন নারী ও এক জন পুরুষ। মোট আক্রান্ত ৩৮ জন।

মে ২৪: নবাবগঞ্জে ৬ জন নতুন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত। কলাকোপা ইউনিয়নে ৩ জন, বান্দুরা ইউনিয়নে ২ ও নয়নশ্রী ইউনিয়নে এক জন। নবাবগঞ্জে মোট আক্রান্ত দাড়াল ৫৩ জন। নবাবগঞ্জে আক্রান্তদের মধ্যে একজন সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব তৈয়ব।

মে ২৪: দোহারের প্রথম সুস্থ হওয়া কোভিড-১৯ রোগীকে উপজেলা প্রশাসন শুভেচ্ছা জানান

মে ২৬: নবাবগঞ্জের কৈলাইল ইউনিয়নে কিশোর বয়সী আপন দুই ভাই করোনাভাইরাস আক্রান্ত। উপজেলায় মোট আক্রান্ত ৫৫ জন।

মে ২৭: দোহারে ৯ জনের করোনা সনাক্ত। নতুন সনাক্ত হওয়া একজন হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মী, আরেকজনের বাড়ি লটাখোলা, উত্তর জয়পাড়া ২, কাটাখালী ২, মেঘুলা এক, শিলাকোঠা এক, শাইনপুকুরের এক জন।। উপজেলায় মোট আক্রান্ত ৪৭ জন।

মে ২৮: নবাবগঞ্জ উপজেলায় প্রথম মৃত্যু! নতুন বান্দুরার গৌরাঙ্গ বণিক নামে এক ব্যক্তি ঢাকার কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

মে ২৮: নবাবগঞ্জ উপজেলায় আরও ৮ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত। এ পর্যন্ত মোট ৬৩ জন।

মে ২৮: দোহারে ৭ করোনাভাইরাস আক্রান্ত, মোট আক্রান্ত ৫৪। আক্রান্তদের মধ্যে দুইজন দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যকর্মী ও একজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মসজিদের মুয়াজ্জিন, বাকি চার আক্রান্তের মধ্যে একজনের বাড়ি মালিকান্দা গ্রামে, একজনের বাড়ি বিলাসপুরের রাধানগর, একজনের বাড়ি রাইপাড়া এবং একজনের বাড়ি ঢাকা।

মে ৩০: নবাবগঞ্জে একসাথে ৮৯ জন করোনাভাইরাস আক্রান্তের রিপোর্ট আসে। বিগত মঙ্গল, বুধ ও বৃস্পতিবার এই তিন দিনের সংগৃহীত নমুনার ফল।

জুন ০১ : নবাবগঞ্জ উপজেলার ইউনিয়নভিত্তিক করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীর তালিকা:

১) বাহ্রা -৮
২) নয়নশ্রী -১১
৩) বক্সনগর -৪
৪) চূড়াইন -৬
৫) শোল্লা -১
৬) যন্ত্রাইল-৭
৭) কলাকোপা-৪১
৮) কৈলাইল -৪
৯) বান্দুরা -৫২
১০) শিকারী পাড়া-১
১১) জয়কৃষ্ঞপুর-১
১২) বারুয়াখালী -২
১৩) আগলা-১০
১৪) গালিমপুর -৩

★সিরাজদিখান(খারশুর)-১

মোট: ১৫২ জন

জুন ০১: দোহারে ৯ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্বের আক্রান্ত একজন ব্যক্তিকে পুনরায় পরীক্ষা করা হলে আবারো তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এ নিয়ে দোহারে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ৬৩ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৩২ জন।

জুন ০২: দোহারে ২৮ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৯১ জন। এএই ২৮ জনের মধ্যে দোহার পৌর এলাকার ১২ জন, রাইপাড়া ইউনিয়নে ৭ জন, মুকসুদপুর ইউনিয়নে ৬ জন, নারিশা ইউনিয়নে ২ জন ও বিলাসপুরে ১ জন।

জুন ০২ পর্যন্ত দোহার উপজেলায় গ্রামভিত্তিক করোনা রোগীর পরিসংখ্যান:
জয়পাড়া: ৪১ জন
ফুলতলা: ০৬
লটাখোলা: ০৫
ইকরাশি: ০৫
রাইপাড়া: ০৫
নারিশা: ০৪
মালিকান্দা: ০৩
শিলাকোঠা: ০৩
রাধানগর: ০৩
কাটাখালি: ০২
দক্ষিণ শিমুলিয়া: ০২
ধোয়াইর: ০২
নারিশা পশ্চিম চর: ০২
কার্তিকপুর: ০১
মাহমুদপুর: ০১
ডায়ারকুম: ০১
দুবলি: ০১
মেঘুলা: ০১
কাজীরচর: ০১
শাইনপুকুর: ০১
বাইরের: ০২
সর্বমোট =৯১ জন

জুন ০৩: দোহার উপজেলায় ১৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০৪ জন। আক্রান্তরা জয়পাড়া, ঝনকি, দক্ষিণ শিমুলিয়া ও মুকসুদপুরের অধিবাসী।

জুন ০৩: নবাবগঞ্জে ৬ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত ১৫৮ জন। ৩০.০৫.২০ শনিবার পাঠানো ৬১ জনের নমুনা হতে নতুন ৬ জন শনাক্ত করা হয়। আক্রান্ত ৬ জন নবাবগঞ্জ উপজেলার নয়নশ্রী, বান্দুরা, কলাকোপা, কৈলাইল ও চুরাইন ইউনিয়নের বাসিন্দা।

জুন ০৫: দোহার উপজেলায় ১১ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। মোট আক্রান্ত দাঁড়াল ১১৫ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৫ জন জয়পাড়া, ৫ জন ফুলতলা ও ১ জন শ্রীকৃষ্ণপুরের বাসিন্দা।

জুন ০৭: নবাবগঞ্জ উপজেলায় ১৫ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত সংখ্যা ১৭৩ জন। ০২.০৬.২০ তারিখ পাঠানো ৮৭ জনের নমুনা হতে ১৫ জনের করোনা শনাক্ত করা হয়। আক্রান্তরা জয়কৃষ্ণপুর, বান্দুরা, কলাকোপা, আগলা, যন্ত্রাইল ও চুড়াইন ইউনিয়নের বাসিন্দা। আক্রান্তদের একজন ব্যাংক কর্মকর্তা।

জুন ০৮: দোহার উপজেলায় ১৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত ১২৯ জন। নতুন আক্রান্ত ১৪ জনের মধ্যে ৩ জন ফুলতলা, ৩ জন নারিশা, ৩ জন দোহার, অন্যরা জয়পাড়া ও ঘোনা এলাকার বাসিন্দা। গত ৩ জুন পাঠানো ৩৮ জনের নমুনা থেকে ১৪ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৪০ জন।

জুন ৮: নবাবগঞ্জে নতুন শনাক্ত ৯ জন। মোট আক্রান্ত ১৮২ জন

জুন ০৮: করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার কলাকোপা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান তৈয়ব আহমেদ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন

জুন ৯: নবাবগঞ্জে ১২ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত। উপজেলায় মোট আক্রান্ত দাঁড়াল ১৯৪ জন।

জুন ১০: দোহারে ২৩ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত, এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত ১৫২ জন।

জুন ১১: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় মারা যান দোহারের কৃতি সন্তান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এর শিশু সার্জন অধ্যাপক ড. জহিরুল হাসান গাজী রকেট।

জুন ১২: দোহারে ৬ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। মোট আক্রান্ত ১৫৭ জন। ৭ জুন পাঠানো ২৬ জনের নমুনা থেকে ৬ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে। নারিশা ১, মইতপাড়া ১, রাইপাড়া ২, সুতারপাড়া ১, দোহার বাজার ১ জন। আগের আক্রান্ত একজনকে টেষ্ট করানো হলে পুনরায় তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে তাই মোট আক্রান্ত সংখ্যা ১৫+৬-১= ১৫৭ জন।

জুন ১৩: নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৯ জনের করোনাভাইরাস পজেটিভ। এ নিয়ে নবাবগঞ্জে মোট আক্রান্ত ২০৩ জন।

জুন ১৪: নবাবগঞ্জ উপজেলায় ১৩ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত। মোট আক্রান্ত ২১৬ জন।

জুন ১৫: দোহার উপজেলায় ১৩ জনের করোনা শনাক্ত। এ নিয়ে দোহারে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৭৬ জন।
আক্রান্তদের মধ্যে উপজেলার সুতারপাড়ায় মারা যাওয়া তরিকুল ইসলামের করোনা পজিটিভ এসেছে। আক্রান্তদের মধ্যে জয়পাড়া-৭ জন, চরকুশাই-৫ জন ও সুতারপাড়ার-১ জন।

জুন ১৭: নবাবগঞ্জে ২০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২৩৩ জন। বুধবারে(১০/০৬/২০) পাঠানো ৩৭ টি নমুনা থেকে ২০ টি পজিটিভ আসে। এরমধ্যে নতুন ১৮ জন ও পুরাতন ২জন।

জুন ১৭: দোহারে ১০ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত। আক্রান্তরা হচ্ছেন উপজেলার রাইপাড়া-৩, জয়পাড়া-২, সুতারপাড়া-১, মুকসুদপুর-২ নারিশা-২ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৮৯জন।

জুন ১৮: নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৫ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত। আক্রান্তদের ১ জন নয়নশ্রী, ৩ জন কলাকোপা  ও ১ জন গালিমপুরের বাসিন্দা। মোট আক্রান্ত ২৩৮ জন।

জুন ১৮: দোহারে ১০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৯৯ জন। গত ১৩ জুন পাঠানো নমুনা থেকে ১০ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৮৭ জন।

জুন ১৯: নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৯ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত ২৪৭ জন।

জুন ২০: নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৭ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত। ১৪/০৬/২০ তারিখে পাঠানো ৩৩ টি নমুনা হতে কলাকোপার ২ জন, বান্দুরার ১ জন, বক্সনগরের ১ জন, আগলার ১ জন ও ২ জন ব্যাংক কর্মকর্তা শনাক্ত হন। উপজেলায় মোট শনাক্ত ২৫৪ জন।

জুন ২০: দোহার উপজেলায় নতুন ১২ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত। ১৪ ও ১৫ জুনের ৪২ জনের নমুনা হতে ১২ জনের রিপোর্ট পজেটিভ পাওয়া যায়। এ নিয়ে দোহারে মোট আক্রান্ত ২১১ জন।

জুন ২৪: নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৩ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত।  ১৫ জুন পাঠানো ৪৩ নমুনা হতে কলাকোপা ১, আগলা ১ ও মরিচার ১জন শনাক্ত। মোট আক্রান্ত ২৫৭ জন।

জুন ২৪: দোহার উপজেলায় ৭ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২২০ জন (!)। সুস্থ হয়েছে ১৩৫ জন। নতুন আক্রান্ত ৭ জনের মধ্যে উপজেলার জয়পাড়ায়- ২, মুকসুদপুর- ২, রাইপাড়া-১, সুতারপাড়ায় -১ ও নয়াবাড়ির ১ জন। ১৬ জুন ২৮ জনের নমুনা থেকে ৭ জনের করোনা পজিটিভ আসে।

জুন ২৪: নবাবগঞ্জ উপজেলায় ১ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত। আক্রান্ত ব্যক্তি গালিমপুরের বাসিন্দা।  মোট শনাক্ত ২৫৮ জন, এ পর্যন্ত মোট সুস্থ ১২৭ জন।

দোহারে করোনাভাইরাস

মোট শনাক্ত: ২২০
মৃত্যু:
সুস্থ্য: ১৩৫
চিকিৎসাধীন: ৮২

নবাবগঞ্জে করোনাভাইরাস

মোট শনাক্ত: ২৫৮
মৃত্যু:
সুস্থ্য: ১২৭
চিকিৎসাধীন: ১২৭

করোনার টাইমলাইন, নিউজ৩৯.নেট

দোহারের ৮ হাজার ৮৮৫ পরিবার পাবে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ সহায়তা

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার ৮৮৮৫ টি পরিবার পাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নগদ অর্থ সহায়তা। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে সুবিধাভোগীদের অ্যাকাউন্টে মোবাইলে টাকা পাঠিয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।এরই মাঝে এ কার্যক্রমের উদ্বোধনী দিনে প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো নগদ টাকা পেয়েছে ঢাকার দোহার উপজেলার তিনটি পরিবার।

ইতোমধ্যে এই কার্যক্রম চালানোর জন্য এক হাজার ২৫৭ কোটি টাকা ছাড় করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সহায়তার এ অর্থ মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিনা খরচে প্রত্যেক পরিবারের হাতে ঈদের আগে পৌঁছে দেয়া হবে। বিকাশ, নগদ, রকেট ও শিওরক্যাশের মাধ্যমে পরিবারগুলোর কাছে টাকা পৌঁছে যাবে।

তালিকায় রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর, নির্মাণশ্রমিক, কৃষিশ্রমিক, দোকানের কর্মচারী, ব্যক্তি উদ্যোগে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসায় কর্মরত শ্রমিক, পোল্ট্রি খামারের শ্রমিক, বাস-ট্রাকসহ পরিবহন শ্রমিক, হকারসহ নানা পেশার মানুষকে রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, করোনা পরিস্থিতির কারণে মে এবং জুন-এই দুই মাস ৫০ লাখ পরিবার ২ হজার ৫০০ করে টাকা পাবে।

সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সহায়তায় দরিদ্র জনগোষ্ঠী বর্তমানে যেসব সহায়তা পাচ্ছে, এ তালিকায় তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তালিকার কাজ শেষ করা হয়েছে ৭ মে। অবশ্য এখনও যাচাইয়ের কাজ চলছে।