প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো টাকা পেল নয়াবাড়ির তিন পরিবার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে নগদ অর্থ সহায়তা পেয়েছে দোহারের নয়বাড়ি ইউনিয়নের ৩ দিনমজুর পরিবার। নিউজ৩৯কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।সরকারের পক্ষ থেকে ৫০ লাখ হতদরিদ্র ও কর্মহীন পরিবারকে নগদ অর্থ সহায়তা দেয়ার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রি টাকা পেয়েছে দোহারের এই তিনটি পরিবার।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে সুবিধাভোগীদের অ্যাকাউন্টে মোবাইলে টাকা পাঠিয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র জানান, দোহারের নয়াবাড়ি ইউনিয়নের তিনটি দিনমজুর পরিবার পৃথকভাবে তাদের বিকাশ নম্বরের মাধ্যমে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পেয়েছে। আমি ওই পরিবারগুলোর সাথে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। তিনি জানান, দোহার উপজেলায় ৮ হাজার ৮৮৫টি পরিবার এ সহায়তা পাবে।

আনারকলি পুতুলের ত্রাণ বিতরণ

ঢাকা জেলার  দোহার উপজেলার দোহার পৌরসভায় বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আনারকলি পুতুলের পক্ষ থেকে করোনায় অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় সাধারন মানুষের মাঝে ত্রান বিতরন করা হয়েছে। এই সময় প্রায় শতাধিক পরিবারের মাঝে এই ত্রান সামগ্রী বিতরন করা হয়। বুধবার বিকালে  অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে এই ত্রান পৌছে দেয়া হয়।

সারা দেশের মতো দোহারও করোনা মহামারীতে আক্রান্ত। সাধারন মানুষের কাজ না থাকায় এক প্রকার অসহায় ও ক্ষুধার্ত অবস্থায় তারা দিন যাপন করছে। এই সময় এই অসহায় পরিবারগুলোর পাশে এসে দাড়িয়েছেন শেখ আনারকলি পুতুল।  তার পক্ষ থেকে এই অসহায় ও দরিদ্র পরিবারগুলোর মাঝে চাল, ডাল, আলু, পেয়াজ, তেল, লবন, চিনি, সেমাই, ছোলা এবং মুড়ি পৌছে দেয়া হয়। শেখ আনারকলি পুতুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং দোহার নবাবগঞ্জ ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমানের নির্দেশে আমি আমার পরিবারের অর্থায়নে দেশের এ ক্রান্তিলগ্নে অসহায় মানুষদের পাশে আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।

এই কঠিন সময়ে ত্রান পেয়ে অসহায় মানুষগুলোর মুখে হাসি ফুটেছে।

দোহারের নারিশা বাজারে অগ্নিকাণ্ড

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার নারিশা বাজারে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সন্ধ্যা ৭টা থেকে এই আগুনের শুরু হয়।  বাজারের সুনামউদ্দিন মার্কেটের জালাল মোল্লার রিক্সার গ্যারেজে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে৷

 

 

জালাল মোল্লা জানান, হঠাৎ ইফতারির পরে দূর থেকে দোকানে আগুন লাগার খবর পেয়ে ছুটে গিয়ে দেখি দোতলা দোকানে ব্যাপকভাবে আগুন ছড়িয়েছে। পরে স্থানীয় এলাকাবাসী, নারিশা বাজার পরিচালনা কমিটি ও পথচারীদের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে৷ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২টি রিক্সা, ব্যাটারি, টায়ার, টিউব আগুনে পুরে যায়। এতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে জানান তিনি।

 

 

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় খবর পেয়ে ছুটে আসে দোহার ফায়ার সার্ভিস দল এবং শাইনপুকুর তদন্ত কেন্দ্রের অফিসারগণ। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘতে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। আগুন নেভাতে গিয়ে উপস্থিত ২-৩ জন সামান্য আহত হয় বলেও জানা যায়।

 

 

নারিশা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি শেখ শাহীন জানান, হঠাৎ মানুষের চিল্লাচিল্লি শুনে জালালের রিক্সার গ্যারেজে গিয়ে দেখি ব্যাপক অগ্নিকাণ্ড৷ পরে উপস্থিত সকলের আপ্রাণ প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

বাসায় থেকে যেসব চিকিৎসা নিয়ে করোনা থেকে সুস্থ এডভোকেট রশিদ মোল্লার পরিবার

হঠাৎ রশিদ মোল্লার গা গরম । রাতে বাড়তে থাকে জ্বর আর হাঁচি কাশি। দুদিন পর  পরিবারের  অন্য সদস্যদের মধ্যে দেখা দেয় করোনার  উপসর্গ।  স্ত্রী ও দুই সন্তানের করোনা টেস্ট করা হয় স্যার  সলিমুল্লাহ মেডিকেল হাসপাতালে। কিন্তু মহাখালী আইইডিসিআর থেকে  শুধু  রশিদ মোল্লাকে জজানানো হয় আপনি করোনা আক্রান্ত। পরিবার থেকে আলাদা থাকুন। এটুকুই শেষ। এখন পর্যন্ত জানানো হয়নি পরিবার তিন সদস্যের করোনা রিপোর্ট । কিন্তু  রশিদ মোল্লা পরিচিত চিকিৎসকদের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়ে এখন তারা দিব্যি সুস্থ।

কথা হয় করোনা আক্রান্ত  এডভোকেট রশিদ মোল্লার সঙ্গে। তিনি বলেন, করোনায় আমি চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী  ওষুধ সেবন করেছি। একই সঙ্গে কিছু নিয়মকানুন ফলো করেছি। নিয়মিত ঔষধ যেমন Napa extend,Rozith( antibiotic), Fexo, Cevit,Cavic- C, Orsaline খেয়েছি। গরম পানির মধ্যে লবন ও ভিনেগার দিয়ে বেশি বেশি গারগল করেছি। আদা, রসুন লবঙ্গ, এলাচি, গুলমরিচ, তেজপাতা ও কালো জিরা একটু ছেচে  পানি ফুটিয়ে ওই পানির বাস্প নাকে মুখে টেনেছি। এই বাস্পটা টানার জন্য মাথায় গামছা হাত দিয়ে এমন ভাবে ধরতে হবে যাতে উক্ত বাস্প  পুরোটাই নাকে মুখে লাগে। এরপর  আদা জাতীয় গরম পানি, লেবুর রস  ও মধু সরিষার তেল দিয়ে খেয়েছি। এর পর গরম পানির মধ্যে গামছা ভিজিয়ে হালকা চিপুর দিয়ে  নাকে চেপে ধরে নাকে টেনেছি। তাতে নাকের ভিতরের কফ/ নস জাতীয় পদার্থ বেরিয়ে এসেছে। সব সময় গরম পানি খেয়েছি। গরম পানি দিয়ে গোসল করেছি। ব্যবহৃতত কাপর চোপর,  চাদর, বালিশের কভার প্রতিদিন ফুটন্ত পানি ও ডিটার্জেন্ট দিয়ে পরিষ্কার করেছি।  বাথরুমে  বার বার ফুটন্ত পানি ঢেলেছি।

এছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এমন ফলমূল খেয়েছি প্রচুর। মাল্টা, আনারস, মাছ,মাংস ডিম  বেশী বেশী খেয়েছি।

আর সবচেয়ে বেশি আল্লাহকে ডেকেছি। আল্লাহ আমাদেরকে মাফ করেছেন। শুভাকাংখী বহু মানুষ আমাদের জন্য দোয়া করেছেন।  বন্ধু এড. সোহেল ও আমাদের বিল্ডিং এর অন্য ভারাটিয়া রানা ভাই কয়েকদিন বাজার সদাই। ঔষধ ক্রয় করে দিয়েছেন। বেশ কয়েকজন সাংবাদিক কলিগ অনেক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।

তিনি আরো বলেন, শারীরিকভাবে আমি সুস্থ। কিন্তু আমাকে আর নতুন করে কোনো পরীক্ষা করা হয়নি।আমার পরিবারের ৩ জনের করোনা পরীক্ষার টেস্টের রিপোর্ট আজ ২১ দিন পার হলেও জানতে পারলাম না।  এখনো আতংকে আছি। তবে সুস্থ্যতা বোধ করছি।

মধ্যবিত্তদের মাঝে ইছামতির উপহার বিতরণ

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার ছাত্র সংগঠন ইছামতির  পক্ষ থেকে করোনা মহামারীতে অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় ও মধ্যবিত্ত সাধারন মানুষের মাঝে ত্রান বিতরন করা হয়েছে। এই সময় ১০০ পরিবারের মাঝে এই ত্রান সামগ্রী বিতরন করা হয়। বৃহস্পতিবার অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে এই ত্রান পৌছে দেয়া হয়।

সারা দেশের মতো নবাবগঞ্জও করোনা মহামারীতে আক্রান্ত। সাধারন মানুষের কাজ না থাকায় এক প্রকার অসহায় ও ক্ষুধার্ত অবস্থায় তারা দিন যাপন করছে। এই সময় এই অসহায় পরিবারগুলোর পাশে এসে দাড়ায় ছাত্র সংগঠন ইছামতি। তাদের পক্ষ থেকে এই অসহায় ও দরিদ্র পরিবারগুলোর মাঝে চাল, ছোলা, তেল, চিনি, লাচ্ছা সেমাই, নুডলস পৌছে দেয়া হয়। করোনা পরিস্থিতিতে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে রমজানের শুরু থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপহার সামগ্রী পৌঁছে দেন সংগঠনটির সভাপতি মোঃ ফয়সাল, সহ-সভাপতি তুষার আহমেদ ইমন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোলাইমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আসিফ আকাশ, প্রচার সম্পাদক মুন্না, সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ইতি রহমানসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।

সংগঠনের সভাপতি মোঃ ফয়সাল জানান, আমরা আমাদের এ কার্যক্রমটি ক্রমান্বয়ে চালিয়ে যাবো। সাহায্য আসার সাথে সাথেই আমরা উপহার কিনে দিয়ে দিচ্ছি। ঈদের আগেই আমরা ইনশাআল্লাহ্ আরোও ১০০ টি পরিবারের হাতে পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।এই কঠিন সময়ে ত্রান পেয়ে অসহায় মানুষগুলোর মুখে হাসি ফুটেছে।

উল্লেখ্য যে দোহার-নবাবগঞ্জের যে সকল শিক্ষার্থীরা টিউশনি করে সংসারের খরচ বহন করেন ও স্বেচ্ছাসেবী কাজ করেন এছাড়া স্কুল কলেজ পড়ুয়া মধ্যবিত্ত প্রায় দুই শতাধিক পরিবারের মাঝে রমজান ও ঈদ সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে তারা।

দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ লকডাউন

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার জরুরি বিভাগের এক স্বাস্থ্যকর্মীর করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির জরুরি বিভাগ ও প্যাথলজি বিভাগ লকডাউন করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও চারজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে দোহার উপজেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৩ জনে দাঁড়িয়েছে।

জানা গেছে, দোহারের জয়পাড়া সদর এলাকার চারজন ও দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের এক স্বাস্থ্যকর্মীর শরীরে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়। গতকাল বুধবার রাতে তাঁদের নমুনা পরীক্ষায় ফল পজিটিভ আসে। এ ঘটনায় করোনা শনাক্ত হওয়া পাঁচজনের বাড়িসহ আশপাশের ১০টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

এর মাঝে ১ জন নয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের পাশে, ১ জন রাইপাড়া পোদ্দার বাড়ি এলাকার, ১ জন উপজেলা স্ব্যাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইমারজেন্সিতে কাজ করে, অন্য ১ জন নারিশা বাজারে নাপিতের কাজ করে, সে নগরকান্দা , ফরিদপুর থেকে এখানে এসে কাজ করে।

দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জসীমউদ্দিন বলেন, দোহারে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে এবং দুজন সুস্থ হয়েছেন।

দোহারে করোনা আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ঢাকার দোহার উপজেলায় গতকাল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত নারীর মৃত্যু হয়েছে। গত ১২ মে মঙ্গলবার দোহার উপজেলার লটাখোলা গ্রামের এক নারীর দেহে করোনা শনাক্ত হয়। আজ সকালে চিকিৎসার জন্য তাকে দোহার থেকে ঢাকার কুর্মিটোলা হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে পথেই তার মৃত্যু হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দোহার উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) জনাব জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।

করোনা সংক্রামনে মারা যাওয়া এই নারীর নাম সুমা পাল (বয়স ২৯)। সে জয়পাড়া পাল বাড়ির মদন পালের মেয়ে।

জনাব জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র নিউজ৩৯ কে জানান, গতকাল করোনা আক্রান্ত নারীকে চিকিৎসার জন্য আজ সকালে ঢাকায় পাঠানো হয়। কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাস্তায় তার মৃত্যু হয়। এ সময় আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়ি সহ আশে পাশের ১০ টি বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করা হয়। আজ বিকেল ৫ টায় দোহারে মৃত ব্যক্তির সৎকার সম্পন্ন করা হবে বলে জানান জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।

উল্লেখ্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরন করা মহিলা কিডনির রোগ সহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন

দোহারে নতুন করে ১ নারী করোনায় আক্রান্ত

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলায় নতুন করে ১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ জনে। দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রধান ডা. জসিমউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দোহার উপজেলায় সোমাবার নতুন করে আক্রান্ত ব্যক্তি দোহার পৌরসভার লটাখোলা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি দোহারের প্রথম নারী করোনা আক্রান্ত রোগী। দোহারে এ পর্যন্ত আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ জন। এই পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে দোহারে মৃত্যুবরণ করেছেন ১ জন।

বালু উত্তোলনের দায়ে দোহারে বালু ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড

ঢাকার দোহারে পদ্মা নদীতে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে চঞ্চল মোল্লা নামক এক অবৈধ বালু ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্রের আদালত এই অর্থদন্ড প্রদান করেন। এই অভিযান পরিচালনায় সার্বিক সহায়তা করে দোহার থানা পুলিশ।

নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র নিউজ৩৯ কে জানান, পদ্মা নদীতে বালু উত্তোলনের খবর পেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে এই অভিযান চালানো হয়। এসময় পদ্মা নদীর মধুরচর অংশে অবৈধভাবে বালু কাটার অপরাধে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৫(১) ধারায় বালু উত্তোলনকারী চঞ্চল মোল্লা নামে একজনকে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড দেয়া হয়। একইসাথে ভবিষ্যতে বালু উত্তোলনের কাজে সম্পৃক্ত না হতে তাকে সতর্ক করা হয়।

জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, দোহারবাসীর স্বার্থ রক্ষায় সালমান এফ রহমান এমপির উদ্যোগে সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে বাঁধ নির্মিত হচ্ছে। অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলতে থাকলে ভবিষ্যতে এ বাঁধ ক্ষতিগ্রস্থ হবার সম্ভাবনা রয়েছে। কাজেই দোহারবাসীর স্বার্থে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান চলমান থাকবে।

নবাবগঞ্জে নতুন করে ২ জন করোনায় আক্রান্ত

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় নতুন করে ২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ জনে। নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. হরগোবিন্দ সরকার অনুপ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নবাবগঞ্জ উপজেলায় সোমাবার নতুন করে আক্রান্ত দুইজন বক্সনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা। এ পর্যন্ত আক্রান্তদের মধ্যে আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭ জন। এই পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে নবাবগঞ্জে কেউ মারা যায় নি।