দোহার নবাবগঞ্জে সালমাল এফ রহমানের অ্যাম্বুলেন্স উপহার

 

 

ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় একটি টয়োটা অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে দেন ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

 

২ জুন(মঙ্গলবার) দোহার নবাবগঞ্জ বাসীর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিকট হতে একটি টয়োটা অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করেন তিনি।

 

জানা যায়, করোনা মহামারী এবং দুর্যোগে দোহার নবাবগঞ্জ বাসীর জন্য জটিল এবং মুমূর্ষু রোগী বহনে  এ অঞ্চলের জনগণের জন্য অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করা হয়।

 

এ সময় দোহার নবাবগঞ্জ বাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করায় ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকে দোহার নবাবগঞ্জ বাসীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

তরুনদের ভাবনা: করোনা আক্রান্ত পরিবারের প্রতি সদয় হোন

মো. ফয়সালঃ বাড়ির আশেপাশের কারো করোনা পজিটিভ হলে প্রতিবেশীরা শুধুমাত্র তাদের বাড়িতে লকডাউন নামক আটকিয়ে দেওয়া পর্যন্ত ই বাহাদুরি দেখাতে পারে। করোনা পজিটিভ লোকটির পরিবারের সদস্যরাও যে মানুষ; তাদের প্রতি নূন্যতম মানবিকতা আমরা কি আদৌ দেখাই?

আমরা এখনো যারা সুস্থ আছি তাদের জন্য হয়তো এটা শিক্ষা!

একবার করোনা পজিটিভ হলে ,কেউ এগিয়ে আসবেনা। জেল হাজত বা হাসপাতালে না, নিজের বাড়িতে বন্দি থাকবেন, কেউ কিচ্ছুটি এনে দিবেনা। বেশিরভাগ মানুষ ফোনই রিসিভড করবেনা।

বিশ্বাস হয়না? করোনা পজিটিভ হলেই বুঝবেন।
অসচেতনতাই করোনা, করোনাই অসচেতনতা।
মোঃ ফয়সাল, সভাপতি, ইছামতি উপজেলা ছাত্র সংগঠন

করোনার উপসর্গ নিয়ে দোহারে একজনের মৃত্যু

 

ঢাকার দোহার উপজেলায় করোনা উপসর্গ নিয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘটেছে। মৃত নুরুল ইসলাম খান(৬৫) দোহার পৌরসভার ঘোনার মজিদ খানের সেজ ছেলে। বুধবার রাতে তার মৃত্যু ঘটে।

 

এলাকাবাসী জানায়, মৃত নুরুল ইসলাম বিগত ১৫ দিন ধরেই জ্বর, ঠান্ডা, শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। পরিবারের লোকজন সামাজিকভাবে নিঘৃহিত হওয়ার ভয়ে তার কোন টেস্ট না করিয়া তাকে বাড়িতে আলাদা ভাবে আইসোলেশনে রাখে। কিন্তু দিনে দিনে অবস্থার অবুনতি ঘটে নুরুল ইসলামের। এবং বুধবার রাতে তিনি মৃত্যু বরন করেন। ইতিমধ্যে তার লাশের থেকে করোনা নমুনা সংগ্রহ করেছে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।

 

৩ জুন বুধবার দুপুর সাড়ে বারোটায় নুরুল ইসলামকে নুরপুর ঘোনা কবরস্থানে দাফন করা হয়। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবক টিম তার লাশ দাফনে সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল। এই টিমের প্রধান সুলাইমান বেপারীর নেতৃত্বে ৮ জন স্বেচ্ছাসেবক লাশের গোসল, জানাজা, দাফনের সকল কার্যক্রমে অংশ নেয়।

নবাবগঞ্জে পৌছেছে সালমান এফ রহমানের পাঠানো ইভেরা ১২

সারাদেশের মধ্যে করোনার অন্যতম রেডজোনে অবস্থান করছে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলা। প্রতিদিনই এইখানে বাড়ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। ইতিমধ্যে ৪০ জেলাকে ছাড়িয়ে গেছে নবাবগঞ্জ উপজেলায় করোনা সংক্রমনের সংখ্যা। ৩ জুন পর্যন্ত নবাবগঞ্জে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৫২ জন। এরই মধ্যে ১২০ জন রোগীর জন্য করোনা বিরুদ্ধে সফলতা দেখানো ইভেরা ১২ ঔষুধ পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয়  ঔষুধ উৎপাদন কারী প্রতিষ্ঠাব বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা ও ঢাকা-১ আসনের এমপি সালমান এফ রহমানের নির্দেশে আজ দুপুরে নবাবগঞ্জে এসে পৌছেছে ইভেরা ১২।

রাজারবাগ পুলিশ লাইন হাসপাতালসহ অনেক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে ইভেরা ১২ ইতিমধ্যেই সফলতা দেখিয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় নবাবগঞ্জে করোনা আক্রান্ত ১২০ জনের উপর এই ঔষধ প্রেরন করা হয়েছে। এই ঔষুধের কার্যকারীতা নিয়মিত মনেটরিং করবেন ঢাকা মেডিকেলের অধ্যাপক আহমেদুল কবিৱ এবং স্থানীয় চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত টিম। করোনা আক্রান্ত রোগীদেৱ চিকিৎসা, ফলোআপ এবং ফলাফল এই টিম সরাসরি মনিটরিং করবেন।

শোল্লায় ধান কাটার জন্য কম্ববাইন হার্ভেস্টারের ব্যবস্থা করলেন সালমান এফ রহমান

করোনা মহামারীতে বিপর্যস্ত সারা বিশ্ব। এর ব্যতিক্রম নয় বাংলাদেশেও। এর মাঝে আক্রান্তের দিক থেকে বাংলাদেশের ৪০টি জেলাকেও ছাড়িয়ে গেছে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলা। ফলে ধান কাটার জন্য শ্রমিক সংকটে পরে গেছে এই অঞ্চলের কৃষকেরা। এই সময় কৃষকদের সমস্যা দূর করতে এগিয়ে এসেছেন ঢাকা ১ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাত শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

নবাবগঞ্জের শোল্লা ইউনিয়নে ইতিমধ্যে পৌছে গেছে এই কম্বাইন হারভেস্টারের। শোল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেওয়ান তুহিনুর রহমানের তত্ত্বাবধানে ইতিমধ্যে মাঠে মাঠে কৃষকদের ধান কাটা শুরু করেছে এই কম্বাইন হারভেস্টার।

কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী এই হারভেস্টার কৃষকের জমির ধান কেটে দেবে। কোন কৃষকের এই হারভেস্টার প্রয়োজন হলে নিচের নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য বলা হয়েছে।

১) আরশাদুল- 01991807333

২) জুয়েল- 01779009600 (শোল্লা)

কেমন আছে দোহার-নবাবগঞ্জের বেসরকারি বিদ্যালয়-মাদ্রাসার শিক্ষকেরা

করোনা মহামারীতে বিপর্যস্ত সারা বাংলাদেশ। অর্থনৈতিক ভাবে খুবই কঠিন সময় পার করছে বাংলাদেশের জনগন। প্রতিদিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও থেমে নেই সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা। এরই মাঝে ৩১ তারিখ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাদে সবই খুলছে। সরকারি ও এমপিও ভুক্ত শিক্ষকরা নিয়মিত সরকারি বেতন পেলেও কেমন যাচ্ছে নন-এমপিও, কিন্ডারগার্ডেন ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের দিন সেটা খোঁজ নেয়ার কেউইউ নেই। টানা ৩ মাস ধরে বেতনবিহীনভাবে জীবন কাটানো এই শিক্ষকেরা কেমন আছেন? তাদের কি খোঁজ খবর নিচ্ছেন কি কেউ? এরা কি সরকারি সহযোগিতার আওতায় এসেছে? এরা কি ত্রানের জন্য লাইন ধরে দাড়িয়েছিল? সব মিলিয়ে কেমন আছে দোহার-নবাবগঞ্জের বেসরকারি বিদ্যালয়-মাদ্রাসার শিক্ষকেরা? এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজার চেষ্টা করেছে নিউজ৩৯.নেট।

জয়পাড়ার সুপরিচিত এক মাদ্রাসা শিক্ষক, করোনাভাইরাস মহামারীর আগে আর দশজন শিক্ষকের মতই দিন কেটে যাচ্ছিল তার। বাসায় ২ মেয়ে, স্ত্রী, বোন, বাবা-মা এদের নিয়েই সংসার। বাবা ১ বছর আগে সৌদি আরব থেকে দেশে এসে স্থির হয়েছেন। ৭ সদস্যের এই পরিবারে একমাত্র উপার্যনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তিনি। কোন জমা না হলেও মাদ্রাসার বেতন দিয়ে সুন্দরভাবেই চলে যাচ্ছিল সেই শিক্ষকের জীবন।

নিউজ৩৯ এর সাংবাদিকের সাথে তার কথা হয় ঈদের পর। নিজেদের বর্তমান অবস্থার যে মর্মস্পর্ষী বর্ননা দিয়েছেন তা এক জন শিক্ষকের জন্য খুবই দুঃখজনক। তিনি তার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তিনি মাদ্রাসা থেকে শেষ বেতন পেয়েছেন ফেব্রুয়ারী মাসে। এরই মাঝে মার্চের বেতন পাওয়ার আগেই সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ফলে মার্চ, এপ্রিল, মে মাস টানা তিন মাস তিনি বেতনবিহীন অবস্থায় আছেন। মার্চের বেতন শেষ হয়ে যাওয়ায় এক প্রকার মানবেতর জীবন যাপন করছে এই শিক্ষকের পরিবার। বিভিন্ন দোকানে বাকি পড়ে গেছে অনেক। বাকি পরিশোধ করতে না পারায় এরই মাঝে বাকি দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে দোকানদার। কারও কাছে ঋণ করবে সেরকম ঋণও কেউ দিচ্ছেন না। তারপরো ঋণে টাকা এনে কয়েকদিন চলার পর ঋণের চাপে পড়ে গেছেন এরই মাঝে। সরকারি সহায়তার জন্য লাইনে দাড়াবেন বা কারো কাছে বলবেন চক্ষু লজ্জার কারনে সেটাও বলতে পারছেন না এই শিক্ষক। এরপর রোজার ঈদ চলে আসলে ভাল কিছু রান্না বান্না ছাড়াই কাটিয়ে দিয়েছেন ‌ঈদ। এক দিকে বেতন নেই, আরেক দিকে ৭ সদস্যের পরিবার, ঋণের চাপ সব মিলিয়ে দিশেহারা জীবন কাটাচ্ছেন এই শিক্ষক।

একই গল্প দোহারের আর এক মাদ্রাসা শিক্ষকের। নবাবগঞ্জের এই মাদ্রাসার শিক্ষক, গত ৩ মাস ধরে বাড়িতে প্রায় অনাহারেই দিন কাটছে তার। মাদ্রাসায় ছাত্র নেই, দান নেই, ফলে বেতনও পাচ্ছেন না ঠিক মত। ৪ সদস্যের পরিবার নিয়ে শেষ কবে মাছ খেয়েছেন ভুলে গেছেন তিনি। অর্ধাহারে রোজার মাস ও ঈদ পার করলেও এখন কি করবেন সেটা ভেবে পাচ্ছেন না এই মাদ্রাসা শিক্ষক। ঈদের ভেতর দুই বাচ্চাকে একটু সেমাই মুখে তুলে দিতে পারেন নি তিনি।

একেবারে খারাপ অবস্থায় না হলেও ভাল নেই দোহারের একটি কিন্ডারগার্ডেনের শিক্ষক। নিজের শিক্ষার যাবতীয় ব্যয়ভার বহন সাথে পরিবারের খরচে কিছুটা অংশীদার হওয়া এই নিয়েই জীবন চলছিল শিলাকোঠার এক কিন্ডারগার্ডেন শিক্ষকের। করোনার কারনে আজ তার আয়ের পথ বন্ধ। বাসার কারও কোন কাজ নেই। এই মহামারীর সময়ে নিজে কিছু যোগ করতে পারছেন না, সেই সাথে নিজেও চলতে পারছেন না। এই সময়কে এই শিক্ষক শতকের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হিসাবে উল্লেখ করেছেন।

শিক্ষকদের এই দুরবস্থা নিয়ে নিউজ৩৯.নেট কথা বলে দোহার উপজেলার অন্যতম স্বনামধন্য ও বিখ্যাত মাদ্রাসা মালিকান্দা মেঘুলা ফজলে খোদা মাদ্রাসার মুহতামিম আবুল কালাম আজাদ বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন আমরা যতটুকু পারি দিচ্ছি, তবে এভাবে কতদিন চালানো যাবে তা তিনি জানেন না বলেন। তবে সব মাদ্রাসার চিত্র এইক রকম না। অনেক মাদ্রাসায় ঈদের বেতন পর্যন্ত দিতে পারে নি মাদ্রাসা কতৃপক্ষ।

দোহার কিন্ডারগার্টেন এ্যাসোসিয়েশন এর সহ-সভাপতি ও পদ্মা সরকারি কলেজের একাউন্টিং বিভাগের শিক্ষক এমারত হোসেন ইমরান জানান, এই করোনাভাইরাস সংকটকালে আমাদের কিন্ডারগার্টেন এর সকল শিক্ষকরা খুবই দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। অধিকাংশ শিক্ষকদের বেতন দিতে পারছে না স্কুল মালিকরা। সরকার ও ফজলুর রহমান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শিক্ষকদের আমরা কিছুটা সহায়তা করার চেষ্টা করেছি। এছাড়াও তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে তার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বেতন দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

কবে থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে তা এখনো পরিস্কার নয়, শিক্ষকদের এই দুরবস্থা তাই কবে দূর হবে তা কেও ভাবতে পারছেন না।

কেমন আছেন দোহার-নবাবগঞ্জের করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীরা

সারাবিশ্বে করোনা মহামারীতে বিপর্যস্ত। সারা বিশ্বের মতো দোহার নবাবগঞ্জেও প্রতিদিন শনাক্ত হচ্ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এই পর্যন্ত দোহারে করোনা সনাক্ত হয়েছে ৯১ জন, নবাবগঞ্জে শনাক্ত হয়েছে ১৫২ জন। এর মাঝে করোনা আক্রান্ত হয়ে দোহারে মারা গেছেন ২ জন, নবাবগঞ্জে ১ জন। কিন্তু কেমন আছেন দোহার-নবাবগঞ্জের করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীরা? তারা কি সামাজিক ভাবে কোন সমস্যায় পড়েছেন নাকি সামাজিক ভাবে সমর্থন পেয়ে করোনাকে মোকাবেলা করছেন। নিউজ৩৯.নেট চেষ্টা করেছে এই করোনা আক্রান্তদের বর্তমান অবস্থা সবার সামনে তুলে ধরতে। তুলে ধরার মাঝে যেমন কিছু নোংরা দিক বের হবে, ঠিক তেমনি ভাবে পাওয়া যাবে নিস্বার্থ ভাবে এই করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানো কিছু মানুষের কথা।

প্রথমেই আসি দোহার উপজেলার নয়াবাড়ি ইউনিয়নের এক সন্দেহভাজন করোনা আক্রান্ত রোগীর কথা দিয়ে। দোহারের নয়াবাড়ি ইউনিয়নের ধোয়াইর বাজারের পাশে গরুর ব্যবসা করা এক যুবকের কথা দিয়ে। জাকির হোসেন (৩১) গরুর ব্যবসার জন্য ঘুরে বেড়ায় সারা দেশ। করোনা মহামারী যখন সারাদেশকে স্থবির করে দিলো সেই সময় জাকির হোসেন আটকা পড়েন করোনাভাইরাসের হটস্পট নারায়নগঞ্জে। রোজার শুরুতে কোন ক্রমে তিনি বাড়ি ফেরত আসেন। স্বভাবে একটু উগ্র জাকির হোসেনকে এলাকার সবাই হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বললেও সে মাঝে মাঝেই চেষ্টা করেছে বাড়ির বাইরে বের হতে। এরই মাঝে দোহার উপজেলা থেকে তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়, দুই দিন পর রেজাল্ট আসে। কিন্তু নামের গরমিলের কারনে সামাজিক ও পারিবারিক ভাবে নিগৃতের শিকার হয় জাকির হোসেন। এর ফলশ্রুতিতে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় জাকির হোসেন। পরে যখন নামের গরমিলের ব্যাপারটা ধরা পরে তখন আবার বাড়ি ফেরত আসে জাকির হোসেন।

ঠিক এর উলটো চিত্র দেখা গেছে একই ইউনিয়নে। রোজার প্রথম দিকে যখন নয়াবাড়ি ইউনিয়নে সবুজ হোসেন নামে একজনের করোনা আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়। তখন নিজে থেকে দায়িত্ব নিয়ে নয়াবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ সবুজের বাসার জন্য একমাসের খাবার নিজে বাড়িন পৌছে দিয়ে আসেন। ঠিক একই ঘটনা ঘটে নয়াবাড়ি ইউনিয়নের ২য় করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে। তার বাসার জন্যও এক মাসের বাজার নিজে পৌছে দেন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ হান্নান।

গত তিন মাসের টানা পরিশ্রমের কারনে শামীম আহমেদ হান্নান এখন নিজেই নিউমোনিয়া, ডায়বেটিকস ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছে।

নবাবগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাবিথ আহমেদ পাভেল করোনাভাইরাস মোকাবেলায় নবাবগঞ্জের সামনের সারিতে থাকা একজন জনপ্রতিনিধি। দিন নেই, রাত নেই যেকোন ফোনেই তিনি চষে বেড়াচ্ছেন নবাবগঞ্জের প্রতিটি ইউনিয়ন। কারো খাবার নেই, করোনা আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে সামাজিক ভাবে একঘরে করা পরিবারের বাড়িতেও তিনি রাতের আঁধারে পৌছে দিচ্ছেন খাবার। কোন মাদ্রাসার ছাত্রের খাবার নেই, মাদ্রাসা শিক্ষকের ঘরে খাবার নেই, সবকিছুই তিনি নিজে দায়িত্ব নিয়ে খাবার পৌছে দিচ্ছেন তিনি বাড়িতে বাড়িতে। নিজের উদ্যোগে তিনি তৈরি করেছেন করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতদের জানাজা, কাফন করানোর জন্য স্বেচ্ছাসেবক ইউনিট।

সবার অলক্ষ্যে দোহার ও নবাবগঞ্জের স্বাস্থ্য বিভাগের করোনা প্রতিরোধের জন্য নেতৃত্ব দিচ্ছেন দোহার ও নবাবগঞ্জের দুই কৃতি সন্তান। দোহারের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ডা. জসিম উদ্দিন ও নবাবগঞ্জের করোনা ইউনিটের ফোকাল পারসন ডা. হরগোবিন্দ সরকার অনুপ। সম্ভাব্য করোনা রোগী চিহ্নিত করতে বাড়ি বাড়ি যেয়ে করোনা রোগী শনাক্ত করছেন এই দুই জন। রাত নেই, দিন নেই তারা ছুটে বেড়াচ্ছেন দোহার-নবাবগঞ্জের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। চিহ্নিত করছেন করোনা আক্রান্ত রোগীদের বাড়ি, সচেতনতা সৃষ্টি করছেন সাধারন মানুষের মাঝে।

কিন্তু তাদের মাঝেও রয়েছে হতাশা। তারা হতাশ সাধারন মানুষের করোনা রোগীদের প্রতি ব্যবহার নিয়ে। নিউজ৩৯.নেট-এর কাছে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ডা. জসিম উদ্দিন আক্ষেপ করে বলেন, করোনা শুধু মাত্র একটা রোগ। এই রোগে সচেতন না হলে যে কেউ আক্রান্ত হতে পারে। তবে আক্রান্ত রোগীর সাথে সাধারণ মানুষের ব্যবহার খুবই দুঃখজনক। তারা অতি উৎসাহী হয়ে করোনা রোগীর বাড়ি লকডাউন দিয়ে সামাজিকভাবে করোনা আক্রান্ত রোগীদের হেয় করছে। ফলে কেউ নিজের মাঝে করোনা সংক্রমনের লক্ষন দেখলেও সামাজিকভাবে হেয় হওয়ার ভয়ে আমাদের কাছে আসে না। মানুষের মাঝে সচেতনতা যেমন দরকার ঠিক তেমনিভাবে মানবিকতা বোধের বিকাশও অতি জরুরী।

৪০ টি জেলার চেয়েও বেশি নবাবগঞ্জ উপজেলার করোনাভাইরাস আক্রান্ত সংখ্যা

কোন ভাবে করোনা সংক্রামন ঠেকানো যাচ্ছে না ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায়। ঢাকার একেবারে কাছে অবস্থিত ও প্রবাসী অধ্যুষিত এই নবাবগঞ্জ উপজেলায় নিয়মিত পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনাভাইরাস আক্রান্ত সংখ্যা। কোন ভাবেই নিয়ন্ত্রনে আনা যাচ্ছে না এই উপজেলার করোনা পরিস্থিতি

বাংলাদেশের অনেক জেলার চেয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। দোহার উপজেলায় আক্রান্ত সংখ্যা ৩১ টি জেলার চেয়ে বেশি, নবাবগঞ্জ উপজেলার করোনাভাইরাস আক্রান্ত সংখ্যা ৪০ টি জেলার চেয়েও বেশি! শুরু থেকে প্রশাসনের যথেষ্ট প্রচেষ্টটা ছিল, কিন্তু জনসাধারণের অসহযোগিতাই  মূল কারণ। অনেকে করোনাভাইরাসকে কোনো গুরুত্বই দিতে চান না। পরীক্ষার জন্য স্যাম্পল দিয়ে নিজেকে আলাদা করার বদলে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করেন, রিপোর্ট আসার আগে কেনো ধরণের সাবধানতা অবলম্বন করছেন না। এই সময়ের মধ্যে তারা ভাইরাস ছড়িয়ে দিচ্ছেন পরিবার ও সমাজে। বান্দুরা-নয়নশ্রী খুব কাছাকাছি যায়গা, এটি হয়ে গেছে নবাবগঞ্জের হটস্পট। এটি হটস্পট হয়ে উঠার পেছনে এই অসচেতনতাই দায়ী।

নিচে চার্টে পরিসংখ্যান দেখতে পাবেন।

করোনা নিয়ন্ত্রনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কাজ করে যাচ্ছে দিনের পর দিন। দায়িত্বে থাকা নবাবগঞ্জ উপজেলার মেডিকেল অফিসার ও করোনা ইউনিটের ফোকাল পার্সন নবাবগঞ্জের সন্তান ডা. হরগোবিন্দ সরকার অনুপ প্রতিদিনই চষে বেড়াচ্ছেন নবাবগঞ্জের সম্ভাব্য করোনা আক্রান্তের বাসায়। তারপরও বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। জুনের ১ তারিখে নবাবগঞ্জে একদিনে সর্বোচ্চ ৯১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।

নবাবগঞ্জে করোনা পরিস্থিতির দিক দিয়ে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় আছে নবাবগঞ্জের বান্দুরা ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নে সর্বোচ্চ ৫২ জন করোনা আক্রান্ত রোগীকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মাঝে ঢাকায় মারা গেছেন এই ইউনিয়নের গৌরাঙ্গ বণিক নামে একজন ব্যবসায়ী। বান্দুরার জেলে পাড়ার একই পরিবারের এক যুবক সদস্য বাদে সবাই করোনা আক্রান্ত। সেই যুবকের সাথে পরবর্তীতে যোগাযোগ মানবজমিনের সাংবাদিক রাশিম মোল্লা। তিনি সেই যুবক ও তার পরিবারের সাথে কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ, মানসিক শক্তি প্রদান, আর চিকিৎসা পরামর্শ দিয়েছেন।

বান্দুরার পরেই আছে কলাকোপা ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৪১ জন। এখন পর্যন্ত কেউ মারা না গেলেও নবাবগঞ্জের অন্যতম করোনা সংক্রামিত ইউনিয়ন কলোকোপা।
সংক্রমনের দিক থেকে ৩য় অবস্থানে আছে নয়নশ্রী ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নে আক্রান্তের সংখ্যা ১১ জন। তারপরের অবস্থান আগলা ইউনিয়নের। আগলাতে করোনায় আক্রান্তের সখ্যা ১০ জন। বাহ্রাতে আক্রান্তের সংখ্যা ৮ জন। যন্ত্রাইলে আক্রান্তের সংখ্যা ৭ জন।

চুড়াইনে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ জন। কিন্তু এরই মাঝে মারা গেছেন করোনা আক্রান্ত এক রোগী। বক্সনগর ও কৈলাইলে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ জন করে। গালিমপুরে ৩ জন করোনায় আক্রান্ত। বারুয়াখালিতে ২ জন, শিকারিপাড়া, জয়কৃষ্ণপুর ও শোল্লায় ১ জন করে করোনা আক্রান্ত শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়া সিরাজদিখানের (খারশুর) এর ১ জন করোনা আক্রান্ত চিহ্নিত হয়েছে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

জেলা/উপজেলা আক্রান্ত
নবাবগঞ্জ উপজেলা ১৫২
যশোর ১৪৪
জয়পুরহাট ১৩৫
মানিকগঞ্জ ১৩৪
শরিয়তপুর ১১৯
দিনাজপুর ১১৭
ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ১১৬
মাদারিপুর ১১৫
চাঁদপুর ১০৯
নওগাঁ ১০২
দোহার উপজেলা ৯১
নীলফামারি ৯০
চুয়াডাঙ্গা ৮৯
শেরপুর ৮৬
খুলনা ৭৩
বরিশাল ৭০
রাঙামাটি ৬৫
কুড়িগ্রাম ৬৪
ঠাকুরগাঁও ৬১
রাজশাহী ৫৯
চাপাই নবাবগঞ্জ ৫৪
নাটোর ৫৩
টাঙ্গাইল ৫২
কুষ্টিয়া ৫১
ঝিনাইদহ ৪৮
বরগুনা ৪৪
সাতক্ষীরা ৪৩
পঞ্চগড় ৪০
গাইবান্ধা ৪০
পটুয়াখালি ৪০
পাবনা ৩৮
লালমনিরহাট ৩৬
খাগড়াছড়ি ৩৫
ঝালকাঠি ৩০
বান্দরবান ২৯
নড়াইল ২৬
মাগুড়া ২৫
পিরোজপুর ২৪
ভোলা ২৩
সিরাজগঞ্জ ১৯
বাগেরহাট ১৮
মেহেরপুর ১৪

জেলার তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা, ০২ জুন, ২০২০

দোহারে নতুন ২৮ জন করোনায় আক্রান্ত

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলায় করোনা সংক্রমন কোন ক্রমেই রোধ করা যাচ্ছে না। এরই মাঝে নতুন করে আরো ২৮ জনের মাঝে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দোহার উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯১ জনে। মঙ্গলবার সকালে নিউজ৩৯ এর কাছে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিন।

নতুন করে আক্রান্তের মাঝে দোহার পৌরসভা এলাকাতেই শনাক্ত করা হয়েছে ১২ জন। মুকসুদপুর ইউনিয়নের ফুলতলা বাজার এলাকায় শনাক্ত হয়েছেন ৬ জন, রাইপাড়া ইউনিয়নে শনাক্ত হয়েছেন ৭ জন, নারিশা ইউনিয়নে ২ জন ও বিলাশপুর ইউনিয়নে ১ জন।

ডা. মো. জসিম উদ্দিন জানান, নতুন করে আক্রান্ত হওয়া ব্যক্তিদের চিকিৎসা সহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে যারা এসেছেন তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। এবং আক্রান্ত ব্যক্তিরা যেন সামাজিক ভাবে কোন হেস্তনেস্ত না হয় সেই দিকেও লক্ষ রাখবে উপজেলা প্রশাসন। তাদের হোম কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশন কেউ যদি বাধা গ্রস্থ করে তবে তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিবে উপজেলা প্রশাসন।

উল্লেখ্য যে, দোহার উপজেলায় এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হওয়া ৯১ জনের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন ২ জন। সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরেছেন ৩২ জন। মৃত্যুবরণ করা দুইজনের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী।

বারুয়াখালীতে গৃহবধুকে দেবর কর্তৃক যৌন নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টা

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত জনপদ বারুয়াখালীর রতনপুর গ্রামে, দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী (৩৬) -কে জোর পূর্বক দেবর মো. এবাদত (৪০) এর বিরুদ্ধে, ধর্ষণ ও প্রাণনাশের অভিযোগ উঠেছে। সে ওই গ্রামের কলিমুদ্দিন কালার ছেলে।

প্রবাসীর স্ত্রী অন্তঃসত্বা হয়ে পড়লে ধর্ষক এবাদত ২৬ মার্চ তাকে হত্যার চেষ্টা করে। এ ঘটনা জানতে পেরে বারুয়াখালী ইউনিয়নের মহিলা মেম্বার, রোকসানা বেগম গণমাধ্যমকে জানায়। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

পুলিশ কাছে দেওয়া লিখিত অভিযোগ প্রবাসীর স্ত্রী জানান, তার পাশের ঘরে দেবর এবাদত পরিবার নিয়ে দীর্ঘ দিন যাবত বসবাস করছিলো। গত ১৫ নভেম্বর রাত ৯ টায় এবাদত তার ঘরে প্রবেশ করে ও জোর পূর্বক তার উপর যৌন নির্যাতন চালায়। পরবর্তী সময়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধীকার বার যৌন হয়রানি করে বলে জানান তিনি।

এলাকাবাসী জানায়, গৃহবধুর স্বজনরা এ ঘটনা জানতে পেরে তাকে ২৬ মার্চ উপজেলার বান্দুরা মর্ডান ক্লিনিক এন্ড ডায়াগননিষ্টক সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রাম করায়। তখন তারা জানতে পারে নির্যাতিত নারী ১৫ সপ্তাহ ৪ দিনের গর্ভবর্তী।

এবাদত অন্তঃসত্বা হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে, ২৬ মার্চ বিকালে গোপনে গৃহবধুকে ডেকে রতনপুর ইছামতি নদীর তীর সংলগ্ন সুনিলের বাগানে নিয়ে যায়। এসময় জোর পূর্বক তার হাত পা বেধে তাকে হত্যার চেষ্টা করে। এসময় গৃহবধুকে তার নিজের প্রাণ বাঁচাতে বাধা দিলে, শরীরে বিভিন্ন অংশ রক্তাক্ত জখম হয়। তার চিৎকারে আশে পাশে থাকা লোকজন এগিয়ে আসলে, ঘটনা স্থল থেকে ধর্ষক এবাদত দৌড়ে ইছমতি নদীতে ঝাপিয়ে পড়ে এবং স্থানে পালিয়ে যায়।

করোনাভাইরাসের মহামারীর কারণে গণপরিবহন বন্ধ থাকায়, সে বিষয়টি ওই সময় থানা পুলিশকে জানাতে পারেন নি বলে জানায় ধর্ষিতা নারী ও তার স্বজনরা।

এবিষয়ে দোহার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার(এ.এসপি) জহিরুল ইসলাম বলেন, পুলিশ আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণ করছে।