এক বছরেও উদ্বোধন হয়নি বারুয়াখালি-নয়নশ্রী ব্রিজ

ব্রীজ তৈরির এক বছর হওয়ার পরও উদ্ভোধন হয় নি বারুয়াখালি-নয়নশ্রী ব্রিজ। বহুল প্রতিক্ষিত এই ব্রিজ নিয়ে বারুয়াখালি ও নয়নশ্রী বাসীর যে স্বপ্ন ছিল তা মুছে যেতে বেশি সময়ও লাগছে না। ব্রিজ উদ্ভোধন না হলেও কোন মতে স্টিলের পাত ফেলে যাতাযাত করছে এই দুই ইউনিয়নের মানুষ। এতে একদিকে যেমন দূর্ঘটনার ঝুকি বৃদ্ধি পেয়েছে ঠিক একই ভাবে প্রতিদিনই ঘটছে ছোট খাট দূর্ঘটনা।

আলালপুর- খানেপুর ব্রিজটির মাধ্যমে  বারুয়াখালী ও নয়নশ্রী ইউনিয়নের মধ্যে সংযোগ স্থাপিত হয়েছে। খানেপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও খানেপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এই ব্রিজটির পাশে নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে আছে। শত শত ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ জনগনের যাতায়াত এই ব্রিজের উপর দিয়ে। এই রিপোর্টটি করার আগে যখন দেখতে গেলাম বর্তমান অবস্থা কেমন তখন রীতিমতো অবাকই হলাম। একজন মোটরসাইকেল আরোহী বোনের বাসায় যাচ্ছিলেন কাঁঠাল ও আম নিয়ে। যেই তিনি ব্রিজে উঠতে চেষ্টা করছেন প্রায় উল্টে পরে যেতে যাচ্ছিলেন। একটুর জন্য দূর্ঘটনা থেকে রেহাই পেয়েছেন সেই মটর সাইকেল চালক। ছোট দুই ভাই বোন ব্রিজে উঠতে যে কি কষ্ট করলো না দেখলে তা অনুধাবন সহজ নয়। এদিকে উদ্বোধন করার আগেই মানুষের চলাচলের জন্য কোন রকম চালু করা হয় ব্রিজটি। কিন্তু এক বছরেও উদ্বোধন করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

খানেপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আমজাদ হোসেন নিউজ৩৯ কে বলেন, আমাদের আসলে কপাল খারাপ। ঠিকাদার পালিয়ে গিয়েছে। সেজন্য ব্রিজের দুই পাশের কাজটুকু সম্পন্ন হয় নি।

এ দায় কার? জনগণ আর কতদিন কষ্ট করবে? ব্রিজ কোনমতে বসানো হলেও কেন দুই পাশের এ অবস্থা? কেন নজরে আসছে না কর্তৃপক্ষের? আর কতদিন অতিবাহিত হলে পূর্ণ হবে মানুষের নির্বিঘ্ন যাতায়াত? এই প্রশ্ন এই অঞ্চলের সাধারন মানুষের।

এক বছরেও উদ্বোধন হয়নি বারুয়াখালি-নয়নশ্রী ব্রিজ

করোনায় আক্রান্ত খন্দকার আবু আশফাক

করোনা আক্রান্ত সাবেক নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ২ বারের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক।

তার ফেইসবুক পেইজে তিনি করোনাভাইরাস-এ আক্রান্ত এ খবর জসনিয়ে লিখেছেন-

“অত্যন্ত দুঃখের বিষয় বিশ্বব্যাপী মহামারীর মতো করোনাভাইরাস দ্বারা আমি আক্রান্ত হয়েছি। আমার বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও বাংলাদেশে অবস্থিত ভাই-বোনেরা ও বাংলাদেশী নাগরিকগন পৃথিবীর যে যেই প্রান্তে আছেন, সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন৷ আমি অসুস্থ থাকার কারণে মোবাইল ব্যবহার করতে পারছি না, তাই কারো সাথে যোগাযোগ না করতে পারার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

পরম করুণাময় আল্লাহপাক যেন আমাকে সুস্থতা দান করেন এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে আমি যেনো নিজেকে নিয়োজিত রাখতে পারি।

আপনারা সতর্ক হোন, সাবধানে থাকুন ও নিরাপদে থাকুন। আপনারা সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন। ( আমিন)”

টানা বর্ষণে ভেঙ্গে গেছে রাস্তা: দ্রুত ঠিক করার আশ্বাস কুসুমহাটির চেয়ারম্যানের

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের বাস্তা গ্রামের পরানখালি ব্রিজ সংলগ্ন রাস্তার প্রায় অর্ধেক ভেঙ্গে যাওয়ায় যেকোন সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। মে মাসের প্রথম দিকে রাস্তাটি বৃষ্টিতে ভেঙ্গে গেলেও এখন পর্যন্ত কোন সংস্কার হয় নি এই রাস্তাটার। তবে কুসুমহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আজাদ এই রাস্তা অতি দ্রুত ঠিক করার আশ্বাস দিয়েছেন।

মে মাসের ১ম সপ্তাহে টানা বৃষ্টিতে ভেঙ্গে যায় পরানখালি ব্রিজের এই রাস্তা। ব্রিজের এক কোনে রাস্তা ভাঙ্গে যাওয়ায় প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে ছোট খাট দূর্ঘটনা।  কুসুমহাটি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আজাদকে বাস্তার সচেতন তরুন সমাজ ব্যাপারটা অবহিত করে। কিন্তু দেড় মাস হয়ে গেলেও কোন ব্যবস্থা নেয় নি ইউনিয়ন পরিষদ। উল্টো টানা বর্ষনে রাস্তা আরো ভেঙ্গে যাওয়ার মতো অবস্থায় চলে এসেছে।

এই ব্যাপারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র কল্যান পরিষদ (দোহার-নবাবগঞ্জ) এর সভাপতি মিথুন হোসেন জয় নিউজ৩৯কে বলেন, পরানখালি ব্রিজ অতি ব্যস্ত একটি রাস্তা। এখন এই গর্তের জন্য ছোট খাট দূর্ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। অতি দ্রুত ঠিক না করলে যেকোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এই ব্যাপারে নিউজ৩৯ কুসুমহাটি ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আজাদের সাথে কথা বলে। তিনি বলেন, ব্যাপারটা আমি উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়কে জানিয়েছি। তারা এসে ব্রিজের পাশের গর্তটা দেখেও গেছেন। তারা অতি দ্রুত এটা মেরামত করার উদ্যোগ নিয়েছে। এই রাস্তাতো ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় না। তাই আমরা চাইলেও ব্যবস্থা নিতে পারি না। তবে তারা আমাকে বলেছেন অতি দ্রুত এই রাস্তা ঠিক করা হবে।

বাংলাদেশে এক লাখ ছাড়ালো করোনা আক্রান্ত সংখ্যা

১০৩তম দিনে এসে বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ছাড়াল। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন হাজার ৮০৩ জনের দেহে শনাক্ত হয়েছে এ ভাইরাস। ফলে করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ দুই হাজার ২৯২ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৩৮ জন। বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

বুলেটিনে ডা. নাসিমা জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭ হাজার ৩৪৯টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৬ হাজার ২৫৯টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে আরও তিন হাজার ৮০৩ জনের মধ্যে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ৩৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও এক হাজার ৯৭৫ জন।

করোনাইয় এই দেশে সর্বমোট মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ৩৪৩ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন, তাদের ৩১ জন পুরুষ এবং সাতজন নারী। হাসপাতা‌লে মারা গেছেন ৩১ জন এবং বাসায় মৃত্যু হয়েছে সাতজনের।

এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো পাঁচ লাখ ৬৭ হাজার ৫০৩টি।  ফলে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ দুই হাজার ২৯২ জনে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হলো সব মিলিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা এখন ৪০ হাজার ১৬৪ জন।

বৃহস্পতিবারের বুলেটিনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এ পর্যন্ত রোগী শনাক্ত বিবেচনায় ‍সুস্থতার হার ৩৯ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩১ শতাংশ।

দেশে কোয়ারেন্টাইনের জন্য ৬২৯টি প্রতিষ্ঠান প্রস্তুত রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সেবা দেয়া যাবে ৩১ হাজার ৯৯১ জনকে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানার বুলেটিন উপস্থাপনের আগে বক্তব্য রাখেন অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ। তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন জানিয়ে বলেন, আমাকে হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হয়েছে। সবার দোয়ায় আমি চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছি।

শুক্রবার থেকে নবাবগঞ্জে দোকানপাট খোলা থাকবে ২টা পর্যন্ত

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা সংক্রমনের হার। ইতিমধ্যে এই উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছে ২৩৮ জন। উপজেলাইয় ইতিমধ্যে চিহ্নিত হয়েছে ৫টি রেডজোন। এই পরিপ্রেক্ষিতে নবাবগঞ্জ উপজেলায় দোকান পাট খোলা রাখা নিয়ে হচ্ছে নতুন নিয়ম। শুক্রবার থেকে নবাবগঞ্জে দোকান খোলা রাখা যাবে দুপুর দুইটা পর্যন্ত। তবে, ওষুধের ফার্মেসীগুলো সর্বক্ষণ খোলা থাকবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ.এম সালাউদ্দীন মনজু।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ.এম সালাউদ্দীন মনজু বলেন, করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে নবাবগঞ্জে সকল দোকানপাট শুক্রবার থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে৷ এ নির্দেশনা কেউ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷

জানা গেছে, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি সকল ধরনের নির্দেশনার সাথে এবং করোনা মোকাবেলার জন্য উপজেলা প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তরুনদের ভাবনাঃ নিয়ম মেনে না চললে করোনা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে না

বিশ্বজুড়ে এখন সবথেকে বড় আতঙ্কের নাম করোনা ভাইরাস। বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এই ভাইরাসের আক্রমণে আজ থমকে দাঁরিয়েছে।২০২০ সালটা যেন পৃথিবী নামক গ্রহটির জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমার মতে এটি বিবর্তনের ফল। চার্লস ডারউইনের বিবর্তনতত্ত্বে বলা হয়েছে যোগ্যতমরাই পৃথিবীতে টিকে থাকতে পারে। covid-19 যেহেতু একটি সংক্রামক রোগ তাই এটি খুব সহজেই একজন মানুষকে আক্রমণ করতে পারে। এটিকে ভয় না পেয়ে নিজেদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলাচল করতে হবে। প্রয়োজন না হলে বাইরে যাওয়া যাবে না। অবশ্যই সাবান দিয়ে বার বার হাত ধুতে হবে। খাবার এর প্রতি খেয়াল রাখতে হবে এবং ভিটামিন সি যুক্ত ফলমূল খেতে হবে।

যদিও এখন আমাদের দেশে করেনা সংক্রমন দ্রুত বেড়েই চলেছে তারপরও আমাদের একটু সচেতনতা এই রোগ থেকে আমাদের মুক্তি দিতে পারে। covid-19 শুধু আর্থনৈতিক দিক থেকে আমাদের ধংস্ব করেনি আমাদের মতো ছাত্রছাত্রী দের জন্যও এটি ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি করছে।আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেহেতু বন্ধ সেক্ষেত্রে আমরা অনেকটা পিছিয়ে পরেছি। কিন্তু আমরা যদি নিজেরা নিজেদের পড়ালেখা নিয়ে সচেতন হই এটা আমাদের খুব বেশি সমস্যার সৃষ্টি করবে না। দোহার নবাবগঞ্জেও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ইতিমধ্যে বেড়েই চলেছে। আমি মনে করি এটা দোহার নবাবগঞ্জ বাসির অসচেতনতার ফল। আমরা যদি এখন থেকে কঠোরভাবে নিয়মগুলি মেনে চলি তাহলে দোহার নবাবগঞ্জ এ covid-19 রোগীর সংখ্যা আর বাড়বে না। আমরা খুব দ্রুত স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরে যেতে পারব।

নাঈমা জাহান নিটোল

পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

কলাকোপা, নবাবগঞ্জ, ঢাকা।

২২ দিন লড়াইয়ের পর মৃত্যুর কাছে হার মানলো তুমান মাহমুদ

২২ দিন লড়াই শেষ করে অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মানলো তুমান মাহমুদ(২৭)। আজ সকালে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে মৃত্যু বরন করেন। গত ২৬ মে তুমান মাহমুদ মাঝিরকান্দায় অটোর সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন। তুমান মাহমুদের বাড়ি দোহার পৌরসভার ইউসুফপুরে অবস্থিত।

গত 26 মে নবাবগঞ্জ এর মাঝিরকান্দায় তুমান মাহমুদের বাইকের সাথে ব্যাটারি চালিত অটোর সংঘর্ষ হয়। এই সময় আরো দুই জন আহত হলেও তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফেরত আসলেও গুরুতর অবস্থায় তুমান মাহমুদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় কর্তব্যরত চিকিৎসক। সেইখানে ৪ থেকে ৫ দিন আইসিইউ সংকটের কারনে তাকে বেডে রাখা হয়। পরে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। ২২ দিন পর মঙ্গলবার রাতে তার জ্ঞান দিরে। কিন্তু বুধবার সকাল ৬.৩০ মিনিটে সে মৃত্যুবরন করেন।

মাহমুদপুরে ঢাকা জেলা বিএনপির ত্রান বিতরন

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নে ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাকের পক্ষ থেকে দরিদ্র ও করোনায় অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের মাঝে ত্রান বিতরন করা হয়েছে। এই সময় মাহমুদপুর ইউনিয়নের ১০০০ পরিবারের মাঝে এই ত্রান সামগ্রী বিতরন করা হয়। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৯তম শাহাদাৎ বার্ষিকি উপলক্ষে ১৬ জুন এই ত্রান সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এই সময় খাদ্য সামগ্রী বিতরনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক এশভোকেট খন্দকার আবুল কালাম, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও দোহার উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক এস এম নজরুল ইসলাম মেছের।

এই ত্রান বিতরনে আরো উপস্থিত ছিলেন যুবদল নেতা খলিলুর রহমান, ইয়াকুব দেওয়ান, ছাত্রদলের সদ্যবিদায়ী সভাপতি জিএস সেন্টু ভূঁইয়া, তানভীর নিশু, সেলিম ওসমানসহ ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবকদল নেতাকর্মীরা।

নবাবগঞ্জে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ১৮ জন

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় নতুন করে ১৮ জন করোনা সংক্রমিত রোগী চিহ্নিত করা হয়েছে। ৩৭টি নমুনা থেকে নতুন করে ১৮ জনের করোনা সংক্রম হয়েছে। আর পুরাতন করোনা সংক্রমিত ২ জনের আবারো করোনা পজেটিভ এসেছে। এই নিয়ে নবাবগঞ্জে করোনা সংক্রমিতর সংখ্যা দাড়ালো ২৩৩ জন। নবাবগঞ্জ করোনা ইউনিটের ফোকাল পার্সন ডা হরগোবিন্দ সরকার অনুপ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নবাবগঞ্জ উপজেলায় প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা। নবাবগঞ্জ উপজেলায় এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত রোগী চিহ্নিত হয়েছে ২৩৩ জন। ১৪৯০ জন সম্ভাব্য রোগীর নমুনা পরীক্ষা করে এই রোগীদের চিহ্নিত করা হয়। এর মাঝে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩৪ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন ১৭৭ জন। এদের বেশিরভাগই বাসায় আইসোলেশন ও হোমকোয়ারেন্টাইনে আছেন। বর্তমানে রিপোর্ট আসে নি আরো ২৩৩ জনের। নবাবগঞ্জ উপজেলায় এখন পর্যন্ত করোনাইয় মৃত্যুবরন করেছেন ৪ জন।

তরুনদের ভাবনাঃ মানুষ সচেতন না হলে ভেঙ্গে পড়বে দোহার-নবাবগঞ্জের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে আলোচিত ও আশংকার একটি বিষয় হলো কোভিড -১৯।কোভিড- ১৯  হলো একটি নতুন ভাইরাস যা অতীতের সার্স ভাইরাস এবং কয়েক ধরনের সাধারণ সর্দিজ্বর জাতীয় ভাইরাসের পরিবারভুক্ত।অথচ ছয় মাস পূর্বেও এই নামটি আমাদের কাছে ছিল অপরিচিত।  কিন্তু এই অপরিচিত ক্ষুদ্র ভাইরাসটিই  বর্তমানে বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ মানুষের প্রাণনাশের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পর্যন্ত এই ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হয়ে মারা গেছে প্রায় সাড়ে চার লাখের মত মানুষ। প্রতিদিনই নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। যার প্রভাব বাংলাদেশে ও পড়েছে। আমাদের দেশেও প্রতিনিয়ত হু হু করে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা,সাথে বাড়ছে মৃত্যুসংখ্যাও। যে হারে প্রতিনিয়ত নতুন আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে তাতে আমরা অতি শীঘ্রই ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে যাচ্ছি তাতে কোন সন্দেহ নেই।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, আমাদের দোহার-নবাবগঞ্জ উপজেলার আক্রান্তের হার অন্যান্য জেলা গুলোর তুলনায় অনেক বেশি।আর প্রতিদিনই বাড়ছে নতুন সনাক্তের সংখ্যা।যা এ উপজেলার জন্য হুমকিস্বরূপ। দ্রুত  সাধারণ মানুষকে যদি সচেতন না করা যায় তাহলে হয়তো এ দু  উপজেলায় করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হবে। ভেঙ্গে পড়বে স্বাস্থ্যব্যবস্থা।

দোহার নবাবগঞ্জে যাতে এই ভাইরাস  আর বিস্তার ঘটাতে না পারে সেক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি  আমাদেরও কিছু করণীয় আছে।আমাদের মত তরুণ সমাজকে  এখনই কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এলাকা ভিত্তিক টিম গঠন করে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধিতে এগিয়ে আসতে পারি। সবাই যাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে সে ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করতে পারি।কেউ যাতে অপ্রয়োজনে ঘরের বাহির না হয়,আর দিনমজুর বা মধ্যবিত্তের যাতে খাদ্যব্যবস্থা সুনিশ্চিত হয় সেদিকে নজরদারী করতে সরকারকে সহায়তা করতে পারি। এভাবে অগ্রসর হলে হয়তো আমরা দোহার নবাবগঞ্জকে করোনামুক্ত করতে  পারবো অতিসহজেই ইনশাআল্লাহ।

“নাই নাই ভয়

হবে হবে জয়

খুলে যাবে এই দ্বার

প্রয়োজন শুধু সচেতনতার”

 

নাহিদুল দ্বীপ

তারুণ্য ফাউন্ডেশন

নয়াবাড়ি, দোহার,ঢাকা