করোনায় মারা গেলেন নুরুল ইসলাম বাবুল

সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগ্রুপ যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে সোমবার রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে (সাবেক অ্যাপোলো) তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও তিন মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তার মৃত্যুতে দেশের শিল্পখাতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বড় অসময় চলে গেলেন তিনি। করোনার সংকট কাটিয়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে তার মতো উদ্যোক্তার খুবই দরকার ছিল। এ সময়ে তার চলে যাওয়া দেশের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

গত ১৪ জুন নুরুল ইসলামের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। ওইদিনই তাকে এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। করোনায় তার কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশিষ্ট এই শিল্পোদোক্তার চিকিৎসায় এভারে কেয়ারের ডাক্তার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মাহবুদের নেতৃত্ব ১০ সদস্য বিশিষ্ট মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। এর বাইরে চীনের ৪ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং সিঙ্গাপুরের মাউন্ড এলিজাবেথ হাসাপাতালের ২ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে পরামর্শ দিয়েছেন।

তার স্ত্রী সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বর্তমান জাতীয় সংসদের এমপি সালমা ইসলাম। ছেলে শামীম ইসলাম যমুনা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মেয়ে রোজালিন ইসলাম, মনিকা ইসলাম এবং সনিয়া ইসলাম যমুনা গ্রুপের পরিচালক।

স্বাস্থ্যবিধি না মানায় দোহারে ১২ জনকে জরিমানা 

আজ শনিবার (১১ জুন) দোহার উপজেলার জয়পাড়া বাজারের বিভিন্ন স্থানে জনসাধারণের মুখে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দোহার উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। ঘরের বাইরে মাস্ক ব্যবহার না করার দায়ে ১২ জনকে অর্থদন্ড দেওয়া হয় একই সাথে যাদের মুখে মাস্ক ছিলো না তাদেরকে দোহার উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাস্ক দেয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সহকারি কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র দোহার থানা পুলিশের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় এই অভিযান পরিচালনা করেন।

নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, করোনা সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে সরকারের নির্দেশনা রয়েছে। এই নির্দেশনা অমান্য করায় ১২ জনকে ৩৬০০ টাকা অর্থদন্ড দেয়া হয়েছে। অভিযান চলমান থাকবে। এবং আপনেরা সবাই মাস্ক পরে বের হবেন।

ইসলামি শাষনতন্ত্র আন্দোলনের দোহার উপজেলা সভাপতির মৃত্যু

বাংলাদেশ ইসলামি আন্দোলনের দোহার উপজেলা শাখার সভাপতি ও কার্তিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন সহকারী প্রধান শিক্ষক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের শিকদার( কাদের মাস্টার)মৃত্যু বরন করেছেন। ঢাকার একটি হাসপাতালে তিনি মৃত্যু বরন করেছেন। আজ বাদ জোহর বিলাশপুর তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

সমাজসেবী আব্দুল কাদের শিকদার বেশ কিছুদিন ধরেই বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন।বুধবার রাতে তিনি স্ট্রোক করলে তাকে ঢাকায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই হাসপাতালেই তিনি গতকাল রাতে মৃত্যু বরন করেন। যে কোন শিক্ষামূলক ও সামাজিক সেবামূলক কাজে অগ্রভাগে ছিলেন। একটি মাদ্রাসা মক্তব প্রতিষ্ঠা করেছেন। একজন পল্লী চিকিৎসক হিসেবে যে কোন বিপদে আপদে এলাকার মানুষের পাশে ছিলেন।

নতুন রুপে সাজছে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

নতুন রুপে সাজছে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। দোহার-নবাবগঞ্জের স্বাস্থ্য সেবা খাতকে আরো উন্নত ও গতিশীল করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা ও ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমানের উদ্যোগের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে সাজছে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এরই মাঝে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যুক্ত হয়েছে প্রায় কোটি টাকার মেশিন।

দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ঢাকা দক্ষিনের পদ্মা পাড়ের এই উপজেলার সাধারন মানুষের জন্য সরকারী এই প্রতিষ্ঠানটি বেশ কিছু দিন ধরেই আস্থার জায়গা হয়ে আছে। দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা; দোহারেরই সন্তান ডা. জসিমউদ্দিনের ব্যবস্থাপনায় বেশ কয়েক বছর ধরেই মানুষের আস্থা তৈরি করতে পেরেছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৯ সালে সালমান এফ রহমান ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য হওয়ার পর এই অঞ্চলের যে উন্নয়নের ঘতি সঞ্চার হয়েছে তার ধারাবাহিকতায় দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল ৫০ শয্যায় উন্নত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যুক্ত হলো নতুন ইসিজি মেশিন,ডিজিটাল এক্সরে মেশিন এবং নিরাময় অযোগ্য যক্ষা সনাক্তকরন জিন এক্সপার্ট মেশিন। প্রায় কোটি টাকা মুল্যমান এই মেশিনগুলো সালমান এফ রহমানের প্রচেষ্টাতেই দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিনের সাথে এই মেশিনগুলো যুক্ত হওয়ায় দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবার মান আরো বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও রেড ক্রিসেন্ট এর মাধ্যমে ডিজি অফিস থেকে একটা নতুন করোনা ভাইরাস কালেকশন বুথ এসেছে।

তবে এই মেশিনের দ্বারা সাধারন মানুষের কাজে আশা নিয়ে অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন যে, সরকারি অফিসগুলোতে সেবা পাওয়াটা অনেক কঠিন। এতো টাকা দিয়ে এই মেশিন গুলো আনার পর এর সেবা যদি সাধারন মানুষ না পায় তাহলে তা আনার কোন দরকার নেই। সাধারন মানুষ যাতে এই মেশিন থেকে সেবা পায় সেটা তারা নিশ্চিত করতে বলেন।

এই ব্যাপারে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জসিমউদ্দিন বলেন, এই মেশিনগুলো দোহারের মানুষের কাজের জন্যই আনা হয়েছে। তারা যাতে এর সেবা পায় সেটা নিশ্চিত করা হবে।

প্রত্যাগত প্রবাসী আওয়ামী ফোরাম এর উদ্যোগে নবাবগঞ্জে প্রতিবন্ধীদের সহায়তা

প্রত্যাগত প্রবাসী আওয়ামী ফোরাম এর উদ্যোগে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার বক্সনগর ইউনিয়নের অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের কে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে। নবাবগঞ্জ উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি মোঃ বেলায়েত হোসেন স্বাধীন কমিশনার।

প্রবাসী অধ্যুষিত দোহার-নবাবগঞ্জের প্রচুর মানুষ প্রবাসে জীবন যাপন করছেন। মুলত এই প্রবাসীদের অর্থ দিয়েই এই প্রতিবন্ধী মানুষদের মাঝে সহায়তা করা হয়।

এই ব্যাপারে প্রত্যাগত প্রবাসী আওয়ামী ফোরামের সভাপতি ড. মো. আবু তালেব বলেন, প্রবাসী যারা আছেন তাদের ঘাম ঝড়ানো অর্থ দিয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলার প্রত্যঞ্চলে অসহায় প্রতিবন্ধীদের কে সাহায্য করার জন্য এই উদ্যোগ নিয়েছে তারা।  প্রত্যেক ইউনিয়নে তাদের এই কার্যক্রম থাকবে।

নবাবগঞ্জে নতুন করে করোনা শনাক্ত ৭; মোট আক্রান্ত ৩৩১

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় নতুন করে আরও ৭ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মোট ৩৩১ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২৩২ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে ৫ জন। নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. হরগোবিন্দ সরকার অনুপ করোনা শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

শুক্রবার সকালে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. হরগোবিন্দ সরকার অনুপ জানান, গত ৮ জুলাই ঢাকায় পাঠানো ১৬ জনের নমুনা থেকে নতুন করে আরও ৭ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হওয়া ৭ জনের চিকিৎসা-সহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে আক্রান্তদের স্বজনদের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে নির্দেশ দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ নিয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মোট ৩৩১ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২৩২ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে ৫ জন

জাতির ক্রান্তিলগ্নে অসহায় মানুষের পাশে আছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ – নির্মল গুহ

চীনের উহান প্রদেশে প্রথমে শনাক্ত হওয়া করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের সব দেশ ও অঞ্চলে। এতে প্রতিনিয়ত মৃতের সংখ্যা বাড়ছে, বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও। বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় ৮ মার্চ এখনো বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। এই করোনায় এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যা ছাড়িয়েছে দেড়লক্ষ,মৃত্যুর সংখ্যা ২ হাজার অতিক্রম করেছে।

বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার আগে থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা অত্যান্ত গুরুত্বসহ নজর দেন। তিনি নির্দেশ প্রদান করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি, এই মহামারীতে জনগণের পাশে দাঁড়াতে। তার নির্দেশে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের নব নির্বাচিত সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ এবং সাধারণ সম্পাদক এ কে এম আফজালুর রহমান বাবু একের পর এক, বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি গ্রহন করেন।

সর্ব প্রথম বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ সারাদেশের মানুষকে সচেতন করতে এবং আতংকিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে কেন্দ্রীয়ের রেকর্ডিং বার্তা সারাদেশে পৌঁছিয়ে দিয়েছেন। এরপর তারা বিনামূল্যে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরনের উদ্দ্যোগ গ্রহন করেন। সংগঠনটির সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ ও সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে বিতরনে অংশগ্রহণ করেন।

যখন সারাদেশে সরকারী সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো, কর্মহীন হয়ে পড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ সে সময় তারা ত্রান বিতরণ কর্মসূচি হাতে নেন ৷ কেন্দ্রীয় থেকে শুরু করে প্রতিটি জেলা, উপজেলা, প্রতিটি ইউনিটের নেতাকর্মী এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে। সংগঠনের সভাপতি নিয়মিত ঢাকা সহ, দোহার-নবাবগন্জ , চট্রগ্রামের অভিমুখে যাত্রা করে মাগুড়া,কুমিল্লা সহ বিভিন্ন স্থানে ত্রান বিতরণ করেন। সাধারণ সম্পাদক ঢাকার বিভিন্ন জায়গায়, কলাবাগান মাঠ,লেক সার্কাসের গলি, রাসেল স্কয়ার, এলিফ্যান্ট রোড,ঢাকা কলেজ,সাইন্সল্যাব সহ বিভিন্ন স্থানে অংশগ্রহণ করেন।

এই কর্মসূচিতে সংগঠনটির সাবেক সহ-সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক সদস্য ম.আব্দুর রাজ্জাক ছিলেন সবার থেকে ব্যাতিক্রম, সৃষ্টি করেছেন এক দৃষ্টান্ত। প্রচার বিমুখ এই মানুষ রাতের আধারে তার নিজ জেলা বগুড়ার সারিয়াকান্দী ও সোনাতলার প্রায় পাঁচ হাজার অসহায় মানুষের মাঝে ত্রান পৌঁছিয়ে দেন। সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু আইডল হিসেবে দেশব্যাপি পরিচিত পেয়েছেন ইতিমধ্যে।

সংগঠনের আরেক সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী মেসবাহুল ইসলাম সাচ্চু নিয়মিত ত্রাণ বিতরণ করে গেছেন মিরপুর, শেওয়াপাড়া সহ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে। এ ছাড়াও বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দর মধ্যে, মোবাশ্বের চৌধুরী, আব্দুল আলীম ব্যাপারী, সালেহ আহমেদ টুটুল, নাফিউল করিম নাফা, ফরিদুল হক ইরান, কে এম মনোয়ারুল ইসলাম বিপুল, আব্দুল আজিজ, মাহবুব হাসান, মহানগর দক্ষিন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন,সাধারণ সম্পাদক তারেক সাইদ, উত্তরের সভাপতি ইসহাক মিয়া, সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান নাইম সহ প্রতিটি ইউনিটের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদ, সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

জন্ম থেকেই বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা এদেশের অসহায় মানুষের পাঁশে দাড়িয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায়, করোনায় যেন কোন রোগীর পরার্মশ পেতে কোনো অসুবিধা না হয় সে জন্য ” হেলথ্ সেন্টারের” হটলাইন নম্বর যুক্ত করেন,যার নাম্বার হলো 09611999777। কোনো করোনা রোগীকে হাসপাতালে নিতে অ্যাম্বুলেন্সের প্রয়োজন হলে তার জন্য বিনামূল্যে “ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স” সেবা চালু করেন। যার মাঝে একটি লাশ বাহি অ্যাম্বুলেন্সও রয়েছে। এখনো এই সেবা চলমান, যে কোনো ব্যাক্তি চাইলেই এই দুইটা সেবা গ্রহন করতে পারবে।

রোজাদার ব্যক্তির মুখে ইফতারে পৌছায়ে দিতে নিরলস কাজ করে গেছে একদল স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকর্মী। যার মধ্যে অন্যতম এবং চোখে পরার মতো বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কেএম মনোয়ারুল ইসলাম বিপুলের কর্মসূচি।

লাশ দাফন করার জন্য সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ২৫ জনের একটি টিম গঠন করা হয়। যারা দেশের যেকোনো স্থানে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত রোগীর লাশের দাফন বা শেষকার্য্য পরিচালনা করছেন।

ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর ধান কাটার মানুষ পাচ্ছেন না, এ খবর জানা মাত্র ছুটেছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা। মুন্সিগঞ্জে ছুটে গেছেন সংগঠনটির সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ নিজেই।

জাতির এই ক্রান্তি লগ্নে মানুষ ও দেশমাতৃকার সেবায় কাজ করতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এই সংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী যার মধ্যে সভাপতি নিজেই,সাবেক প্রচার সম্পাদক শামিম শাহরিয়ার,সহ আরো বেশ কিছু নেতাকর্মী। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সহ সভাপতি সুলতান মাহমুদ মৃধা। বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা বেলায়েত হোসেন, চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন মানিক মিয়া।

করোনার বাহিরেও এইবার দেশের দক্ষিন অঞ্চলে আঘাতহানে ভয়াবহ ঘূর্নিঝড় “আম্পান”। দূর্গত এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সাতক্ষীরা যান স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রন্জন গুহ।

চিকিৎসা মেলেনি কোথাও; মৃত সন্তান জন্ম দিয়ে মারা গেলেন নবাবগঞ্জের সুমি

চিকিৎসা মেলেনি কোথাও, কোনও হাসপাতালেই পাননি চিকিৎসা। ঢাকা মেডিকেল কলেজ, মিটফোর্ড হাসপাতালসহ রাজধানীর বেশ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মৃত সন্তান জন্ম দিয়ে মারা গেলেন মা। ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের পাতিলঝাপ গ্রামের সুমি আক্তার(২২) মারা গেছেন মৃত সন্তান জন্ম দিয়েই। ৫ জুলাই রবিবার সকালে মারা যান সুমি।

 

ঢাকার নবাবগঞ্জের সুমি আক্তার (২২) প্রসব ব্যথা নিয়ে ঘুরেও চিকিৎসা নিতে পারেননি। উপজেলার শোল্লা ইউপির পাতিলঝাপ এলাকায় তার বাবার বাড়ি। স্বামীর বাড়ি নয়নশ্রীতে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, হাসপাতালগুলোতে ভর্তি না নেয়ার কারণে সুমি ও তার সন্তানকে পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হল।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সুমি তেত্রিশ সপ্তাহ বয়সের মৃত বাচ্চা গর্ভে ধারণ করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মিটফোর্ডসহ বিভিন্ন চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে যান। কিন্তু এ সব প্রতিষ্ঠান তার চিকিৎসাসেবা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন ও ভর্তি নেয় না। এর পর শনিবার সুমি ফিরে আসেন নবাবগঞ্জে।

 

এ সময় তার স্বজনদের ডাক্তার মোহাম্মদ হোসেন পরামর্শ দেন নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে সুমিকে ভর্তি করানোর জন্য। ডা. মোহাম্মদ হোসেন, ডা. হাসান আলী ওটি সিস্টার মিসেস সন্ধ্যা ভক্ত অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে বিকালে অপারেশন করেন। সুমি মৃত সন্তান প্রসব করেন। রাতে ডাক্তার প্রীতম দে এবং ডাক্তার হরগোবিন্দ সরকার রোগীর নিয়মিত খোঁজ নেন। কিন্তু তারপরও সুমিকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

 

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসক ডা. হরগোবিন্দ সরকার অনুপ বলেন, সুমির গর্ভ থেকে মৃত বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হয়। হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা সুমিকে বাঁচিয়ে রাখতে সব ধরনের চেষ্টা চালিয়েছেন। কিন্তু গত ৪-৫ দিন রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ঘোরাফেরা করার কারণে সুমির প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।

সরকার যা করার করেছে,বাকী কাজ জনগণকেই করতে হবে: নাজমুল হুদা 

করোনা প্রতিরোধে সরকার যা করেছে তা আমাদের মত সীমিত সম্পদের দেশে প্রশংনীয় কিন্তু তার পরেও কিছু মানুষ ও মিডিয়া সরকারী পদক্ষেপর সমালোচনা করে যাচ্ছে অবিবেচকভাবে। দেশে করোনা সনাক্ত হওয়ার পরপরই সরকার করোনা বিস্তার রোধে সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করায় করোনা বিস্তার অনেকটা রোধ করা গেছে।

মানুষকে সচেতন করতে মাস্ক পরতে, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে, সরকারী বেসরকারী সকল প্রচার ও সম্প্রচার মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করতে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু জনগণ যদি সচেতন না হয় তবে, শুধু সরকারী শত চেষ্টাতেও কোন শুভ ফল হবেনা।

 

আমাদের দেশের মানুষ অসচেতন এটা বলা অন্যায় নয়। সরকার করোনা বিস্তার রোধে সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করায় দেখা গেছে মানুষ দল বেধে বাড়ীর পথ ধরেছে।সাধারণ মানুষকে মাস্ক পরতে, ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে অনীহ দেখা যায়।মানুষ যদি করোনা স্বাস্থ্যবিধি ও হাচি-কাশি শিষ্টাচার না মানে, তবে করোনার বিস্তার রোধ করা যাবে না।

 

সরকার করোনার চিকিৎসার জন্য যথেষ্ট উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।আমাদের দেশে করোনার চিকিৎসার জন্য ১৪ হাজার বেড আছে, যাতে রোগী আছেন মাত্র চার হাজার। দেশে ৪০০ ডেন্টিলেটর আছে।কাজে লাগে মাত্র ৫০টি।৩৫০০টি পড়ে থাকে।

 

শুরুতে একটি টেস্ট ল্যাব ছিল।দুই মাসে ৬৮টি টেষ্টিং ল্যাব করে প্রতিদিন প্রায় ১৫-২০ হাজার মানুষকে পরীক্ষা করা হচ্ছে।

 

 

সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, সেবার জন্য হাসপাতাল তৈরী আছে। কিন্তু মানুষের সচেতনতার অভাব আছে।মানুষ যদি শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখে, তাহলে দেশে সংক্রমণ অনেক কমে যাবে।

করোনার সংক্রমণ শুরুর পর থেকেই কিছু কিছু এলাকায় লক-ডাইন করায় ভালো ফল পাওয়া যাওয়ায় সরকার আবার দেশকে রেড,ইয়োলো ও গ্রীন জোনে ভাগ করে লকডাউন চালু করেছে।এতে ভালো ফলও পাওয়া যাচ্ছে।

 

সরকার পেশেন্ট গাইড, লিফলেট, ব্যানার তৈরী করে প্রতিদিন প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে মানুষকে করোনা সম্পর্কে সচেতন করতে।দেশের সরকারী বেসরকারী সকল প্রচার ও সম্প্রচার মাধ্যম জনগণকে সচেতন করতে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। তার পরেও জনগণ সচেতন নাহলে করোনার বিরুদ্ধে সকল যুদ্ধই বিফল হবে।

 

তাই এখন মুলকথা হলো সরকার যা করা দরকার করেছে কিন্তু এখন বাকী কাজ করতে হবে জনগণকেই। কারণ সচেতন জনগণই পারে করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনে করোনাকে প্রতিরোধ করতে।

দোহারে মুখে মাস্ক নয়তো আইনের কঠোর প্রয়োগে প্রশাসন

বুধবার দোহার উপজেলায় করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্য বিধি অমান্য করায় জয়পাড়া বাজার, করম আলীর মোড় ও থানার মোড়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেছে দোহার উপজেলা প্রশাসন। এসময় ঘরের বাইরে মাস্ক ব্যবহার না করার দায়ে ২০ জনকে অর্থদন্ড দেওয়া হয়। একই সাথে যাদের মাস্ক ছিলো না তাদেরকে দোহার উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাস্ক পড়িয়ে দেয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সহকারি কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র দোহার থানা পুলিশের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় এই অভিযান পরিচালনা করেন।

নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, করোনা সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে সরকারের নির্দেশনা রয়েছে। এই নির্দেশনা অমান্য করায় ২০ জনকে অর্থদন্ড দেয়া হয়েছে। অভিযান চলমান থাকবে। মুখে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে নয়তো আইনের কঠোর প্রয়োগ করা হবে।