চিত্রনায়ক জসিমকে হারানোর ২২ বছর

ঢাকাই ছবিতে আবির্ভাব হয়েছিলেন খলনায়ক হিসেবে। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় নিজেকে তিনি প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নায়কদের একজন হিসেবে। বিশেষ করে অ্যাকশন নায়ক হিসেবে বাংলা চলচ্চিত্রে আজও তিনি কিংবদন্তি হয়ে আছেন চিত্রনায়ক জসিম। এই নন্দিত অভিনেতার ২২ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ,বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর)। ১৯৯৮ সালের এই দিনে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে মারা যান তিনি।

জসিমের আসল নাম আবদুল খায়ের জসিম উদ্দিন। জন্ম ১৯৫০ সালের ১৪ আগস্ট ঢাকার নবাবগঞ্জের বক্সনগর গ্রামে। লেখাপড়া করেন বিএ পর্যন্ত। ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে একজন সৈনিক হিসেবে তিনি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। দুই নম্বর সেক্টরে মেজর হায়দারের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে লড়েছেন তিনি। ১৯৭৩ থেকে তার অভিনয় জীবন শুরু। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি দাপটের সঙ্গে অভিনয় করে গেছেন। ঢাকার ছবিতে এই জসিমই নতুন ধারার মারপিট শুরু করেন। দেওয়ান নজরুল পরিচালিত ‘দোস্ত দুশমন’ ছবিতে প্রথম অভিনয়ের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্র জীবন শুরু হয়।

‘দোস্ত দুশমন’ হিন্দি ‘শোলে’ ছবির রিমেক। এখানে জসিম গব্বর সিং-য়ের খলনায়ক চরিত্রটি রুপদান করে ব্যাপক আলোচিত হন। এরপর খলনায়ক হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন একক রাজত্ব করেন ঢালিউডে। তারপর বেশ কয়েক বছর পর দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর পরিচালনায় ‘সবুজ সাথী’ চলচ্চিত্রে প্রথম নায়ক চরিত্রে অভিনয় করেন। জনপ্রিয়তার ধারাবাহিকতায় আশির দশকের প্রায় সকল জনপ্রিয় নায়িকার বিপরীতেই অভিনয় করেছেন এই অ্যাকশন অভিনেতা। তবে শাবানা-রোজিনা এর সাথে তার জুটিই সবচেয়ে দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। বিভিন্ন চলচ্চিত্রে তাকে শোষিত-বঞ্চিত মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে দেখা যেত তাকে।

জসিম অভিনয় দিয়ে মুগ্ধ করেছিলেন ‘রংবাজ’, ‘তুফান’, ‘জবাব’, ‘নাগ নাগিনী’, ‘বদলা’, ‘বারুদ’, ‘সুন্দরী’,‘কসাই’, ‘লালু মাস্তান’, ‘নবাবজাদা’, ‘অভিযান’, ‘কালিয়া’, ‘বাংলার নায়ক’, ‘গরিবের ওস্তাদ’, ‘ভাইবোন’, ‘মেয়েরাও মানুষ’, ‘পরিবার’, ‘রাজা বাবু’, ‘বুকের ধন’, ‘স্বামী কেন আসামি’, ‘লাল গোলাপ’, ‘দাগী’, ‘টাইগার’,‘হাবিলদার’, ‘ভালোবাসার ঘর’ প্রভৃতি সুপারহিট ছবিতে। সবমিলিয়ে প্রায় দুই`শ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি।

নায়ক জসিমই আবিষ্কার করেছিলেন আজকের নায়ক রিয়াজকে। ১৯৯৪ সালে রিয়াজ চাচাতো বোন ববিতার সাথে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (বিএফডিসি) ঘুরতে এসে জসিমের নজরে পড়েন। জসিম তখন তাকে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে জসিমের সাথে ‘বাংলার নায়ক’ নামের একটি ছবিতে ১৯৯৫ সালে অভিনয় করেন রিয়াজ।

জসিমের প্রথম স্ত্রী ছিলেন নায়িকা সুচরিতা। পরে তিনি ঢাকার প্রথম সবাক সিনেমার নায়িকা পূর্ণিমা সেনগুপ্তর মেয়ে নাসরিনকে বিয়ে করেন। জসিমের নামে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থার (বিএফডিসি) একটি ফ্লোরের নামকরণ হয়েছে।

জসিম প্রায় দুইশ’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-‘তুফান’, ‘জবাব’, ‘নাগ নাগিনী’, ‘বদলা’, ‘বারুদ’, ‘সুন্দরী’, ‘কসাই’, ‘লালু মাস্তান’, ‘নবাবজাদা’, ‘অভিযান’, ‘কালিয়া’, ‘বাংলার নায়ক’, ‘গরিবের ওস্তাদ’, ‘ভাইবোন’, ‘মেয়েরাও মানুষ’, ‘পরিবার’, ‘রাজা বাবু’, ‘বুকের ধন’, ‘স্বামী কেন আসামী’ ইত্যাদি।

যুবলীগ নেতা ও জয়পাড়া বাজার ব্যবসায়ী জহির বেপারী আর নেই

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলা যুবলীগের সদস্য ও জয়পাড়া বাজার বহুমুখী সমবায় সমিতির সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক জহির বেপারী (৪৫) ইন্তেকাল করেছেন। বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে হৃদযন্ত্রের ক্রীয়া বন্ধ হয়ে  ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন।  ( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বেশ কয়েকদিন ধরে বুকে ব্যথা অনুভব করে বুধবার সকালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হন জহির । সে দোহারের সুতারপাড়া ইউনিয়নের বানাঘাটা এলাকার মৃত কুব্বাত বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে স্ত্রী,দুই ছেলে এক মেয়েসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে যান তিনি।

জহিরের এমন অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো.আলমাস উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান আকন্দসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মী ও জয়পাড়া বাজার বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন মাঝি।

রুহিতপুর-গুলিস্থান রোডে বাসের অভাবে দুর্ভোগে যাত্রীরা

 

গুলিস্তান থেকে ৫০ কিলোমিটার দুরত্বের নবাবগঞ্জের বাস ভাড়া ৭০ থেকে ৮০ টাকা, আর এর চেয়ে ২০ কিলোমিটার কম দুরত্বের কেরানীগঞ্জের কোনাখোলা, রামেরকান্দা, রুহিতপুরের ভাড়াও তাই! অর্থাৎ ৫০ কিলোমিটার দুরত্বের নবাবগঞ্জে বাস ভাড়া ৭০ টাকা হলে ১০ কিলোমিটার দুরত্বের কেরানীগঞ্জে ভাড়া হওয়া উচিৎ মাত্র ২০ টাকা। কিন্তু ২০ টাকার ভাড়া ৫০ টাকা দিয়ে চলাচল করতে হয় কেরানীগঞ্জবাসীর।

অথচ কেরানীগঞ্জের বুক চিরে এই রাস্তা চলে গেছে ঢাকায়। এটাত শুধু গুলিস্তান থেকে ফেরার কথা, যাওয়াটা আরও মুশকিল! নবাবগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা বাসগুলোতে এই এলাকার যাত্রীদের উঠা নিষেধ! তবে কোন মতে উঠা গেলেও আদায় করা হয় সমান ভাড়া সাথে বাসে থাকা যাত্রীদের নানা বকাঝকা। পাবলিক বাসগুলোর এই বৈষম্য নীতিতে বাধ্য হয়েই সিএনজি এবং ভাঙাচুরা নিলয় পরিবহনে চড়ে চলাচল করে কেরানীগঞ্জের যাত্রীরা। নবাবগঞ্জ এবং দোহার উপজেলার জন্য কেরানীগঞ্জ রোডে কয়েকশত সরকারি-বেসরকারি বাস থাকলেও কেরানীগঞ্জবাসীর জন্য নেই একটির সুবিধা।

তাই এই সুযোগে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে সিএনজি এবং নিলয় পরিবহনের চালক ও মালিকরা। লাখিরচর, নতুন সোনাকান্দা বিসিক শিল্পনগরী/ রুহিতপুর থেকে থেকে সিএনজিতে কদমতলী যেতে খরচ ৫০/৬০ টাকা যা নবাবগঞ্জবাসীর গুলিস্তান যাওয়ার প্রায় কিছুটা খরচ বাড়ালে নবাবগঞ্জ এর ভাড়া হয়ে যায় । আর রুহিতপুর থেকে নিলয় পরিবহনের ভাড়া ৩৫ টা হলে অতিরিক্ত যাত্রী সাথে ভাড়ি মালামাল বহনের কারণে মাঝেমধ্যেই ঘটে দুর্ঘটনা। ঢাকা শহরের কাছাকাছি বসবাস করা লোকজন সিএনজি-অটোরিকশায় চলাচল করতে পারলেও দুর্ভোগের শেষ নেই রুহিতপুর, কলাতিয়া এবং হযরতপুরবাসীর। তাই এই এলাকাবাসীর দাবী একটাই, কেরানীগঞ্জে পাবলিক বা সরকারি বাস চাই।

কেরানীগঞ্জের শাক্তার বাসিন্দা সিকদার সাইফুল্লাহ নিউজ৩৯কে বলেন, আমাদের যায়গা দিয়ে বাস চলে অথচ আমাদের জন্য বাসে কোন সীট থাকেনা আর তেমন কোন সুবিধা পাইনা। দোহার- নবাবগঞ্জের প্রতিটি বাসে রুহিতপুর, রামেরকান্দা, শাক্তার জন্য অন্তত ৫/১০ টি করে আসন সংরক্ষণ করা হলে এই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। আমরা ন্যায্য ভাড়ায় বাস সার্ভিস চাই। অথচ এর চেয়ে কম খরচে এবং আরামে নবাবগঞ্জ-দোহারের মানুষ কোর্টে আসে। আমরা কেরানীগঞ্জের বাসিন্দা হয়েও যেনো বতির নিচে অন্ধকারে আছি।

পরিবহন ব্যবসায়ী মন্টু মিয়া নিউজ৩৯কে জানান, আমরা কেরানীগঞ্জের বিসিক শিল্পনগরী থেকে দোতালা বিআরটিসি বাস সার্ভিস চালু করেছিলাম। যাত্রীদের অসহযোগিতা, অতিরিক্ত সিএনজি সর্বপরি নবাবাগঞ্জের কিছু লোকের কারণে লাইনটি টিকিয়ে রাখা যায়নি। ৬০ লক্ষ টাকা লোকসান দিয়ে ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছি। এর আগেও কয়েকটি বাস সার্ভিস এসে টিকতে পারেনি এই রোডে। কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা পেলে রোডটি আবারও চালু করা যাবে।

এব্যাপারে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ নিউজ৩৯কে বলেন, রুহিতপুর থেকে গুলিস্তান রোডে খুব শীগ্রই গণপরিবহন চালু হবে। কেরানীগঞ্জবাসীর স্বার্থে আশা করছি এক সপ্তাহের মধ্যেই বাসগুলো চালু হবে।

ধর্ষণের প্রতিবাদে দোহারে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

সারাদেশে একের পর এক ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে এবং এর সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে ঢাকার দোহারের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থী, দোহার- নবাবগঞ্জের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা ও  জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচির আয়োজন করেন।

সকালে শিক্ষার্থীরা ধর্ষণবিরোধী শ্লোগান সম্বলিত কয়েকটি প্লাকার্ড নিয়ে উপজেলা রতন চত্ত্বর এসে অবস্থান নেয়। পরে শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল করে সবাইকে নিজ নিজ স্থান থেকে প্রতিবাদ ও ধর্ষকদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। এসময় ধর্ষণের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদন্ডের দাবি করেন তারা।

জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার ও মীম আক্তার বলেন, স্বাধীন দেশের এই মানচিত্রে আমাদের মা-বোন আজ নিরাপদ নেই। প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও নির্যাতন, ধর্ষণ কিংবা শ্লীলতাহানির শিকার হচ্ছেন নরপশুদের হাতে। ধর্ষকদের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান তারা।

এই মিছিলে সংহতি প্রকাশ করে দোহার উপজেলা ছাত্রলীগ, জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলী্‌গ, দোহার উপজেলা ছাত্রদল ও  জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদল।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক রাজীব শরীফ, জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি পান্নু চোকদার, সাধারন সম্পাদক আব্দুর রহমান শান্ত ও কাটাখালি মিছের খান উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. জামান সহ আরো অনেকে ।

দোহারে জন্ম নিবন্ধন দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা পালিত

ঢাকার দোহারে জাতীয় জন্ম নিবন্ধন দিবস- ২০২০ উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের এ দিবসটির প্রতিপাদ্য-“নাগরিক অধিকার করতে সংরক্ষণ। ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন এ ধারাবাহিকতা সামনে রেখে আজ মঙ্গলবা(০৬অক্টোবর) দোহার উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে জাতীয় জন্ম নিবন্ধন দিবস- ২০২০ উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন। এই অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলার নির্বাহী অফিসার এ এফ এম ফিরোজ মাহমুদ।

সভা পরিচালনা করেন সহকারি কমিশনার জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র। এই সময় তিনি বলেন,দোহারে যত হাসপাতাল ও সাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং যতটি কমিউনিটি ক্লিনিক আছে এরা যদি মাসে কতটি শিশু জন্ম গ্রহণ করলো তার তথ্য একটি প্রতিবেদন জমা দেয় তাহলে জন্ম নিবন্ধনের সমস্যা দূর হবে। এসময় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলর সহ সচিবদের জন্ম ও মৃত্যু সনদের সমস্যা গুলো তুলে ধরেন।

দোহার উপজেলার নির্বাহী অফিসার এ এফ এম ফিরোজ মাহমুদ বলেন, দিবসটি পালন করার উদ্দেশ্য জন্ম সচেতনতা বৃদ্ধি, ২০০৪ সালে জন্ম নিবন্ধন আইন হয়েছে পরর্বতীতে সংশোধনী হয় ২০১৩ সালে,বর্তমানে সেই আইনটি বলবৎ রয়েছে। আজ থেকে প্রায় ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে আইন হয়েছে, সে পর্যায়ে আমরা সচেতন না।যখন আমাদের কর্ম ক্ষেত্রে প্রোজন হয় তখন করে নেয় এতে সমস্যা তৈরি হয়।

ফিরোজ মাহমুদ আরো বলেন,যেহেতু আমাদের সরকারি আইন রয়েছে আইনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে তাই ৪৫দিনের মধ্যে বাস্তবায়ন ও সচেতন করতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী বলেন,আমাদের বাঙ্গালিদের মধ্যে কিছুটা সচেতনতার অভাব রয়েছে, সবাই পরিবর্তন হচ্ছে, আমরা পরিবর্তন হচ্ছি,সরকার পরিবর্তনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে, জন প্রতিনিধিরা চেষ্টা করছে, সময় লাগবে আমাদের সময় দিতে হবে, যদি জন্ম তারিখ বা মৃত্যু ঠিক না থাকে তাহলে সঠিক ভাবে তদন্ত করে সনদ দিতে হবে এবং চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের সঠিক তথ্য নিয়ে কাজ করতে হবে।

ফিরোজ মাহমুদ বলেন, ৪৫দিনের মধ্যেই যে জন্ম সনদ করতে হবে এরকম কোন আইন নেই তবে সরকারি নির্দেশনা আছে, তবে ৪৫ দিনের মধ্যেই জন্ম নিবন্ধন হতে হবে,যদি কেউ ভুল তথ্য দিয়ে বা সনদ কারি কোন ভুল তথ্য দেয় সেক্ষে দুজনেরই শাস্তি ও জেল জরিমানা হবে এবং সবার জন্য ডাটাবেজ বা সম্বলিত ডাটাবেজ হচ্ছে এটা দিয়ে যাচাই করা যাবে কেউ একই নাম বা পিতার নামে ডাটাবেজ আছে কিনা।

এসময় তিনি আরো বলেন, শিশু জন্ম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে দায়িত্ব যে চেয়ারম্যানদের তা নয়, দায়িত্ব আমাদের সবার, এক্ষেত্রে মাধ্যমিক পর্যায়ে, শিক্ষা পর্যায়ে,মাতৃত্ব কালিন ভাতা পর্যায়ে কাজ করছি।আমরা কোন ভাবেই যাচাই বাছাই না করে কোন জন্ম সনদ বা মৃত্যু সনদ দেয়া হবে না।

এ এফ এম ফিরোজ বলেন,আমাদের বিশেষ করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও অধিদপ্তর মাধ্যমে ফ্যামিলি প্যালেনিং এর জন্য মাঠ পর্যায়ে কর্মীরা রয়েছে, সবার এবিষয়ে দায়বদ্ধতা রয়েছে এবং যে শিশুদের টিকা দেয়া হয় তাদের দ্বিতীয় টিকা দেয়ার আগে জন্ম সনদের জন্য বলে দিতে হবে, এতে সমস্যার সমাধান হবে।

দোহারের নতুন কলেজ কোঠাবাড়ি কলেজের প্রভাষক নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের শিলাকোঠা গ্রামের কোঠাবাড়ি কলেজর প্রভাষক নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে কলেজ কৃর্তপক্ষ। আজ সারাদেশের বিভিন্নস্থান থেকে আসা প্রায় ১০০জন আবেদন প্রার্থী প্রভাষক পদের জন্য লিখিত ও ভাইবা পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষার বিষয়গুলো হলো ইংরেজি, রসায়ন,পদার্থ, বাংলা, আইসিটি, ইসলামের ইতিহাস, পৌরনীতি, সমাজকর্ম, ইসলাম শিক্ষা, জীব বিজ্ঞান, উচ্চতর গনিত, হিসাব বিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা ও কৃষিশিক্ষা। নিয়োগ পরীক্ষার প্রথম অর্ধে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। এরপর নেয়া হয় ভাইভা। কলেজের সভাপতি এডভোকেট রমজান আলি শিকদার বলেন, আমরা এই কলেজটা অনেক পরিশ্রম দিয়ে দাঁড় করিয়েছি। আমরা চাই ধীরে ধীরে এই কলেজটা বিশ্ববিদ্যালয় রুপান্তর করবো ইনশাআল্লাহ। আমরা আস্তে আস্তে এই কলেজটাকে অনেক দূরনিয়ে যাবো আশাকরি।
সে সময় উপস্থিত ছিলেন কলেজের অর্ধক্ষ্য, সভাপতিসহ গভারনিং বডির সদস্য বৃন্দ।

উল্লেখ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ কোঠাবাড়ী কলেজের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপনের মাধ্যমে দোহারের শিক্ষাঙ্গণে নতুন ঠিকানা সৃষ্টি হয় দোহারের পশ্চিম অঞ্চলের মানুষের স্বপ্নের ‘কোঠাবাড়ী কলেজ’-এর শেকড়। কোঠাবাড়ি কলেজ নামে সাইনবোর্ড স্থাপনের মধ্য দিয়ে ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার শিক্ষাঙ্গণে যুক্ত হল আরেকটি নাম, আরেকটি ঠিকানা। নামকরণের সাইনবোর্ড স্থাপনের শুভদিনে শেকড় থেকে শিখরে পৌঁছার অঙ্গীকার সবার মুখে।

দোহার উপজেলার পশ্চিমাঞ্চলের ইউনিয়ন কুসুমহাটি, মাহমুদপুর, নয়াবাড়ি এবং জয়কৃষ্ণপুরের অধিকাংশ মানুষ নদী ভাঙনে সর্বস্ব হারিয়ে যখন বেঁচে থাকার যুদ্ধে অবতীর্ণ, সেখানে সন্তানের উচ্চ শিক্ষার খরচ যোগান দেয়া তো আরও কষ্টসাধ্য। আর সে শিক্ষার জন্য যদি যেতে হয় দূরের কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে তাহলে তো মরার উপর খাড়া ঘাঁ’য়ের মতো অবস্থা। এমন প্রেক্ষাপটে উচ্চ শিক্ষা থেকে ঝরে পরে বা বঞ্চিত হয় অনেক শিক্ষার্থী। জড়িয়ে পড়ে অপরাধমূলক বিভিন্ন কর্মকান্ডেও।

এমন অবস্থা থেকে উত্তরনের কথা চিন্তা করে দোহার উপজেলার পশ্চিমাঞ্চলের দুই শিক্ষানুরাগী বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট বার এসোসিয়েশনের সাবেক কোষাধ্যক্ষ এডভোকেট রমজান আলী শিকদার ও ওর্য়াল্ড ওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন সেক্টরের সাথে সংযুক্ত ও গ্রামীনফোনের সাবেক পরিচালক এবং বর্তমানে রবি আজিয়াটার এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কর্মরত ইঞ্জিনিয়ার এম এ খান সোহেল। স্বপ্ন দেখেন পশ্চিমাঞ্চলে একটি কলেজ করার। শুরু হয় সবার সাথে আলোচনা। নয়াবাড়ি, কুসুমহাটি ও মাহমুদপুরের সাথে নবাবগঞ্জ উপজেলার জয়কৃষ্ণপুর, শিকাড়ীপাড়া এবং বারুয়াখালী ইউনিয়নের সকল শিক্ষানুরাগী ও গন্যমান্য ব্যক্তিরাও একমত পোষণ করেণ তাদের সাথে। যার ধারাবাহিকতায় প্রবল বর্ষণ উপেক্ষা করে সকলের স্বরস্ফুর্ত উপস্থিতিতে নামকরণের সাইনবোর্ড স্থাপণ করা হয় বুধবার বিকেলে। শিলাকোঠা মৌজার অন্তত ১৫ থেকে ২০ বিঘা জমি নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হবে কলেজটির মূল ক্যাম্পাস। যার মধ্যে ১১ বিঘা জমি ইতোমধ্যে ক্রয়ের প্রক্রিয়া অনেকটা চুড়ান্ত।

নবাবগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় চুড়াইন ইউনিয়নের মুন্সীনগর গ্রামে পানিতে ডুবে মাহিয়া (৬) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মাহিয়া মুন্সীনগর গ্রামের বাদশা মিয়ার মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে বড় বোনের সঙ্গে মাহিয়া স্থানীয় খালের পাড়ে মসজিদের ঘাটে গোসল করতে যায়। মাহিরার বড় বোন তাকে ঘাটে বসিয়ে রেখে খালের মধ্যে থাকা ড্রেজারে ওঠে লাফালাফি করে গোসল করতে থাকে। এ সময় মাহিয়া খেলতে খেলতে পানিতে পড়ে ডুবে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা খাল থেকে মাহিয়াকে উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।
এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক রুহুল আমিন টিপু বলেন, শিশুটিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে এসে ছিল।

নবাবগঞ্জে নবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় আলালপুর গ্রামে পিংকি আক্তার @ লাখি (২০) নামে এক নবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত লাখি উপজেলার পুরাতন বান্দুরা এলাকার মো. আলী বেপারীর মেয়ে।
লাখি’র বড় ভাই রানা বেপারী জানান, রাত ১১ টা ২০ মিনিটে লাখির স্বামী ফাহিম সিকদার(২২) আমার বোন আফরোজা আক্তার রানী’র কাছে ফোন করে জানায়, লাখি মারা গেছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে আমি ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা আলালপুর লাখির স্বামীর বাড়িতে পৌঁছে দেখি মৃত লাখির লাশ খাটের ওপর রাখা। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও তিনি জানান। পরিবারের দাবি লাখিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
এই বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার এস আই মহিদুল ইসলাম বলেন, লাশ ময়না তদন্তের জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নবাবগঞ্জে যুবককের রহস্য জনক মৃত্যু

নবাবগঞ্জ উপজেলার নয়নশ্রী ইউনিয়নের চর শৈল্যা গ্রামের জাকির হোসেন নামে এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওই পরিবারের। বুধবার নিহত যুবককে অজ্ঞাত এক ব্যাক্তি ফোন করে ঢেকে নেয় দুবৃত্তরা। এরপর পাশের এলাকার খেজুর বাগ বালুর মাঠ থেকে বিকেলে অজ্ঞান অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরিবারের লোকজন চিকিৎসার জন্য নবাবগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের চিকিৎসক তার অবস্থার বেগতিক দেখে দ্রুত মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। এরপর মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসা অবস্থায় আজ সকালে মৃত্যু বরন করেন জাকির। কতোয়ালী থানার এসআই কিরন জানান, জাকিরের মৃত্্যুটি রহস্য জনক মনে হচ্ছে। নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে চিকিৎসাপত্র দেখে মনে হচ্ছে পয়জন জনিত কারণে তিনি মৃত্যু বরণ করেছেন। মৃত্যুর কারণ জানতে পোস্ট মর্টেম করতে দেয়া হয়েছে। পোস্ট মর্টেম রিপোর্ট পেলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। নিহতের স্ত্রী বলেন, আমার স্বামী প্রতিদিনের মতো বুধবার মটর সাইকেল নিয়ে বের হন। কার যেন ফোন পেয়ে বাসায় থেকে বের হন। বিকালে জানতে পারি আমার স্বামী জাকির খেজুরবাগ বালুর মাঠে পড়ে আছে। অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করালে আজ মৃত্যু বরন করেন। আমার স্বামীর মৃত্যু আমার কাছে স্বাভাবিক মনে হচ্ছে না। পুলিশ তদন্ত করলে এর রহস বের হয়ে যাবে। আমি আমার স্বামী হত্যার বিচার চাই।
এ ব্যাপারে নবাবগঞ্জ থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম শেখ বলেন, ঘটনার তদন্তে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত কিছু পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

নতুন নিয়োগ প্রাপ্ত ওসির সাথে দোহার প্রেসক্লাবের সৌজন্য সাক্ষাত

সদ্য নিয়োগ প্রাপ্ত দোহার থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেছে দোহার প্রেসক্লাব। দোহার প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে এইসময় সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ওসি মোস্তফা কামালকে ফুলের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয়েছে। দোহার উপজেলার আয়েশা শপিং কমপ্লেক্সে বিবিসি নিউজ৭১ এর কার্যালয়ে এ শুভেচ্ছা দেওয়া হয়। বুধবার সন্ধ্যায়, দোহার প্রেসক্লাবের উদ্যোগে নবাগত থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামালকে ফুলের শুভেচ্ছা দেওয়া হয়।

এই সময় ওসি মোস্তফা কামাল বলেন, দোহার থেকে ৫ টি জিনিষ ধ্বংষ বা শেষ করার অঙ্গিকার নিয়ে আমি যোগদান করেছি। সে গুলো হচ্ছে, দূর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য, থানা দালাল মুক্ত, মাদক ও ভূমিদস্যু। আমি এ গুলো এ উপজেলা থেকে উচ্ছেদ করতে চাই। এর জন্য সাংবাদিকদের সহযোগীতা আমার একান্ত প্রয়োজন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দোহার প্রেসক্লাবে সভাপতি কামরুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান টিপু, নিউজ ৩৯ এর সম্পাদক তারেক রাজীব, দৈনিক তৃতীয় মাত্রার মোঃ জাকির হোসেন, দৈনিক জনতার মহিউল ইসলাম পলাশ, দৈনিক আস্থার শরীফ হাসান মিয়া, নিউজ ৩৯ এর মোঃ আল-আমিন হোসেন, আরডিসির মোঃ মুকিম হোসেন,  সাপ্তাহিক এশিয়া বার্তার আলমগীর হোসেন, জুবায়ের হোসেন ও ওসি তদন্ত আরাফাত হোসেন প্রমূখ।