নবাবগঞ্জে তিন মাটি ব্যবসায়ীকে দুই লাখ টাকা জরিমানা

ঢাকার নবাবগঞ্জের জয়কৃষ্ণপুর ও বক্সনগর ইউনিয়নে অবৈধভাবে কৃষি জমির মাটি কাটার দায়ে তিন মাটি ব্যবসায়ীকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার বক্সনগর ইউনিয়নের দিঘীরপাড় চকে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অরুণ কৃষ্ণ পাল। এসময় বক্সনগর ইউনিয়নের দীঘিরপাড় চকে শাকিল ও সুমন বেপারী নামে দুই মাটি ব্যবসায়ীকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। রাতে জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে এক মাটি ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অরুণ কৃষ্ণ পাল জানান, অনুমতি ছাড়া কৃষি জমির মাটি কাটা সম্পূর্ণ নিষেধ। অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে তিন ব্যবসায়ীকে দুই লাখ টাকা অর্থদন্ড দেওয়া হয়েছে। এই অভিযান চলমান থাকবে বলে জানান তিনি।

নবাবগঞ্জের সড়কের কাজ পরিদর্শন করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা হতে জয়কৃষ্ণপুরের প্রধান সড়কের কাজ পরিদর্শন করেন,নবাবগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু।

বৃহস্পতিবার ২৯শে এপ্রিল সড়কের কাজের
গুনগত মান ও অগ্রগতি বিষয় পর্যবেক্ষণ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার বাবু তরুন কুমার বৈদ,ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তাবির হোসেন খাহন পাভেল, আওয়ামীলীগ নেতা ফয়েজ আল মাসুদ টুটুল, একেএম মনিরুজ্জামান তুহিন (সদস্য আহবায়ক কমিটি) নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ অন্যান্য অফিসার ও নেতৃবৃন্দ।

দোহারে মাস্ক না পরায় ১৪ জনকে অর্থদণ্ড

ঢাকার দোহার উপজেলায় সরকার ঘোষিত লকডাউনে সরকারি নির্দেশ অমান্য করায় ১৪ জনকে অর্থদণ্ড প্রদান করেছে দোহারের ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ শুক্রবার সকালে সারা দেশের ন্যায় ঢাকার দোহার উপজেলায় সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন কার্যক্রমকে বাস্তবায়ন করতে দোহার উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অভিযান চালান সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র। দোহার উপজেলার থানার মোড়, রতন চত্বর ও জয়পাড়া বাজার এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন এবং নিদিষ্ট সময়ের পর দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখা এবং স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এই মর্মে সকলকে সর্তক করা হয়।
এ সময়ে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনে সরকারি নির্দেশ অমান্য করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত সংক্রামণ রোগ ২০১৮-এর ২৪ ধারায় ১৪টি মামলায় ২৯০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অভিযানে সহযোগিতা করেন দোহার থানা পুলিশ।

সে সময় দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল বলেন, আপনারা সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন। সামাজিক দুরত্ববজায় রাখবেন এবং মাস্ক পরবেন।

দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন,
প্রতিদিন ই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দোহারে বৃদ্ধি পাচছে। স্বাস্থ বিধি না মানলে দোহার উপজেলা প্রশাসন কঠোর হতে বাধ্য হবে।

নবাবগঞ্জের বান্দুরা বাজারে আগুন

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় অগ্নিকান্ডে সারিবদ্ধ করে রাখা এন মল্লিক পরিবহনের দশটি বাস ও পনেরোটি দোকান পুড়ে গেছে। আজ বুধবার সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার বান্দুরা বাস স্ট্যান্ড এলাকায় অগ্নিকান্ডের এ ঘটনা ঘটে। শেখ। স্থানীয়দের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট দুপুর একটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

খবর পেয়ে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ দক্ষিণ) হুমায়ন কবির, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম সালাহউদ্দিন মনজু, ফায়ার সার্ভিস ঢাকা জোন-৫ এর উপপরিচালক হাফিজুর রহমান, দোহার সার্কেলের এএসপি জহিরুল ইসলামও  নবাবগঞ্জ থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

নবাবগঞ্জ থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম শেখ জানান, সকালে বান্দুরা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন চুন্নুর তেলের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে আমাদের প্রাথমিক ধারনা। মুহূর্তের মধ্যে সে আগুন আশেপাশেসহ কয়েকটি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে এবং লকডাউনের কারণে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বাস স্ট্যান্ডে সারিবদ্ধ করে রাখা এন মল্লিক পরিবহনের ১০ টি বাস আগুনে পুড়ে যায়। সংবাদ পেয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ ও দোহার ও কেরানীগঞ্জের ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে প্রায় দের ঘন্টা প্রচেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আগুনের সূত্রপাত নিয়ে ফায়ার সার্ভিস ঢাকা জোন-৫ এর উপ-সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে জানান, কিভাবে আগুনের সূত্রপাত, তদন্তের আগে তা বলা যাবে না। তদন্ত করে জানতে পারব কিভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়।

স্থানীয়রা জানান, সকালে ওই এলাকায় নদীর পাড়ের ময়লার স্তুপ পোড়ানোর জন্য কেউ আগুন দেয়। সে আগুন আস্তে আস্তে মুরসালিনের তেলের দোকানে এসে লাগলে আশেপাশের দোকানগুলোসহ সারিবদ্ধ করে রাখা এন মল্লিকের বাসগুলোতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

এদিকে এন মল্লিক পরিবহনের কর্ণধার নার্গিস মল্লিকের দাবি ঘটনাটি পরিকল্পিত। ষড়যন্ত্রকারীরা ফেসবুকে লিখেছিল এন মল্লিকের সব কয়টি গাড়ি জ্বালিয়ে দিন। তারাই ষড়যন্ত্র করে গাড়িতে আগুণ দিয়েছে। তারা আমাকে গাড়ি সরাতে বলেছিল, আমি গাড়ি সরাই নাই তাই তারা আগুন লাগিয়েছে।

এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন নবাবগঞ্জ থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

দোহার-নবাবগঞ্জে ১ কেজি চালের দামে ১ কেজি তরমুজ

ঢাকা জেলার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ। যার ফলশ্রুতিতে এক সময়ের সকল শ্রেণীর মানুষের ফল হিসাবে পরিচিত এই ফলটি হয়ে গেছে শুধু উচ্চবিত্ত শ্রেণীর ফল। কৃষকদের কাছ থেকে ৩০ থেকে ১০০ টাকা পিস হিসাবে কিনে আনা তরমুজ গত কয়েকদিন ধরে হটাত করেই বিক্রি হচ্ছে কেজি হিসাবে। অথচ ১০ রোজা পর্যন্ত তরমুজের বাজার স্বাভাবিকই ছিল। হটাত করে এই বিক্রির ধরন বদল ও দাম বৃদ্ধির কারন হিসাবে বাজার সিন্ডিকেটকেই দায়ি মনে করছেন সাধারন মানুষ।

যে পদ্ধতিতে ক্রয় সেই নিয়মেই পণ্য বিক্রির বিধান রয়েছে ভোক্তা অধিকার আইনে। কৃষক থেকে পাইকাররা পিস হিসাবে তরমুজ কেনেন। পাইকার দাবি অনুযায়ী তারাও ঠিক একইভাবে বিক্রি করেন খুচরা বিক্রেতাদের কাছে। কিন্তু খুচরা বিক্রেতারা আইনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ও অবৈধ মুনাফা লুটার জন্য তরমুজ বিক্রি করছেন কেজিতে। ফলে ১০ রোজার সময় ১০ কেজি ওজনের যে তরমুজটার দাম ছিল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। সেই তরমুজটার দাম হটাত করেই লাফ দিয়ে বেরে হয়েছে ৬০০ টাকা। এই দ্বিগুন দামের কারন খোলসা করে বলতে পারেন নি কোন ক্রেতারা। দাম বৃদ্ধি পেলে পন্যের যোগান কমে যাওয়ার কথা থাকলেও বাজারে তরমুজের কোন অভাব নেই। চাহিদার তুলনায় যোগানের পরিমান বেশি থাকলেও কেন এই দাম বৃদ্ধি তার কোন ব্যাখ্যা অর্থনীতির ভাষায় নেই।

তবে খুচরা বিক্রেতারা এই দাম বৃদ্ধি ও কেজি অনুযায়ী তরমুজ বিক্রির পুরো দায় চাপিয়েছেন পাইকারী ও কৃষকদের উপর। তাদের মতে আড়তে ও কৃষকদের কাছ থেকে তরমুজ কেজি দরে কিনতে হচ্ছে দেখেই তারাও বিক্রি করছেন কেজি হিসাবে। কিন্তু এর বিপরিত চিত্র পাওয়া গেছে ঢাকার সোয়ারীঘাট ফলের আড়তে। সেখানে এখনো তরমুজ বিক্রি হচ্ছে পিস হিসাবে। এবং সেটা স্বাভাবিক সময়ে যে দামে বিক্রি হয় সেই দামেই বিক্রি হচ্ছে। পুরো বিষয়টিকেই খুচরা বিক্রেতাদের কারসাজি বলছেন পাইকার আর তরমুজ চাষিরা। এ বছরই প্রথম এই পদ্ধতিতে তরমুজ বিক্রি চলছে সারা দেশে। কী করে এই সিন্ডিকেট তৈরি হলো তারও কোনো উত্তর মিলছে না। মাঝখান থেকে দেশেই উৎপাদিত এই সুমিষ্ট ফলটির স্বাদ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।

গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা নেছার সরদার বলেন, ‘আমি ১৩ একর জমিতে এবার তরমুজ করেছি। বিগত বছরগুলোর মতো এবারও শর্ত হিসাবে তরমুজ বিক্রি করেছি পাইকারের কাছে। ৪ থেকে ৫ কেজি ওজনের একশ’ তরমুজের দাম পেয়েছি ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা। এর চেয়ে বড় অর্থাৎ ৮-১০ কেজি ওজনের তরমুজ ক্ষেত থেকে বিক্রি হয়েছে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকায়।’ হাসান এবং নেছার সরদারের দেওয়া তথ্যেই উৎপাদক পর্যায় থেকে তরমুজ বিক্রি হওয়ার তথ্য মিলেছে দক্ষিণাঞ্চলের সব জেলা উপজেলায়। এই দরের সঙ্গে মোটামুটি মিল রয়েছে পাইকারি বাজারেও।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বিক্রির পদ্ধতি সম্পর্কে আইনে কিছু বলা না থাকলেও পাইকারি দরের চেয়ে খুচরা বাজারের দরে কতটা পার্থক্য থাকতে পারে তা স্পষ্ট বলা আছে। তরমুজের ক্ষেত্রে যেটা হচ্ছে সেটা পুরোপুরি বেআইনি। দামের এতটা পার্থক্য করে পণ্য বিক্রির কোনো বিধান ভোক্তা অধিকার আইনে নেই।’

দোহারের শুধু জয়পাড়া বাজার নয়, বাংলাবাজার, কার্তিকপুর বাজার, মেঘুলা বাজার, নারিশা বাজার, ফুলতলা বাজারেও তরমুজ বিক্রি হচ্ছে অবৈধ কেজি দর হিসাবে। নবাবগঞ্জের ঘোষাইল, বান্দুরা, নবাবগঞ্জ বাজার, বাগমারা বাজার, বাহ্রা বাজার, আগলা বাজারেও তরমুজ বিক্রি হচ্ছে কেজি দরে। এই ব্যাপারে কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন যেমন কেরানীগঞ্জে কেজি দরে তরমুজ বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে, দোহার উপজেলা প্রশাসনও অচিরেই এই তরমুজ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করবেন বলে আসা করে দোহার উপজেলার জনসাধারন।

দোহার-নবাবগঞ্জের কেন্দ্রীয়ভাবে অক্সিজেন সরবরাহের প্ল্যাণ্ট স্থাপন

ঢাকা-১ তথা দোহার-নবাবগঞ্জের সাংসদ সালমান রহমান প্রতিশ্রুত স্বাস্থ্যসেবায় দোহার নবাবগঞ্জকে রোল মডেলের ঘোষণা দেয়ার বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। দোহার ও নবাবগঞ্জ হাসপাতাল ১০০ শয্যায় উন্নীত করার প্রক্রিয়া ইতঃমধ্যে শুরু হয়েছে। কিন্ত এই করোনায় সবচেয়ে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০টি করে মোট ৪০টি বড় অক্সিজেন সিলিন্ডার দিয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতঃমধ্যে উভয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য ২০টি করে আলাদা বেড ও ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এসব বেডের প্রতিটিতে এই অক্সিজেন সরবরাহ কেন্দ্রীয়ভাবে সংযুক্ত থাকবে। এছাড়া, আরো ১০টি করে অক্সিজেন সিলিন্ডার সংরক্ষণ করা হয়েছে। একেকটি সিলিন্ডারে ৯৫০০ থেকে ৯৮০০ লিটার অক্সিজেন থাকবে। সারাদেশে ১৫ টি উপজেলার মধ্যে সালমান এফ রহমানের প্রচেষ্টায় দোহার নবাবগঞ্জ প্রথমদিকে এই সেবা পেলো।

সোমবার দোহারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসব কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও তদারকি করেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এফ এম ফিরোজ নাঈম ও দোহার উপজেলা আইন-শৃংখলা রক্ষা কমিটিতে সাংসদের প্রতিনিধি মসফিকুর রহমান লিমন। এসময় তাদের সাথে ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জসিম উদ্দিন।

নিউজ৩৯কে মসফিকুর রহমান লিমন বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে যারাই অক্সিজেন সিলিন্ডার এর প্রয়োজনীয়তার কথা আমরা শুনছি। মাননীয় সাংসদ প্রায় প্রতিদিন এই ব্যাপারে আমাদের সাথে যোগাযোগ রাখছেন ও প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দিচ্ছেন। দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দাম বেড়েছে জীবন বাঁচানো এই মেডিক্যাল গ্যাস সিলিন্ডারের। করোনা সংক্রমণ শুরুর আগে এর দাম ১০-১২ হাজার টাকা এবং তারও আগে ৫-৬ হাজার টাকার মধ্যে থাকলেও সম্প্রতি তা এক লাফে বেড়ে ২০-২২ হাজার হয়ে যায়। তাই, সারাদেশের মধ্যে দোহার – নবাবগঞ্জে জনগণের কাছে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ও অক্সিজেন সেবা পৌছে দিতে মাননীয় সাংসদ সালমান এফ রহমান কেন্দ্রীয়ভাবে অক্সিজেন সরবরাহের প্ল্যাণ্ট স্থাপন করেছেন। দ্রুতই আইসিও বেড ও বেড সংখ্যা এখানে সংযুক্ত হবে।

দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এফ এম ফিরোজ নাঈম নিউজ৩৯কে বলেন, অক্সিজেন উৎপাদন করে যেখানে অক্সিজেনের প্রয়োজন হবে সেখানে যেন অক্সিজেন নেওয়া যায় সে ব্যবস্থা খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে করতে হবে এবং এর কোনও বিকল্প নেই। মানুষকে কাজে লাগতে হবে। তাই অবিশ্বাস্য দ্রুততম সময়ে দোহার-নবাবগঞ্জের কেন্দ্রীয়ভাবে অক্সিজেন সরবরাহের প্ল্যাণ্ট স্থাপন করায় মাননীয় সাংসদকে আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

দোহার উপজেলা পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জসিম নিউজ৩৯কে বলেন, করোনা রোগীদের অন্যান্য উপসর্গের মধ্যে শ্বাসকষ্ট অন্যতম। যেসব রোগীর শ্বাসকষ্ট সহনীয় মাত্রায় থাকে, তাদের শ্বাস গ্রহণের জন্য অক্সিজেন নেয়ার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু যাদের শ্বাসকষ্টের মাত্রা অনেক বেড়ে যায়, তাদের শ্বাসযন্ত্র সচল রাখতে বাইরে থেকে অক্সিজেন সরবরাহ করতে হয়। অনেক জীবন বাঁচাতে দরকার হয় নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন সরবরাহ। মাননীয় সাংসেদের এই উদ্যোগে আল্লাহর রহমতে ইনশাল্লাহ আমরা রোগিদের পরিপূর্ণ সুস্থ করতে পারবো। কোন রোগীকে আর শ্বাস সংক্রান্ত কষ্ট করতে হবে না। এছাড়া, স্বাভাবিক শ্বাস কষ্টেড় সমস্যা আছে যেসব রোগীদের, তারাও ইতোমধ্যে এসব সেবা পাবেন। আপনারা জানেন, মাননীয় সাংসদ ইতঃমধ্যে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংস্কার ও উন্নীতকরণে প্রায় ৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন।। খুব শীঘ্রই এসব কাজ শুরু হবে।

এসময় উপস্থিত দোহার প্রেসক্লাবের আহবায়ক ও নিউজ৩৯ এর সম্পাদক তারেক রাজীব বলেন, করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে হাসপাতালগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এর পরিবর্তে তারা অক্সিজেন সিলিন্ডারের উপর নির্ভর করে। ফলে, শ্বাসকষ্টে ভুগছেন এমন করোনা রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে। কেন্দ্রীয় অক্সিজেন সরবরাহের অর্থ একটি হাসপাতালে নির্দিষ্ট জায়গায় অক্সিজেনের মজুত থাকবে, যেখান থেকে পাইপের মাধ্যমে রোগীদের শয্যায় অক্সিজেন সরবরাহ করা হবে। মাননীয় সাংসদের এই উদ্যোগ স্থায়ীভাবে দোহার-নবাবগঞ্জে স্বাস্থ্য সুরুক্ষা নিশ্চিত করবে ইনশাল্লাহ এবং এটি নিঃসন্দেহে একটি মাইল ফলক। আমরা দোহার-নবাবগঞ্জবাসী করোনাকালীন এই সংকট উত্তোরণে সাংসদের প্রতিনিয়ত অব্যাহত প্রচেষ্টার জন্য কৃতজ্ঞ।

দোহারে মার্কেটগুলোতে মানুষের ঢলঃ ব্যবসায়ীদের স্বস্তি

সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে শপিংমল, বিপনীবিতান ও মার্কেটগুলো খুলে দেওয়ার ঘোষণার পর ঢাকার দোহার উপজেলার মার্কেটগুলোতে মঙ্গলবার সকাল থেকেই উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। মার্কেটগুলোতে নেমেছে মানুষের ঢল। ঈদের কেনাকাটায় মাতোয়ারা মানুষ। তবে উপেক্ষিত ছিল সামাজিক দূরত্ব। করোনা পরিস্থিতির কথা মনেই নেই হয়তো কারো। ক্রেতা সমাগম ও বেচা-কেনায় বাড়ায় স্বস্তিতে ব্যাবসায়ীরা। তবে, অনেক ক্ষেত্রেই উপক্ষিত হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি।

মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) দোহার উপজেলার প্রাণকেন্দ্র জয়পাড়া ও মেঘুলা বাজার ঘুরে দেখা যায়, ঈদকেন্দ্রিক কেনাকাটা ব্যাপকভাবে জমে উঠতে শুরু করেছে মার্কেট গুলোতে। মার্কেট খুলে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা।

এদিকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে ও জনসচেতনার লক্ষ্যে দোহার উপজেলা প্রশাসনের কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। দোহার উপজেলার জয়পাড়া এলাকার সড়কজুড়ে চলছে ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজিবাইক, প্রাইভেট কার ও ব্যাক্তিগত মোটরসাইকেল চলাচল করেছে। রাস্তায় প্রচুর মানুষের সমাগম। মানুষের স্রোতের কারণে সড়কে যানজটও দেখা গেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মার্কেটগুলোতে নানা বয়সী মানুষের ভিড় বাড়তে দেখা গেছে। মার্কেটগুলোতে অধিকাংশ ক্রেতা-বিক্রেতা মাস্ক ব্যবহার করলেও সামাজিক দূরত্বের বিষয়টি কেউ মানছেনা। তীব্র ভিড় উপেক্ষা করে কেনাকাটা করছেন সবাই।

মার্কেট, শপিং মলগুলোতে মানুষের ভীড়ে হাঁটার জায়গা পর্যন্ত নেই। মার্কেট, শপিং মলে কেনাকাটার যে প্রক্রিয়া তাতেও করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়বে। কারণ কাপড়, কসমেটিকস, জুতা এগুলো ক্রেতারা অনেকে স্পর্শ করবে এবং সেগুলো প্রতিনিয়ত জীবণুমক্ত করা সম্ভব নয়। ঈদের আগে মার্কেট, শপিং-মলে যে ভীড় হয়, সেক্ষেত্রে এসব স্থান করোনা সংক্রমণের উপযুক্ত স্থান বলে মনে করছেন অনেকে।

তবে মানুষের এই উপচেপড়া ভীড় করোনার আতংক সৃষ্টি করেছে। দোহারে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। বাড়ছে ঈদ কেনা কাটায় ক্রেতাসাধারণের ভীড়। বিশেষ করে মহিলাদের সংখ্যা তুলনামূলক অনেক বেশি।

এ বিষয়ে, দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র জানান, সরকারের সিদ্ধান্তে মার্কেট ও দোকানপাট খুলেছে। করোনায় আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। আমরা ব্যবসায়ীসহ ক্রেতাদের বিভিন্নভাবে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার জন্য সচেতন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

দোহারে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০২১ পালন

করোনার সময়ও দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে দোহারে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালিত হয়েছে। পুষ্টি বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও পুষ্টি উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে অভীষ্ট অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে ২৩ তারিখ থেকে শুরু হয়েছে  জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২১।

জনগণের খাদ্যাভাস ও খাদ্য পরিকল্পনায় পুষ্টির বিষয়টিকে গূরুত্ব দেয়ার লক্ষ্যে এবছর পুষ্টি সপ্তাহের প্রতিপাদ্য নির্ধারন করা হয়েছে ‘খাদ্যের কথা ভাবলে পুষ্টির কথাও ভাবুন’।

এরই ধারাবাহিকতায় আজ দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর উদ্যোগে ২৩ এপ্রিল থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এই পুষ্টি সপ্তাহ। দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর উদ্যোগে ২৩ এপ্রিল থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের ৫ম দিনে আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজ নাইম বলেন, সুষম খাবার খেতে হবে। আমাদের সমস্যা আমাদের সুষম খাবারের জ্ঞান নাই। কোভিড -১৯ এর সময় আমাদেরকে অবশ্যই সুষম খাবারে নজর দিতে হবে। এসব খাবার আমাদের আশে পাশেই পাওয়া যায় কিন্তু আমরা চিনতে পারি না। করোনার এসময় পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে।

মসফিকুর রহমান লিমন বলেন, এখন সবাই প্রয়োজন ছাড়া বাহিরে বের হবেন না। মাস্ক পড়বেন, স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন। আর স্বাস্থ্যসম্মত পুষ্টিকর খাবার এই রোযায় খাদ্য তালিকায় নিয়মিত রাখতে হবে।

আলোচনা সভায় , দোহার উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবারপরিকল্পনা কর্মকর্তা  ডাঃ জসিম উদ্দীন বলেন, জন্মের এক ঘন্টার মধ্যে শিশুকে শালদুধ খাওয়াতে হবে। শিশুকে ৬ মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের দুধ এবং ৬ মাস বয়সের পর থেকে ২ বছর বয়স পর্যন্ত মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি সুষম বাড়তি খাবার দিতে হবে। শিশু সঠিকভাবে বেড়ে উঠছে কিনা জানতে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়মিত ওজন ও উচ্চতা পরিমাপ করতে হবে। কিশোর-কিশোরীদের ঘরে তৈরি পুষ্টিকর খাবার গ্রহণে উৎসাহিত করতে হবে। গর্ভবর্তী ও প্রসূতি মাকে স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি বাড়তি খাবার দিন এবং নিয়মানুযায়ী আয়রন-ফলিক এসিড ও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট খাওযাতে হবে। পরিবারের প্রবীণ সদস্যদের পুষ্টি চাহিদার প্রতি নজর দিতে হবে।

এই আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এফএম ফিরোজ মাহমুদ, দোহারের আইনশৃঙ্খা বিভাগের সভাপতি মুশফিকুর রহমান লিমন ও হাসপাতালের অন্য অন্য চিকিৎসকবৃন্দ।

এই আলোচনা সভা শেষে ১৪ জনকে পুষ্টিকর খাবার হিসেবে চাল ৫ কেজী,ডাল ৫ কেজী,তেল ৫ লিটার,লবণ ১ কেজী ছোলা ৫ কেজী,আলু ৩কেজী,পিঁয়াজ ১কেজী দেওয়া হয়।

দোহারে সরকারি নির্দেশ অমান্য করায় ৫ জনকে অর্থদণ্ড

ঢাকার দোহার উপজেলায় সরকার ঘোষিত লকডাউনে সরকারি নির্দেশ অমান্য করায় ৫ জনকে অর্থদণ্ড প্রদান করেছে দোহারের ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার বিকেল ৫ টার পর সারা দেশের ন্যায় ঢাকার দোহার উপজেলায় সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন কার্যক্রমকে বাস্তবায়ন করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)  ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র উপজেলার জয়পাড়া বাজার, থানার মোড়, জয়পাড়া মেইন রোড এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন এবং নিদিষ্ট সময়ের পর দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখা এবং স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এই মর্মে সকলকে সর্তক করেন।

এ সময়ে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনে সরকারি নির্দেশ অমান্য করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত সংক্রামণ রোগ ২০১৮-এর ২৪ ধারায় ৫ টি মামলায় ৫ জনকে অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অভিযানে সহযোগিতা করেন দোহার থানা পুলিশ।

দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)  ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, সরকার ঘোষিত কঠোর লক ডাউন পরিস্থিতি বাস্তবায়ন করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

দোহার প্রেসক্লাব নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বিক্রি সমাপ্ত

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার প্রেসক্লাবের আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে মনোনয়নপত্র বিক্রি শেষ হয়েছে। আসন্ন এই নির্বাচন উপলক্ষে সভাপতি পদে দুই জন, সাধারন সম্পাদক পদে দুই জন ও সহ-সভাপতি পদে একজনসহ মোট ৫ জন মনোনয়ন পত্র ক্রয় করেছেন। দোহার প্রেসক্লাবের আসন্ন এই নির্বাচন উপলক্ষে এই মনোনয়নপত্র বিক্রি করেছে দোহার উপজেলা প্রেসক্লাবের আহবায়ক কমিটি। দোহার প্রেসক্লাবের আহবায়ক ও নিউজ৩৯ এর সম্পাদক তারেক রাজিবের কাছ থেকে এই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন প্রার্থীরা।

২৪ এপ্রিল থেকে শুরু হয় মনোনয়ন পত্র বিক্রি। যা শেষ হয় ২৬ এপ্রিল বিকাল ৫টায়। এই সময়ে মনোনয়ন পত্র বিক্রি হয়েছে মোট ৫টি। এর মাঝে ২৬ এপ্রিল সকালে একই সাথে সভাপতি পদে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেন সাবেক কমিটির সভাপতি কামরুল ইসলাম ও সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান টিপু। ২৭ এপ্রিল সাধারন সম্পাদক পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন মোহাম্মদ শাহজাহান এবং সহ-সভাপতি পদে মনোয়নপত্র সংগ্রহ করেন অলি আহমেদ। মনোনয়ন পত্র সংগ্রহের শেষ দিনে সাধারন সম্পাদক পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন আতাউর রহমান সানী।