ছবি ও ভিডিওতে দেখুন দোহারে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিদায় অনুষ্ঠানে উচ্ছৃংখলা

স্টাফ রিপোর্টার, news39.net: একটা সময় বিদায় অনুষ্ঠান মানে ছিলো আনন্দ – বেদনার মিশ্রণ। পরবর্তী নতুন জীবনে পদার্পণের আনন্দ আর বিদায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছেড়ে যাওয়ার বিরহ-বেদনা। বিদায়ের এই দিনে শিক্ষকদের থেকে দোয়া নেয়া, প্রিয় ক্যাম্পাস, শিক্ষক ও বন্ধুদের ক্ষত চোখকে অশ্রসজল করতো। কিন্ত বর্তমানে বিদায় অনুষ্ঠানের নামে র‍্যাগ ডে প্রচলন করে দোহারে হচ্ছে উচ্ছৃংখলা ও বেহায়াপনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েছেন আগত অতিথিসহ শিক্ষকেরা।

(দুঃখজনকভাবে কারিগরি ত্রুটির কারণে প্রথম নিউজটি প্রকাশের পর, সেটি আর প্রদর্শন করছে না। একইসাথে বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজের লিংক শেয়ার থেকে ভিডিও উঠিয়ে নেয়া হয়েছে; তবুও পাঠকদের স্বার্থে news39.net পুনরায় আপলোড দিয়েছে।)

এক শিক্ষার্থীকে পানিতে ফেলে দেয়া হচ্ছে, তার ভিডিও লিংক।

https://www.facebook.com/groups/239629123806320/permalink/566641387771757/

দোহারে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিবেকের পরাজয় ও রুচি কতটা নিুগামী হয়ে পড়েছে যে অশ্লীল গালিগালাজ, শব্দ চয়ন, উদ্দাম নৃত্য-ই হয়ে উঠেছে এইদিনের মূল বিষয়।

দেখুনঃ উগ্র গানের সাথে পদ্মা সরকারী কলেজে অশ্লীল  নৃত্য।

 

https://www.facebook.com/messenger_media?thread_id=100024856821158&attachment_id=2974362919449871&message_id=mid.%24cAAAAC_KocwODPllR1l9DRM3ikBdX

দেখুনঃ উগ্র গানের সাথে জয়পাড়া কলেজে নৃত্য।https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=660014878490697&id=100034465721971

দেখুন আরেকটি ভিডিও।

https://www.facebook.com/100033152651408/videos/268380045230353/

শিক্ষকদের উপদেশ মূলক বক্তব্য, দোয়া মাহফিলেও তারা হাসি-তামাশায় সময় পার করছে। সরেজমিনে, কয়েকটি কলেজ ও স্কুলের বিদায় অনুষ্ঠানে এসব দৃশ্য দেখা যায়। অবচেতন মনে নতুন শিক্ষার্থীদের প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করা। নিজের জীবনের কিছু অতৃপ্ত কামনা-বাসনা, মানসিক ও শারীরিক অতৃপ্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটায় নতুনদের প্রতি ভিন্নধর্মী আচরণের মাধ্যমে।

তবে কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শুদ্ধাচার ও সুন্দর অনুষ্ঠানও দেখা গিয়েছে।

অভিভাবকদের মতে, এই যে কিছু বখাটে তরুণ-তরুণী র‌্যাগিংয়ের নামে কলেজে সবে পা দেয়া সতীর্থদের মধ্যে ভীতি ও ঘৃণা ছড়াচ্ছে, এর পরিণতি কী হচ্ছে? অনেকে এসব দুর্ব্যবহারে মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেকে একটি ঘৃণা ও অশ্রদ্ধা নিয়ে শিক্ষাজীবনের দিনগুলো পার করছে।

দেখুনঃ উগ্র গানের সাথে মুকসুদপুর শামসুদ্দিন শিকদার উচ্চ বিদ্যালয়ে নৃত্যঃ

https://www.facebook.com/messenger_media/?thread_id=100004337917216&attachment_id=217013630544728&message_id=mid.%24cAAAABzuu04WDQG8zEV9Dynex7BYk

যদিও র‌্যাগ ডে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ দিন নয়। তারপরও শেষ দিনটিকেই শিক্ষার্থীরা ‘র‌্যাগ ডে’ হিসেবে পালন করে। শেষ দিন হলো ‘সমাপনী দিবস বা বিদায়ী দিন’। এক র‌্যাগ ডেতে দেখা যায়, একজন শিক্ষার্থীর এক চোখে চশমা, অন্য চোখের চশমার গ্লাসটি ভাঙা, গায়ে ছেঁড়া গেঞ্জি, এক পায়ে প্যান্ট, অন্য পায়ের প্যান্ট অর্ধেক ছেঁড়া; তাকে নিয়ে সহপাঠীরা স্লোগান দিচ্ছে ‘স্যাক খেয়েছে আমার ভাই, মাইয়াগো রক্ষা নাই।’

দোহার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বলেন, আমি যেসব প্রতিষ্ঠানে গিয়েছি, সেখানে সুন্দর, সাদা-মাটাভাবে হয়েছে। তবে, আমরা অতিথিরা আসার পর যদি কোন উচ্চৃংখলা হয়ে থাকে, তবে এসব র‍্যাগ ডে আমি বন্ধ করে দিবো। আমি ঘৃণাভরে তা প্রত্যাখান করছি। আমরা এরকম কিছু হলে, তা প্রতিরোধ করবো।

মনোবিজ্ঞানী রহমান সজল বলেন, র‌্যাগ ডে মানে আনন্দের দিন। হৈ হুল্লোড় করে আনন্দ প্রকাশ করা। যদিও এটি ছিলো চ্যারিটি বা সেবামূলক কার্যক্রম। শিক্ষাজীবন সমাপ্তিতে কিংবা নতুনদের বরণের দিন র‌্যাগ ডে হিসেবে যেদিনই পালন করা হোক না কেন তা হতে হবে শিক্ষামূলক। সেখানে থাকবে সভ্যতার ছাপ। কিন্তু এর নামে কাউকে জ্বালাতন করা, অত্যাচার করা যা অনেকটাই অপসংস্কৃতির ছায়া। যদি অশ্লীলতামুক্ত র‌্যাগ ডে পালন করা যায়, তার মধ্য দিয়ে সামাজিক অনাচার ও দুর্বল দিকগুলো হাসি আনন্দের মধ্যে দিয়ে তুলে আনা যায় তাহলে তার মূল্য আছে। এসব বিষয়ে দোহারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উঠেছে নিন্দার ঝড়।

দোহার – নবাবগঞ্জ সোশ্যাল মুভমেণ্টের সাংগাঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান সুমন তার পেজে লিখেছেন, টি-শার্টগুলো জুম করে পড়ুন। শিক্ষার্থীদের রুচি এতো বিকৃত হয় কি করে? ছাত্র-ছাত্রীদের শাসনেও রয়েছে বিধি-নিষেধ।

রিফাত শেখ নামে একজন লিখেছেন, র‍্যাগ ডে এর নামে এই বেহায়াপনা অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত। নয়তো আমাদের সমাজ ধ্বংসের পথে যাচ্ছে।

দিদার পাঠান লিখেছেন, আগের দিনে এসএসসি পরীক্ষার আগে সব স্কুলে “বিদায় অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল” এর আয়োজন করা হতো,,সেখানে উপস্থিত থাকতেন,,সম্মানিত শিক্ষক-শিক্ষিকা মন্ডলী,,ম্যানেজিং কমিটির সম্মানিত সদস্যরা,,এলাকার সম্মানিত মুরুব্বিরা,, স্যারেরা বক্তব্য দিতেন,বিদায়ী ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে দুই-তিনজন বক্তব্য দিতো,,জুনিয়র ব্যাচের দুই-একজনও বক্তব্য দিতো,,,পুরাই আবেগঘন পরিবেশ থাকতো,,,সবার মন খারাপ থাকতো,,,১০ বছর এই স্কুলে থাকাকালীন কতো স্মৃতি জড়ানো, এসব ছেড়ে চলে যেতে হচ্ছে!!!! বক্তব্য শেষে,,ধর্মীয় শিক্ষককে দিয়ে মোনাজাত ধরানো হতো,,পরীক্ষার্থীদের জন্য দুয়া করতো সবাই, কিন্তু বিগত ২-৩ বছর ধরে স্কুলে বিদায় অনুষ্ঠান বিলুপ্ত হয়ে গেছে, এখন ডিজিটাল পোলাপান #Rag_Day নামক এক বেহায়াপনা কৃষ্টি চালু করছে!!! সেখানে,,দুয়া করা ত দূরে থাক,,সাউন্ড সিস্টেম এনে ছেলে-মেয়ে একসাথে নাচানাচি,, মনে হয় বিয়ে বাড়ি আবার,,,তারা সাদা টি-শার্ট নিয়ে আসে সবার জন্য,, মার্কার দিয়ে একজন আরেকজনের সেই টি-শার্টে অশ্লীল কথাবার্তা লিখে!!! এগুলো কি স্মার্টনেস??? এগুলো তো,,নৈতিক অবক্ষয় ছাড়া কিছুই না!!! আমার আফসোস একটাই,,, কালের বিবর্তনে কি স্কুলের স্যার-ম্যাডামদের নৈতিকতা লোপ পাচ্ছে??? তা নাহলে,ওনারা কেন এসব করার পারমিশন দেন!!!! আর,,স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিইই বা কি করে এসব প্রশ্রয় দেন এখনও সময় আছে,,এসব নোংরামি কালচার বন্ধ করে আগের মতো “বিদায় অনুষ্ঠান ও দোয়ার মাহফিল” এর প্রচলন চালু করেন,,নাহয় ভবিষ্যৎ খুব ভয়াবহ ফলাফল অপেক্ষা করছে।

সচেতন অভিভাবক মহল তাকিয়ে আছে এখন প্রশাসনের দিকে।

নিউজ৩৯ এর সংবাদ প্রকাশের পর এবার গৃহ পেলেন যুবলীগ নেতা আমজাদের স্ত্রী

গত ৮ই জুলাই বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎ করেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন মাহমুদপুর ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা আমজাদ বেপারী। রাতেই তাকে হাসপাতালে নেয়ার পথেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪২ বছর। এই ব্যাপারে “দোহারে যুবলীগ নেতার মৃত্যু: ঘরে নেই ১ কেজি চাল” শিরোনামে সংবাদ পরিবেশন করে news39.net । পরে দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন আমজাদ হোসেনের পাশে দাড়ান।

বৃহস্পতিবার দোহার উপজেলায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়ে। দোহার উপজেলার আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকি আয়োজন করা হয়।

এসময় ” গৃহহীনে গৃহদান কর্মসূচী” এই কর্মসূচীর মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশ ব্যাপী বেশ কিছু অসহায় মানুষের জন্য গৃহ প্রধান করেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ। তারিধারাবাহিকতায় দোহার উপজেলার মাহামুদদপুর ইউনিয়নের প্রয়াত যুবলীগ কর্মী আমজাদ হোসেনের অসহায় স্ত্রীকে একটি পাকাঘর দেওয়া হয়। পরে যুবলীগের ৪৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা হয়।

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের হরিচন্ডি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাঠে এ অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়। এই সময় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দোহার উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আলমাসউদ্দিন এবং সঞ্চালনা করেন দোহার উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান আকন্দ।

সেসময় উপস্থিত ছিলেন, ভার্চুয়ালী যুক্ত হন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ফজলে শামস পরশ, সাধারন সম্পাদক মাঈনুল হোসেন নিখিল, দোহার উপজেলায় চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনসহ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা কর্মীরা।

বাবার এই কাব্যগ্রন্থ, দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে সাহিত্যে স্থান করে নিবে – ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নান

0

শরিফ হাসান, স্টাফ রিপোর্টার, news39.net: গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকার সোনারগাঁও হোটেলে বিএনপির প্রয়াত ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল মান্নানের জীবদ্দশায় লিখিত কবি জীবনানন্দ দাসের কাব্যগ্রন্থ ‘রূপসী বাংলা’ ও ইংলিশ ভার্সন ‘বেঙ্গল দাই নেইম ইজ বিউটি’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নান বলেন, বাবার এই কাব্যগ্রন্থ, দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে সাহিত্যে স্থান করে নিবে। এই সময়ে আমাদের সৃষ্টিশীলতা, সৃজনশীলতা ধ্বংস হচ্ছে, সব মুক্তচিন্তাকে আবদ্ধ করা হচ্ছে। আমরা কথা বলতে পারি না, লিখতে পারি না। এক কথায় কবিতা-কাব্য, সুকুমারবৃত্তি, শিল্প এ সবকিছু নির্বাসিত হতে চলেছে।

সেসময় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আজকে আমরা যারা রাজনীতি করি, তারা কেমন সময় অতিবাহিত করছি তা সবাই অবগত। সৃজনশীলতা ও সৃষ্টিশীলতা আজ হারিয়ে গেছে। চারদিকে শুধু ক্ষমতার লড়াই। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমরা একটি দুঃসময় অতিক্রম করছি। মুক্তচিন্তা আজ বাধাগ্রস্ত, শিশু সন্তানের নিরাপত্তা দিতে পারছি না। মতপ্রকাশের জন্য ফেসবুকে পোস্ট দিলে গ্রেপ্তার হতে হয়। সত্য লিখলে সাংবাদিকদেরও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। দেশ এক ভয়াবহ ফ্যাসিবাদীদের কবলে। কিন্তু আমাদের উপায় নেই। প্রেসক্লাব ছাড়া আমাদের পথ নেই।

প্রয়াত আব্দুল মান্নানের স্মৃতিচারণ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘তিনি (আবদুল মান্নান) একজন সার্থক ব্যক্তি, কবি ও রাজনীতিবিদ। সারাজীবন সততার সঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি আমাদের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সাবেক সাংসদ জহির উদ্দিন স্বপনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ঢাবির সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক প্রফেসর ড. মাহমুদ শাহ কোরেশী, কবি আবদুল হাই শিকদার, কবি ও গবেষক ড. মাহবুব হাসান, ড. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন আহমেদ, প্রয়াত আবদুল মান্নানের সন্তান ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নান। ভার্চুয়ালি আলোচনায় অংশ নেন লেখকের জামাতা ও বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম, দোহার নবাবগঞ্জ এর বিএনপির নেতা কর্মীরা।

নবাবগঞ্জে সিটিং সার্ভিসের নামে চলছে চিটিংবাজি

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা এবং দোহারের মৈনট ঘাট থেকে ছেড়ে আসা গুলিস্তানগামী গণপরিবহন এখন সিটিং সার্ভিসের নামে চিটিংবাজি শুরু করেছে। যাত্রীরা সিটিং সার্ভিস না বলে চিটিং সার্ভিস বলতেই যেন বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

দোহার ও নবাবগঞ্বাজ বাসীর জন্য ঢাকায় যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে দোহারের মৈনট ও নবাবগঞ্জের বান্দুরা থেকে ছেড়ে আসা বাস। প্রতিটি বাস নামে সিটিং সার্ভিস হলে বাস পরিচালনায় নেই সিটিং সার্ভিস বাসের নূন্যতম বৈশিষ্ট্য।  দাঁড় করিয়ে যাত্রী পরিবহন করা এই পরিবহনগুলোতে সাধারন ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। যাত্রী সেবা তো নেই উল্টো এই ব্যাপারে কথা বললে যাত্রী হয়রানী নিয়মিত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। নবাবগঞ্জ টু গুলিস্তান সড়কে চলাচল করা পাবলিক বাসগুলোর কাছে এখন নবাবগঞ্জের মানুষ জিম্মি। পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের কাছে অসহায় যাত্রীরা। এর নিয়ন্ত্রণ নেই কারও হাতে, নেই জবাবদিহিতাও।

প্রতিনিয়ত ভোগান্তি ও প্রতারণার শিকার হওয়া ব্যবসায়ী আসিফ আকাশ (২৪) নিউজ৩৯ কে বলেন, আসলে লোকাল-সিটিং বলতে কিছু নেই। সবারই ভাড়া বেশি নেওয়ার ধান্ধা। টাকা দিতে আপত্তি নেই, যদি সেবাটা পাওয়া যেত। আমরা নিরুপায়, তাই বাসে উঠতে হয়।

অন্যদিকে বাসের সীটগুলোও বসার অনুপযোগী হওয়ায় যাত্রীরা আরাম করে বসতে পারে না। যমুনা গাড়ির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চালক নিউজ৩৯ কে জানান, গাড়ি মালিক গাড়ি মেরামত না করলে আমরা কি করতে পারি। সিস্টেম তো তাদের চেঞ্জ করতে হবে, আমাদের হাতে কিছু নেই। সিটিং সার্ভিসই চালানো হয়, তবে মাঝে মধ্যে যাত্রীর চাপ থাকলে লোকাল যাত্রীও নেই।

যুবলীগ নেতার নিখোঁজ ভাগ্নীর লাশ উদ্ধার

দোহার উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন খান রাজীবের ভাগ্নীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের নাম আরমিন শাহরিন বিপাশা। তার স্বামীর নাম দেলোয়ার হোসেন দুলাল। সে ৩ দিন ধরে নিখোঁজ ছিলো। তার বয়স ২৭ বছর। সে ৩ দিন পূর্বে তার নিজ বাড়ি লটাখোলা নাগেরকান্দা থেকে রাগ করে চলে যায়। অনেক খোজাখুজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। এই ব্যাপারে সোমবার দোহার থানায় একটি জিডি করে পরিবার। এছাড়া, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার সন্ধান চেয়ে ব্যাপকভাবে পোস্ট করা হয়। দুপুরে মঙ্গলবার দুপুরে দোহার পৌরসভার মাহমুদিয়া আলীম মাদ্রাসার পিছনের নদীতে থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে তার মামা সাদ্দাম হোসেন খান রাজীব জানান।

এবিষয়ে সাদ্দাম হোসেন খান রাজিব জানান, তার ভাগনি বিপাশা রাগ করে রবিবার লোটাখোলার নাগের কান্দা নিজ বাড়ি থেকে চলে যায়। এরপর আমরা খোঁজখোজি করি কিন্তু তাকে পাইনি পরে সোমবার আমরা দোহার থানায় একটি অভিযোগ করি। আজকে আমরা খবর পাই জয়পাড়া মাহমুদিয়া মাদ্রাসার পাশের নদীতে এটা লাশ পাওয়া গিয়েছে। তখন আমরা গিয়ে দেখি সেটি আমাদের ভাগিনীর লাশ পরে আমরা তার লাশ শনাক্ত করি। তিনি আরো জানান, আমার ভাগনির কোন সন্তান ছিল না। তাদের বিয়ে হয়েছিল সাড়ে চারমাস ধরে।

যুবলীগ নেতার নিখোঁজ ভাগ্নীর লাশ উদ্ধার

এবিষয়ে দোহার থানার এসআই মোঃ লিয়াকত হোসেন বলেন, আমরা আজকে জয়পাড়া মাহমুদিয়া মাদ্রাসার পাশের নদী থেকে বিপাশা নামে একটি মেয়ের লাশ উদ্ধার করেছি। আমরা তাৎক্ষণিক কিছু বলতে পারতেসি না ময়নাতদন্ত পর বলা যাবে। আমরা কালকে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠাবো।

হাইকোর্টে শাকিল আহমেদের আগাম জামিনের আবেদন

news39.net: হাইকোর্টে সোমবার বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি খিজির হায়াতের বেঞ্চে
৭১ টিভির বার্তা প্রধান শাকিল আহমেদ আগাম জামিন আবেদন করেছেন। উল্লেখ্য গত ৪ নভেম্বর রাতে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৯ (১) ধারায় গুলশান থানায় ওই মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় শাকিলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। শাকিল আহমেদের গ্রামের বাড়ী দোহার উপজেলার নারিশায় এবং পড়ালেখা করেছেন নবাবগঞ্জের চুড়াইনে৷

দোহারে জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন

ঢাকার দোহার উপজেলায় ঢাকা জেলা পরিষদের অর্থায়নে বাস্তবায়িত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের উদ্বোধন করেছেন ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মাহবুবুর রহমান। রবিবার সকাল থেকে বিকেলে পর্যন্ত দোহার উপজেলার সাজেন্ট জলিলের বাড়ীর ব্রীজ হয়ে মোশারফের বাড়ীর পর্যন্ত আরসিসি ঢালাই কাজের রাস্তা, জয়পাড়া কলেজের নতুন ভবন নির্মাণ, কেন্দ্রীয় শ্মশান মন্দির ও লটাখোলা চরজয়পাড়া সার্বজনীন মন্দির, বিলাসপুরের পানা মোল্লার বাড়ীর হতে সারোয়ার মোল্লার বাড়ীর পর্যন্ত আরসিসি দ্বারা উন্নয়ন, হরিচন্ডি ফোরকানিয়া মাদরাসা পাকা ভবন নির্মাণ,মাহমুুদপুরের আল মদিনা জামে মসজিদ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন, চরকুসাই জামে মসজিদের এসি সরবারহ,মাহমুদপুরে ব্রীজের রাস্তায় গাইড ওয়াল নির্মাণ, শেখ রাসেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন,ইকরাশি গ্রামে সাধুগমেজের চ্যাপেল সংস্কার নির্মাণসহ ২২ টি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের মোট ৬ কোটি ৩ লাখ টাকা ব্যায়ে নির্মিত প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি।

সে-সময় শেখ রাসেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা নীলা আক্তার বলেন, ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও ঢাকা জেলা পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান, যিনি ন্যায় ও নিষ্ঠার পথে অবিচল শ্রদ্বেয়, বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মোঃ মাহবুবুর রহমান স্যার। সব সময় আমি স্যারের সুসাস্থ ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।

এসময় মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, আমি পুণরায় ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে আমার অসমাপ্ত কাজগুলো দ্রুত শেষ করতে পারব। বিগত পাঁচ বছরে প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিতে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি।

প্রতেকটি কাজের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবং ঢাকা-১ আসনের সংসদ সালমান এফ রহমানের জন্য দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বজলুর রহমান কামাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন নান্নু, ঢাকা জেলা পরিষদের ইঞ্জিনিয়ার মোতালেব হোসেন, দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলাদ্দিন মোল্লা, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো.শাহজাহান মোল্লা,আওয়ামীলীগ নেতা শেখ শাহাবুদ্দিন, হাবিবুর রহমান, সাজ্জাদ হোসেন সাজুসহ আরও অনেকে।

শীতের আগমনে দোহার-নবাবগঞ্জে ব্যাডমিন্টন খেলার ধুম

শীতের আগমন ঘটতে না ঘটতেই, নবাবগঞ্জ এবং দোহারের যুবকদের মাঝে ধুম লেগেছে শীতের জনপ্রিয় খেলা ব্যাডমিন্টনের প্রস্তুতির। প্রায় প্রতিটি গ্রাম, পাড়া- মহল্লায় চলছে ব্যাডমিন্টন কোর্ট কাটা, মাঠ পরিস্কার, লাইট সেটিং ইত্যাদি। দোহার নবাবগঞ্জ উপজেলায় প্রতিটি ইউনিয়নেই হয়ে থাকে বিভিন্ন টূর্ণামেণ্ট।

দোহারের জয়পাড়া বাজারের ক্রীড়া সামগ্রী বিক্রেতা লুতফুর রহমান news39.net কে জানান, প্রতিদিনই ব্যাডমিন্টন খেলার ব্যাট, নেট, ফেদার বিক্রি হচ্ছে।একটা ভালো মানের র‌্যাকেটের দাম ২-৩ হাজার টাকা। যে কর্ক দিয়ে খেলেন, এর প্রতিটির দাম ৪০ থেকে ৮০ টাকা। এসবই নিজের বিক্রি খুব ভালো বলেও তিনি জানান। এছাড়া, সকালে খেলার জন্য ফুটবল আর বিকেলে খেলার জন্য ক্রিকেট খেলার বিভিন্ন সামগ্রীর বিক্রিও আশানুরূপ বলে তিনি জানান।

নবাবগঞ্জে পাড়া-মহল্লায় চলছে ব্যাডমিন্টন খেলার মাঠ প্রস্তুতি। একইচিত্র দোহারেও। করোনার বন্দীদশা থেকে মুক্ত হয়ে, ব্যাডমিন্টন যেন হয়ে উঠেছে নির্মল বিনোদনের মাধ্যম।

নবাবগঞ্জের গালিমপুর ইউনিয়নের বড়গাও এর যুবক রানা news39.netকে জানান, এলাকার যুবসমাজকে মাদক ও অনলাইন গেমের ক্ষতিকর ছোবল থেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যকে কেন্দ্র করে আমাদের এই খেলাধূলা আয়োজন। তাছাড়া, খেলাধূলা করলে করোনার এসময়ে শরীর সুস্থ থাকার পাশাপাশি, অসুস্থ ধারার মোবাইল গেমিং থেকে বেরিয়ে এসে মানসিকভাবে প্রশান্তি পাবো বলে, আমরা আশা করছি।

অনুশীলনের ফাঁকে দোহার উপজেলার বিখ্যাত খেলোয়াড় হিল্লোল বলেন, ‘ব্যাডমিন্টন আমার কাছে সেরা খেলা। আমার কাছে এটা খুব শখের খেলা।
শীতের সময় বিভিন্ন স্থানে খেলা দিয়ে আয়ও হয়।’

যে বয়সের ছেলেরা সাকিব, তামিম হওয়ার স্বপ্ন দেখে, ক্রিকেট খেলে আয় করতে চায়; সে বয়সে দোহার-নবাবগঞ্জ এর তরুণেরা যেন উজ্জ্বল ব্যতিক্রম। দেশের অবহেলিত এই খেলা দিয়েই আকাশ ছুঁতে চান দোহার-নবাবগঞ্জের তরুণেরা!

ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ মো. মোস্তফা কামাল

ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোস্তফা কামাল। রোববার (৭ নভেম্বর) ঢাকা জেলার মিলব্যারাক পুলিশ লাইন্স কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত ঢাকা জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তাকে শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের আবু জাফর মিয়ার ছেলে।

দোহার থানার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় তাকে অক্টোবর মাসের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। উক্ত জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার। ঢাকার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর) মো. নাসিম মিয়া অনুষ্ঠানটির উপস্থাপনা করেন। অনুষ্ঠান শেষে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার একটি সম্মাননা সনদ ও ক্রেস্ট দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল এর হাতে তুলে দেন।

দোহার পৌরসভার ওয়ার্ডে এলাকা রদবদল: নির্বাচন জানুয়ারিতে

শরিফ হাসান ও মোঃ আল-আমিন, স্টাফ রিপোর্টার, news39.net: দীর্ঘ ২১ বছর পর দোহার পৌরসভার সীমানা জটিলতার সমাধান হতে যাচ্ছে। একইসাথে, নির্বাচনও হতে পারে জানুয়ারিতে। তবে, নতুন করে ঝামেলা না হলে এবং সব ঠিকঠাক থাকলে, নতুন বছরের জানুয়ারি মাসে একসাথে দোহার পৌরসভা ও দোহার উপজেলার সকল ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানা গেছে । দোহার পৌরসভার নতুন সীমানায় কোন এলাকারই ওয়ার্ডের রদবদল হয়েছে। কোন এলাকা কোন ওয়ার্ডে পড়েছে বিস্তারিতভাবে দেয়া হল।

স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এর ১৩১৬ (সংশোধনীসহ) ধারা এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, পৌর-১ শাখার ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিঃ তারিখের ৪৬.০০.০০০০.০৬৩.৩৪.০১০.১৯ (অংশ-১)-৮১৮ নং স্মারকের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনাব মোঃ ফজলে রাব্বি, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং সহকারী সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা এর সহায়তায় আমি এ এফ এম ফিরোজ মাহমুদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, দোহার, ঢাকা, সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা, ঢাকা জেলাধীন দোহার পৌরসভার তালিকা পৌরসভার সাধারণ ওয়ার্ড ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড বিভক্তিকরণসহ তফসিলে বর্নিত এলাকাসমূহের সমন্বয়ে ওয়ার্ড গঠন পূর্বক জনসাধারণের অবগতির জন্য প্রকাশ করছি।

সাধারণ ওয়ার্ড নং ১ – লটাখোলা (মৌজা আংশিক) ১ ও ২ শিট দাগ নং ৫২৫-৭২৫, ১০৫৮-১৩৫৩, ১৩৬১-১৩৭২, ১৩৭৪,১৩৮৪-১৩৮৬, ১৩৯০, ১৩৯৪, ১৪২৬ – ২৬২৮, ২৫৬২, ২৫৬৩, ২৫৬৮, ২৫৭২ – ২৫৭৪, ২৫৭৬, ২৫৭৮- ২৫৮০, ২৫৮২ ২৭৯৩, ২১১১,২৯১৩, ২৯১৪, ২৯২৬- ২৯২৮, ১৪০২
গ্রাম/ মহল্লা: ১. পশ্চিম লটাখোলা ২. মধ্য লটাখোলা ৩. পূর্ব লটাখোলা।

ওয়ার্ড নং ২ – খালপাড় (মৌজা আংশিক) ০১ নং সিট দাগ নং ৫০৫-৫২৮, ৫৪২-৫৫৬, ৫৯৪-৬১২, ১২১৪- ১৩৯৯, ১৮১০জয়পাড়া (মৌজা আংশিক) ০১ নং সিট দাগ নং ০১-৫২৯,১৪৭৮,১৪৯৯-১৫০৭, ১৫১২, ১৫১৭ জয়পাড়া ০৩ নং সিট সম্পূর্ণ। গ্রাম/মহল্লা: ১. উত্তর চরজয়পাড়া ২. দক্ষিন চরজয়পাড়া ৩. উত্তর জয়পাড়া খালপাড় (খালের উত্তর পাড়ের অংশ) ৪. খালপাড়(খালের উত্তর পাড়ের অংশ)

ওয়ার্ড নং ৩- জয়পাড়া (মৌজা আংশিক) দাগ নং ৫৩০-৮০৫, ৮১৭, ৮২১-৮৩৬, ৮৩৮-৮৩৯, ৮৪৩- ১১৯৩, ১২০৯, ১৩৩৭, ১৪৮০, ১৪৮৩, ১৪৮৫,১৪৮৬,
খালপাড় (মৌজা আংশিক) দাগ নং ৮৯৩০, ১২১৩, ১৪ ১৪০০-১৮০৭ গ্রাম/মহল্লা: ১. উত্তর জয়পাড়া ব্যঙ্গারচর ২. উত্তর জয়পাড়া খালপাড় (খালের দক্ষিণ অংশ) ৩, উত্তর জয়পাড়া গাজীকান্দা
৪. উত্তর জয়পাড়া মিয়াপাড়া ৫. উত্তর জয়পাড়া কুঠিবাড়ী ৬. উত্তর জয়পাড়া ৭. ইসলামপুর

ওয়ার্ড নং ৪- জয়পাড়া (মৌজা আংশিক) দাগ নং ৮০৭-৮১৬, ৮১৮-৮২০, ৮৩৭, ৮৪০-৮৪২, ১১৯৪-১২০৮, ১২১০-১৩৩৬, ১৩৩৮-১৩৪০, ১৩৪১-১৪৭৭, ২০০১-২০৩৪,৩০১১-৩৯৭৫,৩০৭৬-৩২৯৪, ৩৪৯২, ৩৪৯৩, ৩৫০১-৩৫০২ গ্রাম/মহল্লা: ১. দক্ষিন জয়পাড়া ২. উত্তর জয়পাড়া চৌধুরীপাড়া ৩. খাড়াকান্দা।

ওয়ার্ড নং৫- নুরপুর (মৌজা আংশিক) দাগ নং ৭৪-১৮১, ৪৫৩, ৪৭৪,জয়পাড়া (মৌজা আংশিক) দাগ নং ১৫০৬, ১৫০৭, ২১৯৯-২২৫৭, ২২৯৯-৩০১০, ৩২৯৫, ৩৪৭৬, গ্রাম/মহল্লা: ১. দক্ষিণ জয়পাড়া গাংপাড় (ওয়াপদা রাস্তার পূর্বপাড়), ২. দক্ষিন জয়পাড়া মাঝিপাড়া ৩. দক্ষিণ জয়পাড়া ঘোনা ৪. নুরপুর (ওয়াপদা রাস্তার পূর্ব অংশ)

ওয়ার্ড নং৬- নুরপুর (মৌজা আংশিক) দাগ নং ১-৭৩, ১৮২-৪৫০, বটিয়া মৌজা সম্পুর্ণ, লটাখোলা (মৌজা আংশিক) দাগ নং ২৭৯৪-২৭৯৫, ২৭৯৭-২৮০৭, ২৮০৯-২৮৮৮, ২৮৯০-২৮১২জয়পাড়া (মৌজা আংশিক) দাগ নং ২০৩৫-২১৯৮, ২২৫৮-২২৯৮, ৩৪৯১, ৩৫০৫, গ্রাম/মহল্লা: ১. চর লটাখোলা (অংশ) (লটাখোলা নতুন বাজার খাল হতে রাশেদ মোল্লা বাড়ীর ব্রীজ হয়ে নারিশা খাল) ২. বটিয়া, ৩. নুরপুর (ওয়াপদা রাস্তার পশ্চিম অংশ), ৪. দক্ষিন জয়পাড়া গাংপাড় (ওয়াপদা রাস্তার পশ্চিম অংশ)

ওয়ার্ড নং৭- ঘাটা মৌজা ০২ নং সিট সম্পূর্ণ
কাজিরচর (মৌজা আংশিক) দাগ নং ২১-২৭, ৩০-১১৬, ১১৯-১২০, ১২৩-১৩৭, ১৪০ ১৪৩, ১৪৫, ২৪৭-২৪৯, ২৫৩-২৫৫, ২৫৯ ২৬০, ২৬৩,২৬৫-২৬৮, ২৭১-২৭৩, ২৭৯-২৯২ সুতারপাড়া (মৌজা আংশিক) দাগ নং ৬৮৬-৭০৩, ২৬০১- ২৬৬৯, ৩২১০-৩২১৬, ৩২৭৮-৩৩২৭, ৩৩২৯, ৩৩৩২-৩৩৩৫ গ্রাম/ মহল্লা: ১. দোহার ঘাটা ২. কাজীর চর (পূর্ব অংশ) ৩. পূর্ব সুতারপাড়া (পশ্চিম অংশ)

ওয়ার্ড নং ৮- ঘাটা মৌজা ০৩ নং সিট সম্পূর্ণ, ঘাটা (মৌজা আংশিক) দাগ নং ৫৮-২০২২গ্রাম/মহল্লা: ১. বানাঘাটা ২. নিকড়া ৩. কাটাখালী।

ওয়ার্ড নং ৯- লঙ্করকান্দা মৌজা সম্পুর্ন,ইউসুফপুর মৌজা ০১ ও ০২ নং সিট সম্পূর্ণ,ঘাটা মৌজা (আংশিক) দাগ নং ০১-৫৭। গ্রাম/মহল্লা: ১. দক্ষিন ইউসুফপুর ২. রসুলপুর ৩. লম্বরকান্দা ৪. উত্তর ইউসুফপুর ৫. খালপাড় (খালের দক্ষিণ পাড়ের অংশ)

সংরক্ষিত ওয়ার্ড নম্বর ১, সংরক্ষিত ওয়ার্ডভূক্ত সাধারণ ওয়ার্ডসমূহের নম্বর ১, ২, ৩, সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সীমানা/চৌহদ্দি -পূর্বে: ইউসুফপুর, লস্করকান্দা,পশ্চিমে: নাগেরকান্দা গাং, উত্তরে: কাঠালীঘাটা ও রায়পাড়া, দক্ষিনে: জয়পাড়া কুঠিবাড়ি ব্যাঙ্গারচর গাজিপাড়া সড়ক,জয়পাড়া-লটাখোলা নদী

সংরক্ষিত ওয়ার্ড নম্বর ২: সংরক্ষিত ওয়ার্ডভূক্ত সাধারণ ওয়ার্ডসমূহের নম্বর ৪, ৫, ৬, সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সীমানা/চৌহদ্দি -পূর্বে: দোহারঘাটা
পশ্চিম: লটাখলা বিলাশপুর হয়ে নারিশা খাল
উত্তর: জয়পাড়া কুটিবাড়ি ব্যাঙ্গারচর গাজিপাড়া সড়ক, জয়পাড়া-লটাখোলা নদী
দক্ষিণে: মধুরচর ও কাজিরচর

সংরক্ষিত ওয়ার্ড নম্বর ৩,সংরক্ষিত ওয়ার্ডভূক্ত সাধারণ ওয়ার্ডসমূহের নম্বর ৭, ৮, ৯, সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সীমানা/চৌহদ্দি -পূর্বে রসুলপুর ও সুতারপাড়া,পশ্চিমে: ইউসুফপুর, লস্করকান্দা, দোহারঘাটা, পূর্বে রসুলপুর ও সুতারপাড়া
পশ্চিমে: ইউসুফপুর, লস্করকান্দা, দোহারঘাটা, কাজিরচর উত্তর: ইসলামপুর ও নবাবগঞ্জ উপজেলা
দক্ষিণে: সুতারপারাকাজিরচর উত্তর: ইসলামপুর ও নবাবগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণে: সুতারপারা

উক্ত প্রকাশিত সাধারণ ওয়ার্ড বিভক্তিকরণ (তফসিল) ছক-ক এবং পৌরসভার সংরক্ষিত ওয়ার্ড বিভক্তিকরণ (তফসিল) হক-খ এর এলাকাসমূহের বিষয়ে অর্ন্তভুক্তির দাবী অথবা অন্তর্ভুক্তির বিরুদ্ধে আপত্তি অথবা অর্ন্তভুক্তির সম্পর্কে সংশোধনীর দরখাস্ত পরবর্তী ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে ডেপুটি কমিশনার, ঢাকা মহোদয় বরাবর ব্যক্তিগতভাবে অথবা ডাকযোগে দাখিল করতে হবে।

এ বিষয়ে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএফএম ফিরোজ মাহমুদ নাঈম news39.net কে বলেন, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক আমরা দোহার পৌরসভার সীমানা নির্ধারণ করেছি। আমরা যে সীমানা নির্ধারণ করেছি সেটি চূড়ান্ত এবং আমরা এই সীমানা নির্ধারণের কপি ডিসি অফিসে পাঠাবো।

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে কোন আপত্তি অথবা অর্ন্তভুক্তি থাকলে পরবর্তী ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে ডেপুটি কমিশনার, ঢাকা মহোদয় বরাবর উক্ত ব্যাক্তিকে আপিল করতে হবে।

দোহার পৌরসভা ইঞ্জিনিয়ার মশিউর রহমান বলেন news39.net কে বলেন, দোহার পৌরসভা সীমানা নির্ধারণের দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে দোহার উপজেলায় ইউএনও ও এসিল্যান্ড এর উপর। আর দোহার পৌরসভা থেকে যেসব ঘরের নেমপ্লেট ও হোল্ডিং নাম্বার দেওয়া হয়েছে, নতুন সীমানা অনুযায়ী সেটি পরিবর্তন এর জন্য সরকার যে নির্দশনা দিবে, সেই অনুযায়ী আমরা কাজ করবো।

নেমপ্লেট ও হোল্ডিং নাম্বার পরিবর্তন এর জন্য গ্রাহকের কাছে থেকে বাড়তি টাকা নেওয়া হবে কি-না এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নিবে। এটি তো অনেক পরের বিষয়।