মেঘুলায় আগুনে পুড়লো ১৩ দোকানীর কোটি টাকার স্বপ্ন

শরিফ জুবায়ের, বিশেষ সংবাদদাতা, news39.net: শুক্রবার রাত ২টার দিকে দোহার উপজেলার মেঘুলা বাজারে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গেছে বেশকয়েকটি দোকান। আগুনে পুড়ে গেলো ১৩ দোকানীর কোটি টাকার স্বপ্ন। তবে, বাজার ব্যবসায়ীদের দাবি কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স, দোহার কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার, শহিদুল আলম জানান, শুক্রবার রাত ৩টায় আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলের আগুন নেভাতে কাজ করে ৩টি ইউনিট। প্রায় এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় রাত সোয়া ৪ আগুন নেভাতে সক্ষম হই। তবে তার আগেই পুড়ে যায় ১৩টি দোকান ও মজুদ মালামাল। এই দোকানগুলোর মধ্যে মুদি দোকান, কাপড়, স্টেশনারি, কসমেটিকস ও কাঁচা সবজির দোকান।

মেঘুলা বাজার সমিতির সভাপতি কাজী রুবেল জানান, আমি রাতে খবর পেয়ে দোহার থানা ও ফায়ারসার্ভিসে খবর জানাই। এরই মাঝে ব্যবসায়ীদের অনেক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। আমার ধারণা ব্যবসায়ীদের সব মিলিয়ে প্রায় এক কোটি টাকার বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল বলেন, আমাদের ধারণা কাচাঁ সবজির দোকানে বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

জয়পাড়ায় দোহার পৌরসভার উচ্ছেদ অভিযান

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলা পরিষদ সংগল্গ রতন চত্বরে উদ্ধেদ অভিযান চালিয়েছে দোহার পৌরসভা। দোহার পৌরসভার রাস্তা ও সরক্য়রি জায়গায় গড়ে উঠা অবৈধ এই দোকান পাটের উদ্ধেদ অভিযান চালায় দোহার পৌরসভা। ৫ জানুয়ারি বুধবার সকালে এই অভিযান চালানো হয়।

দোহার পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শক রোকনুজ্জামান বলেন, আমরা এখানে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছি, সাধারণত যারা দোহার পৌরসভার সরকারি জায়গা দখল করে, সরকারি নিয়ম না মেনে দোকান নিমার্ণ করে অবৈধভাবে দোকান করছেন। তাদের দোকান গুলো উচ্ছেদ করা হচ্ছে।

উচ্ছেদ হওয়ায় দোকান মালিক সুভর শীল (৫৫) বলেন, আমরা গরিব মানুষ। আমি এখানে অনেক বছর যাবত দোকান করি। আমরা দোকান করি এটা অবৈধ কিছুই নাহ, পেটের দায়ে দোকান করে খেতাম। আজ আমাদের দোকান উচ্ছেদ করে দিয়ে গেল।

পাশের এক চা দোকান মালিক শান্তিমালা ঘোষ (৫৭) বলেন, আমি এখানে ২-৩ বছর যাবত চা বিক্রি করি। আমাদের কোন জায়গা নাই যে, সেখানে গিয়ে আমরা দোকান করবো। তাই এখানে বসে চা বিক্রি করতাম, এখন দোহার পৌরসভা থেকে আমাদের উচ্ছেদ করে দেওয়া হচ্ছে । আমাদের কিছুই করার নেই।

এ বিষয়ে ইন্জিনিয়ার মুশিউর রহমান এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমার জায়গা থেকে আমি কাজ করে যাচ্ছি। আমার দায়িত্ব আমি পালন করতেছি। আমার কাজ হলো পরিষ্কার পরিছন্নতা পদক্ষেপ গ্রহণ করা। আমি তাদেরকে একদিন আগে জানিয়েছি, তারা কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি, এর জন্য আমরা আজ এ অভিযান চালিয়েছি। আমরা আগামিকাল পশ্চিম পাশে আমরা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য অভিযান চালাবো।

দোহারে ইউপি নির্বাচনে পোস্টার ব্যানার অপসারণ নির্দেশনা 

ঢাকার দোহার উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন ঘিরে বিভিন্ন স্থানে পোষ্টার ব্যানার ফেস্টুনের মধ্যেমে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা চলেছে। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের পোস্টারে ছেয়ে গেছে রাস্তাঘাট। চায়ের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ ও পাড়া-মহল্লায় চলছে প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা।

ষষ্ঠ ধাপে ৩১ জানুয়ারী দোহার উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন নয়াবাড়ি, কুসুমহাটি, বিলাসপুর, নারিশা ও মুকসুদপুরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে পাঁচ ইউনিয়নে ৫ জনকে নমিনেশন দেওয়া হয়েছে। চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ৩৬ জন নমিনেশন জমা দিয়েছে। মেম্বার পদে ১৬১ জন নমিনেশন জমা দিয়েছে। সংরক্ষিত আসনে ৪৫ জন নমিনেশন জমা দিয়েছে।

এসব প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনী পোস্টার ব্যানার ফেস্টুন ইত্যাদি, ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে টানিয়ে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছিল। দোহার উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের তাদের এই প্রচার প্রচারণা ফেস্টুন,ব্যানার পোস্টার অপসরণের নির্দেষ দেওয়া হয়েছে।

এবিষয়ে দোহার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এ এফএম ফিরোজ মাহমুদ বলেন, পাঁচটি ইউনিয়নের সকল ধরনের নির্বাচনী পোস্টার,ব্যানার, ফেস্টুন ইত্যাদি অপসারন করতে হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে এটি কর্যাক্রম শুরু হবে। পাশাপাশি মোবাইল কোর্টও পরিচালনা করা হবে।

নবাবগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে ৮৬ জনের মনোনয়নপত্র জমা

ষষ্ঠ ধাপের ইউপি নির্বাচনে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৮৬ জন প্ররার্থী চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এছাড়া মেম্বার পদে জমা হয়েছে ৫০১ টি ও সংরক্ষিত মহিলা আসনে জমা হয়েছে ১৫৩টি মনোনয়ন পত্র। সব মিলিয়ে নবাবগঞ্জে ভোট যুদ্ধে অংশ নিচ্ছেন ৭৪০ জন প্রার্থী।

সোমবার (৩ জানুয়ারী) বিকাল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়ন জমা নেওয়া হয়। জমা শেষে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা মো.সাইদুর রহমান মনোনয়নপত্র জমার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এসময় তিনি বলেন,সকল প্রার্থীরা নির্বাচনী আচরণ বিধি মেনে সুষ্ঠ ও সুন্দর ভাবে আজ মনোনয়ন দাখিল করেছেন।
নবাবগঞ্জ উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমা দিলেন যারা
শ্বিকারীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদঃ বর্তমান চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ মনোনীত আলীমোর রহমান খান পিয়ারা, মো.বাদল মিয়া, মো.আইয়ুব মোল্লা, রনি, শিরিম রহমান।
জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নঃ  বর্তমান চেয়ারম্যান মো.মাসুদুর রহমান, আওয়ামী লীগ মনোনীত রেশমা আক্তার, মো.দেলোয়ার হোসেন, রতন চন্দ্র বসাক, মো.কামাল হোসেন খান, মো.কালাম।
বারুয়াখালী ইউনিয়নঃ আওয়ামী লীগ মনোনীত এম এ বারী বাবুল মোল্লা, লাবু, মো.বাঈ, ফিরোজ, মুন্না ভূইয়া।
নয়নশ্রী ইউনিয়নঃ  বর্তমান চেয়ারম্যান মো.রিপন মোল্লা, আওয়ামী লীগ মনোনীত মো.পলাশ চৌধুরী,  মোরাদ আলী সিকদার, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, শ্যামল সরকার, মো.মাসুদ মোল্লা।
বান্দুরা ইউনিয়নঃ বর্তমান চেয়ারম্যান মো.হিল্লাল মিয়া, আওয়ামী লীগ মনোনীত মো.হুমায়ুন কবির, মোহাম্মদ কামাল হোসেন, মো.সামছুল হক, মো.সুলতান উদ্দিন, শেখ রুবেল, কাজী মো.জসিম উদ্দিন।
যন্ত্রাইল ইউনিয়নঃ আওয়ামী লীগ মনোনীত একেএম মনিরুজ্জামান, মো.নূর আলম, ওয়াহিদুল হক খান,  অসীম কুমার সরকার।
কলাকোপা ইউনিয়নঃ বর্তমান চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ মনোনীত মো.ইব্রাহীম খলিল, তুষার আহমেদ, মো.ওয়াহিদুজ্জামান রনি, মো.হাবিবুর রহমান খোকন।
শোল্লা ইউনিয়নঃ  বর্তমান চেয়ারম্যান দেওয়ান তুহিনুর রহমান, আওয়ামী লীগ মনোনীত মো.মিজানুর রহমান ভূইয়া, মোহাম্মদ ফজলুল হক, বাবুল হোসেন, নজির আহম্মদ, মোহাম্মদ আবুল বাশার।
বক্সনগর ইউনিয়নঃ  বর্তমান চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ মনোনীত আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া, এরশাদ আল মামুন, মো.পলাশ, শামীমূল আহাদ রনক, সাওকাত আলী, কাজী আব্দুল আওয়াল, শেখ আবুল হোসেন, জুনায়েদ বাতেন, মো.সামছুল সালেহীন লিংকন।
বাহ্রা ইউনিয়নঃ  বর্তমান চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ মনোনীত মো.সাফিল উদ্দিন মিয়া, মো.সুবেদুজ্জামান (সুবেদ), পত্তনদার মো.রকিবুর রহমান রাকিব, মো.ফরিদ খান, মোহাম্মদ কাইবুল।
কৈলাইল ইউনিয়নঃ বর্তমান চেয়ারম্যান মো.পান্নু মিয়া, আওয়ামী লীগ মনোনীত বশির আহমেদ, নাসির উদ্দিন আহমেদ, মো.হুমায়ুন কবীর, মো.আমানউল্লাহ, আলী আহাম্মদ, মো.ফালু মোল্লা, মো.সুমন খান কবি, শামীম মুহাম্মদ।
আগলা ইউনিয়নঃ বর্তমান চেয়ারম্যান আবেদ হোসেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত শিরিন চৌধুরী, জিয়াউল ইসলাম, মো.মনির হোসেন, এসএম মোস্তারিন, মো.শাহীনুজ্জামান, মো.দুলাল হোসেন, এসএম ইমরান হোসেন।
গালিমপুর ইউনিয়নঃ বর্তমান চেয়ারম্যান তপন মোল্লা, আওয়ামী লীগ মনোনীত মো.আজিজুর রহমান ভূইয়া, মো.রেজাউর রহমান, মো.মিজানুর রহমান, মো.নূর আলম, তৌহিদুর রহমান খান, রফিক হোসেন খান।
চুড়াইন ইউনিয়নঃ  বর্তমান চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ মনোনীত মো.আব্দুল জলিল, মো.ফরিদ সরকার, আবু সাইদ, আব্দুল জব্বার ভূইয়া, আনোয়ার হোসাইন।

দোহারে ন্যায্য মজুরির দাবিতে নির্মাণ শ্রমিকদের র‍্যালি ও স্মারকলিপি প্রদান

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত নির্মাণ শ্রমিকদের জন্য নিন্মতম মজুরি গেজেট বাস্তবায়ন, গেজেট মোতাবেক প্রতি স্কয়ার ফিট পিসরেট নির্ধারণ, কর্মক্ষেত্রে দূর্ঘটনার শিকার শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের দাবিতে র‌্যালি ও স্বারকরিলি প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে দোহার উপজেলার করমআলীর মোড় হতে নির্মাণ শ্রমিকদের জন্য নিন্মতম মজুরি গেজেট বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদের আয়োজনে র‌্যালিটি বের হয়ে জয়পাড়া বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা প্রাঙ্গণে এসে আলোচনা সভার মাধ্যমে শেষ হয়। এসময় সরকারের কাছে তাদের দাবি, দ্রুত সময়ে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান শ্রমিক নেতারা। পরে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন তারা।

সে সময় দোহার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এ এফএম ফিরোজ মাহমুদ তাদেরকে জানান, আমি এটি জেলায় পাঠাবো সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রীর কর্যালয় যাবে।

তিনি আরো বলেন, আপনাদের এই বিষয় নিয়ে আমরা দোহারের সব ঠিকাদার এবং শ্রমিকদের নিয়ে একটি মতবিনিময় সভা করবো।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাহ আলম ভূঈয়া, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের সদস্য আতিকুল ইসলাম টিটু, ঢাকা মহানগরের সদস্য এ্যাড. বেলায়েত হোসেন নয়ন, দোহার উপজেলা এমারত নির্মাণ সমিতির সহ-সভাপতি সির্জন কারাল, ইখলাস শিকদার, সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান উদ্যম, সাংগঠণিক সম্পাদক হিরন মাদবর, সদস্য আব্দুল আলিম,আছলাম হোসেন,তারা মিয়া, মোহন শেখ,মাঈনুল হোসেন,আব্দুর রাজ্জাক, মো.হারুন প্রমুখ।

দোহার নৌ পুলিশের এক বছরের সাফল্য গাঁথা 

ঢাকা দোহার উপজেলার কুতুবপুর নৌ পুলিশের অভিযানে গত এক বছরে ব্যাপক পরিমানে অবৈধ কারেন্ট জাল সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ ভেশাল জাল, কোনা জাল, চায়না দোয়াইর জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে।

গত জানুয়ারী ২০২১ থেকে ডিসেম্বর ২০২১ এক বছরের অভিযানে যে পরিমান অবৈধ জাল ধ্বংস ও মাছ জব্দ করেছে তাতে বিগত বছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি সাফল্য অর্জন করেছে কুতুবপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ি।

কুতুবপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ শামছুল আলমের নেতৃত্বে তার সঙ্গীয় ফোর্সের সহযোগিতায় গত এক বছরে দোহারের পদ্মানদীর অংশে অভিযান পরিচালনা করে ১,০৯,০৩,৮০০(এক কোটি নয় লক্ষ তিন হাজার আটশত) মিটার কারেন্ট জাল, ১৫০০০(পনেরো হাজার) মিটার কোনাজাল, ৪৪০০০(চুয়াল্লিশ হাজার) মিটার ভেশাল জাল এবং সেই সাথে ১৩০০(তেরোশত) বস্তা ও ২৩৭ পিছ চায়না দোয়াইর জব্দ করা হয়েছে। যার মোট বাজার মূল্য ছিলো ৩২,৮৮,৮৪০০০/=(বত্রিশ কোটি আটাশি লক্ষ চুরশি হাজার টাকা)।

সেই সাথে অভিযানে মোট ৭৭৭(সাতশত সাতাত্তর) কেজি জাটকা মাছ, ও ১১৭(একশত সতেরো) কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়। যার মোট বাজার মূল্য ছিলো ২,৯১,৬০০/=(দুই লক্ষ একানব্বই হাজার ছয়শত) টাকা।
জব্দকৃত ইলিশ মাছ স্থানীয় বিভিন্ন মাদ্রাসা ও এতিমখানা ও আবাসন প্রকল্পের শিশুদের মাঝে বিতরন করা হয়েছে। এবং নিয়মিত মামলা হিসেবে মোট ১৮টি মামলা করা হয়েছে গত এক বছরে।

গত বছরের সাফল্যের জন্য সকল সহযোগীদের ধন্যবাদ জানিয়ে কুতুবপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ শামছুল আলম বলেন, আমি সবসময় আমার দ্বায়িত্বরত এলাকায় আমার সঙ্গীয় ফোর্সসহ নদী পথকে ঠিক রাখতে কাজ করেছি। নদী পথকে সন্ত্রাসী ও ডাকাত মুক্ত রাখতে সর্বদা আমার ফোর্স দোহারের পদ্মানদীতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। গত বছর নদীতে ডাকাতির সময় আমরা সাত ডাকাতকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করেছি। এছাড়াও ইলিশ মাছ সংরক্ষণে দিন রাতে কাজ করছি। আমরা আমাদের অভিযানে নিয়মিত অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। আর এই কাজে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয়রাও আমাদের সহযোগিতা করে আসছে। আমি যতদিন আছি আমাদের এ সাফল্যে ধরে রাখবো ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে আমাদের দোহারের নদীপথ সম্পূর্ণ নিরাপদ। আমাদের কুতুবপুর নৌ পুলিশের সদস্যরা সবসময় নদী পথকে সুরক্ষিত রাখতে কাজ করে যাচ্ছে। নিরাপদে নৌ-যান চলাচল করতে পারছে। সততা ও নিষ্ঠার সাথে আমরা সবসময় আমাদের দ্বায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।

দোহারে দুই বাড়িতে হামলা,ভাংচুর

ঢাকার দোহার উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুসুমহাটি ইউনিয়নের সুন্দরীপাড়া এলাকায় নান্নু শরীফ ও মোক্তার হোসেনের বাড়িতে শুক্রবার সকালে হামলার ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে কার্তিকপুর এলাকার রহুল আমিন নামে এক ব্যক্তির পাওনা টাকা দেয়ার বিষয়ে মো.আলী শরিফের কাছে জানতে চান তার আত্মীয় নান্নু শরীফ। এসময় তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সিরাজ শরীফ ও মো.আলী শরিফ নান্নু শরীফকে শারীরিবভাবে লাঞ্ছিত করেন।

একই দিন সন্ধ্যায় বিষয়টি পারিবারিকভাবে সমাধানের জন্য বসলে আবারও নান্নু শরিফকে লাঞ্ছিত করেন মো.আলী। এসময় নান্নু শরিফের ছেলে শামিম শরীফ প্রতিবাদ জানায়। পরে মো.আলী শামিমসহ তার পরিবারকে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়ে বেড়িয়ে যায়। ঘটনার একদিন পর শুক্রবার সকাল ১০ টার দিকে শিরাজ শরিফ, মো.আলী শরিফ,মারুফ শরিফ ও শিফাত শরীফসহ আরও ১০/১২ জন মুখ বাঁধা অবস্থায় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে নান্নু শরিফের বাড়িতে ঢুকে হামলা চালায় ও দরজা জানালা ভাংচুর করে। এসময় সিসিটিভি ক্যামেরার ডিভিআর ভেঙ্গে হার্ডডিস্ক নিয়ে যায়। তবে এই ঘটনায় কোন হতাহত হয়নি।

শাহানাজ বেগম (৬৫), স্বামী আব্দুর রহমান শরীফ ওরফে নান্নু শরীফ, থানা অভিযোগ দায়ের করেন বিবাদী গন ১। মোহাম্মদ আলী শরীফ (৫০), পিতা-মৃত রশিদ শরীফ, ২। সিরাজ শরীফ (৪৫), পিতা-মৃত রশিদ শরীফ, ৩। লিটন শরীফ (৪০), পিতা-মৃত রশিদ শরীফ, ৪। মারুফ শরীফ (২১), পিতা-সিরাজ শরীফ, ৫। সিফাত শরীফ (১৯), পিতা-মোহাম্মদ আলী শরীফ, সর্ব সাং-সুন্দরীপাড়া, থানা-দোহার, জেলা-ঢাকাগনসহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জনদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, জনৈক রুহুল আমিন মৃধা (৫৫) উল্লেখিত ০১ নং বিবাদী মোহাম্মদ আলী শরীফ (৫০) এর কাছ হইতে ৭,০০০/- টাকা পায়। উক্ত টাকা ফেরত না পাওয়ায় উক্ত রুহুল আমিন মৃধা (৫৫) আমার স্বামী আব্দুর রহমান শরীফ ( নান্নু শরীফ) এর নিকট উক্ত টাকা সংক্রান্তে বিচার দেয়। আমার স্বামী ০১ বিবাদী মোহাম্মদ আলী শরীফ (৫০) ও ০২ নং বিবাদী সিরাজ শরীফ (৪৫) দ্বয়কে ভাতিজা হিসাবে জিজ্ঞাসাবাদ করায় তাহারা আমার স্বামীর উপর ক্ষিপ্ত হইয়া উঠে এবং এলোপাথারী চর থাপ্পর মারিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফলা জখম করে।

নান্নু শরিফের স্ত্রী শাহনাজ বেগম জানান, আমার স্বামী ও ছেলেকে মেরে ফেলতে এমন আক্রমন করা হয়েছে। আমরা ২য় তলার গেইট বন্ধ করে দেয়ায় সবাই প্রাণে বেচে যাই। আমরা প্রতিনিয়ত এখন নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। আমি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠ বিচার চাই।

অভিযোগে আরো বলেন,আমার বসত বাড়ীর মুল লোহার গেইট ভাঙ্গিয়া অনধিকার প্রবেশ করিয়া আমার দোতলা বিল্ডিং এর লোহার মেইন গেইট সহ বাসার মোট ০৩ টি লোহার গেইট, চিলে কোটার ০১ টি, জানালার ০২ টি, মোট ০৩ টি থাই গ্লাস ভাঙ্গচুর করিয়া অনুমান ২,০০,০০০/- টাকা ক্ষতিসাধন করে এবং ০৪ টি বন্ধ সিসি ক্যামেরা নিয়ে যায়। যাহার মূল্য অনুমান ৫,০০,০০০/- টাকা। ।

এরপর উক্ত বিবাদীরা আমার একতালা বিল্ডিং (যাহা জনৈক শিক্ষক সাইফুল সাহেব এর নিকট ভাড়া দিয়েছি) এর ০৮ জোড়া জানালা ভাঙ্গিয়া ক্ষতিসাধন করে। যাহার মূল্য অনুমান ৮০,০০০/- টাকা। বিবাদীরা উক্ত ০১ তলা ভবনের ভিতরে প্রবেশ করিয়া একটি কক্ষের ( এখনে আমার নাতনি বসবাসরত) মালামাল তছনচ করে এবং ০৪ নং বিবাদী মারুফ শরীফ (২১) একটি এনড্রয়েট মোবাইল সেট ফোন নম্বর- নিয়ে যায়। যাহার মূল্য অনুমান ৩৫,০০০/- টাকা,
০৩ নং বিবাদী লিটন শরীফ (৪০) সোকেজের ড্রয়ারে থাকা ৭০,০০০/- টাকা নিয়ে যায়। আমার বড় ছেলের বউ ইয়াসমিন আক্তার (৩৫) ও মেঝ ছেলের বউ মৌ (২৫) বউ চিৎকার করিলে বিবাদী ০১ নং বিবাদী মোহাম্মদ আলী শরীফ ০২ নং বিবাদী সিরাজ শরীফ (৪৫) এবং ০৫ নং বিবাদী সিফাত শরীফ (২১) তাদের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে এবং অপহরণ করার হুমকি দেয়। একপর্যায়ে আমিসহ আমার ছোট ছেলে শামিম শরীফ (২৬) দোতালার বেলকনিতে এলে হলে উক্ত বিবাদীসহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন বিবাদীরা আমাদেরকে জীবনে মারিয়া ফেলার হুমকি প্রদান করে। পরবর্তীতে আমাদের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন আগাইয়া আসিলে উক্ত ০১ বিবাদী মোহাম্মদ আলী শরীফ (৫০) ২ নং বিবাদী সিরাজ শরীফ আমার ছোট ছেলে শামীম শরীফ (২৬) হাত পা ও কাটিয়া পদ্মা নদীতে ফেলা দেওয়ার হুমকি প্রদান করিয়া চলিয়া যায়।

এদিকে নান্নু শরীফের পক্ষে কথা বলায় প্রতিবেশী মুক্তার হোসেনের বাড়িতেও হামলা চালায় মো.আলী শরিফ গংরা। এই বিষয়ে মুক্তার হোসেন জানান, আমার ছেলে প্রতিবাদ করায় আমার বাড়িতেও হামলা চালানো হয়েছে। আমি এর বিচার চাই। ২৯তারিখ ঘটনার জের ধরিয়া গত ইং ৩১/১২/২০২১ তারিখ সকাল অনুমান ৯ঃ৩০ ঘটিকার সময় উক্ত বিবাদীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ঘটনা ঘটায় এর পর দোহার থানায় লিখিত অভিযোগ করেন নান্নু শরিফের স্ত্রী শাহনাজ বেগম।

অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা দোহার থানার এস আই শুভাষ দত্ত জানান, এবিষয়ে অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষ পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত মো.আলী শরিফের বাড়িতে গেলে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে তার মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমরা কেউ হামলার সময় ঘটনাস্থলে ছিলাম না। এটি কতটুকু সত্য তা জানিনা। আমাদের উপর মিথ্যা অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

নবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন পেলেন দুই মহিলা প্রার্থী

স্টাফ রিপোর্টারঃ নারীর ক্ষমতায়ন বাড়াতে এবার দশম ইউনিয়ন পরিষদ সাধারণ নির্বাচনে ঢাকা জেলার দোহার ও নবাবগঞ্জের মধ্যে নবাবগঞ্জ উপজেলার জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের রেশমা আক্তার ও আগলা ইউনিয়নের শিরিন চৌধুরীকে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

এই উপজেলায় প্রথম বারের মত দুইজন মহিলা প্রার্থীকে নৌকা প্রতীক দেয়া হলো। রেশমা আক্তার জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত আবুল হোসেনের মেয়ে।

তিনি বর্তমানে নবাবগঞ্জ উপজেলা মহিলা লীগের সহ-সভাপতি ও ঢাকা জেলা দক্ষিণ মহিলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে শিরিন চৌধুরী আগলা ইউনিয়ন থেকে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন পেয়েছেন। শিরিন চৌধুরী আগলা ইউনিয়নের বাঢ়িখালী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি দলের যুগ্ম আহবায়ক ঢাকা জেলা দক্ষিণ মহিলা আওয়ামী লীগ ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ঢাকা জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের দায়িত্ব পালন করেছেন।

দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার মধ্যে এই দুইজন মহিলা প্রার্থীকেই আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দিয়েছেন। দোহারে কোন মহিলা প্রার্থী নেই। সেক্ষেত্রে অনেকের দৃষ্টি থাকবে এই দুই প্রার্থীর দিকে।

নবাবগঞ্জে নৌকার মাঝি হলেন যারা

News39.net: আগামী ৩১ জানুয়ারি আসন্ন ইউনিয়ন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামিলীগের নবাবগঞ্জের ১৪টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদের জন্য নৌকা প্রতীক চূড়ান্ত করেছে বলে জানা গিয়েছে। শনিবার রাতে এই ১৪টি ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হবেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নবাবগঞ্জে নৌকার মাঝি হলেন যারাঃ
নৌকা পেলেন যারা
১। আগলা ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক পেলেন- শিরিন চৌধুরী।
২। চূড়াইন ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক পেলেন- মো.আব্দুল জলিল।
৩। গালিমপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক পেলেন- মো.আজিজুর রহমান ভূইয়া।
৪। বাহ্র ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক পেলেন- মো.সাফিল উদ্দিন মিয়া।
৫। বক্সনগর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক পেলেন- মোঃ আঃ ওয়াদুদ।
৬। কলাকোপা ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক পেলেন- মোঃ ইব্রাহিম খলিল।
৭। শোল্লা ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক পেলেন- মিজানুর রহমান ভূইয়া কিসমত।
৮। কৈলাইল ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক পেলেন- বশির আহমেদ।
৯। বান্দুরা ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক পেলেন- মোঃ হুমায়ুন কবীর
১০। বারুয়াখালী ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক পেলেন- এম এ বারি বাবুল।
১১। নয়নশ্রী ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক পেলেন- মোঃ পলাশ চৌধুরী।
১২। শিকারীপাড়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক পেলেন-
আলীমোর রহমান খান পিয়ারা।
১৩। জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক পেলেন- রেশমা আক্তার।
১৪। যন্ত্রাইল ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক পেলেন- এ কে এম মনিরুজ্জামান।

দোহারে নৌকার মাঝি হলেন যারা

News39.net: আগামী ৩১ জানুয়ারি আসন্ন ইউনিয়ন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামিলীগের দোহারের পাঁচটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদের জন্য নৌকা প্রতীক চূড়ান্ত করেছে বলে জানা গিয়েছে। শনিবার রাতে এই পাঁচ ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হবেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দোহারে নৌকার মাঝি হলেন যারাঃ
১. নয়াবাড়ি ইউনিয়নে নৌকা প্রতিক পেলেন – তৈবুর রহমান তরুণ।
২. কুসুমহাটি ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক পেলেন – আবদুল কাদের মন্ডল।
৩. বিলাশপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক পেলেন – রাশেদ চোকদার।
৪. নারিশা ইউনিয়ন নৌকা প্রতীক পেলেন – আলমগীর হোসেন।
৫. মুকসুদপুর ইউনিয়ন নৌকা প্রতীক পেলেন– অধ্যাপক আব্দুল হান্নান।