দোহারে আলোকচিত্র প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

শরিফ হাসান, স্টাফ রিপোর্টার, news39.net: দোহার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দোহারের ঐতিহ্য ও প্রকৃতি নিয়ে আয়োজিত আলোকচিত্র প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব এ এফ এম ফিরোজ মাহমুদ।

এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব এ এফ এম ফিরোজ মাহমুদ বলেন, এসব ছবিতে উঠে এসেছে দোহারের নৈসর্গিক প্রাকৃতিক দৃশ্য, সামাজিক, ইতিহাস ও ঐতিহ্য। দোহার উপজেলা প্রশাসন দ্রুতই দোহারে ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষার্থে পদক্ষেপ নিচ্ছে। আর এসব ছবি দিয়ে আমরা একটি আর্কাইভ করবো।
দোহারের ঐতিহ্যবাহী হাতে বুনা তাঁতের লুঙ্গি, যা জয়পাড়ার লুঙ্গি নামে সারাদেশে পরিচিত। আজ থেকে প্রায় দু’শত বছর আগে জীবন-জীবিকার তাগিদে খুব ভালোভাবেই গোড়াপত্তন হয়েছিল এ শিল্পের। সেসময় উপজেলার মোট জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ লোক সরাসরি এ পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। দেশ স্বাধীনের আগে এ শিল্পের স্বর্ণযুগ ছিল।

তবে আশির দশকে মেশিনের সাহায্যে তৈরি লুঙ্গি কম দাম হওয়ায় মানুষজন ওদিকেই ঝুঁকতে থাকে। কিন্তু গুণাগুণের দিক বিবেচনা করলে হাতের সাহায্যে বুনানো লুঙ্গি সবদিক থেকেই উন্নত। যে কারণে রুচিশীল মানুষের কাছে প্রথম পছন্দ দোহারের তাঁতের সাহায্যে বুনা লুঙ্গি। নানা প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলা করে অতীত ঐহিত্যকে ধরে রেখে এখনো তৈরি হচ্ছে দোহারের হাতে বুনা তাঁতের লুঙ্গি।

দোহার উপজেলা প্রশাসন দোহারের এই ঐতিহ্যবাহী তাঁতের লুঙ্গি ইতোমধ্যেই উপজেলা ব্রান্ডিং হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

পুরস্কার বিজয়ী ও নিউজ৩৯ এর বার্তা সম্পাদক মাসুম পারভেজ রবিন বলেন, নিজ এলাকায় নিজ মাতৃভূমির জন্য এরকম পুরস্কার নিঃসন্দেহে আনন্দায়ক। এটি সামনে দোহারে ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষার্থে আরও ভালো কাজের জন্য প্রেরণাদায়ক হবে বলে, আমি বিশ্বাস করি।

প্রতিযোগিতায় বিজয়ীরা হলেন ১ম স্থানঃ জনাব আতিকুর রহমান রাফিন, পশ্চিম লটাখোলা, দোহার পৌরসভা, দোহার, ঢাকা; ২য় স্থানঃ জনাব মু মাসুম পারভেজ, উত্তর জয়পাড়া কুঠিবাড়ি, দোহার, ঢাকা; ৩য় স্থানঃ জনাব বিল্লাল মাহমুদ, মাহমুদপুর, দোহার, ঢাকা; ৪র্থ স্থানঃ জনাব অশ্রু দেওয়ান, পশ্চিম লটাখোলা, দোহার, ঢাকা; ৫ম স্থানঃ জনাব মোঃ রাকিব হোসাইন, দোহার, ঢাকা; ৬ষ্ঠ স্থানঃ জনাব তাফসির আহমেদ খান, দক্ষিণ শিমুলিয়া, নারিশা, দোহার, ঢাকা; ৭ম স্থানঃ জনাব আবির মাহমুদ, উত্তর জয়পাড়া, দোহার পৌরসভা, দোহার, ঢাকা; ৮ম স্থানঃ জনাব সিয়াম হোসাইন, জয়পাড়া গাঙপাড়, দোহার, ঢাকা; ৯ম স্থানঃ জনাব ইমন আফনান আফিফ, কার্তিকপুর, দোহার, ঢাকা; ১০ম স্থানঃ জনাব সাজিদ ইসলাম অর্ক, দোহার, ঢাকা; ১১তমঃ জনাব আবু ফাহাদ সৈকত, দক্ষিণ জয়পাড়া, দোহার, ঢাকা; ১২তমঃ জনাব আরিফ হোসাইন, দোহার ঢাকা।

প্রতিযোগিতায় ২য় স্থান অর্জন করেছেন নিউজ৩৯ এর বার্তা সম্পাদক ও বিডিজবস২৪ এর এক্সিকিউটিভ অফিসার মাসুম পারভেজ রবিন।আলোকচিত্র শিল্পী হিসাবে মাসুম পারভেজ রবিন এর আগে দুটি আন্তর্জাতিক এক্সিবিশনে অংশ নিয়েছিলেন। এইগুলো হলো 150 Snaps Photo Contest & Exhibition Season-2, 2016 ও “Chittagong Hill Tracts: People and Nature” দৃক গ্যালারি।

দোহার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত এই আলোকচিত্র প্রতিযোগিতায় দোহারের ১০০ জন আলোকচিত্রীর প্রায় পাঁচ শতাধিক ছবি জমা পড়ে। প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত আলোকচিত্রী জনাব পিনু রহমান।

নবাবগঞ্জ উপজেলায় পানিতে ডুবে শিশুর করুণ মৃত্যু

news39.net: নবাবগঞ্জ উপজেলার মাঝির কান্দা গ্রামে পানিতে ডুবে চার বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তার নাম আব্দুর রহমান। পিতা মাতার সাথে সৌদি আরবে বসবাস করতো। মায়ের সাথে তিন মাস পূর্বে বাড়িতে বেড়াতে এসেছে। সে সৌদি প্রবাসী মো. সুহেল মিয়ার একমাত্র ছেলে। সুহেল মিয়া আজ বৃহস্পতিবার সৌদি আরব থেকে আসার পর জানাজা শেষে মাঝির কান্দা কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গতকাল দুপুরে খেলাধুলা করছিল । দীর্ঘক্ষণ দেখতে না পেয়ে নিহতের মা প্রতিবেশীর বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। না পেয়ে বাড়ির থেকে একটু দূরে ডোবায় পানিতে সন্দেহ হলে জাল দিয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে পানিতে মৃত্যু অবস্থায় উদ্ধার করে।

দোহারে শান্তির অভিযাত্রী ছাত্র ও সমাজকল্যাণ সংগঠন এর নতুন কমিটি গঠন

তাজওয়ার মুহাম্মদ মুনির কে সভাপতি এবং রফিকুল ইসলাম জয় কে সাধারণ সম্পাদক করে শান্তির অভিযাত্রী ছাত্র ও সমাজকল্যাণ সংগঠন এর ৪র্থ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২৭ ডিসেম্বর, সোমবার বাদ মাগরিব সংগঠন এর কার্যালয়ে উক্ত কমিটি ঘোষণা করা হয়। উক্ত কমিটি ২০২২-২৩ সেশন এর জন্য গঠন করা হয়েছে। কমিটির বাকি সদস্যবৃন্দ হলেন,
সহ-সভাপতিঃ দেলোয়ার জাহান
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকঃ আদনান মাহমুদ
অর্থ সম্পাদকঃ জাহাঙ্গীর হোসেন
সাংগঠনিক সম্পাদকঃ ওমর ফারুক
দপ্তর সম্পাদকঃ ইব্রাহিম খাঁন
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকঃ মোঃ রনি
শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদকঃ আরাফাত হোসেন বাঁধন
সমাজসেবা সম্পাদকঃ মোঃ আনোয়ার হোসেন
তথ্য ও পাঠাগার সম্পাদকঃ আবু বকর
স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পাদকঃ মোঃ ফয়সাল
নির্বাহী সদস্যঃ
মোঃ রোকন
মোঃ ইসমাইল
মোঃ জুনায়েদ

নবাবগঞ্জের মাঝিরকান্দায় সড়কদুর্ঘটনা: ৩ জন ঘটনাস্থলে নিহত

সোমবার সকাল ৮টার দিকে নবাবগঞ্জ উপজেলার মাঝিরকান্দায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ৩জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত একজনকে তাৎক্ষণিক নবাবগঞ্জ উপজেলা সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রিফাত হোসেন নিউজ৩৯কে বলেন, একটি দ্রুতগামী বালির ট্রাক চালনাই ব্রীজ থেকে নবাবগঞ্জের দিকে যাচ্ছিলো। এসময় হটাৎ করেই একটা অটোরিকশা চালনাই আঞ্চলিক মহাসড়ক থেকে মাঝিরকান্দা ব্রীজের প্বার্শবর্তী বান্দুরার রাস্তায় প্রবেশের জন্য গাড়ি ঘুরানোর চেষ্টাকালে এই ভয়াবহ সংঘর্ষ ঘটে। সেখানেই স্পট ডেথ হিসেবে আমরা ৩ জনকে পাই। আর গুরুতর আহত একজনকে নবাবগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হয়।

দূর্ঘটনার পর নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে৷ বালুর ট্রাকের চালক পলাতক রয়েছে।

নবাবগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক হরগোবিন্দ অনুপ বলেন, হাসপাতালে সড়ক দুর্ঘটনার ৫ জনকে রোগীকে আনলে সেখান থেকে তিন মৃত ছিলেন। মৃত তিনজনই নারী, তারা একই পরিবারের সদস্য। ঐ তিনজন ঘটনাস্থলে মারা যান। আরেক জনের অবস্থা আশংঙ্কাজনক এবং বাকি দুইজনের অবস্থা মোটামুটি ভালো তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। নিহত ও আহতরা নয়নশ্রী ইউনিয়নের বাসিন্দা।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, সকালে মাঝিরকান্দায় সড়কে দুর্ঘটনা ঘটেছে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তিনজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে গাড়ি দুটি থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ বিষয় মামলা হবে, গাড়ির চালক পলাতক আছে। আমরা চালককে দ্রুত খুঁজে বের করব।

নৌকার মাঝি হতে চান জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি

নবাবগঞ্জ(ঢাকা) প্রতিনিধিঃ আসন্ন দশম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে শিকারীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হতে যাচ্ছেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জনাব কাজী শওকত হোসেন শাহীন।

একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে তিনি এবার চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে আসছেন। তবে দলের অনেকের মধ্যে এ নিয়ে রয়েছে নানা গুঞ্জন। বলছেন এত হেভিওয়েট সিনিয়র নেতা কেন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে আসতে চাচ্ছেন। অনেকে ফেসবুকে তাকে নিয়ে পোস্ট দিচ্ছেন পক্ষে আর বিপক্ষে।

তবে তিনি নৌকা প্রতীক না পেলে নির্বাচন করবেন না বলেও জানা যায়। অনেকের অভিযোগ রয়েছে বর্তমান চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলিমোর রহমান খান (পিয়ারা) বিরুদ্ধে। তিনি ঠিকমত কাজ না করার কারণে ক্ষোভ দানা বেঁধেছে ইউনিয়নের জনসাধারণের মাঝে। যার প্রমান পাওয়া গিয়েছিল গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে।

তার থেকে অনেক দূর্বল প্রতিদ্বন্দী কিছু ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। তবে এটা নিয়েও যথেষ্ট অভিযোগ রয়েছে অনেকের মধ্যে। কারণ হিসেবে জাল ভোট ও প্রশাসনের সুবিধার কথা বলতে দেখা যায়। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই নৌকা প্রতীকে নির্বাচনে আসতে চাচ্ছেন।

যার মধ্যে ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা জনাব আইয়ুব মোল্লা, কৃষক লীগের উপজেলা সদস্য জনাব বাদল মিয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সালাম অন্যতম। বিএনপির নেতাদের মধ্যে কারো নামই ভালভাবে শোনা যাচ্ছে না। তবে বিএনপি কুয়েত শাখার নেতা লালন মিয়া, শিরিম রহমান ও আবদুল হাই বাচ্চুর কথা জানা যাচ্ছে কারো কারো কাছ থেকে।

ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি জনাব রইস উদ্দিন আহমেদ খোকন যিনি গত দুই বার নির্বাচন করছেন। তার পিতাও অত্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। তার ব্যাপারেও ধোঁয়াশা রয়েছে। অনেক দিন যাবতই এই এলাকার জনগণ ভাল নেতৃত্ব খোঁজছেন। তাই কাজী শওকত হোসেন শাহীনের দিকে ঝুকতে পারে জনগণ। ইতোমধ্যে তিনি দলীয় মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন।

অন্যদিকে তরুন নেতৃত্বের মধ্যে জনাব মোস্তাক আহমেদকে অনেকে দেখছেন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে। অনেকের কৌতুহল রয়েছে তাকে নিয়ে। তবে তার থেকে এখনো কোন কিছু জানা যায়নি। ফেসবুকে এই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ব্যাপক প্রচারণা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

যেভাবেই হোক শিকারী পাড়া ইউনিয়ন পরিষদের এবারের নির্বাচণে ব্যাপক প্রতিদ্বন্দিতা লক্ষ্য করা যেতে পারে। কে হবে নৌকার মাঝি সে পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। অনেকে নির্বাচনে সংঘর্ষ হওয়ার আশংকা করছেন।

মাওয়া মহাসড়কে দূর্ঘটনাঃ দোহারে বাড়ি ছাত্রদল নেতা নিহত

শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের আব্দুল্লাহপুর ধলেশ্বরী টোলপ্লাজা এলাকায় মোটরবাইক দুর্ঘটনায় মো. জুম্মন (৩৫) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত জুম্মন ছাত্রদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণ-এর সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি ঢাকার দোহার উপজেলায়। এই ঘটনায় তার বন্ধু রনি (৩৪) গুরুতর আহত হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

নিহতের মামাতো ভাই মো. জনি জানান, জুম্মনের গ্রামের বাড়ি ঢাকার দোহারে। বর্তমানে গেন্ডারিয়ার ডিস্ট্রিলারী রোডের ৭৮/এ/৩ নম্বর বাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। নিহত জুম্মন দুই সন্তানের জনক ছিলেন। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়। তিনি ব্যবসা করতেন। আহত রনি মুখলেসুর রহমান এর সন্তান।

তিনি আরো বলেন, জুম্মন ও রনি এরা সম্পর্কে মামাতো ফুফাতো ভাই। জুম্মনের শ্বশুরবাড়ি থেকে মোটরসাইকেলযোগে জুম্মন ও রনি ঢাকায় আসার পথে মাওয়া মহাসড়কের আব্দুল্লাহপুর ধলেশ্বরী টোল প্লাজার পাশে একটি বাস তাদেরকে ধাক্কা দেয়। মোটরসাইকেল নিয়ে ছিটকে পড়ে তারা।

পরে তাদেরকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক জুম্মনকে মৃত ঘোষণা করেন ও রনি ঐ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
অবস্থায় রয়েছে।

নৌকার মাঝি হতে মনোনয়ন ফরম জমা দিলেন ক্রীড়ানুরাগী মাসুদ মোল্লা

বছরের বেশিরভাগ সময়ই তিনি ব্যস্ত থাকেন সামাজিক আর সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে। যুবসমাজ যখন ফেসবুক আর ইউটিউবে ব্যস্ত, তখন তিনি সুস্থ বিনোদনের জন্য ব্যস্ত সময় পার করেন। কখনো নৌকাবাইচ, কখনো ফুটবল আবার কখনো ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজনে ব্যস্ত হয়ে পড়েন নিজ ইউনিয়নে। তিনি আর কেউ নন। তিনি নবাবগঞ্জ উপজেলার নয়নশ্রী ইউনিয়নের দেওতলার মো. মাসুদ মোল্লা। ছাত্রজীবনেই জড়িয়ে পড়েন রাজনীতিতে। শুরু ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদস্য পদ দিয়ে। এরপর যুক্ত হন যুবলীগে। বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন নয়নশ্রী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের । রাজনীতির বাইরে তিনি সামাজিক, সাংস্কৃতিক নানা সংস্থায় জড়িত। তিনি আসোক মানবাধিকার সংগঠন নবাবগঞ্জ শাখার সভাপতি, নয়নশ্রী ইউনিয়ন সন্ত্রাস দমন কমিটির সহ-সভাপতি এবং নৌকাবাইচের ঐতিহ্য রক্ষা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আগামী ৩১শে জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে নয়নশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। ওই নির্বাচনে এবার তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। গত বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। ইতিমধ্যে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি এলাকার টেকসই উন্নয়নে কাজ করতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করছি। দলীয় মনোনয়নের জন্য ফরম তুলেছি। অতীতে দলের সকল আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছি। আন্দোলন সংগ্রামের কারণে ২০০১ সালে মিথ্যা মামলায় কারাবরণ করেছি। ইউনিয়নে রাজনীতি করলেও ঢাকার রাজপথে ছিলাম সক্রিয়। ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার জনসভাতেও আমি উপস্থিত ছিলাম। বিরোধী দলের সন্ত্রাসী বাহিনীর অত্যাচারে প্রায় পাঁচ বছর বাসায় থাকতে পারিনি। এই সময় আমার বাড়িতে নারকীয় হামলা চালানো হয়। লুটপাট করা হয় জিনিসপত্র। আশা করি দল আমার আন্দোলন সংগ্রামের ভূমিকার কথা বিবেচনায় নেবে।

সূত্র জানায়, আবহমান গ্রামবাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য সুস্থ বিনোদন নৌকাবাইচের হাল ধরে রেখেছেন তিনি। নবাবগঞ্জের নৌকাবাইচের ঐতিহ্য শত বছরের। এক সময় প্রতিবছর ইছামতি নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে নৌকাবাইচের আয়োজন হতো। নদীতে পানি না থাকায় এবং উদ্যমী লোকজনের অভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম। এমতাবস্থায় উদ্যোগী হয়ে হাল ধরেন মাসুদ মোল্লা। তিনি নিজেই বিশালাকৃতির দুটি নৌকাও বানান। সেই থেকে আজ অবধি প্রতিবছর দেশের কোথাও নৌকাবাইচ নিয়মিত না হলেও নয়নশ্রী ইউনিয়নের ইছামতি নদীতে নৌকাবাইচের আয়োজন হয় প্রতিবছর। চলতি বছরেও মাসুদ মোল্লার সভাপতিত্বে এক বিশাল নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা এবং ঢাকা-১ আসনের এমপি সালমান ফজলুর রহমান। সেদিন বাইচ দেখতে মানুষের উপস্থিতি ছিল ব্যাপক। উৎসক জনতা নৌকাবাইচ দেখে অপার আনন্দ উপভোগ করেন।

আওয়ামীলীগের মনোনয়নপত্র কিনলেন বিশ্বজিৎ গুহ টুটুল 

২৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে( ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ) ষষ্ঠ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রার্থীর মনোনয়ন ফরম বিতরন শুরু হয়।  ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার ১নং নয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন ফরম কিনেছেন নয়াবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বিশ্বজিৎ গুহ টুটুল ।

বিশ্বজিৎ গুহ টুটুল  বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ এর ছোট ভাই। তিনি নৌকার মাঝি হয়ে দোহারের ১ নং নয়াবাড়ী ইউনিয়নে নির্বাচন করতে এই মনোনয়নপত্র জমা দেন।

এই সময় নয়াবাড়ী ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও নয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের নৌকা প্রতীকের জন্য মনোনয়ন ফরম ক্রয় করেন নয়াবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি বিল্লাল হোসেন।

আওয়ামীলীগের মনোনয়ন ফরম কিনলেন আমজাদ হোসেন আজাদ

২৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে( ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ) ষষ্ঠ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রার্থীর মনোনয়ন ফরম বিতরন শুরু হয়।  ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার ২নং কুসুমহাটি ইউনিয়ন পরিষদ  নির্বাচনে  নৌকা প্রত্যাশী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য কুসুমহাটি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আজাদ।

মনোনয়ন জমা শেষে আমজাদ হোসেন আজাদ news39 কে জানায়, গতবার আমি নৌকার মাঝি ছিলাম। বিপুল ভোটে নৌকার জয় এনে দিয়েছি। এবারও আমাকে নৌকা দিলে ইনশাআল্লাহ শেখ হাসিনার মান আমি রাখতে পারবো।  মাননীয় এম পি জনাব সালমান ফজলুল রহমান আমাকে জননেত্রী  শেখ হাসিনার  নৌকার মাঝি করবে বলে আমি আশাবাদী।

মুকসুদপুর ইউনিয়ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের ফরম তুললেন গিয়াস উদ্দিন সোহাগ

বৃহস্পতিবার, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনলেন মুকসুদপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকা মার্কার প্রত্যাশী ঢাকা জেলা দক্ষিন ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ গিয়াসউদ্দিন সোহাগ। ৭ নং আসন্ন মুকসুদপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বিশিষ্ট সমাজ সেবক গরিব ও মেহনতী মানুষের পরম বন্ধু এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি সমর্থিত কে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে ইউনিয়ন বাসী দেখতে চাই।

নিউজ ৩৯ কে জানান, মোঃ গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সভাপতি ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগ নিজেও ইউপি চেয়ারম্যান পদে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী।

এলাকাবাসী জানান মুকসুদপুর ইউনিয়নের সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে আসছেন, এলাকার হতদরিদ্র পরিবার ও আসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন সবসময়। এছাড়াও এলাকাবাসীর যেকোনো বিপদ আপদে সবসময় সহোযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে আসছেন তিনি। সরকারের যুব বান্ধব সমাজ গড়ে তোলা এবং যুব সমাজকে মাদক মুক্ত রাখার লক্ষ্যে তিনি যুবকদের ক্রিকেট, ফুটবল ইত্যাদি খেলাধুলার উৎসাহ প্রধান এবং আর্থিক সহোযোগিতা করে আসছেন।
এজন্য তিনি এলাকার মানুষের কাছে একজন প্রিয় মানুষ হয়ে উঠেছেন।মানুষের জন্য ভালো কাজ আর বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতার জন্য তিনি দিনে দিনে স্হানীয় গণমানুষের মাঝে আস্হা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।

তিনি মহামারী করোনা কালিন সময়ে গরীব ও অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন এবং তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড়ের অসহায় ও অসুস্থ মানুষের মাঝে আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

মোঃ গিয়াস উদ্দিন সোহাগ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি দায়িত্বে রয়েছেন।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শিত ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ গিয়াস উদ্দিন সোহাগ শুধু একটা নাম ঢাকা দোহার উপজেলায় মুকসুদপুর ইউনিয়নের প্রস্ফুটিত একটা সত্যিকারের ফুল হিসেবে দিনে দিনে নিজের অবস্থান শক্ত করে নিয়েছেন বিধায় তিনি মনে করেন,যদি আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক পান এলাকার জনসাধারণ দলমত নির্বিশেষে তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করবেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ গিয়াস উদ্দিন সোহাগ জানান, এলাকাবাসী চাইলে তিনি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে ইচ্ছুক। এলাকাবাসির পাশে আমি এখনো আছি ভবিষ্যতে ও থাকবো ইনশাআল্লাহ, আমি চাই আমার এলাকার মানুষের পাশে সবসময় থাকতে। বাস্তবতা হলো নিজ ও পরিবারকে ঝুঁকিতে ফেলে আমি মানুষের জন্যে কাজ করছি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আমাকে শিখিয়েছে মানুষকে নিয়ে ভাবতে। এজন্য আমি আমার এলাকার মানুষের সহযোগিতা ও দোয়া চাই। চেয়ারম্যান হলে আমি আমার ইউনিয়নকে আদর্শ রোল মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবো । এছাড়া ইউনিয়নের রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন, মাদক মুক্ত সমাজ, সামাজিক উন্নয়ন করব।