নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের নয়ানগর গ্রামে প্রবাসীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে। নিহত প্রবাসী হলেন জুয়েল, এবং অভিযুক্ত স্ত্রী ঝুমানা আক্তার।
পুলিশ রোববার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বসতঘর থেকে জুয়েলের দগ্ধ লাশ উদ্ধার করে। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্ত্রী ঝুমানা আক্তারকে আটক করা হয়েছে।
নিহতের পরিবার জানিয়েছে, আট বছর আগে বাহরাইন প্রবাসী জুয়েলের সঙ্গে ঝুমানার বিয়ে হয়। জুয়েল বিদেশে চলে যাওয়ার পর ঝুমানা পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন।
দুই মাস আগে জুয়েল বাহরাইন থেকে দেশে ফেরেন। এরপর থেকেই স্ত্রীর পরকীয়া ও উচ্ছৃঙ্খল চলাফেরা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল।
রবিবার সন্ধ্যায় প্রতিবেশীরা ঘর থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখে চিৎকার দিলে এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে আসে। পুলিশ খাটের ওপর থেকে জুয়েলের দগ্ধ লাশ উদ্ধার করে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঝুমানা বেগম তাঁর সহযোগীদের নিয়ে পরিকল্পিতভাবে জুয়েলকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করেন। এরপর নিহতের শরীরে আগুন ধরিয়ে ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হয়।
নবাবগঞ্জ থানার ওসি মমিনুল ইসলাম জানান, “পরকীয়ার জেরে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।” এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং নিহত জুয়েলের স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
