শহীদ জিয়া ও বিএনপি

58

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনাকে ধারনা করে। ৭ নভেম্বরের পূর্বে দেশ স্বাধীন ছিল,কিন্ত সার্বভৌম ছিল না। স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ছিল না। দিল্লীর ইশারায় সবকিছুই নিয়ন্ত্রিত হতো।

৭ নভেম্বরের পর সাম্রাজ্যবাদী ও আধিপত্যবাদীদের নাগপাশ থেকে মুক্ত হয়ে দেশটির সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হলো। শহীদ জিয়া স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদীকে মূলনীতি ধরে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত করেন আজকের এই দিনে এবং দেশকে দ্রারিদ্র্য ও অশিক্ষা মুক্ত করে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি লক্ষ্য করেন যে সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন জাতি হিসাবে পরিচিত হতে হলে স্বনির্ভরতা অর্জন করা ছাড়া কোন বিকল্প নেই। স্বনির্ভরতা অর্জনে উৎপাদন বৃদ্ধি কৃষি , কৃষিজাত পণ্যভিক্তিক ক্ষুদ্র শিল্প, শিল্পের প্রসার ইত্যাদি। সেই সাথে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি সমমর্যাদায় প্রতিবেশী দেশসমূহের সাথে বন্ধুত্ব ও চুক্তি, মুসলিম রাষ্ট্রগুলির সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন এবং শক্তির ভারসাম্য রক্ষ্যার জন্য চীন মিয়ানমারসহ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলর সাথে সম্পর্ক স্থাপন এবং সম্পর্ক সম্প্রসারন ছিল জিয়ার কর্মসূচী। জিয়ার ইতিবাচক রাজনীতির কারনে অচিরেই দেশটি তলা বিহিন ঝুড়ির দুর্নাম মুছে যায়। ১৯৭৭ সালে ভারতের সঙ্গে ফারাক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের পানি ন্যায় হিস্যা নিশ্চিত হয় এবং দক্ষিন এশিয়ার রাষ্ট্রগুলোকে নিয়ে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট সার্ক গঠনের রূপরেখা প্রণীত হয়।

অন্য খবর  সুন্দরী প্রতিযোগিতা চায় মেয়েদের কর্পোরেট যৌনদাসী বানাতে

শুভ জন্মদিন প্রিয় দল… বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র ৩৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে
সংগ্রামী সকল মানুষকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা !!! বাংলাদেশ জিন্দাবাদ ! শহীদ জিয়া অমর হোক ।

শিপন মোল্লা
সদস্য ঢাকা জেলা যুবদল

মন্তব্য