বিলাশপুরে আবুল হোসেনের নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

86
বিলাশপুরে আবুল হোসেনের নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলায় আসন্ন ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে বিলাশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ আবুল হোসেনের নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) মাগরিবের নামাজের পর মাঝিরচর বাজারে এ নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনী উঠান বৈঠক উপস্থিত থেকে মোঃ আবুল হোসেন বলেন, আমি জনগনের ভোটেই বিগত বছরে মেম্বার হয়েছিলাম আমি এ পর্যন্ত তিন বার এই বিলাশপুর ইউনিয়নের মেম্বার ছিলাম। আমাকে সকলে আবুল বলে চিনে আদর করে সবাই আমাকে আবুল বলে ডাকে। আমি চেয়ারম্যান হলে সবাই আবুল বলেই ডাকবেন ভালবাসা দিয়ে। আপনারা হয়তো জানেনা চৌকিদারি ট্যাক্সের টাকা দিয়ে কি করা হয়। আমি নির্বাচিত হলে এই চৌকিদারি ট্যাক্সের টাকা কেউকে দিতে হবে না। এটি আমিই দিয়ে দিব। আমি সাধারণ মানুষের মতই আপনাদের পাশে থাকতে চাই। আমার ভাইয়েরা আমাকে বলেছে বিদেশে যাওয়া জন্য কিন্তু আমি আপনাদের সেবার জন্য দেশেই আছি। এখানে ভালমানের কোন হাইস্কুল নেই; সে জন্য আমি যদি নির্বাচিত হই তাহলে আমাদের বিলাশপুরে ভালমানে এটা হাইস্কুল করবো আপনাদের সহযোগিতায়। আমি নির্বাচিত হলেও জনগণের সাথে থাকবো না হলেও থাকবো। আমি চেয়ারম্যান হলে ১০০% বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ১০০%, প্রতিবন্ধী ভাতার ১০০% জনগণের মাঝে বন্টন করে দিব। একটি ইউনিয়নে প্রতিবছরে কোটি টাকা আসে সেই টাকা আমি সঠিক ভবে কাজে লাগিয়ে রাস্তা করে দিব এই ইউনিয়নে। আমি আবুল যদি চেয়ারম্যান হতে পারি তাহলে যাতে সবাই আমরা সাথে যোগাযোগ করতে পারে সে ব্যবস্থা করবো। জন্মনিবধনও আমি ১০-১৫ মিনিটে করে দিব আর যদি তা না পারি তাহলে আমি চৌকিদার দিয়ে পরে তার বাড়িতে পাঠিয়ে দিব। করো বাবার জমি যদি ভুল ক্রমে খাস হয়ে যায় আমি সেটাও তার নিজের নামে করে দিবো নির্বাচিত হলে। আমি মেয়েদের জন্য ৩০ টা সেলাই মেশিন কিনে দিব। বছরে কৃষকের জন্য যে অনুদান আসে সেগুলো আমি ১০০% দায়িত্ব পালন করে দিব। জেলেদের রেশনকার্ডের বা যাই আসুক সেটাও আমি ১০০% করবো। যুবসমাজকে ধ্বংস করছে মাদক, আমি নির্বাচিত হলে এই ইউনিয়ন মাদক মুক্ত হবে ইনশাআল্লাহ। আমার বড় ভাই এই ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের জন্য একটি এম্বুলেন্স দিবে যার সব খরচ আমরাই দিব এবং একটায় না হলে পরর্বতিতে আরেক টা কিনে দিব। আমি একটি ঈদগাহ মাঠ করে দিব যাতে সবাই একসাথে নামাজ আদায় করতে পারে সে জন্য। আমি যবুকদের মাদক থেকে দূরে রাখার জন্য একটি খেলা মাঠ করে দিব যাতে তারা মাদক থেকে বিরত থাকতে। আমি ৬ মাস পরপর সব কাজের হিসাব দিব জনগনের সামনে। সাংবাদিকদের ভাইদেরও রাখবো সেখানে। এ ভাবেই সচ্ছল ইউনিয়ন গড়তে আমি সর্বচ্চো চেষ্টা করবো। আমাকে সবাই ভোট দিবেন অন্যদের কেও দিতে বলবেন আর আমার থেকে যদি অন্য কেউকে ভাল পান তাহলে তাকে ভোট দিবেন।

অন্য খবর  ছয় মাসে ছয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু: পদ্মার মৈনট ঘাটে নামা নিষিদ্ধ

এবিষয়ে ঐ ইউনিয়নের ৬নং ওয়াডের বাসিন্দা মোঃ আব্দুল রহমান জানান, আমার বয়স ৭০ বছর আমি বয়স্ক ভাতার জন্য অনেক জায়গায় গিয়েছি। কিন্তু কেউই আমাকে বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেয়নি এই আবুল আমাকে এ বছর বয়স্ক ভাতার কার্ডের ব্যবস্থা করে দিয়েছে। তাই আমি চাই তারমত এমন ভাল মানুষকে যাতে আল্লাহ চেয়ারম্যান বানায়।

মন্তব্য