নবাবগঞ্জে বাইক দূর্ঘটনা: নিহত ২

বৃহস্পতিবার নবাবগঞ্জে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আব্দুল মালেক (২৬) ও রিফাত (১৬) নামে দুই চালক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৫ আগষ্ট) দুপুরে নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের খতিয়া ব্রীজের ঢালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এই ঘটনায় মো. তামিম (১৭) নামে আরেক যুবককে গুরুত্বর আহতাবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। নিহত আব্দুল মালেক শোল্লা ইউনিয়নের রুপারচর গ্রামের মো. ইলাহীর ছেলে ও রিফাত পূর্ব মেলেং গ্রামের রিপন হোসেনের ছেলে।আহত মো. তামিম মদনমোহনপুর গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে আব্দুল মালেক খতিয়ার বাড়ি থেকে মোটর সাইকেলে শোল্লার দিকে আসছিলেন। ব্রীজের ঢালে আসলে বিপরীত দিক থেকে আসা অপর মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান আব্দুল মালেক। অন্য মোটর সাইকেলে থাকা রিফাত ও তামিমকে আহতাবস্থায় নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রিফাতকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুত্বর আহতাবস্থায় তামিমকে ঢাকায় পাঠানো হয়।

নবাবগঞ্জ থানার ওসি মো. শাহ্ জালাল জানান, দুর্ঘটনায় মৃত্যুর বিষয়টি জেনেছি। এবিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি, করলে আইনগতভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সাংবাদিক শরিফ হাসান ও বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন

সাংবাদিক শরিফ হাসান। ৪ আগস্ট, যার কারণে নিরাপত্তা পেয়েছিলেন প্রায় ৩০ জন নারী শিক্ষার্থী। এসকল শিক্ষার্থীদেরকে তিনি রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে নিরাপত্তা দিয়েছেন। প্রায় ৭ জন আহত শিক্ষার্থীকে যিনি নিজের টাকায় পাঠিয়েছিলেন হাসপাতালে। অসংখ্য শিক্ষার্থীদের আঘাত থেকে রক্ষা করতে দেয়াল হয়ে দাড়িয়েছিলেন। অনেক শিক্ষার্থীকে নিরাপদে বাড়ী পৌঁছাতে সাহায্য করেছেন। এই আন্দোলনে সরাসরি সক্রিয় ছিলো তার আপন ছোট বোন জয়পাড়া কলেজ শিক্ষার্থী ইভা। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সকল সংবাদ সংগ্রহ এবং প্রচার যিনি করেছেন নি:সংকোচে এবং নিষ্ঠার সাথে। সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হয়েছেন আহত। ছাত্রলীগের আরেক দুর্বৃত্ত শরিফ হাসানকে আক্রমণ করতে লাঠি হাতে ধাওয়া করেছিলেন। ইট ছুড়ে মেরেছিলেন কিন্তু ইটটি গিয়ে আঘাত হানে দোহার প্রেসক্লাবের সভাপতি কামরুল ইসলামকে।

নিউজ৩৯ গর্বিত আপনার মতো একজন সৎ, সাহসী কিন্তু বিনয়ী একজন মানুষ সাংবাদিক হিসেবে আমাদের সহকর্মী। স্যালুট আপনাকে। গর্বিত দৈনিক আজকের পত্রিকাও।

শরিফ হাসান, দোহারের সাংবাদিকতা জগতে একটি অনন্য নাম। যার বিরুদ্ধে নেই ১টাকা চাদাবাজির অভিযোগ নেই, নেই মিথ্যা, চল-চাতুরী, ভয় দেখানোর অভিযোগ। নেই ফাও খাওয়া বা তৈলমর্দন করার অভিযোগ। স্রোতের বিপরীতে সত্যের জন্য লড়াই করা এক সাহসী সাংবিকতার নাম শরিফ হাসান। দোহারের প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান হয়েও সাংবাদিকতাকে তিনি অশুভ শক্তির হাতিয়ার করেননি।

সাংবাদিক শরিফ হাসান ও মো আল আমিন বালুখেকো, অননুমোদিত ড্রেজার ব্যবসায়ী, প্রশাসনিক দূর্নীতি, রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত এবং অনেক সাংবাদিকের কাছেও একটি আতংকের নাম। ২০২২ সালে গণ অধিকার পরিষদের সংবাদ সংগ্রহের সময় জয়পাড়া কলেজ ছাত্রলীগ বেদম পিটিয়েছিলো তাকে। নেতৃত্বে ছিলো উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান শান্ত। সেসবের কোন বিচার হয়নি। চায়না জালের ব্যবসার বিরুদ্ধে সংবাদ পরিবেশন করায় তিনি ছিলেন জীবননাশের হুমকিতে। এই হুমকি দিয়েছিলো কিছু দুর্বৃত্ত ও রাজনৈতিক নেতা-কর্মী এবং কিছু হিংস্র সাংবাদিক। ড্রেজার ও বালু ব্যবসার বিরুদ্ধে উচ্চকিত হলে, তার বিরুদ্ধে থানায় ও ফোনে বিরোধী মত বলে হয়রানির হুমকি দিয়েছিলো কিছু সাংবাদিক নামধারী চাদাবাজ ।

২০১৮তে সড়ক সংস্কার ও কোটা বিরোধী আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহের কারণে তাকে প্রশাসনকে ব্যবহার করে হেনস্তা করার চেষ্টা করা হয়েছিলো। করোনা মহামারীর সময় তিনি ছিলেন নির্ভীক। সকল সংবাদ পরিবেশনসহ ত্রান-সাহায্য পৌঁছে দিতে কাজ করেছেন উপজেলা ও থানা প্রশাসনের সাথে। দোহার নবাবগঞ্জ সোশ্যাল মুভমেন্ট (DNSM) এর একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে বাড়ী বাড়ী ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছেন তিনি।

পেশা ও রুটি রুযির জন্য কখনো আপস করেননি। সদা হাস্যজ্জ্বল, অসাধারণ কিন্তু সাধারণ এই মানুষটি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার্স করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন। তিনি দোহারের স্বনামধন্য হাজী বাড়ীর সন্তান। এছাড়াও কর্মরত রয়েছেন news39.net এবং দৈনিক আজকের পত্রিকায়।

দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় মামলার গুজব

আল-আমিন; নিউজ৩৯: দোহার এবং নবাবগঞ্জ উপজেলায় ছড়িয়ে পড়েছে মামলার গুজব। কেউ বলছেন ১৬২ জনের তালিকা, ১৭০ জনের আবার কেউ বলছেন ১৮১ জন। এতে বিভ্রান্ত ছড়িয়ে পড়েছে জনজীবনে। ইত:মধ্যে থানা কেন্দ্রিক দালালী পেশা যাদের, তারা সাধারণ জনগণসহ আওয়ামীলীগের বিভিন্ন নেতা-কর্মীদের মামলার ভয় ভীতি দেখাচ্ছেন এবং টাকা দাবী করছেন। এরকমভাবে টাকা দাবি করার সত্যতাও পেয়েছে নিউজ৩৯।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিপন, আদনান, রাসেল, সোহেল, মুসা, বিলালসহ অনেকের নাম ভাংগানোর অভিযোগও করছেন আন্দোলনকারীরা। অথচ এই বিষয় নিয়ে তারা কিছুই জানেন না তারা।

এ সম্পর্কে দোহার থানার অফিসার ইন চার্জ হারুন অর রশীদ বলেন, কোন মামলা হয়নি। পুরোটাই গুজব। বর্তমানে আমরা শান্তি শৃঙ্খলা এবং স্থিতিশীলতা নিয়ে কাজ করছি। তবে, পরবর্তীতে মামলা হতে পারে।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অগ্রজ শিপন, আদনান, রাসেল নিউজ৩৯কে জানান, আমরা এখনো কোন মামলা করিনি। বিষয়টি কেন্দ্র থেকে দিক নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করছি। আর যারা আমাদের নাম ভাংগিয়ে চাদাবাজির চেষ্টা করছেন,তাদের বিরুদ্ধে আইন শৃংখলা বাহিনী ও সেনাবাহিনীর নিকট অভিযোগ করা হচ্ছে। এই নতুন বাংলাদেশ আমরা গড়তে চাই সততা, মানবতা এবং দেশপ্রেম ও ন্যায়নিষ্ঠা দিয়ে। সামান্য পরিমাণ সুযোগ নেয়ার কেউ চেষ্টা করলে, তারা পরিণতি হবে ভয়াবহ ও দৃষ্টান্তমূলক।

বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে রোববার

আগামী রবিবার থেকে দেশের সব মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম শুরুর নির্দেশনা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব মোসাম্মৎ রহিমা আক্তার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশনা দিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আগামী রবিবার থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হল।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্ব স্ব সিন্ডিকেট সভা ডেকে প্রয়োজন ব্যবস্থা নেবে।

এর আগে বুধবার দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেওয়া হয়েছে।

অনুপস্থিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানদের দায়িত্বে ইউএনওরা

কর্মস্থলে অনুপস্থিত ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় সংশ্লিষ্ট উপজেলা পরিষদের আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও)। গতকাল বুধবার স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামানের স্বাক্ষর করা অফিস আদেশে এ ক্ষমতা দেওয়া হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, সম্প্রতি উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে বিভিন্ন উপজেলা পরিষদে অনেক চেয়ারম্যান ধারাবাহিকভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন এবং যোগাযোগ করেও তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা যাচ্ছে না মর্মে সংশ্লিষ্ট উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায়। উপজেলা পরিষদের অনেক প্যানেল চেয়ারম্যানও কর্মস্থলে ধারাবাহিকভাবে অনুপস্থিত রয়েছেন এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও উপস্থিতি নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

এজন্য উপজেলা পরিষদগুলোর অনেক ধরনের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে এবং জনসেবা বিঘ্নিত হচ্ছে উল্লেখ করে আদেশে বলা হয়, যেসব উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং প্যানেল চেয়ারম্যান অনুপস্থিত রয়েছেন সেসব উপজেলা পরিষদে সব ধরনের জনসেবা অব্যাহত রাখা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চালু রাখতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের পূর্ণ আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে।

পুলিশের পাশে থাকবে নবাবগঞ্জ উপজেলা জামায়াত

স্টাফ রিপোর্টারঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নবাবগঞ্জ উপজেলা নবাবগঞ্জ উপজেলা ইউএনও এবং ওসি মহোদয়ের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। দেশের বিরাজমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও আইনশৃংখলা পরিস্থতির সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে নবাবগঞ্জ উপজেলা জামায়াত আমীর এডভোকেট ইব্রাহিম খলিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও জামায়াত নেতৃবৃন্দদেরও আশ্বস্ত করা হয় যে প্রশাসন তাদের পাশে থেকে সহায়তা করবেন।

সৌজন্য সাক্ষাতে নবাবগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর এডভোকেট ইব্রাহিম খলিল, নায়েবে আমীর মাওলানা হারুনূর রশিদ, সেক্রেটারি মাওলানা মোহাম্মদ আলী, এসিট্যান্ট সেক্রেটারি, মামুনুর রশীদ চৌধুরী, বিশিষ্ট পরিবেশ ও সমাজ কর্মী জনাব মোস্তাক আহমেদ, জামায়াত নেতা কাজী মাওলানা মোকাররম হোসেন, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা রমিজ উদ্দিন মাস্টারসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের জামায়াত নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সদরঘাট থেকে সালমান এফ রহমান গ্রেফতার

0

news39.net; online desk: মঙ্গলবার তাদের রাজধানীর সদর ঘাট থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তাদের গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর আগে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো দাবি করে সালমান এফ রহমান শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশ ছাড়েন। এছাড়াও গুজব রটে তিনি কাতার চলে গিয়েছেন।

ডিএমপির (মিডিয়া) থেকে পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়েছে, নৌ পথে পালিয়ে যাওয়ার সময় ঢাকার সদরঘাট এলাকা থেকে সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার মো. মাইনুল হাসান এ তথ্য জানিয়েছেন। রাজধানীর নিউমার্কেট থানার একটি মামলায় মঙ্গলবার এই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। এর পরপরই শেখ হাসিনা সরকারের মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতারা গা ঢাকা দেন।

প্রাথমিক বিদ্যালয় কবে খুলবে, যা বললেন উপদেষ্টা ডা. বিধান রঞ্জন রায়

এই মুহূর্তে আমাদের প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায়।

সোমবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রথম অফিস করতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে উপদেষ্টা এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা হচ্ছে যে কোনো একটি দেশের জাতির জন্য একদম ভিত স্বরূপ। কারণ বাচ্চাদের শিক্ষাটা কিন্তু প্রথম জীবনে যা পড়ে সেটি কিন্তু ব্যক্তিত্বের ভিত গড়ে দেয়। কিন্তু, খুব দুঃখজনক হল, আমাদের দেশে বাস্তবে কিন্তু এটা এতোটুকু কার্যকরী হয় না, যেমনটা করা উচিত তেমনটা করা হয় না।

উপদেষ্টা বলেন, এক সময় আমাদের স্বাক্ষরতার হার খুব কম ছিল। একদিক দিয়ে অনেক উন্নতি হয়েছে, আমাদের অবকাঠামোগত অনেক উন্নতি হয়েছে। ফলে সাক্ষরতার হার বেড়েছে। আমাদের শিশুরা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাচ্ছে।

‘কিন্তু এই মুহূর্তে আমাদের যেটা প্রয়োজন সেটা হচ্ছে, মানের উন্নয়ন করা। প্রাথমিক শিক্ষার মানের উন্নয়ন করা। যেন আমাদের শিশুরা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে এবং তারা অবদান রাখতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, আমি আজকে এসেছি। সবার সঙ্গে বসবো। তারপর আমরা কর্মকৌশল ঠিক করব।

প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলার সিদ্ধান্ত হয়ে আছে। কিন্তু কার্যকর হচ্ছে না। কবে থেকে কার্যকর হচ্ছে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই বিষয়টা নিয়ে আমরা কথা বলি, তারপর ঠিক করি।

বিধান রঞ্জন রায় বলেন, কারণ যেটা হয়েছে সামগ্রিকভাবে এখন একটা অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আর বাচ্চারা খুব ছোট। অস্থিরতা না কমে যদি সমস্যাগুলো থাকে তাহলে তো মানুষজন বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে আগ্রহ বোধ করে না। ঘোষণা দিলেই তো হয় না ব্যাপারটা। সেজন্যই এ বিষয়টি ঠিক করে আমরা জানাবো।

দোহারে ওসির সাথে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের সাক্ষাৎ 

শরিফ হাসান, news39.net: দোহারে চার দিন পর কার্যক্রম শুরু করেছে দোহার থানা পুলিশ। শনিবার (১০ আগস্ট) সকালে কাজে যোগ দেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হারুন-অর-রশিদসহ পুলিশ সদস্যরা। এসময়, ওসি হারুন-অর-রশিদের আহবানে তার সাথে দেখা করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যরা।

দোহার থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) হারুন – অর – রশিদ বলেন, আমরা সবসময় জনগণের নিরাপত্তা দিয়েছি। আমরা ছাত্র ও জনগণের সহযোগিতায় আবারও থানার কার্যক্রম শুরু করেছি। আমরা ছাত্র ও জনগণের সহযোগিতা চাই। তাদের সহযোগিতায় দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনব।

তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশ গড়তে আপনারা যে দায়িত্ব নিয়ে ব্রতী হয়েছেন, সেই উদ্দেশ্য সফল না হওয়া পর্যন্ত আপনারা সক্রিয় থাকুন। আপনার নতুন বাংলাদেশ গড়ে, তবেই ঘরে ফিরে যান। একইসাথে, অন্যায়ের সাথে আপোষ এবং থানা কেন্দ্রিক তদবির না করতে তিনি অনুরোধ করেন।

ছাত্ররা বলেন, নতুন বাংলাদেশ গঠনে আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে পুলিশের পাশে থাকবে শিক্ষার্থীরা। তারা যে কোন প্রয়োজনে সাহায্য করবে প্রশাসন এবং থানাকে। তারা বলেন৷ পুলিশ যেন পূর্বের মতো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত না হয়। পুলিশ যেন ঘুষ, দূর্নীতি এবং জনগণের প্রতি অসদাচরণ মুক্ত হয়। পুলিশ যেন সত্যিকারের জনগণের বন্ধু হয়ে উঠে এবং সত্যিকারের সেবাখাত হয়ে উঠে।

আলোচনা শেষে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের সাথে তিনি থানার গেটের বাইরে গিয়ে উপস্থিত ছাত্র, জনগণের সাথে কুশলাদি বিনিময় করেন।

রবিবার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যদের সাথে সভা আহবান করেছেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি)।

দোহারে বৈষম্যছাত্রআন্দোলনের বিজয় মিছিল ও পদযাত্রা

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক দফা দাবিতে ছাত্র-জনতার তোপের মুখে পড়ে গতকালপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়েছেন। এই খুশিতে দোহার উপজেলার বৈষম্যছাত্রআন্দোলন,সাধারণ শিক্ষার্থী
জামায়েত ইসলাম, বিএনপি, ইসলামি ছাত্র আন্দোলন, গন অধিকার পরিষদ বিজয় মিছিল ও পদযাত্রা করেন। এ সময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস করতে দেখা যায়।

oplus_0

মঙ্গলবার সকাল ১১ টার দিকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা জয়পাড়া রতন চত্বরে এসে বিজয় মিছিল করে। এসময় এই রতন চত্বরের নাম পরিবর্তন করে কালেমা চত্বর নাম দেন।পরবর্তীতে সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিএনপি নেতাকর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করতে দেখা যায়।

দোহার-নবাবগঞ্জের অন্যতম প্রধান সমন্বয় এ আর শিপন বলেন, এই স্বৈরাচার সরকারের পদত্যাগে আজ বাংলাদেশ দ্বিতীয়বারের মতন স্বাধীন হল। বাংলাদেশের ছাত্র, শিক্ষক, জনতা সবাই যেনো আজ এক অন্যরকম আনন্দ উল্লাসে মেতেছে। তাদের এই আনন্দে আনন্দিত হয়ে দোহার নবাবগঞ্জের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা জয়পাড়া বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদর্শনী করে করম আলীর মোড়ে গিয়ে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ করা হয়।

পরে সাহসীকতার সাথে ও কষ্টের সাথে সবসময় সংবাদ গ্রাহনের পাশে থাকায় আজকের পত্রিকার দোহার উপজেলার প্রতিনিধি শরীফ হাসান, দোহার উপজেলার দৈনিক সকালে সময় ও নিউজ৩৯ এর সাংবাদিক আল আমিন হোসেন ও ঢাকা ক্যানভাসের দোহার উপজেলার প্রতিনিধি মাকসুমুল মুকিম।

এসময় দোহার নবাবগঞ্জের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরেক সমন্বয়ক মাসুদুর রহমান আদনান বলেন, এই খুনি সরকার এতোদিন সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রেখেছিলো। যার মুক্তির প্রতিফলন আজ এই বিজয় মিছিলের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। এই আনন্দের একটি ক্ষুদ্র অংশ হতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি। আজ বাংলাদেশের জন্য এই নতুন সূর্য উদিত হলো যা সকল অন্যায়কে এবার বিদায় করবে আর পরর্বতী শাসকের জন্যও একটা শিক্ষা রেখে যাবে।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, রাসেল আহমেদ,মো: মোয়াজ,এমদাদুল ইসলাম, সোহেল বেপারি,রনি দেওয়ান,আদর ইসলাম আকাশসহ অন্যান্য সমন্বয়করা।