মশাবাহিত ৩ রোগে সতর্ক থাকুন

0

বিশ্বের ৫০০ মিলিয়ন সংক্রমণ এবং ১ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যুর কারণ মশা। অথচ মশা একটি সাধারণ পতঙ্গ। ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু জ্বর, হলুদ জ্বর, চিকুনগুনিয়া এবং অন্যান্য রোগ হয় মশার কামড়ে। বর্ষায় মশার কামড়ে হওয়া তিন রোগ:

ম্যালেরিয়া
ম্যালেরিয়া হলো প্লাজমোডিয়াম পরজীবী-সৃষ্ট একটি তীব্র জ্বরের অসুখ। এই পরজীবীগুলো সংক্রমিত স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড়ে মানুষের মধ্যে সংক্রামিত হয়। এই মশাগুলো রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টার মধ্যে বেশি সক্রিয় থাকে।

প্রাথমিক লক্ষণ
সাধারণত জ্বর, মাথাব্যথা এবং ঠান্ডা লাগা হিসেবে প্রকাশ পায় এর প্রাথমিক লক্ষণ। ১০ থেকে ১৫ দিন পরে জ্বরের সংক্রমণ বোঝা যায়। ফ্যালসিপেরাম ম্যালেরিয়ার চিকিৎসা করা না হলে এটি ২৪ ঘণ্টার কম সময়ের মধ্যে গুরুতর অসুস্থতা তৈরি করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে পারে। শিশু-কিশোর, গর্ভবতী, এইডস রোগী এবং সেই সঙ্গে কম রোগ প্রতিরোধক্ষমতাসম্পন্ন মানুষেরা উচ্চ ম্যালেরিয়ার ঝুঁকিতে থাকে। এ ছাড়া অভিবাসী শ্রমিক, ভ্রাম্যমাণ মানুষ ও ভ্রমণকারীদের ম্যালেরিয়া হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

ডেঙ্গু
ডেঙ্গু জ্বর ‘ব্যাকবোন ফিভার’ নামে পরিচিত। এটিও স্ত্রী মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এই মশাগুলো জিকা, হলুদ জ্বর ও চিকুনগুনিয়া ভাইরাসও ছড়াতে পারে। ডেঙ্গু জ্বরের তিনটি ধরন আছে: এ, বি ও সি। এই শ্রেণির রোগীরা স্বাভাবিক থাকে। তাদের শুধু জ্বর থাকে। অধিকাংশ ডেঙ্গু রোগী এই শ্রেণির। তাদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। বাড়িতে বিশ্রাম নেওয়াই যথেষ্ট। বি ক্যাটাগরির ডেঙ্গু রোগীদের হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হতে পারে। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর যদি পেটব্যথা, বমি, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, জন্মগত সমস্যা, কিডনি বা লিভারের সমস্যা থাকে এবং রোগী যদি অন্তঃসত্ত্বা হন, তাহলে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াই ভালো। সি ক্যাটাগরির ডেঙ্গু জ্বর সবচেয়ে খারাপ। এতে লিভার, কিডনি, মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কিছু ক্ষেত্রে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র বা আইসিইউর প্রয়োজন হতে পারে।

চিকুনগুনিয়া
চিকুনগুনিয়া হলো চিকুনগুনিয়া ভাইরাস-সৃষ্ট সংক্রামক রোগ। এডিস অ্যালবোপিকটাস ও এডিস ইজিপ্টাই ভাইরাসের কামড়ে মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। চিকুনগুনিয়ার লক্ষণ প্রায়ই সংক্রমণের এক সপ্তাহ পরে দেখা দেয়। এ রোগ হলে হঠাৎ করে শুরু হয় এবং সঙ্গে জয়েন্টের ফোলা ও ব্যথা থাকে। জয়েন্টে ব্যথা কয়েক দিন থেকে সপ্তাহ, মাস বা এমনকি বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ডেঙ্গুর সঙ্গে তুলনা করলে চিকুনগুনিয়ায় শারীরিক ব্যথা বেশি তীব্র হয়। পেশিব্যথা, মাথাব্যথা, ক্লান্তি এবং কিছু ক্ষেত্রে শরীরে ফুসকুড়ি হতে পারে।

সংক্রমণের লক্ষণ
এসব রোগের মশা কাউকে সংক্রমিত করলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ছোটখাটো লক্ষণ দেখা দেয়। হালকা জ্বর, মাথাব্যথা, শরীরব্যথা, বমি বমি ভাব, বমি এবং ফুসকুড়ি সাধারণ লক্ষণ। কিন্তু রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব মস্তিষ্কের টিস্যু বা মস্তিষ্কের আশপাশের ঝিল্লি এবং মেরুদণ্ডের কর্ড বা মেনিনজাইটিস ক্ষতিগ্রস্ত করলে এটি গুরুতর অসুস্থতার কারণ হতে পারে। গুরুতর অসুস্থতায় যে লক্ষণগুলো প্রকাশ পায় সেগুলো হলো, দ্রুত জ্বর বাড়া, মাথাব্যথা, মল বা প্রস্রাবে রক্ত যাওয়া, পেশির খিঁচুনি, হৃদ্‌রোগের আক্রমণ, বমি বমি ভাব।

চিকিৎসা
মশার মাধ্যমে ছড়ানো বেশির ভাগ রোগের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। ম্যালেরিয়া ওষুধের মাধ্যমে সহজেই নিরাময়যোগ্য। কিন্তু ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়ার বিরুদ্ধে কোনো ওষুধ নেই। কারণ, এগুলো ভাইরাল রোগ। জটিলতা দেখা দিলে সহায়ক থেরাপি এবং অঙ্গ-নির্দিষ্ট থেরাপির প্রয়োজন। শরীরের ব্যথা, জ্বর, ফুসকুড়ি এবং অন্যান্য উপসর্গের চিকিৎসার জন্য ওষুধ ব্যবহার করা হয়। পরিস্থিতি খারাপ হলে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হতে পারে।

মশার প্রতিকার
মশারি, কয়েল, অ্যারোসল, লিকুইড ভ্যাপোরাইজার এবং অন্যান্য পণ্যের মাধ্যমে মশা থেকে দূরে থাকতে হবে। এ ছাড়া মশা তাড়ানোর জন্য লোশন, রোল-অন এবং ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে।

পানি জমার স্থান
মশা প্রজননের জায়গা হিসেবে স্বচ্ছ জমা পানি পছন্দ করে। খোলা পাত্রের পরিবর্তে বন্ধ ঢাকনাযুক্ত পাত্রে পানি সংরক্ষণ করুন। পানি সংরক্ষণের জায়গা নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন। এতে মশার বংশ বৃদ্ধি পাবে না।

পরিচ্ছন্ন পরিবেশ
বাসাবাড়ির চারপাশ পরিচ্ছন্ন রাখুন। নির্দিষ্ট জায়গায় ময়লা ফেলুন। ঘর পরিষ্কার ও দূষণমুক্ত রাখুন। ছাদ, মেঝে ও আসবাব নিয়মিত জীবাণুমুক্ত করুন।

মশার নেট 
ঘরে আলো ও বায়ু চলাচলের জন্য জানালা ও ভেন্টিলেটরে মশার নেট ব্যবহার করুন। তাতে বাইরের মশা ভেতরে আসতে পারবে না।

বাইরে যাওয়া
সন্ধ্যা ও ভোরে মশা বেশি কামড়ায়। তাই এ সময় বাইরে গেলে সতর্ক থাকুন, যেন মশা না কামড়ায়।

ভ্রমণে সুরক্ষা 
মশার কামড় এড়াতে হাত-পা ঢাকা জামাকাপড় পরুন। রাতে ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করুন।

দরুদ ও সালাম পাঠ কেন গুরুত্বপূর্ণ

0

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মানব জাতির জন্য রহমত। তাঁর মাধ্যমেই আমরা কোরআন, হাদিস ও সঠিক পথের দিশা পেয়েছি। তাই তাঁর জন্য দোয়া করা আমাদের কর্তব্য। আল্লাহ তাআলা বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ (ঊর্ধ্ব জগতে ফেরেশতাদের মধ্যে) নবীর প্রশংসা করেন এবং তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর জন্য দো‘আ করে*। হে মুমিনগণ, তোমরাও নবীর উপর দরূদ পাঠ কর এবং তাকে যথাযথভাবে সালাম জানাও।

(সূরাঃ আহযাব আয়াত নং ৫৬)

সালাত আরবি শব্দ। তা একাধিক অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন রহমত, দোয়া, দরুদ, ইস্তিগফার, তাসবিহ। আল্লাহর পক্ষ থেকে হলে রহমত, বান্দার পক্ষ থেকে দরুদ, ফেরেশতাদের পক্ষ থেকে ইস্তিগফার, দোয়া ও সম্মান অর্থ বোঝায়। সালাম অর্থ নিরাপত্তা, শান্তি। এর উদ্দেশ্য দোষ-ত্রুটি ও বিপদ-আপদ থেকে নিরাপদ থাকা।

মহানবী (সা.)-এর নাম উচ্চারণ করলে বা শুনলে তাঁর প্রতি দরুদ পাঠ করা ওয়াজিব। মুখে উচ্চারণ করলে যেমন দরুদ ও সালাম ওয়াজিব, তেমনি কলমে লিখলেও ওয়াজিব। জীবনে একবার দরুদ পড়া ফরজ। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘সেই ব্যক্তি অপমানিত হোক, যার সামনে আমার নাম উচ্চারণ করা হলে সে দরুদ পাঠ করে না।’ (মিশকাত: ৯২৭)

দরুদ পাঠে রয়েছে অনেক ফজিলত। যেমন মহানবী (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ শরিফ পাঠ করে, আল্লাহ তাআলা তার প্রতি ১০টি রহমত বর্ষণ করেন, ১০টি পাপ মোচন করেন এবং ১০টি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।’ (নাসায়ি: ১ / ১৪৫) অন্য এক হাদিসে ৭০ সংখ্যাটির কথা এসেছে। হাদিস বিশারদদের মতে, এখানে ১০ বা ৭০ বলে অনেক বেশি বোঝানো উদ্দেশ্য।

জেএসসির ২৫, এসএসসির ৭৫ নম্বরের সমন্বয়ে তৈরি হবে এইচএসসির ফল

সাবজেক্ট ম্যাপিং পদ্ধতিতে জেএসসির ২৫ ও এসএসসির ৭৫ নম্বরের সমন্বয়ে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার ফল তৈরি হবে। এ জন্য পরীক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য ও কাগজপত্র সংগ্রহ করেছে শিক্ষা বোর্ড।

শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, যে বিষয়গুলোর পরীক্ষা হয়নি সে বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে জেসএসসিতে প্রাপ্ত নম্বরের ২৫ শতাংশ এবং এসএসসিতে প্রাপ্ত নম্বরের ৭৫ শতাংশ ধরে ফল তৈরির প্রস্তাব করা হয়েছে৷ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকরা এ প্রস্তাব করেছেন।

ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বলেন, এইচএসসির ফল কীভাবে দেওয়া হবে সে সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব গত সপ্তাহে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে৷ প্রস্তাব অনুমোদনের আগে এ বিষয়ে আমি কোনো কথা বলতে চাচ্ছি না। কেননা প্রস্তাব অনুমোদন না হলে পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

জানা গেছে, গত সপ্তাহে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে ফল প্রকাশ সংক্রান্ত প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ের পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবটি যাচাই-বাছাই চলছে। শিগগির এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে মন্ত্রণালয়।

চলতি বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি বোর্ড ও মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন।

অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামের পক্ষ থেকে নবনিযুক্ত ইউএনওকে শুভেচ্ছা

0

জাতীয় পার্টির  কো-চেয়ারম্যান,  যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান , সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামের পক্ষ থেকে নবাবগঞ্জ উপজেলায় নবনিযুক্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলরুবা ইসলাম কেয়াকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা নিবার্হী অফিসারের কার্যালয়ে সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামের ব্যক্তিগত এবং দলের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান নবাবগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. জুয়েল আহমেদ।

এ সময় জুয়েল আহমেদ বলেন, নবনিযুক্ত উপজেলা নিবার্হী অফিসার দিলরুবা ইসলাম কেয়া সালমা ইসলামকে এবং দলীয় নেতাদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আইনের মধ্যে থেকে সব প্রকার সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক বোরহান উদ্দিন, উপজেলা যুব সংহতির সাধারণ সম্পাদক সুভ্র তালুকদার ও শোল্লা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি আব্দুল মতিন মেম্বার।

ঢাকা পর্যন্ত সরকারি এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া ১৮০০টাকাঃ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন

মো আল-আমিন; স্টাফ রিপোর্টার, news39.net: বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন- দোহারের উদ্যোগে ঢাকা পর্যন্ত সরকারি এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া ১৮০০টাকা করা হয়েছে। এ সময় প্রতিনিধিদের সাথে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর কর্মকর্তাদের সাথে যৌথ মিটিংয়ে চমৎকার কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সিদ্ধান্তসমূহ নিম্নরুপঃ

(১) মানি রিসিট ছাড়া হাসপাতালে কোনো প্রকার লেনদেন হবে না।
(২) সাধারণ ড্রেসিং করাতে কোনো টাকা লাগবে না।
(৩) ঢাকা পর্যন্ত সরকারি এম্বুলেন্স ভাড়া ১৮০০ টাকা।
(৪) কোনো ডাক্তার অফিস সময়ে অন্য কোনো প্রাইভেট হসপিটালে প্রাক্টিস করতে পারবে না।
(৫) কোনো কর্মকর্তা পেশেন্টের সাথে খারাপ আচরণ করতে পারবে না।
(৬) একমাসের মধ্যেই এক্সরে মেশিনের ব্যবহার নিশ্চিত করবে।
(৭) পেশেন্ট ক্রিটিকাল হলেও অন্তত প্রাথমিক ট্রিটমেন্ট দিয়ে ঢাকায় পাঠাতে হবে।
(৮) বৈকালিক সেবায় টেস্ট সার্ভিস চলবে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত।
(৯) ওষুধ কোম্পানির কর্মকর্তারা শুধুমাত্র শনি ও মোঙ্গলবারে হসপিটালে আসতে পারবে।
(১০) হস্পিটালের আশেপাশে কিংবা অভ্যন্তরে কোনো দালাচক্র ঘুরাঘুরি করতে পারবে না।
(১১) ডায়াবেটিস পরীক্ষার চার্জ ৬০ টাকা মাত্র।
(১২) রোগী দেখার ব্যাপারে কোনো স্বজনপ্রীতি করা হবে না।
(১৩) ডাক্তারের টেবিলে ওষুধ কোম্পানির লগো সম্বলিত কোনো সিল থাকবে ন।
(১৪) অভিযোগ বক্স নিশ্চিত করা হবে। এবং প্রত্যেক শনিবার ছাত্রপ্রতিনিধিদের কে সাথে নিয়ে অভিযোগ বক্স খোলা হবে। এবং সমস্যা নিরুপায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
(১৫) হাসপাতাল থেকে কী কী ঔষধ ও সেবা প্রদান করা হয়, সেগুলোর তালিকা প্রকাশ করে হাসপাতালের দেয়ালে টানিয়ে দেয়া হবে।
(১৬) ডাক্তার, নার্স কিংবা হস্পিটাল কর্তৃপক্ষের সাথে কেউ দুর্ব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নবাবগঞ্জে পূর্ব শাখা জামায়াতের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টারঃ আজ (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার একটি কমিউনিটি সেন্টারে নবাবগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিশে সূরা সদস্য ও ঢাকা জেলা দক্ষিণের আমীর মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ শাহীনুর ইসলাম, ঢাকা জেলা দক্ষিণের জেলা সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা এবিএম কামাল হোসাইন। উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মোহাম্মদ আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নবাবগঞ্জ উপজেলা আমীর,সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী এ্যাডভোকেট ইব্রাহিম খলিল। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে জনশক্তিকে সমাজের মানুষের পাশে থেকে জনসেবার মাধ্যমে মন জয় করে দ্বীনি কাজ বেগবান করতে আহবান জানান। তিনি সবাইকে যে কোন অপতৎপরতা রুখে দিতে সদা প্রস্তুত থাকতে অনুরোধ করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা দক্ষিণের সেক্রেটারি বলেন, দেশের স্বাধীনতা রক্ষা ও সৎ লোকের শাসন কায়েমে ঐক্যবধ্যভাবে কাজ করতে হবে। বিজয়ের সার্থকতা তখন অর্জিত হবে যখন দেশে পুরোপুরি দ্বীন কায়েম হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য জেলা নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ শাহীনুর ইসলাম বলেন, শহীদ আঃ কাদের মোল্লাসহ সকল শহীদের শেষ কথা ছিল আমাদের রক্তের বিনিময়ে দেশে ইসলাম কায়েম বেগবান হবে। আমাদের সবাইকে দ্বীন কায়েমের মাধ্যমে তাদের রক্তের বদলা নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা রাখেন জেলা শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য ইছামতি ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল কাদের, জেলা শুরা সদস্য ও নবাবগঞ্জ পশ্চিম থানা আমীর মাওলানা হারুনূর রশিদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিবির সভাপতি আঃ কাদের, থানা এসিট্যান্ট সেক্রেটারি মামুনুর রশীদ চৌধুরীসহ ইউনিয়ন ও থানার বিভিন্ন পর্যায়ের জামায়াতের নেতৃবৃন্দ।

জয়পাড়া কলেজে রোভার স্কাউট ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত

ঢাকার দোহারে জয়পাড়া কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের আয়োজনে ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২রা সেপ্টেম্বর) জয়পাড়া কলেজের ১০৭ কক্ষ মিলনায়তনে নতুন শিক্ষার্থী এর ২৪ – সেশন এর  সহচরদের ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়।

জয়পাড়া কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপ এর এসআরএম মোঃ মোবারক হোসেন এ সঞ্চালনায় ওরিয়েন্টেশন ক্লাস উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জয়পাড়া কলেজ এর অধ্যক্ষ ও জয়পাড়া কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপ এর সভাপতি মোঃ সিদ্দিকুর রহমান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জয়পাড়া কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপ এর গ্রুপ সম্পাদক আব্দুল হালিম মিয়া, জয়পাড়া কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপ এর আরএসএল  এ কে এম ফখরুউদ্দিন,জয়পাড়া কলেজ  রোভার স্কাউট গ্রুপ এর আরএসএল আমিনুর রহমান,মহাকবি কায়কোবাদ মুক্ত স্কাউট গ্রুপ এর সভাপতি মোহাম্মদ রাজু ইসলাম(উডব্যাজ), জয়পাড়া কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপ এর কার্যকরী সদস্য ও সাবেক এসআরএম এবং মহাকবি কায়কোবাদ মুক্ত স্কাউট গ্রুপের আরএসএল মোঃ আল-আমিন হোসাইন।

এসময়  জয়পাড়া কলেজ এর অনেক শিক্ষক উপস্থিত  ছিলেন,উক্ত সময় ক্লাসে সহচরদের বিভিন্ন বিষয়ের উপর স্কাউটিং সম্পর্কে ধারণা দেওয়া সহ রোভার ও গালইন রোভার সকল কে ফুল দিয়ে স্বাগতম জানানো হয়।

মাধ্যমিকে আবারও  ফিরছে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ

নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী চলতি বছর থেকে নবম শ্রেণিতে বিভাগ (সায়েন্স, আর্টস ও কমার্স) বিভাজন তুলে দেওয়া হয়েছিল। তবে জুলাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার নতুন শিক্ষাক্রমের এ বিষয়সহ অনেক কিছু বাদ দিয়ে আবারও মাধ্যমিকে বিভাজন চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যেসব শিক্ষার্থী আগামী বছর নবম শ্রেণিতে উঠবে, তারা পুরোনো শিক্ষাক্রম অনুযায়ী শাখা ও গুচ্ছভিত্তিক পরিমার্জিত পাঠ্যবই পাবে। তারা আগের মতো নবম ও দশম মিলিয়ে দুই শিক্ষাবর্ষে পাঠ্যসূচি শেষ করে ২০২৭ সালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেবে।

এ ছাড়া পাঠদান পদ্ধতি ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে। যতদূর সম্ভব মূল্যায়ন পদ্ধতি পূর্বের জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ এর মতো হবে। পাঠ্যবইয়েও আনা হবে পরিবর্তন।

রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০২২ এর বিষয়ে মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা তথা অংশীজনদের অভিমত, গবেষণা ও জরিপ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে এই শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে শিক্ষকদেরর প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির ঘাটতি, পাঠ্য বিষয়বস্তু ও মূল্যায়ন পদ্ধতি সম্পর্কে অস্পষ্টতা ও নেতিবাচক ধারণা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার প্রকট অভাব ইত্যাদি নানাবিধ বাস্তব সমস্যা বিদ্যমান থাকায় উক্ত শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নযোগ্য নয় মর্মে প্রতীয়মান। এই পরিপ্রেক্ষিতেই এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনাগুলো হলো- প্রাথমিক শিক্ষা স্তরে প্রাক-প্রাথমিক, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী এবং ১ম, ২য় ও ৩য় শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের সাথে ধারাবাহিকতা রেখে ইতোমধ্যে ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির পাঠ্যবইগুলোর পাণ্ডুলিপি প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জন করে মুদ্রণ করা হবে; এক্ষেত্রে পাঠদান পদ্ধতি ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে, যতদূর সম্ভব মূল্যায়ন পদ্ধতি পূর্বের জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ এর মতো হবে।

৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ৯ম শ্রেণিতে চলমান পাঠ্যবইগুলো ২০২৪ সালব্যাপী বহাল থাকবে, ২০২৫ সালে যথাসম্ভব সংশোধিত ও পরিমার্জিত পাঠ্যবই সরবরাহ করা হবে; ২০২৪ সালের অবশিষ্ট সময়ে ও বার্ষিক পরীক্ষায় ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ৯ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সংশোধিত ও পরিমার্জিত মূল্যায়ন পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করা হবে, শ্রেণি কার্যক্রমগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির প্রতিটির ৬টি করে বিষয়ভিত্তিক যে মূল্যায়ন কার্যক্রম অসম্পন্ন রয়েছে সেগুলো আর অনুষ্ঠিত হবে না। সংশোধিত ও পরিমার্জনকৃত মূল্যায়ন রূপরেখার ভিত্তিতে আগামী ডিসেম্বর নাগাদ ২০২৪ সালের ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সংশোধিত ও পরিমার্জিত মূল্যায়ন পদ্ধতির রূপরেখা শিগগিরই বিদ্যালয়গুলোতে পাঠানো হবে।

২০২৫ সালে দশম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ২০২৬ সালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেওয়ার লক্ষ্যে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা অব্যাহত রেখে পূর্বের শিক্ষাক্রমের আলোকে প্রণীত সংশোধিত ও পরিমার্জিত পাঠ্যবইগুলো (২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ব্যবহৃত বই) শিক্ষার্থীদের সরবরাহ করা হবে। আগের শিক্ষাক্রম অনুসারে প্রণীত বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখাভিত্তিক এই পাঠ্যবইগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচি প্রণয়ন করা হবে যাতে শিক্ষার্থীরা এক শিক্ষাবর্ষের মধ্যেই পাঠ্যসূচিটি সম্পন্ন করতে পারে। পাঠদান ও মূল্যায়ন পদ্ধতি আগের শিক্ষাক্রম অনুসারে পরিচালিত হবে।

যেসব শিক্ষার্থী ২০২৫ সালে নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হবে তাদের আগের শিক্ষাক্রমের আলোকে প্রণীত শাখা ও গুচ্ছভিত্তিক সংশোধিত ও পরিমার্জিত পাঠ্যবইগুলো (২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ব্যবহৃত) দেওয়া হবে, এসব শিক্ষার্থী নবম ও দশম শ্রেণি মিলে দুই শিক্ষাবর্ষে সম্পূর্ণ পাঠ্যসূচি শেষে ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। শিক্ষাবিদ, শিক্ষাক্রম বিশেষজ্ঞ, প্যাডাগগ, মূল্যায়ন বিশেষজ্ঞ, সংশ্লিষ্ট বিষয় বিশেষজ্ঞ, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও অভিভাবক প্রতিনিধিগণের সহযোগিতায় ২০২৫ সালে পরিমার্জিত শিক্ষাক্রম চূড়ান্ত করা হবে, যা ২০২৬ সাল থেকে পরিপূর্ণরূপে কার্যকর করা হবে।

বিএনপিতে কোন দুস্কৃতির ঠাই নেই : খন্দকার আবু আশফাক 

শরিফ হাসান, স্টাফ রিপোর্টার, news39.net: ঢাকার দোহার উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

রোববার (১ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় জয়পাড়া কলেজে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর শুভ উদ্বোধন করেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক।

প্রতিষ্ঠা বাষিকীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক। সে সময় তিনি বলেন, দেশরত্ন বেগম খালেদা জিয়া শত ষড়যন্ত্রের মধ্যেও এই বাংলাদেশে আছেন। তিনি গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলে। যার কারনে তিনি ৩ বার প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। তার সময় কোন দূর্নীতি হয়নি। এই আওয়ামী লীগ সরকার এসে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে জেলে পাঠান।

তিনি আরো বলেন, ছাত্র জনতার এই আন্দোলনের ফলে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে ভোট চোর শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছে। এই ছাত্র আন্দোলনের যারা নিহত হয়েছে আমরা তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। ৫ই আগষ্ট বাংলাদেশ আবার স্বাধীন হয়েছে।

তিনি আরো বলেন,  সামনে আমাদের নির্বাচন। তাই আমাদেরকে জনগণের কাছে যেতে হবে। যাতে তারা বিএনপিকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে। তাই আমি আপনাদের প্রতি অনুরোধ রাখবো আপনার মানুষের দুয়ারে দুয়ারে যান। আল্লাহ উপরে ভরসা রাখুন। বিএনপিতে অন্য কোন দলের লোক আসতে পারবে না। বিএনপিতে কোন দুস্কৃতির ঠাই নেই।

অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও দলের জন্য দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। সে সময় উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেছের খান, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ,জিএস সেন্টু ভূঁইয়া, জুলহাস উদ্দিন, ছাত্র দল, সেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

ফেনীর ১০হাজার পরিবারে খন্দকার আবু আশফাকের ত্রাণ বিতরণ

0

শরিফ হাসান, news39.net: ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাকের পক্ষ থেকে ফেনীর বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে ফেনী জেলার বিভিন্ন বন্যাদুর্গতদের মাঝে এসব ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ বিতরণের সময় ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক বলেন, ‘তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা ঢাকা জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে কয়েক হাজার বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছি। ভবিষ্যতে ও বন্যা কিংবা কোনো দুর্যোগে আমাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশে দেশের চলমান দুর্যোগ বন্যা কবলিত এলাকা ফেনীতে এক লাখ পরিবারের মাঝে বিএনপির পক্ষ থেকে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ ছাগলাইয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রায় ১০ হাজার পরিবারকে ত্রাণসামগ্রী দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল আলম মজনু তার এলাকায় ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাকের ত্রাণ বিতরণ করায় কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

এ সময় ঢাকা জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও ফেনী জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরাসহ ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন