রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পর্যটন এলাকা সাজেক ভ্রমণে পর্যটকদের অনির্দিষ্টকালের জন্য নিরুৎসাহিত করেছে জেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়। এ নিয়ে চার দফায় এ নির্দেশনা দেওয়া হলো।
এবারের নোটিশে বলা হয়, রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার আইনশৃঙ্খলার সার্বিক পরিস্থিতি এবং এসব এলাকায় পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে শুক্রবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করা হলো।
এর আগে অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি এড়াতে গত মাসের ২৪-২৭ সেপ্টেম্বর, এরপরে ২৮-৩০ সেপ্টেম্বর এবং ১-৩ অক্টোবর পর্যন্ত সাজেক পর্যটন এলাকায় পর্যটকদের ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করে জেলা প্রশাসন।
মাহমুদুল হাসান সুমন (দোহার প্রতিনিধি):
ঢাকার দোহার উপজেলায় জয়পাড়া খাড়াকান্দা গ্রামে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে আনোয়ার হোসেন (২৯) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।নিহত আনোয়ার হোসেন ইসলামী শাসনতন্ত্র বাংলাদেশ, দোহার পৌরসভার সেক্রেটারির একমাত্র পুত্র।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়,বুধবার বিকাল আনুমানিক ৪.০০ ঘটিকায় নিহত আনোয়ার হোসেন ও স্থানীয় কয়েকজন যুবক একসাথে দোহার পৌরসভার পিছনে এক পুকুরে মাছ ধরতে যায়।বড়শির ছিপ এক পর্যায়ে মাথার উপরে উঠে বিদ্যুৎ এর প্রধান লাইনের সাথে স্পর্শ করে।তৎক্ষণাৎ তার চিৎকার শুনে অন্যান্যরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় সরকারি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।কর্তব্যরত ডাক্তার ইসিজি ও অন্যান্য বিষয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।মৃতের আত্ত্বীয়স্বজন তাকে বাসায় নিয়ে যায় ও সে জীবিত আছে বলে পুনরায় হাসপাতালে নিয়ে আসে।এক পর্যায়ে তারা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার উদ্দেশ্য রওয়ানা দেয়। পরবর্তীতে ডাক্তারের কথা ও বাস্তবতা মেনে ঢাকায় না গিয়ে লাশ নিজ বাড়িতে নিয়ে আসে।মৃত্যুকালে তিনি ছয় মাসের অন্ত:সত্তা স্ত্রী, দুই ছেলে ও পরিবার রেখে গেছেন।এ ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
শরিফ হাসান, দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি ও স্মারকলিপি দিয়েছে দোহার উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকবৃন্দ।
দোহার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অফিসের সামনে অনুষ্ঠিত মঙ্গলবার ওই কর্মসূচিতে দোহার উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকশ সহকারী শিক্ষক অংশ নেন।
মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে দোহার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইলোরা ইয়াসমিনের কাছে প্রধান সমন্বয়ক আবুল কালাম মোল্লার নেতৃত্বে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বরাবর একটি স্মারকলিপি দেন।
মানববন্ধনে শিক্ষক নেতারা অভিযোগ করে বলেন, একই যোগ্যতায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়েও তারা তৃতীয় শ্রেণির গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন। অথচ তাদের সমান যোগ্যতায় অনেকেই ১০ম গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন। এটা স্পষ্টতই একটা বড় বৈষম্য।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দোহার উপজেলার শিক্ষক নেতারা বলেন, উচ্চ মাধ্যমিক এবং ডিপ্লোমা পাসের যোগ্যতায় নার্সরা জাতীয় পে-স্কেলের ১০ম গ্রেড পাচ্ছেন। একইভাবে উচ্চ মাধ্যমিকসহ ৪ বছরের ডিপ্লোমা যোগ্যতায় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা ১০ম গ্রেড, পুলিশের এসআইরা স্নাতক যোগ্যতায় ১০ম গ্রেড এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা একই শিক্ষাগত যোগ্যতায় ১০ম গ্রেড পাচ্ছেন। অথচ সহকারী শিক্ষকদের বর্তমান বেতন হয় ১৩ তম গ্রেডে। অথচ এখানে দেশের সর্বোচ্চ মেধাবীরা এসেছে শিক্ষাসেবায় নিজকে উৎসর্গ করে। তাই, আমাদের বেতন স্কেল সেটা ১০ম গ্রেডে উন্নীতের দাবিতে বেশ কয়েক মাস ধরে, আমরা আন্দোলন করে আসছি।
oplus_2
মানববন্ধনে সহকারী এক শিক্ষিকা বলেন, ৯ বছর আগে ২০১৫ সালে সর্বশেষ যে জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়েছিল। ওই পে-স্কেলেও প্রাথমিক শিক্ষকরা বৈষম্যের শিকার হয়। কিন্তু এই সময়ে যে হারে দ্রব্যমূল্য বেড়েছে, তাতে প্রাথমিক শিক্ষকরা সংসার চালাতে গিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। এমতাবস্থায়, জাতির মেরুদণ্ড এই শিক্ষকেরা বঞ্চনা এবং বৈষম্য শিকার হলে, জাতির মেধাবিকাশ সম্ভব নয়।
শিক্ষক নেতা দলিলুর রহমান নিউজ৩৯কে বলেন, মেধাবী শিক্ষকদের রাখতে হলে এ পেশার সামাজিক মর্যাদা, বেতনসহ সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করতে হবে। মালদ্বীপের প্রাথমিকের শিক্ষকদের মাসিক গড় বেতন প্রায় ৯৫৫ ডলার বা ১,২০,০০০/- টাকা , যা বাংলাদেশের প্রায় ছয় গুণ।
এমনকি পাকিস্তানেও শিক্ষকদের গড় বেতন ২০৭ ডলার বা ২৮/২৯ হাজার টাকা ও শ্রীলংকায় ২৫০ ডলার বা ৩৫ হাজার টাকা প্রায়। তাই, অনতিবিলম্বে সহকারী শিক্ষকদের ১০তম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ৯ম গ্রেড দেয়া হোক।
oplus_2
কর্মসূচিতে বাস্তবায়নের জন্য দোহার উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল সহকারী শিক্ষকবৃন্দ,মোহাম্মদ আবুল কালাম মোল্লা (সমন্বয়ক),মোঃ হাবিবুর রহমান (সহ সমন্বয়ক) উপস্থিত ছিলেন।
ইসলামি শরিয়তে একজন মুসলমানের জন্য আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে আত্মীয়তার সম্পর্ক নষ্ট করাকে কোনো গুনাহই মনে করা হয় না। ইহকালে ঐক্য ও সমঝোতা সৃষ্টি এবং পরকালে জান্নাত লাভের সর্বোত্তম উপায় আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা। নিচে আত্মীয়তা রক্ষার কয়েকটি ফজিলত আলোচনা করা হলো।
১. গুনাহমাফহয়: আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সা.) কাছে এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আমি একটি বড় গুনাহ করে ফেলেছি। সুতরাং আমার জন্য কি তওবা আছে?’ রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘তোমার কি মা আছে?’ সে বলল, ‘নেই।’ রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকে আবার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমার কি খালা আছে?’ সে বলল, ‘জি হ্যাঁ।’ তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘অতঃপর তার সঙ্গেই ভালো ব্যবহার করবে।’ (তিরমিজি: ১৯০৪)
২. রিজিকওআয়ুবাড়ে: আনাস ও আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি পছন্দ করে যে তার রিজিক ও বয়স বেড়ে যাক, সে যেন তার আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করে।’ (বুখারি: ৪৮৩০)
৩. জান্নাতেরপথসহজহয়: আবু আইয়ুব আনসারি (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আপনি আমাকে এমন একটি আমল দেখিয়ে দিন, যা আমাকে জান্নাতের নিকটবর্তী করবে এবং জাহান্নাম থেকে দূরে সরিয়ে দেবে।’ তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘একমাত্র আল্লাহ তাআলার ইবাদত করবে, তাঁর সঙ্গে কাউকে শরিক করবে না। সালাত কায়েম করবে, জাকাত দেবে ও নিজ আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করবে।’ লোকটি রওনা করলে রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকে উদ্দেশ করে বললেন, ‘সে যদি আদিষ্ট বিষয়গুলো আঁকড়ে ধরে রাখে, তাহলে সে জান্নাতে যাবে।’ (বুখারি: ১৩৯৬)
বাংলাদেশ একটি নদীবহুল দেশ। স্যাটেলাইট থেকে দেখলে মনে হয় শুধু নদী আর নদী তার মাঝে কিছু সবুজ ভূমি। এই নদীগুলো বঙ্গোপসাগরে পলি বয়ে নিয়ে অসংখ্য দ্বীপ বা চর তৈরি করেছে। দ্বীপ ও চর আসলে একই জিনিস। তবে আমরা সাধারণত নদীর মাঝে জেগে উঠা দ্বীপকে চর বলি। তবে উপকূলের বাসিন্দারা সাগরের দ্বীপকে চর বলে। চট্টগ্রাম-কক্স’সবাজারের বাসিন্দারা দ্বীপকে বলে “দিয়া”। এই দ্বীপগুলোতে রয়েছে সবুজের সমারোহ, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নানান প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদের বাসস্থান, যা তাদের বিশেষভাবে আলাদা করে তোলে। মৎস্য চাষ, পর্যটন, এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে এই দ্বীপগুলো কাজ করে। আর ইদানিংতো অভিযানপ্রিয় পর্যটকের আকর্ষণ।
এই নিবন্ধে আমরা বাংলাদেশের সবচে’ বড় দ্বীপগুলোর একটি তালিকা তৈরি করবো। এই তালিকাটি আপনাকে বাংলাদেশের দ্বীপ সম্পর্কে একটি সার্বিক ধারণা দেবে।
তালিকাটি তৈরির আগে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি:
দ্বীপের সংখ্যা: নদী ও সমুদ্রের ক্রমাগত পরিবর্তনের ফলে দ্বীপের সংখ্যা নির্দিষ্টভাবে বলতে কঠিন।
দ্বীপের আকার: দ্বীপের আকারও ক্রমাগত পরিবর্তনশীল।
তথ্যের সীমাবদ্ধতা: সব দ্বীপের বিস্তারিত তথ্য সর্বদা পাওয়া যায় না।
তবুও, আমরা চেষ্টা করবো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপগুলোর একটি তালিকা তৈরি করতে।
বাংলাদেশের সবচে’ বড় ১০ দ্বীপ:
১. ভোলা: ১৪৪১ বর্গ কি.মি.
ভোলা দ্বীপ, ছবি: তামিম হাসান, আনস্প্ল্যাশ
২. সন্দ্বীপ: ৪৮৮.৫২ বর্গকিমি
সনদ্বীপ, ছবি: মাহামুদ হাসান
৩. হাতিয়া:৩৭১ বর্গ কিমি
হাতিয়া, ছবি: রাজিব ইসলাম, উইকিপিডিয়া
৪. মহেশখালি: ৩৬২.১৮ বর্গ কিলোমিটার
মহেশখালী দ্বীপ
৫. জাহাইজ্জার চর: ৩৬০ বর্গ কিমি
এটি বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি দ্বীপ। তবে এর অবস্থান মূল ভূখণ্ডের কাছে। ১৯৯২-১৯৯৭ সালের দিকে এই চরে একটি জাহাজ আটকে গিয়ে দুর্ঘটনায় পতিত হয়। সেই সময় থেকে এ চরটি জাহাইজ্জার চর নামে পরিচিত লাভ করে।
৬. কুতুবদিয়া: প্রায় ২১৬ বর্গ কিলোমিটার
কুতুবদিয়া, ছবি: রকি মাসুম, উইকিপিডিয়া
৭. নিঝুম দ্বীপ: প্রায় ৯১ বর্গ কিমি
নিঝুম দ্বীপ, ছবি: ইয়াসিন সম্পদ, আনস্প্ল্যাশ
৮. দুবলার চর: ৬৬.৫ বর্গ কিলোমিটার
দুবলার চর, ছবি: বিডিনিউজ২৪.কম
৯. চর কুকরি মুকরি: ২৫ বর্গ কিমি
চর কুকরি মুকরি, ছবি: উইকিপিডিয়া
১০. ঠেঙ্গারচর/ ভাসানচর: ৬৫ বর্গ কিমি
ভাসান চর, ছবি: মো. গোলাম মোস্তফা
১১. সোনাদিয়া: প্রায় ৯ বর্গকিলোমিটার
সোনাদিয়া, ছবি: মো. আকিল খান
১২. সেইন্ট মার্টিন’স: প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার
সেইন্ট মার্টিন’স বা নারিকেল জিঞ্জিরা দ্বীপ
সেইন্ট মার্টিন‘স বা নারিকেল জিঞ্জিরা দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। ছেড়া দ্বীপ বা ছেড়াদিয়া আলাদা কোনো দ্বীপ নয়। এটি সেইন্ট মার্টিন’সেরই অংশ। জোয়ারে একটা অংশ ডুবে যায় তখন আলাদা হয়ে যায় সাময়িকভাবে।
দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি: হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ঢাকা জেলা দক্ষিণ ( কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলা, কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ, নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলা) কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটি গঠন উপলক্ষে এক প্রতিনিধি সম্মেলন
অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় দোহার উপজেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির হযরত মাওলানা আবদুল হামিদ ( মধুপুর পীর সাহেব)
এ সময় তিনি নতুন কমিটির উদ্দেশ্য বলেন, আমি মনে করি জোর মিল মোহাব্বতের মাধ্যমে হেফাজতে ইসলাম এগিয়ে যাবে আমাদের এই নেতৃত্বের মাধ্যমে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী,সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব। যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী।
১৫১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি যারা এসেছেন তারা হলেন, সভাপতি পদে আবু সাইদ (কেরানিগঞ্জ),সাধারণ সম্পাদক পদে মাওলানা আব্দুস সালাম (দোহার),সহ সাধারণ সম্পাদক পদে মুফতি ফিরোজ খাঁন (দোহার),সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মুফতি কামাল উদ্দিন কাসেমী(দোহার), সহ-কারী কোষাধ্যক্ষ পদে মুফতি মুহাম্মদ ইমরান হুসাইন(দোহার) প্রচার সম্পাদক পদে মুফতি আল আমিন(বান্দুরা), সহকারী প্রচার সম্পাদক পদে মাওলানা ওমর ফারুক।
বৈষম্যবিরোরধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর নিউমার্কেট থানা এলাকায় ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
আজ রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) কারাগার থেকে তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ।
এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তাদের এ মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুল হক তাদের এ মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। এরপর তাদের আইনজীবী জামিন চাইলে আদালত তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে। পরে দ্রুত তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. তরিকুল ইসলাম।
তিনি জানান, ভোররাতে ধানমন্ডির শুক্রাবাদ এলাকা থেকে দগ্ধ অবস্থায় তিনজনকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। তাদের মধ্যে টোটন ৫০ শতাংশ, নিপা ৩২ শতাংশ ও শিশু বায়জিদ ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়। দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রেফার্ডের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
দগ্ধ টোটন জানান, ভোররাতে শিশুর জন্য পানি গরম করতে গিয়ে গ্যাসের চুলা জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণে দগ্ধ হই আমরা তিনজন। এরপর প্রতিবেশীরা উদ্ধার করে আমাদের হাসপাতালে নিয়ে আসে। এর বেশি আমি কিছু বলতে পারব না।
দোহারে দুই রোহিঙ্গাসহ স্থানীয় এক নারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে উপজেলা নির্বাচন অফিস। বৃহস্পতিবার বিকালে ভোটার হতে এসে ধরা পড়ে তারা। আটককৃত দুই রোহিঙ্গা হলেন, কক্সবাজারের ঠেংখালী ক্যাম্প-১২ তে বসবাসরত হাবীবুল্লাহর ছেলে মো. সাঈদ (২৯) এবং টেকনাফ জাদিমুড়ায় বসবাসরত আবুল কাশেমের ছেলে মো. আমির। এ ছাড়া তাদের সঙ্গে আসা দোহার উপজেলার মালিকান্দা গ্রামের মাসুম হাওলাদারের স্ত্রী খাইরুন নাহার (৩৮)কে আটক করা হয়।
জানা যায়, সাঈদ ২০১৫ সালে মায়ানমার থেকে বাংলাদেশ হয়ে ভারত প্রবেশ করে। তারপর ভারত থেকে সৌদি প্রবেশ করে। ২০১৯ সালে ফের বাংলাদেশে আসে। অন্যদিকে আমির চারমাস আগে মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসে। জানা যায়, ভোটার হওয়ার জন্য তারা দোহারের নারিশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেনের স্বাক্ষরিত নাগরিক সনদ, বিদুৎ বিলসহ প্রয়োজনীয় সব কাগজ নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকাল চারটার দিকে দোহার উপজেলা নির্বাচন অফিসে আসে তারা। সেখানে নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তারা কাগজপত্র চ্যালেঞ্জ করলে ধরা পড়ে তারা। তখন স্থানীয় ওই খাইরুন নাহার তাদের সঙ্গে ছিলেন। আটককৃত তিনজনকে সন্ধ্যায় থানায় সোপর্দ করে উপজেলা নির্বাচন অফিস।
এ বিষয়ে আটক দুই যুবক সাঈদ ও আমির জানান, তারা মূলত দোহারের চর লটাখোলা এলাকার মো. রাজিব নামে এক যুবকের মাধ্যমে এখানে আসেন ভোটার আইডি কার্ড করতে। তবে সেই রাজিব চতুর হওয়ায় সে মালিকান্দা এলাকার খাইরুন নাহার নামে এক নারীর মাধ্যমে দোহার উপজেলা নির্বাচন অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে পাঠান ভোটার হতে। তবে নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তারা বিষয়টি বুঝতে পেরে নির্বাচন অফিসার মো. তাসিনুর রহমানকে বিষয়টি অবগত করে। নির্বাচন অফিসার মো. তাসিনুর রহমান জানান, আমাদের সব অফিসের স্টাফ দায়িত্বশীল হওয়ায় আজ আমরা দুজন রোহিঙ্গাকে শনাক্ত করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছি।
দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা মিলেছে বলে জানিয়ে বলেন, এ ঘটনায় দোহার নির্বাচন অফিসের অফিস সহকারী মো. আয়ূব হোসেন বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন। যার মধ্যে তিনজন গ্রেপ্তার ও রাজিব নামে একজন পলাতক রয়েছেন। ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগ সমর্থিত বিগত একক নির্বাচনের নির্বাচিত চেয়ারম্যান শিরিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে পালিয়ে যাওয়ার সময় গতকাল বুধবার তাকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম তার আটকের খবর এ প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেছেন।
ওসি মমিনুল ইসলাম আরো বলেন, বিমানবন্দরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্যের হাতে আটকের পর শিরিন চৌধুরীকে নবাবগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত একটি হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাকে আদালতে নেওয়া হবে বলেও জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা। পাশাপাশি সত্য তথ্য উদঘাটন ও অধিকতর তদন্তের স্বার্থে শিরিনকে ৭ দিনের রিমান্ডে চাইবে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। উল্লেখ্য,
শিরিন চৌধুরী প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে আগলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি আগলা ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম নারী চেয়ারম্যান।