জয়পাড়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি-কুদ্দুস, সাঃ সম্পাদক আজিজ

ঢাকার দোহারের ঐতিহ্যবাহী জয়পাড়া বাজার ব্যবসায়ী বহুমূখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিটির সভাপতি উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আরিফা বানু ফলাফল ঘোষণা করেন। এতে সভাপতি পদে এসএম কুদ্দুস ও সাধারণ সম্পাদক পদে আ. আজিজ নির্বাচিত হয়েছেন।

জানা যায়, অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৫০০ ভোট পেয়ে এসএম কুদ্দুস সভাপতি নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. রইচ উদ্দিন পান ৪৪১ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে ৫৩৮ ভোট পেয়ে আ. আজিজ নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সুমন পেয়েছেন ১৬২ ভোট।

এছাড়া সহ-সভাপতি পদে পরশ আলী ৩৪৭ ভোট, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে মো. ইব্রাহীম ৩৯২ ভোট ও কোষাধ্যক্ষ পদে মো. বিল্লাল হোসেন ৩৯৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন মো. জলিল মিয়া (৩৯৬ ভোট), ওবায়দুল ইসলাম (৪৪৩ ভোট), হাবিবুর রহমান (৫০৩ ভোট), মো. আলমাছ হোসেন (৫১৬ ভোট), মো. শাহিন বেপারী (৫৬৭ ভোট), রিপন সাহা (৫৩৫ ভোট) ও মো. মামুন হোসেন (৪০০ ভোট) পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

জয়পাড়া বাজার ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির মোট ভোটার ১০৩৮ জন। নির্বাচনে সভাপতি পদে ২ জন, সহ-সভাপতি পদে ৪, সম্পাদক পদে ৪, যুগ্ম সম্পাদক পদে ৪, কোষাধ্যক্ষ ৩ ও সদস্য পদে ৯জন সহ মোট ২৬জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এরআগে সোমবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া নির্বাচনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে ভোটাররা। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভোট কেন্দ্রকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রেখেছিলেন।

ব্যবসায়ী সমিতির ভোটারদের সাথে আলাপকালে তারা জানান, দীর্ঘদিন পর উৎসবমূখর পরিবেশে ভোট দিতে পেরে মহা খুঁশি তাঁরা।

দোহারে জয়িতা পদক পেলেন শিরিয়া বেগম

মাহমুদুল হাসান সুমন (দোহার প্রতিনিধি) :ঢাকা জেলার দোহার উপজেলা কর্তৃক আয়োজিত বেগম রোকেয়া দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে জয়িতা পদক পেলেন শিরিয়া বেগম(৭৩)।তিনি তাদের শিক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত ৬ সন্তানের জন্য এ পদক পান।সোমবার এ পদক ও সনদ তুলে দেন দোহার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ইলোরা ইয়াসমিন। এ সময় সিরিয়া বেগম ও তার দুই কন্যা উপস্থিত থেকে এ পদক প্রহন করেন।তার স্বামী মরহুম হেলাল উদ্দিন আহমেদ।তার যোগ্য সন্তানেরা হলেন:হেলেনা আক্তার (৫৭) অধ্যাপক,
ইডেন মহিলা কলেজ, শামীমা আক্তার (৫৫)
প্রধানশিক্ষক
(ভারপ্রাপ্ত),
বেগম আয়েশা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ, শবনম শিউলি (৫২),
সহকারি ভাইস প্রেসিডেন্ট, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড,সামিরা আহমেদ (৪৯)
গৃহিণী ,সানজিদা আহমেদ (৪৭)
ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা,
সোহরাব হোসেইন (৩৮)
ব্যবসায়ী।তার এ পদক প্রাপ্তিতে তার পরিবার ও এলাকার মানুষেরা তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ।তিনি সকলের দোয়া চেয়েছেন।

২ জানুয়ারি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ইসি

0

আজ রবিবার নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক মো. শরিফুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যাদের জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) ভুল আছে, তাদেরকে জরুরিভিত্তিতে আগামী ২ জানুয়ারির আগেই সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে গিয়ে ভুল সংশোধন করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

ভোটার তালিকা আইন অনুযায়ী, প্রতিবছর ২ জানুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়। প্রতিবছর ২ জানুয়ারি তার আগের বছরের তথ্য নিয়ে হালনাগাদ ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ করে ইসি। তালিকা নিয়ে দাবি, আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ২ মার্চ প্রকাশ করা হয় চূড়ান্ত তালিকা। আগামী ২ মার্চ চলতি বছরের তথ্য নিয়ে হালনাগাদ চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।

সিরিয়া: যেভাবে মাত্র ১২ দিনে বাশারের ২৪ বছরের শাসনামলের অবসান

বিদ্রোহীদের ভয়ে আজ রবিবার ভোরে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ রাজধানী দামেস্ক ছেড়ে অজানা গন্তব্যের উদ্দেশে পালিয়ে যান। এরপর দেশটির প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ গাজি আল-জালালিও বিদ্রোহীদের সঙ্গে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা দেন। এর মধ্য দিয়ে সিরিয়ায় আসাদ পরিবারের দীর্ঘ ৫৪ বছরের স্বৈরশাসনের অবসান হয়। মাত্র ১২ দিনেই অভূতপূর্ব বিজয় অর্জন করলেন বিদ্রোহী গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল-শাম (এইচটিএস)। গোষ্ঠীটির প্রধান নেতা মোহাম্মদ আল-জোলানি এই বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেন।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যদিও ২০১১ সাল থেকেই স্বৈরশাসক বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। ওই সময় বিক্ষোভকারীদের দমনে কঠোর পন্থা অবলম্বন করেন বাশার। এরপর বিক্ষোভকারীরা সশস্ত্র বিদ্রোহ শুরু করেন। এতে করে দেশটিতে শুরু হয় গৃহযুদ্ধ।

পরবর্তীতে বাশার আল আসাদকে বাঁচাতে এগিয়ে আসে রাশিয়া, ইরান ও লেবাননের হিজবুল্লাহ। এতে বিদ্রোহীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়।

কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে লেবাননের শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ দুর্বল হয়ে যাওয়া, ইরান তার চিরশত্রু ইসরায়েলের দিকে মনোনিবেশ ও ইউক্রেন নিয়ে রাশিয়ার ব্যস্ত থাকার সুযোগে বিদ্রোহীরা আবারও তৎপর হয়ে উঠে।

এরই ধারাবাহিকতায় মোহাম্মদ আল-জোলানির নেতৃত্বে হায়াত তাহরির আল-শাম গত ২৭ নভেম্বর হঠাৎ করেই বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। সেদিন থেকেই শুরু হয় দ্বিতীয় বড় শহর আলেপ্পো দখল অভিযান।

অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যান বিদ্রোহীরা। মাত্র ১২ দিনে পতন ঘটালেন আসাদ পরিবারের ৫৪ বছরের শাসনামলের। আর বাশার আল আসাদের ২৪ বছরের ক্ষমতার। তাদের দ্রুত গতির এই অভিযান আসাদ, তার মিত্র এবং বাকি বিশ্বকে হতবাক করে দিয়েছে।

মূলত ২৭ নভেম্বর দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর আলেপ্পোতে বিদ্রোহীদের আক্রমণ শুরু হয়। এরপর ১ ডিসেম্বর আলেপ্পোর কুর্দি যোদ্ধাদের দখলে থাকা কিছু সংখ্যাগরিষ্ঠ কুর্দি এলাকা বাদে বাকি অংশ নিজেদের দখলে নেয় বিদ্রোহীরা। এরপরে ৫ ডিসেম্বর সিরিয়ার চতুর্থ বৃহত্তম শহর হামা দখল করে। এরপর ৭ ডিসেম্বর আসাদ সরকার নিয়ন্ত্রিত রাজধানী দামেস্ক ঘেরাও এর অভিযান শুরু করে বিদ্রোহীরা।

রবিবার ভোরে সিরিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম শহর হোমসের নিয়ন্ত্রণ এবং দামেস্কে প্রবেশের ঘোষণা দেয় বিদ্রোহীরা। বিদ্রোহী যোদ্ধাদের আক্রমণের মুখে রাজধানী থেকে ব্যক্তিগত বিমানে করে পালিয়ে যান বাশার আল-আসাদ। তবে তিনি কোথায় গিয়েছেন রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

এরপরই সিরিয়াকে ‘মুক্ত’ ঘোষণা এবং রাজধানী দামেস্কের পূর্ণ দখল নেন বিদ্রোহীরা।

বাশার আল-আসাদের শাসনের অবসান হয়েছে জানিয়ে, রবিবার আর্মি অফিসারদের উদ্দেশে এ ঘোষণা দেন দেশটির সেনাবাহিনীর কমান্ড।

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের পর স্বৈরশাসক বাশার আল-আসাদ মুক্ত হল দেশটি। দেশের অভ্যন্তরের সংঘাত নিরসনে দীর্ঘ সময় আসাদের পাশে ছিল রাশিয়া এবং ইরানের মতো শক্তিশালী মিত্ররা। তবে শেষ মুহূর্তে মিত্রদের কোনও ভূমিকা দেখা যায়নি।

বাশার আল-আসাদের পালানোর খবরে দামেস্কের রাস্তার রাস্তায় উদযাপন দেখা যায়। বিদ্রোহীরা বলছে, সিরিয়ায় বাশারের শাসনের অবসান দেশটির ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

এক বিবৃতিতে বিদ্রোহীরা জানায়, “বাথিস্ট শাসনের অধীনে পাঁচ দশকের নিপীড়ন এবং ১৩ বছরের অপরাধ, অত্যাচার এবং বাস্তুচ্যুতি এবং দীর্ঘ সংগ্রামের পরে, সব ধরনের দখলদার বাহিনীর মোকাবিলা করে, আমরা আজ ঘোষণা করছি, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪ সেই অন্ধকার যুগের সমাপ্তি এবং নতুন যুগের শুরু হলো। এটি সিরিয়ার জন্য একটি নতুন যুগের সূচনা।”

এদিকে দামেস্ক দখলের পর নতুন সিরিয়াকে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জায়গা বলে ঘোষণা করেছে বিদ্রোহীরা। সেখানে ন্যায়বিচারের জয় এবং সব সিরিয়ানদের মর্যাদা রক্ষা করা হবে বলেও জানিয়েছেন তারা।

এছাড়া বিভিন্ন শহরের দখল নেওয়ার পর বিদ্রোহী গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল-শামের (এইচটিএস) প্রধান আবু মোহাম্মদ আল-জোলানি আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে ভালো আচরণ করতে বিদ্রোহী যোদ্ধাদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।

দোহারে পদ্মা নদীতে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ শিকার: ৭ জনের কারাদণ্ড

দোহার(ঢাকা)প্রতিনিধি: ঢাকার দোহার উপজেলায় পদ্মা নদীতে বৈদ্যুতিক শক ব্যবহার করে মাছ ধরার অপরাধে ৭ জন জেলেকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

গতকাল ৬ ডিসেম্বর, শুক্রবার রাত ৯টা থেকে ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের মৈনট ঘাট সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করেন দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মামুন খান।

অভিযানে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ শিকারের সময় হাতে নাতে ধরা পড়েন ৭ জন। মোবাইল কোর্টে দোষ স্বীকার করায় তাদের দণ্ডবিধি-১৮৬০ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন: ১. মো. শেখ মুন্না (৪০), শেখ আজিজের ছেলে, নারায়নপুর। ২. মো. ইকবাল (৩০), রহিম খার ছেলে, মাহমুদপুর হাজামবাড়ি মোড়। ৩. মো. মিরাজ বেপারী (২৯), লাল মিয়া বেপারীর ছেলে, মাহমুদপুর। ৪. শেখ নয়ন (৪৫), মৃত শেখ লাল মিয়ার ছেলে, মাহমুদপুর। ৫. মো. রবিউল (৩৫), জয়নাল বেপারীর ছেলে, চরকুসাই চর। ৬. মো. মুকুল মোল্লা (৪২), মৃত মুনসের মোল্লার ছেলে, নারায়নপুর। ৭. জাহাঙ্গীর শিকদার (৩০), সাকিম আলী শিকদারের ছেলে, নারায়নপুর। জব্দকৃত সরঞ্জাম:১২ ভোল্টের ২টি ব্যাটারি,১টি ইনভার্টার মেশিন,৪টি ছাঁক/জাল,কিছু জিআই তার।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মামুন খান বলেন, “বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ ধরার কারণে নদী ও খালের জলজ প্রাণীর ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এতে দেশীয় প্রজাতির মাছ কমে যাচ্ছে এবং জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে।”

তিনি আরও জানান, পরিবেশ ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। অভিযান পরিচালনায় দোহার থানা পুলিশ ও স্থানীয় সাংবাদিকরা সহযোগিতা করেন।

রাত পোহালেই জয়পাড়া বহুমুখী ব্যবসায়ী সমিতি লি: এর সাধারণ নির্বাচন

ঢাকার দোহার উপজেলার অন্যতম জয়পাড়া বহুমুখী ব্যবসায়ী সমিতি লি: এর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৯ ডিসেম্বর সোমবার অনুষ্ঠিত হবে। দীর্ঘ ৬ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই সমিতির কার্যকরী সংসদ নির্বাচন।

ফলে নির্বাচন নিয়ে সংশয়ে থাকা প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে বিরাজ করছে নির্বাচনী আমেজ। শেষ সময়ে শেষ নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করেছে প্রার্থী ও সমর্থকরা।

জয়পাড়া বহুমুখী ব্যবসায়ী সমিতি লি: এর নির্বাহী কর্মকর্তা পরেশ চন্দ্র রাজবংশী জানান, তিন বছর মেয়াদী নির্বাচনে ব্যবস্থাপনা কমিটির ২৬ টি পদে সমিতির বৈধ ভোটারদের ভোটে প্রার্থীরা নির্বাচিত হবেন। পরিচালনা কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- উপজেলা সমবায় কার্যালয়ের সহকারি পরিদর্শক মামুন অর রশীদ ও উপজেলা সমবায় অফিসার আরিফা বানু।

তিনি আরো বলেন,নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র বিক্রয় করা হয়। তফসিল অনুযায়ী সোমবার ৯ ডিসেম্বর নির্বাচনের জন্য ৬ টি পদে মনোনয়ন জমা দেন ২৬জন প্রার্থী। সভাপতি পদে মনোনয়ন জমা দেন মোঃ রইস উদ্দিন (চেয়ার মার্কা) ও এস এম কুদ্দুস (তালা চাবি মার্কা)। সহ-সভাপতি পদে সাহিদুজ্জামান খন্দকার, হাবিবুর রহমান, মোঃ সোহাগ হোসেন, পরশ আলী, সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ রফিক কবিরাজ, মোঃ সুমন,মোঃ মাহবুবর রহমান, আঃ আজিজ,যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক পদে বাবুল হোসেন, ইব্রাহিম, আরিফুল ইসলাম, মোঃ রফিক, কোষাধ্যক্ষ পদে এস এম বশির উদ্দিন, মিরাজ হোসেন, বিল্লাল হোসেন এবং সদস্য পদে
৯ জন এই নির্বাচনে অংশ করবে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ করা হবে। পরে ভোট গননা ও ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

৬ বছর পর নির্বাচন কেন এমন প্রশ্নের জবাবে পরশ চন্দ্র রাজবংশী বলেন, মাঝে একবার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয় পরে করোনা লোক ডাউন এর কারণে বন্ধ হয়ে যায়। এর পর বিভিন্ন সমস্যা কারনে নির্বাচন করা সম্ভব হয়নি। তবে এখন আনন্দঘন পরিবেশ নির্বাচন হচ্ছে। সকল প্রার্থী তাদের প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে এখন পর্যন্ত কোন সমস্যা খবর আমরা পাইনি।

১০৩৮ জন ব্যবসায়ীবৃন্দের সাধারণ ব্যবসায়ী বহুমুখী সমিতিটি দোহারের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠন। সাংগঠনিক ধারাবাহিকতা হিসেবে প্রতি ৩ বছর পর পর নির্বাচনের মাধ্যমে সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়ে থাকে।

জয়পাড়া বাজারে সাধারণ জনগণের মধ্যে হেমন্ত জানান, আমাদের বাজারে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খুবই খারাপ অবস্থা বিশেষ করে জয়পাড়া বাজারে ব্রিজের নিচে ময়লা ফেলাইতে ফেলাইতে ভরে ফেলেছে এছাড়াও হাটের পাশে ময়লা ফেলা হচ্ছে। এছাড়াও আমাদের বাজারে শৌচাগার এর ব্যবস্থা নাই তাই আমি মনে করি এবার যারা কমিটিতে আসবে তারা এর সমাধান করবে।

২৭ দিন ছিলেন গুম দোহারের রেজাউর রহমান ফাহিম

0

মো আল-আমিন, news39.net: দোহারের কৃতি সন্তান রেজাউর রহমান ফাহিম আত্মত্যাগ এবং স্বচ্ছ রাজনীতির স্মারক হিসেবে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য হয়েছেন। ইত:পূর্বে তিনি ছিলেন সহ সম্পাদক। আওয়ামীলীগের শাসনামলে ২৭ দিন গুম হয়ে ছিলেন এই মেধাবী তরুণ নেতা। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিশেষ স্নেহধন্য তিনি। বনানীতে আরাফাত রহমান কোকোর কবরের সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব রয়েছে ফাহিমের।

২০১৫ সালে ১৬ ফেব্রুয়ারি গুলশানে নৌমন্ত্রীর মিছিলে বোমা হামলা মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন। এই মামলার ১ নাম্বার আসামি ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। আর ফাহিম ৩ নম্বরের আসামি। এই মামলায় র‍্যাব গভীর রাতে ফাহিমের নিজ বাসা থেকে উঠিয়ে নিয়ে যায়।পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা বিভন্ন থাায়, র‍্যাব অফিসে ডিবি অফিসে যোগাযোগ করেও কোন সন্ধান পাওয়া যায়না। তৎকালীন হাসিনা সরকারের উচ্চ মহলের নির্দেশে ফাহিম কে ২৭ দিন গুম করে রাখা হয়। পরবর্তীতে যাত্রাবাড়ী থানায় মিথ্যা নাটক সাজিয়ে গ্রেফতার দেখিয়ে রিমান্ডে নির্যাতন করা হয়।

ফাইমের রয়েছে বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ার। ২০২৪ সালে বর্তমান পর্যন্ত (আমিনুল হক – মোস্তফা জামান কমিটি) নব নির্বাচিত সদস্য, আহবায়ক কমিটি, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি।

২০২১ সালে ছিলেন (আমানউল্লাহ আমান – আমিনুল হক কমিটি) সদস্য, আহবায়ক কমিটি, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি।

২০১৭ সালে ছিলেন (আব্দুল কাইয়ুম – আহসান উল্লাহ হাসান কমিটি) সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি।

২০১৮ সালে বনানী থানায় নাশকতা মামলায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির তখনকার সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক রেজাউর রহমান ফাহিম সহ
বিএনপির ৩৩ নেতা কর্মীর সাজা দেন আদালত।

এছাড়াও দীর্ঘ ১৫ বছরে লড়াই সংগ্রামে রাজপথে থেকে বিভিন্ন সময় বার বার জেল খেটেছেন। রিমান্ডে নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন।

রেজাউর রহমান ফাহিমের পিতা, আদমজী জুট মিলের সাবের জিএম ফজলুর রহমান এবং মাতার নাম নাসিমা আক্তার রানু। তার গ্রামের বাড়ী দোহার উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের দক্ষিণ শিমুলিয়া মোড়ল বাড়ী। নানা বাড়ী ঝনকি গ্রামে। এক কণ্যা সন্তানের জনক ফাহিম। তার স্ত্রী আন্নামা ফাহিম। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে কর্মরত আছেন। ফাহিমের বড় বোন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা। জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকায় তিনি দীর্ঘদিন সেনাবাহিনীর পদোন্নতি বঞ্চিত হয়েছেন

বর্তমানে, ফাহিম এশিয়ান টিভির উপদেষ্া হিসেবে কর্মরত আছেন।

ফাহিম আদমজী হাই স্কুল থেকে ১৯৯৪ সালে পঞ্চম শ্রেণী ও একই প্রতিষ্ঠান থেকে ১৯৯৯ সালে এসএসসি পরীক্ষায় এবং সরকারী বিজ্ঞান কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় স্টারমার্ক সহ পাশ করেন। পরবর্তীতে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ এবং এমবিএ কমপ্লিট করেন।

দোহারের এএসপি, ওসি সহ ১১ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

0

news39.net: দোহার থানার সাবেক ওসি সাজ্জাদ এবং নবাবগঞ্জ থানার সাবেক ওসি মোস্তফা কামাল, ততকালীন এএসপি সার্কেল মাহবুবসহ ৩৪ জনের নামে ঢাকা জেলা জজ কোর্টে মামলা হয়েছে । মামলায় দোহার নবাবগঞ্জ থানার প্রায় ১১ পুলিশ সদস্যকে আসামি করা হয়েছে। ২০১৮ সালের ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগের সময় ঢাকা-১ আসনের (দোহার-নবাবগঞ্জ) বিএনপির প্রার্থী ও ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাককে নির্বাচনে প্রচারের সময় দোহার উপজেলার করম আলী মোড় থেকে আটক করে পুলিশ।

সেদিনের পুলিশের হামলায় সাংবাদিকসহ বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয় এবং ১৪ জনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে, গায়েবি মামলা হয় প্রায় দুই শতাধিক নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। সেদিন পুলিশের হামলায় গুরুতর আহত দোহার উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুর রহমান বাদী হয়ে মংগলবার আদালতে মামলা করেন। মামলায় ৩৪ জনকে আসামী এবং ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাকসহ ২৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। মামলা পরিচালনা করবেন এপিপি এডভোকেট আতিকুর রহমান সোহান।

সৌদিতে এক সপ্তাহে প্রায় ২০ হাজার প্রবাসী গ্রেফতার

সৌদি আরবে প্রায় ২০ হাজার প্রবাসীকে গ্রেফতার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। আবাসন, শ্রম সীমান্ত সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের দায়ে গত এক সপ্তাহের অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। শনিবার (২৩ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে তথ্য জানিয়েছে সৌদি আরবের বার্তা সংস্থা সৌদি গেজেট।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৪ থেকে ২০ নভেম্বরের মধ্যে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। আবাসিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে মোট ১১ হাজার ৩৩৬, অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের চেষ্টার দায়ে ৫ হাজার ১৭৬ এবং শ্রমে আইনের অধীনে আরও ৩ হাজার ১৮৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সৌদি আরবে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টার দায়ে গ্রেফতার করা হয়েছে ১ হাজার ৫৪৭ জন। তাদের ৬৫ শতাংশ ইথিওপিয়া, ৩২ শতাংশ ইয়েমেন ও বাকি ৩ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক। আরও ৭১ জনকে সৌদি থেকে পালিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোয় প্রবেশের চেষ্টা করার সময় ধরা হয়েছে। এ ছাড়া অবৈধভাবে পরিবহন ও আশ্রয় দেওয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও ২২ জনকে গ্রেফতার করেছে কর্তৃপক্ষ।

মোট ২২ হাজার ৬৫৪ জন প্রবাসী বর্তমানে বিচারের প্রক্রিয়াধীন। তাদের মধ্যে ১৯ হাজার ৬৫১ জন পুরুষ ও ৩ হাজার ৭ জন নারী।

সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরিবহন ও আশ্রয় প্রদানসহ অবৈধভাবে প্রবেশে সহায়তা করার দায়ে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড, লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে। এ ছাড়া যানবাহন ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করাও হতে পারে।

মরু অঞ্চলের দেশ সৌদি আরবে বর্তমানে প্রায় ৩ কোটি ৪৮ লাখ মানুষের বসবাস। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লাখ লাখ অভিবাসী শ্রমিক সৌদিতে কর্মরত রয়েছেন। সৌদি আরবের স্থানীয় গণমাধ্যম নিয়মিতভাবে দেশটিতে আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে নিরবচ্ছিন্ন ধরপাকড় অভিযান ও অবৈধ প্রবাসীদের গ্েতারের খবর প্রকাশ করছে।

পাঁচ দেশে যাওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশিদের জন্য সতর্কতা

থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, লাওস, ভিয়েতনাম কম্বোডিয়ায় যাওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশি নাগরিকদের সতর্ক করেছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

কিছু অসাধু ব্যক্তি এবং এসব দেশে গড়ে ওঠা বেশ কিছু স্ক্যাম প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার অপারেটর, টাইপিস্ট, কলসেন্টার অপারেটরসহ বিভিন্ন পদে আকর্ষণীয় বেতনের প্রলোভন দিয়ে নিয়োগের লক্ষ্যে বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে (ভুয়া ওয়েবসাইট, ই-মেইল, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম ইত্যাদি) প্রচার কার্যক্রম ও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করছে।

এসব ক্ষেত্রে স্ক্যাম সেন্টারগুলো বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের সঙ্গে বাংলাদেশিদেরও সুকৌশলে স্ক্যাম সেন্টারের ভেতরে নিয়ে গিয়ে অস্ত্রের মুখে জোরপূর্বক জিম্মি করে স্ক্যামের কাজে নিয়োজিত করছে।

ব্যাংককস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস মিয়ানমার ও কম্বোডিয়ায় গড়ে ওঠা স্ক্যাম সেন্টারগুলো থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত ও পালিয়ে আসা বেশ কিছু বাংলাদেশিকে ইতোমধ্যে দেশে ফেরত পাঠাতে সক্ষম হয়েছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারসমূহকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

এছাড়া, এসব দেশগুলোতে সাইবার স্ক্যাম নিয়ে কাজ করছে এরূপ এনজিওসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস সার্বক্ষণিক যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে।

বিদেশে চাকরির উদ্দেশ্যে গমনেচ্ছু বাংলাদেশিদের এসব দেশে কম্পিউটার পরিচালনা সংক্রান্ত চাকরির প্রস্তাব পেলে অধিকতর সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। প্রয়োজনে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা অথবা জনশক্তি, কর্মস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর সংশ্লিষ্ট শাখার মাধ্যমে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহের সহযোগিতায় নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত তথ্য যাচাই করে নেয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এছাড়াও স্ক্যাম সেন্টার থেকে ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ আইডির মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে-বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদেরকে টার্গেট করে আর্থিকভাবে প্রতারণা করা হচ্ছে। দেশে-বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিরা ক্রিপ্টো কারেন্সির মাধ্যমে প্রতারকদের অ্যাকাউন্টে বিনিয়োগ করলে প্রতারক চক্রটি তাৎক্ষণিকভাবে এসব লেনদেনের অ্যাকাউন্ট বন্ধের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করে।

এ বিষয়ে দেশে-বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে আরো বেশি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।