ইসলামে সমাজসেবা ও সমাজকল্যাণ

0

সমাজসেবা বা সামাজিক কার্যক্রম একটি কল্যাণমূলক কাজ। দুনিয়াবী দৃষ্টিতে সমাজসেবা সর্বজন সমর্থিত  ও স্বীকৃত একটি মহত্ কর্ম হিসেবে পরিগণিত। তবে ইসলামের দৃষ্টিতে সমাজসেবা ইবাদত বলে গণ্য। জাতিসংঘের সংজ্ঞা অনুযায়ী ব্যক্তি ও তার পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্য বিধানে সহায়তা দানের লক্ষে গৃহীত ও সংগঠিত কাজের সমষ্টিকে সমাজসেবা বলা হয়। এই দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে মানবসম্পদ উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও সমস্যা প্রতিরোধকল্পে গৃহীত ও সংগঠিত যাবতীয় কর্মকাণ্ড সমাজসেবার অর্ন্তভুক্ত। তবে ইসলামের দৃষ্টিতে সমাজসেবার পরিধি আরো ব্যাপক। দরিদ্র ও নিরীহ মানুষকে সাহায্য করা, ক্ষুধার্ত ও তৃষ্ণার্তকে খাদ্য ও পানীয় দান, বিধবাকে সাহায্য করা, অসুস্থ বা অসমর্থ মানুষের সেবা করা, আশ্রয়হীনকে আশ্রয় দান, বস্ত্রহীনকে বস্ত্র দান, অসচ্ছ মানুষের দারিদ্র বিমোচন, মানুষের সুবিধার জন্য রাস্তা-ঘাট ও সেতু নির্মাণ, বৃক্ষরোপণ, পরিবেশের উন্নয়ন, সস্ত্রাস নির্মূল, সামাজিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা ইত্যাদি প্রতিটি কাজ সমাজসেবার অর্ন্তগত।  মহান আল্লাহ এসব কর্মকে ঈমানদারদের জন্য একান্ত করণীয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা সত্কর্ম ও আল্লাহ ভীতির কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা করো এবং পাপ ও সীমা লঙ্ঘের কাজে পরস্পরকে সহযোগীতা কর না।’ (সূরা মায়েদা : ২)

মানবজাতির পথপ্রদর্শক মুহাম্মদ (সা.) নবুয়তের আগে ও পরে এ মহান কাজে তত্পর ছিলেন। মহানবী (সা)-এর বয়স তখন ২৫ বছর। তিনি মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর করা, সাহায্যপ্রার্থীকে সহযোগীতা করা, মজলুমকে সাহায্য করা, জুলুমকারীকে শায়েস্তা করা এবং দেশে শান্তি বজায় রাখার জন্য গঠন করেন কল্যণসংস্থা ‘হিলফুল ফুজুল।’ ৪০ বছর বয়সে মহানবী (সা) হেরা গুহায় নবুয়ত লাভ করলেন। এ সময় তিনি ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বাড়িতে আসেন এবং স্ত্রী খাদিজা (রা)-এর কাছে তাঁর জীবন নিয়ে শঙ্কার কথা জানালেন। খাদিজা (রা) স্বামীকে সান্ত্বনা দিয়ে বললেন, ‘আল্লাহর কসম! আল্লাহ আপনাকে কখনোই অপমানিত করবেন না। আপনি তো আত্মীয়-স্বজনের সাথে সদ্ব্যবহার করেন, অসহায়-দুর্বলের দায়িত্ব বহন করেন, নিঃস্বকে সাহায্য করেন। মেহমানের সমাদর করেন এবং দুর্দশাগ্রস্তকে সাহায্য করেন।’

খাদিজা (রা)-এর এই কথার মাধ্যমে মহানবী (সা)-এর সেবাকর্ম সম্পর্কে জানা যায়, যা তিনি প্রতিনিয়ত সম্পন্ন করতেন।

পবিত্র কোরআন ও হাদিসে মানবগোষ্ঠীর সেবার ওপরও জোর তাগিদ প্রদান করা হয়েছে। কোরআনের ভাষ্য হচ্ছে, ‘তোমরা আল্লাহর ইবাদত করবে ও কোনো কিছুকে তাঁর সঙ্গে শরিক করবে না এবং মা-বাবা, আত্মীয়স্বজন, এতিম, অভাবগ্রস্ত, নিকট প্রতিবেশী, দূর প্রতিবেশী, সঙ্গী-সাথী, পথচারী এবং তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহার করবে। নিঃসন্দেহে আল্লাগ দাম্ভিক ও অহঙ্কারীকে পছন্দ করেন না, যারা কৃপণতা করে, মানুষকে কৃপণতার নির্দেশ দেয় এবং আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের যা দিয়েছেন, তা গোপন করে।’ (সুরা আন-নিসা, হাদিস : ৩৬-৩৭)

মহানবী (সা) সামাজিক সেবাকে জেহাদের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি একদা বলেন, ‘যারা বিধবা এবং গরীবের উন্নতির জন্য কাজ করে তারাই যেন আল্লাহর পথে জেহাদের মতোই কাজ করল।’ তিনি বলেন, ‘তোমরা দান কর, সাহায্য কর এবং নিজেদের আগুন থেকে রক্ষা কর, সে দিন পর্যন্ত যখন তোমরা সামান্যতম সময়ও পাও।’

মহানবী (সা.) তাঁর অনুসারীদের বিভিন্ন সময় দান ও বদান্যতা সমপর্কে উত্সাহিত করতেন। তিনি আরো বলেছেন, ‘যে কেউ কোনো ঈমানদারের দুঃখ দূর করবে আল্লাহ বিচারের দিন তার একটি কষ্ট লাঘব করে দেবেন। যে কেউ কোন গরীব বা অভাবি মানুষের অভাব দূর করবে আল্লাহ দুনিয়া ও আখিরাতে তার অনেক সমস্যা দূর করে দেবেন। যে কেউ কোনো মুসলমানকে আশ্রয় দেবে আল্লাহ এখানে ও পরপারে তাকে আশ্রয় দেবেন। যে তার ভাইকে সাহায্য করে আল্লাহও তাকে সাহায্য করবেন।’ (সহিহ বুখারি)

সমাজসেবামূলক কাজ পরকালে অনেক মূল্যবান আমল হিসেবে বিবেচিত হবে বলে রাসুল (সা.) মন্তব্য করেছেন। তিনি সাহাবিদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমি কি তোমাদের রোজা, নামাজ ও সদকার চেয়ে মর্যাদাবান আমলের সংবাদ দেবো?’ সাহাবিরা বলেন, হ্যাঁ। রাসুল (সা.) বলেন, ‘মানুষের মধ্যে সমঝোতা করে দেওয়া। কেননা, মানুষের মধ্যকার বিশৃঙ্খলা ধ্বংসাত্মক।’ (মুসনাদে আহমদ : ২৭,৫০৮)
সমাজসেবার অন্যতম একটি কাজ রোগীর খোঁজ-খবর নেওয়া। মহানবী (সা.) এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘যখন কোনো ব্যক্তি কোনো রোগীকে দেখতে যায়, আসমানে তখন একজন প্রার্থনাকারী প্রার্থনা করতে থাকে, তুমি সুখী হও, তোমার পথচলা বরকতময় হোক, তুমি জান্নাতে স্থান লাভ কর।’ (মুসনাদে আহমদ : ১৪১২)

জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র প্রকাশ হবে ৩১ ডিসেম্বর

0

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ৩১ ডিসেম্বরজুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রপ্রকাশ করবে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ওইদিন বেলা ৩টায় ঘোষণাপত্রটি পাঠের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে গতকাল রাতে জাতীয় নাগরিক কমিটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাধিক নেতা বণিক বার্তাকে নিশ্চিত করেছেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ৩১ ডিসেম্বর ‘জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র’ প্রকাশ করবে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ওইদিন বেলা ৩টায় ঘোষণাপত্রটি পাঠের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে গতকাল রাতে জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাধিক নেতা বণিক বার্তাকে নিশ্চিত করেছেন।

নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘৩১ ডিসেম্বর “প্রোক্লেমেশন অব জুলাই রেভল্যুশন” ঘোষণা করা হবে। এটি গণ-অভ্যুত্থানের একটি দালিলিক প্রমাণ। কোটা আন্দোলন থেকে কীভাবে গণ-অভ্যুত্থান হয়েছে, কেন মানুষ জীবন দিয়েছে সবকিছু উঠে আসবে তাতে। এছাড়া প্রোক্লেমেশন অব রিপাবলিকও ঘোষণা করা হবে।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য ও সমর্থকরা গতকাল সন্ধ্যার পর থেকেই ৩১ ডিসেম্বরের এ আয়োজন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আলোচনা শুরু করেছেন। ‘নাউ অর নেভার (এখন নয়তো কখনো নয়)’ স্লোগান লিখে পোস্ট দিচ্ছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী অনেকেই।

এর মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া লিখেছেন, ‘৩১ ডিসেম্বর, শহীদ মিনার। ৩৬ জুলাই এসে মিলিত হোক ৩১ ডিসেম্বরে।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, ‘কমরেডস, ৩১ ডিসেম্বর! নাউ অর নেভার।’ অপর এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘এটা মুজিববাদের কবরের ঘোষণা।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম বলেন, ‘জুলাইতে আমরা খুনি হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। আমাদের আন্দোলনে সে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলে পতিত স্বৈরাচার এ আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। সুতরাং এ আন্দোলনকে সাংবিধানিক ও আন্তর্জাতিকভাবে লেজিটিমেসি দিতে প্রোক্লেমেশনের দরকার, যাতে পতিত স্বৈরাচার চব্বিশ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ষড়যন্ত্র করার সুযোগ না পায়। এছাড়া রাজনৈতিক পালাবদলে চব্বিশকে অস্বীকার করে বিপ্লবীদের যাতে হয়রানি না করতে পারে সেজন্যও প্রোক্লেমেশন জরুরি।’

রিপোর্টার্স এগেইনস্ট  করাপশনের নতুন কমিটি

0

স্টাফ রিপোর্টার: দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স এগেইনস্ট করাপশনের (র‍্যাক) ২০২৫-২০২৬ সেশনের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচিত হয়েছে। এতে কালবেলার বিশেষ প্রতিনিধি আলাউদ্দিন আরিফ সভাপতি, সকাল-সন্ধ্যার সিনিয়র রিপোর্টার তাবারুল হক সাধারণ সম্পাদক এবং মানবজমিনের সিনিয়র রিপোর্টার রাশিম মোল্লা দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। শুক্রবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সাধারণ সভা শেষে এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

সহসভাপতি পদে আবুল কাশেম, যুগ্ম সম্পাদক পদে নিউজ টোয়েন্টি ফোরের স্টাফ রিপোর্টার তাসলিমুল আলম তৌহিদ ও  সাংগঠনিক সম্পাদক পদে  এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার আলী তালুকদার নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া কমিটির কোষাধ্যক্ষ পদে আজকালের খবরের সিনিয়র রিপোর্টার সাইফুল আলম মন্টু,  প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক পদে মানবজমিনের সিনিয়র রিপোর্টার মারুফ কিবরিয়া, প্রশিক্ষণ ও কল্যাণ সম্পাদক পদে  সাইফুল হক মিঠু,  ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক জনকণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার ফজলুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন।

কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পদে দৈনিক খবরের কাগজের বিশেষ প্রতিনিধি মতলু মল্লিক,  এনটিভির শফিক শাহীন, ইত্তেফাক ও সিনিয়র রিপোর্টার জামিউল আহসান শিপু,  নবরাজের চিফ রিপোর্টার রফিক উজ্জামান ও বাংলাদেশের খবরের সিনিয়র রিপোর্টার তরিকুল ইসলাম সুমন নির্বাচিত হয়েছেন।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটের সভাপতি আবু সালেহ আকন প্রধান নির্বাচন কমিশনার, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

খালেদা জিয়ার নির্বাচনে অংশ নিতে এখন কোনো বাধা নেই : অ্যাটর্নি জেনারেল

সব মামলা নিষ্পত্তি হওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

শুক্রবার রাজধানীর এফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ছায়া সংসদ অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

আসাদুজ্জামান বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত হলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। তবে আপাতত সব মামলা নিষ্পত্তি হওয়ায় খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের নির্বাচনে অংশগ্রহণে আইনি বাধা নেই।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার নির্মম পরিণামের পর তার পাশে দলের কেউ দাঁড়াতে সাহস পাচ্ছেন না। যারা নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছিল, সংবিধান কেটেছিঁড়ে মানুষের অধিকার ভূলুণ্ঠিত করেছিল, তারা ইতিহাসের খলনায়ক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

ছায়া সংসদে সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারকে চিরদিন ক্ষমতায় রাখার অসৎ উদ্দেশ্যে সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছিলেন। এ জন্য বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার এবং বিচার এখন সময়ের দাবি।

দোহারে টপ বিকাশ এজেন্টদের “তারার মেলা” উৎসব অনুষ্ঠিত

best replica watches uk
replica watches for sale
replica watches for sale

স্টাফ রিপোটারঃ মোঃআলআমিন: ঢাকার দোহার উপজেলায় বিকাশ এজেন্টদের নিয়ে আয়োজিত “আমরা তারার মেলায়” একটি উৎসবমুখর মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ২৪শে ডিসেম্বর(মঙ্গলবার)দুপুরে জয়পাড়া বাজারে অবস্থিত মেসার্স প্রতিভা এন্টারপ্রাইজের অফিসে এ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় এ আয়োজনটি টপ ১৫ বিকাশ এজেন্টদের সম্মাননা প্রদানের উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন,বিকাশ লিমিটেডের Territory Officer শাহরিয়ার সজল,বিকাশ লিমিটেডের ম্যানেজার আবু বক্কর রন্টি।

এসময় অনুষ্ঠানের মূল কার্যক্রম ছিলো,টপ বিকাশ এজেন্টদের সম্মাননা প্রদান,তাদের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া,এজেন্টদের কাজের প্রতি উৎসাহ বাড়াতে বিশেষ আলোচনা।

এ ধরনের আয়োজন এজেন্টদের কাজের প্রতি আরো অনুপ্রেরণা জোগাবে এবং বিকাশ সেবার মান উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে জানান।

গ্যারান্টি ও ওয়ারেন্টির আসল পার্থক্য কি?

fake watches for sale
Replica Watches store
replica watches for sale

গ্যারান্টি এবং ওয়ারেন্টি— এ দুটি শব্দ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপকভাবে প্রচলিত। কারণ কিছু কেনাকাটার ক্ষেত্রে আমাদের মাথায় প্রথমেই এ দুটি শব্দ আসে। আর কোথাও আবার দোকানদার নিজ থেকে বলেন, এই পণ্যে গ্যারান্টির সুবিধা আর ওই পণ্যে শুধু ওয়ারেন্টি। কিন্তু অতি পরিচিত দুই শব্দের মধ্যে পার্থক্য অধিকাংশ মানুষেরই অজানা।

আসুন জেনে নেই গ্যারান্টি ওয়ারেন্টি অর্থ, আর এর পার্থক্য কি?

গ্যারান্টি কি?

গ্যারান্টি মানে একটি প্রতিশ্রুতি, যা বিক্রেতা গ্রাহককে দেয়। এই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, বিক্রিত বস্তু বা পণ্যটির সঠিক মান বজায় থাকবে। যদি কোনও কারণে না থাকে তাহলে ওই বস্তু বা পণ্যটির অবশ্যই পরিবর্তন করে দেওয়া হবে।

ওয়ারেন্টি কি?

ওয়ারেন্টি হলো একটি আইনি প্রতিশ্রুতি, যা একজন বিক্রেতা বা প্রস্তুতকারক ক্রেতাকে দেয় যে পণ্যটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্দিষ্ট মান বা কার্যকারিতা পূরণ করবে।

গ্যারান্টি ওয়ারেন্টির পার্থক্য:

গ্যারান্টি সাধারণত মৌখিক হয়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লিখিত হয় না। অন্যদিকে ওয়ারেন্টির অধীনে থাকা পণ্যকে মেরামত করে দেওয়া হয়। তাই ওয়ারেন্টি লেখা থাকে। কেনাকাটার ক্ষেত্রে কোনও আইনি জটিলতা দেখা দিলে এই দুটি শব্দের সঠিক মানে জেনে রাখা জরুরি।

আনিসুল, সালমান ও জিয়াকে অব্যাহতির চেষ্টা, তদন্ত কর্মকর্তা বরখাস্ত

0

Replica Watches store
omega replica
Replica Watches store
সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকে অব্যাহতি দিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি করেছিলেন পুলিশের এক তদন্ত কর্মকর্তা। জুলাই ও আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে হত্যার দুটি মামলায় এ প্রতিবেদনে তৈরি করা হয়।

এছাড়া ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানকেও অব্যাহতি দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে আদালতে ওঠার আগেই বিষয়টি ধরা পড়ে যায়। ফলে তা থমকে যায়। এখন আবার তদন্ত করা হচ্ছে।

নথিপত্র ঘেঁটে ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তদন্ত কর্মকর্তা নিজের ডিবির পরিচয় গোপন করে থানা-পুলিশের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে জমার চেষ্টা করেছিলেন। এক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি নেননি। বিষয়টি জানাজানির পর অসুস্থতার কথা বলে ছুটিতে চলে গেছেন তিনি।

সবুজ মিয়া ও মো. শাহজাহান মিয়া হত্যা মামলায় আনিসুল ও সালমানকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছিল। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ১৬ জুলাই ঢাকার নিউমার্কেট এলাকায় সবুজকে মারধর এবং শাহজাহানকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরের দিন নিউমার্কেট থানায় মামলা হয়। সবুজের চাচাতো ভাই মো. নুরনবী এবং শাহজাহানের মা আয়শা বেগম মামলার বাদী হন।

গত ৫ আগস্ট গণভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এরপর ১৩ আগস্ট আনিসুল ও সালমানকে আটক করে এই দুই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ১৬ আগস্ট গ্রেপ্তার করা হয় সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতি পাওয়া মেজর জেনারেল জিয়াকে।

মামলা দুটির তদন্ত করছিলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) রমনার পরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর আরিফ। গত ২৩ অক্টোবর দুই মামলায় আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার চেষ্টা করেন তিনি। নথিতে দেখা যায়, চূড়ান্ত প্রতিবেদনে নিজেকে নিউমার্কেট থানার পরিদর্শক পরিচয় দিয়েছেন জাহাঙ্গীর আরিফ। কিন্তু তিনি কর্মরত ডিবিতে।

আনিসুল ও সালমানকে অব্যাহতির চেষ্টার ঘটনাটি জানার পরই জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করেন ডিবির দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিক। তিনি বলেন, এর পরিপ্রেক্ষিতে পরিদর্শক জাহাঙ্গীর আরিফকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বিডিআর হত্যাকাণ্ড তদন্তে পূর্ণাঙ্গ কমিশন ঘোষণা : ফজলুর রহমান

0

https://beawatches.com

বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আ ল ম ফজলুর রহমান বলেছেন, দলিল প্রমাণের ভিত্তিতে যে দেশের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায় তাদেরকেই দায়ী করা হবে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে বিজিবি সদর দপ্তরের ঢাকা ব্যাটালিয়নের (৫ বিজিবি) সম্মেলন কক্ষে কমিশনের প্রথম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই কথা বলেন তিনি।

ফজলুর রহমান বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তদন্ত শেষ হবে। কোনো কিছু দ্বারা প্রভাবিত হব না।

তদন্ত কমিশনের সব কাজ জাতির সামনে খোলামেলাভাবে উপস্থাপন করা হবে। দুজন দেশি ও বিদেশি আইনজ্ঞ আমাদের সঙ্গে কাজ করবেন।

কমিশনের জন্য সাচিবিক সুবিধা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্র ও শত্রুকে চিহ্নিত করতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিরাপত্তাসহ নানা সুবিধাদি নিশ্চিত করতে হবে।

দোহার নবাবগঞ্জে বিকাশে চাকরির সুযোগ

ঢাকার দোহার নবাবগঞ্জ উপজেলায় বিকাশ লিমিটেডের মার্চেন্ট পয়েন্টের জন্য মেসার্স প্রতিভা এন্টারপ্রাইজের অধীনে মার্চেন্ট ডেভলপমেন্ট অফিসারের চাকরির সুযোগ।

চাকরি পদঃ মার্চেন্ট ডেভেলপমেন্ট অফিসার(MDO)

চাকরির স্থানঃ দোহার এবং নবাবগঞ্জ উপজেলা।

কাজের ধরন
১. প্রদত্ত রুট প্লান অনুযায়ী নির্ধারিত এলাকার প্রতিটি মার্চেন্ট পয়েন্ট ভিজিট করা।
২. নতুন মার্চেন্ট দোকান (একাউন্ট) তৈরি করা।
৩. মার্চেন্টকে মনিটরিং করা এবং মার্চেন্ট ভিত্তিক টার্গেট অর্জন করা।
৪. অফিসের ডিসিপ্লিন বজায় রাখা এবং মার্চেন্ট পয়েন্ট এবং বিকাশ টিমের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা।

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ ন্যূনতম এস.এস.সি পাশ।(SSC)

অন্যান্য যোগ্যতাঃ
১. এন্ড্রয়েড ফোন পরিচালনার দক্ষতা এবং নিজের অবশ্যই এন্ড্রয়েড ফোন থাকা লাগবে।
২.ভালো যোগাযোগের দক্ষতা এবং চাপের মধ্যে কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে।

পারিশ্রমিকঃ
১. বেতন ১৩,৫০০/- (ফিক্সড ৯৪৫০/- এবং ৪০৫০/- কে পি আই TADA)
২. ইনসেন্টিভ বোনাস বিকাশের প্রনোদনা অনুযায়ী।
৩.ভালো কাজের উপর ভিত্তি করে পদন্নোতির সুযোগ।

বিঃদ্রঃ বাইকারদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

আপনি আগ্রহী হলে সিভি পাঠান,
যোগাযোগঃ 01949658649 অথবা 01896290897,01842971257
ইমেইলঃ [email protected]
ঠিকানাঃ হাজের ম্যানশন ৩য় তালা,রেজিয়া ক্লিনিকের অপরপাশে,ডাকবাংলা রোড,জয়পাড়া বাজার,দোহার,ঢাকা।

সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট প্রাপ্তির অধিকারকে স্বীকৃতি দিলো বাংলাদেশ

দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম কোনো দেশ হিসেবে প্রত্যেক নাগরিককে সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট সেবা প্রাপ্তির অধিকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিলো বাংলাদেশ।

বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি নীতি উপদেষ্টা ফাইজ তাইয়্যেব এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ নাগরিকদের সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট প্রাপ্তির অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে। সব নাগরিককে সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট প্রাপ্তির অধিকার সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের ২(ভ)-তে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের প্রণীত ‌‘সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট’ থেকে বিতর্কিত সব ধারা বাদ দিয়ে ‌‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৪’ খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। অধ্যাদেশে প্রত্যেক নাগরিককে সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট সেবা প্রাপ্তির অধিকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। অধ্যাদেশের ২(ভ)-তে ইন্টারনেট প্রাপ্তির এ অধিকারের কথা উল্লেখ রয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) উপদেষ্টা পরিষদের ১৭তম বৈঠকে ‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর খসড়া অনুমোদন দেয় উপদেষ্টা পরিষদ। পরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

এ বিষয়ে উপদেষ্টা ফাইজ তাইয়্যেব বলেন, ‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশটি সংজ্ঞায়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও ভবিষ্যতমুখী। একই সঙ্গে প্রযুক্তি ও কারিগরি দিক দিয়েও সমৃদ্ধ। আইনটি মানবিক ও ক্ষতিপূরণ প্রশ্নে ভুক্তভোগীকে পর্যাপ্ত সুবিধা দেবে। হয়রানির প্রশ্নে আদালতকে অবহিতকরণেও বাধ্যবাধকতা তৈরি করেছে। বিচারককেও পর্যাপ্ত স্পেস দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘অনুমোদিত এ আইনের অধিকাংশ ধারাই জামিনযোগ্য করা হয়েছে। পাশাপাশি ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের বিপরীতে শাস্তিকে কমিয়ে অর্ধেকে নিচে নামিয়ে আনা হয়েছে।’

‘নিশ্চিত থাকুন, নতুন যে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ; এর মাধ্যমে সাইবার স্পেস যেমন সুরক্ষিত হবে, ঠিক তেমনি এটি আমাদের গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে সুরক্ষিত করবে,’ যোগ করেন তথ্যপ্রযুক্তি নীতি উপদেষ্টা।