দোহারে ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলায় ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্য মেহনাজ মান্নানের পক্ষ থেকে শাহিন খন্দকারের নেতৃত্ব উপজেলার শনিবার ও রবিবার ফুলতলা বাজার ও নারিশা বাজারে লিফলেট বিতরণ করেছে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এর আগে নারিশা মাদ্রাসায় জিয়াউর রহমান ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে
-আরাফাত রহমান কোকোর ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে।মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

লিফলেট বিতরণের সময় নেতৃবৃন্দরা বলেন, রাষ্ট্র নায়ক তারেক রহমানের এই ৩১ দফা আমরা প্রত্যকের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিবো। এই ৩১ দফা বাস্তবায়ন হওয়ার আগ পর্যন্ত আমরা এই কার্যক্রম চলমান রেখে যাবো।

লিফলেট বিতরণের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক এ্যাড মনির হোসেন রানা, ঢাকা জেলা যুবদলের সাবেক যগ্ন আহ্বায়ক এ্যাড.ফজলুল হক বেলায়েত, দোহার থানা ছত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল আউয়াল আকন্দ, রায়পাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল হালীম, নারিশা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি হারুন উর রশীদ, দোহার উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মিঠু বেপারী, সাবেক ছাত্রনেতা সোহেল বেপারী, দোহার থানা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কবির শেখ, ঢাকা জেলা কৃষকদলের যুগ্ন আহ্বায়ক লাভলু শিকদার, সাবেক ছাত্রনেতা দেলোয়ার হাওলাদার, দোহার উপজেলা সেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ন আহ্বায়ক মো. বোরহান মিয়া, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. রাসেল, বিএনপি নেতা জয়ধর আলী, সৌদিআরব বিএনপির সহ সভাপতি গোলাপ খান, যুব নেতা তাজুল খান, বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম, বিএনপির নেতা মনির সহ আরো অনেকে।

আ.লীগ আসলে ফের ফ্যাসিবাদ আসবে, ন্যূনতম সংস্কার ছাড়া নির্বাচন নয়

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা যে প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে মানুষকে হত্যা করেছে; ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার ব্যতীত আমরা যদি ন্যূনতম সংস্কার না করে নির্বাচন করি; তাহলে এই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে যাবে। জনগণ কখনো বৈষম্যমুক্ত হবে না।

তিনি বলেন, খুনিদের বিচার ও শেখ হাসিনা যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে, সেই প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংস্কার এবং একটি গণতান্ত্রিক পটপরিবর্তনের জন্য সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার।  শনিবার  দুপুরে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে পথসভায় এ কথা বলেন তিনি।

তিনি  বলেন, যদি আওয়ামী লীগ আবার ফেরত আসে তাহলে আবারো ফ্যাসিবাদ ফেরত আসবে।  ১৯৭৫ সালের এই দিনে ২৫ জানুয়ারিতে শেখ মুজিবুর রহমান বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাকে নস্যাৎ করার অপচেষ্টা করেছে। বাকশাল প্রতিষ্ঠার পূর্বে বিরোধী দলীয় কয়েক হাজার নেতৃবৃন্দকে বঙ্গবন্ধু গুম করেছিলেন। ওই সময় আওয়ামী লীগের লোকজন একই স্টাইলে গুম-খুন ও ধর্ষণ করেছিলেন। তাই আমরা আর শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনার শাসন এই বাংলাদেশে চাই না।

বিকালে লক্ষীপুরের রামগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হবেন উপদেষ্টা মাহফুল আলম।

বিচার না হলে চাঁদাবাজি-ঘুষ বন্ধ হবে না: ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা মেজরিটি-মাইনরিটি মানি না। মর্যাদার দিক থেকে এই দেশে বসবাসকারী সকলেই সমান মর্যাদার দাবিদার। আমরা সকলে সহমর্মিতার সঙ্গে বাংলাদেশে বসবাস করতে চাই।’

আজ শনিবার দিনাজপুরের গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের আমির এ কথা বলেন।

জামায়াতের আমির বলেন, ‘সব খুনের বিচার হতে হবে। বিচার না হলে খুনের সংস্কৃতি বন্ধ হবে না। চাঁদাবাজ, ঘুষখোরদের বিচার না হলে এগুলো বন্ধ হবে না। আবার বিচার করতে গিয়ে অবিচার হোক তাও চাই না।’

ডা. শফিক বলেন, ‘আমরা তরুণদের সঙ্গে আছি। তোমাদের শ্রদ্ধা করি। আগামীর বাংলাদেশ তোমাদের হাতে তুলে দিতে চাই। মরার আগে দেখে যেতে চাই, আমার বাংলাদেশ একটি মানবিক বাংলাদেশ। মানবিক দেশ গঠনে আপনাদের পাশে চাই। শান্তি, সাম্য ও মানবতার আবেদন নিয়ে ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবেন। সেই আহ্বান জানাই।’

সমাবেশে জামায়াতের আমির বলেন, ‘ছাত্র-জনতার লড়াই আর মজলুমানের চোখের পানির ফোঁটার কারণেই এই নতুন দেশ পেয়েছি। বন্ধুদের আহ্বান জানাই, এমন কথা না বলি, এমন আচরণ না করি, আমাদের সন্তানেরা যেন মনে কষ্ট না পায়।’

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন দিনাজপুর জেলা আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমান। জেলা সেক্রেটারি ড. এনামুল হকের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মমতাজ উদ্দিন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন, রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল টিম সদস্য মাওলানা আব্দুল হাকিম প্রমুখ।

কর্মী সম্মেলনের উদ্বোধন করেন জুলাই বিপ্লবে শহীদ সুমন পাটোয়ারির বাবা মো. ফারুক হোসেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে বক্তব্য দেন, নিতাই চন্দ্র দেবনাথ ও অধ্যক্ষ শিশির কুমার সরকার।

জাতীয় সংগীতকে নতুন ধাঁচে সাজাচ্ছে সৌদি আরব

নিজেকে বদলে ফেলতে মরিয়া সৌদি আরব। আধুনিকায়নের নামে ইসলাম সমর্থন করে না, এমন অনেক কিছুরই এখন দেখা মিলছে দেশটিতে। নাচ-গান থেকে শুরু করে পশ্চিমা সমর্থিত অনেক অনেক সংস্কার এনেছে দেশটি। এবার নিজেদের জাতীয় সংগীত নিয়েও কাটাছেঁড়ায় নেমেছে রিয়াদ। এ জন্য অস্কারজয়ী সুরকার হ্যান্স জিমারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

দ্য গার্ডিয়ান জানায়, দ্য লায়ন কিং, ডিউন এবং দ্য ডার্ক নাইট ট্রিলজির মতো বিখ্যাত সব সিনেমার সুরকার জিমার এই প্রকল্পের প্রাথমিক কাঠামোতে সম্মতি জানিয়েছেন। সৌদি আরবের জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান তুর্কি আলালশিখ এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সৌদি জাতীয় সংগীতকে নতুন যন্ত্রের মাধ্যমে পুনর্গঠন করা হবে।

জাতীয় সংগীত ছাড়াও জিমারের সঙ্গে সৌদি-অনুপ্রাণিত ‘আরাবিয়া’ নামে একটি সুর, কনসার্ট ও আসন্ন চলচ্চিত্র ‘দ্য ব্যাটল অব ইয়ারমুক’-এর সাউন্ডট্র্যাক নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সৌদি বাদশা আবদুল আজিজের অনুরোধে ১৯৪৭ সালে মিশরের সুরকার আব্দুর রহমান আল খতিব সৌদি আরবের জাতীয় সংগীত ‘আশ আল-মালিক’ (দীর্ঘজীবী হোন বাদশা) রচনা করেছিলেন। বর্তমান সংস্করণটি সেই সময়কার প্রচলিত ‘আরব ফ্যান ফেয়ার’ ঘরানার।

ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে বাংলাদেশি নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা

ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে নাজমা নামের এক বাংলাদেশি তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে ২৮ বছর বয়সী ওই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম ডেকান হেরাল্ড জানায়, ওই তরুণী ভারতে অবৈধভাবে বাস করছিলেন। তার কাছে বাংলাদেশের পাসপোর্ট বা অন্য কিছু পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে রামমূর্তি নগরের কলকেরে লেকে তার মরদেহ পাওয়া যায়। তিনি বিবাহিত ছিলেন এবং তার স্বামীর সঙ্গেই সেখানে থাকতেন।

এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যম ডেকান হেরাল্ডকে বলেছেন, তার স্বামীর দেওয়া তথ্যে নিশ্চিত হওয়া গেছে, নাজমার কাছে কোনো বৈধ কাগজপত্র ছিল না। নাজমার ভাইও তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। তিনিও এই শহরে থাকেন।

তবে নাজমার কোনো কাগজপত্র না থাকলেও তার স্বামী সুমন বৈধভাবে গত ছয় বছর ধরে ভারতে বসবাস করে আসছেন। তার কাছে বাংলাদেশি পাসপোর্টও আছে। তিনি সেখানে সিটি কর্পোরেশনের ময়লা পরিশোধনের কাজ করেন।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, নাজমা কালকেরের একটি অ্যাপার্টমেন্টে সাহায্যকারী হিসেবে কাজ করতেন। রামকৃষ্ণ নামক একটি এলাকায় তারা থাকতেন । সেখান থেকে তার কর্মক্ষেত্রটি কাছেই ছিল। গত বৃহস্পতিবার ওই অ্যাপার্টমেন্টে কাজ শেষে বের হওয়ার পরই তিনি নিখোঁজ হন।

এরপর গতকাল শুক্রবার সকালে পথচারীদের কাছ থেকে জরুরি বার্তা পায় পুলিশ। যারা নাজমার মরদেহ লেকের একটি নির্জন জায়গায় পড়তে থাকতে দেখেন। পুলিশ গিয়ে দেখে, নাজমার মাথা ও মুখে আঘাত করা হয়েছে। তাকে শ্বাসরোধ করার চিহ্নও স্পষ্ট ছিল। এতে বোঝা যাচ্ছিল তার ওপর হামলা চালানো হয়েছিল।

নাজমার হত্যার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পলিশের প্রাথমিক ধারণা, তার মাথায় পাথর দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল। এছাড়া তার ওপর কতটা যৌন পাশবিকতা চালানো হয়েছে, সেটি ফরেনসিক রিপোর্টের মাধ্যমে জানা যাবে বলে জানিয়েছে তারা। এ মুহূর্তে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সুইজারল্যান্ড সফর শেষে আজ দেশে ফিরছেন প্রধান উপদেষ্টা

0

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক সভায় যোগ দিতে সুইজারল্যান্ড সফর করছেন। সেখানে সফরের প্রথম দিন থেকে এ পর্যন্ত প্রায় অর্ধশত বৈঠকে অংশ নিয়েছেন তিনি। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক সভা এবং অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের পার্শ্ব ইভেন্টের সময় কমপক্ষে ৪৭টি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। এ সময় তিনি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

চার দিনের সফরে গত সোমবার (২০ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এমিরেটস এয়ার লাইন্সযোগে সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন তিনি।

মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা ২৫ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা জুরিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। সুইজারল্যান্ডে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি তারিক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম তাকে স্বাগত জানান।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে, প্রায় অর্ধশত বৈঠকের মধ্যে সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে ৪টি, মন্ত্রী পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে ৪টি, জাতিসংঘ বা এ জাতীয় সংস্থার প্রধান বা শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে ১০টি, সিইও বা উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে ১০টি, ডব্লিউইএফ আয়োজিত অনুষ্ঠান ৯টি (যার মধ্যে আনুষ্ঠানিক রাতের খাবার ও মধ্যাহ্নভোজ ৪টি), গণমাধ্যমে অংশগ্রহণ ৮টি ও অন্যান্য ২টি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।

এসএসসি পরীক্ষার সনদ হারানোর বিজ্ঞপ্তি

0

আমি মুহাম্মদ আবুল কালাম, পিতা: মো. কামাল উদ্দিন, গ্রাম: গাজিরটেক পোস্ট+ উপজেলা: দোহার, জেলা: ঢাকা। কেন্দ্র জয়পাড়া, রোল নং ২১২৭৪৮, রেজিঃ নং১৫২৬২১/৯০, পাশের সন-১৯৯৩ ২য় বিভাগে উত্তীর্ণ হই। আমার এসএসসি পরীক্ষার সনদ জয়পাড়া যাওয়ার পথে হারিয়ে যায়। এই বিষয়ে দোহার থানায় সাধারণ নথি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকে নিয়োগ, পদ সংখ্যা ৯৯৭

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির অধিভুক্ত ৮টি ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত ব্যাংকের নিয়োগ দেওয়া হবে ৯৯৭ জন অফিসার জেনারেল। ৯ জানুয়ারি এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

পদের নাম: অফিসার (জেনারেল)।
পদসংখ্যা: ৯৯৭টি।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা চার বছর মেয়াদি স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি থাকতে হবে। মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট/সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম একটিতে প্রথম বিভাগ/শ্রেণি থাকতে হবে। গ্রেডিং পদ্ধতির ফলাফলের ক্ষেত্রে সরকারি নীতিমালা প্রযোজ্য হবে। কোনো পর্যায়েই তৃতীয় বিভাগ/শ্রেণি গ্রহণযোগ্য হবে না।
বয়সসীমা: ২১–৩২ বছর।

প্রতিষ্ঠান এবং আসন সংখ্যা: সোনালী ব্যাংকে ৫৪৬টি, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে ১২০টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকে ৬টি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে ২৭১টি, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনে ২৫টি, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে ৫টি, কর্মসংস্থান ব্যাংকে ২৩টি এবং ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশে ১টি।
বেতন: ১৬০০০–৩৮৬৪০ টাকা। এ ছাড়া ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ–সুবিধা দেওয়া হবে।

আবেদন পদ্ধতি: আগ্রহী প্রার্থীরা এ লিংকের মাধ্যমে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন ফি: ২০০ টাকা। ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের (রকেট) মাধ্যমে প্রিপেইড পেমেন্ট পদ্ধতিতে প্রার্থীকে নিজের অথবা এজেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ফি দিতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫।

জুলাই গণহত্যা : জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদন ফেব্রুয়ারিতে

0

জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানে সংঘটিত নৃশংসতা নিয়ে জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধানী মিশনের প্রতিবেদন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টার্ক।

গতকাল বুধবার সুইজারল্যান্ডের দাভোসের সুইস পর্বত শহরে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনের সাইডলাইনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা জানান।

ভলকার টার্ক বলেন, প্রতিবেদনটি ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে প্রকাশিত হবে। প্রতিবেদনটি প্রকাশের আগে এটি বাংলাদেশের পক্ষের সঙ্গেও শেয়ার করা হবে এবং এটি জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত হবে।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস ছাত্র নেতৃত্বাধীন অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত অপরাধগুলোর তদন্ত করার জন্য জাতিসংঘ মানবাধিকার কার্যালয়কে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ছয়টি বড় স্বাধীন কমিশনের প্রতিবেদনগুলোও প্রায় একই সময়ে প্রকাশিত হবে। এই প্রতিবেদনগুলো একে অপরকে পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে পারে।

নির্বাচনে ফিরতে পারবে না আওয়ামী লীগ: প্রেস সচিব

0

আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করার গুঞ্জন থাকলেও দলটি ফিরতে পারবে না বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। বুধবার তার নিজস্ব ফেসবুক প্রোফাইলে এক পোস্টে এই বার্তা দেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, গণহত্যা সমর্থনকারী আওয়ামী লীগের সমর্থকরা ভ্রান্তিতে আছেন যে, দেশ নির্বাচনের দিকে ফিরে গেলে তারা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ফিরতে পারবেন। কিন্তু মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার না করলে এবং খুন ও গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নির্মূল না করা পর্যন্ত এটি সম্ভব না। পাশাপাশি ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত আওয়ামী লীগের সদস্য এবং এর সহযোগীদেরও বিচার হবে।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিভিন্ন বিদেশি কূটনীতিক এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও লিখেছেন, তারা খুব কমই সমঝোতার বিষয়ে আহ্বান জানিয়েছেন। তারাও বুঝতে পেরেছেন যে, অপরাধীরা যদি তাদের অপরাধ স্বীকার না করে, তাহলে কীভাবে সমঝোতার আহ্বান জানানো যায়? বরং তারা সংস্কার এবং দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঠিক করার বিষয়ে বেশি সমর্থন জানিয়েছেন।

বছর বছর আওয়ামী লীগের সমর্থকরা ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ, রক্ষীবাহিনীর হত্যাকাণ্ড এবং শেখ মুজিবের একদলীয় শাসনের স্মৃতি মুছে ফেলতে চেষ্টা চালিয়ে গেছে বলেও স্ট্যাটাসে অভিযোগ করেন শফিকুল আলম।

এ বিষয়ে তিনি আরও জানান, বর্তমান প্রজন্ম এবার জেগে উঠেছে এবং তারা স্বৈরশাসনের প্রতিটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে সজাগ রয়েছে। তাদের প্রচেষ্টা প্রতিদিন পুরোনো স্মৃতিকে সতেজ করছে।