নবাবগঞ্জে আন্তঃক্লাব ফুটবল লীগ

নিউজ৩৯♦ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় দোহার-নবাবগঞ্জ ও আশপাশের উপজেলার আটটি দল নিয়ে আন্তঃক্লাব ফুটবল টুর্নামেন্টে কামারখোলা উজালা সংঘ ফাইনালে উঠেছে। গালিমপুর শাহবাদ নবীন সংঘ এর আয়োজন করেছে।

শনিবার বিকেলে গালিমপুর রহমানিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে কামারখোলা উজালা সংঘ (নবাবগঞ্জ) ৩-০ গোলে বাড়িখালী মধুমাঝি ফুটবল একাদশকে (মুন্সীগঞ্জ) হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে।

শাহবাদ নবীন সংঘের সভাপতি ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডার শাহ মো. আবু বকর সিদ্দিকী আবু অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব পীরজাদা শহিদুল হারুন আজম। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্পপতি মো. সোহরাব উদ্দিন, গালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান তপন মোল্লা, প্রধানশিক্ষক জয়নাল আবেদিন, ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ হোসেন সাচ্চু, ক্রীড়া সম্পাদক রফিক হোসেন খান রিপন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম সাইফুল ইসলাম।

এর আগে শুক্রবার বিকেলে প্রথম সেমিফাইনালে চুড়াইন সাংস্কৃতিক সংঘ টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে মাসুদরানা ফুটবল একাদশকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে।

অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে ক্যান্সার রোগী

নিউজ৩৯♦ গ্রামের বাড়ি থেকে ঢাকা মেডিক্যালে চিকিৎসা নিতে আসার পথে বাসে অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন আকতার হোসেন (৪৭)। গতকাল বিকেলে তাকে অচেতন অবস্থায় রাজধানীর গুলিস্তান থেকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়। বিকেল ৬টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার জ্ঞান ফেরেনি। জানা গেছে, তার বাবা মোকসেদ আলী। গ্রামের বাড়ি ঢাকার দোহারে। 

আকতার হোসেনের ভাতিজা জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, তার চাচা ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী। সকাল ৮টার দিকে রেডিও থেরাপি নেয়ার জন্য দোহার থেকে বাসে ঢাকা মেডিক্যালে আসছিলেন। পথে অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে পড়েন তিনি। এ সময় তাকে অচেতন করে অজ্ঞানপার্টির সদস্যরা মোবাইলফোন ও টাকাপয়সা নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বাসযাত্রীরা চাচার সাথে থাকা মোবাইল ইনডেক্স থেকে জাহাঙ্গীরের নম্বর পেয়ে তাকে ফোন করেন। খবর পেয়ে তিনি (জাহাঙ্গীর) বিকেলে গুলিস্তান বাসস্ট্যান্ড থেকে অচেতন অবস্থায় তার চাচাকে উদ্ধার করে মেডিক্যালে ভর্তি করেন।

অর্পিত সম্পত্তি আইন বাস্তবায়নের দাবিতে দোহারে মানববন্ধন

নিউজ৩৯♦ অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন দ্রুত বাস্তবায়ন এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও হয়রানি বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে ঢাকার দোহারে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ।

শনিবার উপজেলার রতন স্বাধীনতা চত্বরে সংগঠনের দোহার থানার শাখার উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির দোহার থানা শাখার সভাপতি মিহির কান্তি দে, সহসভাপতি আশুতোষ সাহা, ইন্দ্রজিৎ পাল, রূপচাঁন বিশ্বাস, দোহার উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ অপু প্রমুখ।

নবাবগঞ্জের বকসনগর ইউনিয়ন পরিষদ বাজেট ঘোষণা

নিউজ৩৯♦ নবাবগঞ্জের বকসনগর ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। গত শুক্রবার বিকেলে পরিষদের সভা কক্ষে চেয়ারম্যান এরশাদ আল মামুন ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেট পাঠ করেন। এতে ইউপি সচিব মো. আজিজুল ইসলাম ১ কোটি ৪২ লাখ ২৯ হাজার ৪০ টাকা সম্ভাব্য আয় ও ১ কোটি ৩৩ লাখ ৩৭ হাজার ৭০০ টাকা সম্ভাব্য ব্যয় ধরে বাজেট পেশ করেন। 

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাজিবুল আহসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন এলজিএসপি-২ প্রকল্পের ঢাকা ডিস্ট্রিক্ট ফ্যাসিলিটেটর মো. জাবেদ ইকবাল চৌধুরী। এ ছাড়া বকসনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর সিকদার উপস্থিত ছিলেন।

দোহারে আন্তজেলা ডাকাত সর্দার রনি গ্রেপ্তার

নিউজ৩৯♦ ঢাকার দোহারের জামালচর এলাকা থেকে আন্তজেলা ডাকাত সর্দার  রনিকে গ্রেপ্তার করেছে দোহার থানা পুলিশ। শুক্রবার ভোরে উপজেলার জামালচর থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। 

দোহার থানার ওসি মাহ্মুদুল হক জানান, শুক্রবার ভোরে উপজেলার জামালচর এলাকা থেকে রনিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৭টি ডাকাতি মামলা রয়েছে। এছাড়া ৩টি মামলায় সে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী। রনি উপজেলার জামালচর এলাকার চাঁন মিয়ার ছেলে।

দোহারে ব্যবসায়ী মঙ্গল হাজী হত্যার রহস্য উদঘাটন: ছেলের ষড়যন্ত্রে হত্যা

নিউজ৩৯♦ ঢাকার দোহার-নবাবগঞ্জের সীমান্ত এলাকার মৌলভীডাঙ্গি গ্রামে ছেলের হাতে ফার্নিচার ব্যবসায়ী মফিউর রহমান ওরফে মঙ্গল হাজী হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। নিহতের ছোট ছেলে ওয়ালিদের বাবা মঙ্গল হাজীর সাথে দ্বন্দ্বের জেরে সন্ত্রাসীরা তাকে বাড়ির উঠানে গলা কেটে হত্যা করে বলে খুনিরা স্বীকার করেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত আটক অপু (২০) সিনিয়র ম্যাজিস্ট্র্রেট সিরাজুল জান্নাতের আদালতে গতকাল ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে এ তথ্য জানান। অপু মৌলভীডাঙ্গি গ্রামের নিরব আলীর ছেলে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক আবুল বাসার জানান, মফিউর রহমান ওরফে মঙ্গল হাজী হত্যায় জড়িত সন্দেহে গত বৃহস্পতিবার রাতে দোহারের ইকরাশি চকে অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসী জুয়েলের আস্তানা থেকে অপু, সজিব, রাসেল ও আলামিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্র্রেট সিরাজুল জান্নাতের আদালতে হাজির করা হলে সে নিজে জড়িত এবং এ হত্যাকাণ্ডে অন্য সাতজন জড়িত বলে স্বীকার করে। সে তার জবানবন্দীতে জানায়, নিহত মঙ্গল হাজীর সাথে তার ছোট ছেলে ওয়ালিদের দ্বন্দ্ব চলছিল। ওয়ালিদ বাবার ওপর প্রতিশোধ নেয়ার জন্য তার বন্ধু সন্ত্রাসী জুয়েলের সাহায্য চায়। জুয়েল তখন মঙ্গল হাজীকে হত্যার পরিকল্পনা করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে নির্মমভাবে কুপিয়ে তার বাবাকে হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জুয়েলও সরাসরি জড়িত ছিল। আর তা করা হয় নিহতের ছোট ছেলে ওয়ালিদের নির্দেশে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবুল বাসার আরো জানান, আটক অন্য তিনজন সজিব, রাসেল ও আলামিনকে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

জানা যায়, ওয়ালিদ মাদকাসক্ত। মাস দেড়েক আগে ওয়ালিদ ও তার এক বন্ধু মিলে মৌলভীডাঙ্গির এক গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। সে সময় ওয়ালিদের বাবা মঙ্গল হাজী ছেলের অপকর্মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন এবং সালিসের মধ্যে তাকে শাস্তি দেন। এ ছাড়া ছেলেকে ত্যাজ্য করা হবে বলে জানিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেন। তখন থেকেই বাবা-ছেলের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। ওয়ালিদ তখন তার বন্ধু সন্ত্রাসী জুয়েলের সাহায্য চায়। জুয়েলের পরিকল্পনা মতে ওয়ালিদ কিছু দিন ঢাকায় থেকে হত্যাকাণ্ডের তিন দিন আগে বাড়িতে আসে। বাবার বিশ্বাস ছিল ছেলে ভালো হয়ে গেছে তাই সব কিছু ভুলে ছেলেকে ঘরে তুলে নেন। সেই বিশ্বাসই তার মৃত্যু।

মামলার বাদি নিহতের বড় ছেলে ওয়াসিম বলেন, আমার বিশ্বাস হয় না আমার ভাই বাবাকে খুন করতে পারে। তবে আমি চাই আসল খুনিদের শাস্তি হোক। আমার বাবা হত্যার সঠিক বিচার চাই। ওয়ালিদের নারী কেলেঙ্কারির ব্যাপারে তিনি বলেন, ভিকটিম আমাদের আত্মীয় তাই ঘরোয়াভাবে মীমাংসা করা হয়েছিল বিষয়টি। তখন ওকে কঠোর শাসন করা হয়েছিল। 

উল্লেখ্য, গত ১২ মে ভোরে উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের মৌলভীডাঙ্গি গ্রামের ফার্নিচার ব্যবসায়ী মফিউর রহমান ওরফে মঙ্গল হাজীকে ফজর নামাজ পড়তে ঘর থেকে বের হতেই নিজ বাড়ির উঠানে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।

ভাঙন রোধে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ নির্মাণ

নিউজ৩৯♦ ঢাকার দোহারের পদ্মাপাড়ের বাসিন্দারা ভাঙন আতঙ্কে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ নির্মাণ করছেন। উপজেলার  বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরে পদ্মা নদীতে অব্যাহত ভাঙনের ফলে শত শত পরিবার তাদের ভিটেমাটি হারিয়েছে। অনেকেই ভিটেমাটি হারিয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। ভাঙ্গনরত এলাকা বাহ্রাঘাট থেকে চরপুরলিয়া খাল পর্যন্ত বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। 

প্রাথমিকভাবে এটি বাস্তবায়িত হলে কাজের পরিধি আরো বাড়ানো হবে। বাঁধটি নির্মিত হলে দোহারের শিলাকোঠা, আন্তা বাহ্রা, বাংলাবাজার, শিলাকোঠা ও চরপুরলিয়া এলাকার শত শত বাড়িঘর ভাঙনের কবল থেকে রক্ষা পাবে। আনুষ্ঠানিকভাবে বাঁধের কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে। বাঁধ নির্মাণের উদ্যোক্তা আব্দুর রহিম মিয়াকে আহ্বায়ক করে কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তিনিই কাজের সার্বিক তদারকি করছেন। এলাকাবাসী জানায়, শিলাকোঠা ও সুন্দরীপাড়া বাংলাবাজার এলাকার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ বাঁধ নির্মাণে কেউ বাঁশ, কেউ টাকা, কেউবা স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে সহযোগিতা করছেন।

কুসুমহাটি ইউপি চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর ওয়াহার দোহারী বলেন, বর্ষা মৌসুম ছাড়াও অন্যান্য সময় নদীর ঢেউ তীরে আছড়ে পড়ার কারণে বিলীন হয়ে যায় ফসলি জমি। বাঁশ দিয়ে অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হলে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। 

নয়াবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ হান্নান বলেন, এই উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। বাঁধকে কেন্দ্র করে সবাই ঐকমত্যে পৌঁছেছে বিষয়টি আমার কাছে ভালো লেগেছে। এছাড়া দুই ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ এ কাজের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।

দোহার ও নবাবগঞ্জে বেড়েছে ছিনতাই-ডাকাতি

নিউজ৩৯♦ ঢাকার অদূরে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। গত এক মাসে এ দুই উপজেলার সীমানা লাগোয়া পদ্মা বাইপাস সড়কে অর্ধশতাধিক ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাইকারী ও ডাকাতরা প্রতিদিন বিভিন্ন যানবাহনের গতিরোধ করে ছিনতাই ও ডাকাতি করে যাচ্ছে। এতে প্রায়ই হতাহতের ঘটনা ঘটছে। কিন্তু এ ব্যাপারে পুলিশ নিষ্ক্রিয়। 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, নবাবগঞ্জ ও দোহার থানা পুলিশের টহল না থাকার কারণে ছিনতাইকারীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। গত এক বছরে ছিনতাইকারীর হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন।

সূত্র জানায়, দোহার-নবাবগঞ্জ সীমান্তবর্তী এলাকা পদ্মা বাইপাস সড়কের মাধ্যমে দুই উপজেলার সাধারণ মানুষ কেনাকাটার জন্য গালিমপুর হাটবাজারে আসে। আসা-যাওয়ার পথে সড়কের পাইকসা লোহার ব্রিজের সামনে ডাকাত ও ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন সাধারণ মানুষ। এ সময় তারা টাকা-পয়সা লুটে নেয়। অনেক সময় ছিনতাইকারীর হামলায় সাধারণ মানুষের জীবন পর্যন্ত চলে যায়। কিন্তু পুলিশ দেখেও না দেখার ভান করে থাকেন। এদিকে ছিনতাইয়ের শিকার সাধারণ মানুষ থানায় অভিযোগ করতে গেলে নানা বিড়ম্বনায় পড়ে।

ছিনতাইয়ের শিকার দোহার উপজেলার মালিকান্দা গ্রামের ব্যবসায়ী সুমন মিয়া বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার বিকালে গালিমপুর থেকে দোহার ফেরার পথে পাইকসায় তিন ছিনতাইকারী পথ রোধ করে টাকা, সেলফোন কেড়ে নেন। এ সময় তারা আমার মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে কোনোমতে পালিয়ে বেঁচে যাই। তারা আমার পিঠে ও পায়ে আঘাত করে।’ 

নবাবগঞ্জ উপজেলার সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক আতিয়ার জানান, গত রোববার সন্ধ্যার সময় পাইকসায় দুই ছিনতাইকারী গতিরোধ করে তার অটোরিকশা নিয়ে যায়। পরে সাভার থেকে তা উদ্ধার করা হয়।’

দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হক  বলেন, প্রতিদিনই বাইপাস সড়কের পাইকসায় এসব ঘটনা ঘটছে। সড়কের জালালপুরে পুলিশের টহল রয়েছে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সায়েদুর রহমান বলেন, ‘ছিনতাইয়ের বিষয়টি আমি জানি। কিন্তু জনবল সংকটের কারণে নবাবগঞ্জের ১৪টি ইউনিয়নের পুরো নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।’

বান্দুরা ইউনিয়নের বাৎসরিক বাজেট ঘোষনা

নিউজ৩৯♦ গত বুধবার বিকালে বান্দুরা ইউনিয়ন পরিষদ সভা কক্ষে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে ১ কোটি ১০ লাখ ৪৭ হাজার ৩৫ টাকার বাজেট পেশ করেন বান্দুরা ইউপি চেয়ারম্যান হিল্লাল মিয়া। 

বাজেট ঘোষনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বান্দুরা হলিক্রশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক জর্জ রোজারিও। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট ক্রীড়ানুরাগী কেইন ভিনসেন্ট গমেজ। আরও উপস্থিত ছিলেন পরিষদের সচিব বাসু গোপাল সাহা, আবদুল মান্নান, মহিলা ও পুরুষ সদস্যবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।