‘জালভোট ও বহিরাগত সন্ত্রাসীদের ভয়ভীতি’র অভিযোগে ইঞ্জিনিয়ার মেহবুবের নির্বাচন বর্জন

0

দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান উপ-নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব দুপুর একটায় উপজেলা প্রশাসনে সহ-রিটার্নিং অফিসার এর নিকট  নির্বাচনে ব্যাপক জালভোট, ভোট কেন্দ্র দখল, পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়া এবং বহিরাগত সন্ত্রাসীদের এনে ভয়-ভীতির দেখানোর অভিযোগে নির্বাচন বর্জন করেন।

দুপুর একটায়  দোহার উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে এই ঘোষণা দেন। উল্লেখ্য বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম ভুলুও ইতোমধ্যে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগে সিরাজুল ইসলাম ভুলুর নির্বাচন বর্জন

0

দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান উপ-নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম ভুলু দুপুর দেড়টায় নির্বাচনে ‘ব্যাপক কারচুপি, ভোট কেন্দ্র দখল, পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়া এবং ভয়-ভীতি দেখানো’র অভিযোগে নির্বাচন বর্জন করেন।

দুপুর দেড়টায় দোহারের জয়পাড়াস্থ এবি ব্যাংকের উপরে বিএনপি কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে এই ঘোষণা দেন। এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী ব্যা. নাজমুল হুদা, বিএনপি সভাপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ, দোহার উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাসুদ পারভেজ, উপজেলা কলেজ শাখা ছাত্রদল সভাপতি জহিরুল ইসলামসহ আরো অনেকে। উল্লেখ্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব ও ইতিমধ্যে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

নির্বাচন উপলক্ষ্যে দোহারে কেরাণীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান

0

দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে বিভিন্ন দলের নেতা-কর্মীরা এখন দোহারে। বিএনপি’র সমর্থকদের কাছে এটা আসন ধরে রাখার বিষয় আর আওয়ামী লীগ সমর্থকদের কাছে ‘প্রেস্টিজ ইস্যু’; একই সাথে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগ প্রমাণের চেষ্টা।

আর ইঞ্জিনিয়ার মেহবুবের সমর্থকদের কাছে গতবার তীরে এসে তরী ডোবানোর আক্ষেপ মেটানোর নির্বাচন। এরই ধারাবাহিকতায় কেরাণীগঞ্জের উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ গত রবিবার থেকে দোহারে অবস্থান করছেন। নির্বাচনের দিন তিনি বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র ঘুরে দেখছেন। তার সাথে আছেন আওয়ামীলীগ উপ-কমিটির সহ-সপমাদক সাগর আহমেদ শাহীন।

এ ব্যাপারে আনারস প্রতীকের নেতা-কর্মীদের দাবী তিনি এসেছেন দলকে, নেতা-কর্মিদের উজ্জ্বীবিত করতে। আর দোয়াত-কলম সমর্থকদের দাবী, তিনি এসেছেন নির্বাচন কে প্রভাবিত করতে ও তিনি বাইরে থেকে অনেক কর্মী এনেছেন ভীতি সঞ্চার করতে।

আজ দুদকে হাজিরা দিচ্ছেন ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব

0

দুদকে হাজিরা দিচ্ছেন ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব। মেঘনা–গোমতী সেতুর টোল আদায় সংক্রান্ত দূর্নীতি ও জঙ্গী অর্থায়নের অভিযোগে দোহার উপজেলা উপ-নির্বাচনে মোটর সাইকেল প্রতীকের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কে আজ দূর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তলব করা হয়েছে। গত ১৪ই সেপ্টেম্বর তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ দায়ের করা হয় বলে দুদকের উপ-কমিশনার মাহবুবুল আলম জানান নিউজ৩৯-কে।

এ ব্যাপারে ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কবির বলেন, সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আমি যেন নির্বাচনের দিন দোহারে না থাকি এবং আমার এজেন্টরা ভয়ে কেন্দ্র ছেড়ে দেয় সে উদ্দেশ্যে এই অভিযোগ। আমি জনগণের সাথে ছিলাম, আছি, থাকবো ।

দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান পদে ৭৫ কেন্দ্রে একযোগে চলছে ভোট গ্রহণ

0

দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে ৭৫টি কেন্দ্রে ৩৮৬টি বুথে সকাল ৮টা থেকে একযোগে ভোট গ্রহণ চলছে। ভোট চলবে ৪টা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ নিয়ে অত্যন্ত সতর্ক রয়েছে প্রশাসন।

নির্বাচন উপলক্ষ্যে ২০ জন ম্যাজিস্ট্রেট, ৩ প্লাটুন বিজিবি, ২ ব্যাটেলিয়ান র‍্যাব, ১ হাজার পুলিশ ও ১ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েন রয়েছে। উল্লেখ্য দোহারে মোট ভোটার ১,৬০,৪০১ জন। এদিকে সকালে মেঘুলার শিমুলিয়া কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়ার অভিযোগ করেছে দোয়াত – কলমের সমর্থকেরা।

দোহারের অলিগলি শেষ মূহুর্তের প্রচারণায় মুখরিত

0

ঢাকার দোহার উপজেলা পরিষদের উপনির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে শেষ মূহুর্তে প্রতিদ্বন্দ্বী তিন প্রার্থীর গণসংযোগ ও প্রচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে গোটা এলাকা। রাস্তা, অলিগলি, হাটবাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছেয়ে গেছে পোস্টারে। প্রার্থীরা নানা কৌশল কাজে লাগিয়ে নিজেদের পক্ষে সমর্থন নেয়ার চেষ্টা করছেন। উল্লেখ্য গত ২৬ জুন দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুল হুদার মৃত্যুর পর পদটি শূন্য হয়। আর আগামী ২১ সেপ্টেম্বর দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা যায়, দোহারের সাইনপুকুর থেকে নয়াবাড়ী অরঙ্গাবাদ পর্যন্ত ৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ভোটার সংখ্যা দেড় লক্ষাধিক। উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে দোহারের সর্বত্রই চলছে নির্বাচনের আমেজ। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে অফিস আদালত পর্যন্ত বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে-বিপক্ষে চলছে আলোচনা-সমালোচনা ও পর্যালোচনা নির্বাচনী উৎসবের পাশাপাশি আতংক, ভয় ও হতাশা কাজ করছে ভোটারদের মাঝে। এরই মধ্যে সতন্ত্র প্রর্থী ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কবিরের সমর্থকদের উপর হামলা করে ৩ জনকে আহত ও ক্যাম্পে আগুন অপরদিকে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আলহাজ্ব মো. সিরাজুল ইসলাম ভুলুর একটি নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন দেয়ার খবর পাওয়া গেছে।  সরকারি দলের সমর্থিত প্রার্থী দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেনের পক্ষে সবাই এক হয়ে মাঠে নেমেছেন বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খান, সাবেক এমপি খন্দকার শহীদ আহমেদ, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহাম্মেদ, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, আওয়ামী লীগের সহ-সম্পাদক পনিরুজ্জামন তরুন, সরুজ আলম প্রমুখ। নেতাকর্মীরা নিজ দলের প্রার্থীর পক্ষে গ্রাম, ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে সভা সমাবেশ ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে। বুধবার সকালে আলমগীর হোসেন জয়পাড়া বাজার, মাহমুদপুর, লাটাখোলায় গনসংযোগ করেন।

আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী আলমগীর হোসেন বলেন, সাধারণ ভোটাররা তার পক্ষে রয়েছেন। একটি পক্ষ তাদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে নানা প্রোপাগন্ডা ছড়াচ্ছে। তার মতে সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক নির্বাচন হবে। তিনি নির্বাচনে জয়ের আশা শত ভাগ প্রকাশ করেন। তবে তার অভিযোগ তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা ভোটারদের মাঝে কালো টাকা ছড়াচ্ছে। নির্বাচনে আনারস প্রতীক নিয়ে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এদিকে বিএনপির প্রার্থী দলের দোহার উপজেলা সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. সিরাজুল ইসলাম ভুলু দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে লড়াই করছেন। তার সঙ্গে প্রচারণায় মাঠে নেমেছেন সাবেক তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী জোটের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদ, নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাক সহ বিএনপি অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। তারাও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন। বুধবার তিনি উপজেলার কাচারীঘাট বাজার, পালামগঞ্জ, বাশতলা এলাকায় প্রচারনা চালান। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আলহাজ্ব মো. সিরাজুল ইসলাম ভুলু বলেন, তার প্রতিপক্ষ নানাভাবে হয়রানি করার চেষ্টা করছে। নেতাকর্মীরা ভয় ও আতংকে আছে। আমার নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন দেয়া হয়েছে। প্রশাসনের বিরুদ্ধে তার অভিযোগ তারা একচোখা নীতিতে নির্বাচনী কার্যক্রম চালাচ্ছে। সাধারণ ভোটার ও নেতাকর্মীদের মাঝে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় রয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর সমর্থকরা নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করলেও তা দেখছে না প্রশাসন। কিন্তু আমাদের উঠান বৈঠক ও গণসংযোগে দুর্বৃত্তরা বাধা দিলেও প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

এ বিষয়ে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করলে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার নির্দেশে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। কোনো অভিযোগ এলে তা তাৎক্ষণিক দেখা হচ্ছে।

অপরদিকে, আরেক চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রকৌশলী মেহবুব কবির কোনো রাজনৈতিক দলের সরাসরি সমর্থন না পেলেও তার পাশে দোহারের আওয়ামী লীগ ও বিএনপির অনেক নেতাকর্মী রয়েছেন। গত উপজেলা নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রায় ২৮ হাজার ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হন। এরপর থেকেই তিনি দোহারের বিভিন্ন স্থানে উন্নয়নমূলক কাজ করে জনগণের পাশে থাকেন। এই কারনে তিনি ভোটারদের সমর্থনও পাচ্ছেন অনেক। তিনি আশাবাদী ভোটাররা নির্বিঘেœ ভোট দিতে পারলে তিনি জয়ী হবেন। বুধবার তিনি উপজেলার ইক্রাশী, জয়পাড়ায় প্রচারনা চালান। মেহবুব কবিরের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী মহল প্রতিনিয়ত নানা হুমকি ধামকি দিয়ে বেড়াচ্ছে। তার কর্মীদের ওপর হামলাও চালানো হয়েছে। ক্যাম্পে আগুন দেয়া হচ্ছে, খিচুরী খাওয়ানো হচ্ছে। তবে প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন বলেন, তার কাছে আচরণবিধি লংঘনের কোনো লিখিত অভিযোগ নেই। দুজন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত টহলে রয়েছে। ভোটের দুইদিন আগে থেকে আরো ৬ জন ম্যাজিস্ট্রেট মাছে নামানো হবে।

দোহার-নবাবগঞ্জ-কেরানীগঞ্জের জন্য বিশেষ উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ

কেরানীগঞ্জ,নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলায় বিশেষ উন্নয়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। আগামী তিন বছরের মধ্যে গৃহীত পরিকল্পনা বাস্তাবায়ন করা হবে। এই পরিকল্পনার অধীনে স্থাপিত হবে আর্ন্তজাতিক মানের একটি কনভেনশন সেন্টার। নির্মিত হবে ফাইভ স্টার হোটেল। রেল ষ্টেশন ও বিশ্ব-বিদ্যালয়। এরই মধ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে পানগাঁও নৌ-পোর্টের কার্যক্রম।

সংশিষ্ট বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে , পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে সরকার এ অঞ্চলকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিয়ে নানামূখী উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হচ্ছে আন্তর্জাতিকমানের কনভেনশন সেন্টার।

জনশূন্যহীন নির্জনে পতিত রয়েছে এমন প্রায় ৯৫ দশমিক ৮৫ একর সরকারী খাস জমির উপর স্থাপন করা হচ্ছে এই কনভেনশন সেন্টার। পাঁচ হাজার লোকের ধারণক্ষমতাসম্পন্ন এই আন্তর্জাতিক মানের কনভেনশ সেন্টারে থাকবে ফাইভ স্টার হোটেল, শপিংমল, এক্সিবিশন হল। সেই সাথে থাকবে বাণিজ্য মেলা।

জানা গেছে, এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যয় হবে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা। এরই মধ্যে সম্ভাব্য স্থান নিধারণের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে। সম্ভাব্যস্থান নির্ধারণ করে কেরানীগঞ্জ, নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তরাও শেষ করেছেন তাদের কার্যক্রম। গত ১৩ সেপ্টেম্বর ৬ জন বিদেশী নাগরিককে সঙ্গে নিয়ে কেরাণীগঞ্জের চরসোনা কান্দা মৌজায় প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

সূত্র আরো জানায়, সরকার কনভেনশ সেন্টারের জন্য ১শ’ বিঘা জমি অধিগ্রহণ করলেও এর বেশির ভাগ জমিই দেয়া হবে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের। কনভেনশন সেন্টার সরকারিভাবে নিয়ন্ত্রীত হলেও বেসরকারি খাতে দেয়া হতে পারে হোটেল, শপিংমল।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বাসসকে জানান, রাজধানীর জিরো পয়েন্ট থকে কনভেনশন সেন্টার পর্যন্ত থাকবে উড়াল সেতুর সংযোগ। কেবল অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়। সড়কপথ ও রেল পথের প্রসার ঘটবে এ অঞ্চলে। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে দেশের প্রথম নৌ-পোর্ট পানগাঁও বন্দরের কার্যক্রম। পণ্য আমদানিকারকরা এই বন্দরের মাধ্যমে সহজেই খালাস করতে পারছেন আমদানি করা পণ্য। যা আগে চট্টগ্রাম থেকে খালাস করতে হতো। ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে পোর্ট সংলগ্ন রেল স্টেশন স্থাপনের কথাও ভাবছে সরকার।

উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে অনেকটাই অবহেলিত ছিল কেরানীগঞ্জ। অতীতে অনেক সরকার ক্ষমতায় এলেও উন্নয়ন হয়নি এ উপজেলায়। আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু ও খাদ্যমন্ত্রী এড. কামরুল ইসলাম উদ্যোগ নেন উপজেলাবাসীর ভাগ্য উন্নয়নের। তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এরই মধ্যে কেরানীগঞ্জে স্থাপন করা হয়েছে ১০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। শুরু হয়েছে পানগাঁও বন্দরের কার্যক্রম। শিঘ্রই শুরু হবে কেন্দ্রীয় জেলখানার কার্যক্রম। কনভেনশন সেন্টার স্থাপন ও সেই প্রচেষ্টার একটি অংশ বলে জানান তিনি।

শাহীন আহমেদ বলেন, সরকারের গৃহিত পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হলে কেরানীগঞ্জ হয়ে ওঠবে আরেকটি নতুন ঢাকা।

নবাবগঞ্জের একটি ঘরও বিদ্যুৎবিহীন থাকবে না: সালমা ইসলাম

নবাবগঞ্জের একটি ঘরও অন্ধকারে থাকবে না। বিদ্যুতের আলো জ্বেলে কুঁড়ে ঘরকেও আলোকিত করা হবে। তিনি আরও বলেন, সরকার ২০১৮ সালের মধ্যে প্রতিটি ঘরে বিদ্যুতায়নের ব্যবস্থা করবে। আমি আশা করব, আমার নির্বাচনী এলাকায় যাতে আরও আগে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় বিদ্যুতের আলো পৌঁছে যায়। সে ব্যবস্থার জন্য ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের পশ্চিম খতিয়া গ্রামে বুধবার দুপুরে প্রায় অর্ধশত পরিবারের মাঝে বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি এই কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিদ্যুতের জন্য কোনো গ্রাহক যাতে হয়রানির শিকার না হয়। সংসদ সদস্য এ সময় শোল্লা ইউপি ভবন চত্বরে ঈদ উপলক্ষে দরিদ্রদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এর আগে তিনি কলাকোপা ইউপির পুরাতন কার্যালয়ে চাল বিতরণ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মো. রবিউল হোসেন, এজিএম কামাল হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহ মিয়া, কলাকোপা ইউপি চেয়ারম্যান তৈয়ব আহমেদ, শোল্লা ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক।

পদ্মার ভাঙ্গন রোধে বরাদ্দকৃত টাকা ছিনতাই করতে অনেকে এখন বসন্তের কোকিল হয়ে আসতে চায় : সালমা ইসলাম

ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের এমপি সাবেক মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এবং জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য এ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম বলেছেন, অনেকে এখন বসন্তের কোকিল এসেছেন পদ্মার ভাঙ্গন রোধে বরাদ্দকৃত ১১৪ কোটি টাকার কৃতিত্ব ছিনতাই করতে। আপনারা এদেরকে চিনে রাখুন এবং ভেবে দেখুন, কে আপনাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকে। আজ অনেকে অনেক বড় বড় কথা বলছেন। তারা অনেক বড় বড় নেতা, মন্ত্রী, এমপি ছিলেন। তারা কি কখনো পদ্মা ভাঙ্গন রোধে কোন পদক্ষেপ নিয়েছেন? কিন্তু আমি নির্বাচিত হওয়ার পর অনেক ঘুরে পানি-সম্পদ মন্ত্রানালয় থেকে ১১৪ কোটি টাকার বরাদ্দ করেছি। বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ে তদবির করে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বলে দ্রুত কাজটি করার প্রক্রিয়া চলছে। সোমবার বিকালে দোহারের নয়াবাড়ী ইউনিয়নের পদ্মা পারে বাহ্রাঘাটে জাতীয় পার্টির সমাবেশ ও যোগদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে ওয়াদা করে ভোট নিয়েছিলাম। তাই আমি কি নিয়ে আপনাদের সামনে আসবো? আমি কি খালি হাতে আসতে পারি? তাই আমি পদ্মা পাড়ের মানুষের খুশির সংবাদ নিয়ে এসেছি।  আগামী কিছুদিনের মধ্যে আমি এই টাকা বরাদ্দ পাবো এবং তিন মাসের মধ্যে কাজ শুরু করতে পারবো ইনশা-আল্লাহ। এসময় তিনি তার আমলে সম্পর্ন হওয়া রাস্তা-ঘাট, মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, ক্লিনিক সহ বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক প্রকল্প তুলে ধরেন।

উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে সালমা ইসলাম বলেন, কথা আর বক্তব্য দিয়ে নয়, কাজের মাধ্যমে আপনাদের সেবা করতে চাই। আমার নিবার্চনী অঙ্গিকার ছিলো পদ্মা ভাঙ্গন রোধে উদ্যোগ নেয়া। সেই কাজটি করতে আমি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করছি। আপনারা আমার পাশে থাকলে অল্প দিনেই তা সম্ভব হবে। আমি কাজে বিশ্বাসী। আমার দলের লোকজন কোনো দখল, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী করলে আমাকে জানাবেন।

সভায় নায়াবাড়ী ইউনিয়ন জাতীয়পার্টির সভাপতি ডা. সরফুদ্দিন এর সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত জাতীয় ছাত্রসমাজের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মশিউর রহমান, দোহার উপজেলা জাতীয় পার্টির যুন্ম-আহবায়ক ড. আলাউদ্দিন আল আজাদ, সদস্য সচিব আব্দুল আলিম, নাবাবগঞ্জ উপজেলা জাতীয়পর্টির যুগ্ম-আহবায়ক খন্দকার নূরুল আনোয়ার বেলাল, জুয়েল আহাম্মেদ, মাহফুজ আহম্মেদ, মনির, নজরুল প্রমূখ।

পদ্মার ভাঙন রোধে আমার চেষ্টা অব্যাহত আছে: বাহ্রাঘাটে সালমা ইসলাম

0

আপনাদের ওয়াদা দিয়েছিলাম দোহারে পদ্মার ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। আমার সে চেষ্টা অব্যাহত আছে। সরকার এ জন্য ১১৪ কোটি টাকার প্রকল্প দিয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে তদবির করে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বলে দ্রুত কাজটি করার প্রক্রিয়া চলছে। সোমবার বিকালে দোহারের নয়াবাড়ী ইউনিয়নের পদ্মাপারে বাহ্রাঘাটে জাতীয় পার্টির কর্মী সম্মেলন ও যোগদান অনুষ্ঠানে সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী, জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি এ কথা বলেন।

এই সময় উপস্থিত জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সালমা ইসলাম এমপি বলেন, কথা আর বক্তব্য দিয়ে নয়, কাজের মাধ্যমে আপনাদের সেবা করতে চাই। আমার নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল পদ্মার ভাঙন রোধে উদ্যোগ নেয়া। সেই কাজটি করতে আমি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করছি। আপনারা আমার পাশে থাকলে অল্পদিনেই তা সম্ভব হবে। আমি কাজে বিশ্বাসী।

তিনি আরও বলেন, দোহার নবাবগঞ্জের আইনশৃংখলা বিগত যে কোনো সময়ের চেয়ে ভালো আছে। আপনারা শান্তিতে থাকেন এ প্রত্যাশা করি। এলাকার মানুষের উন্নয়নে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সাবেক এ প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি মহল এলাকার উন্নয়ন ও পদ্মা শাসনে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আপনাদের বিভ্রান্ত করছে। এ বিষয়ে সজাগ থাকবেন। বিগত সময়ে অনেক এমপি-মন্ত্রী ছিলেন যারা আপনাদের প্রতারিত করেছে। সংসদ সদস্য সালমা ইসলাম এ সময় তার আমলের দেড় বছরের রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ, ব্রিজ ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন।

নয়াবাড়ী ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি সাহাজউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সমাজসেবক এবাদুল ইসলাম, জাপা নেতা খন্দকার নুরুল আনোয়ার বেলাল, জুয়েল আহমেদ, ডা. আলাউদ্দিন আল আজাদ, ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহসভাপতি মশিউর রহমান।