বিশ্বে নারী উন্নয়নের মডেল শেখ হাসিনা: সালমা ইসলাম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারী উন্নয়নে বিশ্বে মডেল হিসেবে কাজ করছেন। তাই আজ নারীরা দেশের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছে। বৃহস্পতিবার বিকালে নবাবগঞ্জ উপজেলা ওয়াছেক মিলনায়তনে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি এসব কথা বলেন।

নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিবুল আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সালমা ইসলাম সব নারীকে কর্মমুখী হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সমাজ ও পরিবারের উন্নয়নে নারীরা হাতে কাজে শিক্ষার মাধ্যমে আর্থিকভাবে ভূমিকা রাখতে পারে। অনুষ্ঠানে তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সেলাই মেশিন তুলে দেন।

অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি একই দিন নবাবগঞ্জের চুড়াইন তারিনীবামা উচ্চ বিদ্যালয়ের মার্কেটের ভবন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে শিক্ষক ও অভিভাবকদের দায়িত্বশীল হওয়ার তাগিদ দেন। এ সময় প্রধান শিক্ষক অরুণ কুমার মণ্ডল, আবুল হোসেন মোড়ল, আবদুল বাছেদ ও আনোয়ার মোড়লসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নয়ন শ্রী ইউপি চেয়ারম্যান পলাশ চৌধুরী, সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান খান পান্নু প্রমুখ।

দোহার-নবাবগঞ্জের সামাজিক অসংগতি–২: দায়ী অভিভাবক, পর্নোআসক্তি মাদকের চেয়েও ভয়ংকর

যার যে বয়স নয় সে বয়সে পরিণত বয়স্কদের উপযোগী মোবাইল ফোন, টেলিভিশন বা বিভিন্ন পর্ণ বই ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে দোহার-নবাবগঞ্জের যুবকদের। সবচেয়ে আতংকের বিষয়টি স্কুল-কলেজগামী ছেলেদের তুলনায় অনেক ক্ষেত্রেই এগিয়ে বরংচ মেয়েরা।

অতি আধুনিকতার নামে বিভিন্ন স্যাটেলাইট চ্যানেলের আইটেম সং বা ফ্যাশন উত্তেজক টেলিভিশন চ্যানেল বাড়ীতে সবাই এক সাথে দেখা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে যেন কোন রাখ ঢাক নেই। এছাড়া ইণ্টারনেট সেবা আজ কুফল হয়ে দেখা দিয়েছে। পারিবারিক শান্তি বিনষ্ট হচ্ছে, সমাজ ও লোক চক্ষুর অন্তরালে ঘটছে ব্যাভিচারের মতো ঘটনা। বাড়ছে পরকীয়া ও অশ্লীলতা।

সম্প্রতি বাংলাদেশ মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের পরিচালিত একটি নমুনা জরিপে শিক্ষার্থীদের পর্নো আসক্তির ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এ ব্যাপারে প্রধান নির্বাহি নিউজ৩৯-কে  জানান, তিনি রাজধানীর ঢাকার একটি স্কুলে নবম শ্রেণীর একটি কাসে যান যেখানে মোট ৩০ জন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের মধ্যে ২৯ জনের কাছে মোবাইল পাওয়া যায়। এদের ২৫ জনের মোবাইলেই পর্নোগ্রাফি পাওয়া যায় এবং তারা অনেকে কাসে বসেই পর্নোগ্রাফি দেখে।

এর আগে ২০১৩ সালে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন পরিচালিত এক জরিপে দেখা যায় রাজধানীর ৭৭ ভাগ কিশোর পর্নোভিডিও আসক্ত। আর সবারই ধারণা দোহার-নবাবগঞ্জে এ হার অনেক বেশি। শুধুমামত্র অভিভাবকদের ভুলে ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কারনে এমনটি ঘটছে। অধিকাংশ অভভাবকেরা জানেন না যে, তার সন্তান আসলে প্রযুক্তির কি ধরনের ব্যবহার করছে।

পর্নো আসক্তি বিষয়ে সম্প্রতি অতি গোপনে দোহারের একটি স্কুলের দশম শ্রেণীর ৩৭ জন  শিক্ষার্থীর মোবাইল পরীক্ষা করা হয়। তাতে দেখা যায় ৩৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ২৬ জনের মোবাইল রয়েছে। তাদের মধ্যে ১৯ জন মোবাইলের মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি দেখেছে বলে জানিয়েছে। এদের মধ্যে ১২ জনই আবার কোনো না কোনো সময় কাসে বসেও পর্নোগ্রাফি দেখার কথা জানায়।

পর্নোগ্রাফি বর্তমানে এমন মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে যে, অনেকে তা প্রকাশ্যে দেখতেও আর রাখঢাক করছে না। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের সাথে আলাপকালে তাদের কেউ কেউ জানিয়েছেন অনেক সময় শিক্ষক কাসে না থাকলে  মোবাইলে আর বিকালে বন্ধুর বাড়ীতে মোবাইল বা ল্যাপটপে পর্নো দেখা শুরু করে।

এ ব্যাপারে এক গার্লস স্কুলের শিক্ষক নাম না প্রকাশ শর্তে বলেন, একদিন তিনি শেষ বেঞ্ছের দিকে কয়েকজন ছাত্রীকে অমোনযোগী দেখতে পান। তিনি তাৎক্ষণিক তাদের কাছে পৌঁছলে এক জনের হাত থেকে মোবাইল ব্যাগে ঢুকানোর সময় তাড়াহুড়া করতে গিয়ে পড়ে যায়। তিনি মোবাইলটি হাতে নিলে সেখানে স্থির পর্ণ চিত্র দেখতে পান। তিনি তৎক্ষণাৎ তাদেরকে ক্লাশ থেকে বের করে দেন বলে জানান। এদের মাঝে ক্লাশের মেধাবী ছাত্রীও ছিল বলে জানান তিনি।

ডিজিটাল অ্যানালিস্টস জুনিপার রিসার্চ-এর অনুসন্ধানে জানা গেছে ২০১৫ সালে প্রাপ্তবয়স্ক স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা গড়ে ৩৪৮টি করে পর্ন ভিডিও দেখবে। তাদের ডিভাইস থেকে এ বছরে মোট ১৩৬ বিলিয়ন পর্ন ভিডিও দেখা হবে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

স্কুল শিক্ষার্থীদের হাতে মোবাইল থাকলেও অনেকের ইন্টারনেট সংযোগ নেই। তাই তারা দোহার-নবাবগঞ্জের বিভিন্ন মার্কেট থেকে পর্নোভিডিও ডাউনলোড করিয়ে আনে নতুবা যাদের কাছে আছে তাদের কাছ থেকে নিয়ে নেয়। আর যাদের ইন্টারনেট আছে তারা ইচ্ছা মতো পর্নোভিডিও ডাউনলোড করে নেয়।

শিক্ষক, অভিভাবক, দোকানদার এবং শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে সুযোগ পেলেই একা একা এমনকি কয়েকজন মিলে অসঙ্কোচে তারা পর্নোভিডিও দেখে থাকে। দোহার-নবাবগঞ্জের প্রত্যন্ত গ্রামগঞ্জের শিক্ষার্থী তরুণদের মধ্যেও ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়ছে পর্নো আগ্রাসন। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা হুমড়ি খেয়ে পড়ছে ভিডিও দোকানে এসব ডাউনলোড করার জন্য। এমনকি পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীর মোবাইলেও পর্নোগ্রাফি ধরা পড়ার খবর বেরিয়েছে। দোহার-নবাবগঞ্জের গ্রামগঞ্জের হাটবাজারে ১০ টাকায় মিলছে মোবাইল ভর্তি পর্নোগ্রাফি।

নবাবগঞ্জ উপজেলা পর্যায়ের বেশ কয়েকজন মোবাইল দোকানদার জানিয়েছেন, মোবাইলে বিদেশী পর্নোগ্রাফির চেয়ে দেশী পর্নোগ্রাফি বেশি চলে। ধর্ষণের দৃশ্য, গোপনে ধারণ করা বিভিন্ন দৃশ্য, বাংলাদেশসহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের মডেল অভিনেত্রীদের গোপন স্ক্যান্ডালের নামে পর্নোগ্রাফি বেশি চলে এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাই এগুলো বেশি নিচ্ছে। তা ছাড়া প্রযুক্তির দ্রুত প্রসার এবং নিত্যনতুন উদ্ভাবনের ফলে সাইবার ক্যাফে ঢাকা থেকে বিদায় নিয়েছে; কিন্তু এর কদর রয়েছে এখনো। স্কুল ছুটির পর শিক্ষার্থীরা সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে দেখছে বিদেশী পর্নোগ্রাফি।

পর্নোগ্রাফি মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ায় গ্রাম-শহর সর্বত্র মা-বাবার একই চিন্তা, কিভাবে সন্তানকে অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করা যায়। এক সময় মা- বাবার দুশ্চিন্তা ছিল নিরাপত্তা, মাদক, খারাপ বন্ধুবান্ধব ও পরিবেশ, সন্ত্রাস, বখাটেপনা থেকে কিভাবে রক্ষা করা যায় তা নিয়ে। কিন্তু প্রযুক্তির অপব্যবহার এবং এর খারাপ প্রভাব নিয়ে অভিভাবকদের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা এখন ছাড়িয়ে গেছে অতীতের সব দুশ্চিন্তার মাত্রা।

মান-সম্মানের স্বার্থে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক কেঁদে  জানান, তার দশম শ্রেণী পড়–য়া ছেলে প্রায়ই বন্ধুদের সাথে নিয়ে ছাদে গিয়ে ছাদের দরজা বন্ধ করে মোবাইলে পর্নোগ্রাফি দেখছে। এক দিন ছাদের গেট খোলা রেখে তারা পর্নো দেখার সময় একজন ভাড়াটিয়া সেখানে গিয়ে এ দৃশ্য দেখে তাদের জানিয়েছেন। তিনি জানান, কিভাবে ছেলের সাথে এ নিয়ে আলোচনা করব এবং কিভাবেই বা এর প্রতিকার করব তা বুঝে উঠতে পারছি না। বিষয়টি খুবই বিব্রতকর।

গবেষণায় পর্নো আসক্তি মাদকের চেয়েও ভয়ানক প্রমাণিত হয়েছে। এমনকি তা কোনো কোনো ক্ষেত্রে হেরোইন আসক্তিকেও হার মানায়। মাদক গ্রহণ যেমন মানুষের মধ্যে নেশা বা আসক্তি হিসেবে কাজ করে তেমনি পর্নোগ্রাফিও আসক্তি হিসেবে কাজ করে মন-মস্তিষ্ক ও দেহে। মাদকাসক্ত থেকে যেমন অনেকে বিভিন্ন ধরনের অপরাধে জাড়িয়ে পড়ে তেমনি পর্নোগ্রাফি আসক্তি থেকেও নানা ধরনের অপরাধের জন্ম নিচ্ছে। আসক্তদের মধ্যে দেখা দেয় নানা ধরনের বিকৃতি। এর প্রভাবে ব্যক্তি, পরিবার এবং সামাজিক জীবনে দেখা দেয় নানা বিপর্যয়।

সম্প্রতি কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটির এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে পর্নোগ্রাফি আসক্তি মাদকের চেয়েও ভয়ানক হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। সাধারণত ১৩ বছরের কিশোররা ইন্টারেনট পর্নোতে বেশি আগ্রহী এবং তারা মেয়েদেরকে যৌনতার একটি বিষয় হিসেবে চিন্তা করতে শুরু করে। প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয় , নিষ্পাপতার দিন শেষ হয়ে গেছে। মানুষ এখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনেক কিছুই জানতে পারে। এটা হচ্ছে ঘরে হেরোইন রেখে শিশুকে ছেড়ে দেয়ার মতো। কিছু ডাক্তার অবশ্য বলেছেন, যারা অতিরিক্ত পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত তারা মাদকাসক্তদের চেয়েও বেশি ঝুঁকিতে আছে। প্রমাণ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মনোবিজ্ঞানী জেফরি সেটিনোভার বলেন, আধুনিক বিজ্ঞান আমাদের বুঝতে সাহায্য করেছে পর্নোগ্রাফির কেমিক্যাল আসক্তি হেরোইনের মতোই। শুধু প্রয়োগটা ভিন্ন।গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, যারা পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত তাদের মস্তিষ্কে মাদকাসক্তদের মতোই নেশা কাজ করে। মাদক গ্রহণের ফলে আসক্ত ব্যক্তিদের মস্তিষ্কের যে অংশে অনুভূতি কাজ করে ঠিক সেই অংশই উদ্দীপিত হয়ে ওঠে আসক্তরা যখন পর্নো দেখে।

মাদকাসক্তদের যেমন স্বাভাবিক জীবনে ছন্দপতন ঘটে, বিপর্যয় বিশৃঙ্খলা নেমে আসে তেমনি পর্নো আসক্তরাও ধীরে ধীরে অনেক ক্ষেত্রে স্বাভাবিকতা হারিয়ে ফেলে এবং বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়। তাই তরুণসমাজকে রক্ষায় ক্ষতিকর ওয়েবসাইট বন্ধের জন্য যুক্তরাজ্য সরকারকে সুপারিশ করা হয়েছে গবেষণা প্রতিবেদনে। পর্নোগ্রাফি এবং পর্নো আসক্তি নিয়ে সারা বিশ্বে নানা ধরনের গবেষণা এবং সমীক্ষা চলছে। তুলে ধরা হচ্ছে এর ক্ষতিকর দিক।

এক দিকে যেমন মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ছে পর্নো অন্য দিকে কেউ কেউ এর বিরুদ্ধে মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এমনকি পর্নোগ্রাফিতে অভিনয়ের জগৎ থেকে ফিরে এসে কেউ কেউ জনসমক্ষে তুলে ধরছেন অন্ধকার জগতের কথা। তাদের মতে অনেকে পর্নোজগৎকে স্বেচ্ছায় বেছে নিলেও উল্লেখযোগ্য একটি অংশ রয়েছে, যাদেরকে বাধ্য করা হয় এ জগতে প্রবেশ করতে। অনেকে কিভাবে মানবপাচারকারী খপ্পরে পড়ে পর্নোগ্রাফিতে অভিনয় করতে বাধ্য হচ্ছে সেসব বিষয়ও তুলে ধরা হচ্ছে। এমনকি শিশুদের দিয়ে কিভাবে জোর করে পনোগ্রাফি তৈরি করা হচ্ছে তারও অনেক লোমহর্ষক বিবরণ উঠে আসছে নানা গণমাধ্যমে।

সম্প্রতি পর্নোগ্রাফির অন্ধকার জগৎ থেকে ফিরে এসে একজন অভিনেত্রী একটি বই লিখে প্রকাশ করেছেন কিভাবে চক্রের শিকার হয়ে তিনি পর্ণো ছবিতে অভিনয় করতে বাধ্য হয়েছেন এবং তার ওপর কিভাবে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এরপর তিনি বইতে দর্শকদের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখেছেন এরপরও কি আপনারা পর্নো দেখতে আগ্রহী হবেন?

নৈতিকতার দিক ছাড়াও শরীর এবং মনোবৃত্তি কোনো দিক দিয়েই যে এটা কল্যাণকর নয় সেসব বিষয়ও তুলে ধরার চেষ্টা করছেন অনেকে বিভিন্ন ধরনের গবেষণার মাধ্যমে। বিভিন্ন সমীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে পর্নো আসক্তরা একধরনের ফ্যান্টাসিতে ভোগে এবং বাস্তব জীবনেও তারা পর্নো নায়িকার মতো সঙ্গিনী চায়। আর তা না পাওয়ায় তাদের অনেকেই বাস্তব জীবনে সুখী হতে পারে না। কোনো কোনো সমীক্ষায় বলা হয়েছে অধিক পর্নো আসক্তদের অনেকেরই অনুভূতি ধীরে ধীরে ভোঁতা হয়ে যায় এবং বাস্তব জীবনে সঙ্গিনীর প্রতি আগ্রহ হারাতে থাকে। কারণ তাদের মন-মগজে স্থান করে নেয় পর্নো চরিত্রগুলো। কেবল সেগুলোতেই তারা উদ্দীপিত হয় বলে মন্তব্য করা হয়েছে এসব সমীক্ষায়। এর ফলে তাদের মধ্যে নেমে আসে হতাশা। এভাবেই পর্নো আসক্তি থেকে ধীরে ধীরে জন্ম নেয় পারিবারিক অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা।

গত ২ মাসে দোহার থানা পুলিশ বাংলাদেশ সেরা হয়েছে: ওসি সিরাজুল ইসলাম

বুধবার দোহার উপজেলা কমপ্লেক্সে আয়োজিত উন্নয়ন মেলা-২০১৫ তে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দোহার থানার অফিসার ইন চার্জ সিরাজুল ইসলাম বলেন, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গত ২ মাসে দোহার উপজেলা বাংলাদেশ সেরা হয়েছে । আর এর পুরস্কার স্বরুপ তিনি সরকারের পক্ষ থেকে  পরপর ২ মাসে ৫০ হাজার টাকা করে প্রাইজমানি পেয়েছেন বলে সবাইকে জানান।

তিনি আরো বলেন, তিনি যখন দায়িত্বে আসেন তখন মামলা ছিল ২৮টি; আর বর্তমানে আছে ৫ টি। গত মাসে ৩টি মামলা হয়েছে এবং ৩টি মামলায় সুষ্ঠূভাবে নিস্পত্তি হয়েছে। এছাড়া ৩০০ ওয়ারেণ্টভুক্ত আসামির স্থলে বর্তমানে আসামি আছে ১০০ । একটি উপনির্বাচনও সুষ্ঠূভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ স্থিতিশীল ও  উন্নত বাসযোগ্য করার ক্ষেত্রে দোহার থানা পুলিশ সবাইকে সেবা করে যাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মোতাবেক যে কোন অপরাধ দমন করা হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আগামীতেও দেশ সেরা হওয়ার এই প্রচেষ্টা অব্যহত থাকবে।

সামাজিক অসংগতি–১: অসতর্ক অভিভাবক, মহামারী আকারে পর্নোগ্রাফি

0

সারাদেশের মত দোহার-নবাবগঞ্জে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে পর্নোগ্রাফি। দ্রুত বিকাশমান প্রযুক্তির কল্যাণে তা এখন সর্বসাধারণের হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। যে কেউ চাইলে মোবাইলেই তা দেখতে পারে এখন। পর্নোগ্রাফির বিস্তারে বেশি পথভ্রষ্ট হচ্ছে প্রবাসী অধ্যুষিত দোহার-নবাবগঞ্জের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা।

দোহার-নবাবগঞ্জে পর্নোগ্রাফি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম ও প্রকট আকার ধারণ করেছে। এতে বাড়ছে সামাজিক অসংগতি। নীতি-নৈতিকতা, পারিবারিক মূল্যবোধ ও সামাজিক সম্মান এবং শৃঙ্খলা আজ হুমকির মুখে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য এ ব্যাপারে দোহার-নবাবগঞ্জের অভিভাবকেরা তেমন সচেতন নয়। সচেতন নয় শিক্ষকেরাও। ক্লাশ রুমে মোবাইল ফোন শিক্ষা মণত্রাণালয় কর্ত্রিক নিষিদ্ধ হলেও তা মানাতে পারছেন না শিক্ষকেরা। এর কারণ হিসাবে তারা অভিযোগ করেন, ছাত্রদের মাঝে থেকে আজ বড়দের প্রতি শিক্ষকের প্রতি সম্মানবোধ উঠে গেছে। আর প্রায় প্রতিটি ছাত্রই কোন না কোন ভাবেই রাজনীতির দ্বারা প্রভাবিত। তাই তাদের মোবাইল আটকালেও স্কুল-কলেজের ক্যাম্পাসের বাইরে তাদের দ্বারা লাঞ্চিত হওয়ার ভয়ে তারা কড়ারোপ করেন না।

এ ব্যাপারে দোহারের একটি খ্যাতনামা বালিকা বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক তার নিজের অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে বলেন, তিনি একদিন তার নবম শ্রেণির  ক্লাশে কয়েক ছাত্রীর কাছ থেকে মোবাইল কেড়ে নেন ক্লাশে ব্যবহার করার কারণে। এ সময় একটি স্মার্টফোন মোবাইলে তিনি একটি ওপেন ফাইলে কয়েকটি ন্যূড ছবি দেখতে পান। সাথে সাথে তিনি মোবাইলটি অফ করেন। পরবর্তীতে ঐ মোবাইলটি তিনি উক্ত ছাত্রীকে ফেরত দিলে সে পরেরদিন এসে জানতে চায় যে তিনি কিছু দেখেছেন কিনা। তখন ঐ ছাত্রীকে তিনি ভর্তসনা করলে সে মাফ চায় আর স্বীকার করে যে সে তার বয়ফ্রেন্ডকে ছবিগুলা দিবে বলে নিজের ছবি এভাবে তুলেছে।  তবে বাস্তবিক ঐ ছাত্রীর মাঝে তিনি কোন অনুষচনা বা লজ্জ্বাবোধ দেখতে পাননি বলেও নিউজ৩৯ কে জানান।

যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল ১৯৫৫ সালে পর্নোগ্রাফি ও অশ্লীলতাকে সভ্যতার কালো দাগ বলে মন্তব্য করেছিলেন। রয়েল সোসাইটিতে দেওয়া এক বক্তৃতায় তিনি বলেছিলেন, ‘একদিন অশ্লীলতা চর্চার মাশুল গুনতে হবে মানবজাতিকে।’

বিশ্বব্যাপী যৌনসন্ত্রাস বৃদ্ধির ঘটনাকে বিভিন্ন সময়ে পর্নোগ্রাফি ও অশ্লীলতা চর্চার ফল হিসেবে দেখিয়েছেন গবেষকরা। এদিকে দোহার-নবাবগঞ্জে অভিভাবকেরা বরং সন্তানের আবদার মেটাতে, তাকে তথাকথিতভাবে আধুনিক করতে স্মার্টফোন, ল্যাপটপ দিচ্ছেন। এ ব্যাপারে তারা খেয়াল করছেন না তাদের বয়ঃসন্ধির বিষয়টি।

হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদেরও হাতে হাতে রয়েছে মোবাইল এবং ইন্টারনেট প্রযুক্তি। পর্নো আসক্তি থেকে অনেকে জড়িয়ে পড়ছে নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে। পর্নোগ্রাফির বিস্তার এবং পর্নো আসক্তি বিষয়ে প্রায়ই উদ্বেগজনক তথ্য বেরিয়ে আসছে বিভিন্ন জরিপ এবং গবেষণায়।

তাই সকল সচেতন মহলের আশাবাদ ধর্মীয় অনুশাসন বৃদ্ধি, পারিবারিক মূল্যবোধ তোইরি এবং অভিভাবকদের সচেতনতা-ই পারে এই রাহু গ্রাস থেকে দোহার-নবাবগঞ্জের আগামী প্রজন্মকে রক্ষা করতে। নতুবা এই অঞ্চলে মাদক ও পণ্যগ্রাফি মিলে ভয়াবহ সামাজিক অসংগতি দেখা দিতে পারে যাতে অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়বে পারিবারিক বন্ধন এবং সামাজিক সম্পর্ক।

শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে দোহারের পশুর হাট

কুরবানীর দিন ঘনিয়ে আসায় পাল্টে গেছে কুরবানীর পশুর হাটের চিত্র, সরগরম হয়ে উঠেছে হাটগুলো। প্রতিটি হাটেই চলছে পুরোদমে পশু বেচা-কেনা। ক্রেতারা জানিয়েছেন, পশুর দাম গতবারের চেয়ে সামান্য বেশি হলেও সামর্থের মধ্যেই আছে।

তবে নাখোশ বিক্রেতারা। বিক্রেতারা আরো একটু বেশি দামে পশুবিক্রির আশা করছেন। ভারতীয় গরুও বাজারে এসেছে, তবে তারা বলছেন গতবছরের চেয়ে কম। যদিও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত যে ভারত থেকে যথেষ্ট গরু এসেছে, আর এবার বার্মা থেকেও গরু এসেছে।

শুক্রবার ঈদুল আযহা। তাই গরু কেনার জন্য বাকি আছে মাত্র আজকেরদিন । পশু হাটের সাথে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবারই পশু বেচাকেনার মূল সময়। তবে গতকাল বুধবার থেকেই বেশি পশু বিক্রি শুরু হয়েছে।

এদিকে গতকাল কয়েকদফায় বৃষ্টি হয়েছে। এতে করে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ক্রেতা-বিক্রেতা ও কুরবানীর পশু। হাটের প্রায় সব স্থানেই হাটু-কাঁদা। আজকেও বৃষ্টির আশংকা আছে। বৃষ্টির পানি জমে আছে সর্বত্রই। ব্যবসায়ীরা মোটামুটি দাম পেলেই গরু বিক্রি করে দিয়ে হাফ ছাড়ছেন।

নবাবগঞ্জের শোল্লায় মাদক বিরোধী সভা অনুষ্ঠিত

নবাবগঞ্জের শোল্লা হাইস্কুল এন্ড কলেজ মাঠে মাদক নির্মুল, ও মাদকের কুফল সম্পর্কে যুব সমাজকে অবহিত করতে মাদক বিরোধী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত অনু্ষ্ঠানে প্রধান অতিথী ছিলেন উপজেলা নিবাহী অফিসার রাজীবুল আহসান । বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শহিদুল্লাহ। অনুষ্ঠানে আহবায়ক ছিলেন শোল্লা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফজলুল হক ফজল। উক্ত অনুষ্ঠানের উদ্যেক্তা ছিলেন মো. নজির আহমেদ, সভাপতি শোল্লা ইউনিয়ন আওয়ামিলীগ।

উক্ত অনুষ্ঠানে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন সক্রিয় অংশ গ্রহণ করে। এর মধ্যে অংশ গ্রহণ করে অত্র এলাকার সামাজিক ও উন্নয়ন মূলক সংগঠন শোল্লা তারুণ্যে আলো। শোল্লার আপামর জনসাধারণের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি বিশাল আকার ধারন করে। মাদক বিরোধী নানা ধরনের শ্লোগান সম্বলিত ব্যানার ফেসটুন অনুষ্ঠানে ব্যপক সাড়া জাগায়।

বক্তারা যুবসমাজকে মাদকের ব্যপারে সচেতন হওয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, মাদকের করাল গ্রাস একটি সমাজকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায়। সেই সাথে পিতা মাতাদেরকেও সন্তানদের প্রতি সচেতন হতে বলেন।

এই অনুষ্ঠান সম্পর্কে জানতে শোল্লা তারুণ্যের আলো সংগঠনের সভাপতি জনাব মো. শাহ আলমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি  জানান যে, মাদকের বিরুদ্দে আমরা সব সময় সোচ্চার ছিলাম এবং থাকবো। শোল্লা ইউনিয়নকে সবপরি মাদক মুক্ত একটি আদর্শ ইউনিয়ন হিসাবে গড়ে তোলার জন্য আমরা এবং এলাকার সব স্তরের জনগণ চেষ্টা করে যাচ্ছি। সবার সহযোগিতায় আমরা এই মিশনে সফল হবো বলে আশা করি।

দুর্ভোগের নাম নবাবগঞ্জ শোল্লা দৌলতপুর সড়ক

দুর্ভোগের নাম নবাবগঞ্জ-শোল্লা- পাড়াগ্রাম-দৌলতপুর ভায়া ঢাকা সড়ক। সর্বত্রই খানাখন্দ আর গর্ত। কয়েক দফা টানা বর্ষণে এগুলো আরও বড় আকার ধারণ করেছে। কোথাও কোথাও পানি জমে খালে রূপ নিয়েছে। ফলে এ সড়কে যাতায়াতে যাত্রীসাধারণকে চরম কষ্ট ভোগ করতে হচ্ছে।

৬ মাস আগে সড়কটি সংস্কার করা হয়। কিন্তু নিম্নমানের কাজ ও বৃষ্টিসহ নানা কারণে সেই পুরনো চেহারায় ফিরেছে সড়কটি। সরেজমিন দেখা যায়, সড়কটির ইটের খোয়া উঠে গেছে। বিভিন্ন স্থানে সৃষ্ট গর্তগুলোতে বৃষ্টির পানি জমে আছে। কোথাও কোথাও কাদা। ফলে আটকে যাচ্ছে গাড়ি। দৌলতপুরের বাসিন্দা মো. কামরুল বলেন, কয়েক বছর ধরেই সড়কটি খানাখন্দ ও গর্তে পরিণত হয়ে আছে। ভাঙা সড়কে ঝাঁকুনিতে রোগীকে আরও অসুস্থ করে তোলে।

পাড়াগ্রাম এলাকার অধিবাসী মো. সালাম মিয়া বলেন, সড়কের যে অবস্থা তাতে দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানো যায় না। ধীরে গাড়ি চালাতে হয়। এতে শুধু যাত্রীদের যাতায়াতেই কষ্ট হচ্ছে না, রাতে ডাকাতির কবলে পড়ে সব হারাতে হচ্ছে অনেককে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, ঠিকাদার লোক দেখানো কাজ করে বিল তুলে নিয়েছে। এ কারণেই সড়কের এ অবস্থা।

জানতে চাইলে নবাবগঞ্জ উপজেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের প্রকৌশলী মো. শাজাহান বলেন, সড়কের অবস্থা খারাপ। তবে সংস্কারের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

জলাবদ্ধতা: পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের প্রধান যন্ত্রণা

লটাখোলা দোহার পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত হলেও এখন পর্যন্ত আধুনিক কোন সুযোগ সুবিধাই পায় নি। অন্যান্য সুযোগ সুবিধাতো দূরের কথা নেই পানি নি:ষ্কাশনের সুব্যবস্থা।

অল্প বৃস্টিতেই প্রায় হাটু পানি জমে যায় ১নং ওয়ার্ডের রাস্তাগুলোতে। ফলে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এ এলাকায় বসবাসকারী সাধারণ জনগণ, বিশেষ করে এই এলাকায় ৩ টি স্কুলস্কুলগামী শিক্ষার্থীরা। মাঝে মাঝে ছাত্রদের হাত থেকে বই পত্র, ব্যাগ, ইত্যাদি পানিতে পড়ে গিয়ে সেদিনের জন্য ক্লাস করা বাদ হয়ে যায়।

৭ বছর আগে একটি ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল, যেটি হওয়ার কথা ছিল লটাখোলা চাঁদতারা ক্লাব থেকে মরাগাঙ পর্যন্ত। কিন্তু অর্থ সংকটের জন্য সেটির নির্মাণ কাজ শেষ হয় নি এখন পর্যন্ত, এক চতুর্থাংশ নির্মানের পরেই তা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সামান্য বৃস্টিতে পানি রাস্তায় জমে থেকে জনসাধারনের সীমাহীন দূর্ভোগ বয়ে আনছে।

এলাকাবাসী অতি দ্রুত এর প্রতিকার চান। এ বিষয়ে পৌরপিতা আব্দুর রহিম মিয়া নিউজ৩৯-কে জানান “অর্থ সংকটের জন্য ড্রেনের নির্মান কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, অর্থের ব্যবস্থা হলেই আবার ড্রেনের নির্মান কাজে হাত দেওয়া যাবে, তখন আর জলাবদ্ধতা থাকবে না। “তবে কবে নাগাদ অর্থের ব্যবস্থা হবে সে সর্ম্পকে সুস্পষ্ট কোন তথ্য জানান নি তিনি।

নবাবগঞ্জে ৮০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৮০পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. লাভলু (২৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-১১। শনিবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলার গালিমপুর ইছামতি ডিগ্রী কলেজের পূর্ব পাশে দেওয়ান সুইট মিট দোকানের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত মো. লাভলু ছাতিয়া গ্রামের মো. কাইয়ুমের ছেলে।

র‌্যাব-১১ মুন্সীগঞ্জ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার সিনিয়র এএসপি মো. মাসুদ আনোয়ার জানান, শনিবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে ১ মাদক ব্যবসায়ী মাদক বেঁচাকেনা করতে আছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল দেওয়ান সুইট মিট দোকানের সামনে ইয়াবা বিক্রির সময়ে তাঁকে আটক করা হয়। পরে নবাবগঞ্জ থানায় তাঁকে হস্থান্তর করা হয়।

নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সায়েদুর রহমান বলেন, মো. লাভলু নবাবগঞ্জ থানার একটি মাদক নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করে । রবিবার সকালে তাকে কোট হাজতে পাঠানো হয়েছে।

দোহার উপজেলা উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আলমগীর হোসেন বিজয়ী

0

দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান পদের উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী আনারস প্রতীকের আলমগীর হোসেনকে বিজয়ী ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং অফিসার।

রাত সাড়ে সাতটায় ঘোষিত ফলাফলে রিটার্নিং কর্মকর্তা ঘোষণা করেন আলমগীর হোসেন পেয়েছেন ৫২,৭৩২ ভোট; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী দোয়াত-কলম প্রতীকের বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম ভুলু পেয়েছেন ১৫,৩৮৮ ভোট, অপর প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কবির পেয়েছেন ১০,৬৭৬ ভোট। মোট ভোট পড়েছে ৮০,৪৫১টি, বৈধ ভোটের সংখ্যা ৭৮,৭৯৬, বাতিল হয়েছে ১৬৫৫ টি।  এ নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ১,৬০,৪০১ জন। কেন্দ্র ছিল ৭৫টি।