মৈনটে বিদেশী বিনিয়োগকারী নিয়ে সালমান এফ রহমান

ঢাকার দোহার উপজেলার মৈনটে বিদেশী বিনিয়োগকারী নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ঝটিকা সফর করেছেন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টায় হেলিকপ্টারে করে ২ জন বিদেশী বিনিয়োগকারী নিয়ে মৈনটঘাটে আসেন। সেখানে ২০ মিনিট অবস্থানের পর তিনি আবার ঢাকার উদেশ্যে দোহার ত্যাগ করেন।

এসময় তিনি বলেন, আমি উপজেলা নির্বাচনের সময় বলেছিলাম পদ্মাপাড়ে পর্যটন পল্লী গড়ে তোলা হবে। তাই আমার সাথে করে আমি দুজন বিদেশী বিনিয়োগকারী নিয়ে এসেছি। তারা দোহারের পদ্মাপাড় দেখে বিনিয়োগ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আর আমাদের সরকারও এখানে পর্যটন পল্লী গড়ে তুলতে আগ্রহী। তাই আমরা খুব তাড়াতাড়ি এটা সম্পূর্ন করতে পারব।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসেডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী রুহুল আমিন হাওলাদার, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ খান মো. আব্দুল মান্নান, দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরুল করিম ভূইয়া, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান, দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন, থানা নির্বাহী অফিসার মো. সিরাজুল ইসলাম শেখ, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল, সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার, আওয়ামীলীগের সহ-সম্পাদক সাগর আহমেদ শহিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপাতি বাসার চোকদার প্রমুখ।

যেভাবে মহাবিশ্ব থেকে হারিয়ে যায় গ্রহরা

0

পৃথিবীর মতো ছোট গ্রহকে গ্রাস করে নিতে পারে সূর্যের মতো নক্ষত্র। বিজ্ঞানীদের এ রকম তত্ত্বের কথা হয়তো অনেকেই শুনেছেন। কিন্তু এর আগে এ ধরনের কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ বিজ্ঞানীদের হাতে ছিল না। নাসার কেপলার স্পেস টেলিস্কোপ ‘কে২ মিশন’ ব্যবহার করে সম্প্রতি এ ধরনের একটি ঘটনা পর্যবেক্ষণ করার দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।

নাসার পাঠানোর এক বিবৃতিতে হার্ভার্ড-স্মিথসোনিয়ান সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোফিজিকসের গবেষক অ্যান্ড্রু ভ্যান্ডারবার্গ বলেন, ‘প্রথমবারের মতো আমরা প্রচণ্ড মাধ্যাকর্ষণের চাপে ক্ষুদ্র একটি গ্রহকে চূর্ণ হতে, এর রশ্মিতে গ্রহের সবকিছু বাষ্প হয়ে উড়ে যেতে এবং ওই নক্ষত্রের দিকে পাথুরে উপাদান ধেয়ে যেতে দেখেছি।’

নেচার সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য।

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার গবেষকেরা বলছেন, বড় একটি সাদা বামন নক্ষত্রের প্রভাবে ক্ষুদ্র পাথুরে একটি গ্রহ যেভাবে বাষ্প হয়ে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায় তার শক্ত প্রমাণ পেয়েছেন তাঁরা। তত্ত্ব মতে, সাদা বামন নক্ষত্র তাঁর সৌরমণ্ডলে থাকা গ্রহগুলোকে গ্রাস করে নিতে পারে। এই আবিষ্কারের ফলে বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিনের এ তত্ত্বটি বৈধতা পেল।

গবেষকেরা বলেন, আমাদের সূর্যের মতো বয়সী কোনো নক্ষত্র, জ্বালানি পুড়িয়ে শেষ করে লাল দানবে পরিণত হবে। এরপর আস্তে আস্তে এর ভর অর্ধেক কমে যাবে এবং আকারে প্রায় পৃথিবীর সময় হয়ে যাবে। মৃত আর অধিক ঘনত্বের এই অবশিষ্টাংশকে সাদা বামন নক্ষত্র বলে।

গবেষকেরা বলছেন, তাঁরা যে সাদা বামন নক্ষত্রটির কথা বলছেন তার নাম ‘ডব্লিউডি ১১৪৫‍+০১৭’। এর প্রভাবে ধ্বংস হয়ে যাওয়া গ্রহটির ধ্বংসাবশেষ থেকে তৈরি ধূলিকণা, পাথর ও গ্রহাণুর আকারের অন্য উপাদানগুলো প্রতি সাড়ে চার ঘণ্টা অন্তর ওই নক্ষত্রটিকে প্রদক্ষিণ করছে।

গণ ধর্ষণের বিচার চেয়ে বিক্ষোভ: রবিবার জয়পাড়ায় মানববন্ধন

ঢাকার দোহার উপজেলার মুকসেদপুর ইউনিয়নের রুইথা এলাকায় ১৩ বছরের এক কিশোরী গণধর্ষণ হবার ৩ দিন পার হলেও কোন আসামিকে গ্রেফতার করতে পারে নি দোহার থানা পুলিশ। এমনই অভিযোগ পাওয়া গেছে পরিবারটির পক্ষ থেকে। মেয়েটি দোহার উপজেলার মধুরখোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেনীর ছাত্রী ।

ধর্ষণের  শিকার কিশোরীর বাবা মফজেল শেখ বাদী হয়ে স্থানীয় ৫ বখাটের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা করেছে। বুধবার বিকেলে দোষীদের গ্রেফতার ও বিচার চেয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় গত মঙ্গলবার বিকেলে কিশোরীটি তার নানাবাড়ি মুকসুদপুরে বেড়াতে যায়। সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পথে উপজেলার বালুরচকে এলে স্থানীয় বখাটে মো. সিরাজ (৩২), সাদ্দাম (২৭), মো. সুরুজ (২৯), রানা (২৮) ও মো. সেলিম (২৬) রাস্তার মধ্যে থেকে কিশোরীর গলায় চাকু ঠেকিয়ে একটি পাশের বসতিতে নিয়ে যায়। তারপর মেয়েটির গলায় একজন চাককু ঠেকিয়ে রাখে আর ধর্ষণ করে। এরপর প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ছাত্রীকে উদ্ধার করে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানকার মেডিকেল অফিসার ডা. জসিম উদ্দিন মেয়েটির প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে কি না তা পরীক্ষার করার জন্য ঢাকা মিডফোর্ট হাপাতালে পাঠান। মেয়েটির অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক তারে আইসিওতে ভর্তি করে । বুধবার সকালে মেয়েটির জ্ঞান ফিরলে পুলিশ তার জবানবন্দী নেয় । ঘটনার পরদিন বুধবার বিকালে এলাকাবাসী ধর্ষকদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে।

ধর্ষণকারী সুরুজ ও সেলিম উপজেলার মধূর খোলা গ্রামের বাসীন্দা এবং রানা ও সিরাজ উপজেলার রুইতা গ্রামের বাসীন্দা।

এ বিষয়ে দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ সিরাজুল ইসলাম ঘটনার স্বীকার করে বলেন, “জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।”

পাশবিক নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীর বাবা মফজেল শেখ বলেন,আমি একজন ভ্যান চালক। আমার আল্লাহ ছাড়া আর কেউ নেই। আমি এ ঘটনায় জড়িতদের সঠিক বিচার দাবি করছি।” এই ঘটনার প্রতিবাদে আগামী ১ নভেম্বর রবিবার জয়পাড়াতে মানববন্ধনের ডাক দিয়েছে মুকসুদপুর এলাকাবাসী (আপডেট)।

রপ্তানী হচ্ছে দোহারের লুঙ্গি

দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার তাঁতে বোনা লুঙ্গির সুনাম দেশজুড়ে, আর এই সুনামে ভর করে দোহারের লুঙ্গি রপ্তানী হচ্ছে বিদেশে। আনুমানিক ১শ’ বছর আগে তাঁতে বোনা লুঙ্গির গোড়াপত্তন হয়েছিল এখানে। সেই থেকে নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে পূর্বপুরুষদের ঐতিহ্যকে ধরে রেখে লুঙ্গি তৈরি করে চলেছেন তাঁতীরা।

একসময় খুবই জমজমাট ছিল দোহারের জয়পাড়া লুঙ্গির হাট। তবে আধুনিক মেশিনে প্রস্তুত লুঙ্গির সঙ্গে হাতে বোনা লুঙ্গি প্রতিযোগিতায় টিকতে না পারায় দিন দিন লোকসানী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে তাঁত শিল্প। ফলে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন দোহারের তাঁতীরা। প্রায় চারদিন অক্লান্ত পরিশ্রমের পর তৈরি হয় এক ভিম (ছয়টি) লুঙ্গি। প্রতিটি ভিমের দাম পাইকারী মূল্যে ২৪শ’ থেকে প্রায় ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।

একসময় জয়পাড়া লুঙ্গির হাটকে কেন্দ্র করে উৎসবে পরিণত হতো। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাইকারদের ভিড়ে সরগরম থাকতো সপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবার বিকেলটা। সারা দেশে লুঙ্গির যে ক’টি হাট রয়েছে তার মধ্যে জয়পাড়ার লুঙ্গির হাট প্রসিদ্ধ। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকাররা লুঙ্গি কিনতে ছুটে আসেন এই হাটে।

দেশের গণ্ডি পেরিয়ে দোহারের লুঙ্গি রপ্তানী হচ্ছে এখন ভারত, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, বাহারাইন, দুবাই, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, ইন্দোনেশিয়া, কানাডা, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যাছে। প্রতি বছর বিশ্বের ২৫টি দেশে পাওয়ারলুম ও হ্যান্ডলুম মিলিয়ে প্রায় দুই কোটি পিস লুঙ্গি রপ্তানি হচ্ছে, এর মধ্যে অবশ্য পাওয়ারলুমের লুঙ্গির পরিমানই বেশি।

বিদেশে বসবাসকারী বাঙালিরাই মূলত এই লুঙ্গির ক্রেতা। এছাড়াও ইন্দোনেশিয়াসহ অনেক দেশের লোকজন শখ করে বাংলাদেশী লুঙ্গি কেনেন।

পোদ্দারবাড়িতে ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

ঢাকার দোহার উপজেলার রাইপাড়া ইউনিয়নের পোদ্দারবাড়ি এলাকা থেকে মঙ্গলবার রাতে ৪২ বোতল ফেনসিডিলসহ সাজ্জাদ মোল্লা(২৫) নামে এক মাদক ব্যাবসায়ীকে আটক করে দোহার থানা পুলিশ। এ ব্যাপারে দোহার থানায় মাদক নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা হয়েছে।

আটককৃত সাজ্জাদ ফরিদপুর জেলার সর্দপুর উপজেলার চৌদ্দরসি গ্রামের রফিক মোল্লার ছেলে।

দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) শেখ সোহেল রানা বলেন, “দোহার থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান চলাকালে তাকে আটক করা হয়। দোহার থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান চলছে এটা অব্যাহত থাকবে।“

বড় ভূমিকম্পের আশংকা বিজ্ঞানীদের, প্রাণ যেতে পারে ৪ কোটি মানুষের

0

মাস ছয়েক আগে নেপালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের ছবি সারা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। ছোট্ট পাহাড়ি দেশে মৃত্যু মিছিল দেখে অনুভব করা গিয়েছিল, প্রকৃতির শক্তির কাছে আমরা কতটা অসহায়, কতটা দুর্বল। সেটি যে বড় ধরনের ভূমিকম্প ছিল তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তবে আগামী এক বছরের মধ্যে যে কোনও দিন যে ভূমিকম্প আসতে চলেছে তার কাছে আগে ঘটে যাওয়া যে কোনও ভূমিকম্প শিশুর তকমা পেতে পারে। শুধু তাই নয়, সঙ্গে ধেয়ে আসতে পারে বড় ধরনের সুনামি।

বৈজ্ঞানিকদের অনুমান এতে কমপক্ষে ৪ কোটি মানুষ মারা যেতে পারেন। বৈজ্ঞানিক এবং নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ার ড. মেহরান কেশে এ কথা জানিয়েছেন। তাঁর গবেষণায় উঠে এসেছে, এই মেগা ভূমিকম্পের ফলে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা ভেঙে টুকরো হয়ে যাবে। সব থেকে বেশি ক্ষতি হবে এই দুই মহাদেশের পশ্চিম উপকূল জুড়ে। এখানে কমপক্ষে ২ কোটি মানুষ প্রাণ হারাতে পারেন। এর আগাম প্রস্তুতি হিসাবে আমেরিকা এবং কানাডার বড় শহরগুলিতে আপত্‍কালীন পরিস্থিতিতে কী কী করণীয় তা নিয়ে মক ড্রিল করা হচ্ছে নিয়মিত।

ড. কেশে বলেন, আমরা জানি ৬ থেকে ৮.৩ মাত্রার যে কোনও ভূমিকম্প বেশ বড় কম্পন হিসাবে ধরা হয়ে থাকে। কিন্তু মেগাকোয়েক-এ এই মাত্রা থেকে কম্পন শুরু হবে। তা গিয়ে পৌঁছবে ১০-১৬ কম্পন মাত্রায়। সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে দক্ষিণ আমেরিকার বিস্তীর্ণ আঞ্চল। এর ফলে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা একে অপরের থেকে আলাদা হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে মধ্যেই উত্তর চিন এবং জাপানে পর পর বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প হবে। তাতেও প্রচুর মানুষ প্রাণ হারাবেন। বলে ধারণা। ক্যারিবায়ান দ্বীপপুঞ্জও বড় ক্ষতির সম্মুখীন হবে। বিশ্বের গোটা অর্থনীতি ভেঙে পড়বে। আমি চাই যেন এমনটা না হয়, তবে এটা এড়ানো যাবে না বলেই আমার বিশ্বাস।

রাজেন্দ্রপুরে আরামের চাপায় নিহত ৩

ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুর মোল্লার ব্রিজ রাস্তায় বাসচাপায় গতরাতে ঘটনাস্থলে দুজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরো একজন মারা যান। গুরুতর আহত হয়েছেন একজন।  বুধবার রাতে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হচ্ছেন : সামসুল হক (৫৫), দুলাল (৩৫) ও মোজাম্মেল (৬৫)। আহত রহিম পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার এসআই আমিনুল ইসলাম নিউজ৩৯কে জানান, বুধবার রাতে রাজেন্দ্রপুর এলাকায় আরাম পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস (ঢাকা মোট্রো ব-১৪-৭৬৬২) কাঠবোঝাই ভ্যান গাড়িকে পিছন থেকে ধাক্কা দিলে ঘটনা স্থলে দুজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে মোজাম্মেল নিহত হয়।

পুলিশ বাসটি আটক করেছে। চালক পালিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে।

চুড়াইনের বানরদের শেষ দিনগুলি

0

একসময় পুরো বাংলাদেশই ছিল বনে ভরা, ঢাকার দক্ষিণাঞ্চলও তাই, এখানে জনবসতি বাড়তে বাড়তে বন প্রায় নিঃশেষ হয়ে গেছে, হারিয়ে গেছে বন্যপ্রাণীরা। পরিচিত, মানুষের আশেপাশে থাকে এমন প্রাণীদেরও আর তেমন একটা দেখা যায় না। কিন্তু বিস্ময়কর ভাবে এখনো নবাবগঞ্জের চুড়াইন নামে এক জনপূর্ণ গ্রামে টিকে আছে কিছু বানর।

এক সময় এই উপজেলারই সুলতানপুরে বানরদের রাজত্ব ছিল, এখনো তাদের আবাস আছে কিনা সে খোঁজ নেয়া হয় নি। চলুন দেখে নিই চুড়াইনের বানরা কেমন আছে।

চুড়াইন বাজারের সেতুটি পাড় হয়ে পূর্ব দিকে কিছুটা এগিয়ে গেলেই দেখা মিলবে বানরদের। মানুষের বাড়ীর চালে বা ছাদে, বাড়ীর পাশের গাছে, ঝোপে। তবে প্রথমেই হুট করে দেখা যাবে না। গাছে লুকিয়ে থাকে, প্রয়োজনে নেমে আসে, খাবর সংগ্রহ করে। বহু আগে একসময় হয়তো এখানে জনবসতি ছিল না, জঙ্গলাকীর্ণ এই যায়গাটি বানরদের অভয়ারণ্য ছিল, দিনে জনবসিত গড়ে উঠে, বন-জঙ্গল কমে আসে। কিন্তু বানররা হয়তো সরে যাওয়ার সুযোগ পায় নি। মানুষের সাথে সহবস্থান গড়ে নিয়েছে।

প্রকৃতিধ্বংসী মানুষের সমাজে কতদিন টিকে থাকতে পারবে এই বানরেরা? উত্তরটা সহজ, খুব বেশি দিন নয়। কিন্তু এদের টিকিয়ে রাখা প্রয়োজন আমাদের নিজেদের স্বার্থেই। মনে রাখতে হবে আমরা মানুষরাই শুধু এই পৃথীবির নাগরিক নই। যেদিন পৃথিবীর সব গাছ কাটা হয়ে যাবে, সব নদী শুকিয়ে যাবে, সব মাছ ধরা হয়ে যাবে সেদিন আমরা জানব টাকা চিবিয়ে খাওয়া যায় না।

ছবি ও লেখা: পারভেজ রবিন

নবাবগঞ্জের গির্জা

0

ঢাকা জেলার দোহার-নবাবগঞ্জের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে প্রায় ৩০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী খ্রিস্টান বসতি, একনামে আঠারোগ্রাম বলে ডাকা হয়। এখানে তিনটি ধর্মপল্লীতে রয়েছে ছয়টি গির্জা। বক্সনগরের পুরোনো গির্জাটি এখনো আছে, সেই হিসাবে গির্জাভবন ৭ টি। গির্জাগুলো ও তার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস নিয়ে এই ছবিঘর।

ছবি ও লেখা: পারভেজ রবিন
তুইতাল গির্জার পুরোনো ছবিটি ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত, ফটোগ্রাফার অজ্ঞাত।

তথ্যসূত্র:
শতবর্ষের হলিক্রশ হাই স্কুল- পেছন ফিরে দেখছি, ফাদার এ. জ্যোতি গোমেজ, শতবর্ষপূর্তি স্মরণিকা, বান্দুরা হলিক্রশ উচ্চ বিদ্যালয়, ২০১২
আঠারোগ্রাম, সুশীল জন গোমেজ, ২০১০
ইন্টারনেট

ছবি ও লেখা কপি করার জন্য অনুমতিপ্রাপ্ত নয়, লিংক শেয়ার প্রশংসনীয়।

নবাবগঞ্জ বাজারে একদিন

0

ঢাকা জেলার একটি উপজেলা নবাবগঞ্জ, এর একপাশে পদ্মা, আরেক পাশে কালিগঙ্গা, আর মাঝ দিয়ে চিরে গেছে ইছামতি। ইতিহাস আর ঐতিহ্যের কেন্দ্র নবাবগঞ্জ বাজারের ছবি নিয়ে আজকের ছবিঘর।

ছবি: পারভেজ রবিন