নয়াবাড়ীতে রক্তাক্ত সকাল: গুলিতে হারুন মাষ্টার নিহত

স্টাফ রিপোর্টার: দোহার উপজেলার নয়াবাড়ী ইউনিয়নের প্রভাবশালী বিএনপি নেতা ও বাহ্রা হাবিল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক হারুন মাস্টারকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (২ জুলাই) সকালটি আর দশটা সকালের মতো ছিলো না। সূর্যের আলো ফোটার পরপরই অন্ধকার নেমে এলো।নয়াবাড়ির রাজনীতিতে। দুর্বৃত্তরা প্রাণ কেড়ে নিলো রাজনীতির মাঠের এক অভিজ্ঞ সংগ্রামী সৈনিককে। গুলি করে হত্যা করা হয়ে নয়াবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি, ইউনিয়ন বিএনপির ১নং উপদেষ্টা হারুনুর রশিদকে, যিনি সবার কাছে ‘হারুন মাষ্টার’ নামে পরিচিত ছিলেন। বয়স হয়েছিল মাত্র ৬৫ বছর।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিদিনের মতো ফজরের নামাজ শেষে নদীর পাড় দিয়ে হাঁটতে বের হয়েছিলেন। কিন্তু আজকের সকালে আর বাড়ি ফেরা হলো না তাঁর। সকাল ৬টার কিছু আগে হঠাৎ করে দুইটি মোটরসাইকেলে করে আসা চার(৪) যুবক তাঁর পথরোধ করে। কিছু বোঝার আগেই গুলি চালায়। গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। ছয়টি গুলি বিদ্ধ হয় হারুন মাষ্টারের মাথা, ঘাড় ও শরীরে। মাটি ভিজে যায় রক্তে। এছাড়াও, রয়েছে ছুরির আঘাতের চিহ্ন।

গুলির শব্দে দৌড়ে আসে স্থানীয় মানুষজন। চোখ ভরা অবিশ্বাস, আতঙ্ক আর কান্না নিয়ে তাঁকে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ। কর্তব্যরত চিকিৎসক নুসরাত তারিন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। আমরা ৬টি গুলির চিহ্ন সনাক্ত করেছি। একটি গুলি চোয়াল দিয়ে বের হয়ে গিয়েছে। একটি গুলি পিঠে লেগেছে। ২টি কাধে। ২টি পায়ে। এছাড়াও, শরীরে ছুরি দিয়ে আঘাতে মতো চিহ্ন রয়েছে।

নিহতের ভাতিজা মো. শাহিন কাঁপা কণ্ঠে বলেন, “প্রতিদিনই চাচা নামাজ শেষে হাঁটতে বের হতেন। কে বা কারা এমন নির্মমভাবে তাঁকে হত্যা করলো, কিছুই বলতে পারছি না। কাকা কইতো ১৭ বছর আওয়ামীলীগ আমারে কিছু করতে পারে নাই, এখন আর কে কি করবে?”

হারুন মাস্টার

ঢাকা জেলা সহকর্মী পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম,  ডিবির ঢাকা জেলা (দক্ষিণ) অফিসার ইন চার্জ সাইদুর রহমান এবং দোহার থানা অফিসার ইন চার্জ হাসান আলী মো হাসান আলী দ্রুততম সময়ে খুনীদের গ্রেফতার এবং আইনের হাতে সোপর্দ করার ব্যাপারে দৃড় প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন।

নয়াবাড়ি ইউনিয়নের মানুষের চোখে কান্না, হৃদয়ে আতঙ্ক। শুধু একজন রাজনীতিবিদ নয়, হারুন মাষ্টার ছিলেন এলাকার একজন অভিভাবক।

ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় পুলিশ, র‍্যাব ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তদন্তে ব্যস্ত। চারপাশে থমথমে পরিবেশ। এলাকার মানুষ শোকে পাথর, কারো মুখে কথা নেই, আতংক ভর করেছে এই জনপদে।

হারুন মাস্টার খুন হওয়ায় —শুধু একটাই প্রশ্ন: কে হত্যা করলো বার বার কারাবরণকারী সংগ্রামী এই মানুষটির প্রাণ? যে মানুষটি বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী, যিনি জাতীয়তাবাদী শক্তির একনিষ্ঠ অনুসারী, তাঁকে কেন এভাবে গুলির মুখে মরতে হলো—এই প্রশ্নই এখন সবার।

তিনি ছিলেন গ্রামের মানুষের কাছে  শিক্ষা, মানবিকতা আর বিচারিক সততার প্রতীক। সবার আশা অপরাধী গ্রেফতার হবে দ্রুততম সময়ে এবং যথাযথ বিচারিক প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হতে হবে দ্রুত।

এই নির্মম হত্যাকাণ্ড শুধু নয়াবাড়ী ইউনিয়ন নয়, দোহারবাসীকেও কাঁদিয়েছে, করেছে আতংকিত। কিশোর গ্যাং, অবৈধ অস্ত্র, ডাকাতি, খুন,  মাদক ও বালু সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নেই কোন কার্যকর ভূমিকা। দোহারের সকলের নিকট নিরাপত্তাহীনতা এখন প্রধান ইস্যু হয়ে দাড়ালো।

হারুন মাস্টার ছিলেন ঢাকা জেলা ছাত্রদলের (দক্ষিণ) সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাওসার মাহমুদ শাওনের বাবা। শাওন বর্তমানে লন্ডন প্রবাসী। সেখানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিভিন্ন প্রোগ্রামে উপস্থিত থেকে বাস্তবায়ন করেন।

৩৬ দিনের ‘চেতনায় জুলাই’ কর্মসূচি পালন করবে ইসলামী আন্দোলন

স্বৈরতন্ত্রের শিকড় উপড়ে ফেলার প্রত্যয়ে ৩৬ দিনের ‘চেতনায় জুলাই’ কর্মসূচি পালন করবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। মঙ্গলবার দলটির নিয়মিত বৈঠকের পরে এক বিবৃতিতে মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে ইউনুস আহমদ বলেন, ২৪ এর জুলাই আমাদের ইতিহাসের অম্লান এক স্মৃতি। একই সঙ্গে বেদনা ও প্রতিজ্ঞার উপলক্ষ্য। স্বাধীন দেশে একটা নির্দিষ্ট সময়ে এতগুলো মানুষ যাদের অধিকাংশই তরুণ মারা যাওয়া আমাদের জন্য বেদনা ও কষ্টের অনুভূতি তৈরি করে। এই কষ্ট ও বেদনার নীল আরও গাঢ় হয়ে আসে যখন তাদের আত্মহুতির এক বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও সংস্কার ও বিচার সম্পন্ন না করার বাস্তবতা সামনে আসে। জুলাইয়ে এই সূচনাকালে বেদনার্ত হৃদয়ে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি, আহতদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। একই সঙ্গে তাদের শাহাদাতের লক্ষ্য সংস্কার ও বিচার বাস্তবায়ন করার প্রতিজ্ঞা করছি।

ইসলামী আন্দোলন মহাসচিব বলেন, জুলাইয়ের চেতনা ছিল দেশ থেকে স্বৈরতন্ত্রকে চিরস্থায়ী উৎখাত করা। সেই চেতনাকে জনমনে স্থায়ী করার জন্য ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে ৩৬ দিনের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

কর্মসূচিসমূহ হলো– 

১. স্বৈরাচারের ১৫ বছরের অপরাধের খতিয়ান ও তা প্রতিরোধে ইসলামী আন্দোলনের কার্যক্রম দেশব্যাপী তুলে ধরে স্বৈরাচারের স্মৃতির প্রতি ঘৃণা অব্যাহত রাখা।

২. শহীদ ও আহত পরিবারের খোঁজ-খবর নেওয়া, হাদিয়া ও সম্মাননা দেওয়া।

৩. শহীদদের কবর জিয়ারত করা ও দোয়ার আয়োজন করা।

৪. ৫ আগস্ট সারা দেশে আওয়ামী নিপীড়নের ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা এবং বিভাগীয় শহরে গণমিছিল আয়োজন করা।

৫. ২৫ জুলাই ঢাকায় যুব জমায়েত।

৬. ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের নেতৃত্বে ‘ভয় নাই-প্রতিবাদেই মুক্তি’ শিরোনামে বিক্ষোভ মিছিল।

৭. জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়নে দেশের বিভিন্ন জেলায় সমাবেশ।

৮. আগামী ১ আগস্ট জেলা, থানা শহরে ডকুমেন্টারি প্রদর্শন ও গণমিছিল।

এছাড়াও ইসলামী ছাত্র আন্দোলন, যুব আন্দোলন, শ্রমিক আন্দোলন নিজস্ব আয়োজনে ৩৬ দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করবে।

এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে ইসলামী আন্দোলন মহাসচিব দেশবাসীর সহায়তা ও সমর্থন কামনা করেন এবং জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়নে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে সমর্থন ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আব্দুল কাইয়ুম, কে এম আতিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ইফতেখার তারিক, প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ, মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, এবিএম জাকারিয়া, ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমান, মাওলানা আরিফুল ইসলাম, হাজী শেখ মুহাম্মাদ নুর উন নাবী, মাওলানা মনসুর আহমদ সাকী প্রমুখ।

ঢাকার দোহার উপজেলায় বিএনপি নেতা হারুন মাষ্টারকে গুলি করে হত্যা

ঢাকার দোহার উপজেলায় হারুনুর রশিদ (৬৫) নামে এক বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তিনি দোহার নয়াবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ছিলেন।

বুধবার (২ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে বাহ্রা স্কুলের কাছে এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত হারুনুর রশিদ বাহ্রা গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালবেলা নামাজ পড়ে বাড়ির পাশে নদীর ধারে হেঁটে যাওয়ার সময় এক যুবক এসে হঠাৎ গুলি চালিয়ে যায়। এ ঘটনায় হারুন মাষ্টার মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে দোহার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হারুন মাষ্টারের ভাতিজা মো. শাহিন জানিয়েছেন, প্রতিদিনের মতো ভোরে নামাজ শেষে চাচা হাঁটতে বের হয়েছিলেন। তবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

দোহার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক নুসরাত তারিন জানান, নিহতের মাথা, ঘাড় ও শরীরে ৬টি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।

দোহারে কর্তৃপক্ষের অবহেলায় কৃষকের দুর্ভোগ, আমন মৌসুমের প্রস্তুতিতে ভাটার টান

মো. আল-আমিন, দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি:দোহার উপজেলার কৃষকরা এবার সময়মতো আমন ধানের বীজ ও বীজতলা না পেয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। বর্ষা মৌসুমে আমন চাষের উপযুক্ত সময় অতিক্রম হয়ে গেলেও সরকারি বা ব্যক্তিগত পর্যায়ে কৃষি উপকরণ না পাওয়ায় চাষাবাদে বিঘ্ন ঘটছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা।

মুকসুদপুর ইউনিয়নের একাধিক কৃষক জানান,

“আষাঢ় শেষ, এখনও বীজতলা পাইনি। প্রাইভেট দোকানে দাম বেশি, কৃষি অফিসে গেলেও কোনো সহায়তা মেলে না। ঈদের আগে দেয়ার কথা থাকলেও এখনো পাইনি।”

২৪ জুন সরেজমিনে দোহার কৃষি অফিসে গিয়ে কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতি স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষের জন্ম দেয়। ফিল্ড অফিসার বিশ্বনাথ জানান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঢাকায় প্রশিক্ষণে আছেন এবং রবিবারের আগে যোগাযোগ সম্ভব নয়।

পরদিন রাতে সহকারী কৃষি কর্মকর্তা দিলিপ কুমার মন্ডলের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি প্রথমে “এতো রাতে ফোন?” মন্তব্য করে পরে রং নাম্বার বলে কল কেটে দেন।

এরপর কৃষি কর্মকর্তা মো. তোয়াজের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করলে তিনি জানান,

“আমরা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করি। বীজ ও সার সরবরাহ প্রক্রিয়া আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। প্রায় দুই মাস আগে বীজ এলেও সার সম্প্রতি আসায় একসাথে বিতরণ সম্ভব হয়নি।”

তিনি আরও জানান, তিনি ওই সময়ে দেশের বাইরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক ট্রেনিংয়ে অংশ নিচ্ছিলেন।

৩০ জুন সরাসরি কৃষি অফিসে গিয়ে কথা বললে কৃষি কর্মকর্তা মো. তোয়াজ জানান,

“আগামীকাল (১ জুলাই) ৭৫ জন কৃষককে ৫ কেজি আমন ধানের বীজ এবং ২০ কেজি সার (১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি) দেওয়া হবে। পাশাপাশি আরও ১০০ কৃষককে ৫টি করে নারিকেল চারা দেওয়া হবে।”

তবে কৃষকরা প্রশ্ন তুলেছেন—বীজ অনেক আগেই আসার পরও বিতরণে এত দেরি হলো কেন? এর সন্তোষজনক জবাব তারা পাননি। সময়মতো উপকরণ না পাওয়ায় অনেকেই বাধ্য হয়ে উচ্চমূল্যে বেসরকারি উৎস থেকে বীজ সংগ্রহ করছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃষি উপকরণ সরবরাহে এমন বিলম্ব উৎপাদন ব্যাহত করতে পারে, যা দেশের সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, কৃষি বিভাগকে মাঠপর্যায়ে আরও সক্রিয় হয়ে কৃষকের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

দোহারে মো. ফিরোজকে ৭ দিনের কারাদণ্ড: ভিন্নমত পোষণ করছে পরিবার ও স্থানীয়রা

ঢাকার দোহার উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের উত্তর রাধানগর গ্রামের পল্লি চিকিৎসক মোঃ ফিরোজকে বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল আইন ২০১৯ এর ১৭ ধারা ৩৫ অনুযায়ী ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ঘটনাটি ঘটে গত ২৪ জুন (মঙ্গলবার) দুপুর ১টার দিকে। স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ মালেকের একটি গাভী বাচ্চা প্রসব করতে গেলে সমস্যা দেখা দেয়। মালিক পক্ষের অনুরোধে চিকিৎসক মো. ফিরোজ সেখানে উপস্থিত হয়ে চেষ্টা করেন, তবে পরবর্তীতে এক খামারি বাছুরটিকে টেনে বের করলে তা মৃত অবস্থায় বের হয়।

গরুর মালিক মো. মালেক বলেন, “আমি ফিরোজ ভাইয়ের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ দেইনি। আমরা শামীম ডাক্তারকে ডাকার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু তিনি আসেননি। ফিরোজ ভাই নিজের ইচ্ছায় আসেনি, রাজু নামের একজন পল্লি চিকিৎসক তাকে ডেকে আনে। ঘটনাটি একটি দুর্ঘটনা, কোনো অপরাধ নয়।”

চিকিৎসক মোঃ ফিরোজ অভিযোগ করেন, “আমি গাভীর প্রসব বাঁচাতে চেষ্টা করেছি। কেউ না আসায় আমাকে যেতে হয়। কিন্তু পরে ডা. শামীম ও স্বপন মিলে আমাকে সাজা দেয়। আমার বিরুদ্ধে এই শাস্তি রাজনৈতিক প্রতিশোধমূলক এবং সম্পূর্ণ অন্যায়। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।”

ঘটনার পর মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাসফিক সিবগাত উল্লাহ। তিনি জানান, ফিরোজের দোকানের কাগজপত্র ও ভেটেরিনারি লাইসেন্স না থাকায় এই সাজা দেয়া হয়েছে।

তবে স্থানীয়রা বলছেন, ফিরোজ একজন দীর্ঘদিনের পল্লি চিকিৎসক, যার প্রতি এলাকাবাসীর আস্থা রয়েছে। তারা মনে করছেন, কোনো প্রমাণ ছাড়া হঠাৎ করে তাকে সাজা দেয়া দুঃখজনক এবং এটি পেশাদার চিকিৎসকদের প্রতি একধরনের অনিচ্ছাকৃত অবিচার।
স্থানীয়রা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক খামারি বলেন, আমরা অনেকেই ভীত। শামীম ডা: একটা সিন্ডিকেট করেছেন। সে সিন্ডিকেটে আছে স্বপন, তপু, শাহাদাতসহ আরও কয়েকজন। স্বপন তো নৌকার আলমগীর চেয়ারম্যানের আর সুতারপাড়া নাদির চেয়ারম্যানের নির্বাচন করেছে। এখন সে বিএনপি করতেছে। শামীম ডা: তাদের সুযোগ দেয় আর ব্যবহার কইরা সব করে। কিছু বললে সমিতি থেকে বাদ দেয়, আইন দিয়ে শাস্তি দেয় নাহলে সুবিধা থেকে বাদ দেয়।

স্থানীয় এলাকাবাসী শিহাব বলেন, শুনেছি, ফিরোজের বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট না থাকায় শাস্তি দিছে। কিন্তু আর কোন দোকানেতো অভিযান চালায় নাই। তপুর দোকানে নাকি।লাইসেন্স নাই, হাসপাতাল রোডে দোকানে লাইসেন্স নাই। সেগুলোতে অভিযান নাই, রাতের বেলায় ম্যাজিস্ট্রেট এনে অভিযান। শামীম ডা অনেক চালাক লোক। সালমান এফ রহমানের গুণগান গাইছে। এখন আবার সিন্ডিকেট বানাইছে।

আরো জানা যায় পল্লি চিকিৎসক মোঃ ফিরোজ বিলাশপুর ইউনিয়নে প্রায় ৫বছর NATP প্রকল্পের সীল পদে ছিলেন এবং পশু সম্পদ উন্নয়ন প্রশিক্ষায়তন, গাইবান্ধা থেকে ২০দিনে(৩/৩/৯৩-২৩/৩/৯৩) প্রশিক্ষণ নিয়ে সার্টিফিকেট নিয়ে ৩১বছর ধরে কাজ করে আসছে তিনি।

দোহার উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শামিম বলেন, “ঘটনাটি ছিল গরুর ডেলিভারির কেস। গরুর মালিক আমাদের খবর দিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা পৌঁছানোর আগেই ফিরোজ নামে এক ব্যক্তি নিজেকে ‘বড় ডাক্তার’ পরিচয় দিয়ে সেই বাসায় গিয়ে ডেলিভারিতে সহযোগিতা করেন।”

ডা. শামিম আরও জানান, “গরুর মালিক তাকে নিষেধ করেছিলেন, কিন্তু তিনি তা অমান্য করে বাছুর বের করার চেষ্টা করেন। ফলস্বরূপ বাছুরটি মারা যায়। আমরা পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গরুর মালিকের কাছ থেকে বিস্তারিত শুনি। এরপর বিষয়টি ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো হলে এসিল্যান্ড স্যার ঘটনাস্থলে এসে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ফিরোজকে ৭ দিনের কারাদণ্ড দেন।”

অভিযোগ ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, “এটি মূলত অভিযোগের বিষয় নয়। ভেটেরিনারি কাউন্সিল আইন ২০১৯ অনুযায়ী, কারও যদি পশুর ডেলিভারির মতো জটিল চিকিৎসাজনিত কাজ করার বৈধ অনুমতি না থাকে, তাহলে তিনি সেই কাজ করতে পারেন না—অভিযোগ থাক বা না থাক। এটা স্পষ্টভাবে আইন লঙ্ঘন।”

তিনি আরও জানান, “প্রতি বছর আমরা গড়ে ৫-৬টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সহযোগিতা করি। এমনকি কোনো কোনো মাসে একাধিক মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।”

জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “এ মূহুর্তে নির্দিষ্টভাবে বলতে পারছি না, দোহার উপজেলায় কয়টি ভেটেরিনারি দোকানের বৈধ কাগজপত্র রয়েছে বা নেই। তবে আমাদের অফিসে এসেই বিস্তারিত তথ্য নেওয়া যাবে।”

অবৈধভাবে পরিচালিত দোকানগুলোর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমরা নিয়মিত অভিযান চালাই। যাদের কাগজ নেই, তাদের আমরা নোটিশ দেই এবং তারা আস্তে আস্তে কাগজপত্র ঠিক করছে। যারা ঠিক করবে, তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তীতে অভিযান চালানোর প্রয়োজন হবে না।”

দোহার-নবাবগঞ্জে পিচফলের কেজী পাঁচশত টাকা

ঢাকার দোহার-নবাবগঞ্জের প্রতিটি বাড়ি ও রাস্তার ধারে এখন শোভা পাচ্ছে কাঠলিচু বা পিচফল নামে পরিচিত এক মিষ্টি ফল। এক সময় অবহেলিত থাকা এই ফল আজ রাজধানী ঢাকার বাজার ছাড়িয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে।

স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীদের মতে, পিচফলের গাছ সহজে বেড়ে ওঠে, তেমন কোনো সার বা পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। ফলে খরচ ছাড়াই বেশি ফলন পাওয়া যায়। বাজারে ফলটির চাহিদা ও দাম দুই-ই বাড়ছে, ফলে লাভবান হচ্ছেন গাছের মালিক থেকে শুরু করে মৌসুমি পাইকার ও খুচরা বিক্রেতারা।

প্রতিদিন নবাবগঞ্জ সদর কাশিমপুরে বসে পিচফলের পাইকারি বাজার। এখান থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ হচ্ছে। বাজারে  প্রতি কেজি ৪০০–৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এই সুস্বাদু ফল।

নবাবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসমা জাহান জানান, “পিচফল খুব দ্রুত ফল দেয় এবং জলবায়ু সহনশীল। দেশের যেকোনো জেলায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা সম্ভব। সম্পূর্ণ ফরমালিনমুক্ত ও সাশ্রয়ী দামের ফলে এটি লিচুর বিকল্প হতে পারে।”

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, চাহিদা বাড়লেও নতুন গাছ লাগানো বা বাগান সম্প্রসারণ তেমন হচ্ছে না। যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে পিচফল বিদেশেও রপ্তানি করা সম্ভব।

সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাসে ৭০০’র বেশি আবেদন নির্বাচন কমিশনে

 ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাসের দাবিতে হিড়িক পড়েছে নির্বাচন কমিশনে (ইসি)।

বুধবার দুপুর পর্যন্ত ৭৬টি আসন থেকে ৬৪৯টি আবেদন জমা পড়লেও বিকালের মধ্যে তা ৭০০ ছাড়িয়ে যায়। সবচেয়ে বেশি আবেদন এসেছে কুমিল্লা ও পিরোজপুর জেলার আসনগুলো থেকে। অনেকেই ২০০১ সালের সীমানা অনুযায়ী আসন পুনর্বিন্যাসের দাবি জানাচ্ছেন, কারণ ২০০৮ সালে আসনভিত্তিক ব্যাপক পরিবর্তনে অনেক আসন বিভক্ত ও পুনর্গঠন হয়।

ইসি সূত্র জানায়, বর্তমানে এক আসন থেকে একাধিক আবেদন জমা পড়েছে—কখনো ৫০-১০০টি পর্যন্ত—যেখানে কেউ ইউনিয়ন চাচ্ছে, কেউ ওয়ার্ডের সীমানা পরিবর্তনের দাবি তুলেছে।

কমিশন এখনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম জানিয়েছেন, জটিল বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আইন, সংবিধান ও প্রশাসনিক বাস্তবতা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আশা করা হচ্ছে, আগামী সপ্তাহে কমিশনের বৈঠকে খসড়া প্রকাশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে আসনভিত্তিক জনসংখ্যার ঘনত্ব অনুযায়ী বড় আকারে সীমানা পুনর্বিন্যাস করা হয়েছিল। তখন ঢাকার আসন ১৩ থেকে ২০টি করা হয়, এবং দেশের অনেক এলাকায় ব্যাপক আসন পরিবর্তন ঘটে। এতে অনেকেই ক্ষুব্ধ হয়ে ইসিতে অভিযোগ দিয়েছিলেন, কিন্তু তৎকালীন কমিশন সেসব আমলে নেয়নি।

বর্তমানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাসহ সম্ভাব্য প্রার্থীরা সীমানা পুনর্বিন্যাসে স্বচ্ছতা ও ২০০১ সালের সীমারেখা পুনর্বহালের দাবি জানাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশন জিআইএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যা, প্রশাসনিক অখণ্ডতা ইত্যাদি বিশ্লেষণ করে সীমানা নির্ধারণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

পরিত্যক্ত পুকুর থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার

নিখোঁজের ১০ ঘণ্টা পর বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত পুকুর থেকে ৬ বছরের শিশু লাবিব পত্তনদারের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও স্থানীয়রা। ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বাহ্রা ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাড়ি হতে বের হয়ে আর ফেরেনি ওই শিশু। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে শনিবার ভোরে পাশের পুকুরে মৃতদেহ পাওয়া যায়। সে ওই গ্রামের প্রবাসী হারুন পত্তনদারের ছেলে।

নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশে বের হলে সায়েম নামে এক যুবক তাকে ডেকে নেয়। এরপর কোনো খোঁজ না পেয়ে শিশুর মা চম্পা আক্তার সায়েমকে সন্দেহ করে ডেকে নেয়। তার ছেলের বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো কথা না বলে পালিয়ে যায়। এরপর হতে ওই পরিবারের সন্দেহ বাড়ে। এরপর থেকে শুরু হয় খোঁজাখুজি।

ভোর ৪টার দিকে পাশের একটি পরিত্যক্ত পুকুরে ভাসমান অবস্থায় লাশ দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে শনিবার দুপুরে ময়নাতদন্ত করতে ঢাকা স্যার সল্লিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

শিশুর মা চম্পা আক্তারের অভিযোগ, টাকার জন্য আমার ছেলেকে নিয়ে হত্যা করেছে। সায়েম তার ছেলেকে হত্যা করেছে বলে তিনি সন্দেহ করেন। তাই ঘটনার পর হতে সায়েম পলাতক রয়েছে। সায়েম হোসেন (২২) কেরানীগঞ্জের কলাতিয়ার জসিম উদ্দিনের ছেলে। বর্তমানে সে বাহ্রা নানা কফিল উদ্দিনের বাড়িতে থাকে। তার নামে মাদক কেনাবেচাসহ নানা অভিযোগ আছে বলে জানান ওই গ্রামের বাবু মিয়া।

এ বিষয়ে সায়েমের নানা কফিল উদ্দিনের মোবাইলে একাধিবার চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

চম্পা বলেন, থানায় মামলা করতে এসেছেন। তার ছেলেকে হত্যার পর গুম করার পরিকল্পনা করে দুবৃর্ত্তরা। আমি এসব খুনিদেরও বিচার চাই।

নবাবগঞ্জ থানার পরিদর্শক তদন্ত আজগর হোসেন বলেন, এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দোহারে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় হেল্প ডেস্ক চালু

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি: ঢাকার দোহার উপজেলার জয়পাড়া কলেজে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের দোহার উপজেলার উদ্যোগে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় একটি হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে।

রবিবার  সকাল থেকে শুরু হওয়া এই কার্যক্রমে পরীক্ষার্থীদের জন্য পানি, কলম, মাস্কসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করা হয়। এর পাশাপাশি দোহারের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করেন দোহার উপজেলার ছাত্রশিবিরের একাধিক নেতাকর্মীরা।

এই হেল্প ডেস্ক পরিচালনা করেন দোহার উপজেলা ছাত্রশিবিরের নেতৃবৃন্দ।

সে সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা শিবির সেক্রেটারি ওমর ফারুক বলেন, “ছাত্রদের পরীক্ষায় সহযোগিতা করার লক্ষ্যে আমরা নিয়মিত বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকি। এই হেল্প ডেস্কও তারই একটি অংশ। এতে পরীক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের পক্ষ থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতেও আমাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরো জানান, আমরা আজকে, কলম, মাস্ক, পানি, স্যালাইন, পরীক্ষার রুটিন এবং অভিবাবগদের পড়ার জন্য বিনামূল্যে ইসলামি বই বিতরণ করি সেই সাথে দোহারের বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক এর দায়িত্ব পালন করি।

ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস আলী বলেন, “সুরা আছরের শিক্ষা—আমল ও ছলেহের উদ্দেশ্য নিয়েই আমাদের এই সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।”

কার্যক্রমে আরও উপস্থিত ছিলেন, জয়পাড়া কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন দায়িত্বশীল ও সদস্যরা। পরীক্ষার্থীরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ধন্যবাদ জানান সংগঠনকে।

দোহারে টপ বিকাশ এজেন্টদের তারার মেলা

মাকসুমুল মুকিম, দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা): ঢাকার দোহার উপজেলায় অনুষ্ঠিত হলো বিকাশের শীর্ষ এজেন্টদের নিয়ে বিশেষ মিলনমেলা—‘আমরা তারার মেলায়’। আয়োজনে অংশ নেন উপজেলার টপ ২০ জন বিকাশ এজেন্ট, যাদের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।

২৯ জুন (রবিবার) দুপুরে দোহার উপজেলার জয়পাড়া বাজারে মেসার্স প্রতিভা এন্টারপ্রাইজের অফিসে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশন পার্টনার মেসার্স প্রতিভা এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে আয়োজিত একটি উৎসবমুখর অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেসার্স প্রতিভা এন্টারপ্রাইজের অথরাইজ বিকাশ লিমিটেড ম্যানেজার আবু বক্কর রন্টি, বিকাশ লিমিটেডের টেরিটরি ম্যানেজার মাহমুদুল হাসান মেহেদী, দোহার প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. তারেক রাজিবসহ আরও অনেকে।