দীর্ঘ দিন পর নবাবগঞ্জবাসী পেল এ্যাম্বুলেন্স

ঢাকার নবাবগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন অ্যাম্বুলেন্সের উদ্বোধন করেছেন ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম।সোমবার (১২ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ উপলক্ষে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে এক আলোচন‍া সভার আয়োজন করা হয়।এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শহিদুল ইসলাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন মিয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাকিল আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান মহসিন রহমান আকবর, নারী ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম মোস্তফা শিমু, নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জালাল উদ্দিন, জাতীয়পার্টির নেতা জুয়েল আহমেদ, জাহাঙ্গীর চোকদার, উপজেলা প্রকৌশলী মো. শাহজাহান, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. শাহ্জালাল, আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া, মো. ইব্রাহীম খলিল, মো. রিপন মোল্লা প্রমুখ।

সরকারী রাস্তা দখল করে চলছে নির্মান: দেখার কেউ নেই !

0

দোহারের উপজেলার লটাখোলা করম আলীর মোড়ে অবৈধভাবে সরকারী রাস্তা দখল করে ব্যক্তিগত স্থাপনা নির্মান করছে প্রভাবশালী একটি মহল। সরজমিনে দেখা গেছ, প্রভাবশালী মহল রাস্তার প্রায় অর্ধেক অংশ দখল করে রাস্তার উপর ইট,বালু,সিমেন্টসহ নানা ধরণের নির্মান সামগ্রী রেখে সাধারণ জনগণের চলাচলে ব্যঘ্যাত সৃষ্টি করছে।

স্থানীয়রা জানান, জমির মালিক বিলাশপুর ইউনিয়নের শাহজালাল এবং সাইফুল্লাহ এভাবেই দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার উপর এসব নির্মান সামগ্রী রেখে ব্যাক্তিগত বাড়ী নির্মান করছে। যার ফলে দূর্ভোগে পড়ছে দোহারের সবচেয়ে ব্যস্ততম এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন চলাচলারী কয়েক হাজার সাধারণ মানুষ । রাস্তার উপর অবৈধভাবে নির্মান সামগ্রী রাখার ফলে রাস্তার আয়তন অর্ধেকে সংকুচিত হয়ে এসেছে। যার ফলে  জ্যামে পড়ে নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পোঁছাতে পারছে না স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশাজীবীরা । স্থানীয়দের দাবি প্রশাসন এ ব্যাপারে সু-ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

করম আলীর মোড়ে অবৈধভাবে সরকারী রাস্তা দখল করে চলছে বিল্ডিং নির্মাণঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জমির মালিক শাহাজালাল নিউজ৩৯ কে বলেন,”জায়গা স্বল্পতার কারনে রাস্তার উপর নির্মান সামগ্রী রাখতে হয়েছে। এক তলা কমপ্লিট হয়ে গেলেই সব কিছু সরানো হবে।“ তারা সরকারী রাস্তা ব্যবহারের কোন অনুমতি নেন নি বলেও স্বীকার করেন।

এ ব্যাপারে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম.আল-আমীন নিউজ৩৯-কে জানান, ”সরকারী রাস্তা ব্যবহার করার কোন অনুমতি দেয়া হয় নি। অতি দ্রুত দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে”।

দোহার নবাবগঞ্জে বাল্য বিবাহ হয় কোর্টে

ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জে সরকার অনুমিত বিয়ে পড়ান কাজীরা আজ অসহায় হয়ে পরেছে। জানা যায়, সরকারী ঘোষনায় সারা দেশে বাল্য বিবাহ নিষেধ থাকায় ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের সরকারি অনুমতি পাওয়া কাজীরা আজ অসহায় হয়ে পরেছে।

দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের দায়ীত্ব পাপ্ত কাজী শেখ মোঃ ফরিদ জানায়, আমি গত অক্টোবরে না জেনে একটি বাল্য বিয়ে পরানো অপরাধে এক মাস কারাগারে ছিলাম। তাই আমিসহ অন্য কাজীরা আর বাল্য বিয়ে পরাইনা। এখন দোহার নবাবগঞ্জের বরের পক্ষ এবং কনের আত্মীয় উভয়ে ঢাকা কোর্ট গিয়ে বিয়ে পরাচ্ছেন। আমাদের হাতে এখন কাজ না থাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে খুব কষ্টে আছি।

এই ব্যাপারে দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগির হোসেন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম আলামিন জানায়, আমরা প্রতিটি এলাকায় ঘোষনা করে দিব কেউ যেন বাল্য বিয়ে না দেয়।

দোহার আওয়ামী লীগঃ উপজেলা কমিটির ১৩ বছর, পৌরসভায় কমিটিই হয়নি

 

ঢাকার দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগ একই কমিটিতে চলছে প্রায় ১৩ বছর। ৫৬ সদস্যের প্রায় অর্ধেক নেতাই বর্তমানে নিষ্ক্রিয়। এ ছাড়া দোহার পৌরসভা প্রতিষ্ঠার ১৬ বছরেও আওয়ামী লীগের কমিটি হয়নি। এতে নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি হচ্ছে না বলে দাবি করেছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

দলীয় সূত্র জানায়, ২০০৩ সালে শেষবার দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। নজরুল ইসলাম বাবুলকে সভাপতি ও আলী আহসান খোকন শিকদারকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫৬ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।

দোহারের বাসিন্দা ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ জানান, দলের সংবিধান অনুযায়ী প্রতি ৩ বছর পর কমিটি গঠন হওয়া জরুরি। এতে দলের নেতাকর্মীদের মাঝে কর্মোদ্দীপনা বৃদ্ধি পায়। নতুনরা আগ্রহী হয়ে ওঠেন। তারা পুরনোদের কাছ থেকে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পান। ফলে মেধাবী নতুনদের মধ্যে থেকে সৃষ্টি হয় অভিজ্ঞ রাজনীতিক। এতে দলের সাংগঠনিক ভিতও মজবুত হয়।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল কমিটির ১৭ জন সদস্যের নিষ্ক্রিয়তার বিষয়টি স্বীকার করে জানান, নতুন কমিটি গঠনের দায়িত্ব উপজেলার নয়। কেন্দ্র নির্দেশ দিলেই সম্মেলন সম্ভব। তবে শূন্য হয়ে যাওয়া পদের জন্য নেতা বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

দোহার উপজেলা যুবলীগ সভাপতি মোহাম্মদ আলমাচ উদ্দিন জানান, একটি পক্ষ ক্ষমতা ধরে রাখতে পৌরসভা কমিটি গঠন করতে চায় না। তারা বিগত দুটি সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর হয়েও কাজ করেনি। এসব জটিলতায় স্থবির হয়ে আছে উপজেলা সমমর্যাদার পৌরসভায় দলীয় কর্মকা-।

আমার স্বপ্ন দোহার নবাবগঞ্জের উন্নয়নঃ সালমা ইসলাম

দোহার-নবাবগঞ্জের মানুষ আমাকে ভালোবেসে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠিয়েছেন। সেজন্য সংসদে আমি তাদের সমস্যার কথা তুলে ধরতে চাই। আর এ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নবাবগঞ্জবাসীর সার্বিক উন্নয়ন করতে চাই। নবাবগঞ্জবাসীর উন্নয়ন করাই এখন আমার একমাত্র স্বপ্ন ও ইচ্ছা। শুক্রবার বিকালে নবাবগঞ্জের শোল্লা ইউনিয়নের কোণ্ডা এলাকায় কালীগঙ্গা নদীভাঙন পরিদর্শন শেষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি এসব কথা বলেন।

 

শোল্লা ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি আবদুল মতিনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় সালমা ইসলাম এমপি আরও বলেন, নদীভাঙনে দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের পাশে আমি আছি। বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সার্বিক সহযোগিতায় যাতে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারি সে চেষ্টাই আমি করে যাব।

 

গত ৩ বছরে নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের কথা তুলে ধরে সালমা ইসলাম বলেন, দোহারে নদী ভাঙনরোধ প্রকল্প পাস, দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ সরকারিকরণ, পাড়াগ্রাম সেতু, শোল্লা খতিয়া সেতু, বান্দুরা নুরনগর সেতু নির্মাণসহ অনেক কাজই এ সময়কালে সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া ২০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। চলতি অর্থবছরে আরও ২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে রাস্তঘাট নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এই কাজও দ্রুত শুরু হবে।

 

নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনে গেলে ওই এলাকার শত শত নারী-পুরুষ সালমা ইসলামকে স্বাগত জানান। এ সময় তিনি এলাকার উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

 

মতবিনিময় সভা ও নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনকালে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা খন্দকার নুরুল আনোয়ার বেলাল, জাতীয় পার্টি নেতা শরফুদ্দিন শরীফ, জুয়েল আহমেদ প্রমুখ সালমা ইসলামের সঙ্গে ছিলেন।

নবাবগঞ্জে নারীর আত্মহত্যা, পুলিশের লাশ উদ্ধার

 

ঢাকার নবাবগঞ্জে জাসিন্তা গমেজ (৫৫) নামে এক নারী আত্মহত্যা করার খবর পাওয়া গেছে। পরিবারের দাবি তিনি মানসিক রোগী ছিলেন। শনিবার ভোরের দিকে বসত ঘরের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করা হয়। নিহত নারী উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের হাসনাবাদ গ্রামের মৃত নির্মল গমেজের স্ত্রী। পুলিশ লাশের ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছেন।

নিহতের মেয়ে আখি গমেজ জানান, মা জাসিন্তা গমেজ দীর্ঘদিন যাবত মানসিক সমস্যায় ভোগছিলেন। সম্প্রতি দুর্ঘটনায় তার মায়ের পা ভেঙে যায়। এতে সে চলাচল অক্ষম হয়ে পড়েন। শনিবার ভোরের দিকে তার বসত ঘরে তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। পরে পরিবারের লোকজন তাকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ লাশের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠান।

এ ব্যাপারে নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক আশরাফুল আলম তালুকদার বলেন, ওই নারীর গলায় ও হাতে আঘাতে চিহ্ন রয়েছে। তার পরিবারের দাবি তিনি মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন। অধিকতর তদন্তের স্বার্থে লাশ ময়নাতদন্তে প্রেরণ করা হলো।

ডিএনএসএমের তহবিলে ৫০টি কম্বল দিলেন বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ

দোহার-নবাবগঞ্জ সোশ্যাল মুভমেন্ট(DNSM) এর উদ্যোগে দোহারের নদী ভাঙ্গন কবলিত শীতার্ত মানুষের সহায়তার জন্য যে শীতবস্ত্র বিতরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তার সাথে একাত্বতা ঘোষনা করে ডিএনএসএমের তহবিলে ৫০টি কম্বল দানের ঘোষনা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও দোহারের সন্তান বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ। শুক্রবার ডিএনএসএমের সাথে এক বৈঠকে তিনি এই কম্বল দেয়ার কথা জানান।

এই সময় তিনি বলেন, আর্ত মানবতার সেবায় ডিএনএসএম দোহার ও নবাবগঞ্জে যে ভূমিকা পালন করছে তা সত্য প্রশংসনীয়। নদী ভাংগন থেকে শুরু করে বিভিন্ন কাজে ডিএনএসএম দোহারের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে যেভাবে কাজ করে তা সত্য প্রশংসনীয়। তাই ডিএনএসএমের শীত বস্ত্রের এই কার্যক্রমের সাথে আমি অংশ নিতে পেরে গর্বিত বোধ করছি। আমি আশা করবো ডিএনএসএম সব সময় দোহার-নবাবগঞ্জের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কাজ করবে।

বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ স্বেচ্ছাসেবকলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নির্বাচিত

0

 

বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দোহারের সন্তান বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ। স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি এডভোকেট কাউছার মোল্লা বিদেশ সফরের কারনে তিনি স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ তার ছাত্রজীবনের শুরু থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এই সাবেক এই ছাত্রনেতা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসাবেও ছাত্রজীবনে দায়িত্ব পালন করে এসেছেন।

দোহার প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতিকে হত্যার হুমকি

0

দোহার প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিনকে হত্যার হুমকি দিয়ে চিঠি প্রদান করেছে নিষিদ্ধ সংগঠন আনসার উল্লাহ বাংলা টিম। জানা যায়, এর আগেও তাকে বিভিন্ন ভাবে তাকে হুমকি প্রদান করা হয়েছে। এই অবস্থায় নাসির উদ্দিন ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ ব্যাপারে নাসির উদ্দিনের মা রহিমা খাতুন দোহার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছে। যার জিডি নং-২৫৪, তারিখ ০৮/১২/২০১৬। যুক্তরাজ্য প্রবাসি মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন।

নাসির উদ্দিনের মা রহিমা খাতুন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে বসত ঘরের দরজার সামনে একটি হলুদ চিঠির খাম দেখতে পান। ভিতরে একটি চিঠি ভাঁজ করা অবস্থায় পাওয়া যায়। চিঠিতে লেখা রয়েছে, নাসির উদ্দিন আপনি লন্ডন থেকে আমাদের জিহাদ সম্পর্কে উল্টাপাল্টা লিখে জিহাদের মহান উদ্দেশ্যকে ক্ষতি করছেন। তবে আপনি যেখানেই থাকেন না কেন আমরা আপনাকে কতল করবই, ইনশাআল্লাহ্। আমরা আপনার মতো ভন্ড মুসলিম, নাস্তিক সবাইকেই এক এক করে খতম করব। প্রেরক আনসার উল্লাহ বাংলা।

সরেজমিনে জানা যায়, দোহারের নারিশা পশ্চিম চর খালপাড় গ্রামে নাসির উদ্দিনের বাবা আবুল কাসেম, মা রহিমা খাতুন ও ছোট ভাই আব্দুল কাইয়ুম  থাকেন।

দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ সিরাজুল ইসলাম লিটু জিডির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি তদন্তাধীন। আমরা দেখছি।

দোহারে শিয়ালের কাঁমড়ে চার শিশুসহ এগারজন আহত

 

ঢাকার দোহারে পাগলা শিয়ালের কাঁমড়ে চার শিশুসহ এগারজন আহত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাগলা শিয়লের ভয়ে ও আতংকে আছে এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টা দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের চিনারখোলা এলাকার শেখ সোহেলের ছেলে মোঃ সোহান হোসেন (৭) এ ঘর থেকে অন্য ঘড়ে যাওয়ার সময় পিছন থেকে শিয়ালে তার পা কাঁমড়ে ধরে। সোহানের চিৎকারে তার মা জোসনা বেগম এগিয়ে এলে তাকেও কামড় দেয়।

অন্যদিকে উপজেলার মধুরখোলা এলাকায় শেখ রতনের মেয়ে রত্না আক্তার (১০) সিঁড়িতে বসে বই পড়ার সময় তার পা কাঁমড়ে ধরে চিৎকারে মা ছাহেরা বাহিরে এলে তাকেও কাঁমড় দিয়ে পালিয়ে যায়। বালুরচক এলাকায় আনেরা বেগম তার মেয়ে আলেয়া (৬)কে নিয়ে প্রবাসী স্বামীর সাথে উঠানে দাড়িয়ে ফোনে কথা বলার সময় প্রথমে সন্তান ও পরে মা কে কাঁমড় দেয়। একই এলাকার নাছিমা আক্তার ও মেয়ে নাজমা (৮), মফিজ উদ্দিন (৪০), আলমগির হোসেন (৩৫) ও হাকিম আলী (৪৫) নামে এক পথচারীকে কাঁমড় দেয়।

আহতদের স্বজনরা জানায়, তাদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। এই ব্যাপারে স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান বেপারী (৬৫) জানায়, কোন শিয়ালকে কুকুরে কাঁমড় দিলে সেই শিয়াল পাগল হয়ে যায়।