দোহারে ইয়াবা জব্দ করলেন ইউপি সদস্য

দোহার উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের নারিশা এলাকায় গত শনিবার রাত ৯ টার দিকে ইয়াবা কেনাবেচার সময় ৭৫ পিছ ইয়াবা জব্দ করেন ৭নং নারিশা ওয়ার্ড ইউপি সদস্য জনাব, আমিনুল ইসলাম জিকু। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এলাকাবাসীর সাহায্যে অভিজান চালানো হয়। পরিস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা রেখে পালিয়ে যায় স্বপন নামের এক যুবক। সে নারিশা উত্তর চক  এলাকার বাসিন্দা। ঘটনার পর থেকে স্বপন পলাতক রয়েছে।

উদ্ধারকৃত ইয়াবা দোহার থানা এস.আই মো: হাবিবুর রহমান হাবিব এর কাছে হস্থান্তর করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামীলীগ নেতা মঞ্জু মোল্লা, সোবহান বেপারী, বাবু বেপারী, ইমরান খান রাজ, সোহেল হোসেন, আক্তার মোল্লা, জহিরুল ইসলাম পরশ, রনি খান প্রমুখ।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এখন অনলাইনে

অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন নাগরিকরা। প্রাথমিকভাবে কুমিল্লা ও চাঁদপুর জেলা এবং সিলেট মেট্রোপলিটন এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

রোববার রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন অডিটরিয়ামে এ সেবার উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। pcc.police.gov.bd- এ ওয়েবসাইটে গিয়ে এ সেবা নেওয়া যাবে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশেষ প্রোগ্রাম অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ড এর মাধ্যমে অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন সবাই। বিদেশে যেতে ইচ্ছুক নাগরিকরাও অনলাইনের মাধ্যমে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন কম্পিউটার কিংবা মুঠোফোনে উভয় ধরনের ডিভাইস থেকে করা যাবে। আবেদনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় দলিল এবং সরকারি ফি পরিশোধের চালান স্ক্যানের মাধ্যমে আপলোড করা যাবে। কোন এলাকার থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) স্বাক্ষর, জেলার পুলিশ সুপার এবং মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনারের (ডিসি) প্রতি স্বাক্ষর, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়নের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। পরে উপরে উল্লেখিত কর্মকর্তাদের কার্যালয়ের ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার’ কাউন্টার থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ গ্রহণ করবেন আবেদনকারী।

না.গঞ্জে ৭ খুন: নূর হোসেন, তারেক সাঈদসহ ২৬ জনের ফাঁসি

0

নারায়ণগঞ্জে আলোচিত সাত খুন মামলায় নূর হোসেনসহ ২৬ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। বাকি ৯ জনকে সাত থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির মধ্যে তিনজন পলাতক। ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ শহরের কাছ থেকে তৎকালীন ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করে হত্যার অপরাধে আসামিদের সাজার এই রায় দেন আদালত।

নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সৈয়দ এনায়েত হোসেন সোমবার সকাল ১০টা ৪ মিনিটে রায় পড়া শুরু করেন। রায় পড়া শুরুর ৫ মিনিটের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমািণত হওয়ায় এ রায় দিয়েছে আদালত।

গ্রেফতার ২৩ আসামির সবাই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। গত বছরের ৩০ নভেম্বর রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেন আদালত।

এদিকে রবিবার রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এই মামলার রায় সম্পর্কে তার প্রত্যাশার ব্যক্ত করতে গিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেশের সাধারণ মানুষ চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায়। যাদের কাজ জনগণের জানমাল রক্ষা করা, তারাই যদি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডে লিপ্ত হন, তা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ।’

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় খান সাহেব ওসমান আলী জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সামনে থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২নং ওয়ার্ডের তৎকালীন কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-২ নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, নজরুলের গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম, আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তার গাড়িচালক ইব্রাহিম অপহৃত হন। পরদিন ২৮ এপ্রিল ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন নজরুল ইসলামের স্ত্রী। ওই মামলায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নূর হোসেনকে প্রধান করে ৬জনকে আসামি করা হয়। এছাড়া আইনজীবী চন্দন সরকারের মেয়ের জামাই বিজয় কুমার পাল বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানায় আরও একটি মামলা করেন। ৩০ এপ্রিল বিকেলে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ৬ জন এবং ১ মে সকালে একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে স্বজনরা লাশগুলো শনাক্ত করেন।

এদিকে, ৭ খুনের ঘটনার পর নিহত নজরুল ইসলামের শ্বশুর শহীদুল ইসলাম অভিযোগ তোলেন, ‘৬ কোটি টাকার বিনিময়ে র‌্যাবকে দিয়ে ওই সাতজনকে হত্যা করিয়েছে নূর হোসেন। এ অভিযোগের পর ২০১৪ সালের ৬ মে র‌্যাব-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক সাঈদ মাহমুদ, সাবেক অধিনায়ক মেজর আরিফ হোসেন ও লে. কমান্ডার এম এম রানাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। ১৭ মে দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ঢাকার সেনানিবাস এলাকা থেকে মিলিটারি পুলিশ, ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ ও নৌ-বাহিনীর গোয়েন্দারা এমএম রানাকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের কাছে তুলে দেন। পরে এ তিনজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

এ হত্যাকাণ্ডে পর একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমানের সঙ্গে নূর হোসেনের টেলিফোনে কথোপকথনের বিষয়টি প্রচার করে। তখন বিষয়টি নিয়ে আরও তোলপাড় সৃষ্টি হয়। সাত খুনের পর নূর হোসেন ভারতে পালিয়ে যায়। ২০১৪ সালের ১৪ জুন রাতে কলকাতার দমদম বিমানবন্দরের কাছে কৈখালী এলাকার একটি বাড়ি থেকে নূর হোসেন ও তার দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করে বাগুইআটি থানার পুলিশ। পরে ওই বছরের ১৮ আগস্ট নূর হোসেন, ওহাদুজ্জামান শামীম ও খান সুমনের বিরুদ্ধে ভারতে অনুপ্রবেশের অভিযোগে বারাসাত আদালতে চার্জশিট জমা দেয় বাগুইআটি থানা পুলিশ। ২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ দমদম কারাগার কর্তৃপক্ষ নূর হোসেনকে বাংলাদেশে হস্তান্তর করতে সে দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেয়। এরপর ১৩ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ আদালতে উপস্থাপন করা হয় নূর হোসেনকে।

তিন জন তদন্তকারী কর্মকর্তার ১১ মাসের দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ৮ এপ্রিল ভারতের কলকাতায় গ্রেফতার হওয়া নূর হোসেন, র‌্যাবের চাকরিচ্যুত তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। এজাহারভুক্ত ৫ আসামি অব্যাহতির আবেদন করা হয়। মামলায় ১২৭ জনকে সাক্ষী করা হয়। ১৬২ ধরনের আলামত উদ্ধার দেখানো হয়েছে। মামলায় অভিযুক্ত ৩৫জনের মধ্যে ২৩জন গ্রেফতার রয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, সাত খুনের দু’টি মামলায় গ্রেফতারকৃত ২৩ জনের উপস্থিতিতে ২০১৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে চার্জ গঠন করেন। শুনানির সময়ে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা ২৩ জনের অব্যাহতি আবেদন করলে আদালতে নাকচ করে দেন। পলাতক ১২ জনসহ সাত খুনের দুটি মামলায় অভিযুক্ত ৩৫ জনের সবার বিরুদ্ধেই চার্জগঠন করা হয়। ১২ জনের অনুপস্থিতিতেই মামলার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। তাদের পক্ষে ৫জন আইনজীবী নিযুক্ত করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব খলনায়ক আহমেদ শরীফ

0

ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার নেতৃত্বাধীন তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব মনোনীত হয়েছেন অভিনেতা বাংলা সিনেমায় খলনায়ক হিসেবে পরিচিত আহমেদ শরীফ। তৃণমূল বিএনপির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয় জোটের (বিএনএ) দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে নাজমুল হুদা এই ঘোষণা দেন।

রোববার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের অতিথি মঞ্চে অভিনেতা আহমেদ শরীফও উপস্থিত ছিলেন। নাম ঘোষণার পর তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানান।

এর আগে তৃণমূল বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন মাওলানা আবেদ আলী। তবে তার বাড়ি চট্টগ্রাম হওয়ায় সাংগঠনিক কাজের সুবিধার্থে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানান নাজমুল হুদা। আবেদ আলীকে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে তৃণমূল বিএনপির ঢাকা মহানগরের তিন শীর্ষ নেতার নামও ঘোষণা করেন নাজমুল হুদা। মো. শাহজাহান সাজুকে সভাপতি, নিয়ামুল বাশাকে সাধারণ সম্পাদক ও খালেদ আক্তারকে ঢাকা মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক ঘোষণা করেন তিনি।

অনু্ষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১৪ দলের সমন্বয়ক, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

নতুন মহাসচিবের নাম ঘোষণার পর তিনি রসিকতা করে বলেন, ‘আহমেদ শরীফ সাহেব মহাসচিব হয়েছেন। সমস্যা হলো উনাকে তো আমরা ভিলেন হিসেবে চিনি। অবশ্য আমাদের দলে নায়কও আছেন সমস্যা হবে না।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা ও শিল্পপতি সালমান এফ রহমান প্রমুখ।

গত ২০১৫ সালের ২০ নভেম্বর নাজমুল হুদার নেতৃত্বে তৃণমূল বিএনপি গঠিত হয়।

এর আগে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ), বাংলাদেশ ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স (বিএনএ) এবং বাংলাদেশ মানবাধিকার পার্টি (বিএমপি) নামে তিনটি দল গড়েছিলেন নাজমুল হুদা। সেই হিসেবে ‘তৃণমূল বিএনপি’ তার তৈরি চতুর্থ দল।

উল্লেখ্য, ১৯৭৮ সালে জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর গঠিত প্রথম স্থায়ী কমিটির সর্বকনিষ্ঠ সদস্য ছিলেন নাজমুল হুদা। খালেদা জিয়ার দুই সরকারের আমলে তিনি মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন।

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০১০ সালের ২৩ জুন নাজমুল হুদাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। তখন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি।

ভুল স্বীকার করে খালেদা জিয়ার কাছে আবেদন করার পর ২০১১ সালের ৭ সেপ্টেম্বর আবার বিএনপির সদস্যপদ ফিরে পান নাজমুল হুদা। কিন্তু ২০১৪ সালের ৬ জুন সংবাদ সম্মেলন করে অভিমানের কথা তুলে ধরে নিজেই বিএনপি ত্যাগের ঘোষণা দেন।

জাতীয়করণে সম্মতি দেয়ায় পদ্মা কলেজের শিক্ষকদের বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত

জাতীয়করণ চলমান প্রক্রিয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ঢাকা জেলার দোহার উপজেলা থেকে পদ্মা (স্নাতক) কলেজ কে জাতীয়করণ প্রক্রিয়ায় সম্মতি জ্ঞাপন করায় ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন পদ্মা কলেজ শিক্ষক-কর্মচারী ও কতৃপক্ষ। তাই কৃতজ্ঞতা স্বরুপ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার জিয়ারত করেছে পদ্মা কলেজ পরিবার। শুক্রবার জুম্মার নামাযের পর গোপালগঞ্জ জেলার  টুংগীপাড়া উপজেলায় জাতির জনকের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় কলেজ অধ্যক্ষ মুজিবুল হায়দার ও উপাধক্ষ্য জালাল হোসেনের নেতৃত্বে মাজার জিয়ারত করে পদ্মা কলেজ পরিবার। এরপর তারা বংগবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত পৈত্রিক নিবাস, খেলার মাঠ , লাইব্রেরী ও কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন।

কয়লা চালিত বিদ্যুত কেন্দ্রের কারণে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে করুণ পরিণতি ভোগ করতে হবে

0

 

কয়লাচালিত বিদ্যুত কেন্দ্রের কারণে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়াকে করুণ পরিণতি ভোগ করতে হবে। এ কারণে বায়ু দূষণ থেকে মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যা হতে পারে তিনগুন। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি ও পরিবেশ বিষয়ক সংগঠন গ্রিনপিচের নতুন এক গবেষণা রিপোর্টে এ কথা বলা হয়েছে।

২০১১ সাল থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা শতকরা ৮৩ ভাগ বৃদ্ধি পাবে বলে ধরা হয়েছে। এই চাহিতা বৃদ্ধির কারণ শহর অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, শহরমুখী মানুষ ছুটে আসার কারণে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির পরিবর্তে এসব মানুষের বিদ্যুত চাহিদা মেটানোর জন্য নজর দেয়া হচ্ছে কয়লা চালিত বিদ্যুত কেন্দ্রের ওপর। এর ফলে এ অঞ্চলে মারাত্মক স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি দেখা দেবে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, শুধু ভারতেই কয়লা চালিত বিদ্যুত কেন্দ্রের কারণে বছরে মারা যায় এক লাখের মতো মানুষ।

অনলাইন সিএনএনে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির শ্যানন কোপলিটজ। তিনি বলেছেন, চীন ও ভারতের বায়ু দূষণ ব্যাপকভাবে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। দক্ষিণ-পূর্ব ও পূর্ব এশিয়ার বাকি দেশগুলোতে কয়লা চালিত বিদ্যুত কেন্দ্রের কি প্রভাব পড়বে তা গবেষণার অধীনে রয়েছে। তিনি বলেছেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় উদীয়মান দেশগুলোতে কয়রলার ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ছে। এতে এ অঞ্চলে বায়ু ও জনস্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে। গবেষণা রিপোর্টে বলা হয়েছে, এ অঞ্চলে কয়লা চালিত বিদ্যুত কেন্দ্র থেকে যে কার্বন নির্গমন হচ্ছে তাতে প্রতি বছর প্রায় ২০ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে। কিন্তু এ অঞ্চলে প্রস্তাবিত বিদ্যুত কেন্দ্রগুলো সচল হলে ২০৩০ সাল নাগাদ এ সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ৭০ হাজার।

ইন্দোনেশিয়ায় এমন বিদ্যুত কেন্দ্র আছে ১৪৭টি। তা এ সময়ে দ্বিগুন হয়ে হতে পারে ৩২৩টি। মিয়ানমারে বর্তমানে এমন বিদ্যুত কেন্দ্র আছে ১৬টি। ওই সময়ের মধ্যে তা ৫গুণেরও বেশি হতে পারে। দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের মতো উন্নত দেশগুলো তাদের কয়লাচালিত বিদ্যুত কেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি করছে। ফলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন হবে বর্তমানের তিনগুন। এমন বৃদ্ধি ঘটবে বিশেষ করে ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনাম থেকে। ইন্দোনেশিয়ায় যে পরিমাণ কয়লা ব্যবহার করা হয তার ৪০ গুন ব্যবহার করা হয় চীনে। এ কথা বলেছেন আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থা আইইএ।

নবাবগঞ্জে ১৫ গ্রাহককে চেক প্রদান

 

নবাবগঞ্জে মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ১৫ গ্রাহকের মাঝে মেয়াদপূর্তি ও মৃত্যুদাবি বাবদ ২২ লাখ ৭৬ হাজার ৫ শ’ টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে। নবাবগঞ্জ উন্নয়ন মেলার স্টল থেকে এ চেক প্রদান করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শাকিল আহমেদ, উপজেলা প্রকৌশলী মো. শাহজাহান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. শাহ জালাল, উপজেলা জাতীয়পার্টির যুগ্ম আহবায়ক জুয়েল আহমেদ, নবাবগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আজহারুল হক, উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবীর, ঢাকা জেলা (দক্ষিণ) টেলিভিশন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন, নবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইসলামী বীমা ডিভিশনের জোন ইনচার্জ খালিদ হোসেন সুমন এবং একক বীমা জোন ইনচার্জ শফি উদ্দিন প্রমুখ।

নবাবগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮৬ ব্যাচের পুনর্মিলনী

 

ঢাকার নবাবগঞ্জের প্রাচীন বিদ্যাপীঠ নবাবগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৮৬ সালের এসএসসি ব্যাচের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার দোহার উপজেলার মিনি কক্সবাজারখ্যাত মৈনট ঘাট পদ্মাপার প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।

৩০ বছর পর এই প্রথম ব্যাচটির পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হল। ব্যাচ ’৮৬-এর সভাপতি লুৎফর রহমান নাদিম এ পুনর্মিলনীর আয়োজন করেন। সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পরিবার নিয়ে মিলিত হন প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। সেখানে নাস্তা শেষে বেলা ১১টায় বাসযোগে তারা মৈনট ঘাটে যান। পদ্মাপারের নির্মল পরিবেশে তারা একে অপরের সঙ্গে সৌহার্দ্য বিনিময় করেন। পুরনো বন্ধুদের কাছে পেয়ে তারা হারিয়ে যান সেই স্কুল জীবনে। এ সময় অনেকে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

দুপুরে মধ্যাহ্ন ভোজ শেষে ব্যাচের সদস্য, বিটিভি ও বাংলাদেশ বেতারের শিল্পী মো. মোয়াজ্জেম হোসেনের নেতৃত্বে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়। সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠান চলাকালে বাংলার ঐতিহ্য চিতৈ পিঠা ও ভর্তা পরিবেশন করা হয়। সন্ধ্যার পরই সবাই গন্তব্যে ফেরেন।

দোহারে অজ্ঞাত নবজাতকের দেহ উদ্ধার

 

ঢাকার দোহার উপজেলায় অজ্ঞাত এক নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে দোহার থানা পুলিশ। গত মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের মেঘুলা গ্রামের কালী বাড়ী সংলগ্ন এলাকায় থেকে লাশ উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে দোহার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জামিল হোসেন জানান, এলাকাবাসীর সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকালে মেঘুলা বাজার সংলগ্ন কালী বাড়ির পাশের একটি নালার সামনে আনুমানিক এক দিনের নবজাতকের লাশটি পাওয়া যায়। মঙ্গলবার কোনো একসময় নবজাতকটির জন্ম হয়েছিল।

দোহারে বেড়েছে শিশু শ্রম

ঢাকার দোহারে বেড়েছে শিশু শ্রম। জয়পাড়া, কার্তিকপুর, মৈনট, মেঘুলা, নারিশা, ফুলতলা ও পল্লিবাজারের হোটেল গুলোতে মধ্যরাত পর্যন্ত কাজ করছে দশ থেকে ১২ বছরের শিশুরা। যে বয়সে তাদের হাতে থাকার কথা বই খাতা সেই বয়সে অভাবের সংসারে বাবাকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকার দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের পল্লীবাজারের জামাই হোটেলে সোহেল (১০) নামে একটি শিশু দুই বছর ধরে প্লেট ধোঁয়ার কাজ কাজ করছে। উপজেলার নারিশা বাজারে সাগর হোটেলে মনির (১১), মেঘুলা বাজারে সুমন (১২), জয়পাড়া ভাই বোন হোটেলে উজ্জল (১১), কার্তিকপুর সোমা হোটেলে করিম (১০) ও মৈনট ঘাট রিমা হোটেলে আলী (১১) নামে শিশুরা কাজ করছে।

হোটেল মালিক রিপন জানায়, শিশুদের মাসিক বেতন ১৮ শত থেকে দুই হাজার টাকা বেতন দিলে ভোর থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত কাজ করানো যায়। হোটেল ছাড়াও রাজ মিস্ত্রীর কাজে, পরিবহন, ওয়েল্ডিং ওয়ার্কশপে শিশুদের ব্যাপক হারে কাজ করতে দেখা যায়।