আজ নবাবগঞ্জে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আজ নবাবগঞ্জের ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় গণভবন থেকে নবাবগঞ্জসহ দেশের ৬টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার নতুন বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন করবেন।

একই সাথে নবাবগঞ্জের দৌলতপুরের ৫৫ মেগাওয়াট, হবিগঞ্জের শাহজি বাজারের ৩৩০ মেগাওয়াট, সামিট বরিশালের ১১০ মেগাওয়াট, পাওয়ারপ্যাক মুতিয়ারা জামালপুরের ৯৫ মেগাওয়াট, সামিট নারায়ণগঞ্জের ৫৫ মেগাওয়াট, মানিকগঞ্জে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় ভিডিও কনফারেন্সের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে উপস্থিত থাকবেন ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের সাংসদ অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম, জেলা প্রশাসক মো. সালাহউদ্দিনসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রায় ৩৬০ কেটি টাকা ব্যয়ে নবাবগঞ্জের দৌলতপুরে ৫৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০১৬ সালের ১৭ জুন এর কাজ শেষ হয়। ঢাকা সাউদার্ন পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এটি বাস্তবায়ন করেন।

 

 

 

দখল দূষণে মৃতপ্রায় ইছামতী নদী

নবাবগঞ্জের বুক দিয়ে প্রবাহিত এক সময়ের উত্তাল ইছামতি এখন নিস্তব্ধ নিথর হয়ে গেছে। নদীর কাশিয়াখালী, ঘোষাইল, ও কার্তিকপুরে পদ্মার মুখে বাঁধ দেয়ায় নদী এখন অসুস্থ মেরুদণ্ডহীন হয়েছে পড়েছে। পদ্মার সঙ্গে ইছামতির সংযোগ শাখা-প্রশাখাগুলো বন্ধ রয়েছে। এতে বর্ষা মৌসুম ছাড়া নদীর পানি প্রবাহ বন্ধ রয়েছে। অপরদিকে পরিবেশ অধিদপ্তরের আইন প্রয়োগ ব্যবস্থা না নেয়ায় নদীর তীরের বিভিন্ন অংশজুড়ে ক্লিনিকের বর্জ্য ও ময়লার স্তূপ জমে আছে। এতে একদিকে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। অন্যদিকে নদীর পানি দূষিত হচ্ছে। এলাকাবাসী জানায়, আশির দশকের দিকে এ অঞ্চলের মানুষের রাজধানী ঢাকায় যাতায়াতের একমাত্র পথ ছিল ইছামতি নদী। যাত্রীবাহী লঞ্চ ছিল এলাকাবাসীর একমাত্র বাহন। সে সময় নদীতে চলাচল করতো মুন্নি, নাহার, বাহার, জনতা নামের কয়েকটি বিলাসবহুল লঞ্চ। উপজেলার বান্দুরা টার্মিনাল থেকে সদরঘাট পৌঁছতে প্রায় ৬ ঘণ্টা সময় লাগতো। আর যাবতীয় বাণিজ্যিক পণ্য আনা-নেয়ার হতো নৌকাযোগে। সে সময়ে বিনোদন হিসেবে লঞ্চের কেবিনে দেশীয় জনপ্রিয় সিনেমা দেখতে দেখতে গন্তব্যে পৌঁছতেন দোহার-নবাবগঞ্জের চাকুরীজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ। এরপর আশির দশকে স্থলপথের উন্নয়নে কিছুটা পরিবর্তন আসে। তখন বান্দুরা থেকে বাসযোগে মরিচা ও তুলশিখালী ফেরি পারাপার। পরে কেরানীগঞ্জের জিনজিরায় নেমে নৌকায় বুড়িগঙ্গা পার হয়ে রাজধানীতে যেত। এখন স্থলপথে ২ ঘণ্টায় ঢাকায় পৌঁছতে পারলেও নদীপথের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নদী ভাঙন ও বন্যার কবল থেকে নবাবগঞ্জবাসীকে বাঁচাতে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে পদ্মার মুখে কাশিয়াখালি এলাকায় বাঁধ নির্মাণ পরিকল্পনা নেয় এবং ক্ষমতায় থাকাকালীনই বাস্তবায়ন করা হয় বাঁধ। ফলে বন্যার কবল থেকে রক্ষা পেলেও নদী পথ বন্ধ হয়ে যায়। এতে বন্ধ হয়ে যায় পণ্যবাহী নৌকাগুলোর চলাচল। নবাবগঞ্জের কলাকোপা বাজারের মুদি ব্যবসায়ী বিপদ ভঞ্জন সাহা জানান, সড়ক পথের চেয়ে নৌপথে পণ্য পরিবহন খরচ কম পড়ে। পণ্যের দাম কম পড়লে কমদামে বিক্রিও করা যায়। তাছাড়া নৌপথে পণ্যের গুণগতমানও ভালো রাখা সম্ভব থাকে। তাই প্রাচীন কাল থেকে ব্যবসায়ীরা নৌপথে পণ্য পরিবহন করে আসছে। ইছামতি নদী সচল হলে একদিকে পরিবহন খরচ কমবে অন্যদিকে ক্রেতারও সাশ্রয় হবে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, নদী পথ বন্ধ হওয়ায় অবহেলিত ইছামতি এখন ময়লা আবর্জনা ফেলার ডাসবিনে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় অসচেতন ব্যবসায়ীরা কাঁচা বাজারের ময়লা আবর্জনা ফেলার স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছেন নদীকে। স্বার্থান্বেষী ক্লিনিক মালিকরা রোগীদের বর্জ্য ফেলার স্থানও করে নিয়েছেন নদীকে। ইছামতি নদীতে দৃষ্টি রাখলেই দেখা যাবে পানিতে ভাসছে ময়লা আবর্জনা।
অপরদিকে, নদীর পানি প্রবাহ থাকলে বিল ও ফসলি জমি পেত পলিমাটির দেখা। ফসলি জমির উৎপাদন বৃদ্ধিসহ দেশীয় প্রজাতির মাছ প্রবেশ থাকতো চলমান। বর্তমানে নদী, খাল, বিলে জেলেরা আর মাছ ধরতে পারে না। ফলে অনেক জেলেরাই তাদের পেশা থেকে সরে গেছে। যারা আছেন তারাও কোনরকম জীবনযাপন করছেন। তাছাড়া স্থানীয় প্রভাবশালীরা নদী দখল করে মাছ চাষ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে জেলে পরিবারের।

নদী রক্ষায় স্থানীয় ‘ইছামতি বাঁচাও আন্দোলন’ নামে একটি সংগঠন মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন একাধিকবার। এতে সম্প্রতি পানি উন্নয়ন বোর্ড নদী খনন প্রক্রিয়া চালালেও তা ধীরগতিতে চলছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ রয়েছে। ইছামতি বাঁচাও আন্দোলন কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি শফিউর রহমান তোতা বলেন, একটি নদীর মৃত্যু হলে একটি সভ্যতার মৃত্যু হতে পারে। ইছামতির নাব্য সংকটকালীন এলাকাবাসী তা বুঝতে পারছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পরিবেশবিদরা যদি একটিবার দৃষ্টি রাখেন, শুধু ইছামতি নদী নয়, বেঁচে যাবে রাজধানীর পার্শ্ববর্তী বুড়িগঙ্গাও।
এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাকিল আহমেদ বলেন, বিষয়টিতে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার ইউপি চেয়ারম্যানকে অবহিত করা হবে। তাছাড়া উপজেলা প্রশাসন নদী তীরবর্তী এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবে।

দোহারে পদ্মার চর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

দোহারের মুকসুদপুর গোড়াবনের একটু সামনে পদ্মার চরে ঠায় দাঁড়িয়ে পাঁচ থেকে সাতটি ট্রাক। চরের মধ্যে অবস্থান নেওয়া শ্রমিকরা ভেকু দিয়ে বালু কেটে ভরছে ট্রাকে। দুই মাস ধরে ওই এলাকায় এভাবেই চলছে বালু লুট। জানাগেছে স্থানীয় প্রভাবশালী মহল তাদের ক্ষমতার দাপটে অবৈভাবে পদ্মার চর থেকে বালু উত্তোলন করছে।

কসোভোকে স্বীকৃতি দিল বাংলাদেশ

0

স্বাধীনতা ঘোষণার ৯ বছরের মাথায় ইউরোপের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ “রিপাবলিক অব কসোভো”কে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিল বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গতকাল ২৭ ফেব্রুয়ারি সোমবার মন্ত্রিসভা এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন করে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম সাংবাদিবকদের জানান, রিপাবলিক অব কসোভোকে বিশ্বের ১১৪তম দেশ হিসেবে এবং ওআইসি (অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কনফারেন্স) এর ৩৭তম দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় বাংলাদেশ।

জানা গিয়েছে, কসোভো ইউরোপের বলকান অঞ্চলের একটি রাষ্ট্র; যা আগে সার্বিয়ার প্রদেশ ছিল। ১৯৯৯ সাল থেকে প্রদেশটি রাষ্ট্রপুঞ্জের তত্ত্বাবধানে ছিল। ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি কসোভো স্বাধীনতা ঘোষণা করে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ শতাধিক দেশ ইতিমধ্যে কসোভোকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

 

চুল ভাল রাখার কিছু টিপস

0

বাহ্ বেশ সুন্দর চুল তো তোমার! চুলের এই প্রশংসা শুনে যারপরনাই মুগ্ধ আপনি৷ কিন্তু একদিন দেখলেন এই সুন্দর চুলগুলোই বড্ড জ্বালাচ্ছে আপনাকে৷ হয়তো সন্ধ্যায় রয়েছে কোনো নিমন্ত্রণ—এ জন্য সকাল থেকেই বিশেষ পরিচর্যা নিচ্ছেন চুলের৷ কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বড্ড বেয়ারা হয়ে উঠল চুলগুলো৷ যেন আপনার কোনো কথা শুনবে না বলে পণ করেছে। পাশ্চাত্যে চুলের যেদিন এ অবস্থা থাকে সেদিনটাকে বলা হয় ‘ব্যাড হেয়ার ডে’৷ এমন দিনে কীভাবে আপনার অবাধ্য চুলগুলোকে আয়ত্তে আনবেন, সে বিষয়ে কিছু পরামর্শ দিলেন হেয়ারোবিক্সের রূপবিশেষজ্ঞ তানজিমা শারমীন মিউনি৷

যেদিন চুলে শ্যাম্পু করার পরও তেলতেলে ভাব যায় না, সেদিনও চুল ছেড়ে রাখতে হয় স্কার্ফ বা রুমাল বেঁধে। তবে বাঁধার ঢঙে ভিন্নতা আনতে পারবেন। কপাল থেকে মাথার তালু পর্যন্ত স্কার্ফ বেঁধে নিন৷ এবার চুল ভালো করে আয়রন করে ছেড়ে দিন।

অনেক সময় হাতের কাছে কোনো স্কার্ফ বা ফিতা থাকে না৷ ভাবছেন তখন কীভাবে আয়ত্তে আনবেন চুলগুলোকে। সামনের চুলগুলোকে পেঁচিয়ে টুইস্ট করে নিন৷ এবার চুলের বাম বা ডান যেকোনো একদিকে বেণি করে তা আরেক পাশে নিয়ে ক্লিপ দিয়ে আটকে দিন৷

শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনিং করেছেন কিন্তু তারপরও কাটছে না চুলের উষ্কখুষ্ক ভাব? কিন্তু বাইরে তো বের হতেই হবে৷ এলোমেলো চুল আয়ত্তে আনতে একটা স্কার্ফ বেঁধে নিতে পারেন৷ যেমন স্কার্ফটাকে ভাঁজ করে ব্যান্ডেনার মতো চুলের সামনের দিকে বেঁধে নিন৷ এবার স্কার্ফের খোলা অংশটাকে বেঁধে নিন ফুলের বাঁধনে।

 

রাতে সেলফি তোলার কিছু কৌশল

0

 

আধুনিক প্রজন্ম সেলফিতে আসক্ত। যেকোনো সময় যেকোনো স্থানে তাদের স্মার্টফোন উঁচিয়ে ক্লিক করতে দেখা যায়। যেকোনো মুহূর্তের স্মৃতি ধরে রাখতে তারা বদ্ধপরিকর। আসলে সেলফি ক্ষতিকর না উপকারী, সে বিষয়ে যথেষ্ট আলোচনা ও গবেষণা হয়েছে। যেমনটাই হোক না কেন, সেলফির নেশা থেকে বেরিয়ে আসার কোনো পরিকল্পনা কারো রয়েছে বলে মনে হয় না। তাই ভালো সেলফি তোলার পরামর্শও দিয়ে থাকেন এক্সপার্টরা। রাতে যেকেনো ছবি তুলতে কারিগরি জ্ঞান কাজে লাগাতে হয়। এখানে রাতের সময় ভালোমানের সেলফি তোলার কিছু কার্যকর পরামর্শ নিয়ে নিন।

১. মৌলিক নিয়ম-কানুনকে অবহেলা নয়
মাইক্রোফাইবার কাপড় বা তুলা দিয়ে ক্যামেরার লেন্স পরিষ্কার করে নিন। ধুলোবালির ক্ষুদ্র কণাগুলো মুছে ফেলুন। এগুলো ছবি ঘোলাটে করে দেবে। আসলে স্মার্টফোনের ক্যামেরায় ছবি তোলার আগে এই কাজটি কেউ করেন না। ফলে ছবি ঘোলাটে আসে।

২. ফটোগ্রাফির অলঙ্ঘনীয় নিয়ম
ক্যামেরার গ্রিড অপশনের শতভাগ সুবিধা নিন। গ্রিড আপনার ফ্রেমের ছবিটিকে লম্ব এবং সমান্তরালভাবে ৯টি বর্গে ভাগ করে নেয়। এখানে ফটোগ্রাফির কার্যকর নিয়মটিকে কাজে লাগান। ছবির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশকে রাখুন তিন নম্বর বর্গে। মূলত গ্রিডলাইনে ছবির জরুরি অংশগুলোকে ধারণ করতে হয়।

৩. হেডফোনের কারসাজি
কম আলোতে ছবি নষ্টের অন্যতম কারণ হয় যখন হাত কাঁপে। এতে ছবি ঘোলাটে হয়ে যায়। এর জন্য এমন হেডফোন কিনুন যাতে ছবি তোলার অপশন থাকে। সাধারণত হেডফোনের ভলিউম বোতাম চেপে এ কাজটি করা যায়। কাজেই ফোনটি শুধু স্থিরভাবে ধরে রাখতে হবে। সেখানেই বোতাম চাপার ঝক্কিতে যেতে হবে না।

৪. যতটুকু আলো আছে
রাতে যে আলো পাচ্ছেন তাকে কাজে লাগাতে পারলে আর ফ্ল্যাশ হয়তো লাগবে না। বরং রাতে আলো-আঁধারিকে কাজে লাগিয়ে অনবদ্য ছবি তোলা সম্ভব। আর আলো খুব বেশি স্বল্পতা থাকে, তবে ফ্ল্যাশ তো রয়েছেই। এ সময় যে বস্তুর ছবি তুলবেন তার থেকে খুব বেশি দূরে দাঁড়াবেন না। মাঝামাঝিতে অবস্থান নিন।

৫. এইচডিআর মোডের ব্যবহার
আসলে ক্যামেরা তার লেন্সে যা দেখে তাই ছবিতে তুলে আনে। কম আলোতে ল্যান্ডস্কেপ ছবি তুলতে পারলে এইচডিআর প্রযুক্তির ব্যবহার করতে হবে। তাই বলে এটা সব সময় সর্বোত্তম উপায় নয়। বিশেষ করে চলমান বস্তুর ছবি তুলতে গেলে এই অপশনটি সব সময় মনের মতো ছবি তুলতে পারে না।

৬. অটো মোডকে একটু বিশ্রাম দিন
আসলে সবাই দ্রুত ছবি তুলতে অটো মোড দিয়ে রাখেন। কিন্তু ফোকাস করতে বা হোয়াইট ব্যালেন্স ঠিক করতে ম্যানুয়াল অপশন কাজে লাগান। এর জন্য ক্যামেরার সেটিংস-এর কারুকাজ জানতে হবে। এডিট অপশনের কাজ শিখে ফেলুন। এসব এডিট অপশন নিয়ে পরীক্ষা চালাতে থাকুন। এক সময় ভালো ছবি তোলার কারসাজি শিখে ফেলবেন। সূত্র: ইন্ডিয়া টাইমস

 

ফেসবুক পাসওয়ার্ড নির্বাচনে যে ৫টি ভুল করা ঠিক নয়

0

 

সাইবার দুর্নীতিবাজদের মধ্যে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। সামান্যতম সুযোগ পেলেই তারা আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি হাতিয়ে নিয়ে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে পারে। সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে ফেসবুক গ্রাহকদেরই। এবং এই সতর্কতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হল, এমন পাসওয়ার্ড নির্বাচন করা, যার নাগাল হ্যাকাররা চট করে পাবে না। এবং সে ক্ষেত্রে শুধু স্পেশাল ক্যারেকটার ও ডিজিটের ব্যবহার, কিংবা বড় পাসওয়ার্ড নির্বাচন করলেই বিপদ এড়ানো যাবে, তা নয়। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, পাসওয়ার্ড তৈরির ক্ষেত্রে কয়েকটি সাধারণ ভুল কমবেশি সকলেই করে থাকেন। কী রকম? আসুন, জেনে নেওয়া যাক—

১. পর পর সংখ্যা ব্যবহার করা: ১,২,৩,৪,৫ কিংবা ০,৯,৮,৭,৬ এই ধরনের কোনও সংখ্যাক্রম কোনও পাসওয়ার্ডের কোনও অংশে রাখবেন না।
২. নিজের নাম বা পদবীর ব্যবহার: আর যাই করুন না কেন, নিজের নাম বা পদবী কোনও রকম ভাবেই পাসওয়ার্ডে ব্যবহার করবেন না। নতুবা অবধারিত ভাবে হ্যাকারদের শিকার হতে হবে।
৩. ব্যক্তিগত নম্বর ব্যবহার: আপনার সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত যে সমস্ত নম্বর, যেমন আপনার জন্মদিন কিংবা ফোন নম্বর পাসওয়ার্ডে রাখবেন না।
৪. পরিচিত কারোর নাম ব্যবহার: আপনার বান্ধবী, স্ত্রী, ভাই-বোন প্রমুখের নামও ফেসবুকে পাসওয়ার্ডে ব্যবহার না করাই ভাল। রাস্তার নাম, পাড়ার নামও এড়িয়ে চলুন।
৫. অদ্ভুত শব্দ ব্যবহার করুন: mdihKocI কিংবা hfJHifu-এরম মতো কোনও শব্দ পাসওয়ার্ডে রাখুন, যার কোনও অর্থই নেই। তার সঙ্গে অবশ্যই জুড়বেন নম্বর (ডিজিট), স্পেশাল ক্যারেকটার (স্টার কিংবা হ্যাশ)। অন্তত ১৪টি ক্যারেক্টার রাখবেন পাসওয়ার্ডে।

 

ইলিশ মাছের দোপেয়াজা রান্নার নিয়মাবলী

0

ইলিশ মাছের রয়েছে হাজার রকমের রান্না। সব রান্নাই সহজ এবং সুস্বাদু। ইলিশের সুস্বাদু ও ব্যতিক্রম সব রেসিপি প্রকাশ করা হচ্ছে নিউজ থার্টিনাইনের জীবন যাপন বিভাগে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ থাকছে ইলিশ মাছের দোপেয়াজা রেসিপি।

উপকরণ : লবণ ও হলুদ দিয়ে ইলিশ মাছ ভাজা ১২ টুকরো, পেঁয়াজ বাটা ২৫০ গ্রাম, আদা বাটা ১ চা চামচ , রসুন বাটা ১ চা চামচ, টমেটো টুকরো করা ৫০০ গ্রাম, কাঁচা মরিচ ৪ টি, সয়াবিন তেল পরিমাণ মতো, মরিচ গুড়া পরিমানমতো, ধনে বাটা ১ টেবিল চামচ, জিরা বাটা ১ টেবিল চামচ, হলুদের গুড়া ১ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি : প্রথমে ১২ টুকরো ইলিশ মাছ অল্প লবণ ও হলুদ দিয়ে মাখিয়ে তেলে লাল করে ভেজে নিন। মাছগুলো তুলে আলাদা করে রাখুন। কড়াইয়ে তেল দিয়ে তাতে পেঁয়াজ বাটা, আদা বাটা, রসুন বাটা, ধনে বাটা, জিরা বাটা, মরিচের গুড়া, হলুদের গুড়া ও লবণ দিন। পানি দিয়ে ভালোমতো মশলা কষান। মশলা কষানো হলে তাতে ২টি টমেটো কেটে দিয়ে দিন। আবারো ভালোমতো মশলা কষান। মশলা কষানো হয়ে গেলে এতে ভাজা মাছগুলো দিয়ে দিন। হালকা হাতে মেশান। এরপর ১ কাপ পানি ওপরে ছিটিয়ে দিন। এরপর কাঁচা মরিচ ও বাকি টমেটো কেটে দিয়ে দিন। এবার হালকা আঁচে বসিয়ে রাখুন। তেল উপরে উঠে এলে নামিয়ে পরিবারের সকলের সামনে গরম গরম পরিবেশন করুন।

 

নবাবগঞ্জে কলেজ ছাত্রকে হত্যার চেষ্টা

নবাবগঞ্জ উপজেলায় মোবাইল ছিনতাই করে কলেজ ছাত্র আবির সাহা (২২) কে চাকুদিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে স্থানীয় বখাটে নাজমুল (২০) ও তার সহপাঠিরা। আজ সোমবার বিকালে উপজেলা সদর কলাকোপা রাজারামপুর গ্রামে এঘটনা ঘটে। আবির সাহা ঐ গ্রামের নিতাই সাহার ছেলে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকালে উপজেলা সদর কলাকোপা রাজারামপুর গ্রামের ডিএন কলেজের একাদশ শ্রেনীর প্রথম বর্ষের ছাত্র আবির সাহাকে মোবাইল ফোনে নাজমুল বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তার সাথে গোপন কথা আছে বলে ঐ এলাকার নবাবগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক সুরেন্দ্রচন্দ্র সাহার পরিত্যাক্ত বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে আবির সাহার কাছে থেকে জোরপূর্বক মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে নাজমুল ও তার ৩/৪ জন সহপাঠি তাকে চাকু দিয়ে গলাকেটে হত্যার চেষ্টা করে। এসময় তার ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে গেলে বখাটেরা পালিয়ে যায়। উপস্থিত এলাকাবাসী আহত আবিরকে উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন। আবিরের মা বেবী সাহা অভিযোগ করে নিউজ ৩৯ কে বলেন,”আবির কলেজ থেকে এসে বাড়িতে ভাত খাইতে বসবে এমন সময় নাজমুল মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে আমার ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করে। আমি এর বিচার চাই”।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার সহকারি উপ-পরিদর্শক (এ,এস,আই) ফারুক আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত নিউজ ৩৯ কে জানান, “অভিযোগ হয়েছে তদন্ত করে আসামীদের আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে”।

ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করলে দেশ উন্নত হবে: মধুরখোলায় নাজমুল হুদা

0

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের মধুখোলা এলাকায় গত শুক্রবার আজমেরি ওয়াইফাই ইন্টারনেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতির বক্তব্যে তৃনমূল বিএনপি’র সভাপতি ও সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা বলেন, “হরতাল দিয়ে দেশ ও মানুষের উন্নয়ন করা সম্ভব নয়। আমি আমার রাজনৈতিক জীবনে হরতালকে সমর্থন করি নাই কখনো করবো না। বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ যদি একত্রিত হয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এদেশকে গরে তুলতে পারতো তাহলে বিশ্বের মানচিত্রে এইদেশ সবচেয়ে শীর্ষে থাকতো সে ব্যাপারে আমার কোন সন্দেহ নাই। দুই নেত্রীর সদিচ্ছার অভাবে দেশ আজ এত পিছিয়ে।”

এসময় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমান খোকা, মোয়াজ্জেম হোসেন, মিলন ও মোতালেব হোসেন প্রমুখ।