নবাবগঞ্জে বণিক সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন

 

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বাগমারা বণিক সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এতে ফরহাদ কবির ভূইয়া সভাপতি এবং হাবিবুর রহমান সেন্টু সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পরে রাতে প্রিসাইডিং অফিসার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ফারুক আহম্মেদ বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। নির্বাচিত অন্যরা হলেনÑ সহ-সভাপতি জুলহাস মোল্লা জুয়েল, সাইফুল আলম চঞ্চল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক আক্কাস আলী, প্রচার সম্পাদক মো. রতন মিয়া, অর্থ-সম্পাদক মো. জাকির হোসেন, কার্যকরী সদস্যÑ মুকুল খান, মো. মাসুদ, মো. শাহজাহান ও সাগর খান।

দোহারে ৬ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর অর্থদণ্ড

দোহারে এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ৬ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর অর্থদণ্ড দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম আল-আমিন নেতৃত্বাধীন ভ্রাম্যমান আদালত। এছাড়া একজন লাইব্রেরিয়ান ও ফটোকপির দোকানী জুবায়ের মোল্লাকে (২৪) ১৫ দিনের কারাদন্ড দেয় ভ্রাম্যমান আদালত।

প্রত্যক্ষদর্শী ও অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের বরাতে জানা যায়, বুধবার সকাল পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগ মুহুর্তে টিএনও কেএম আল আমিন দুই শিক্ষার্থীকে কলেজ গেটের বাইরে কলেজ মার্কেটে মোবাইলে পড়তে দেখেন। এ সময় সন্দেহ হলে, তিনি তাদের মোবাইল জব্দ করে তাদেরকে পরীক্ষার হলে পাঠান। এরপর নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষা শেষ হলে তিনি ঐ দুই জনের সাথে বাকি চারজনকে ডেকে আনেন কেন্দ্র সচিব তাপস নন্দীর রুমে। সেই চারজনকে জানানো হয়, ঐ দুই শিক্ষার্থীর মোবাইলে যে গ্রুপে প্রশ্ন পাওয়া গেছে সেই চ্যাটিং গ্রুপে তাদের নাম রয়েছে। তাই তারা একই কারণে অভিযুক্ত। এ সময় ঐ চার শিক্ষার্থী নিজেদের নির্দোষ দাবী করে জানায়, তারা আজ মোবাইল-ই আনেনি।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমান আদালত ম্যাজিস্ট্রেট তাদের বয়স ও ভবিষ্যৎ বিবেচনা করে, ১০০০ টাকা জরিমানা করেন ও রচনা/ সৃজনশীল অংশের পরীক্ষা থেকে বিরত রাখেন। আর এই রায়ের প্রতিবেদন শিক্ষা বোর্ডে প্রেরণ করেন এবং ফটোকপির দোকানীকে ১৫ দিনের কারাদন্ড দেন। উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কেএম আল-আমিন বিষয়টি উপস্থিত গণমাধ্যমকে অবহিত করেন।

এদিকে পরীক্ষার্থীদের একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিজেদের পক্ষ সমর্থন করে নিউজ৩৯ কে বলেন, “তাদের মধ্যে ৪/৫ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে এসএসসিতে। এইচএসসি-তেও তাদের গোল্ডেন বা জিপিএ ৫ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তারা আগে বা এখন কখনোই অনৈতিক ভাবে প্রশ্ন পাওয়ার চেষ্টা করে নি।“

শিক্ষার্থীদের সবাই উপজেলার মেঘুলা মালিকান্দা স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী। এদিকে এই ভ্রাম্যমান আদালতের এই রায়ের প্রতিবাদে ও ঐ শিক্ষার্থীদের সুষ্ঠু স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে দেয়ার দাবিতে বুধবার সন্ধ্যা রাতে মেঘুলা বাজারে একটি বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।

সম্পর্ক ছিন্ন হবার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যা করা উচিত নয়

দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া নিঃসন্দেহে হতাশার। এ সময় মিশ্র অনুভূতি কাজ করে। তবে প্রতিহিংসা, রাগ, জেদ অথবা মন খারাপ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন কোনও কাজ করবেন না, যেটা অন্যের কাছে উপহাস অথবা বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ ধরনের কাজ নিজের জন্যও ভালো ফল বয়ে আনে না। দ্রুত হতাশা থেকে বের হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে হলে এগুলো এড়িয়ে চলা জরুরি। জেনে নিন সম্পর্ক ভাঙলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোন কাজগুলো একদমই করবেন না-

রাগের বশবর্তী হয়ে ব্যক্তিগত চ্যাটের স্ক্রিনশট অথবা অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করবেন না। এটি অন্যের কাছে আপনার গ্রহণযোগ্যতা কমাবে।

ফেসবুক বা অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যমে প্রাক্তন সঙ্গীর সঙ্গে প্রকাশ করা মুহূর্তগুলো বারবার দেখবেন না। এটি আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির কারণ হবে। মনে রাখবেন, বর্তমান পরিস্থিতি থেকে আপনাকে বের করতে পারবেন কেবল আপনিই!

আপনার হতাশা আপনার কাছের মানুষগুলোর কাছে যতটা গুরুত্বপূর্ণ, সবার কাছে কিন্তু ততটা নয়! তাই নিজের হতাশার কথা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ না করাই ভালো। বারবার নিজের অনুভূতি ও হতাশার ব্যাপারে প্রকাশ করতে থাকলে সেটা অন্যের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

হতাশা দূর করার জন্য বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে পারেন। ঘুরতে যেতে পারেন দূরে কোথাও অথবা সিনেমা দেখতে পারেন। তবে এসব মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করবেন না। কারণ এই ধরনের পোস্টে কেউ নেতিবাচক মন্তব্য করে বসলে সেটা আপনার জন্য হিতে বিপরীতই হবে।

প্রাক্তন সঙ্গী আপনার প্রোফাইল ও কর্মকাণ্ড দেখছে- এই চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। কারণ এই চিন্তা থেকে তাকে দেখানোর জন্য বিভিন্ন পোস্ট দিতে ইচ্ছে করবে, যা আপনার জন্যই ক্ষতির কারণ হবে।

প্রাক্তন সঙ্গী ও তার আশেপাশের মানুষের প্রোফাইল দেখবেন না। এতে করে আরও হতাশ হয়ে পড়বেন।

সবচেয়ে বড় কথা, নিজের মতো সময় কাটান। এ সময় শিশুসুলভ আচরণ পরিহার করা জরুরি। আপনি খুব কষ্টে আছেন, সেটা যেমন প্রকাশ করবেন না, তেমনি খুব ভালো আছেন সেটাও দেখানোর দরকার নেই। আপনি যেমন, ঠিক তেমনই থাকার চেষ্টা করুন।

 

 

সহজেই তৈরি করুন মজাদার আচারি মুরগি

স্বাদে ভিন্নতা নিতে আসতে মুরগির মাংস রান্না করতে পারেন একটু অন্যভাবে। আচারের তেল ও মসলা দিয়ে মজাদার আচারি মুরগি রান্না করে ফেলুন। এটি গরম ভাত অথবা রুমালি রুটির সঙ্গে খেতে খুবই সুস্বাদু।
জেনে নিন কীভাবে রান্না করবেন আচারি মুরগি-
উপকরণ
মুরগির মাংস- ৫০০ গ্রাম
জিরা- ১ চা চামচ
সরিষা- ১ চা চামচ
কাঁচামরিচ- ২টি
লাল মরিচ- ৫টি
আদা বাটা- ২ চা চামচ
টক দই- ১ কাপ
হলুদ গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
গরম মসলা গুঁড়া- ১/৩ চা চামচ
ধনেপাতা কুচি- ২ টেবিল চামচ
মেথি- ১/২ চা চামচ
মৌরি- ১ চা চামচ
তেজপাতা- ১টি
পেঁয়াজ- ১টি (বড়)
রসুন- ১০ কোয়া
মরিচ গুঁড়া- ২ টেবিল চামচ
আচারের মসলা- ১ টেবিল চামচ
জিরা গুঁড়া- ১ চা চামচ
সরিষার তেল- প্রয়োজন মতো
লেবুর রস- ২ টেবিল চামচ
পাঁচফোড়ন- ১/২ চা চামচ
প্রস্তুত প্রণালি
প্যানে সরিষার তেল গরম করে নিন। তেল থেকে ধোঁয়া বের হতে শুরু করলে মরিচ কুচি ভেজে নিন। চুলার জ্বাল কমিয়ে মরিচ উঠিয়ে ফেলুন। একই তেলে জিরা ও সামান্য মেথি দিয়ে ভাজুন। মৌরি ও সরিষা দিয়ে নাড়তে থাকুন। ভাজা ভাজা হয়ে গেলে আস্ত লাল মরিচ ও তেজপাতা দিয়ে নিন প্যানে। পেঁয়াজ কুচি দিয়ে সোনালি না হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। আদা বাটা ও ৭-৮টি রসুনের কোয়া ছেঁচে একই প্যানে দিয়ে দিন। সুগন্ধ বের না হওয়া পর্যন্ত মসলার মিশ্রণ নাড়তে থাকুন। আলাদা আরেকটি পাত্রে মরিচ গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া, জিরার গুঁড়া, ধনেপাতা কুচি ও গরম মসলা গুঁড়ার সঙ্গে দই মিশিয়ে ফেটিয়ে নিন। মিশ্রণটি ও আচারের মসলা প্যানে দিয়ে নিন। দইয়ের মিশ্রণ থেকে তেল বের না হওয়া পর্যন্ত নাড়তে থাকুন।
মসলার মিশ্রণে মুরগির মাংসের টুকরা দিয়ে চুলার জ্বাল বাড়িয়ে দিন। ১০ মিনিট পর চুলার জ্বাল কমিয়ে পাত্রটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। ৭-৮ মিনিট পর পর ঢাকনা উঠিয়ে নেড়ে নিন মাংস। ২০ মিনিট পর মাংস সেদ্ধ হয়ে গেলে পাঁচফোড়ন, লেবুর রস ও ধনেপাতা কুচি দিয়ে নামিয়ে নিন।

 

 

গরমের আপনাকে স্বস্তি দিতে পারে তেঁতুলের শরবত

তেঁতুল শব্দটি শোনার সঙ্গে সঙ্গেই জিভে পানি চলে আসে। তবে অতিরিক্ত টকের কারণে অনেকেই তেঁতুল খান না। ছেলেবেলায় শুনে এসেছি তেঁতুল খেলে শরীরের রক্ত পানি হয়ে যায়, ব্রেনের ক্ষতি হয়। আসলে এসব কিছুই হয় না। তেঁতুলে থাকা ভিটামিন-মিনারেলস স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী। বিশেষ করে গরমে তেঁতুলের শরবত আপনাকে দেবে অতুলনীয় শান্তি।

উপকরণ:

তেঁতুল ১০০ গ্রাম

লবণ পরিমাণমতো

চিনি ২ কাপ

ধনিয়া পাতা কুচি ১ চা চামচ

কাঁচা মরিচ কুচি ১টি

জিরার গুঁড়া- আধ চা চামচ

ঠাণ্ডা পানি ২ লিটার

বরফ- ইচ্ছামতো

 

প্রণালি: প্রথমে তেঁতুল ভিজিয়ে রেখে বিচি আলাদা করে একটি পাত্রে তেঁতুলের ক্বাথ ছেকে নিতে হবে। এবার ব্লেন্ডারে কিংবা জগে তেঁতুলের ক্বাথের সঙ্গে ঠাণ্ডা পানি মিশিয়ে বরফ ছাড়া সব উপকরণ দিয়ে ভালোমতো ঘুটে দিতে হবে। ইচ্ছামতো বরফ দিয়ে পরিবেশন করুন শরবত।

 

সৌদি থেকে দেশে ফিরছে অবৈধ ১২ হাজার বাংলাদেশি

0

কর্মসংস্থান আর অর্থ আয়ের জন্য অনেকের কাছে স্বপ্নের দেশ সৌদি আরব। যে কারণে কেউ হজ, উমরাহ বা ঘুরতে গিয়ে অবৈধভাবে বসবাস শুরু করেন। এরা ধরা পড়লেই জেল-জরিমানা। সম্প্রতি সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন নায়েফ এসব অবৈধ অভিবাসীদের সুযোগ দিলো সৌদি সরকার। ৯০ দিনের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়েছে। জেল-জরিমানা ছাড়াই দেশে ফিরতে পারবেন তারা। এজন্য দূতাবাস ও কনস্যুলেট থেকে আউটপাস সংগ্রহ করতে হতে।

এ ঘোষণার আওতায় বৈধ হওয়ার কোন সুযোগ নেই। তবে অবৈধ অভিবাসীরা এনিয়ে সৌদির সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে বৈধতা দেয়ার দাবি জানিয়েছেন।

ঘোষণা অনুযায়ী, দেশে ফিরতে চাইলে আবারও সৌদি আরবে আসার আবেদন করতে পারবেন এসব অভিবাসীরা। আর এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রবাসীরা। অবৈধ অভিবাসীদের খুঁজে বের করতে এরইমধ্যে ট্রাস্কফোর্স গঠন করেছে সৌদি সরকার। শিগগিরই মাঠে নামবে তারা। স্থাপন করা হয়েছে বেশ কিছু ডিটেনশন সেন্টারও।

ঘোষণা অনুযায়ী, আবাসন খাতে ও শ্রম আইন লঙ্ঘনকারীদের জন্য ৯০ দিনের সময় দেওয়া হয়। বলা হয়, এ সময়সীমার মধ্যে আইন লঙ্ঘনকারীরা জরিমানা ছাড়া সৌদি আরব ছেড়ে যেতে পারবেন।

যারা অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশ করে কাজ করছেন বা যাদের কাগজপত্র নেই- তাদেরকে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন নায়েফ এই সাধারণ ক্ষমার সুযোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সেইসঙ্গে তিনি এই ক্যাম্পেইনে সবাইকে সহযোগিতা করার অনুরোধ করেছেন।

বাংলাদেশ দূতাবাস পাসপোর্ট বিভাগ এবং শ্রম ও উন্নয়ন  কর্মকর্তারা বলছেন, প্রাথমিকভাবে ভালোই সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। তারা আশা করছেন সকল অবৈধ বাংলাদশি এ সুযোগ নেবেন। অভিযান চালুর পর থেকে ১০হাজারের মত বাংলাদেশি ও প্রথম সপ্তাহে জেদ্দা ও মদিনায় ৬ হাজারের মতো পাকিস্তানি, এছাড়া ভারতের প্রায় ১৪ হাজার প্রবাসী সৌদি ছাড়ার জন্য ছাড়পত্র নিয়েছে ।

সাধারণ ক্ষমার এ প্রচারণা চালাতে কাজ করছে সরকারের ১৯টি সংস্থা। এছাডা সৌদি আরবে বেশকিছু ডিটেনশন সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে, রিয়াদে ১৩টি, পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে ৬টি, মক্কায় ৪টি, আল কাছিমে ৩টি, মদীনায় ৩টি, আসিরে ৩টি, তাবুকে ৩টি, আল বাহা ২টি, আল জৌফে ২টি, উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তে ২টি, জিজানে একটি, নাজরানে ১টি এবং হাইলে ১টি।

 

দোহারে এইচএসসির প্রশ্নপত্রসহ আটক ৩

দোহার উপজেলার জয়পাড়া কলেজে এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে প্রশ্ন ও উত্তরপত্রসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আজ বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে সন্দেহজনক ঘুরাফেরার সময় ওই তিনজনকে আটক করেন উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা কেএম আল আমিন। তাদের কাছ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ের প্রশ্ন ও উত্তরপত্র উদ্ধার করা হয়। উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা কেএম আল আমিন আটকের বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি আটক ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় জানাতে পারেননি।

 

দোহারে অবৈধ ইজিবাইকের দৌরাত্ম্য

দোহার উপজেলায় আকস্মিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে বিদ্যুৎ চালিত ইজিবাইক। ইজিবাইকের ফলে দোহারের প্রধান সড়কগুলোতে দেখা দিয়েছে তীব্র যানজট ও প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট বড় অসংক্ষ দুর্ঘটনা। যার ভুক্তভোগী হচ্ছেন পথচারী সাধারণ জনতা।

প্রায় প্রতিটি ইজিবাইক চালক কোনরূপ প্রশিক্ষণ গ্রহণ না করেই প্রধান সড়কে ড্রাইভিং করছে তারা। কিছুক্ষেত্রে দেখা যায়, অনেক অপ্রাপ্তবয়স ছেলেরাও ইসিবাইক ড্রাইভিং করছে। এতে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে প্রান হারাচ্ছে সাধারণ পথচারী।

নারিশা বাসিন্দা আলি হোসেন বলেন, আজকাল অতিরিক্ত ইসিবাইকের ফলে রাস্তায় বের হওয়া মুশকিল হয়ে গেছে। অদক্ষ ড্রাইভারের কারনে দুর্ঘটনা প্রবণতা থেকেই যায়। সরকারের উচিৎ এই অবৈধ ইসিবাইক উচ্ছেদ করা।

দোহার থানা প্রশাসন কয়েকবার এই ইজিবাইক চলাচল বন্ধ করার উদ্যোগ গ্রহন করার পরেও কোন এক অজ্ঞাত কারনে আপাতত বন্ধ রেখেছে তাদের অভিযান। ইজিবাইক বন্ধ না করলে দোহারের বিদ্যুৎ ঘাটতি ও সড়ক দুর্ঘটনার প্রবণতা থেকেই যাবে।

নবাবগঞ্জে অভিবাসী বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নবাবগঞ্জ উপজেলায় ‘বৈদেশিক কর্মসংস্থান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সচ্ছতা ও জবাবদিহিতা তৈরিতে করণীয়’ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রাম (ওকাপ) এর আয়োজন করেন।

গতকাল ২৫ এপ্রিল ঙ্গলবার দুপুর ২টায় উপজেলা সভা কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সরকারী-বেসরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, প্রবাস ফেরত কর্মীসহ নানা শ্রেণি পেশার লোক উপস্থিত ছিলেন।

আগলা ইউপি চেয়ারম্যান আবেদ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ শহীদুল আমীন, সমবায় কর্মকর্তা আবু জাফর, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রহিমা বেগম, কলাকোপা ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইব্রাহীম খলিল, নবাবগঞ্জ প্রেস ক্লাব আহবায়ক আলম হোসেন  ইউপি সচিব গোলাম মোস্তফা, ওকাপের প্রকল্প পরিচালক আকিব আনোয়ার, প্রকল্প কর্মকর্তা মো. বায়েজিদ আলম, প্রশিক্ষক সালমা আক্তার প্রমূখ।

 

দোহারে ৫৫ পিচ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

দোহার উপজেলার মুকসদপুর ইউনিয়নের পূর্ব মৌড়া এলাকা থেকে ৫৫পিচ ইয়াবাসহ রবিন (২২) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে দোহার থানার এস আই তানভীর মোর্শেদ এবং এসআই সৈয়দ জহুরুল হক।

আটককৃত রবিন উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের উত্তর শিমুলিয়া গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল ২৫ এপ্রিল বিকেল পাঁচটার দিকে আরেক মাদক ব্যবসায়ী জার্মান মোড়লের বাড়ি থেকে রবিনকে ৫৫ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ  আটক করে পুলিশ। পরে পুলিশ তাকে আটক করে দোহার থানায় নিয়ে আসে।

এ বিষয়ে দোহার থানার দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম শেখ বলেন, বরিন এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী । তাকে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের নিয়মিত মামলায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। যার মামলা নং-৭(০৪)১৭ খ্রিঃ ধারা-১৯৯০ সনের মাঃ দঃ নিঃ আইনের ১৯(১) এর ৯(খ)/২৫।