GAD এর নতুন কমিটিঃ এমএ রহিম সভাপতি, রোকেয়া জুই সেক্রেটারি

গ্র্যাজুয়েট এসোসিয়েশন অব দোহার বা GAD এর নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি মনোনীত হয়েছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি এম এ রহিম ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ঢকা কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক রোকেয়া পারভীন জুই।  শুক্রবার গ্র্যাজুয়েট এসোসিয়েশন অব দোহারের ২০১৭ এর বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। একই সাথে এই সভা থেকে নতুন কমিটি দায়িত্ব বুঝে নেয়, এ সময় পুরাতন কমিটির পক্ষে অধ্যাপক মোহিউদ্দিন মোহন শুভ কামনা জানিয়ে নতুন কমিতির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।

এই ব্যাপারে গ্র্যাজুয়েট এসোসিয়েশন অব দোহারের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক খালিকুজ্জামান জুয়েল নিউজ৩৯কে বলেন, শুক্রবার গ্র্যাজুয়েট এসোসিয়েশন অব দোহারের ২০১৭ এর বার্ষিক সভায় পল্টনে সাসকো আন্তর্জাতিকের অফিসে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে নতুন কমিটি গঠিত হয়। এই কমিটি দোহারের আনাচে কানাচে শিক্ষা, সমৃদ্ধির আলোকে ছড়িয়ে দিবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এছাড়া নতুন কমিটি গ্যাডের জন্য আলাদা ভবন নির্মাণ, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে আরো টেকসই ভূমিকা রাখবে বলে তিনি মনে করেন।

পদ্মা কলেজের রজত জয়ন্তীর তারিখ পরিবর্তন; হবে জানুয়ারি মাসে

পদ্মা কলেজের রজত জয়ন্তীর তারিখ পরিবর্তন; হবে জানুয়ারি মাসে

পদ্মা কলেজের প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। আগামী ২৫শে ডিসেম্বর ছিল রজত জয়ন্তির তারিখ।সম্প্রতি রজত জয়ন্তী কমিটির আহবায়ক মহাপরিদর্শক নিবন্ধন, আই জি আর ড. খান মোঃ আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে এক মিটিং এ এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আগামী জানুয়ারি-২০১৮ এর শেষ সপ্তাহে প্রোগ্রাম হবে বলে জানা গেছে।

এই ব্যাপারে নিউজ৩৯ কে পদ্মা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জালাল হোসেন বলেন, সরকারের শিক্ষা মন্ত্রাণালয়ের ঘোষিত শীতকালীন বন্ধ, এইচ এইস সি পরিক্ষার্থী ও ডিগ্রী পরিক্ষার্থীদের ফর্ম ফিলাপের জন্য অনুষ্ঠান সূচী পরিবর্তন করা হয়েছে। আগামী জানুয়ারি-২০১৮ সালের শেষ সপ্তাহ ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে আবার পদ্মা কলেজের রজত জয়ন্তী অনুষ্ঠান হবে। তবে অনুষ্ঠানের জন্য রেজিস্ট্রেশন ও স্মরণিকার কাজ চলমান থাকবে।

এই ব্যাপারে কোন কিছু জানতে হলে, তিনি কলেজ অফিসে যোগাযোগ করতে বলেন।

যা আছে নতুন শিক্ষা আইনে?

0

চলতি সংসদের আসছে অধিবেশনে তোলা হচ্ছে শিক্ষা আইন-২০১৭। এরই মধ্যে আইনটির খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা আইন প্রণয়নে গঠিত কমিটির প্রধান ও মন্ত্রণালয়টির অতিরিক্ত সচিব আহসান হাবিব তালুকদার। সরকার চাইলে সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে তুলতে পারে বলে জানান আইন প্রণয়ন কমিটি সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু কর্মকর্তা।

সম্প্রতি সচিবালয়ে দুদকের সাথে এক সভায় শিক্ষা আইন এবারই সংসদে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ। পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস দুর্নীতির নতুন সংযোজন। কতিপয় ক্ষেত্রে অবৈধ অর্থের বিনিময়ে দুর্নীতিপরায়ণ সরকারি কর্মকর্তা এ জাতীয় অপরাধে সংশ্লিষ্ট থাকেন বলে মনে করে দুদক। এ বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধানে প্রাপ্ত সুপারিশমালা বাস্তবায়নের তাগিদ দেওয়া হয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে। তাদের অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে দুদকের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. নাছির উদ্দিনের এমন অভিযোগের পর শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, শিক্ষা আইন পাস হলে এ ধরনের দুর্নীতি থাকবে না।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আইন শাখা সূত্রে জানা গেছে, নতুন এ আইনে নিষিদ্ধ হচ্ছে প্রাইভেট-টিউশন, কোচিং বাণিজ্য এবং গাইড বই। আইন অমান্য করে এমন কাজ করলে শাস্তিরও বিধান রাখা হচ্ছে শিক্ষা আইনে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এ আইনকে স্বাগত জানিয়েছেন অনেকে। জাতীয় শিক্ষানীতির বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে ২০১০ সালে শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটির একটি সমন্বিত শিক্ষা আইন প্রণয়নের সুপারিশের ভিত্তিতে শুরু হয় এ আইন প্রণয়নের কাজ। ওই সুপারিশের ৭ বছরের মাথায় এসে শিক্ষা আইনের একটি খসড়া চূড়ান্ত করতে পেরেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

আইনটিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের বাইরে কোনো ধরনের প্রাইভেট, টিউশন এবং কোচিং বাণিজ্য করা যাবে না। এমনকি সহায়ক বই প্রকাশের ক্ষেত্রেও জাতীয় শিক্ষক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। যদি কেউ প্রাইভেট, টিউশন অথবা কোচিং বাণিজ্য করেন সেক্ষেত্রে কমপক্ষে ২ লাখ টাকা জরিমানা ও ৬ মাসের কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীকে মানসিক ও শারীরিক শাস্তি দিলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা ৩ মাসের কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। পাশাপাশি আইনটিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি, পদোন্নতি এবং আচরণবিধির বিষয়গুলো স্থান পেয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস স্থাপনের বিষয়ে আইনটিতে বলা হয়েছে, অনুমতি ছাড়া কেউ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস স্থাপন করলে ৫ বছর কারাদণ্ড অথবা ১০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

এ ছাড়াও আইনটিতে বলা হয়েছে, জাতীয় শিক্ষক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক টিউশন ও অন্যান্য ফি নির্ধারণ করে দেওয়া হবে এবং নকল বা প্রশ্ন ফাঁসে সহায়তা করলেও থাকছে শাস্তির বিধান। যেসব শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারে না বা শিক্ষার্থী নেই অথচ শিক্ষকরা বেতন নিচ্ছেন, এমন অপ্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠান বন্ধের কথা বলা আছে আইনটির চূড়ান্ত খসড়ায়।

শিক্ষা আইনের চূড়ান্ত খসড়া অনুসারে এক ব্যক্তি একাধিক শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি বা গভর্নিং বডির প্রধান হতে পারবেন না। কোনো শিক্ষক প্রাইভেট পড়ালে বাতিল হবে তার এমপিও। ইংরেজী মাধ্যমের প্রতিষ্ঠানেও বাংলা ও বাংলাদেশ স্টাডিজ বিষয় পড়ানো বাধ্যতামূলক হবে।

তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রশ্ন ফাঁসের জন্য শাস্তির বিষয়ে চূড়ান্ত খসড়া আইনে কিছু বলা হয়নি। এমন প্রশ্নের জবাবে সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষায় নকলের বিষয়ে আলাদা একটি আইন আছে। এ ছাড়া তথ্য-প্রযুক্তি আইন অনুযায়ী তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রশ্ন ফাঁস বা বিভ্রান্তি ছড়ালে ১৪ বছরের জেল বা এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। যেহেতু আলাদা আইন আছে তাই শিক্ষা আইনে বিষয়টি রাখা হয়নি।

শিক্ষা আইনে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিষয়ে পরিষ্কার কোনো নির্দেশনা নেই। কারণ জানতে চাইলে ইউজিসির সাবেক চেয়ারম্যান ও শিক্ষাবিদ এ কে আজাদ পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, আইনটি হাতে না এলে এ বিষয়ে কিছু বলা মুশকিল।

তবে আইনটি নিয়ে কথা বলেছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। তিনি পরিবর্তন ডটকমের এ প্রতিবেদকের কাছে বলেন, আইনে যেগুলি বলা হয়েছে, বিশেষ করে কোচিং বাণিজ্য, প্রাইভেট পড়ানো ও প্রশ্ন ফাঁস ইত্যাদি তো বন্ধ করা উচিত। কিন্তু এসব কার্যক্রম আইনের দ্বারা বন্ধ হবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আছে। যখন সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে নৈতিকতার অবক্ষয় ঘটে তখন আইন দিয়ে তা বন্ধ করা সম্ভব হয় না।

তিনি বলেন, আসলে স্বার্থানেষী গোষ্ঠী অনেক বড় হয়ে গেছে, ফলে আইন হলেও শিক্ষা ক্ষেত্রে দুর্নীতি বন্ধ অনেক কঠিন হবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে দুর্নীতির ডালপালা বেড়ে গেছে, শুরু থেকে অংকুরেই এটা বন্ধ করা উচিত ছিল। তবে আইন থাকা ভাল।

ঢাকা-১ থেকে ঢাকা-১০ আসনের চিত্র প্রার্থী পরিবর্তন চায় আ’লীগ ; চমক দেখাবে বিএনপি

0

আগামী জাতীয় নির্বাচনে ঢাকায় নিরঙ্কুশ আধিপত্য ধরে রাখতে মরিয়া দেশের প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি।এ লক্ষ্যে নানা হিসাব-নিকাশ, চুলচেরা বিশ্লেষণ ও পরিকল্পনার ছক কষছেন দুই দলের হাইকমান্ড। এক্ষেত্রে জনপ্রিয় প্রার্থী বাছাইকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।

জানা গেছে, অর্ধেক আসনে আওয়ামী লীগ এবার প্রার্থী পরিবর্তন করবে। অন্যদিকে প্রার্থী বাছাইয়ে চমক দেখানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। তবে অনেকে নিজের নির্বাচনী এলাকায় ভিড়তে না পেরেও প্রার্থী হতে চাচ্ছেন রাজধানীর আসনগুলোয়।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের একাধিক নেতা জানান, ভোটারদের মন জয় করে বিজয়ী হওয়ার মতো জনপ্রিয় কেন্দ্রীয় ও নগর রাজনীতিতে প্রভাবশালীদের ঢাকার ২০টি আসনে প্রার্থী করা হবে।

আওয়ামী লীগ নেতারা আরো বলেন, রাজধানীর দক্ষিণে প্রভাবশালীদের বেছে নেয়া হবে। উত্তরে একটু পরিশীলিত প্রার্থী দেয়া হবে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দেশজুড়ে নাশকতা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে শুধু রাজধানী আওয়ামী লীগের দখলে থাকায়।

এ কারণে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকার ২০টি আসন কিভাবে ধরে রাখা যায় তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চালাচ্ছে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ড। দশম নির্বাচনে ঢাকায় মহাজোট শরিকদের পাঁচটি আসনে ছাড় দিলেও আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে দুই থেকে তিনটি আসনের বেশি ছাড় দেবে না আওয়ামী লীগ।

এদিকে আগামী একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকার নির্বাচনী আসনগুলোতে চমক দেখাতে চায় বিএনপি। এতে পাল্টে যেতে পারে বিএনপির ঢাকার বেশ কয়েকটি আসনের প্রার্থী তালিকা।

২০০৮ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের যোগ্যতা ও দুর্বলতাকে বিবেচনা করে এসব প্রার্থী বদল হবে বলে জানা গেছে। এছাড়া অনেক নেতার মৃত্যু ও নিষ্ক্রিয়তার কারণেও জনপ্রিয় নতুন প্রার্থীদের দেখা যাবে আগামী নির্বাচনে। সে জন্য ঢাকা মহানগর শীর্ষ নেতাদের মধ্যে ভেতরে ভেতরে চলছে প্রতিযোগিতা। যে যার অবস্থানে নিজেদের ধরে রাখার জন্য অবতীর্ণ হচ্ছেন নানা কৌশলে।

জানা গেছে, প্রার্থী পরিবর্তনের ইঙ্গিতের প্রেক্ষিতে সব আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ইতোমধ্যে এলাকাভিত্তিক গণসংযোগ এবং নেতাকর্মীদের নিয়ে দলীয় কর্মসূচি পালন ও বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছেন। এর পাশাপাশি দলের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি করে গুলশান অফিস ও নয়াপল্টন অফিসে যাতায়াত বাড়িয়ে দিয়েছেন। ব্যবহার করছেন ফেইসবুক, টুইটারসহ যোগাযোগের সব মাধ্যম। আর এসব মাধ্যমে আগামী নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার বিষয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

ঢাকা-১ (দোহার ও নবাবগঞ্জ) জাতীয় পার্টির (জাপা) সঙ্গে জোট না থাকলে এ আসনে প্রার্থী দেবে আওয়ামী লীগ। বর্তমান এমপি জাতীয় পার্টির নেতা সালমা ইসলাম।

আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় আছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা ও বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান, দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল মান্নান খান। স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ। সেই সাথে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুন ও মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী স্মৃতি কণা।

এ আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুুল মান্নান মনোনয়ন পেতে পারেন। তবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাক ও মনোনয়ন চাইবেন বলে জানা গেছে। সেই সাথে ভিপি কামালও মনোনয়ন চাইবেন বলে জানা গেছে।

ঢাকা-২ (কেরানীগঞ্জ-কামরাঙ্গীরচর) খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপির আসনে মনোনয়ন পেতে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহিন আহমেদ।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান এবারও এই আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচনে লড়বেন বলে তার অনুসারীরা জানান। তবে কোনো কারণে তাকে দেওয়া না হলে কামরাঙ্গীচর থানা বিএনপির সভাপতি মনির হোসেন রয়েছেন এ তালিকায়।

ঢাকা-৩ (কেরানীগঞ্জ) আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী বিদ্যুত্ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। এখানে তেমন বিকল্প প্রার্থী নেই। এ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও তার মেয়ে বিএনপির প্রান্তিক জনশক্তি উন্নয়ন বিষয়ক সহ-সম্পাদক অপর্ণা রায় দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী।

ঢাকা-৪ (শ্যামপুর-কদমতলী) বর্তমান এমপি জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতা সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা। স্থানীয় আওয়ামী লীগ এই আসনে দলীয় প্রার্থী চান। এখানে প্রার্থী হতে চান আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর সাবেক সহকারী একান্ত সচিব ড. আওলাদ হোসেন, অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম ও শ্যামপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন। এই আসনে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব প্রকট।

২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন মুন্সীগঞ্জের সাবেক এমপি আবদুল হাই। আগামী নির্বাচনে তিনি আবারো মুন্সীগঞ্জ থেকেই মনোনয়ন পেতে পারেন। এভাবে কাজও করেছেন তিনি। অন্যদিকে বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন আহমেদের ছেলে তানভির আহমেদ রবিন এই এলাকায় সাংগঠনিক অবস্থান শক্তিশালী করার পাশাপাশি নিজের অবস্থানকেও মজবুত করেছেন। সেই হিসেবে তাকে এবার মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে।

ঢাকা-৫ (ডেমরা-যাত্রাবাড়ী) বর্তমান এমপি আওয়ামী লীগের হাবিবুর রহমান মোল্লা। বয়সের ভারে এবার বাদ পড়ার আশঙ্কায় মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন বৃহত্তর ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ মুন্না।

বর্তমান এমপিপুত্র ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান সজলও এ আসনে মনোনয়নের জন্য কাজ করছেন। এ আসনে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে। তা সম্ভব না হলে সাবেক এমপি সালাউদ্দিন আহমেদ এ আসন থেকে মনোনয়ন নিয়ে লড়বেন। কেন্দ্রীয় গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া এবং ২০ দলীয় জোট শরিক বিজেপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আব্দুল মতিন সাউদও মনোনয়নের প্রত্যাশায় তত্পরতা চালাচ্ছেন।

ঢাকা-৬ (সূত্রাপুর-কোতোয়ালি) দলীয় প্রার্থী দিতে পারে আওয়ামী লীগ। বর্তমান এমপি জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতা কাজী ফিরোজ রশিদ। এ আসনে নগর নেতাদের দৃষ্টি বেশি। এখানে প্রার্থী হতে পারেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ। এছাড়া এ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় আছেন মহানগরের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফি, সাংগঠনিক সম্পাদক হেদায়েতুল ইসলাম স্বপন, ওয়ারী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি চৌধুরী আশিকুর রহমান লাভলু, সূত্রাপুর থানার সভাপতি হাজী মো. শাহিদ।

এ আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা। মামলা ও অসুস্থতার কারণে দেশে ফিরতে না পারলে তার ছেলে ইশরাক হোসেন মনোনয়ন চাইবেন। এছাড়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশারও মনোনয়ন প্রত্যাশী।

ঢাকা-৭ (লালবাগ-চকবাজার) বর্তমান এমপি হাজী মোহাম্মদ সেলিম। ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করেন তিনি। এখন আওয়ামী লীগের এমপি হিসেবে পরিচিত সেলিম। শারীরিক সমস্যার কারণে একাদশ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হতে পারেন তিনি।

এখানে মনোনয়ন দৌড়ে আছেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) সভাপতি মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, নগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোহাম্মদ আকতার হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবির।

২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন সাবেক এমপি কারাবন্দি নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টু। বিগত ওয়ান-ইলেভেনের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমল থেকে আমৃত্যু তিনি জেলে ছিলেন। তার অকাল শূন্যতায় সহধর্মিণী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি নাসিমা আক্তার কল্পনা মনোনয়ন চাইবেন। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে আরো রয়েছেন-বিএনপির সহ-যুববিষয়ক সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, পিন্টুর ভাই নাসিমউদ্দিন আহমেদ রিন্টু, মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি মীর আশরাফ আলী আজম, বিএনপির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ড. তুহিন মালিক।

ঢাকা-৮ (রমনা-মতিঝিল) বর্তমান এমপি বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে এবারও মহাজোটের প্রার্থী হবেন রাশেদ খান মেনন।

তবে এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী অনেক নেতার দৃষ্টি আছে। সম্ভাব্য প্রার্থী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা আবু কাউসার, দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাঈল চৌধুরী সম্রাট, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা বাহালুল মজনুন চুন্নু, বাহাদুর বেপারি, আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, সাবেক কমিশনার কামাল চৌধুরী, মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আশরাফ তালুকদারসহ অনেকে।

বিএনপি থেকে বরাবরই অংশ নিয়ে আসছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারাগারে থাকার কারণে গত নির্বাচনে অংশ নিতে না পারায় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হাবিবুন্নবী খান সোহেলকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এ আসনটি মির্জা আব্বাসের থাকায় আগামী নির্বাচনে তিনি এখান থেকে মনোনয়ন আশা করছেন।

ঢাকা-৯ (মুগদা-সবুজবাগ) বর্তমান এমপি আওয়ামী লীগের সাবের হোসেন চৌধুরী। আগামী নির্বাচনে এ আসনে মনোনয়ন পেতে চান সাবেক ছাত্রনেতা গিয়াস উদ্দিন পলাশ, আনিসুর রহমান আনিস, আলমগীর চৌধুরী ও আশরাফুজ্জামান ফরিদ। গত নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছিলেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা। তবে মির্জা আব্বাস তার সহধর্মিণী ও মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের জন্য মনোনয়ন চাইবেন বলে জানা গেছে।

ঢাকা-১০ (ধানমন্ডি) আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস এমপি। নির্বাচনী এলাকায় সব ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন তিনি। এখানে আওয়ামী লীগ বিকল্প প্রার্থী বিবেচনা করছে না। ২০০৮ সালে বিএনপির প্রার্থী হয়েছিলেন সাবেক এমপি ও সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুবউদ্দিন আহমদ। তার মৃত্যুতে এবার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শেখ রবিউল আলম রবি মনোনয়ন প্রত্যাশী। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী তালিকায় আরো রয়েছেন বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক নাসিরউদ্দিন অসীম, সাবেক কমিশনার আবদুল লতিফ। এছাড়া এ আসনে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদার বড় বোন বিন্দুর প্রার্থিতা নিয়েও গুঞ্জন রয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক

দোহার-নবাবগঞ্জে বড় দিনের প্রস্তুতি

২৫ ডিসেম্বর খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড় দিন। ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার আঠার গ্রামের খ্রীষ্টান পল্লীর বাড়িতে বাড়িতে চলছে সাজসজ্জা। অতিথিদের নিমন্ত্রন করা হচ্ছে মোবাইল ম্যাসেজ, কার্ডসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। বড়দিনে শুধু খ্রীষ্টান সম্প্রদায় নয় ঐসব এলাকার হিন্দু ও মুসলিম পরিবার গুলোকেও দাওয়াত করতে ভুল করছেন না তারা। অতিথি আপ্যায়নে কোন রকমের ত্রুটি না রাখতে বাড়ি বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে রকমারী পিঠাপুলি। তবে বড়দিনের অনুষ্ঠানে অতিথি আপ্যায়নে কেকই প্রাধান্য দেয়া হয়। প্রতিটি বাড়ির সামনে সাজানো হচ্ছে ক্রিসমাস ট্রি। শিশুদের বন্ধু হিসেবে পরিচিত সান্তাক্রুসের উপহার পেতে আবেগ আপ্লুত হয়ে আছে শিশুরা। অপেক্ষার দিনক্ষণ শেষ হতে বেশি সময় দেরি না হলেও মহাব্যস্ত এ এলাকার খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের পরিবার গুলো।

বড় দিন উপলক্ষে এলাকা নবাবগঞ্জের বান্দুরা বাজারের তৈরি পোশাক মার্কেট গুলোতে ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততা বেড়ে গেছে। সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ক্রেতাদের আনাগোনা চলছে। বান্দুরা বাজারের মুকুল বস্ত্রালয়ের মালিক মুকুল সিদ্ধা জানান, রুচিশীল রকমারী পোশাকের সমাহারে দোকান সাজানো হয়েছে। প্রতি বছরের চেয়ে বিক্রি ভালই চলছে। উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা যাচ্ছে বেশ। শেষ পর্যন্ত ভালো বিক্রি হবে বলে আশা করছি।

খ্রীষ্টান অধ্যষিত বান্দুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিল্লাল মিয়া জানান, বান্দুরা ইউনিয়নের মুসলমান, হিন্দু ও খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের বসবাস। আমরা অত্যন্ত সৌহার্দপূর্ণভাবে বসবাস করছি। বড়দিন এলে এখানে সকল সম্প্রদায়ের মিলন মেলায় পরিণত হয়।

নবাবগঞ্জের হাসনাবাদ গির্জার প্যারিস কমিটির সহ-সভাপতি সেলেস্টিন রোজারিও জানান, নবাবগঞ্জ ও দোহারের আঠার গ্রামের খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের মূল কেন্দ্র হাসনাবাদ জপমালা রানীর গীর্জা। এর ৭ গ্রামের মূল অনুষ্ঠান হাসনাবাদে হয়ে থাকে। ২৪ ডিসেম্বর রাত থেকে আমাদের ধর্মীয় আচার শুরু হবে।

এদিকে, গ্রামের গীর্জা ও উপধর্মপল্লী গুলোকে সাজানো হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ঝলমলে আলোক সজ্জায়। দোহারের ইকরাশী উপধর্মপল্লী, নবাবগঞ্জের সোনাবাজু উপধর্মপল্লী, হাসনাবাদ গীর্জা, গোল্লা গীজা, তুইতাল গীর্জা, বক্সনগর গীর্জার প্যারিস কমিটির তৎপরতাও তাই বেড়েছে। গীর্জার অভ্যন্তরে দৃষ্টি নন্দন ভাবে ডিসপ্লে করা হবে কুড়ে ঘরের ভিতর মাদার মেরীর কোলে যিশুখ্রীষ্টের মুর্তি। গীর্জায় প্রার্থনায় করতে আসা পূণ্যার্থীদের আগমন নিরবিচ্ছিন্ন করতে তৈরি করা হচ্ছে বিশেষ ভলেন্টিয়ার টিম। সব মিলিয়ে আগাম উৎসব চলছে খ্রীষ্টান অধ্যুষিত গ্রাম গুলোতে।

অন্যদিকে, দোহারের ঈমামনগর গ্রামের জন গমেজ জানান, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পরিবার নিয়ে বড়দিন পালনের প্রস্তুতি নিয়েছি। ইতি মধ্যে নতুন পোশাক কেনাকাটা হয়ে গেছে। এলাকার হিন্দু ও মুসলামানদেরও দাওয়াত করেছি।

হাসনাবাদ জপমালা রানীর গির্জার ফাদার ম্যাক্সওয়েল জানান, নবরাজ খ্রীষ্টকে গ্রহন করতে বড় দিনের ৯দিন আগে থেকে নভেনা খ্রীষ্ট যাগ বা পাপস্বীকার পর্ব চলছে। দোহার, নবাবগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার প্রায় ৩ হাজার পরিবারে উৎসব পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ উৎসব বড় দিনের কির্তনের (ক্যারল) মধ্যে দিয়ে শেষ হবে। উৎসব নিরবিচ্ছিন্ন করতে প্রশাসনের সহযোগীতা চাওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ওসি মো. মোস্তফা কামাল বলেন, গীর্জা ও এর আশপাশে সর্বাত্মক নিরাপত্ত্বা নিশ্চিত করা হবে। নিরাপত্ত্বার স্বার্থে ইতিমধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য চাওয়া হয়েছে।

নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, বড়দিন উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন সর্বাত্মক সহযোগীতা করবে। নিরাপত্ত্বার দায়িত্বে পুলিশের বিশেষ টিম মাঠে থাকবে।

দোহার-নবাবগঞ্জ আন্তর্জাতিক অভিবাসন দিবস পালিত

“নিরাপদ অভিবাসন যেখানে, টেকসই উন্নয়ন সেখানে” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ঢাকার দোহার- নবাবগঞ্জ উপজেলায় আন্তর্জাতিক অভিবাসন দিবস পালিত হয়েছে।

দিবস উপলক্ষে দুপুর ১২টায় দোহার উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক অভিবাসন দিবস উপলক্ষে একটি র‌্যালী বের হয়। র‌্যালীটি জয়পাড়ার রতন চত্বর পর্যন্ত গিয়ে ফিরে এসে উপজেলা পরিষদ হল রুমে আলোচনা করেন। উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম আল-আমীন , উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইমরুল হাসান, সমবায় কর্মকর্তা রওশন আরা বেগম প্রমূখ।

দোহার-নবাবগঞ্জ আন্তর্জাতিক অভিবাসন দিবস পালিত

অপরদিকে দিবসটি উপলক্ষে সোমবার সকাল ১১টায় নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ভবনের মূল ফটক থেকে থেকে একটি র‌্যালী বের করে প্রশাসন কর্তৃপক্ষ। পরে ফিরে এসে আলোচনা সভা করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া ও  বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ।

জয়পাড়াতে এক্সিম ব্যাংকের ১১৭তম শাখা উদ্বোধন

ঢাকার দোহারের জয়পাড়াতে এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক(এক্সিম ব্যাংক) এর ১১৭তম শাখা উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার দোহারের প্রাণপকেন্দ্র জয়পাড়াতে শাখাটি উদ্বোধন করেন এক্সিম ব্যাংকের পরিচালক খন্দকার মোহাম্মদ সাইফুল আলম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী ড. মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন দোহার পৌরসভার মেয়র আব্দুর রহিম মিয়া।

জয়পাড়াতে এক্সিম ব্যাংকের ১১৭তম শাখা উদ্বোধন

সভাপতির বক্তব্যে ড. মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ব্যাংকের দৃঢ় আর্থিক অবস্থান, গ্রাহকবান্ধব বিনিয়োগ ও আমানত সেবাসমূহ সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং সিএসআর কার্যক্রমে ব্যাংকের অবদানসহ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পদক ও স্বীকৃতি এবং কৃষি বিনিয়োগে শতভাগ সাফল্য অর্জন করায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে পরপর তিনবার প্রশংসাপত্র লাভের কথা উল্লেখ করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদেরকে এক্সিম ব্যাংকের কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ের অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খন্দকার মোহাম্মদ সাইফুল আলম এক্সিম ব্যাংকের সুদৃঢ় আর্থিক কাঠামোর কথা উল্লেখ করে বলেন, এক্সিম ব্যাংক নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও দেশের শিল্প ও ব্যবসা বাণিজ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হুমায়ূন কবীর, জয়পাড়া হাইস্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক হায়াত আলী মিয়াসহ ব্যাংকের নির্বাহীবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

লাশ গোসলেই খুনের রহস্য!

নিলুফা আক্তারের স্বামী বিদেশে। দুই সন্তান নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়িতেই থাকেন। এক সকালে বেডরুমে মিলল তার লাশ। দুই সন্তানের কান্না এবং শ্বশুর, শাশুড়ি আর দেবরের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন।

সবাই জানতে পারেন, নিলুফা আক্তার আত্মহত্যা করেছেন। সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় শাড়ি পেঁচিয়ে ঝুলে ছিলেন। বাসার লোকজন ঝুলন্ত অবস্থা থেকে তাকে নামিয়ে আনে।

শ্বশুর-শাশুড়ির এমন কথায় লোকজন বিশ্বাস করলেও সন্দেহ ছিল তাদের মধ্যে। কিন্তু তারা এ নিয়ে উচ্চবাচ্চ করেননি। তাদের পরামর্শে নিলুফারকে সকালেই নেওয়া হয় হাসপাতালে। চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

থানায় মামলা হয়। ময়নাতদন্ত হয় লাশের। রিপোর্ট আসে আত্মহত্যার। পুলিশের তদন্তও একই পথে। আত্মহত্যায় প্ররোচিত করার দায়ে অভিযুক্ত করা হয় নিলুফারের শ্বশুড়বাড়ির লোকজনকে। আসামিরা আদালত থেকে জামিন নিয়ে নেন। ব্যস, এটুকুই।

নিলুফারের মৃতদেহ দাফন করা হয় তার বাবার বাড়ি নবাবগঞ্জ-দোহারে। পুরো ঘটনার সমাপ্তি ঘটে।

ঘটনাটি মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার। ২০১৬ সালের মে মাসের ঘটনা এটি। নিলুফার আত্মহত্যা করেছেন, এ বিষয়টি তার পরিবারের কেউ মানতে চান না। তাদের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে। নিলুফারের দুই সন্তানের কাছ থেকেও তারা জানতে পেরেছেন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা। মামলাটি নতুন করে তদন্ত শুরু করে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

জেলা প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শম্পা ইয়াসমীনের নেতৃত্বে মামলার নতুন তদন্ত শুরু হয় ঘটনার প্রায় এক বছর পর। শ্রীনগর থানার এই মামলাটি প্রথমে তদন্ত করে থানা পুলিশ। এর দুই মাস পর তদন্তের ভার পায় সিআইডি। সাত মাস তদন্ত শেষে সিআইডি প্ররোচিত আত্মহত্যার ৩০৬ ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করে আদালতে।

পিবিআই তদন্তে জানতে পারে নিলুফারের স্বামী রাহাত খান বিদেশে থাকায় তিনি শ্বশুরবাড়িতেই দুই সন্তান নিয়ে থাকতেন। কিন্তু কিছু দিন যাওয়ার পর রাহাতের ভাই শফিকের নজর পড়ে তার দিকে। তিনি নানাভাবে তাকে উত্ত্যক্ত করতেন।

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে যায় যে, নিলুফার দুই সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। সেখানেই থাকতে থাকেন। কিন্তু নিলুফারের শাশুড়ির অনুরোধে তিনি আবারও ফিরে আসেন শ্বশুরবাড়ি। নিলুফারের যমজ দুই সন্তানের একজন ঘুমায় তার দাদার সঙ্গে, অন্য শিশু মুসকান ঘুমায় মায়ের সঙ্গে।

২০১৬ সালের ২৪ মে রাতে সবাই ঘুমিয়ে যায়। দেবর শফিক এই সুযোগে নিলুফারের ঘরে ঢোকেন। নিলুফার তার সন্তানকে নিয়ে তখন ঘুমিয়ে ছিলেন। শফিক হঠাৎ নিলুফারের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালান।

শিশু সন্তান মুসকানের ঘুম ভেঙে যায়। শফিক তখন তাকে ভয় দেখায়। বলে, ‘চিত্কার করবি তো মেরে ফেলব। ’ ভয়ে চুপ করে থাকে মুসকান। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে চিৎকারের চেষ্টা করেন নিলুফার। এ সময় মুসকানও কান্না করতে থাকে।

দৌড়ে আসেন নিলুফারের শাশুড়ি। তিনি বলেন, ‘নিলুফার তো সবাইকে বলে দেবে। ’ শফিক হ্যাঁচকা টানে নিলফারকে মেঝের ওপর শুইয়ে দেন। গলা চেপে ধরেন। বালিশ নিয়ে মুখে চাপা দেন। হাত-পা ছুড়তে ছুড়তে নিস্তেজ হয়ে যান নিলুফার। মুসকানের সামনেই পুরো ঘটনা ঘটে।

এ সময় দৌড়ে আসেন শ্বশুর। তিনি এসেই বলেন, ‘বৌ ডারে মাইরা ফালাইলি শফিক!’ দুই সন্তান তখন কান্না করতে থাকে। এসব করতে করতেই সকাল। আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। শ্বশুর-শাশুড়ি প্রচার করতে থাকেন, নিলুফার আত্মহত্যা করেছেন।

পিবিআই কর্মকর্তারা এসব কিছু জানতে পারেন মুসকানের কাছে। পিবিআই কর্মকর্তারা দেখতে পান, পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনেও গরমিল রয়েছে। যে ছবি পুলিশ দিয়েছে তাতে দেখা যায়, লাশের শরীরে কিছু আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। কিন্তু সুরতহাল প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করা হয়নি।

পিবিআই কর্মকর্তারা তখন নবাবগঞ্জ-দোহারে ছুটে যায়। নিলুফারের মৃতদেহ যারা গোসল করিয়েছেন, তাদের খোঁজ করতে থাকেন। তারা জানতে পারবেন, শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল কিনা। এমন তিন মহিলাকে খুঁজে পান পিবিআই কর্মকর্তারা।

ওই তিন মহিলা তাদের জানিয়েছেন, নিলুফারের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন ছিল। ধস্তাধস্তির পর যেমন আঁচড় পড়তে পারে, ঠিক তেমনি আঁচড় ছিল নিলুফারের শরীরে। পুলিশ নিশ্চিত হয়, এটি একটি হত্যাকাণ্ড। লাশ গোসলেই খুলে যায় নিলুফার খুনের রহস্য। পিবিআই পরে শফিক ও তার মায়ের বিরুদ্ধে আদালতে ৩০২ ধারায় চার্জশিট দাখিল করে। সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করে ফ্যাসিবাদী সরকারের বিপক্ষে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো – ভিপি কামাল

রবিবার বিএনপি’র বিজয় র‍্যালীতে ছাত্রদল সহ-সভাপতি ভিপি কামাল বলেন, আমরা গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করছি। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করে ফ্যাসিবাদী সরকারের বিপক্ষে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো। আমরা চাই আগামী দিনে যাতে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ গড়ে ওঠে। গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে ৭০ সালের নির্বাচনে। সেজন্যি আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছি, স্বাধীন হয়েছি।  সে দিনের ইয়াহিয়া খান, টিক্কা খানের সঙ্গে আজকের শাসকগোষ্ঠীর পার্থক্য কী?

তিনি বলেন, আমরা চাই আগামী প্রজন্ম যাতে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশে বেড়ে ওঠে। বর্তমান সরকার একদলীয় শাসন কায়েম করেছে। কিন্তু আজ একটি কথা বলে সতর্ক করছি, বাংলাদেশের মানুষকে পদদলিত করে দাবিয়ে রাখা যাবে না।তারা শহীদ জিয়ার আদর্শে এগিয়ে যাবে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় মানুষের সকল অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার লক্ষে।

রাজধানীর নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বর্ণাঢ্য বিজয় র‌্যালিটি শুরু হয় রোববার বিকেল ৩টায়। র‌্যালিটি মালিবাগ মোড়ে গিয়ে শেষ হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল। র‌্যালিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। এর আগে বিজয় র‌্যালিতে অংশ নিতে দুপুর ১টা থেকেই নয়াপল্টন দলের কেন্ত্রীয় কার্যালয়ে এসে জড়ো হতে থাকেন দলটির নেতাকর্মীরা।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ছাড়াও র‌্যালিতে অংশ নেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বরচন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট আহমদ আযম খান, খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান, হাবিবুর রহমান হাবিব, আবদুস সালাম, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, ছাত্রদল সভাপতি রাজীব আহমেদসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

দোহার-নবাবগঞ্জে ঘন কুয়াশার রাজত্ব

অবশেষে আসি আসি করে এসে পড়লো শীতের আগমনী বার্তা। এবং সেই শীত আসলো নিজের প্রায় সবটুকু নিয়েই। দোহার-নবাবগঞ্জকে ঢেকে দিলো ঘন কুয়াশার চাদর দিয়ে।

অবশেষে আসি আসি করে এসে পড়লো শীতের আগমনী বার্তা। এবং সেই শীত আসলো নিজের প্রায় সবটুকু নিয়েই। দোহার-নবাবগঞ্জকে ঢেকে দিলো ঘন কুয়াশার

আজ সকাল থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে দোহার-নবাবগঞ্জ। কুয়াশার দাপটে সারা দিনে দুই তিনবার দেখা গেছে সূর্য মামার মুখ। তাছাড়া সারাটা দিন তিনি ছিলেন ঘন কুয়াশার চাদরে নিজেকে ঢেকে।

অবশেষে আসি আসি করে এসে পড়লো শীতের আগমনী বার্তা। এবং সেই শীত আসলো নিজের প্রায় সবটুকু নিয়েই। দোহার-নবাবগঞ্জকে ঢেকে দিলো ঘন কুয়াশার
থানার মোড়

ঘন কুয়াশার প্রভাব পড়েছে দোহার-নবাবগঞ্জের সব জায়গাতেই। সকালটা যেন শুরুই হয়েছে অনেক দেরি করে। সকাল ৮টার সময়ও যেন শুরু হয়নি কর্মজীবিদের ভোর। ঘন কুয়াশার দাপটে দোহার-নবাবগঞ্জ সড়কেও গাড়ির উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক ভাবে অনেক কম। হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাফেরা করতে হয়েছে বাস ট্রাককে। স্বাভাবিকের তুলনায় তাদের গতিবেগ ছিল অনেক কম। মুল সড়কে অটোর সংখ্যা তুলনামুলক কম।

অবশেষে আসি আসি করে এসে পড়লো শীতের আগমনী বার্তা। এবং সেই শীত আসলো নিজের প্রায় সবটুকু নিয়েই। দোহার-নবাবগঞ্জকে ঢেকে দিলো ঘন কুয়াশার
কর্মব্যস্থ থানার মোড়

সীমিত ছিল কর্মজীবি মানুষের চলাফেরা। নদীর পারে ছিল কুয়াশার দাপট। কুয়াশার কারনে সকালে বন্ধ ছিল মৈনট ও বাহ্রা ঘাটের ফরিদপুর গামী বোট।

দোহার-নবাবগঞ্জে ঘন কুয়াশার রাজত্ব
জয়পাড়া পাইলট স্কুল রোড

 

দোহার-নবাবগঞ্জে ঘন কুয়াশার রাজত্ব
কুয়াশার চাদরে ঢাকা রতন স্বাধীনতা চত্ত্বর

 

দোহার-নবাবগঞ্জে ঘন কুয়াশার রাজত্ব
কলেজ রোড