দোহারের কৃতি সন্তান ড. কবিরুল বাশার জাপানের বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নিযুক্ত

0

জাপানের কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কোলাবোরেটিভ (সম্মিলিত) অধ্যাপক পদে পুনঃনিয়োগ পেয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ও বাংলাদেশের একমাত্র মশা গবেষক, দোহারের কৃতি সন্তান অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার। আগামী দুই বছর মেয়াদে এ নিয়োগ পেয়েছেন তিনি।তার বাড়ী মেঘুলাতে। তার ছোট ভাই এমারত হোসেন ইমরান পদ্মা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক এবং সর্ব কনিষ্ঠ ভাই শিমুল বাশার শামীম ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার।

নবনিযুক্ত অধ্যাপক কবিরুল বাশার জানান, কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর ও ডক্টরাল পর্যায়ে গবেষকদের গবেষণা কার্যক্রমে সহায়তা, বাংলাদেশ এবং কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থী বিনিময়, বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যৌথ গবেষণা কার্যক্রমে সহায়তা করবেন তিনি।

নিয়োগপত্র পেয়ে তিনি অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে যোগ্য মনে করে পুনরায় নিয়োগ দিয়েছে। এটা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় তথা আমার জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয়।

সম্প্রতি তার গবেষণা কার্যক্রমসমূহে অভাবনীয় অগ্রগতি পুনরায় নিয়োগে বড় ভূমিকা পালন করছে বলে মনে করেন তিনি।

এ নিয়োগের মাধ্যমে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের সুযোগ পাবে। একই সাথে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যকার গভীর সম্পর্ক এবং যৌথ গবেষণার দ্বার উন্মুক্ত হবে বলে জানান অধ্যাপক বাশার।

উল্লেখ্য, কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার। তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, জিকা নিয়ন্ত্রণে পরামর্শক হিসেবে কাজ করেন।

প্রফেসর ড. বাশার বাংলাদেশের জাতীয় চিকুনগুনিয়া, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কমিটির একজন সম্মানিত সদস্য। তার পরামর্শ ও সহায়তায় সরকার গত বছর সফলভাবে চিকুনগুনিয়া নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হয়েছে। এরই মধ্যে তার ২৬টি গবেষণা প্রবন্ধ পৃথিবীর বিখ্যাত জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। তার উল্লেখযোগ্য ও সফল গবেষণাকর্মের মধ্যে রয়েছে- সূর্যকন্যা গাছের মাধ্যমে মশা নিয়ন্ত্রণ করা, ব্যাঙ ও ফড়িং এর মাধ্যমে মশা নিয়ন্ত্রণ এবং মশা নিয়ন্ত্রণে আলোক ফাঁদ প্রযুক্তির উদ্ভাবন।

চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, জিকা এর বাহক মশা নিয়ে গবেষণা করে তিনি জাপান সোসাইটি ফর দা প্রমোশন অব সায়েন্স (জেএসপিএস) পদক পেয়েছেন।

ঢাকা জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি

রোববার দুপুর ১২টার দিকে পুরান ঢাকায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা বাতিল ও কারামুক্তির দাবিতে স্মারকলিপি জমা দেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবুর নেতৃত্বে দলের নেতাকর্মীরা। এ সময় ঢাকা জেলা প্রশাসক মো. সালাহউদ্দিন বিএনপির স্মারকলিপি গ্রহণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান খান, ঢাকা বিভাগ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, শহিদুল ইসলাম বাবুল, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা রেজাউল কবির পল, অ্যাডভোকেট আবু বক্কর সিদ্দিক কাউসার, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক ভিপি নাজিম, ওয়ালিদ খান, ফজলুল হক বেলায়েতী, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাজি মাসুম, সাবিনা ইয়াসমিন, সাবেরা বেগমসহ ঢাকা জেলা বিএনপি যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের সড়কে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেন উপস্থিত নেতাকর্মীরা। খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে শনিবার থেকে শুরু হওয়া তিন দিনের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে স্মারকলিপি দিল বিএনপি।

এর আগে শনিবার খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়। এ ছাড়া আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগরী ছাড়াও জেলা-মহানগরে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে বিএনপি।

এর পর ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী বা নয়াপল্টনের কার্যালয়ের সামনে জনসভা করবে দলটি। এ জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশের কাছে আবেদন করা হয়েছে। গত ৮ ফেব্রুয়ারি পুরান ঢাকার বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয় বিএনপি চেয়ারপারান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে।

এর পর থেকেই খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসেছে বিএনপি। রায়ের প্রতিবাদে ৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকাসহ সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন দলের নেতাকর্মীরা। ১০ ফেব্রুয়ারি থানা, উপজেলা, জেলা মহানগরে প্রতিবাদ সমাবেশ, ১২ ফেব্রুয়ারি মানববন্ধন, ১৩ ফেব্রুয়ারি অবস্থান কর্মসূচি ও ১৪ ফেব্রুয়ারি অনশন কর্মসূচি পালন করে বিএনপি।

পাশাপাশি বিদেশি কূটনৈতিক, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি, পেশাজীবী, আইনজীবী ২০-দলীয় জোটসহ দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন দলের জ্যৈষ্ঠ নেতারা।

শাহাবুদ্দিন বিশ্বাসের কলাম: ঢাকা জেলা দক্ষিন ছাত্রলীগ কমিটি গঠন এবং কিছু প্রাসঙ্গিক নজিরা

দোহার, নবাবগঞ্জ এবং কেরানিগঞ্জ কে নিয়ে গঠিত হয়েছে ঢাকা জেলা দক্ষিন ছাত্রলীগ। রাজনীতির কেন্দ্র বিন্দু ঢাকা হলেও ঢাকা কে রাজনৈতিক ভাবে দুর্বল করে রাখার প্রয়াসে বহিরাগতরা ঢাকা জেলাকে খন্ডবিখন্ড করে দিচ্ছে।যাতে করে এই ‌অঞ্চলে শক্তিশালী রাজনৈতিক নেতৃত্বের উত্থান না হতে পারে।প্রথমেই আমি এই চক্রান্তের বিরধীতা করছি।

এখন আসি প্রাসঙ্গিক আলোচনায়—তিনটি থানা নিয়ে গঠিত হলো ঢাকা জেলা দক্ষিন ছাত্রলীগ।রাজনৈতিক ভাবে তাদের রাজনৈতিক সিমাবদ্ধতা এবং ক্ষমতা প্রয়োগের স্থান অতি ছোট।এমতাস্থায় যেই দিন ঢাকা জেলা দক্ষিনের কমিটি ঘোষনা করা হয় সেই দিনই কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ কে ব্যবহার করে কিছু রাজনৈতিক নেতৃত্ব নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটিও গঠন করে নেন এবং কথিত আছে সেই চক্রটি চেষ্টা করেছিলো দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠনের কিন্তু কেনো এমন তৎপরতা?

সাবেক ঢাকা জেলা কমিটির সভাপতি ছিলেন ইকরামুল নবী ইমু।যে ঢাকা জেলা আওয়ামিলীগের বর্তমান সাংগাঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুনের একান্ত বিশ্বস্ত লোক।পনিরুজ্জামাল তরুন তার রাজনৈতিক ভিতকে শক্তিশালী করনে ইমুর মাধ্যমে দোহার ও নবাবগঞ্জের ছাত্রলীগকে চরম ভাবেই কুক্ষিগত করে রাখেন।তৎকালিন ঢাকা জেলা সভাপতি ইমুর ব্যবহার,ব্যক্তিক কোয়ালিটি সর্বমহলেই প্রশ্নবিদ্ধ ছিলো।তার নেতৃত্বে ঢাকা জেলা ছাত্রলীগ হারিয়েছে তার ঐতিহাসিক রাজনৈতিক জৌলস।লিখিত/অলিখিত নেতার অভাব ছিলো না ঢাকা জেলাতে।বর্তমান ঢাকা জেলা দক্ষিন কমিটি ঘোষনা যেদিন হয় সেইদিন নবাবগঞ্জ ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষনা করিয়ে নেওয়ার অপতৎপরতা অনেক বেশি অস্বাভাবিক রাজনৈতিক কৌশল এবং সেটা তরুন ভাইএর ছাত্রলীগের বলয়কে সুসংহত করনের জন্যই করা হয়েছে কারন তার ভীতি  ছিলো ঢাকা জেলা ছাত্রলীগ দক্ষিনের বর্তমান সভাপতি গিয়াসউদ্দিন সোহাগ। সোহাগ প্রভাবশালী ব্যবসায়ী জনাব সালমান এফ রহমানের একান্ত ব্যক্তিগত।যেহেতু সালমান এফ রহমান আগামি সংসদ নির্বাচনে দোহার-নবাবগঞ্জ হতে নমিনেশন প্রার্থী সেহেতু নবাবগঞ্জ ছাত্রলীগ কমিটিতেও তিনি তার স্বার্থ দেখতে পারেন ।এতে করে পনিরুজ্জামান তরুন তার রাজনীতির তুরুপের তাস ছাত্রলীগকে হারাতে পারেন কারন এই ছাত্রলীগই তার রাজনিতির মূল শক্তি ছিলো।

আমরা স্বাভাবিক ভাবে জানি থানা ছাত্রলীগকে অনুমোদন দেয় জেলা ছাত্রলীগ।সেই জেলা ছাত্রলীগ থাকাকালীন সময়ে কিভাবে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সবার অজান্তে অন্ধকার ঘড়ে এমন একটি কমিটি করে দিতে পারেন?এমনিতেই বর্তমান জেলা কমেটির পরিধী ছোট ।যেখানে তাদের রাজনিতি করার স্কোপও কম সেখানে যদি থানা কমিটিতে এমন প্রেতাত্মাদের হাত পরে তাহলে কি প্রয়োজনে জেলা কমিটি করা হলো?এমনই যদি আপনাদের মনের খায়েশ হয়ে থাকে তাহলে জেলা কমিটিকে রাজনৈতিক ময়দানে নয় জাদুঘড়ে পাঠিয়ে দিন।

সবারই মনে রাখা উচিত ছাত্রলীগ কারো হাতের মোয়া না যাচ্ছে তাই ব্যবহার করবেন।একটি কমিটি হতে হলে সেই অঞ্চলের আওয়ামী রাজনিতির সাথে যারা জড়িত তাদের সকলের ইচ্ছা/অনিচ্ছার প্রতিফলন থাকতে হবে।যারা এই কমিটি চক্রান্তের সাথে জরিত তারা দলীয় স্বার্থে নয় ব্যক্তি স্বার্থে রাজনিতি করেন।তাই সহমত প্রকাশ করছি কমিটির বিরদ্ধে অবস্থানরত ছাত্রলীগ নেতৃবিন্দের সাথে।

ঢাকা জেলা দক্ষিন কমিটির প্রভাব পরেছে দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের পূর্নাঙ্গ কমিটিতেও।দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি সম্ভবত হয়েছিলো ২০১৩/২০১৪ সালে।দীর্ঘ সময়েও তারা একটি পূর্নাঙ্গ কমিটি উপহার দিতে না পারলেও ঢাকা জেলা দক্ষিন কমিটি ঘোষনা হওয়ার আগ মূহুর্তে তারা পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষনার তোর জোর শুরু করে।দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের বিবাহিত সভাপতি এবং সাধারন সম্পাদকের ‌অধিনে মাধ্যমিকের গন্ডি না পেরুনো,সন্তানের বাবা,বিদেশ ফেরত,বিএনপির ‌অস্তিত্বে বিশ্বাসীদের নিয়ে অকেজো একটি নাটক মঞ্চস্থ করা হয়েছে।যা ‌অত্যন্ত দুঃখজনক। ছাত্রলীগের রাজনিতি নষ্টের এই পায়তারা অগ্রহনযোগ্য ।

সকল অপকর্মের তিব্র প্রতিবাদ করছি,নবাবগঞ্জ ছাত্রলীগ কমিটি নামক নাটক স্থগিত করার দাবি জানাই এবং দোহার উপজেলা ছাত্রলীগে শুদ্ধি অভিযান দেখার অপেক্ষায় থাকবো।

লক্ষীপ্রসাদের আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন  মাহবুবুর রহমান

0

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ গ্রামে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও ঢাকা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান। ঢাকা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান শনিবার সন্ধার পর উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ এলাকায় সরেজমিনে সবকিছু দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের খোঁজখবর নেন। এসময় আগুনের ভয়াবহতা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমান সর্ম্পকে এলাকার লোকজন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে অবগত করলে তিনি জেলার পরিষদের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদানের কথা জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্য শাহজাহান মোল্লা, মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব উদ্দিন, রাইপাড়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা আলী হোসেন নান্টসহু এলাকার মুরব্বীগন।

উল্লেখ্য যে, গত বুধবার সকাল ১১টায় উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ মনুরুউদ্দিনের ছেলে খোরশেদের বসতঘরে ভয়াবহ এক অগ্নিকান্ডে বসতঘর ও ঘরে থাকা আসবাবপত্র পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়। ঘটনার দিন সংবাদ পেয়ে দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে এম আলআমিন ঘটনাস্থল পরিবর্দশণ করে ১০ হাজার টাকা এবং ঘর নির্মাণের জন্য টিন দেন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে।

নবাবগঞ্জে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণায় আনন্দ মিছিল

নবাবগঞ্জের ছাত্রলীগের নতুন কমিটিকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে নবাবগঞ্জ উপজেলার আওয়ামী লীগের রাজনীতি। এক গ্রুপের কমিটি বিরোধী মিছিলের বিপরীতে নবগঠিত কমিটির পক্ষে আনন্দ মিছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে নবগঠিত নবাবগঞ্জ উপজেলা উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ র‍্যালী করেছে ছাত্রলীগের একাংশের নেতাকর্মীরা। রবিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে অবস্থান নেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। নবগঠিত কমিটিতে মেহেদী হাসান রানা কে সভাপতি ও সাইফুল বারী শান্তকে সাধারন সম্পাদক করে নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করায় প্রধানমন্ত্রী ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের পক্ষে বিভিন্ন ধরণের শ্লোগান দেন তারা।

র‍্যালীতে অংশগ্রহণ করেন উপজেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির সভাপতি মেহেদি হাসান রানা, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল বারী শান্ত, সাবেক সভাপতি এস এম সাইফুল ইসলাম, দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ শাখার সভাপতি শোভন শিকদার, সাধারণ সম্পাদক নাহিদুল আলম নাদিম প্রমুখ।

উল্লেখ্য যে, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি, বুধবার মেহেদি হাসান রানা-কে সভাপতি ও সাইফুল বারী শান্তকে সাধারণ সম্পাদক করে নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষনা করা হয়।

নবাবগঞ্জ ছাত্রলীগ কমিটির বিরুদ্ধে অবস্থান একাংশের

১৪ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের সাক্ষরিত কমিটি বাতিলের দাবিতে আন্দোলন কর্মসূচীর অংশ হিসেবে রবিবার অবস্থান কর্মসূচী করেছে নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের  বিক্ষুদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। সদ্য ঘোষিত উপজেলা কমিটিকে ‘পকেট কমিটি’ আখ্যায়িত করে ওই কমিটি বাতিলের দাবিতে উপজেলা ছাত্রলীগের অপর একটি গ্রুপ এ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।

ছাত্রলীগের বিক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, সাধারনত উপজেলা কমিটি অনুমোদন দেয় জেলা কমিটি। কিন্তু নবগঠিত কমিটির অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি। এটা একটি ষড়যন্ত্রমূলক পকেট কমিটি। এ ধরনের পকেট কমিটি দলের জন্য ক্ষতিকর। আমরা এ কমিটি বাতিল করে অবিলম্বে সম্মেলনের মাধ্যমে উপজেলা ছাত্রলীগের একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করার দাবি জানাই।

উল্লেখ্য যে, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার মেহেদী হাসান রানা কে সভাপতি ও সাইফুল বারী শান্তকে সাধারন সম্পাদক করে নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি এস. আর. সোহাগ ও সাধারন সম্পাদক এস. এম. জাকির হোসাইন স্বাক্ষরিত প্যাডে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। ফলে গত বৃহস্পতিবার কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে তারা। বিক্ষোভ চলাকালে যানবাহন ভাংচুরের ঘটনাও ঘটে। আজ রবিবারও বেলা ১২টার দিকে তারা নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সড়কে অবস্থান নিয়ে কমিটি বাতিলের দাবি জানান।

আমি ছিলাম, আমি আছি জনগণের সেবায়: গণ সংবর্ধনায় মাহবুবুর রহমান  

0

শনিবার বিকেলে দোহারের শিলাকোঠা উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমানকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ও মহা পরিদর্শক, নিবন্ধন অধিদপ্তর ড. খান মোঃ আব্দুল মান্নান, কেন্দ্রীয় আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়ির সহ-সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ, দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আলী আহসান খোকন।

অনুষ্ঠানে ঢাকা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান বলেন, আমি ছিলাম, আমি আছি জনগণের সেবায়, আমি থাকবো। আমার নেতা সালমান এফ রহমান। আগামী জাতীয় নির্বাচনে যে এই আসন থেকে তিন্নি নৌকার পক্ষে নমিনেশন পাবেন। আমরা তার জন্য সম্মিলিত ভাবে কাজ করবো। তিনি বলেন, আপনারা আমাকে প্রকল্প দিন আমি আপনাদের কাজ করে দিচ্ছি। গত এক বছরে ঢাকা জেলা পরিষদ প্রায় শতকোটি টাকার কাজ করেছে। এরমাঝে দোহার নবাবগঞ্জে প্রায় ৩০ কোটি টাকার কাজ হয়েছে। যা আগামী নির্বাচনে আগেই প্রকাশ্য হবে এবং আরো অনেকগুলো প্রকল্পের কাজ দৃশ্যমান হবে।

এসময় তিনি শিলাকোঠা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে ৫০ লাখ টাকা ও স্কুলের আসবাবপত্র বাবদ ২ লাখ টাকা সহ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর করে দেয়ার ঘোষণা দেন।

এর আগে সকালে তিনি উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তাঘাট ঘুরে দেখেন এবং তা এক বছরের মধ্যে সংস্কার করার কথা জানান।

সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ও মহা পরিদর্শক, নিবন্ধন অধিদপ্তর ড. খান মোঃ আব্দুল মান্নান বলেন, আমরা মুক্তিযোদ্ধা। আমরাই এই দেশ স্বাধীন করেছি। আমরাই জননেত্রী মানণিয় প্রধানম্মন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই দেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা নির্মাণে আজ দ্বারপ্রান্তে। তাই আগামীতে আবার জননেত্রিকে ক্ষমতায় আনতে হবে।

বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ বলেন, তৃণমূল থেকে উঠে আসা ব্যাক্তিকেই নেত্রি মনোনয়ন দিবেন। যাকে সহজে পাওয়া যায়, যার কাছে সহজে যাওয়া যায় তিনিই হবেন জনগণের আসল নেতা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুপ্রীম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও শিলাকোঠা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি এ্যাডভোকেট রমজান আলী শিকদার।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেম, আওয়ামীলীগের উপজেলা যুগ্ন সাধারন সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন আল-মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আওলাদ হোসেন, কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আনারকলি পুতুল, সাবেক ছাত্রনেতা সুরুজ আলম সুরুজ, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শাহজাহান মোল্লা, কুসুমহাটি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আজাদ, নয়াবাড়ি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ হান্নান, শিলাকোঠা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আয়ুব আলী সহ আরো অনেকে।

৮৪ সদস্যের দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাংগ কমিটি অনুমোদন

0

নিউজ৩৯, রাজনীতি: দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের অনুমোদিত পুর্ণাংগ কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক অতীত হওয়া ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইকরামুল নবী ও সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন রাজীব স্বাক্ষরিত ৮৪ সদস্যের কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। গত ১২ নভেম্বর, ২০১৭ সালের স্বাক্ষরিত এই কমিটির সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব, সাধারণ সম্পাদক রাজীব শরিফ ও সাংগাঠনিক সম্পাদক হয়েছেন হাবিবুর রহমান জনি। আগামী ১(এক) বছর এই কমিটি দায়িত্ব পালন করবে ।

দোহারে ১৫ লাখ টাকার মাল ভস্মীভূত

0

দোহার উপজেলার লক্ষ্মীপ্রাসাদ গ্রামে মনুর উদ্দিনের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৫ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে  গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল ১১টার দিকে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে। এ ঘটনায় মনুর উদ্দিনের একটি চৌচালা টিনশেডের ঘর এবং ঘরের ভেতরে থাকা টিভি, ফ্রিজ, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ অন্তত ১৫ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায় বলে জানান মনুর উদ্দিনের ছেলে খোরশেদ আলম। এ ঘটনায় উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের দল খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে ও এলাকাবাসীর প্রচেষ্টায় দীর্ঘ এক ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এতে ঘর ও আসবাবপত্র পুড়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে পরিবারটি।

ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর পথে এগোচ্ছে সাহেবখালী খাল

0

পরস্পরের উপর দায়িত্ব চাপিয়ে মেরে ফেলা হচ্ছে দোহারের প্রানকেন্দ্র জয়পাড়া বাজারের মাঝখান থেকে বয়ে যাওয়া সাহেবখালী খালকে। একদিকে বাজারের ময়লা আবর্জনার স্তুপ, অপরদিকে জয়পাড়া বাজার ব্রীজের পাশে পলিথিন ও ময়লার স্তুপ, সব মিলিয়ে মুমুর্ষ অবস্থায় জয়পাড়া খাল। দোহার পৌরসভা বলে খালের ব্যাপারে তাদের কোন দায় দায়িত্ব নেই, উপজেলা প্রশাসন বলছে খালের দায়িত্ব দোহার পৌরসভার উপর, আমাদের কিছু করার নেই। অপরদিকে বাজারের ব্যবসায়ীরা বলছে প্রতিমাসে বাজারের দোকান থেকে মোটা ট্যাক্স নিয়ে যাচ্ছে দোহার পৌরসভা। জয়পাড়া বাজারের প্রাণ এই খালটা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে তা নিয়ে তাদের কোন মাথা ব্যাথাই নেই। দোহার পৌরসভার যত চিন্তা সেটা শুধু ট্যাক্সকে নিয়েই। সাধারন মানুষ বা ব্যবসায়ীদের কল্যানের চিন্তা তাদের নেই। এই তিন পক্ষের অসহযোগীতার কারনে মরে যাচ্ছে জয়পাড়া সাহেবখালী খাল।

ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর পথে এগোচ্ছে সাহেবখালী খাল

এক সময়ের সদা স্রোতবহমান জয়পাড়া বাজারের মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া সাহেবখালী খাল আজ মৃতপ্রায়। অবৈধ দখল, ময়লা আবর্জনার স্তুপ সব মিলিয়ে সাহেব খালী খাল আজ মৃতপ্রায়। বর্ষার সময় যা একটু স্রোত থাকে বর্তমানে খালে, তাছাড়া শুকনো মৌসুমে খাল শুকিয়ে যায়। পদ্মার পানি প্রবাহ কমে যাওয়ায় খালে শুকনো মৌসুমে পানি থাকে না প্রায়। তার উপর জয়পাড়া বাজারের ময়লা আবর্জনা এই মৃতপ্রায় খালকে মেরে ফেলার বাকি কাজটুকুও সেরে দিচ্ছে। ফলে ময়লা আবর্জনার কারনে একদিকে যেমন দুষিত হয়ে পড়েছে সাহেবখালী খাল, একই সাথে জয়পাড়া বাজারের ময়লা আবর্জনা দখল করে নিচ্ছে খালের মুখ। বাধা সৃষ্টি করছে পানি প্রবাহে। ফলে পানি হয়ে পড়ছে বদ্ধ।

ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর পথে এগোচ্ছে সাহেবখালী খাল

জয়পাড়ার সাহেবখালির এই করুন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে নিউজ৩৯ কথা বলে দোহার উপজেলা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের সাথে। প্রধান প্রকৌশলী এই সময় না থাকলেও প্রকৌশল অধিদপ্তর জানায়, এই খালের দায়িত্ব পৌরসভার। তাই তারাই ব্যাপারটা সমাধান করতে পারবে। অপরদিকে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম আল আমিনের সাথে যোগাযোগ চেষ্টা করে। কিন্তু তিনি দপ্তরের কাজে ঢাকায় থাকার কারনে তার সাথে যোগাযোগ করা যায় নি।

ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর পথে এগোচ্ছে সাহেবখালী খাল

সাহেবখালি খালের এই করুন অবস্থা নিয়ে নিউজ৩৯ কথা বলে দোহার পৌরসভার প্রধান প্রকৌশলী মশিউর রহমানের সাথে। মশিউর রহমান বলেন, খালের ব্যাপারে দোহার পৌরসভার কিছু করার নেই। জয়পাড়া বাজারের ব্যবসায়ীদের কারনেই আজ খালের এই অবস্থা। তাদের বার বার বলা হয়েছে প্রতিদিন রাতে আপনাদের ময়লা আপনারা দোকানের সামনে একটা ব্যাগে ভরে রাখবেন। সকালে পৌরসভার পরিচ্ছনতা কর্মীরা তা নিয়ে আসবে। কিন্তু তাদের কোন সহযোগিতা পাই নি। খালের এই অবস্থার জন্য আমাদের কোন দায় নেই।

অপরদিকে জয়পাড়া বাজার ব্যবসায় সমিতির সভাপতি, ব্যবসায়ী নেতা আব্দুল কুদ্দুস বলেন, দোহার পৌরসভা শুধু টাকার দিকেই তাকিয়ে থাকে। তাদের বার বার বলা হয়েছে আমাদের ময়লা ফেলার জন্য একটা নির্দিষ্ট জায়গার ব্যবস্থা করে দেন, সবার জন্য টয়লেটের ব্যবস্থা করে দিন। কিছুই করে না তারা। প্রতিবছর জয়পাড়া গরুর হাট থেকে কোতি টাকার ইজারা নেই, বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অংকের ট্যাক্স নেয়। কিন্তু বাজারের উন্নয়নে, খালকে বাচিয়ে রাখার তাদের কোন উদ্যোগই। খালের আজকের এই অবস্থার জন্য দোহার পৌরসভাই দায়ি।

ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর পথে এগোচ্ছে সাহেবখালী খাল

এই তিন পক্ষের চাঁপায় পড়ে সাহেবখালী খাল আজ মৃতপ্রায়। তিন পক্ষের সম্বনয়ের মাধ্যমে কোন উদ্যোগ নেয়া না হলে অচিরেই এই খাল মৃত খালে পরিনত হয়ে দোহারের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে।