ঢাকা বান্দুরা সড়কে যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ২৫

ঢাকা বান্দুরা আঞ্চলিক মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে যাত্রীবাহী বাসটি খাদে পড়ে  অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছে।  গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১২ টায় মুন্সিগঞ্জ জেলার খারশুর এলাকায় তালতলায় এ দূর্ঘটনা ঘটে।  যাত্রীবাহী বাসে থাকা আহত যাত্রীদের মধ্যে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও প্যারাগণ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ১৪ জন।

আহতরা হলেন, নবাবগঞ্জ উপজেলার কাশিমপুর গ্রামের ফারুক আহমেদের মেয়ে সাক্ষী আক্তার (১৭), নবাবগঞ্জের শোল্লা গ্রামের আশরাফের স্ত্রী আয়শা বেগম (২৮) একই উপজেলার বাহ্রা গ্রামের আনিসুর রহমানের স্ত্রী সালমা রহমান (৩৫), সমসাবাদ গ্রামের মৃত আবেদ আলীর ছেলে আমির হোসেন (৫৯), ঐ গ্রামের মোয়াজ্জেমের ছেলে মনির হোসেন ( ৪০), বলমন্তচর গ্রামের নুরুদ্দীনের ছেলে মো. টিপু (৫৫), দোহার চরভদ্রসন এলাকার মোশারফ হোসেনের মেয়ে তাশফিরা (২২), ফরিদপুর ভাঙ্গা থানার লাল মিয়ার স্ত্রী অজিফা বেগম (৫৫), জামালপুর জেলার শাহবাজ উদ্দিনের ছেলে শাহজামাল (৩৫), ঢাকার কেরাণীগঞ্জ থানার চুনকুটিয়া এলাকার হাবীবুর রহমানের ছেলে ফেরদৌস আলী (৩৫), দোহার থানার কুসুম হাটির বাস্তা গ্রামের আব্দুস সোবহানের স্ত্রী মিরা আক্তার (৬২) তার মেয়ে ফাতেমাতুছ জহুরা (২৫), একই উপজেলার ঐ গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে মিজানুর রহমান মুন্না (২৫) ঐ  উপজেলার লক্ষিপ্রসাদ গ্রামের দুলাল মুন্সির ছেলে বেল্লাল মুন্সি (৬৫)।

এছাড়া অন্যরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় ও প্রতক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ১১ টার দিকে ঢাকার দোহার উপজেলার মৈনট ঘাট থেকে দ্রুত পরিবহন সার্ভিস নামে একটি যাত্রীবাহী বাস যাহার নং-ঢাকা মেট্রো ব ১১-৬৪৮৩, ৩০/৩৫ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। বাসটি নবাবগঞ্জ হয়ে দুপুর ১২ টার দিকে মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার খারশুর তালতলা সামনে আসলে  ঢাকা থেকে আসা একটির সিএনজির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় সিএনজিটি বাসের ধাক্কায় চেপ্টা হয়ে যায় এবং নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি খাদে পড়ে যায়। এতে বাস ও সিএনজির যাত্রীসহ প্রায়২৫ জন আহত হয়। স্থানীরা আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে।

খবর পেয়ে শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে পরিদর্শন করেণ। ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান বলেন আমরা এখানে এসে দূর্ঘটনা কবলিত বাসটি পুরোদমে সার্চ করি বাসের নিচে কোন মরদেহ রয়েছে কিনা। আমরা কোন কিছু না পেয়ে পরে আমরা বাসটি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করি।

সিরাজদিখান থানার শেখর নগর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক হাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

নবাবগঞ্জে যমুনা-সিএনজি সংঘর্ষ: ৫ জন আশংকাজনক

কার্তিকপুর থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে যমুনা পরিবহনের একটি বাসের সাথে ঢাকা থেকে আসা সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে। নবাবগঞ্জের মরিচা ব্রিজের কাছে খারসুরে এই সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনা স্থলেই সিএনজি চালক ও সিএনজিতে থাকা একমাত্র যাত্রী সহ ৫জন মুমূর্ষু অবস্থায় রয়েছেন।  এতে আহত হয়েছে বাসের ২৫ এর অধিক যাত্রী।

জানা গেছে সকাল ১০ টায় কার্তিকপুর থেকে ছেড়ে আসা যমুনা পরিবহনের একটি বাসের সাথে দুপুর ১২টার দিকে বিপরিত দিক থেকে আসা একটি সিএনজির সংঘর্ষ হয়।  এতে বাসটি সাথে সাথে উল্টে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে সিএনজির ড্রাইভার ও যাত্রী দুই জনই ঘটনা স্থলেই মারা যায়। এবং বাসের ভিতরে থাকা ১৫ জন যাত্রী মারাত্মক ভাবে আহত হয়। এদের মাঝে ৫ জনের অবস্থা আশংকা জনক বলে উল্লেখ করে প্রত্যক্ষদর্শীরা। আহতদের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

পহেলা বৈশাখে মৈনটে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীড়

বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ পালন করলো ঢাকা দোহার নবাবগঞ্জবাসী। আর এ পহেলা বৈশাখে মৈনটে ঘুরতে আসে হাজার হাজার দর্শনার্থী। সকাল থেকেই পহেলা বৈশাখে মৈনটে বিভিন্ন স্থানে দেখা যায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীড়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে দর্শনার্থীদের সংখ্যা ও বাড়তে থাকে ব্যাপক হারে। তারা উপভোগ করে মৈনটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। কেউ কেউ প্রবল বাতাসে ঘুড়ি উরাচ্ছে, কেউ কেউ ভ্রমন করছে সি বোটে। কেউ বা ভিড় করছে হোটেল রেস্তরা গুলোতে, কেউ বা আবার ব্যাস্ত হয়ে পরছে প্রিয়জনের সাথে ছবি তুলতে। পহেলা বৈশাখের আনন্দের একটু ও যেন কমতি নেই দর্শনার্থীদের মাঝে।

মৈনটের বেশির ভাগ দর্শনার্থীরা আসেন ঢাকা বা ঢাকার আশেপাশের এলাকা থেকে। সেই সাথে মৈনট ঘাটের আশেপাশের মানুষেরাও যেন ভুল করছে না মিনিকক্সবাজারে আসতে। ঢাকা থেকে ঘুড়তে আসা দর্শনার্থী রাজু আহমেদ জানান, “আমরা মৈনটে ঘুরতে আসি, এখানকার সৌন্দর্য উপভোগ করতে।” আরেক দর্শনার্থী জানান, “এখানকার সুন্দর ও মনোরম পরিবেশ আমাকে মুগ্ধ করে, এই জন্য প্রতি বছর আমি মিনিক্সবাজারে আসি।”

নারী দর্শনার্থীরা পরছেন রং বেরঙ্গের শাড়ী, যুবকেরা পরছেন পাইজামা আর পাঞ্জাবী আর শিশুরা পরছেন গেঞ্জী সেই সাথে মাথায় গামছা বাধতে ও ভুল করছেন না তারা। সকল দর্শনার্থীরা যখন উপভোগ করছিলেন পহেলা বৈশাখ, হঠাৎ তাদের জন্য বাধা হয়ে দাড়ায় আকাশের ঘন কালো মেঘ। আর সেই সাথে গন্তব্য স্থানে যেতে মরিয়া হয়ে ওঠে দর্শনার্থীরা। তখন পদধুলিত হয়ে ২ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দর্শনার্থীরা রাস্তায় এলে দেখা দেয় তীব্র যানযট।

পহেলা বৈশাখের দিন বিকালে মৈনট ঘাট থেকে কার্তিক পুর পর্যন্ত ছিল তীব্র যানযট এই যানজটের ফলে দর্শনার্থীরা পরে চরম ভোগান্তিতে। গন্তব্য স্থানে যেতে সময় লেগে যায় মাত্রার চেয়ে বেশি। ভ্রমণপিপাসু মানুষের এখন একটাই দাবি মৈনটকে যেন করা হয় দেশের একটি অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র

নারিশায় তিন বাড়িতে ডাকাতি

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের ঝনকি গ্রামে এক রাতে তিন বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। নারিশা ইউনিয়নের ঝনকি গ্রামের সুরহাব বেপারী, মুরাদ বেপারী ও আবুল মোল্লার বাড়িতে এই ডাকাতির শিকার হয়।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ডাকাতির শুরু হয় শনিবার রাত তিনটার দিকে ঝনকি গ্রামের মুরাদ বেপারীর বাড়ি থেকে। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও জার্মান আওয়ামী’লীগের  সহ-সভাপতি মুরাদ বেপারীর বাড়ির তালা ভেঙ্গে লুটপাট চালায়।মূলত সামাজিক ইমেজ নষ্ট করার জন্য তার বাড়িতে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানান তার চাচাতো ভাই দুলাল বেপারী।

এর পর সোরহাব বেপারীর বাড়িতে হামলা চালায় ডাকাতরা। এই সময় ১০ থেকে ১৫ জনের একটি ডাকাত দল আগ্নেয়াস্র সহ বাড়িতে প্রবেশ করে মনোয়ারা বেগম(৬০) নামে একজকে মাথায় আঘাত করে বাড়িতে থাকা তিন জনকে বেধে প্রায় ২ লাখ টাকা ও ১৪ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়।গুরুতর আহত অবস্থায় মনোয়ারা বেগমকে দোহার উপজেলা সাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

এদিকে একই রাতে পূর্ব ঝনকি গ্রামের আবুল মোল্লার বড়িতে প্রধান গেইটের  তালা ভেঙ্গে ডাকাত দল গৃহকর্মী রেনু অক্তার (৫০) এর মাথায় আঘাত করে নগত ৯০ হাজার টাকা ও চার ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। এক রাতে তিন বাড়িতে এমন ডাকাতির ঘটনাকে রহস্যজনক মনে করছেন স্থানীয় অনেকে।

এই ঘটনার বিষয়ে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম শেখ (পিপিএম) জানান,আমরা ডাকাতির খবর পেয়ে পরদিন সকালেই ফোর্স পাঠিয়েছি।তবে এই ঘটনায় থানায় কেউ কোন অভিযোগ করেনি।অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ইকরাশিতে ডিস ইনচার্জারকে কুপিয়ে জখম

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার ইকরাশিতে মোঃ টুটুল সিদ্ধা (৩০) নামক এক ডিস ব্যাবসার ইনচার্জকে কুপিয়েছে কয়েকজন দুবৃর্ত্ত। সোমবার রাত আনুমানিক আটটার সময় পাকা ড্রেন নামক এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

সোমবার রাত আনুমানিক আটটার সময় টুটুল সিদ্ধা ইকরাসি তার অফিস থেকে তার বাড়ি হাসনাবাদে যাওয়ার সময় পথে মধ্যে পাকা  ড্রেন নামক এলাকায় তার উপর হামলা হয়।

আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা শেষে হাসপাতালে ভর্তি রাখতে বলেন। আহত টুটুল সিদ্ধা হাসনাবাদ এলাকার মোঃ জয়নাল সিদ্ধার।

রাজধানীতে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিক নিহত

রাজধানীর পূর্ব-বাড্ডা এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে নাজমুল হোসেন  (৫০) নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নাজমুল ঢাকার দোহার উপজেলার শাকিল উদ্দিন মুন্সির ছেলে। তিনি ওই নির্মাণাধীন ভবনটিতে কাজ করতেন।

সোমবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে পূর্ব-বাড্ডা পোস্ট অফিস গলির ওই নির্মাণাধীন ভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বাড্ডা থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) রাজিব আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে ব্রেকিংনিউজকে জানান, ভবনের ১ তলার ছাদে কাজ করার সময় একটি পিলার ভেঙে তার উপর পড়ে। এসময় তিনি নিচে পড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

ঢাকা বিভাগীয় ঢাকা-ফরিদপুর আন্তজেলা মৈনট ঘাটের উদ্ভোধন

ঢাকা বিভাগীয় (ঢাকা-ফরিদপুর) আন্তজেলা ঘাট মৈনট ঘাটের শুভ উদ্ভোধন করা হয়েছে। আই ঘাট উদ্ভোধন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আধুনিক দোহারের রুপকার সাবেকমন্ত্রী, জাতীয় জোট-বিএনএ ও তৃণমূল বিএনপি ও বিএনএ চেয়ারম্যান, ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ঘাটের ইজারা প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ডলি কন্সট্রাকশনের কর্নধার মো: নাসির কন্ট্রাক্টর।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মাহমুদপুর ইউনিয়নের  চেয়ারম্যান  তোফাজ্জল হোসেন মুন্সী ,চর ঝাউকান্দা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফরহাদ হোসেন মৃধা , দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার, বাসার মুন্সী, বজলু মৃধা ,আক্কাস খান, কামাল মোরল, গিয়াস উদ্দিন প্রমূখ। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালন করেন হাফেজ কবির হুসাইন ।

প্রতিদিনের হাদিসঃ জুলুম

0

আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ তুমি কখনও মনে করবে না যে, জালিমরা যা করে, সে বিষয়ে আল্লাহ্‌ গাফিল। তিনি তাদেরকে সে দিন পর্যন্ত অবকাশ দেন, যে দিন তাদের চোখগুলো হবে স্থীর, ভীত বিহবল চিত্তে আকাশের দিকে চেয়ে তারা ছুটাছুটি করবে, নিজেদের প্রতি তাদের দৃষ্টি ফিরবে না এবং তাদের অন্তর হবে শূণ্য (সূরা ইব্‌রাহীমঃ ৪২-৪৩)।

مُقْنِعِ رُءُوسِهِمْ অর্থ উপরের দিকে তাদের মাথা তুলে। الْمُقْنِعُ এবং الْمُقْمِحُ সমার্থক শব্দ। মুজাহিদ (রহঃ) বলেন, مُهْطِعِينَ অর্থ দৃষ্টি অবনত করে। هَوَاءٌ শব্দের অর্থ জ্ঞাণশূণ্য। (আল্লাহ্‌ তা’আলার বাণীঃ) যে দিন তাদের শাস্তি আসবে, সেদিন সম্পর্কে মানুষকে সতর্ক করুন। তথায় জালিমরা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের কিছু কালের জন্য অবকাশ দিন। আমরা তোমার ডাকে সাড়া দিব এবং রাসূলদের অনুসরণ করব…………….. আল্লাহ্‌ পরাক্রমশালী, দন্ডবিধায়ক (সূরা ইব্‌রাহীম)।

হাদিস নং ২২৭৮: ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) … আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মু’মিনগণ যখন জাহান্নাম থেকে নাজাত পাবে, তখন জান্নাত ও জাহান্নামের মাঝখানে এক পুলের উপর তাদের আটকে রাখা হবে। তখন পৃথিবীতে একের প্রতি অন্যের যা যা জুলুম ও অন্যায় ছিল, তার প্রতিশোধ গ্রহণের পরে যখন তারা পরিচ্ছন্ন হয়ে যাবে, তখন তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। সেই সত্তার কসম, যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ, নিশ্চয়ই তাদের প্রত্যেকে পৃথিবীতে তার আবাসস্থল যেরূপ চিনত, তার চাইতে অধিক তার জান্নাতের আবাসস্থল চিনতে পারবে।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

 আল্লাহ্‌ তা’আলার বাণীঃ সাবধান! জালিমদের উপর আল্লাহর লা’নত (১১:১৮)।

হাদিস নং ২২৭৯: মূসা ইবনু ইসমাঈল (রহঃ) … সাফওয়ান ইবনু মুহরিয আল- মাযিনী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন আমি ইবনু উমর (রাঃ) এর সাথে তাঁর হাত ধরে চলছিলাম। এ সময় এক ব্যাক্তি এসে বলল, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা’আলা ও তাঁর মু’মিন বান্দার একান্তে কথাবার্তা সম্পর্কে আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে কি বলতে শুনেছেন? তখন তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা’আলা মু’মিন ব্যাক্তিকে নিজের কাছে নিয়ে আসবেন এবং তার উপর স্বীয় আবরণ দ্বারা তাকে ঢেকে নিবেন। তারপর বলবেন, অমুক পাপের কথা কি তুমি জানো? তখন সে বলবে, হ্যাঁ, হে আমার প্রতিপালক। এভাবে তিনি তার কাছ থেকে তার পাপগুলো স্বীকার করিয়ে নিবেন। আর সে মনে করবে যে, তার ধ্বংস অনিবার্য। তখন আল্লাহ তা’আলা বলবেন, আমি পৃথিবীতে তোমার পাপ গোপন করে রেখেছিলাম। আর আজ আমি তা মাফ করে দিব। তারপর তার নেকের আমলনামা তাকে দেওয়া হবে। কিন্তু কাফির ও মুনাফিকদের সম্পর্কে স্বাক্ষীরা বলবে, এরাই তাদের প্রতিপালক সম্পর্কে মিথ্যা বলেছিল। সাবধান, জালিমদের উপর আল্লাহর লা’নত।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২২৮০: ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু বুকাইর (রহঃ) … আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলমান মুসলমানের ভাই। সে তার উপর জুলুম করবে না এবং তাকে জালিমের হাতে সোপর্দ করবে না। যে কেউ তার ভাইয়ের অভাব পুরণ করবে আল্লাহ তার অভাব পূরণ করবেন। যে ব্যাক্তি (পৃথিবীতে) কোন মুসলমানের বিপদ দূর করবে, আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন তার বিপদসমূহ দূর করবেন। যে ব্যাক্তি কোন মুসলমানের দোষ গোপন করবে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার দোষ গোপন করবেন।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২২৮১: উসমান ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) … আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমার ভাইকে সাহায্য কর, সে জালিম হোক অথবা মাজলুম (অর্থাৎ জালিম ভাইকে জুলুম থেকে বিরত রাখবে এবং মাজলুম ভাইকে জালিমের হাত থেকে রক্ষা করবে)।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২২৮২: মুসাদ্দাদ (রহঃ) … আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমার ভাইকে সাহায্য করো, সে জালিম হোক অথবা মাজলুম। তিনি (আনাস) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! মাজলুমকে সাহায্য করব, তা তো বুঝলাম। কিন্তু জালিমকে কি করে সাহায্য করব? তিনি বললেন, তুমি তার হাত ধরে তাকে বিরত রাখবে (অর্থাৎ তাকে যুলুম করতে দিবে না)।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ)

অধ্যায়ঃ ৩৮/ যুলম ও কিসাস (كتاب المظالم)

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

প্রতিদিনের হাদিসঃ কোন কারনে সালাত আদায়ের কথা ভুলে গেলে

0

হাদিস নম্বরঃ ৪৩৫,  আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন,রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খায়বারের যুদ্ধ হতে প্রত্যাবর্তনের সময় এক রাতে যাত্রা অব্যাহত রাখেন। আমরা নিদ্রালু হয়ে পড়ায় তিনি রাতের শেযভাগে বিশ্রামের উদ্দেশ্যে বাহন হতে অবতরণ করেন এবং বিলাল (রাঃ) -কে বলেনঃ তুমি জেগে থাক এবং রাতের দিকে খেয়াল রাখ। অতঃপর বিলাল (রাঃ) -ও নিদ্রাকাতর হয়ে পড়েন এবং তিনি নিজের উটের সাথে হেলান দেয়া অবস্হায় ঘুমিয়ে পড়েন। এমতাবস্হায় নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, বিলাল (রাঃ) এবং সহগামী সাহাবীদের কেউই জাগরিত হন নাই যতক্ষণ না সূর্যের তাপ তাদেরকে স্পর্শ করে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামই সর্বপ্রথম ঘুম হতে জাগরিত হন এবং অস্হির হয়ে পড়েন অতঃপর তিনি বিলাল (রাঃ) -কে বলেনঃ হে বিলাল! জবাবে বিলাল (রাঃ) ওজর পেশ করে বলেন! ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমার মাতা-পিতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক। যে মহান সত্তা আপনার জীবন ধরে রেখেছিলেন সেই মহান সত্বা আমার জীবনও ধরে রেখেছিলেন। অতঃপর তারা উক্ত স্থান পরিত্যাগ করে কিছু দূর যাওয়ার পর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উযূ (ওজু/অজু/অযু) করেন এবং বিলাল (রাঃ) -কে নামাযের ইকামত দিতে বলেন। তিনি সকলকে নিয়ে নামায আদায় করেন। নামায শেষে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি নামায (আদায় করতে) ভুলে যাবে সে যেন স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে তা আদায় করে। কেননা আল্লাহ্তা’আলা ঘোষণা করেছেনঃ “তোমরা আমার স্মরণের জন্য নামায কায়েম কর”- (মুসলিম, ইবনু মাজাহ, তিরমিযী, নাসাঈ)।

হাদিস নম্বরঃ ৪৩৬, মূসা ইবনু ইসমাঈল …………. আবূ হুরায়রা (রাঃ) পূর্বোক্ত হাদীছের বর্ণনা পরস্পরায় বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেনঃ যে স্হানে তোমরা গাফ্লতিতে নিমজ্জিত হয়েছ- সে স্থান ত্যাগ কর। রাবী বলেন, উক্ত স্থান ত্যাগের পর অন্য স্হানে পৌছে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলাল (রাঃ) -কে নির্দেশ দেওয়ায় তিনি আযান ও ইকামত দেন এবং তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকলকে নিয়ে নামায আদায় করেন। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, উক্ত হাদীছ মালেক, সুফিয়ান, আওযাঈ, আব্দুর রাযযাক- সকলে মা’মার ও ইবনু ইসহাক হতে বর্ণনা করেছেন। তাদের বর্ণনায় কেউই আযানের কথা উল্লেখ করেননি।

হাদিস নম্বরঃ ৪৩৭,  মূসা ইবনু ইসমাঈল ………. আবূ কাতাদা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক সফরে ছিলেন। তিনি একদিকে মনোনিবেশ করলেন এবং আমিও তাঁর সাথে মনোনিবেশ করলাম। অতঃপর তিনি বলেনঃ লক্ষ্য কর। তখন আমি বলি এই একজন আরোহী, এই দুইজন আরোহী, এই তিনজন আরোহী- এইরূপে আমরা গণনায় সাত পর্যন্ত পৌছাই। অতঃপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা আমাদের ফজরের নামাযের প্রতি দৃষ্টি রাখ। অতঃপর রাবী বলেন যে, তাদের কান বন্ধ হয়ে গিয়েছিল (সকলে ঘুমিয়ে পড়েছিল) এবং রৌদ্রের তাপ গায়ে লাগার পূর্বে কেউই ঘুম হতে উঠতে- পারেননি। ঘুম হতে বেলা উঠার পর জাগ্রত হয়ে তারা উক্ত স্হান ত্যাগ করে সামান্য দূর যাওয়ার পর অবতরণ করে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করেন। অতঃপর . বিলাল (রাঃ) আযান দেওয়ার পর তারা প্রথমে ফজরের দুই রাকাত সুন্নাত, অতঃপর দুই রাকাত ফরয নামায আদায় করে- উক্ত স্থান ত্যাগ করেন। অতঃপর তাঁরা পরস্পর বলাবলি করতে থাকেন, আমরা নির্ধারিত সময়ে নামায আদায় না করে গুনাহ্গার হয়েছি। এতদ্শ্রবণে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ অনিচ্ছাকৃত ভাবে নির্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে কেউ যদি নামায কাযা করে- তবে তা অন্যায় নহে। অবশ্য জাগ্রত থাকাবস্হায় ইচ্ছাকৃতভাবে নামায কাযা করলে অন্যায় হবে। অতএব তোমাদের কেউ যখন নামায আদায়ের কথা ভুলে যায়- সে যেন স্মরণ হওয়া মাত্রই তা আদায় করে এবং পরবর্তী দিন উক্ত সময়ের নামাযটি তার নির্ধারিত সময়ে যেন আদায় করে ২- (মুসলিম, নাসাঈ, ইবনু মাজাহ, তিরমিযী)।

হাদিস নম্বরঃ ৪৩৮,আলী ইবনু নাসর ……….. খালিদ ইবনু সুমাইর হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু রাবাহ্ আনসারী (রাঃ) মদ্বীনা হতে আমাদের নিকট আগমন করেন। মদ্বীনার আনসারগগ তাঁকে একজন বিশিষ্ট ফকীহ (ফিকাহ্ তত্ত্ববিদ আলেম) হিসাবে গণ্য করতেন। রাবী বলেন, আবদুল্লাহ্ আনসারী (রাঃ) আমাদের নিকট বর্ণনা করেন যে, . আবূ কাতাদা আল্-আনসারী (রাঃ) যিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ঘোড়া রক্ষক ছিলেন- তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুতার যুদ্ধে সৈন্য প্রেরণ করেন…পূর্ববর্তী হাদীছের অনুরূপ। রাবী বলেন, সূর্যের রশ্মি আমাদের শরীর স্পর্শ করার পর আমরা ঘুম হতে জগ্রত হই। ঐ সময় আমরা আমাদের নামাযের জন্য অস্হির হয়ে পড়ি। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামঃ এ স্থান ত্যাগ কর, ত্যাগ কর। তাঁরা ঐ স্থান ত্যাগ করে যাওয়ার পর যখন কিছুটা উপরে উঠল তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যারা সফরের সময় ফজরের নামাযের দুই রাকাত সুন্নাত আদায়ে অভ্যস্ত-তারা যেন তা আদায় করে নেয়। অতঃপর উপস্থিত সাহাবাগণ ফজরের দুই রাকাত (সুন্নাত) আদায় করেন। অতঃপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আযান দেওয়ার নির্দেশ দেন। আযানের পর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সলাম আমাদের ফজরের দুই রাকাত ফরয নামায আদায় করেন। নামায আদায়ের পর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সম্বোধন করে বলেনঃ তোমরা জেনে রাখ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। দুনিয়ার কোন কাজকর্ম আমাদের এই নামায আদায় করা হতে বিরত রাখেনি, বরং আমাদের আত্মাসমূহ আল্লাহর নিয়ন্ত্রণে ছিল। অতঃপর তাঁর ইচ্ছানুযায়ী তা আমাদের নিকট ফেরত পাঠিয়েছেন। তোমাদের কেউ যখন আগামী দিনের ফজরের নামায ঠিক সময়ে পাবে তবে সে যেন এ ওয়াক্তের সাথে- এই কাযা নামাযটিও আদায় করে।

হাদিস নম্বরঃ ৪৩৯, আমর ইবনু আওন আবূ কাতাদা (রাঃ) হতে পূর্বোক্ত হাদীছের অনুরূপ বর্ণিত। রাবী বলেন, অতঃপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদের আত্মাগুলিকে যতক্ষণ ইচ্ছা স্বীয় নিয়ন্ত্রণে রাখেন, অতঃপর তা ফিরিয়ে দেন। অতঃপর তিনি ঐ স্হান ত্যাগের নির্দেশ দেন। অতঃপর তিনি বিলাল (রাঃ) -কে আযান দিতে বলায় তিনি আযান দিলে-সকলে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করেন। ইতিমধ্যে সূর্য উপরে উঠে যায় এবং নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের নিয়ে ঐ নামায আদায় করেন- (বুখারী, নাসাঈ)।

হাদিসের মানঃ সহিহ

গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অধ্যায়ঃ ২/ সালাত (নামায) (كتاب الصلاة)

সুতারপাড়ায় সাবেক ছাত্রদল নেতার উপর হামলা

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার সুতারপাড়া বাজারে পূর্ব শক্রুতার জের ধরে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল হান্নান (৪২) কে  ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে পশ্চিম সুতারপাড়া এলাকার ইলিয়াসউদ্দিন পিয়ারুর ছেলে মো: রাকিব (২৪) নামে এক যুবক। রবিবার রাত আনুমানিক পোনে আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহত আব্দুল হান্নান সুতারপাড়া হলের বাজারের আদর্শ ডেকোরেটরের মালিক।

সুতারপাড়ায় সাবেক ছাত্রদল নেতার উপর হামলা

ঘটনার পর পর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: আলমগীর হোসেন ওই রাস্তা দিয়ে আসার পথে ঘটনাটি জেনে আহত অবস্থায় হান্নানকে তার সরকারি গাড়িতে তুলে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।

তবে কি কারনে ঘটনাটি ঘটেছে তা জানা যায়নি।