নারিশায় বসতবাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড

দোহার উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের ঝনকি গ্রামের হাসমত সারেং এর বসতবাড়িতে ঘটে এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ড।

৭ মে বেলা ১০ টার দিকে রান্নাঘর থেকে আগুনের সুত্রপাত ঘটে। অল্প সময়ের ব্যবধানে আরো ৩টি ঘরসহ মোট ৪ টি ঘর আগুনে পুরে যায়। এ অগ্নিকান্ডে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। কিছু আবসাবপত্র ঘর থেকে বের করা হলেও অধিকাংশ ভেতরে রয়ে যায়। ফলে নগদ ৩০ হাজার টাকাসহ অনেক দামি আসবাবপত্র পুরে ছাই হয়ে যায়। ফলে বিশাল অংকের ক্ষয়-ক্ষতির স্বীকার হন  পরিবারটি। মুহুর্তের মধ্যে পরিবারের স্বজনদের মধ্যে হাহাকার শুরু হয়ে যায়। ফায়ার সার্ভিস আসার পূর্বেই বাড়ির দুই তৃতীয়াংশ পুরে যায়।

নারিশায় বসতবাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড

পুরো গ্রামে অগ্নিকান্ডের খবর ছড়িয়ে পরলে এলাকার লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রনে আনার আপ্রান চেষ্টা করে।

পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ও এলাকার লোকদের সমিল্লিত প্রচেষ্টায়  প্রায় ৩ ঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনা হয়।

প্রতিদিনের হাদিসঃ সিয়াম(রোজা)

হাদিস নং ২৩৬৬: ইয়াহইয়া ইবনু আয়্যুব, কুতায়বা ও ইবনু হুজর (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, রমযান মাস এলে জান্নাতের দরজাসমুহ খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমুহ বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শয়তানকে শিকলবন্ধী কর হয়।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২৩৬৯: ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) … ইবনু উমর (রাঃ) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি রমযান সম্পর্কে আলোচনা করে বললেন, তোমরা চাঁদ না দেখে সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) পালন করো না এবং চাঁদ না দেখা পর্যন্ত ইফতারও করো না। আর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে ত্রিশ দিন পূর্ণ করা।

হাদিস নং ২৩৭০: আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) … ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযান মাসের কথা আলোচনা করলেন। তারপর তিনি তাঁর উভয় হাতদ্বারা ইংগিত প্রদান করে বললেন, মাস তো এতো দিনে আর এতো দিনে হয়। তৃতীয় দফায় তিনি বৃদ্ধাঙ্গুলীটি বন্ধ করে নিলেন। এরপর বললেন, তোমরা চাঁদ দেখে সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) পালন করবে এবং চাঁদ দেখে ইফতার (ঈদ) করবে। যদি আকাশ মেঘে ঢাকা থাকে, তবে ত্রিশ দিন পূর্ণ করবে।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২৩৮৯: আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা রমযানের একদিন বা দু’দিন পূর্বে (নফল) সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) পালন করবে না। হ্যাঁ, যদি কোন ব্যাক্তি এ সময় সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) পালন করতে অভ্যস্ত থাকে, তবে সে সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) পালন করতে পারে।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২৩৯১: আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) … যুহরী (রহঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শপথ করলেন যে, তিনি এক মাস পর্যন্ত তাঁর স্ত্রীদের কাছে যাবেন না। যুহরী (রহঃ) উরওয়া (রহঃ) এর সুত্রে আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, যখন ঊনত্রিশ রাত্র অতিবাহিত হয়ে গেল, আমি তা হিসাব রাখছিলাম। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট আসলেন এবং আমার থেকেই আরম্ভ করলেন। এ সময় আমি বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনি তো একমাস পর্যন্ত আমাদের নিকট না আসার শপথ করেছেন অথচ আপনি ঊনত্রিশ তারিখের পরই চলে এলেন, আমি তো গুণে রেখেছি। তখন তিনি বললেন, মাস তো উনত্রিশ দিনেও হয়ে থাকে।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২৩৯৩: হারুন ইবনু আবদুল্লাহ ও হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) … জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের থেকে এক মাসের জন্য পৃথক হয়ে গেলেন। তারপর ঊনত্রিশতম দিবসে ভোর বেলা তিনি আমাদের নিকট আসলেন। কেউ কেউ বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ আজ তো ঊনত্রিশতম দিনের ভোরবেলা। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয়ে থাকে। এরপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয় হাতের সমস্ত আঙ্গুল খুলে দুবার ইংগিত করলেন এবং তৃতীয়বার ইংগিত করলেন নয় আঙ্গুল দ্বারা।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২৩৯৯: ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, ইয়াহইয়া ইবনু আয়্যুব, কুতায়বা ও ইবনু হুজর (রহঃ) … কুরায়ব (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, উম্মুল ফযল বিনত হারিস তাকে সিরিয়ায় মু’আবিয়া (রাঃ) এর নিকট পাঠালেন। (কুরায়ব বলেন) আমি সিরিয়ায় পৌছলাম এবং তার প্রয়োজনীয় কাজটি সমাধা করে নিলাম। আমি সিরিয়া থাকা অবস্থায়ই রমযানের চাঁদ দেখা গেল। জুমু’আর দিন সন্ধ্যায় আমি চাঁদ দেখলাম। এরপর রমযানের শেষভাগে আমি মদিনায় ফিরলাম। আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) আমার নিকট জিজ্ঞাসা করলেন এবং চাঁদ সম্পর্কে আলোচনা করলেন। এরপর জিজ্ঞাসা করলেন, তোমরা কোন দিন চাঁদ দেখেছ? আমি বললাম, আমরা তো জুমু’আর দিন সন্ধায় চাঁদ দেখেছি।

তিনি আবার জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি নিজে দেখেছ কি? আমি বললাম, হ্যাঁ, আমি দেখেছি এবং লোকেরাও দেখেছে। তারা সিয়াম পালন করেছে এবং মুআবিয়া (রাঃ)-ও সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) পালন করেছেন। তিনি বললেন, আমরা কিন্তু শনিবার সন্ধ্যায় চাঁদ দেখেছি। আমরা সিয়াম পালন করতে থাকব, শেষ পর্যন্ত ত্রিশ দিন পূর্ণ করব অথবা চাঁদ দেখব। আমি বললাম, মু-আবিয়া (রাঃ) এর চাঁদ দেখা এবং তাঁর সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) পালন করা আপনার জন্য যথেষ্ট নয় কি? তিনি বললেন, না, যথেষ্ট নয়। কেননা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে এরূপ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম

অধ্যায়ঃ সিয়াম (রোজা)

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নবাবগঞ্জ উপজেলা শিক্ষক সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এতে নবাবগঞ্জ পাইলট  উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ সাইদুর রহমান সভাপতি এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক মতিউর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় নির্বাচনের প্রিজাইডিং অফিসার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ফারুক আহমেদ এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

উপজেলার ৩৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪৯৪ জন শিক্ষক নির্বাচনের তিনটি পদে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেন। এর আগে কমিটির আরও ২৪টি পদের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

কমিটি বাতিলকে কেন্দ্র করে শ্লোগানে ও বিক্ষোভে উত্তাল দোহার ছাত্রলীগ

৫ মে ২০১৮ তারিখে ঢাকা জেলা ছাত্রলীগ দক্ষিন জরুরি সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিলুপ্ত ঘোষনা করে ২০১৩-১৪ সেশনে গঠিত দোহার উপজেলা ও দোহার পৌরসভা ছাত্রলীগের কমিটি। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আজ জয়পাড়াতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির নেতৃবৃন্দ। ২০১৩-১৪ সেশনের একই সময়ে জয়পাড়া কলেজ কমিটি গঠিত হলেও তা বাতিল করেনি ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগ।

বিলুপ্তি ঘোষিত কমিটি সহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিয়ন কমিটির নেতা-কর্মি ও সদস্যরা সকাল ১১টায় জয়পাড়া কলেজ থেকে বের হয়ে এই বিক্ষোভ মিছিল জয়পাড়া বাজার ঘুরে  রতন চত্ত্বর ও থানার মোড় হয়ে দোহার উপজেলা প্রাঙ্গনে এসে শেষ হয়। এই সময় বিভিন্ন বিক্ষোভের স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে মিছিল।

এ সময় তারা শ্লোগান দেন –

“ ছাত্রলীগের মুলনীতি – শিক্ষা শান্তি, প্রগতি / আমরা সবাই ছাত্রলীগ/ নেতা মোদের শেখ মুজিব।“

“আলমগীরের গালে গালে, জুতা মারো তালে তালে।” ,

“চাকরের দালালী, মানি না, মানবো না।“

“দিয়েছি রক্ত, আরো দিব রক্ত, রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়। “

“ছাত্রলীগের মাইর, দুনিয়ার বাইর।“

“মান্নান – মাহবুব/ভাই ভাই/ভয় নাই/ ছাত্রলীগ-রাজপথ ছাড়ে নাই।“

“দালালের রাজনীতি মানি না/মানবো না/ জয় বাংলা/ জয় বংগবন্ধু।“

দোহার ছাত্রলীগ

দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগ অফিসের সামনে এক সমাবেশে এ সময় নেতা কর্মিরা বক্তব্য দেন।

এ সময় নারিশা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিব খালাসী বলেন, সালমান এফ রহমান দোহার থানায় শিয়াল কুকুর দিয়ে রাজনীতি শুরু করেছেন। যারা ছাত্রলীগ করে না, যারা আওয়ামীলীগ করে না, তারা আজ রাজনীতি করছে। আজ সালমান এফ রহমান জাতীয় পার্টি দিয়ে দোহারের রাজনীতি শুরু করেছেন, তিনি নাজমুল হুদাকে দিয়ে নির্বাচনে জয়ী হতে চান। হয়তো সামনে দেখা যাবে গোলামের আযমের ছেলেকে দোহারে বসিয়ে দিবেন। আমরা এই ধরনের দালালের কাছ থেকে রাজনীতি চাই না।

দোহার ছাত্রলীগ

জয়পাড়া কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন রিয়াদ বলেন, নতুন কমিটি তৃনমুল থেকে হতে হবে। ফেসবুক দিয়ে কোন কমিটি হবে না। জেলা ছাত্রলীগকে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আহবান জানাচ্ছি। অন্যথায় রাজপথ থেকে তাদেরকে প্রতিরোধ করা হবে। আমরা জীবন-যৌবন বিষর্জন দিয়ে ছাত্রলীগ করেছি। আমরা কোন দালালের দেয়া ছাত্রলীগ মেনে নেবো না।

দোহার ছাত্রলীগ

অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও সদ্য বিলুপ্ত দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক রাজীব শরীফ বলেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কাউন্সিল না দিয়ে কোন কমিটি ভাঙ্গা যায় না। নিজের রক্ত বিষর্জন দিয়ে যে ছাত্রলীগ করেছি তা বৃথা যেতে দিবো না। যতক্ষন শরীরের ধমনীতে রক্ত প্রবাহীত হবে ততক্ষন কোন কুকুর-বিড়াল ছাত্রলীগে প্রবেশ করতে পারবে না। নিজের জীবন দিয়ে হলেও তা প্রতিরোধ করবো। ষড়যন্ত্রকারীদের মনে রাখতে হবে ছাত্রলীগের মাইর, দুনিয়ার বাইর।

দোহার ছাত্রলীগ

তিনি আরো বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ঢাকা জেলা ছাত্রলীগ দক্ষিনের কাছে দোহার উপজেলার জন্য কাউন্সিলের সময় চেয়েছি। চেয়েছি সম্মান জনক বিদায়ের। কিন্তু ঢাকা জেলা ছাত্রলীগ দক্ষিন কখনই আমাদেরকে কাউন্সিলের জন্য কোন সময় দেয় নি।

সদ্য বিলুপ্ত দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা ছাত্রলীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ। আমরা ছাত্রলীগ থেকে এখন বিদায় নিতে আই। কিন্তু বিদায়টা হতে হবে অবশ্যই গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ও সম্মানজঙ্ক ভাবে। ফেসবুকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ চলে না। ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিচ্ছি ঢাকা জেলা ছাত্রলীগ দক্ষিনকে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের জন্য। পরবর্তী কার্যক্রম আমরা সিনিয়র নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে জানাবো, আপনারা ১ ঘন্টার নোটিশে আন্দোলন সফল করতে প্রস্তুত থাকবেন। কাউন্সিল দিন, কমিটি গঠন করুন।

দোহার ছাত্রলীগ

এই ব্যাপারে ঢাকা জেলা ছাত্রলীগ দক্ষিনের সভাপতি গিয়াসউদ্দিন সোহাগ নিউজ৩৯কে বলেন, বিবাহিত ও মেয়াদঊত্তীর্ন হওয়ায় কমিটি বাতিল করা হয়েছে। অতি শীঘ্রই নতুন কমিটি ঘোষনা করা হবে।

দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি হাবিবুর রহমান, সাধারন সম্পাদক রাজীব শরীফ, জয়পাড়া কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আওলাদ হোসেন রিয়াদসহ দোহার উপজেলা, দোহার পৌরসভা ছাত্রলীগ ও জয়পাড়া কলেজ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

কুসুমহাটি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষনা

দোহার উপজেলা সদ্য বিলুপ্ত কমিটি কুসুমহাটি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি প্রকাশ করেছে। ২৫ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে সাক্ষরিত ৯ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি প্রকাশ করা হয় ৬ মে ২০১৮ তারিখে। দোহার উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি হাবিবুর রহমান ও সাধারন সম্পাদক রাজিব শরীফ স্বাক্ষরিত কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে ইসলাম খান। সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে আবু সাঈদ হোসেন। কমিটিতে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন রাজিব ও শিহাব হোসাইন। যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছেন রবিউল ইসলাম ও নাবিউল হাসান। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে আছেন মোঃ রাসেল। প্রচার সম্পাদক হিসাবে আছেন আবু বকর। দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন সালাহউদ্দিন।

বিলাশপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষনা

দোহার উপজেলা সদ্য বিলুপ্ত কমিটি বিলাশপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি প্রকাশ করেছে। ২০ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে সাক্ষরিত ১০ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি প্রকাশ করা হয় ৬ মে ২০১৮ তারিখে। দোহার উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি হাবিবুর রহমান ও সাধারন সম্পাদক রাজিব শরীফ স্বাক্ষরিত কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে সাইফুল ইসলাম।  সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে সুরুজ বাঙ্গালী। কমিটিতে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন রিপন মাহমুদ ও মিজানুর রহমান। যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছেন মেহদি হাসান ও আল আমিন। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে আছেন হোসাইন মোল্লা ও অনিক মাহমুদ। প্রচার সম্পাদক হিসাবে আছেন ফয়সাল আহমেদ।  দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন রাজা আহমেদ নয়ন।

মাহমুদপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষনা

দোহার উপজেলা সদ্য বিলুপ্ত কমিটি মাহমুদপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি প্রকাশ করেছে। ১৮ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে সাক্ষরিত ১০ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি প্রকাশ করা হয় ৬ মে ২০১৮ তারিখে। দোহার উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি হাবিবুর রহমান ও সাধারন সম্পাদক রাজিব শরীফ স্বাক্ষরিত কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে মো মাসুদ রানা।  সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে জিহাদ মোল্লা। কমিটিতে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ সালাহউদ্দিন ও আনোয়ার হোসাইন। যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছেন নিবিঢ় পত্তনদার ও এইচ এম মহসিন। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে আছেন মনির হোসেন ও সাগর পত্তনদার। প্রচার সম্পাদক হিসাবে আছেন মোঃ শান্ত।  দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন অনিক পত্তনদার।

মুকসুদপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষনা

দোহার উপজেলা সদ্য বিলুপ্ত কমিটি মুকসুদপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি প্রকাশ করেছে। ১৫ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে সাক্ষরিত ১২ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি প্রকাশ করা হয় ৬ মে ২০১৮ তারিখে। দোহার উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি হাবিবুর রহমান ও সাধারন সম্পাদক রাজিব শরীফ স্বাক্ষরিত কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে রাফসান হোসাইন হৃদয়।   সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে বিপ্লব মোড়ল।  কমিটিতে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সালমান রহমান, সম্রাট হোসেন, মাহবুবুর রহমান, মিজানুর রহমান শিশির।  যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছেন আশিক হোসেন, রবিউল ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম।  সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে আছেন আওয়াল আকন্দ। প্রচার সম্পাদক হিসাবে আছেন শিপলু হোসেন।  দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন নাহিদ মোল্লা।

আজকে ঘোষনা হচ্ছে দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি

৫ মে ২০১৮ তারিখে আকস্মিক এক জরুরি ঘোষনায় বাতিল করা হয়েছিল দোহার উপজেলা ছাত্রলীগ ও দোহার পৌরসভা ছাত্রলীগের কমিটি। এরই মাঝে কমিটি বাতিল নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল দোহার উপজেলা ও পৌরসভা ছাত্রলীগের মাঝে। একই সাথে নতুন কমিটি নিয়েও শুরু হয়েছিল জল্পনা-কল্পনা। এরই মাঝে নিউজ৩৯ বিশ্বস্থ শুত্রে জানতে পেরেছে আজ কিছুক্ষনের মাঝেই ঘোষনা করা হচ্ছে দোহার উপজেলা ও দোহার পৌরসভা ছাত্রলীগের কমিটি। আর এই নতুন কমিটি উপলক্ষে আনন্দ মিছিলের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে জয়পাড়ায়। নতুন কমিটিতে সম্ভাব্য সভাপতি হিসাবে নির্বাইত হতে পারেন দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ও সাধারন সম্পাদক উদয় হোসেন।

প্রতিদিনের হাদিসঃ বিবাদ মিমাংশা

হাদিস নং ২৭০৩: আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রুবাইয়্যি বিনতে নাযর (রাঃ) এক কিশোরীর সামনের দাঁত ভেঙ্গে ফেলেছিল। তারা ক্ষতিপূরণ চাইল আর অপরপক্ষ ক্ষমা চাইল। তারা অস্বীকার করল এবং নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এল। তিনি কিসাসের আদেশ দিলেন। আনাস ইবনু নাযর (রাঃ) তখন বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! রুবাইয়্যি-এর দাঁত ভাঙ্গা হবে? না, যিনি আপনাকে সত্য সহ পাঠিয়েছেন তাঁর কসম তাঁর দাঁত ভাঙ্গা হবে না।’ তিনি বললেন, ‘হে আনাস, আল্লাহর বিধান হল কিসাস।’ অতঃপর বাদীপক্ষ রাযী হয় এবং ক্ষমা করে দেয়। তখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে এমন বান্দাও রয়েছেন যে, আল্লাহর নামে কোন কসম করলে তা পূরণ করেন। ফাযারী (রহ.) হুমায়দ (রহ.) সূত্রে আনাস (রাঃ) হতে রিওয়ায়াত করতে গিয়ে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, তখন লোকেরা রাযী হল এবং ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করল। (২৮০৬, ৪৪৯৯, ৪৫০০, ৪৬১১, ৬৮৯৪) (মুসলিম ২৮/৫ হাঃ ১৬৭৫, আহমাদ ১৪০৩০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৫১৯)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২৭০৪: হাসান (বাসরী) (রহ.) বলেন, আল্লাহর কসম, হাসান ইবনু ‘আলী (রাঃ) পর্বত প্রমাণ সেনাদল নিয়ে মু‘আবিয়াহ (রাঃ)-এর মুখোমুখী হলেন। আমর ইবনু ‘আস (রাঃ) বললেন, আমি এমন সেনাদল দেখতে পাচ্ছি যারা প্রতিপক্ষকে হত্যা না করে ফিরে যাবে না। মু‘আবিয়াহর (রাঃ) তখন বললেন, আল্লাহর কসম! আর (মু‘আবিয়াহ ও ‘আমর ইবনুল ‘আস) (রাঃ) উভয়ের মধ্যে মু‘আবিয়াহ (রাঃ) ছিলেন উত্তম ব্যক্তি- ‘হে ‘আমর! এরা ওদের এবং ওরা এদের হত্যা করলে, আমি কাকে দিয়ে লোকের সমস্যার সমাধান করব? তাদের নারীদেও কে তত্ত্বাবধান করবে? তাদের দুর্বল ও শিশুদের কে রক্ষণাবেক্ষণ করবে? অতঃপর তিনি কুরায়শের বানূ আবদে শাম্স্ শাখার দু’ ব্যক্তি ‘আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ ও ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আমর (রাঃ)-কে হাসান (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন। তিনি তাদের বললেন, ‘তোমরা উভয়ে এ ব্যক্তিটির নিকট যাও এবং তাঁর নিকট (সন্ধির) প্রস্তাব পেশ করো, তাঁর সঙ্গে আলোচনা কর ও তাঁর বক্তব্য জানতে চেষ্টা কর।’ তাঁরা তাঁর নিকট রয়ে গেলেন এবং তাঁর সঙ্গে কথা বললেন, আলাপ-আলোচনা করলেন এবং তাঁর বক্তব্য জানলেন। হাসান ইবনু ‘আলী (রাঃ) তাদের বললেন, ‘আমরা ‘আবদুল মুত্তালিবের সন্তান, এই সম্পদ (বায়তুল মালের) আমরা পেয়েছি। আর এরা রক্তপাতে লিপ্ত হয়েছে।’ তারা উভয়ে বললেন, [মুআবিয়াহ (রাঃ)] আপনার নিকট এরূপ বক্তব্য পেশ করেছেন। আর আপনার বক্তব্যও জানতে চেয়েছেন ও সন্ধি কামনা করেছেন। তিনি বললেন, ‘এ দায়িত্ব কে নিবে?’ তারা (তার জওয়াবে) বললেন, ‘আমরা এ দায়িত্ব নিচ্ছি।’ অতঃপর তিনি তাঁর সঙ্গে সন্ধি করলেন। হাসান (বসরী) (রহ.) বলেন, আমি আবূ বাকরাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ ‘রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে আমি মিম্বরের উপর দেখেছি, হাসান বিন ‘আলী (রাঃ) তাঁর পাশে ছিলেন। তিনি একবার লোকদের দিকে আরেকবার তাঁর দিকে তাকাচ্ছিলেন আর বলছিলেন, আমার এ সন্তান একজন নেতা। সম্ভবত তার মাধ্যমে আল্লাহ্ তা‘আলা মুসলমানদের দু’টি বড় দলের মধ্যে মীমাংশা করাবেন।’ আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (রহ.) বলেন, ‘আলী ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ আমাকে বলেছেন যে, এ হাদীসের মাধ্যমেই আবূ বাকরাহ (রাঃ) হতে হাসানের শোনা কথা আমাদের নিকট প্রমাণিত হয়েছে। (৩৬২৯, ৩৭৪৬, ৭১০৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৫২০)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২৭০৫: ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একবার দরজায় ঝগড়ার আওয়াজ শুনতে পেলেন; দু’জন তাদের আওয়াজ উচ্চ করেছিল। তাদের একজন আরেকজনের নিকট ঋণের কিছু মাফ করে দেয়ার এবং সহানুভূতি দেখানোর অনুরোধ করেছিল। আর অপর ব্যক্তি বলছিল, ‘না, আল্লাহর কসম! আমি তা করব না।’ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের দু’জনের কাছে এলেন এবং বললেন, সৎ কাজ করবে না বলে যে আল্লাহর নামে কসম করেছে, সে ব্যক্তিটি কোথায়? সে বলল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি। সে যা পছন্দ করবে তার জন্য তা-ই হবে।’ (মুসলিম ২২/৪ হাঃ ১৫৫৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৫২১)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২৭০৬: কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ হাদরাদ আল-আসলামীর কাছে তার কিছু মাল পাওনা ছিল। রাবী বলেন, একবার তার সাক্ষাৎও পেলেন এবং তাকে ধরলেন, এমনকি তাদের আওয়াজ চড়ে গেল। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন, ওহে কা’ব, অতঃপর হাতের ইশারায় তিনি যেন জানালেন, অর্ধেক। তারপর তিনি তার পাওনা নিলেন আর অর্ধেক ছেড়ে দিলেন। (৪৫৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৫২২)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২৭০৭: আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘মানুষের প্রতিটি হাতের জোড়ার জন্য তার উপর সদাকাহ রয়েছে। সূর্য উঠে এমন প্রত্যেক দিন মানুষের মধ্যে সুবিচার করাও সদাকাহ।’ (২৮৯১, ২৯৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৫২৩)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২৭০৮: যুবাইর (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি এক আনসারীর সঙ্গে বিবাদ করেছিলেন, যিনি বাদারে শরীক ছিলেন। তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে প্রস্তরময় যমীনের একটি নালা সম্পর্কে অভিযোগ করলেন। তারা উভয়ে সে নালা হতে পানি সেচ করতেন। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যুবাইরকে বললেন, ‘হে যুবাইর! তুমি প্রথমে পানি সেচবে। অতঃপর তোমার প্রতিবেশির দিকে পানি ছেড়ে দিবে।’ আনসারী তখন রেগে গেল এবং বললো, ‘হে আল্লাহর রাসূল! সে আপনার ফুফুর ছেলে হওয়ার কারণে?’ এতে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর চেহারার রঙ বদলে গেল। অতঃপর তিনি বললেন, ‘তুমি সেচ কর, অতঃপর পানি আটকে রাখ, বাঁধ বরাবর পৌঁছা পর্যন্ত।’ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যুবাইর (রাঃ)-কে তার পূর্ণ হক দিলেন। এর আগে যুবাইর (রাঃ)-কে তিনি এমন নির্দেশ দিয়েছিলেন যা আনসারীর জন্য সুবিধাজনক ছিল। কিন্তু আনসারী আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে রাগান্বিত করলে সুস্পষ্ট নির্দেশের মাধ্যমে যুবাইর (রাঃ)-কে তিনি তার পূর্ণ হক দান করলেন। ‘উরওয়াহ (রাঃ) বলেন, যুবাইর (রাঃ) বলেছেন, ‘আল্লাহর কসম! আমার নিশ্চিত ধারণা যে (আল্লাহর বাণী)ঃ কিন্তু না, আপনার প্রতিপালকের শপথ! তারা মুমিন হবে না যতক্ষণ তারা তাদের নিজেদের বিবাদে আপনাকে বিচারক হিসাবে মান্য না করে- (সূরা আন-নিসা ৬৫) আয়াতটি সে ব্যাপারেই নাযিল হয়েছিল।’ (২৩৬০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৫২৪)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২৭০৯: জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা মারা গেলেন, আর তার কিছু ঋণ ছিল। আমি তাঁর ঋণের বিনিময়ে পাওনাদারদের খেজুর নেয়ার কথা বললাম। তাতে ঋণ পরিশোধ হবে না বলে তারা তা নিতে অস্বীকার করল। আমি তখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে এ বিষয়ে তাঁর নিকট উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন, খেজুর পেড়ে মাচায় রেখে আল্লাহর রাসূলকে খবর দিও। (অতঃপর) তিনি এলেন এবং তাঁর সঙ্গে আবু বাকর ও ‘উমার (রাঃ)-ও ছিলেন। তিনি তার উপর বসলেন এবং বরকতের দু‘আ করলেন। পরে বললেন, তোমার পাওনাদারদের ডাক এবং তাদের প্রাপ্য পরিশোধ করে দাও। অতঃপর আমার পিতার পাওনাদারদের কেউ এমন ছিল না যার ঋণ পরিশোধ করিনি। অতঃপরও (আমার কাছে) তের ওয়াসাক খেজুর উদ্ধৃত্ত রয়ে গেল। সাত ওয়াসক আজওয়া খেজুর আর ছয় ওয়াসক নিম্নমানের খেজুর কিংবা ছয় ওয়াসক আজওয়া ও সাত ওয়াসক নিম্নমানের খেজুর। অতঃপর আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে মাগরিবের সালাত আদায় করলাম এবং তাঁকে ব্যাপারটা বললাম। তিনি হাসলেন এবং বললেন, আবূ বাকর ও ‘উমারের কাছে যাও এবং দু’জনের কাছে খবরটা দাও।’ তাঁরা বললেন, ‘আমরা আগেই জানতাম যে, যখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যা করার তা যেহেতু করেছেন, তখন অবশ্য এ রকমই হবে।’ হিশাম (রহ.) ওয়াহাব (রহ.)-এর মাধ্যমে জাবির (রাঃ) হতে (বর্ণনায়) ‘আসরের সালাতের কথা উল্লেখ করেছেন। তবে তিনি আবূ বাকর (রাঃ)-এর কথা এবং আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর হাসার কথা উল্লেখ করেননি। তিনি বর্ণনা করেছেন, [জাবির (রাঃ) বলেছেন] আমার পিতা নিজের উপর ত্রিশ ওয়াসক ঋণ রেখে মারা গিয়েছেন। ইবনু ইসহাক (রহ.) ওয়াহাব (রহ.)-এর মাধ্যমে জাবির (রাঃ) হতে যুহরের সালাতের কথা বলেছেন। (২১২৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৫২৫)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)

অধ্যায়ঃ বিবাদ মীমাংসা (كتاب الصلح)

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন