গালিমপুর রহমানিয়া বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার গালিমপুর রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আর্থিক অনিয়ম-দুর্নীতি, কমিটি গঠন নিয়ে স্বেচ্ছাচারিতা, স্কুলের শ্রেণিকক্ষ দখল করে সেখানে বসবাসের অভিযোগ এনে তার অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী। গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় বিদ্যালয়ের প্রধানফটকের সামনে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে জামায়াত সম্পৃক্ততার অভিযোগ তোলে এলাকাবাসী।

বুধবার প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ফটকের সামনে ব্যানার ফেস্টুন সহকারে এলাকাবাসী অবস্থান নিয়ে এ কর্মসূচি  পালন করে। এ সময় তারা প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে। স্কুলের ফল বিপর্যয়সহ শিক্ষার পরিবেশ ধ্বংসের কারণ হিসেবে অভিভাভকরা প্রধান শিক্ষকের স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়মকে দায়ী করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তার কারনে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান নষ্ট হচ্ছে। অতি শিগগিরই জামায়াতপন্থী প্রধান শিক্ষককে বিদ্যালয় থেকে অপসারণ করে শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনতে হবে। অন্যথায় আমাদের এ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

এ সময় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউর রহমান রেজা, গালিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ  সভাপতি আজিজুর রহমান আজিম, সাধারণ সম্পাদক মো. খালেদ খান, আগলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আকতার চৌধুরী, আব্দুল বাছেত প্রমানিক, আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

প্রতিদিনের হাদিসঃ উত্তম পোশাক

 

 

হাদিস নং ৭৮৪: সামুরাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘তোমরা সাদা রঙের কাপড় পরিধান কর। কেননা, তা সবচেয়ে পবিত্র ও উৎকৃষ্ট। আর ওতেই তোমাদের মৃতদেরকে কাফন দাও।’’ (নাসাঈ, হাকেম, তিনি বলেন হাদীসটি সহীহ)

সহীহ তারগীব ২০২৭

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

 

 

হাদিস নং ৭৮৫: বারা’ ইবনে আযেব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মধ্যম আকৃতির লম্বা ছিলেন। আমি তাঁকে লাল পোশাক পরিহিত অবস্থায় দেখেছি। আমি তাঁর চাইতে অধিক সুন্দর আর কাউকে দেখিনি।’ (বুখারী ও মুসলিম)

[1] সহীহুল বুখারী ৩৫৪৯, ৩৫৫১, ৩৫৫২, ৫৮৪৮, ৫৯০১, মুসলিম ২৩৩৭, তিরমিযী ১৭২৪, ৩৬৩৫, ৩৬৩৬, নাসায়ী ৫০৬০, ৫০৬২, ৫২৩২, ৫২৩৩, ৫৩১৪, আবূ দাউদ ৪১৮৩, ১৮০৮৬, ১৮১৯১

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

 

 

হাদিস নং ৭৮৬: আবূ জুহাইফাহ অহাব ইবনে আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মক্কায় দেখলাম, যখন তিনি আবত্বাহ নামক স্থানে চর্মনির্মিত লাল রঙের শিবিরে অবস্থান করছিলেন। বিলাল তাঁর ওযূর পানি নিয়ে বাইরে বের হলেন। কিছু লোক (বরকত হাসিল করার জন্য) উক্ত পানির ছিটা পেল আর কিছু সংখ্যক লোক পানি পেল। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লাল রঙের জোড়া বস্ত্র পরিহিত অবস্থায় বাইরে এলেন। যেন আমি তাঁর দুই পায়ের গোছার শুভ্রতা প্রত্যক্ষ করছি। অতঃপর তিনি ওযূ করলেন এবং বিলাল আযান দিলেন।

আমি তাঁর এদিক ওদিক মুখ ফিরানো লক্ষ্য করছিলাম। তিনি ডানে ও বামে মুখ ফিরিয়ে ‘হাইয়্যা আলাস স্বালাহ’, ‘হাইয়্যা আলাল ফালাহ’ বলছিলেন। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য একটি বর্শা (সুতরাহ স্বরূপ) পুঁতে দেওয়া হল। তারপর তিনি সামনে এগিয়ে গেলেন এবং নামায পড়ালেন। তাঁর (সুতরার) সামনে দিয়ে কুকুর ও গাধা অতিক্রম করছিল। সেগুলোকে বাধা দেওয়া হচ্ছিল না। (বুখারী ও মুসলিম)

[1] সহীহুল বুখারী ১৮৮, ১৯৬, ৩৭৬, ৪৯৫, ৪৯৯, ৫০১, ৬৩৩, ৩৫৫৩, মুসলিম ৫০৩, ২৪৯৭, নাসায়ী ৪৭০, আবূ দাউদ ৬৮৮, আহমাদ ১৮২৬৮, ১৮২৭৮, দারেমী ১৪০৯

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

 

 

হাদিস নং ৭৮৭: আবূ রিমসা রিফাআহ তাইমী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরনে দুটো সবুজ রঙের কাপড় দেখেছি।’ (আবূ দাঊদ বিশুদ্ধ সূত্রে)

আবূ দাউদ ৪০৬৫, ৪২০৬, তিরমিযী ২৮১২, ১৫৭২, আহমাদ ৭০৭১, ৭০৭৭, ১৭০২৭

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

 

 

হাদিস নং ৭৮৮: জাবের রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন (সেখানে) কালো রঙের পাগড়ী পরে প্রবেশ করেছিলেন। (মুসলিম)

মুসলিম ১৩৫৮, তিরমিযী ১৬৭৯, ১৭৩৫, ২৮৬৯, ৫৩৪৪, ৫৩৪৫ , আবূ দাউদ ৪০৭৬, ইবনু মাজাহ ২৮২২, ৩৫৮৫, আহমাদ ১৪৪৮৮, ১৪৭৩৭, দারেমী ১৯৩৯

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

 

 

 

হাদিস নং ৭৮৯: আবূ সা‘ঈদ ‘আমর ইবনে হুরাইস সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমি যেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কালো রঙের পাগড়ী পরিহিত অবস্থায় দেখছি, তিনি তাঁর পাগড়ীর দুই প্রান্ত দুই কাঁধের মাঝখানে ঝুলিয়ে রেখেছিলেন।’ (মুসলিম)

মুসলিমের অন্য এক বর্ণনায় আছে যে, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কালো রঙের পাগড়ী মাথায় বেঁধে লোকদের মাঝে খুতবা দিচ্ছিলেন।’

মুসলিম ১৩৫৯ নাসায়ী ৫৩৪৩, ৫৩৪৬, আবূ দাউদ ৪০৭৭, ইবনু মাজাহ ১১০৪, ২৮২১, ৩৫৮৪, ৩৫৮৭, আহমাদ ১৮২৫৯

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

 

 

হাদিস নং ৭৯০: আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তিনটি সাদা সুতি বস্ত্রে কাফন দেওয়া হয়েছে যেগুলি ইয়ামানের ‘সাহুল’ নামক স্থানে প্রস্তুত করা হয়েছিল। ওগুলির মধ্যে কামীস (জামা) ছিল না। আর পাগড়ীও ছিল না।’’ (বুখারী-মুসলিম)

সহীহুল বুখারী ১২৬৪, ১২৭১, ১২৭২, ১২৭৩, ১২৮৭, মুসলিম ৯৪১, তিরমিযী ৯৯৬, নাসায়ী ১৮৯৭, ১৮৯৮, ১৮৯৯, আবূ দাউদ ৩১৫১, ইবনু মাজাহ ১৪৬৯, আহমাদ ২৩৬০২, ২৪১০৪, ২৪৩৪৮, ২৪৪৮৪, ২৪৭৯৫, ২৫০৭৩, ২৫১৫২, ২৫২৬৭, ২৫৪১৮, ২৫৭৪৪, মুওয়াত্তা মালিক ৫২১

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

 

হাদিস নং ৭৯১: উক্ত রাবী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন সকালে বের হলেন, তখন তাঁর দেহে পালানের ছবি ছাপা কাল লোমের চাদর ছিল।’ (মুসলিম)

‘মুরাহহাল’ বলা হয় সেই কাপড়কে, যাতে ‘রাহল’ (উটের পিঠে স্থিত জিন্ বা পালান) এর ছবি ছাপা থাকে। আরবীতে পালানকে ‘আকওয়ার’ও বলে।

মুসলিম ২০৮১, তিরমিযী ২৮১৩, আবূ দাউদ ৪০৩২, আহমাদ ২৪৭৬৭

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

 

 

গ্রন্থঃ রিয়াযুস স্বা-লিহীন

অধ্যায়ঃ পোষাক-পরিচ্ছেদ

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন

জয়পাড়া থেকে ইয়াবা ও হিরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার উত্তর জয়পাড়া চৌধুরীপাড়া জামে মসজিদের সামনে অভিযান চালিয়ে বিল্লাল হোসেন (৩৪) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-১১।  তার কাছ থেকে ১১২ পিচ ইয়াবা ও ২ গ্রাম হিরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। বিল্লাল হোসেন দোহারের জয়পাড়া খাড়াকান্দার ইমান আলীর পুত্র।

র‌্যাব-১১ এর সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকাল সোয়া ৪টায় র‌্যাব-১১ এর কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পরিচালক মোঃ নাহিদ হাসান জনির নের্তৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দোহারের উত্তর জয়পাড়া চৌধুরীপাড়া জামে মসজিদের সামনে অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী বিল্লালকে আটক করে  র‌্যাব।  এই সময় তার কাছ থেকে ১১২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ০২ গ্রাম হিরোইন উদ্ধার করা হয়।

আসামীর বিরুদ্ধে  দোহার থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানায় র‌্যাব।

নবাবগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বছরের শিশু নিহত

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার কোমরগঞ্জ ব্রিজের ঢালে সড়ক দূর্ঘটনায় রাবেয়া নামে (৫) একটি শিশু নিহত হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। রাবেয়া উপজেলার টিকরপুর গ্রামের মোবারক হোসেনের মেয়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, কোমরগঞ্জ ব্রিজের ঢালে বাহ্রা চরকান্দা এলাকায় সকাল ১০টার দিকে কয়েকজন শিশু খেলা করছিলো। এসময় রাবেয়া দৌড়ে রাস্তা পার হতে গেলে কোমররগঞ্জ থেকে আসা একটি ট্রলি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে সে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক শেখ ফরিদ আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিহত রাবেয়ার বাবা মোবারক হোসেন বলেন, রাবেয়া চরকান্দা গ্রামে তার নানা বাড়ি বেড়াতে আসছিলো। সোমবার তাকে নিয়ে বাড়ি ফেরার কথা ছিল।

প্রতিদিনের হাদিসঃ রোজার ফজিলত

হাদিস নং ১৬৩৮: আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর মর্জি হলে আদম সন্তানের প্রতিটি সৎকাজের প্রতিদান দশ গুণ থেকে সাত শত গুণ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। আল্লাহ্ বলেনঃ তবে রোযা ব্যতীত, তা আমার জন্যই (রাখা হয়) এবং আমিই তার প্রতিদান দিবো। সে তার প্রবৃত্তি ও পানাহার আমার জন্যই ত্যাগ করে। রোযাদারের জন্য দু’টি আনন্দঃ একটি আনন্দ তার ইফতারের সময় এবং আরেকটি আনন্দ রয়েছে তার প্রভু আল্লাহর সাথে তার সাক্ষাতের সময়। রোযাদার ব্যক্তির মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট কস্তুরীর ঘ্রাণের চেয়েও অধিক সুগন্ধময়।

সহীহুল বুখারী ১৮৯৪, ১৯০৪, মুসলিম ১১৫১, তিরমিযী ৭৬৪, নাসায়ী ২২১৪, ৬৬১৬, ২২১৭, ২২১৮, ২২১৯, ৭১৩৪, ৭১৫৪, ৭৫৫২, ৭৬৩৬, ৭৭৩০, ৮৮৬৮, ৮৮৯৩, ৯০২২, ৯০৬৭, ৯০৯৯, ৯৪২১, ২৭২৫৫, ২৭২৭১, ৯৮১৯, ৯৯১৮, ১০১২৭, ১০১৭৬, ১০৩১৩, মুয়াত্তা মালেক ৬৯০, দারেমী ১৭৬৯, ১৭৭০ সহীহ্ তারগীব, ৯৬৮, তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ১৬৩৯: ‘উসমান (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ যুদ্ধের মাঠে ঢাল যেমন তোমাদের রক্ষাকারী, রোযাও তদ্রূপ জাহান্নাম থেকে রক্ষা পাওয়ার ঢাল।

নাসায়ী ২২৩০, ২২৩১, আহমাদ ১৫৮৩৯, ১৫৮৪৪, ১৭৪৪৫, সহীহ তারগীব ৯৭১। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ১৬৪০: সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ জান্নাতের একটি দরজার নাম ‘রাইয়্যান’। ক্বিয়ামাতের দিন সেখান থেকে আহবান করা হবেঃ রোযাদারগণ কোথায়? যে ব্যক্তি রোযাদার হবে, সে উক্ত দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে এবং যে উক্ত দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে, সে কখনও পিপাসার্ত হবে না।

সহীহুল বুখারী ১৮৯৬, ৩২৫৭, মুসলিম ১১৫২, তিরমিযী ৭৬৫, নাসায়ী ২২৩৬, ২২৩৭, আহমাদ ২২৩১১, ২২৩৩৫ সহীহ তারগীব ৯৬৯, বুখারী, মুসলিম পিপাসার কথা ব্যতীত। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

উক্ত হাদিসের রাবী হিশাম বিন সা’দ সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তার মুখস্তশক্তি দুর্বল। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার হাদিস গ্রহন করা যায় কিন্তু দলীলযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। তার শিয়া মতাবলম্বী হওয়ার ব্যাপারে অভিযোগ আছে। (তাহযীবুল কামাল রাবী নং ৬৫৭৭, ৩০/২০৪ নং পৃষ্ঠা)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ১৬৪১: আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সওয়াবের আশায় রমযান মাসের রোযা রাখলো, তার পূর্বের গুণাহরাশি মাফ করা হলো।

১৩২৬ এর অনুরূপ, সহীহ তারগীব ৯৮২, ইরওয়াহ ৯০৬, তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী মুহাম্মাদ বিন ফুদায়ল সম্পর্কে ইবনু মাঈন তাকে সিকাহ বলেছেন। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইমাম নাসাঈ বলেন, কোন সমস্যা নেই। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি শীয়া মতাবলম্বী। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৫৪৮, ২৬/২৯৩ পৃষ্ঠা)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ১৬৪২: আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন : যখন রমযান মাসের প্রথম রাত আসে, তখন শয়তান ও অভিশপ্ত জিনদের শৃংখলিত করা হয়,জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়, তার একটি দরজাও খোলা হয় না, জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়, এর একটি দরজাও বন্ধ হয় না এবং একজন ঘোষক ডেকে বলেন, হে সৎকর্মপরায়ণ ব্যক্তি! অগ্রসর হও, হে অসৎকর্মপরায়ণ! থেমে যাও। আল্লাহ্ (রমযানের) প্রতিটি রাতে অসংখ্য লোককে জাহান্নাম থেকে নাজাত দেন।

সহীহুল বুখারী ১৮৯৮, ১৮৯৯, ৩২৭৭, মুসলিম ১০৭৯, তিরমিযী ৬৮২, নাসায়ী ২০৯৭, ২০৯৮, ২০৯৯, ২১০০, ২১০১, ২১০২, ২১০৪, ২১০৫, ২১০৬, আহমাদ ৭১০৮, ৭৭২৩, ৭৮৫৭, ৮৪৬৯, ৮৬৯৭, ৮৭৬৫, ৮৯৫১, ৯২১৩, দারেমী ১৭৭৫ তা’লীকুর রগীব ২/৬৮। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ১৬৪৫: সিলা ইবনু যুফার (রহ.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সন্দেহের দিনে আমরা আম্মার (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তখন একটি (ভুনা) বকরী পেশ করা হলো। কতক লোক পিছনে সরে গেলো। আম্মার (রাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি আজ রোযা রাখলো সে তো অবশ্যই আবূল কাসিম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর অবাধ্যাচরণ করলো।

তিরমিযী ৬৮৬, নাসায়ী ২১৮৮, আবূ দাউদ ২৩৩৪, দারেমী ১৬৮২ তা‘লীক ইবনু খুযাইমাহ ১৯১৪, ইরওয়াহ ৯৬১, সহীহ আবী দাউদ ২০২২। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আবু খালিদ আল আহমার সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আলী জুরজানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হুজ্জাহ নয়। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইবনু হাজার আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। আলী ইবনুল মাদীনী বলেন, তিনি সিকাহ। তাহরীরু তাকরীবুত তাহযীব এর লেখক বলেন, তিনি সত্যবাদী ও সিকাহ রাবীর সদৃস্য। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৫০৪, ১১/৩৯৪ নং পৃষ্ঠা)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সুনানে ইবনে মাজাহ

অধ্যায়ঃ সিয়াম বা রোযা

পাবলিশারঃ বাংলা হাদিস

আমাকে কি দিবেন আরেকবার সুযোগঃ সালমা ইসলাম

রাত নেই, দিন নেই দোহার-নবাবগঞ্জের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আপনারা যদি আগামীতেও আমাকে আপনাদের মূল্যবান ভোট দেন কথা দিচ্ছি উন্নয়নের জোয়ারে দোহার-নবাবগঞ্জের চেহারা পাল্টিয়ে দিবো।

আজ রবিবার (১৩ মে) বিকালে ঢাকার নবাবগঞ্জের বারুয়াখালি ইউনিয়নের ছত্রপুর গ্রামে কর্মী সম্মেলন ও যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা-১ আসনের সাংসদ ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এ্যাড. সালমা ইসলাম এমপি এসব কথা বলেন।

ঢাকা-১ সংসদীয় আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম আরো বলেন, দোহার-নবাবগঞ্জে জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় আসার ফলে টেন্ডারবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কমে গেছে। এর ফলে এই দুই উপজেলায় এখন শান্তির বাতাস বইছে।

সালমা ইসলাম তাঁর চার বছরে কিছু উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড তুলে ধরে বলেন, আমি এই উপজেলায় ১০২টি উপসানালয়ে অনুদান, ৭২টি কার্পেটিং রাস্তা, ৩০ হাজার পরিবারে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ, পদ্মা ভাঙ্গন রোধে ২১৭ কোটি ৬২ লক্ষ টাকার বরাদ্দ (চলমান) সহ জিনজিরা থেকে দোহার-নবাবগঞ্জ পর্যন্ত রাস্তা প্রসস্ত করণে ৪৬৯ কোটি টাকার বরাদ্দ এনে দিয়েছি। এছাড়া আরো অনেক কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অনুষ্ঠানে মো. আতাহার মিয়ার সভাপতিত্বে বারুয়াখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রজ্জ্বব আলী মোল্লা ৫০০ শত নেতা কর্মী নিয়ে জাতীয় পার্টির সাংসদ এ্যাড. সালমা ইসলামকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেণ।

দোহারে মহিলা লীগের নতুন কমিটি ঘোষনা

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের সাতভিটা এলাকায় এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে আমিনা বেগমকে সভাপতি ও নিশাত স্বর্ণাকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৬ সদস্য বিশিষ্ট দোহার উপজেলা মহিলা লীগের কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে। ঢাকা জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জলি খান ও সাধারণ সম্পাদক তাসলিমা শেখ লিমা এ কমিটির অনুমোদন দেন।

ঢাকা জেলা মহিলা লীগের সভাপতি জলি খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মহিলা লীগের সহ-সভাপতি ইয়াসমিন হোসেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক তাসলিমা শেখ লিমা সহ আরও অনেকে।

পাসপোর্ট পেতে সীমাহীন ভোগান্তি

মাহবুব আলম দুই সন্তান ও স্ত্রীর পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছেন গত ২০ মার্চ। তাঁকে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল ১২ এপ্রিল। সেদিন থেকেই ঘুরছেন। প্রতিবার নতুন নতুন তারিখ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু পাসপোর্ট আর হাতে পাচ্ছেন না। কবে পাবেন, তা-ও জানেন না।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরে এ রকম অনেক মানুষের ভিড়। পাসপোর্ট নিতে আসা অনেকেই এ কক্ষ থেকে ও কক্ষে ঘুরছেন সমস্যার কথা জানতে। এ অবস্থা শুধু ঢাকায় নয়, ঢাকার বাইরের ১৬ জেলার পাসপোর্ট কার্যালয়ের চিত্রও একই রকম। ঢাকার বাইরে পাসপোর্ট কার্যালয়গুলোতেও আবেদনের স্তূপ জমছে। খালি হাতে ফিরে যাওয়া মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।

বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাসুদ রেজওয়ান এ পরিস্থিতির কথা স্বীকার করছেন। গত বৃহস্পতিবার তিনি প্রথম আলোকে বলেন, এমনিতেই রমজানের আগে চাহিদা বাড়ে। অনেক মানুষ ওমরাহ করতে যান। এর মধ্যে কুয়েত ও সৌদি আরব থেকে আট লাখ পাসপোর্টের চাহিদা এসেছে। এখন বই ছাপিয়ে কুলাতে পারছেন না। পবিত্র রমজানের মাঝামাঝি পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে তিনি আশা করছেন।

তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক কর্মকর্তা বলেন, পাসপোর্ট বই ছাপানোর যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছিল ১০ বছর আগে। ছাপাখানার কাজের গতি কমে গেছে। এতে বই ছাপা হচ্ছে কম। পাসপোর্ট অধিদপ্তরের এসব যন্ত্রপাতি আধুনিকায়নের দিকে নজর নেই। তাঁরা তাকিয়ে আছেন ই-পাসপোর্টের দিকে। এ বছরই ই-পাসপোর্টের যন্ত্রপাতি কেনা হচ্ছে। ই-পাসপোর্ট চালু না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতির উন্নতি হবে না বলে তাঁরা জানিয়েছেন।

আগারগাঁওয়ের পাসপোর্ট বিতরণ কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন সালমা বেগম। তিনি হজে যাবেন। তাঁর ভাতিজা দ্বীন ইসলাম গত ২২ এপ্রিল আবেদন করেছেন। তাঁর সম্ভাব্য পাসপোর্ট পাওয়ার দিন বলা হয়েছে ১ মে। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিনি পাসপোর্ট পাননি।

সায়মা রহমান গত রোববার এসেছিলেন পাসপোর্ট নিতে। সেদিন তাঁকে বলা হয় দুদিন পরে খোঁজ নিতে। বুধবারে এসে দুই ঘণ্টা অপেক্ষার পর জানানো হয়, নতুন বই না থাকায় এখন পাসপোর্ট দেওয়া যাবে না। ক্ষুব্ধ সায়মা বলেন, ‘ওনাদের বই নেই, সেটা আগে জানিয়ে দিলেই হতো।’

পাসপোর্ট না পেয়ে ফিরে যাওয়া সাতজনের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তাঁদের মধ্যে জরুরি পাসপোর্ট আবেদনকারীও আছেন। রবিউল আলম নামের এক ভুক্তভোগী বলেন, ‘সাত হাজার টাকা দিলাম। তখনো তো বলতে পারত বই নাই। আর্জেন্টের টাকা নিয়া এখনো দিতেছে না। ২০ দিন হইয়া গেছে।’

ঢাকার বাইরের অবস্থা আরও করুণ। উত্তরবঙ্গের একটি জেলার পাসপোর্ট কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বলেন, তাঁর অফিসে এক হাজারের বেশি পাসপোর্ট আবেদন পড়ে আছে। নতুন বই না পাওয়ায় তিনি দিতে পারছেন না। মানুষের রাগারাগি-গালাগালিও শুনতে হচ্ছে।

পাসপোর্ট অধিদপ্তর জানায়, দেশে প্রতিদিন পাসপোর্ট বইয়ের চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার। বর্তমান পরিস্থিতিতে বই ছাপানো হচ্ছে ১০ থেকে ১২ হাজার। অর্থাৎ প্রতিদিন ছয় থেকে আট হাজার ছাপা হচ্ছে না। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আট লাখ নতুন পাসপোর্টের আবেদন। কুয়েত, সৌদি আরব, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের বৈধকরণের সুযোগ দিয়েছে ওই সব দেশের সরকার। এসব দেশের আট লাখ প্রবাসী পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছেন। এতে পরিস্থিতি জটিল হয়ে গেছে। সব মিলে পাসপোর্ট নিয়ে মানুষের যে ভোগান্তি, তা শিগগির কমবে না বলেই মনে করছেন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও।

প্রতিদিনের হাদিসঃ স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক

হাদিস নং ৩৯৪১: ইমাম আব্দুর রহমান আন-নাসাঈ (রহঃ) … আনাস (রাঃ) এর সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, পার্থিব বস্তুর মধ্যে স্ত্রী ও সুগন্ধী আমার নিকট পছন্দনীয় করা হয়েছে এবং নামাযে রাখা হয়েছে আমার নয়নের প্রশান্তি।

তাহক্বীকঃ হাসান। মিশকাত ৫২৬১, রওযুন নাযীর ৫৩, সহীহ জামে’ আস-সগীর ৩১২৪।

হাদিসের মানঃ  হাসান (Hasan)

হাদিস নং ৩৯৪২: আলী ইবন মুসলিম আত-তূসী (রহঃ) … আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ স্ত্রী ও সুগন্ধী আমার জন্য পছন্দনীয় করা হয়েছে এবং নামাযে নিহিত রাখা হয়েছে আমার নয়ন প্রীতি।

তাহক্বীকঃ সহীহ। মিশকাত ৫২৬১, রওযুন নাযীর ৫৩, সহীহ জামে’ আস-সগীর ৩১২৪।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ৩৯৪৪: আমর ইবন আলী (রহঃ) … আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তির দুই স্ত্রী থাকবে এবং একজনের প্রতি বেশি ঝুঁকে পড়বে, সে কিয়ামত দিবসে এই অবস্থায় উঠবে যে, তার শরীরের একাংশ একদিকে ঝুঁকে থাকবে।

তাহক্বীকঃ সহীহ। ইবন মাজাহ ১৯৬৯, ইরওয়া ২০১৭, মিশকাত ৩২৩৬।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ৩৯৪৬: উবায়দুল্লাহ্ ইবন সা’দ ইবন ইবরাহীম (রহঃ) … আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীগণ একদা ফাতেমা (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট পাঠালেন। তিনি এসে অনুমতি চাইলেন, সে সময় রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চাদর গায়ে আমার সাথে শোয়া ছিলেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতিমা (রাঃ)-কে অনুমতি দিলেন। তখন ফাতিমা (রাঃ) বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আপনার স্ত্রীগণ আমাকে আপনার নিকট পাঠিয়েছেন। তারা আবু কুহাফার মেয়ের (আয়েশা) বিষয়ে তাদের সাথে ইনসাফ করার অনুরোধ করছেন। আয়েশা (রাঃ) বললেনঃ আমি চুপ ছিলাম। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতিমা (রাঃ)-কে বললেন, যাকে আমি ভালবাসি তাকে কি তুমি ভালবাস না? ফাতিমা (রাঃ) বললেন, কেন ভালবাসব না? রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাহলে একে ভালবাস।

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা শোনার পর ফাতিমা (রাঃ) উঠে গেলেন এবং রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীদের কাছে ফিরে গিয়ে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছিলেন তার বর্ণনা দিলেন। তারা বললেন, তোমার দ্বারা আমাদের কোন কাজ হল না। তুমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে পুনরায় যাও এবং তাঁকে বল, আপনার স্ত্রীগণ আবু কুহাফার মেয়ে [আয়েশা (রাঃ)]-এর বিষয়ে ইনসাফের অনুরোধ করছে। ফাতিমা (রাঃ) বললেন, এই বিষয়ে আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে আর কখনো কোন কথা বলব না।

আয়েশা (রাঃ) বললেন, এরপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীগণ যয়নাব বিনত জাহাশকে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে পাঠালেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীগণের মধ্যে তিনিই একমাত্র রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে মর্যাদার বিষয়ে আমার সমপর্যায়ের ছিলেন। আমি যয়নব (রাঃ) অপেক্ষা বেশি দীনদার, আল্লাহর ভয়, আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষাকারী, সত্যবাদী-দানশীলা যেই কাজে দান-সাদকার সওয়াব হয় ও নৈকট্য লাভ করা যায়, সেই কাজে অধিকতর সাধনাকারিণী আর কাউকে দেখিনি। শুধু এতটুকু কথা যে, তিনি হঠাৎ রেগে যেতেন। আবার তার রাগ পড়েও যেত খুব তাড়াতাড়ি। তিনি আসলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুমতি চাইলেন।

এ সময় রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতিমা (রাঃ) প্রবেশ করার সময় যেই রকম আয়েশা (রাঃ)-এর সাথে চাদর আবৃত অবস্থায় ছিলেন, সেই অবস্থায় ছিলেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে অনুমতি দিলেন। তিনি বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে আপনার স্ত্রীগণ পাঠিয়েছেন। তারা আবু কুহাফার মেয়ের (আয়েশা-এর) ব্যাপারে তাদের সাথে ইনসাফ করার অনুরোধ করছেন। এই বলে তিনি আমার সাথে লেগেই গেলেন এবং ভাল-মন্দ বহু কিছু বললেন।

আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দৃষ্টির দিকে তাকাচ্ছিলাম তিনি আমাকে উত্তর দেয়ার অনুমতি দিচ্ছেন কি না এটা বুঝার জন্য। যয়নব তার অবস্থার মধ্যেই আছেন। শেষে আমি বুঝতে পারলাম যে, আমার উত্তর দেয়াটা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অপছন্দ করবেন না। আমি যখন তার জওয়াব দেওয়া শুরু করলাম, তখন তাকে আর কিছু বলার সুযোগ দিলাম না। শেষ পর্যন্ত আমি তার উপর বিজয়ী হলাম। পরিশেষে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এতো আবু বকরেরই মেয়ে।

তাহক্বীকঃ সহীহ।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ৩৯৪৭: ইমরান ইবন বাক্কার আল-হিমসী (রহঃ) … আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি পূর্বের মত হাদীসটি বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীগণ যয়নবকে পাঠালেন, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুমতি নিলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে অনুমতি দিলেন। তিনি প্রবেশ করলেন এবং পূর্বে বর্ণিত হাদীসে যা বলা হয়েছে সেভাবে বললেন।

তাহক্বীকঃ সহীহ।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ

অধ্যায়ঃ স্ত্রীর সাথে ব্যবহার

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শিকারীপাড়ায় বজ্রপাতে গৃহবধু আহত

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার শিকারীপাড়া ইউনিয়নের হাগ্রাদী গ্রামে বজ্রপাতের ঘটনায় এক গৃহবধু আহত হয়েছে।  বসতবাড়িতে এই বজ্রপাতের ঘটনায় ওই বাড়ির ডা. বোরহান উদ্দিনের স্ত্রী রোমা আক্তার আহত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় এই ঘটনা ঘটে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় বৃষ্টি শুরু হলে সবাই ঘরের মধ্যে গল্প গুজব করছিল। তখন গৃহবধূ রুমা টিনের সঙ্গে হেলান দিয়ে বসেছিল। এ সময় বিকট শব্দে ঘরের পাশে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। সঙ্গে সঙ্গে রুমা জ্ঞান হারায়। সবশেষ তথ্য মতে গৃহবধূ রুমা জ্ঞান ফিরে পেয়েছে। তবে এখনো স্বাভাবিক হননি।