লাব্বায়েক ধ্বনিতে মুখর আরাফাত ময়দান

0

শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে পবিত্র হজ শুরু হলেও আজ এর মূলপর্ব। মিনা থেকে ২০ লক্ষাধিক হাজী আরাফাতের ময়দানে পৌঁছাতে শুরু করেছেন সকাল থেকে। আজ ফজরের নামাজের পর থেকেই আরাফাতের ময়দানে পৌঁছাতে শুরু করেছেন হাজীরা। হাজীদের লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত আরাফাত ময়দান। সেলাইবিহীন শুভ্র কাপড়ে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সারা বিশ্ব  থেকে সমবেত মুসলমানরা আজ থাকবেন সেখানে। আগামীকাল পশু  কোরবানির মধ্য দিয়ে শেষ হবে হজের আনুষ্ঠানিকতা।

এর আগে মিনায় অবস্থান নেয়ার মধ্য দিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় শুরু হয়েছে পবিত্র হজ পালনের আনুষ্ঠানিকতা।

রোববার সারা দিন ও রাত তারা মিনায় কাটান ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে। আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় মশগুল ছিলেন জিকির ও তালবিয়াতে। নামাজ আদায় করেন জামাতের সঙ্গে।

শ্রীনগরে গ্যাসের সন্ধান

0

গাজী নাদিম/রাহুলঃ শ্রীনগরে বুধবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বীরতারা ইউনিয়নের সাতগাঁও গ্রামে এই গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়।গভীর নলকূপ বসাতে গিয়ে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে।

স্থানীয়রা জানায়, সাতগাঁও গ্রামের বটতলা বিজয় মেম্বারের বাড়িতে একটি গভীর নলকূপ বসানোর সময় শ্রমিকরা গ্যাসের উদগিরণ লক্ষ করেন। এ সময় তারা স্থানীয়দের জানায়। খবর পেয়ে শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে আসে।

এ বিষয়ে শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মো. আরিফুজ্জামান শেখ সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে আগুন জ্বালিয়ে গ্যাসের উপস্থিতি পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) বিষয়টি অবগত করি। পরে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো, জাহিদুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এখানে পকেট গ্যাস রয়েছে। গ্যাসের চাপ খুব কম। তবে পেট্রোবাংলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। আপাতত ওই স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। খুব দ্রুতই পেট্রোবাংলার বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসবেন।

শিখা হত্যা মামলার প্রধান আসামী রুহুল আমিন গ্রেফতার 

0

শিখা হত্যা মামলার প্রধান আসামী শিখার স্বামী রুহুল আমিনকে গ্রেফতার করেছে দোহার থানা পুলিশ। আজ দুপুর তিনটায় তাঁকে সাংবাদিকদের সামনে উপস্থিত করা হবে বলে জানিয়েছে দোহার থানা কতৃপক্ষ। বিস্তারিত আসছে

প্রতিদিনের হাদিস: হাজ্জ্ব

0

হাদিস নং ১৫৮৩: ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেনঃ তুমি কি জান না! তোমার কওম যখন কা‘বা ঘরের পুনর্নির্মাণ করেছিল তখন ইব্রাহীম (‘আ.) কর্তৃক কা‘বা ঘরের মূল ভিত্তি হতে তা সঙ্কুচিত করেছিল। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি একে ইবরাহীমী ভিত্তির উপর পুনঃস্থাপন করবেন না? তিনি বললেনঃ যদি তোমার সম্প্রদায়ের যুগ কুফরীর নিকটবর্তী না হত তা হলে অবশ্য আমি তা করতাম। ‘আবদুল্লাহ (ইবনু ‘উমর) (রাঃ) বলেন, যদি ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) নিশ্চিতরূপে তা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুনে থাকেন, তাহলে আমার মনে হয় যে, বায়তুল্লাহ হাতীমের দিক দিয়ে সম্পূর্ণ ইবরাহিমী ভিত্তির উপর নির্মিত না হবার কারণেই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (তওয়াফের সময়) হাতীম সংলগ্ন দু’টি কোণ স্পর্শ করতেন না। (১২৬, মুসলিম ১৫/৬৯, হাঃ ১৩৩৩, আহমাদ ২৫৪৯৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৮৫)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

বর্ণনাকারী রাবীঃ আয়িশা (রাঃ)

হাদিস নং ১৫৮৭: ইবনু ‘আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মক্কা বিজয়ের দিন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ (মক্কা) শহরকে আল্লাহ সম্মানিত করেছেন, এর একটি কাঁটাও কর্তন করা যাবে না, এতে বিচরণকারী শিকারকে তাড়া করা যাবে না, এখানে প্রচারের উদ্দেশ্য ব্যতীত পড়ে থাকা কোন বস্তু কেউ তুলে নিবে না। (১৩৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৮৯)

* হারামের চতুঃসীমাঃ মাক্কাহ থেকে মাদীনাহর পথে তিন মাইল, ইরাকের পথে সাত মাইল, জে’রানার পথে নয় মাইল এবং জেদ্দার পথে দশ মাইল।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

বর্ণনাকারী রাবীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)

হাদিস নং ১৫৮৮: উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি মক্কা্য় অবস্থিত আপনার বাড়ির কোন্ স্থানে অবস্থান করবেন? তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ‘আকীল কি কোন সম্পত্তি বা ঘর-বাড়ি অবশিষ্ট রেখে গেছে? ‘আকীল এবং তালিব আবূ তালিবের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়েছিলেন, জা‘ফর ও ‘আলী (রাঃ) হননি। কেননা তাঁরা দু’জন ছিলেন মুসলমান। ‘আকীল ও তালিব ছিল কাফির। এজন্যই ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বলতেন, মু’মিন কাফির-এর সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয় না। ইবনু শিহাব (যুহরী) (রহ.) বলেন, (পূর্ববর্তীগণ নিম্ন উদ্ধৃত আয়াতে উক্ত বিলায়াতকে উত্তরাধিকার বলে) এই তাফসীর করতেন।

আল্লাহ বলেনঃ ‘‘নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে, হিজরাত করেছে, নিজেদের ধন ও প্রাণ দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে এবং যারা তাদেরকে আশ্রয় দান করেছে ও সাহায্য করেছে তারা একে অপরের বন্ধু। আর যারা ঈমান এনেছে কিন্তু হিজরাত করেনি তাদের অভিভাবকত্বের দায়িত্ব তোমাদের নেই যে পর্যন্ত না তারা হিজরাত করে। আর যদি তারা দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের সাহায্য চায় তবে তাদের সাহায্য করা তোমাদের অবশ্য কর্তব্য, কিন্তু তোমাদের সাথে যে ক্বাওমের চুক্তি রয়েছে তাদের মুকাবিলায় নয়। তোমরা যা কিছু কর আল্লাহ তা সবই দেখেন।’’ (আল-আনফালঃ ৭২)। (৩০৫৮, ৪২৮২, ৬৭৬৪, মুসলিম ১৫/৮০, হাঃ ১৩৫১, আহমাদ ২১৮২৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৯০)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

বর্ণনাকারী রাবীঃ উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ)

হাদিস নং ১৫৮৯: আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মিনা হতে ফিরে) যখন মক্কা্ প্রবেশের ইচ্ছা করলেন তখন বললেনঃ আগামীকাল খায়ফ বনী কেনানায় (মুহাসসাবে) ইনশাআল্লাহ আমাদের অবস্থানস্থল হবে যেখানে তারা (বনূ খায়ফ ও কুরাইশরা) কুফরীর উপর শপথ করেছিল। (১৫৯০, ৩৮৮২, ৪২৮৩, ৪২৮৫, ৭৪৭৯, মুসলিম ১৫/৫৯, হাঃ ১৩১৪, আহমাদ ৭২৪৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৯১)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

বর্ণনাকারী রাবীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)

হাদিস নং ১৫৯০: আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরবানীর দিনে মিনায় অবস্থানকালে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমরা আগামীকাল (ইনশাআল্লাহ) খায়ফ বনী কিনানায় অবতরণ করব, যেখানে তারা কুফরীর উপরে শপথ নিয়েছিল। (রাবী বলেন) খায়ফ বনী কিনানাই হলো মুহাসসাব। কুরায়শ ও কিনানা গোত্র বনূ হাশিম ও বনূ আবদুল মুত্তালিব-এর বিরুদ্ধে এই বিষয়ে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল, যে পর্যন্ত নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে তাদের হাতে সমর্পণ করবে না সে পর্যন্ত তাদের সাথে বিয়ে-শাদী ও বেচা-কেনা বন্ধ থাকবে।

সালামাহ (রহ.) ‘উকাইল (রহ.) সূত্রে এবং ইয়াহ্ইয়া ইবনু যাহ্হাক (রহ.) আওযায়ী (রহ.) সূত্রে ইবনু শিহাব যুহরী (রহ.) হতে বর্ণিত এবং তাঁরা উভয়ে [সালামাহ ও ইয়াহইয়া (রহ.)] বনূ হাশিম ও ইবনুল মুত্তালিব বলে উল্লেখ করেছেন। আবূ  ‘আবদুল্লাহ  (বুখারী)  (রহ.) বলেন,  বনী মুত্তালিব  হওয়াই অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ। (১৫৮৯, মুসলিম ১৫/৫৯, হাঃ ১৩১৪, আহমাদ ১০৯৬৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৯২)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

বর্ণনাকারী রাবীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী

অধ্যায়ঃ হাজ্জ

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন

নবাবগঞ্জে সোনালী আঁশ পাট নিয়ে ব্যস্ত কৃষকরা

নবাবগঞ্জে সোনালী আঁশ পাট নিয়ে ব্যস্ত কৃষকরাকৃষি অধ্যুষিত ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় চলমান কৃষি মৌসুমে পাটচাষি কৃষক পরিবারের সদস্যরা এখন সোনালী আঁশ পাট নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নে মধ্যে শোল্লা, কৈলাইল, যন্ত্রাইল, বাহ্রা, চুড়াইন, আগলা, বারুয়াখালী, জয়কৃষ্ণপুর, শিকারী পাড়া, ও নয়নশ্রী, ইউনিয়নে পাট চাষিরা পাট কাটা, জাগ দেওয়া, আঁশ ছাড়ানো, শুকানো এবং বিক্রির কাজে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন।

উপজেলা কৃষিসম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, দেশজুড়ে এখন পাট কাটার মৌসুম চলছে। নবাবগঞ্জ উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নে এবার মোট ৭৭৫ হেক্টও জমিতে পাটের আবাদ করেছে পাটচাষি কৃষকরা। এরমধ্যে দেশী সিভিএল জাতের ১০৩ হেক্টর, ডি ১৫৪ জাতের ১২ হেক্টর, তোষা ও ৯৮৯৭ জাতের ৩৫০ হেক্টর, তোষা ও-৭২ জাতের ৩১০ হেক্টর। উপজেলার পাড়াগ্রামের বাসিন্দা কৃষক সামাদ মিয়া বলেন, পাটের দাম নিয়ে চিন্তিত কৃষকরা এ ব্যপারে সরকারি নজরদারী প্রয়োজন। যাতে আমরা নায্যমূল পাই।

শোল্লা ইউপি চেয়ারম্যান দেওয়ান তুহিনুর রহমান বলেন, পাট বাংলাদেশের কৃষক সমাজের অন্যতম একটি প্রাচিন ফসল। যা সকল শ্রেণী ও পেশার মানুষের নিকট পরিচিত। পাটের উন্নয়ন ও বাজারজাত করনে সরকারের সহযোগীতার হাত সম্প্রসারিত হলে খুব শিঘ্রই পাটের সুদিন আবার ফিরে আসবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল আমিন বলেন, সোনালি আঁশ পাটের সুদিন ফিরিয়ে আনতে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বিগত সময়ের চেয়ে এবার পাটের বাজার মূল ভালো। আশাকরি পাটের সুদিন ফিরে আসবে।

প্রতিদিনের হাদিস: হাজ্জ্ব

0

হাদিস নং২৭০১-(১৯/১১৮৪): ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আত তামীমী (রহঃ) ….. আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর তালবিয়াহ্ নিম্নরূপ ছিলঃ

لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ

“হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট হাযির হয়েছি, তোমার কাছে হাযির হয়েছি, তোমার দরবারে উপস্থিত আছি। তোমার কোন শারীক নেই, আমি তোমার সমীপে উপস্থিত হয়েছি। যাবতীয় প্রশংসা ও নি’আমাত তোমারই এবং সমগ্র রাজত্ব ও সার্বভৌম কর্তৃত্ব তোমার। তোমার কোন শারীক নেই।”

নাফি’ (রহঃ) বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) নিজের তরফ থেকে তালবিয়ার সাথে আরও যোগ করতেনঃ “তোমার দরবারে উপস্থিত হয়েছি, তোমার কাছে হাযির হয়েছি, তোমার খিদমাতের সৌভাগ্য লাভ করেছি। সমস্ত কল্যাণ তোমার হাতে, তোমার কাছে হাযির হয়েছি, সমস্ত আকর্ষণ তোমার প্রতি এবং সকল কাজ তোমারই জন্য”* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৭৮, ইসলামীক সেন্টার ২৬৭৭)

* হাদিসে بِيَدَيْكَ لَبَّيْكَ শব্দের দ্বারা পরিষ্কার জানা গেল এখানে মহান রব্বুল আলামীনের হাত উদ্দেশ্য এবং দ্বিবচন শব্দ নিয়ে আসার দ্বারা বুঝা গেল, এর দ্বারা কুদরত উদ্দেশ্য নেয়া ভুল এবং বাতিল। আর যার দুটি কারণে যে, এখানে দ্বিবচন নিয়ে আসা হয়েছে। আকিদ বুঝানোর জন্য বাস্তবিক দু’হাত বুঝানোর জন্য নয় তাদের দাবি সকল আরবী আভিধানিক এবং সাহিত্যিকদের ব্যতিক্রম, কেননা তাকীদ করার জন্য হয়তো একই শব্দকে পুনরায় নিয়ে আসা হয় বা হরফসমূহ তাকীদ বৃদ্ধি করে, কিন্তু তাকীদ বুঝানোর জন্য একবচনের ক্ষেত্রে দ্বিবচন ব্যবহার করা হয় না। যা হোক মহান আল্লাহর হাত-পা, পায়ের নলা ইত্যাদি সম্পর্কে মুহাদ্দিসীনে কিরাম, সাহাবায়ে ইযাম ও তাবিঈ এবং সালফে সালিহীনদের অভিমত এই যে, এসব বিষয়ের উপর ঈমান আনয়ন করা এবং বাহ্যিক অর্থে ব্যবহার করা জরুরী। আর এ সকল বিষয়কে কোন বিষয়ের সাথে সাদৃশ্য দেয়া বা অন্য কোন তাবীল বা অপব্যাখ্যা থেকে বেঁচে থাকা উচিত।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২৭০৪-(২১/…): হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ….. আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মাথার চুল জমাট করা অবস্থায় তালবিয়াহ্ পাঠ করতে শুনেছি। তিনি বলছিলেন, “লাব্বায়কা আল্ল-হুম্মা লাব্বায়কা…লা- শারীকা লাকা”। তিনি এর সাথে আর কোন কথা যোগ করতেন না।

আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) বলতেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুল হুলায়ফায় দু’ রাকাআত সলাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করতেন। অতঃপর তার উষ্ট্রী যখন তাকে নিয়ে যুল হুলায়ফার মাসজিদের সামনে দণ্ডায়মান হতো তখন তিনি ঐসব শব্দ সহকারে তালবিয়াহ পাঠ শুরু করতেন।

‘আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) আরও বলতেন, উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাযিঃ) ও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই তালবিয়াহ্ পাঠ করতেন এবং বলতেন, “লাব্বায়কা আল্ল-হুম্মা লাব্বায়ক…ওয়ার রগবাউ ইলায়কা ওয়াল ‘আমালু।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৮১, ইসলামীক সেন্টার ২৬৮০)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ২৭০৮-(২৫/১১৮৭):  ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ….. উবায়দ ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) কে বললেন, হে আবূ ‘আবদুর রহমান আমি আপনাকে এমন চারটি কাজ করতে দেখছি- যা আপনার সঙ্গী-সাথীদের কাউকে করতে দেখিনি। তিনি বললেন, হে ইবনু জুরায়জ! সেগুলো কী কী? তিনি বললেন, আমি দেখেছি আপনি রুকনে হাজারে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানী ব্যতীত আর কোন রুকন স্পর্শ করেন না। আমি আরও লক্ষ্য করেছি যে, আপনি পশমবিহীন চামড়ার স্যান্ডেল পরিধান করেন। আমি আরও দেখেছি যে, আপনি হলুদ বর্ণ ব্যবহার করেন। আমি আরও লক্ষ্য করেছি যে, আপনি মাক্কা (মক্কা)-তে অবস্থানকালে (যিলহাজ্জ মাসের) আট তারিখে ইহরাম বাঁধেন। অথচ লোকেরা নতুন চাঁদ দেখার সাথে সাথে ইহরাম বাঁধে।

আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) বললেন, রুকনসমূহের ব্যাপারে কথা হচ্ছে এই যে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে রুকনে হাজারে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানী ছাড়া অন্য কোন রুকন স্পর্শ করতে দেখিনি।* আর পশমবিহীন স্যান্ডেলের ব্যাপার হচ্ছে এই যে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে পশমবিহীন চামড়ার স্যান্ডেল পরিধান করতে দেখেছি। তিনি তা পায়ে দিয়ে ওযুও করতেন। আমিও তাই এ ধরনের স্যান্ডেল পছন্দ করি। হলুদ রং-এর সম্পর্কে কথা হচ্ছে এই যে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ রং ব্যবহার করতে দেখেছি। অতএব আমিও এ রং পছন্দ করি। ইহরাম সম্পর্কে বলতে হয় যে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তখনি তালবিয়াহ্ পাঠ করতে শুনেছি যখন তার উট যাত্রা শুরু করেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৮৫, ইসলামীক সেন্টার ২৬৮৪)

* কা’বাহ শরীফের যে দুটি থাম (বা কোণ) ইয়ামানের (দক্ষিণ) দিকে স্থাপিত, তাকে আর-রুকন-ইয়ামানিয়্যান বলে। এর একটি কোণে হাজারুল-আসওয়াদ স্থাপিত। আর হাতিম-এর দিকের দুটি থাম (বা কোণ)-কে আর-রুকনুশ-শামিয়ান বলে। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ শেষোক্ত রুকন দুটি স্পর্শ করতেন না। কারণ তা ইবরাহীম ও ইসমাঈল (আঃ) এর ভিতের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিল না। পক্ষান্তরে রুকনে ইয়ামানী তাদের নির্মিত ভিতের উপর স্থাপিত ছিল বিধায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা স্পর্শ করতেন। (ফাতহুল মুলহিম- ৩য় খণ্ড, পৃঃ ২২০)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম

অধ্যায়ঃ হজ্জ

পাবলিশারঃ হাদিস একাডেমি

২৭১ কলেজ সরকারিকরণে প্রধানমন্ত্রীর চূড়ান্ত অনুমোদন

0

সরকারিকরণে প্রধানমন্ত্রীর চূড়ান্ত অনুমোদন পেল ২৭১ কলেজ। এর আগে গত ২ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে সার সংক্ষেপ পাঠানো হয়। ৮ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পাওয়া গেছে। সরকারিকরণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য এখন দরকার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রজ্ঞাপন।দোহার নবাবগঞ্জ কলেজ ও পদ্মা কলেজ সরকারি হয়েছে।

প্রতিদিনের হাদিস: হাজ্জ

হাদিস নং ১৫৫৭: জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আলী (রাঃ)-কে ইহরাম বহাল রাখার আদেশ দিলেন, এরপর জাবির (রাঃ) সুরাকাহ (রাঃ)-এর উক্তি বর্ণনা করেন। মুহাম্মাদ ইবনু বকর (রহ.) ইবনু জুরাইজ (রহ.) হতে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন; নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আলী (রাঃ)-কে বললেনঃ হে ‘আলী! তুমি কোন্ প্রকার ইহরাম বেঁধেছ? ‘আলী (রাঃ) বললেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর ইহরামের অনুরূপ। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাহলে কুরবানীর পশু প্রেরণ কর এবং ইহরাম অবস্থায় যেভাবে আছ সেভাবেই থাক। (১৫৬৮, ১৫৭০, ১৬৫১, ১৭৮৫, ২৫০৬, ৪৩৫২, ৭২৩০, ৭৩৬৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৬০)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

বর্ণনাকারী রাবীঃ জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ)

হাদিস নং ১৫৫৯: আবূ মূসা (আশ‘আরী) (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ইয়ামানে আমার গোত্রের নিকট পাঠিয়েছিলেন; তিনি (হাজ্জ-এর সফরে) বাত্হা নামক স্থানে অবস্থানকালে আমি (ফিরে এসে) তাঁর নিকট উপস্থিত হলাম। তিনি আমাকে বললেনঃ তুমি কোন্ প্রকার ইহরাম বেঁধেছ? আমি বললাম, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর ইহরামের অনুরূপ আমি ইহরাম বেঁধেছি। তিনি বললেনঃ তোমার সঙ্গে কুরবানীর পশু আছে কি? আমি বললাম, নেই। তিনি আমাকে বায়তুল্লাহ-এর তাওয়াফ করতে আদেশ করলেন। আমি বায়তুল্লাহ-এর তাওয়াফ এবং সাফা ও মারওয়ার সা‘য়ী করলাম। পরে তিনি আদেশ করলে আমি হালাল হয়ে গেলাম। অতঃপর আমি আমার গোত্রীয় এক মহিলার নিকট আসলাম। সে আমার মাথা অাঁচড়িয়ে দিল অথবা বলেছেন, আমার মাথা ধুয়ে দিল। এরপর ‘উমার (রাঃ) তাঁর খিফাফতকালে এক উপলক্ষে আসলেন। (আমরা তাঁকে বিষয়টি জানালে) তিনি বললেনঃ কুরআনের নির্দেশ পালন কর। কুরআন তো আমাদেরকে হাজ্জ ও ‘উমরাহ পৃথক পৃথকভাবে যথাসময়ে পূর্ণরূপে আদায় করার নির্দেশ দান করে। আল্লাহ বলেনঃ ‘‘তোমরা হাজ্জ ও ‘উমরাহ আল্লাহ’র উদ্দেশে পূর্ণ কর’’- (আল-বাকারাঃ ১৯৬)। আর যদি আমরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সুন্নাতকে অনুসরণ করি, তিনি তো কুরবানীর পশু যবহ্ করার আগে হালাল হননি। (১৫৬৫, ১৭২৪, ১৭৯৫, ৪৩৪৬, ৪৩৯৭)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৬২)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

বর্ণনাকারী রাবীঃ আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ)

হাদিস নং ১৫৬০: ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাজ্জ-এর মাসে, হাজ্জ-এর দিনগুলোতে, হাজ্জ-এর মৌসুমে আমরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে (হাজ্জে) বের হয়ে সারিফ নামক স্থানে আমরা অবতরণ করলাম।‘ আয়িশাহ (রাযি.) বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সহাবীগণের নিকট বেরিয়ে ঘোষণা করলেনঃ যার সাথে কুরবানীর পশু নেই এবং যে এ ইহরাম ‘উমরাহ’র ইহরামে পরিণত করতে আগ্রহী, সে তা করতে পারবে। আর যার সাথে কুরবানীর পশু আছে সে তা পারবে না। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, কয়েকজন সহাবী ‘উমরাহ করলেন, আর কয়েকজন তা করলেন না। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর কয়েকজন সহাবী (দীর্ঘ ইহরাম রাখতে) সক্ষম ছিলেন এবং তাঁদের সাথে কুরবানীর পশু ছিল। তাই তাঁরা (শুধু) ‘উমরাহ করতে (ও পরে হালাল হয়ে যেতে) সক্ষম হলেন না। তিনি আরো বলেন, আমি কাঁদছিলাম, এমন সময় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট উপস্থিত হয়ে বললেনঃ ওহে কাঁদছ কেন? আমি বললাম, আপনি সহাবাদের যা বলেছেন, আমি তা শুনেছি, কিন্তু আমার পক্ষে ‘উমরাহ করা সম্ভব নয়। তিনি বললেনঃ তোমার কী হয়েছে? আমি বললাম, আমি সালাত আদায় করতে পারছি না (আমি ঋতুমতী)। তিনি বললেনঃ এতে তোমার কোন ক্ষতি নেই, তুমি আদম-সন্তানের এক মহিলা। সকল নারীর জন্য আল্লাহ যা নির্ধারণ করেছেন, তোমার জন্যেও তাই নির্ধারণ করেছেন। কাজেই তুমি হাজ্জ-এর ইহরাম অবস্থায় থাক। আল্লাহ তোমাকে ‘উমরাহ করার সুযোগও দিতে পারেন। তিনি বলেন, আমরা হাজ্জ-এর জন্য বের হয়ে মিনায় পৌঁছলাম। সে সময় আমি পবিত্র হলাম। পরে মিনা হতে ফিরে (বাইতুল্লাহ পৌঁছে) তাওয়াফে যিয়ারত আদায় করি। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে সর্বশেষ দলে বের হলাম। তিনি মুহাস্সাব নামক স্থানে অবতরণ করেন, আমি তাঁর সাথে অবতরণ করলাম। এখানে এসে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আবদুর রাহমান ইবনু আবূ বাকর (রাঃ)-কে ডেকে বললেনঃ তোমার বোন (‘আয়িশা)-কে নিয়ে হারাম সীমারেখা হতে বেরিয়ে যাও। সেখান হতে সে উমরার ইহরাম বেঁধে মক্কা হতে ‘উমরাহ সমাধা করলে তাকে নিয়ে এখানে ফিরে আসবে। আমি তোমাদের আগমণ পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকব। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, আমরা বের হয়ে গেলাম এবং আমি ও আমার ভাই তাওয়াফ সমাধা করে ফিরে এসে প্রভাত হওয়ার আগেই নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট পৌঁছে গেলাম। তিনি বললেনঃ কাজ সমাধা করেছ কি? আমি বললাম জী-হাঁ। তখন তিনি রওয়ানা হওয়ার ঘোষণা দিলেন। সকলেই মদিনার দিকে রওয়ানা করলেন।

ضَيْرِ শব্দটি ضَارَ-يَضِيرُ-ضَيْرًا (ক্ষতিকর) শব্দ হতে উদগত। এমনই ভাবে ضَارَ يَضُورُ ضَوْرًا,ضَرَّ يَضُرُّ-ضَرًّا- সমার্থবোধক। (২৯৪)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৬৩)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

বর্ণনাকারী রাবীঃ আয়িশা (রাঃ)

হাদিস নং ১৫৬১: ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে বের হলাম এবং একে হাজ্জের সফর বলেই আমরা জানতাম। আমরা যখন (মক্কা্য়) পৌঁছে বাইতুল্লাহ-এর তাওয়াফ করলাম তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিলেনঃ যারা কুরবানীর পশু সঙ্গে নিয়ে আসেনি তারা যেন ইহরাম ছেড়ে দেয়। তাই যিনি কুরবানীর পশু সঙ্গে আনেননি তিনি ইহরাম ছেড়ে দেন। আর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সহধর্মিণীগণ তাঁরা ইহরাম ছেড়ে দিলেন। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, আমি ঋতুমতী হয়েছিলাম বিধায় বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করতে পারিনি। (ফিরতি পথে) মুহাসসাব নামক স্থানে রাত যাপনকালে আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সকলেই ‘উমরাহ ও হাজ্জ উভয়টি সমাধা করে ফিরছে আর আমি কেবল হাজ্জ করে ফিরছি। তিনি বললেনঃ আমরা মক্কা পৌঁছলে তুমি কি সে দিনগুলোতে তওয়াফ করনি? আমি বললাম, জী-না। তিনি বললেন, তোমার ভাই-এর সাথে তান্‘ঈম চলে যাও, সেখান হতে ‘উমরাহ’র ইহরাম বাঁধবে। অতঃপর অমুক স্থানে তোমার সাথে সাক্ষাৎ ঘটবে। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কী বললে! তুমি কি কুরবানীর দিনগুলোতে তাওয়াফ করনি! আমি বললাম, হাঁ করেছি। তিনি বললেনঃ তবে কোন অসুবিধা নেই, তুমি চল। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, এরপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে এমতাবস্থায় আমার সাক্ষাৎ হলো যখন তিনি মক্কা ছেড়ে উপরের দিকে উঠছিলেন, আর আমি মক্কার দিকে অবতরণ করছি। অথবা ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, আমি উঠছি ও তিনি অবতরণ করছেন। (২৯৪, মুসলিম ১৫/১৭, হাঃ ১২১১, আহমাদ ২৬২২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৪৬৪)

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

বর্ণনাকারী রাবীঃ আয়িশা (রাঃ)

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী

অধ্যায়ঃ হাজ্জ

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন

দোহারে পদ্মা নদীর ড্রেজিং ও তীররক্ষাসহ ১১ প্রকল্প অনুমোদন; সালমান এফ রহমানকে উপজেলা চেয়ারম্যানের ধন্যবাদ

দোহার উপজেলার মাঝিরচর থেকে নারিশাবাজার হয়ে মোকসেদপুর পর্যন্ত পদ্মা নদীর ড্রেজিং ও বাঁ-তীর সংরক্ষণসহ ১১টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি(একনেক)।

এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ছয় হাজার ৪৪৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা। এর মধ্যেই সরকারি নিজস্ব তহবিল থেকে ছয় হাজার ৪৪৪ কোটি ছয় লাখ টাকা এবং বাকি অর্থ বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় করা হবে।

রাজধানী এনইসি সম্মেলনকক্ষে মঙ্গলবার একনেক বৈঠকে এসব প্রকল্প অনুমোদন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

এই দিকে পদ্মা বাম তীর সংরক্ষনে ১৪১৫ কোটি টাকা পাস হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর দোহারের ইতিহাসে এতবড় কাজ আর কখনই হয় নি। সালমান এফ রহমানের ব্যক্তিগত উদ্যোগ, প্রধানমন্ত্রী ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর সহযোগীতায় এই কাজ সম্ভব হয়েছে বলে জানান আলমগীর হোসেন।

পুলিশের ৪ কর্মকর্তাকে সচিব পদে পদোন্নতি

0

সিআইডির অতিরিক্ত আইজি, সারদা রাজশাহীর প্রিন্সিপাল, র‌্যাবের মহাপরিচালক ও ডিএমপি কমিশনারকে সচিব পদমর্যাদা দিয়ে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-৩ এর সিনিয়র সহকারী সচিব মো. কামরুল আহসান তালুকদার স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ পদোন্নতি প্রদান করা হয়।

পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ হলেন- সিআইডির অতিরিক্ত আইজি শেখ হিমায়েত হোসেন, সারদা রাজশাহীর প্রিন্সিপ্যাল (অতিরিক্ত আইজি) মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ ও ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক গ্রেড-২ পদের বিপরীতে গ্রেড-১ এর ৪টি অস্থায়ী সুপার নিউমারারি পদ সৃজন করা হয়েছে। আর এই পদে পুলিশের ৪ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি প্রদান করা হয়েছে।