দোহারে যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার

দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের মৌড়া এলাকার বসতঘর থেকে সজীব (২৮) নামে এক যুবকের অচেতন দেহ উদ্ধার করেছে তার পরিবারের লোকজন। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। নিহত সজীবের স্ত্রী স্বর্ণা আক্তার জানান, গত দুদিন আগে তার সাথে তার স্বামীর তুচ্ছ ঘটনায় মান অভিমান হলে সে তার শ্বশুর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে যায়।  বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে শশুর বাড়ির মাধ্যমে জানতে পারে তার স্বামী মারা গেছে। ডাক্তারের ধারনা নিহত সজীব আত্মহত্যা করেছে।

ইলিশ রক্ষার্থে দোহারে প্রশাসনের অবিরাম সাঁড়াশি অভিযান

মা ইলিশ রক্ষার্থে দোহারে অবিরাম সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছে দোহার উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা ও আফরোজা আক্তার রিবা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালমা খাতুন। এতে মা ইলিশ শিকার অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় পদ্মা নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমন্য মা ইলিশ শিকার করায় ১১ জেলে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার সকালে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালমা খাতুন, উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর কর্মকর্তারা পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এ অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় মা ইলিশ শিকারের অপরাধে ১১ জেলেকে আটক ও ১৩ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ১০০ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করেন।

এসময় উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা আক্তার রিবা ও সালমা খাতুনের ভ্রাম্যমান আদালতে আল মিরাজ ও আব্দুল সালাম তালুকদারকে ২০ দিনের কারাদন্ড ও ৬ জনকে ১০ দিন করে কারাদন্ড প্রদান করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। মিরাজ হোসেন মধুর চর গ্রামের আব্দুল সালামের ছেলে, একই গ্রামের মানিক তালুকদারের ছেলে আব্দুল সালাম। আটককৃত অন্যন্যরা হলেন, নারিশা গ্রামের তোফাজ্জল শেখ পিতা খালেক শেখ, জাহিদুল ইসলাম পিতা মুসলেম মাদবর, ঝনকি গ্রামের আব্দুল মান্নান পিতা হুকুম আলী বেপারী, মেঘুলা গ্রামের জাহাঙ্গীর পিতা ময়জল বেপারী, হারুন পিতা আব্দুল খালেক, বিল্লাল হোসেন, পিতা অজ্ঞাত। বাকী ৩জনকে মাছ শিকার করবে না শর্তে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেয়া হয়। পরে জালগুলো উপজেলার মেঘুলা বাজারে পদ্মা তীরে জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয় এবং মাছগুলো বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসায় বিতরন করা হয়েছে।

জননেত্রী শেখ হাসিনা যাকে নমিনেশন দিবে তাকেই নির্বাচিত করতে হবে – সালমান রহমান

তারেক রাজীবঃ বৃহষ্পতিবার সকাল ১১ ঘটিকায় থেকে দোহার উপজেলা পরিষদের অফিসে দোহার উপজেলার সকল ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান,মেম্বার এবং পৌরসভার কমিশনারদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান আগামী একাদশ নির্বাচন বিষয়ে মতবিনিময় সভা করেছেন।

এ সময় তিনি বলেন, গত কয়েক বছরে দোহার নবাবগঞ্জে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে হবে। শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আছে বলেই দেশের সার্বিক উন্নয়ন হয়। সালমান এফ রহমান বলেন, আসছে নির্বাচনে নৌকার কোনো বিকল্প নেই।

ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান-আলমগীর হোসেন, দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি – মোঃ নজরুল ইসলাম বাবুল এবং সাধারণ সম্পাদক – আলী আহসান শিকদার খোকন

আমাকে নৌকায় ভোট দিয়ে আপনাদের ভাগ্য বদলের করার সুযোগ দেবেন – সালমান রহমান

তারেক রাজীবঃ ১১ অক্টোবর,বৃহষ্পতিবার সকাল ১ ঘটিকা থেকে নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের অফিসে নবাবগঞ্জ উপজেলার সকল ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান,মেম্বার এবং পৌরসভার কমিশনারদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান আগামী একাদশ নির্বাচন বিষয়ে মতবিনিময় সভা করেছেন। নবাবগঞ্জ উপজেলায় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতির বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। এ সময় তিনি ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) থেকে নিজেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ঘোষণা করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে ১৪ টি ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে তিনি মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে বাংলাদেশ। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে হবে। শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আছে বলেই দেশের সার্বিক উন্নয়ন হয়। সালমান এফ রহমান বলেন, আসছে নির্বাচনে নৌকার কোনো বিকল্প নেই।

আগামী নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে পারলে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো এ অঞ্চলের চিত্রও পাল্টে যাবে। তিনি আরও বলেন, ‘যদি আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে এই আসনে নমিনেশন দেন, তাহলে আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে দোহার নবাবগঞ্জের মানুষের ভাগ্য বদলে কাজ করার সুযোগ করে দেবেন।’ তিনি বলেন, অতীতেও যেমন আপনাদের পাশে থেকে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করতে চাই। এ জন্য আপনারা দলমত নির্বিশেষে এখন থেকে প্রতিটি ভোটারের বাড়িতে নিয়ে নৌকা মার্কার জন্য ভোট চাইবেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য আব্দুল বাতেন মিয়া, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুন, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসিরউদ্দিন আহম্মেদ ঝিলু, সাধারণ সম্পাদক মো. জালাল উদ্দিন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন, পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

দোহারে ৩৬টি পূজা মন্ডপে সালমান এফ রহমানের আর্থিক সহায়তা প্রদান|

দোহার উপজেলার ৩৬টি পূজা মন্ডপে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনার বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান সহায়তা প্রদান করেছে। সোমবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো.আলমগীর হোসেন আসন্ন শারদীয় দূর্গাপুজা উপলক্ষে উপজেলার ৩৬টি পুজা মন্ডপে সালমান এফ রহমানের দেওয়া অর্থ প্রতিটি মন্ডপে সহায়তা প্রদান করেন।এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা,দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল,সাধারন-সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার।

দোহারে জাতীয় উন্নয়ন মেলা শুরু

বাংলাদেশের উন্নয়ন শেখ হাসিনার দর্শন,

“উন্নয়নের অভিযাত্রায় অদম্য বাংলাদেশ”

এই স্লোগানকে সামনে রেখেই ঢাকার দোহার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বৃহস্পতিবার থেকে তিন দিনব্যাপী শুরু হলো উন্নয়ন মেলা-২০১৮।

উন্নয়ন মেলায় উপজেলার সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন মেলায় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও তথ্য চিত্র-উপাত্ত প্রদর্শন করেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্স সরাসরি প্রজেক্টরের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। যে সব সরকারি দফতর, প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এই উন্নয়ন মেলায় নিজেদেরকে স্টলের মাধ্যমে মেলে ধরেন সেগুলো হলো উপজেলা ভূমি অফিস, দোহার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলা সমবায় অফিস, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিস, উপজেলা সমাজ সেবা অফিস, উপজেলা মহিলাবিষয়ক অফিস, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ অফিস, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস, একটি বাড়ি একটি খামার, উপজেলা পরিসংখন অফিস, ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিস, সামাজিক বন বিভাগ, উপজেলা লিয়াজো অফিস, স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অফিস, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি, দোহার থানা পুলিশ , উপজেলা কৃষি অফিস, উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর, উপজেলা সাবরেজিস্ট্রি অফিস, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিস, উপজেলা দারিদ্র বিমোচন অফিস, উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিস, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিস, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ফায়ার সার্ভিস, বাংলাদেশ ছাএলীগ ঢাকা জেলা দক্ষিন, দোহার উপজেলা ছাত্রলীগ, ফারেষ্ট ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের নেতৃত্বে সব সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংক।

দোহারে জাতীয় উন্নয়ন মেলা শুরু

দোহার পৌরসভা, বিলাসপুর ইউনিয়ন, সুতারপাড়া ইউনিয়ন, নারিশা ইউনিয়ন, নয়াবাড়ি ইউনিয়ন, কুসুমহাটি ইউনিয়ন, মাহমুদপুর ইউনিয়ন, মুকসুদপুর ইউনিয়ন, রাইপাড়া ইউনিয়ন, জয়পাড়া টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা, দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালমা খাতুম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলীসহ উপজেলা পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা ও উপজেলার কলেজ ও স্কুলের শিক্ষকরা।

অপ্রাপ্ত বয়সে মোটরসাইকেল চালালেই কঠোর ব্যবস্থা: সাজ্জাদ হোসেন

অপ্রাপ্ত বয়স্ক কারো কাছে মোটর সাইকেল তুলে দিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ সাজ্জাদ হোসেন। দোহারের সাপ্তাহিক পত্রিকায় তিনি এই বক্তব্য দেন। এই সময় তিনি বলেন, ১৮ বছরের নিচে মোটরসাইকেল নিয়ে রাস্তায় বেরুলেই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শুধু তাই নয় ওই চালকের অভিভাবকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গত এক দশকে প্রবাসী অধ্যুষিত এই দোহার-নবাবগঞ্জে মোটরসাইকেল আরোহীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৭০ গুণ। গোটা দোহারে কয়েক হাজার মোটরসাইকেলবেপরোয়াভাবে চলছে। এগুলোর অধিকাংশেরই লাইসেন্স নেই। লাইসেন্স নেই চালকেরও। অধিকাংশ সন্তানের বাবা প্রবাসে, মা বাড়িতে থেকে ছেলের আবদার মেটাতে মোটরসাইকেল কিনে দিয়ে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছেন।

দোহার থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন আরও বলেন, দোহারে এসে দেখলাম অপ্রাপ্ত বয়স্ক বাইকারের সংখ্যাই বেশি। তারা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। আর বেশিরভাগ বাইকের রেজিস্ট্রেশন নেই। ট্রাফিক আইনে আটক করলেও অভিভাবকদের তদবির আসে। এক্ষেত্রে অভিভাবকদের আরও সচেতন হতে হবে। তবে এখনকার অধিকাংশ বেপরোয়া ছেলে কথা শোনে না। এ ধরনের বাইকারের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ছোট যান। কিন্তু ঝুঁকি অনেক। টিনএজারদের কাছে জনপ্রিয় ও শখের বাহন। এ বাহন এখন বড় ধরনের ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে দোহার-নবাবগঞ্জের রাস্তাঘাটে। অপ্রাপ্ত বয়সে বেপরোয়া মোটরসাইকেলের চালক যেমন নিজের জীবনকে বিপন্ন করে তুলছেন, তেমনি বিপন্ন করে তুলছেন অন্যের জীবনকে। ঘটছে একের পর এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা। আর ঝরছে তাজা প্রাণ। ছোট্ট গতির এ বাহনটি অপরাধীদের বাহন হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে। মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩ অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সী কেউ মোটরসাইকেল চালানোর অধিকারী না হলেও দোহার-নবাবগঞ্জের রাস্তায় হরহামেশাই অপ্রাপ্ত বয়স্ক চালক দেখা যায়। এতে সস্তা মূল্যের বাহনটি এখন ‘পথের আতঙ্ক’ হয়ে উঠেছে।

টিনএজারদের দূরন্ত গতির এসব বাইক ভয়ংকর হয়ে দেখা দিয়েছে জনমনে। একটি-দুটি নয়, একসঙ্গে একাধিক। চোখের সামনে দিয়ে তীব্র গতিতে ছুটে চলে। হর্নের শব্দে কানের পর্দা ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। কিন্তু সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই মোটরসাইকেলচালকদের।

প্রতিদিনের হাদিস: আন্‌-নওয়াবীর চল্লিশ হাদীস(পর্ব-৯)

0

হাদিস নং ১৭: আবূ ইয়া‘লা শাদ্দাদ ইবনু আওস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ সমস্ত জিনিস উত্তম পদ্ধতিতে করার বিধান করে দিয়েছেন। সুতরাং যখন তুমি হত্যা করবে, তখন উত্তম পদ্ধতিতে হত্যা করবে আর যখন তুমি যবেহ্ করবে, তখন উত্তম পদ্ধতিতে যবেহ্ করবে। তোমাদের প্রত্যেকের আপন ছুরি ধারালো করে নেয়া উচিত ও যে জন্তুকে যবেহ্ করা হবে তার কষ্ট লাঘব করা উচিত।

[মুসলিম: ১৯৫৫]

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ১৮: আবূ যার জুনদুব ইবনু জুনাদাহ্ এবং আবূ আব্দুর রহমান মু’আয ইবনু জাবাল রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা হতে বর্ণিত আছে, তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: <صلى الله عليه وسلمm>তুমি যেখানে যে অবস্থায় থাক না কেন আল্লাহকে ভয় কর এবং প্রত্যেক মন্দ কাজের পর ভাল কাজ কর, যা তাকে মুছে দেবে; আর মানুষের সঙ্গে ভাল ব্যবহার কর।

[তিরমিযী: ১৯৮৭, এবং (তিরমিযী) বলেছেন যে, এটা হচ্ছে হাসান হাদীস। কোন কোন সংকলনে এটাকে হাসান সহীহ্ বলা হয়েছে।]

হাদিসের মানঃ  হাসান (Hasan)

গ্রন্থঃ আন্‌-নওয়াবীর চল্লিশ হাদীস

পাবলিশারঃ ইসলাম হাউস

রাজবাড়ীর ইউএনও হলেন দোহারের রুবায়েত শিপলু

রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার ইউএনওর পদে যোগ দিলেন দোহারের কৃতি সন্তান ও দোহার নবাবগঞ্জ সোশ্যাল মুভমেন্ট এর উপদ্বেষ্টা  রুবায়েত শিপলু।

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার জয়পাড়ার সন্তান ও দোহার নবাবগঞ্জ সোশ্যাল  মুভমেন্টের উপদেষ্টা রুবায়েত শিপলু রাজবাড়ির গোয়ালন্দের উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে যোগ দিয়েছেন। ১ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে তিনি রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দায়িত্বভার বুঝে নেন।  এরপূর্বে তিনি নরসিংদী ও সোনারগাঁও এ এসি ল্যান্ড এর দায়িত্ব পালন করেন অত্যন্ত মেধাবী এই সরকারি কর্মকর্তা।

দোহারের অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সদ্য সরকারি হওয়া জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও দোহার উপজেলার সর্বজন শ্রদ্ধেয় হায়াত আলী স্যারের বড় ছেলে রুবায়েত শিপলু। সদা হাসিমুখ রুবায়েত শিপলু দোহারের সামাজিক কাছে সব সময় পাশে থেকেছেন। দিয়েছেন সাহায্য ও পরামর্শ। তার এই পদনত্বীতে তাই খুশি দোহারের সামাজিক কাজে জড়িত প্রতিটি মানুষ। তারা সকলে তার আশু সাফল্য কামনা করেন।

দোহার-নবাবগঞ্জ সোশ্যাল মুভমেন্টের সভাপতি তারেক রাজিব রুবায়েত শিপলু সম্পর্কে বলেন, তিনি দোহারের প্রতিটি সামাজিক কাজে পূর্বেও ছিলেন, ভবিষ্যতেও থাকবেন। তিনি তার উত্তরত্বর সাফল্য কামনা করেন।

দোহার-নবাবগঞ্জ পেশাজীবী পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

দোহার-নবাবগঞ্জ পেশাজীবী পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভা রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অুষ্ঠিত হয়েছে।  শুক্রবার সংগঠনের সদস্য সচিব সাংবাদিক রাশিম  মোল্লার সঞ্চালনায়  বাগিচা রেস্টুরেন্টে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথীর বক্তব্য রাখেন দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কেএম, বাবর আশরাফুল হক। তিনি বলেন, দোহার -নবাবগঞ্জ একই পরিবারভুক্ত। তাই একে অপরের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ বাড়িয়ে সামাজিক কর্মকান্ডে যুক্ত থাকার আহ্বান জানান। সেই সঙ্গে তিনি দোহার-নবাবগঞ্জ পরিষদের একটি ডাটাবেইজ তৈরির উপর গুরত্ব আরোপ করেন।

সংগঠনের আহ্বায়ক আনিসুর রহমান খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. কবিরুল বাসার। তিনিও  পেশাজীবীদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে  তালোর জোড় দেন। পরস্পরের প্রতি বন্ধন দৃড় হলে যে কোন কাজ সহজেই করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এতে আরো  বক্তব্য রাখেন এবি ব্যাংকের ভিপি চৌধুরী মোশারফ আলী বেগ সনজু, মোঃ আতিকুল হক,  কাষ্টমস কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন, মফিজুল শিশির, গ্রামীণ ফোনের জেনারেল ম্যানেজার এনায়েত কবির , মাদক দ্রবা নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আনোয়ার হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার আমিনুল ইসলাম, খানেপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. জাফর আলী, দোহার উপজেলা মেডিকেল অফিসার ডায়বেটিকস বিশেঞ্জ ডা. হরনাথ সরকার অনুপ, অর্থমন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা মোজাম্মেল হোসেন, মধুমতি ব্যাংকের এভিপি খালেদ বিন ওয়াহিদ কনক, ব্যাংকার অনিল চন্দ্র সাহা , রানা ভূঁইয়া, ইশতিয়াক খান পরাগ সাইফুল ইসলাম, সাংবাদিক খালিদ হোসেন সুমন, শিকদার গণি, ইমতিয়াজ ফরাজী জিকু প্রমুখ ।

উল্লেখ্য, দোহার-নবাবগঞ্জ পেশাজীবী পরিষদ চিকিৎসক, প্রকৌশলী, ব্যাংকার, আইজীবী, সাংবাদিক, শিক্ষক ও সরকারী-বেসরকারী কর্মকর্তাদের একটি পেশাজীবী সংগঠন।