দোহারে ওলামায়ে কেরাম ও তাবলীগের মানববন্ধন স্বারকলিপি প্রদান

দোহারে ওলামায়ে কেরাম ও তাবলীগের পক্ষ থেকে মানববন্ধন স্বারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টার সময় ওলামায়ে কেরাম ও তাবলীগের প্রায় হাজারোধিক সমর্থকেরা উপজেলার সামনে থেকে থানার মোর পর্যন্ত মানববন্ধন করে। এ সময় ওলামায়ে কেরাম ও তাবলীগের নেএীবৃন্দরা গত শনিবার ১লা ডিসেম্বর সকালে রাজধানীর বিমান বন্দর সড়কের সামনে ঘটে যাওয়া তাবলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের র্তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

তারা বলেন, পূর্বনির্ধারিত ডিসেম্বরের ৭ থেকে ১১ তারিখ পর্যন্ত দুই ধাপে অনুষ্ঠিতব্য বিশ^ ইজতেমাকে সামনে রেখে মাঠে সে¦চ্ছাশ্রম প্রদানকারী তাবলীগের সাথী, আলেম ওলামা ও নিরিহ ছাএদের উপর সা’দ অনুসারীরা অতর্কিত হামলা ও তান্ডবলীলা চালায়। যার ফলে দোহারের বেশ কয়েকজন তাবলীগের সাথী, আলেম ওলামা ও নিরিহ ছাএরা আহত হয়। এমতাবস্থায় উক্ত হামলায় অশংগ্রহনকারী সা’দ পন্থির এতাতিদের যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধের দাবী জানায় উপস্থিত ওলামায়ে কেরাম ও তাবলীগের নেতাকর্মীরা। পরে তারা উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত অভিযোগে দোহারের বেশ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা , উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যন ও দোহার থানা ইনচার্জের বরাবর স্বারকরিপি প্রদান করে। স্বারকলিপিতে উল্লেখ্য অভিযুক্তাকারে ৫০/৬০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।

পওে স্বারকলিপি প্রদান শেষে ওলামায়ে কেরাম ও তাবলীগের নোকর্মীরা সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, সা’দ পন্থির নেতাকর্মীরা অতর্কিত ভাবে আমাদের নিরীহ ওলামা ও তাবলীগের সাথীদের উপর এমন হামলা চালায়। আমরা এর সুষ্ঠ বিচারে প্রধানমন্ত্রির হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এ সময় উক্ত মানববন্ধন ও স্বারকলিপি প্রদানের সময় দোহার উপজেলার সকল ওলামায়ে কেরাম ও তাবলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সালমান এফ রহমানের পক্ষে নবাবগঞ্জের আওয়ামী লীগের নেতারা এক কাতারে

দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার বেসরকারি খাত ও  উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা বিশিষ্ট শিল্পপতি বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানকে ঘিরে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা এক কাতারে।

সবাই মিলে নেমেছেন নির্বাচনী মাঠে। কেউ কেউ উঠান বৈঠকে ব্যস্ত সময় পার করছেন। দোহার-নবাবগঞ্জ উপজেলাকে আধুনিক উপজেলা করার আশা ব্যক্ত করেছেন সালমান এফ রহমান। মহাজোট প্রার্থী সালমান এফ রহমানকে বিজয়ী করতে দুই উপজেলার অভ্যন্তরীণ কোন্দল ঝেড়ে ফেলে এক নৌকায় নেতাকর্মী। ভোটাররা বলছেন, ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগই সালমান রহমানকে নির্বাচনে জয়ী করবে।

নবাবগঞ্জ উপজেলার যেসব নেতাকে মাঠে দেখা যায় তারা হলেন- বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইউনিক গ্রুপের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ নূর আলী, সাবেক গণপরিষদ সদস্য আবু মো. সুবিদ আলী টিপু, সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার হারুন অর রশিদ, আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আবদুল বাতেন মিয়া, কৃষক লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান ফকু, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হোসেন, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কাজী শওকত হোসেন শাহীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ, সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা সম্পাদক হালিমা আক্তার লাবন্য, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান ভূঁইয়া কিসমত, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন আহমদ, ডা. এসএম হান্নান,  নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন জালাল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম মোস্তফা শিমু, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহ-সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ- কমিটির সদস্য দেওয়ান আওলাদ হোসেন, ঢাকা জেলা পরিষদের সদস্য ওয়াহিদুজ্জামান রনি, এস এম সাইফুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সারোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান রানা, ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান খান বাবু, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি জাহিদ হায়দার উজ্জ্বল। উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা একাত্মতা ঘোষণা করেন। উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের ১০টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানকে বিজয়ী করতে মাঠে নেমেছেন। তারা হলেন- শিকারীপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলীমুর রহমান খান পিয়ারা, বারুয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আরিফুর রহমান সিকদার, বান্দুরা ইউপি চেয়ারম্যান হিল্লাল মিয়া, কলাকোপা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ ইব্রাহীম খলিল, যন্ত্রাইল ইউপি চেয়ারম্যান নন্দলাল সিংহ, শোল্লা ইউপি চেয়ারম্যান দেওয়ান তুহিনুর রহমান তুহিন, বক্সনগর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াদুদ, বাহ্রা ইউপি চেয়ারম্যান ড. শাফিল উদ্দিন,  কৈলাইল ইউপি চেয়ারম্যান পান্নু মিয়া, চূড়াইন ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল জলিল ব্যাপারী প্রমুখ।

এব্যাপারে  উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন বলেন- আমাদের মধ্যে কোনো গ্রুপিং নাই। জননেত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে আমরা সকল আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমদ ঝিলু বলেন,  নৌকার প্রার্থী সালমান এফ রহমানকে বিজয়ী করে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে এই আসন উপহার দেবো। এই লক্ষ্যে আমরা তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এক কাতারে মিশে গেছি। সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।

কালিগঙ্গার তিনটি ব্রিজ সম্পূর্ণ হলে দোহার-নবাবগঞ্জ পাল্টে যাবে: সালমান এফ রহমান

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা ও ঢাকা-১ আসনের আওয়ামীলীগের প্রার্থী সালমান এফ রহমান বলেছেন, সারা বাংলাদেশের তুলনায় নবাবগঞ্জের রাস্তাঘাটের অবস্থা খুবই খারাপ। কি কারনে খারাপ তা আমি জানি না। এটা আমার কাছে আশ্চর্য্য লেগেছে। আমি নির্বাচিত হলে প্রথমে রাস্তাঘাটগুলো ঠিক করার চেষ্টা করবো। এছাড়া নদী রক্ষায় যা যা করার আমরা করবো। কালিগঙ্গার নদীর উপর তিনটি ব্রিজের কাজ চলমান রয়েছে। ব্রিজ তিনটি সম্পূর্ণ হলে দোহার-নবাবগঞ্জের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয়ে যাবে।

সালমান রহমান বলেন, সরকার স্বীদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশের ৪৯৮টি উপজেলার মধ্যে মাত্র ১৪টি উপজেলাকে নগরায়ন করা হবে। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবদার করেছিলাম দোহার-নবাবগঞ্জকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য। প্রধানমন্ত্রী আমার কথা রেখেছেন। সালমান এফ রহমান আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহিলাদের জন্য বিভিন্ন ভাতার ব্যবস্থা করেছেন। বিগত ১০ বছরে মহিলাদের জন্য শেখ হাসিনার অনেক প্রকল্প হাতে নিয়েছে। বিগত কোন সরকার এই কাজগুলো কিন্ত করেনি। বাংলাদেশের সবক্ষেত্রেই এখন মহিলাদের পদচারণা রয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন মিয়া, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন ঝিলু, সাধারণ সম্পাদক মো. জালাল উদ্দিন, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক লাবন্য ভূইয়া, শোল্লা ইউপি চেয়ারম্যান দেওয়ান তুহিনুর রহমান প্রমূখ।

আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন ২৪০ প্রার্থী

0

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৪০ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। বাকি আসন মহাজোটের শরিকদের মাঝে বণ্টন করা হয়েছে। এদিকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ পর্যায়ে শরিকদের মধ্যে দু-একটি আসনে পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার সকালে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে মহাজোটের শরিক দলের নেতাদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের যারা শরিক তারা ইচ্ছে করলে তাদের দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে পারবেন। তবে শরিকদের যেসব আসনে নৌকা প্রতীক দিয়েছি সেসব আসনের প্রার্থীদের চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিলাম।

এর মধ্যে মহাজোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির ৫ আসন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ৩ আসনে, বিকল্পধারা ৩ আসনে, বাংলাদেশ জাসদ ১ আসনে, তরিকত ফেডারেশন ২ আসনে এবং জাতীয় পার্টি-জেপি (মঞ্জু) ২টি আসনের চিঠি দেওয়া হয়েছে। ফলে মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টি বাদে অন্য দলের জন্য ১৬টি আসনের চিঠি দেওয়া হয়েছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের বড় শরিক জাতীয় পার্টির জন্য ৪২-৪৪টি আসন বরাদ্দ করা হয়েছে।

কাদের বলেন, আমাদের শরিকরা ইচ্ছে করলে নিজেদের প্রতীকে আরও বেশি আসনে নির্বাচন করতে পারবেন। শরিক দলের নিজেদের শক্তিমত্তার পরিচয় জানান দিতে তাদেরও সুযোগ দিয়েছি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আব্দুল মান্নান, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আকতার, তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ ও জাহাঙ্গীর কবির নানক প্রমুখ।

বিকল্পধারার মহাসচিব নিচু স্বরে আরও আসনের বিষয়ে বলতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, মান্নান ভাই আপনি চাইলে কুলা মার্কায় আরও প্রার্থী দিতে পারেন। আমরা তিনটার বেশি দিতে পারব না।

তিনি বলেন, শ্রদ্ধেয় বি চৌধুরী সাহেবের সঙ্গে আমাদের নেত্রী আলাপ করবেন। আমি জানি আপনাদের আরও প্রার্থীর প্রত্যাশা আছে। তবে আমরা নৌকা প্রতীকে এর বেশি দিতে পারব না। আমাদের অন্য শরিকরা সবাই একমত হয়েছেন, আশা করি আপনিও একমত হবেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, আমরা উন্মুক্ত করে দিয়েছি বিকল্পধারা চাইলে কুলা মার্কায় নির্বাচন করবে, জাসদ মশাল মার্কা, তরিকত ফুলের মালা মার্কায় তাদের প্রার্থী দিয়ে নির্বাচন করতে পারবে। তবে আমরা যাদের নৌকা প্রতীক দিয়েছি তাদের চূড়ান্ত তালিকা এটাই।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা দফায় দফায় আলাপ-আলোচনা করে দলের এবং জোটের মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছি। শনিবার আমাদের সভানেত্রীর স্বাক্ষর সম্বলিত তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দেব। সেখান থেকে আওয়ামী লীগের কে কোথায় ভোট করছেন তার তালিকা পাওয়া যাবে।

দশম সংসদে মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির এমপি ছিল ৩৪ জন, জাতীয় পার্টি (জেপি) দু’জন, ওয়কার্স পার্টির ৬ জন, জাসদের ৫ জন, তরিকত ফেডারেশনের ২ জন। একাদশ সংসদ নির্বাচনে জাপার প্রার্থী বেড়েছে, কমেছে ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাসদের।

এদিকে শুক্রবার সকালে ধানমণ্ডিতে দলের সভানেত্রীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ১৭টি আসনে চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের তালিকা দেওয়া হয়।

জানা গেছে ওইসব আসনে একজন করে প্রার্থী রেখে বাকিদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকমান্ড।

চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যারা-

১. সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ-১

২. শিরীন শারমিন চৌধুরী রংপুর-৬

৩. মহীউদ্দীন খান আলমগীর চাঁদপুর-১

৪. শফিকুর রহমান চাঁদপুর-৪

৫. আ স ম ফিরোজ পটুয়াখালী-২

৬. একেএম শাহজাহান লক্ষ্মীপুর-৩

৭. নওগাঁ-৫ আসনে নিজাম উদ্দিন জলিল

৮. নড়াইল-১ বিএম কবিরুল হক

৯. বরগুনা-১ আসনে ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু

১০. জামালপুর-১ আবুল কালাম আজাদ

১১. নাটোর-১ শহিদুল ইসলাম বকুল

১২. জামালপুর-৫ মো. মোজাফ্ফর হোসেন

১৩. ঢাকা-৫ আসনে হাবিবুর রহমান মোল্লা

১৪. ঢাকা-৭ হাজী সেলিম

১৫. ঢাকা-১৭ আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক)

১৬. চাঁদপুর-২ নুরুল আমিন

১৭. টাঙ্গাইল-২ ছোট মনির।

ঢাকায় আ’লীগ-বিএনপির লড়ছেন যারা

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকার ২০টি আসনের মধ্যে ১০টিতে আ’লীগ-বিএনপির প্রার্থী মুখোমুখি লড়াইয়ে নামছেন। শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) প্রকাশ করা এ তালিকা অনুযায়ী এ তথ্য পাওয়া যায়। আজ বাকি আসনের ধানের শীষের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা হবে।

ঢাকা-১:

সালমান এফ রহমান (আওয়ামী লীগ প্রার্থী)

অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম (বর্তমান এমপি, জাতীয় পার্টি)

ঢাকা-২:

কামরুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ প্রার্থী)

ইরফান ইবনে আমান (বিএনপি প্রার্থী)

ঢাকা-৩:

নসরুল হামিদ বিপু (আওয়ামী লীগ প্রার্থী)

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (বিএনপি প্রার্থী)

ঢাকা-৪:

সালাউদ্দিন আহমেদ (আওয়ামী লীগ প্রার্থী)

সৈয়দ আবু হোসেন (বিএনপি প্রার্থী)

ঢাকা-৫:

হাবিবুর রহমান মোল্লা (আওয়ামী লীগ প্রার্থী)

ঢাকা-৬:

কাজী ফিরোজ রশীদ (আওয়ামী লীগ প্রার্থী)

ঢাকা-৭:

হাজী সেলিম (আওয়ামী লীগ প্রার্থী)

ঢাকা-৮:

রাশেদ খান মেনন (আওয়ামী লীগ প্রার্থী)

মির্জা আব্বাস (বিএনপি প্রার্থী)

ঢাকা-৯:

সাবের হোসেন চৌধুরী (আওয়ামী লীগ প্রার্থী)

ঢাকা-১০:

ফজলে নূর তাপস (আওয়ামী লীগ প্রার্থী)

আবদুল মান্নান (বিএনপি প্রার্থী)

ঢাকা-১১:

একেএম রহমতুল্লাহ (আওয়ামী লীগ প্রার্থী)

শামীম আরা বেগম (বিএনপি প্রার্থী)

ঢাকা-১২:

আসাদুজ্জামান খান কামাল (আওয়ামী লীগ প্রার্থী)

সাইফুল আলম নীরব (বিএনপি প্রার্থী)

ঢাকা-১৩:

সাদেক খান (আওয়ামী লীগ প্রার্থী)

আবদুস সালাম (বিএনপি প্রার্থী)

ঢাকা-১৪:

আসলামুল হক (আওয়ামী লীগ প্রার্থী)

ঢাকা-১৫:

কামাল আহমেদ মজুমদার (আওয়ামী লীগ প্রার্থী)

ঢাকা-১৬:

ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা (আওয়ামী লীগ প্রার্থী)

মো. আহসান উল্লাহ হাসান (বিএনপি প্রার্থী)

ঢাকা-১৭:

চিত্রনায়ক ফারুক (আওয়ামী লীগ প্রার্থী)

এস এম আবুল কালাম আজাদ (বিএনপি প্রার্থী)

ঢাকা-১৮:

সাহারা খাতুন (আওয়ামী লীগ প্রার্থী)

ঢাকা-১৯:

ডা. এনামুর রহমান (আওয়ামী লীগ প্রার্থী)

ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন (বিএনপি প্রার্থী)

ঢাকা-২০:

বেনজীর আহমেদ (আওয়ামী লীগ প্রার্থী)

তমিজউদ্দিন (বিএনপি প্রার্থী)

খন্দকার আবু আশফাকের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষনা

ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও নবাবগঞ্জ উপজেলার সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাকের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষনা করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ ৬ ডিসেম্বর সকাল ১১ টার দিকে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষনা করা হয়। এই মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষনাওকে কেন্দ্র করে খন্দকার আবু আশফাকের নির্বাচনে প্রার্থী হতে আর কোন বাধা রইলো না।

ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাকের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষনায় স্বস্তি ফিরে এসেছে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার বিএনপির নেতা কর্মীদের মাঝে। মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষনার সময় নির্বাচনে কমিশনে উপস্থিত ছিলেন খন্দকার আবু আশফাক ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হোসাইন রানাসহ ঢাকা জেলা বিএনপি ও এর অংগ সংগঠনের নেতা কর্মীরা।

মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোশনার তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় খন্দকার আবু আশফাক নিউজ৩৯অকে বলেন, জনগন আজ গনতন্ত্র চায় কিন্তু বর্তমান সরকার তা জনগনের হাতে ফিরিয়ে দিতে চায় না। বরং গনতান্ত্রীক বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের এই সরকার বিভিন্ন হামলা, মামলা করে দমিয়ে রাখতে চায়। জনগনকে সাথে নিয়ে আমরা এদের প্রতিরোধ করবো।

এই সময় খন্দকার আবু আশফাক আরো বলেন, আমার পদত্যাগপত্র পেয়েও ইসি সেটা আমলে নেয় নি। আজ আপিলে আমি আমার কপি দেখিয়েই আমার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষনা করলো ইসি। শুধুমাত্র আমার অঞ্চলের সাধারন মানুষের মনোবল ভাঙ্গতেই আমাকে ও আমার দলকে এই হয়রানী করা হয়েছে।

দোহারে ধাপাড়িয়া খাল রক্ষার দাবীতে মানববন্ধন

ঢাকার দোহার উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের মধুরচর এলাকার ঐতিহ্যবাহী ধাপাড়িয়া খালের উপর কালভার্ট ও রাস্তা নির্মাণ এবং পদ্মার সাথে সংযোগ মুখ উন্মুক্ত করার দাবীতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। শনিবার সকালে হলের বাজার এলাকায় ধাপাড়িয়া খালের পাশে দাড়িয়ে “খাল হোক প্রবাহমান-মধুরচরের পরিবেশ বাঁচান” এই শ্লোগানে গ্রামের বাসিন্দারা মানববন্ধন করেন। মানববন্ধনে মধুরচরের শত শত বাসিন্দা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনকারীরা জানান, ১৯৮২ সালে এই খালের উপর চলাচলের জন্য প্রধান সড়ক নির্মাণ হলে খালটি দুইটি অংশে বিভক্ত হয়ে যায়। পানি প্রবাহের কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় খালের পানি প্রবাহের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। এছাড়া খালের বিভিন্ন স্থান দখল হয়ে যাওয়া এবং পদ্মার সাথে সংযোগ স্থলটি বন্ধ থাকায় মধুরচরের হাজারো মানুষ বন্যা এলেই পানি বন্দি হয়ে পরে। বর্তমানে ময়লা আবর্জনা ও দূর্গন্ধে অতিষ্ঠ স্থানীয়রা। দ্রুত খালটি উন্মুক্ত করে খালের পানি প্রবাহ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান এলাকাবাসী।

নবাবগঞ্জ-দোহারের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে নৌকার বিকল্প নেই|

আমাদের সকলকে আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী সালমান এফ রহমানের পক্ষে কাজ করে আগামী দিনে নবাবগঞ্জ দোহারকে একটি উন্নয়ন মূখী মডেল উপজেলায় রুপান্তর করতে হবে।

অবহেলীত নবাবগঞ্জ দোহারের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে নৌকার বিকল্প নেই। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বক্সনগর ইউপি ভবনে বক্সনগর ইউপি আওয়ামী লীগ আয়োজিত যৌথ সভায় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন|

শাহিন খাঁনের সভাপতিত্বে এ সময় প্রধান অতিথি ছিলেন, আওয়ামী লীগ জাতীয় কমিটির অন্যতম সদস্য আব্দুল বাতেন মিয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ, বক্সনগর ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া, রেজাউর রহমান রেজা, ছাত্রলীগের মেহেদী হাসান রানা, শুভন সিকদার, নাহিদুল আলম নাদিমসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ঢাকা-১ আসনে নৌকার প্রার্থীর সালমান ফজলুর রহমানকে করায় দোহার পৌরসভা ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল|

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমানকে ঢাকা-১ আসনে নৌকার প্রার্থীর করায় দোহার পৌরসভা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে আনন্দ মিছিল করা হয় । বুধবার সকাল ১১টার দিকে জয়পাড়া কলেজ থেকে মিছিলটি বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় তারা স্লোগান দেয় সালাম ভাই এর মার্কা নৌকা নৌকা। এরপর মিছিলটি আওয়ামী লীগ এর অফিসে গিয়ে এক মতবিনিময় সভার মধ্যমে শেষ হয়। সে সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা (দক্ষিণ) ছাত্রলীগের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক উদয় হোসেন, পৌরসভা ছাত্রলীগের সভাপতি পাপেল মাহমুদ নিজাম ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সাদ্দাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাজ্জাদ হোসেন সুরুজ, আরমান হোসেন অপু,আওলাদ হোসেন রিয়াদ, মো. সালাহউদ্দিন, শফিকুল ইসলাম সেন্টু সহ ছাএলীগের নেতাকর্মীরা।

মৈনটে অবৈধ ইট-বালু ব্যবসা: একলাখ টাকা অর্থদন্ড

ঢাকার দোহার উপজেলার মৈনট ঘাটে অবৈধ ও অপরিকল্পিত ভাবে যত্রতত্র ইট-বালু ব্যবসা করার অভিযোগে বাহের খাঁ নামে এক ব্যবসায়ীকে একলাখ টাকা অর্থদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সালমা খাতুন তাকে এ অর্থদন্ড দেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অবৈধ ও অপরিকল্পিত ভাবে মৈনট ঘাটের যত্রতত্র ইট-বালু ব্যবসা করার অভিযোগে সোমবার বিকেলে অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমান আদালত। সেখান ওই ব্যবসার মালিকদের কাউকে না পেয়ে ১৩ জন শ্রমিককে আটক করে নিয়ে আসা হয়। পরে ইট-বালু ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত বাহের খাঁ নামে একজন উপস্থিত হলে আটককৃত শ্রমিকদের ছেড়ে দেয়া হয়। এসময় ভ্রাম্যমান আদালত বাহের খাঁ নামে ওই ব্যবসায়ীকে একলাখ টাকা অর্থদন্ড দেন।

উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সহকারি কমিশনার (ভূমি) সালমা খাতুন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মৈনট ঘাটে অবৈধভাবে যত্রতত্র চলে আসছে ইট-বালুর ব্যবসা। এতে ক্রমেই সৌন্দর্য্য হারাতে বসেছে মৈনট ঘাটের। অবৈধ এ ব্যবসা বন্ধে দর্শনার্থী সহ সেখানে গড়ে ওঠা হোটেল মালিকদের অভিযোগ ছিল অনেকদিনের। আমি বিগত দুই সপ্তাহ আগে যত্রতত্র ইট-বালু ব্যবসা বন্ধ করার জন্য নির্দেশ দিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু কেউ কর্ণপাত করেনি। যে কারণে অভিযান চালিয়েছি এবং এক ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড দিয়েছি।

সালমা খাতুন আরও বলেন, এরপরেও যদি কেউ মৈনট ঘাটের যত্রতত্র ইট-বালু ব্যবসা করে সেখানের সৌন্দর্য্য নষ্ট করে তাহলে আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ করা হবে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।