প্রচারে সমান সালমা ও সালমান

সালমা ইসলাম ও সালমান এফ রহমানউচ্চ আদালতের আদেশে বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়নপত্র স্থগিত হওয়ায় এখন ঢাকা-১ আসনে মূল লড়াই হচ্ছে আওয়ামী লীগ এবং এর শরিক দল জাতীয় পার্টির দুই নেতার মধ্যে। এই আসনে সালমান এফ রহমান আওয়ামী লীগের প্রার্থী। তিনি আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বর্তমান সাংসদ সালমা ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। হেভিওয়েট এই দুই প্রার্থী সমানতালে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

সালমা ও সালমান

জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে সালমা ইসলাম দোহার ও নবাবগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় প্রচারণা চালাচ্ছেন। তাঁর স্বামী যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুলও প্রচারণায় মাঠে আছেন। আর বিএনপির প্রার্থীশূন্য আসনটিতে নৌকার টিকিটে জয়ী হওয়ার জন্য তৎপর সালমান এফ রহমান।

দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা নিয়ে এই আসন। ভোটার ৩ লাখ ১৯ হাজার ৮৩৬ জন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নৌকার প্রার্থী আবদুল মান্নান খানকে পরাজিত করে সাংসদ নির্বাচিত হন সালমা ইসলাম। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোট থেকে তিনি মনোনয়ন না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নেমে পড়েছেন ভোটারদের মন জয় করতে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে মোটরগাড়ি প্রতীকে ভোট চাইছেন তিনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার নবাবগঞ্জ উপজেলার বদ্ধনপাড়ায় জনসভা করেন সালমা ইসলাম। এ সময় তিনি সন্ত্রাস, মাদক, ও চাঁদাবাজমুক্ত এলাকা গড়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এ ছাড়া তিনি দোহার-নবাবগঞ্জে গ্যাসলাইন স্থাপন, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দেন।

এরপর সালমা ইসলাম নবাবগঞ্জ উপজেলার নয়নশ্রী এলাকায় গণসংযোগ করেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘গত পাঁচ বছরে আমি পদ্মা নদীর ভাঙন রোধে বাঁধ নির্মাণ, ঢাকার জিনজিরা থেকে নবাবগঞ্জ, দোহার ও শ্রীনগর পর্যন্ত ৭২ কিলোমিটার রাস্তা দুই লেনের কাজ, দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ সরকারীকরণসহ দোহার-নবাবগঞ্জে ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। অসম্পন্ন কাজগুলো সম্পন্ন করতে আবার জনগণের সেবা করার সুযোগ চাই। জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী।’

সালমা ও সালমান

এদিকে আওয়ামী লীগের পক্ষে ভোট বিপ্লব ঘটানোর জন্য সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও পথসভা করছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সালমান এফ রহমান। গতকাল সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ও যন্ত্রাইল ইউনিয়নের প্রায় ১২টি স্থানে নৌকার গণসংযোগ করেন তিনি।

গতকাল দুপুরে নবাবগঞ্জের বাহ্রা ইউনিয়নের কান্দামাত্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে উঠান বৈঠক করেন সালমান এফ রহমান। তিনি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘দলে দলে ভাগ হয়ে এলাকায় এলাকায় ভোট চাইবেন। নিরপেক্ষ ও অন্যান্য দল এবং মতের ভোটারদের কাছে গিয়েও ভোট চাইবেন। শুধু আওয়ামী লীগের জন্য শেখ হাসিনা উন্নয়ন করেননি। তিনি দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য উন্নয়ন করেছেন।’ সালমান এফ রহমান বলেন, ঢাকা থেকে দোহার-নবাবগঞ্জে আসতে কেরানীগঞ্জ হয়ে আসতে হয়। ভবিষ্যতে ঢাকা থেকে দোহার-নবাবগঞ্জে আসার নতুন একটি সড়ক তৈরির প্রকল্প নেওয়া হবে।

নৌকায় চড়ে নৌকার ভোট চাইলেন সালমান এফ রহমান

ঢাকার নবাবগঞ্জে নৌকায় চড়ে নৌকার ভোট চাইলেন ঢাকা-১ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী সালমান এফ রহমান। বৃহস্পতিবার সকালে শীতের তীব্রতা উপেক্ষা করে উপজেলার ভাঙ্গাভিটা’য় তিনি নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগ করেন। নৌকায় চড়ে যখন সালমান এফ রহমান নদী পাড় হচ্ছিলেন তখন নেতাকর্মীরা একসাথে ‘নৌকা, নৌকা’ স্লোগান দিতে থাকেন।

গণসংযোগে সালমান এফ রহমান ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। সারা বিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোড মডেল। আর এসব সম্ভব হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষতার কারনে। আমি আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে ঢাকা-১ আসনে নির্বাচন করবো। দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা নিয়েও আমার অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। দোহার-নবাবগঞ্জকে আমি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো। তাই দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগ সরকারকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে।

সালমান এফ রহমান

দোহারে নৌকার পক্ষে গণসংযোগ করলেন মাহবুবুর রহমান

ঢাকা-১ আসনে আওয়ামীলীগ ও মহাজোট মনোনিত প্রার্থী সালমান এফ রহমানের পক্ষে গণসংযোগ করলেন ঢাকা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান। গণসংযোগকালে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী তার সাথে ছিলেন।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত তিনি দোহার থানার মোড় থেকে শুরু করে জয়পাড়া পূর্ব বাজার, কলেজ মোড়, হাসপাতাল রোড হয়ে জয়পাড়া বাজার হয়ে ওয়ান ব্যাংক মোড় দিয়ে প্রধান সড়ক হয়ে করম আলীর মোড় পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করেন। এসময় তিনি নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ, যুবক-যুবতীর হাতে প্রার্থী সালমান এফ রহমানের নৌকা মার্কার ছবি সম্বলিত প্রচারপত্র তুলে দেন। কোন কোন স্থানে সামান্য দাড়িয়ে ভোটারদের কুশল বিনিময় করেন, তাদের কাছে উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তাদের কাছে ভোট চান।

মাহবুবুর রহমান

এই সময় তার সাথে ছিলেন- দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গিয়াস আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক আওলাদ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক আজাদ হোসেন, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মোল্লা, আওয়ামীলীগ নেতা- সাজ্জাদ হোসেন সুরুজ, জামাল উদ্দিন, তৌহিদ চৌধুরী, মো. শাহাব উদ্দিন, বাসার মৃধা, সুরুজ মোল্লা, কাউসার খালাসী, মাহবুবুব আল রিপন, আবুল হোসেন, রফিক তালুকদার, মো. সালাহউদ্দিন, ছাত্রলীগ নেতা- আরমান হোসেন অপু, আওলাদ হোসেন প্রমূখ।

পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ: নুরুল ইসলাম বাবুল

যমুনা গ্রুপের কর্ণধার বিশিষ্ট শিল্পপতি নুরুল ইসলাম বাবুল বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দোহার-নবাবগঞ্জে পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। পুলিশের ভয়ে নেতাকর্মীরা নির্বাচনী প্রচারণায় নামতে পারছে না, রাতে বাড়িতে ঘুমাতে পারছে না, পোস্টার লাগাতে পারছে না, লিফলেট বিলি করতে পারছে না। এটা কোন সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নয়।

নবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। ঢাকা-১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন নুরুল ইসলাম বাবুলের সহধর্মিনী বর্তমান এমপি এডভোকেট সালমা ইসলাম।

তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, শুনতেছি ভোটের দিন ব্যালটবাক্স নাকি আগে থেকেই ভরে রাখবে আর পরে শুধু ডিক্লারেশন দিবে। আমি বিষয়গুলো পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনারকে জানিয়েছি দেখি তারা কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

তিনি বলেন, আমার স্ত্রী জয়ী হবে কি হবে না সেটা পরের বিষয়। কিন্তু আমি সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা প্রমাণ করুন। দোহার-নবাবগঞ্জের মানুষ শান্তিপ্রিয়। ভোটকে কেন্দ্র করে এখানের শান্তি যেন কেউ নষ্ট করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে সুষ্ঠু নির্বাচন করার বিষয়ে।

এই আসনে আওয়ামী লীগ ও মহাজোট মনোনীত প্রার্থী বিশিষ্ট শিল্পপতি সালমান এফ রহমান (নৌকা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মোঃ কামাল হোসেন মিয়া (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী এ্যাভোকেট সালমা ইসলাম (মটরগাড়ী) বিপ্লবী ওয়ারর্কাস পার্টীর সেকান্দার (কোদাল), বিকল্পধারার জালাল উদ্দিন (কুলা) ও জাকের পার্টীর মোঃ সামসুদ্দিন আহম্মেদ (গোলাপ ফুল) প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। শেষ মূর্হুতে আদালতের রায়ে আটকে যায় এ আসনের বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী খোন্দকার আবু আশফাকের প্রার্থীতা। তিনি প্রার্থীতার বৈধতা ফিরে পেতে উচ্চ আদালতে আপিল করেছেন বলে জানা গেছে।

ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা জমে উঠেছে। নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে ব্যস্ততা ততই বাড়ছে। দিন রাত ভোটারদের কাছে ছুটে গিয়ে তাদের মন জয় করতে সভা-সমাবেশ, উঠান বৈঠক করছেন তারা। ভোটাররা মনে করছেন শেষ মূহুর্তে বিএনপির প্রার্থী খোন্দকার আশফাকের মনোনয়ন আদালত থেকে ফিরে পেলে লড়াই হবে ত্রিমুখি। আর বাতিল হলে এই আসনের দুই হেভিওয়েট প্রার্থী বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মহজোট প্রার্থী শিল্পপতি সালমান এফ রহমান নৌকা ও যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম বাবুলের স্ত্রী এডভোকেট সালমা ইসলামের মটরগাড়ির সাথে লড়াইও হবে জমজমাট।

এ আসনে ভোটের মাঠে ফ্যাক্টর হয়ে দাড়িয়েছে বিএনপির রিজার্ভ ভোট। বিএনপির প্রার্থী না থাকলে সে বিএনপির ভোট যে প্রার্থী আদায় করতে পারবে তার বিজয় হবে। আর বিএনপির ভোট স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমা ইসলাম মটরগাড়িতে আনতে সক্ষম হলে এ আসনে নৌকার বিজয় খুব সহজ হবেনা বলে বলে মন্তব্য করেছেন ভোটাররা।

এই আসনে মোট ভোটার রয়েছে ৪ লাখ ৪০ হাজার ৪০৭ জন। দোহার পৌরসভা সহ ৮টি ইউনিয়ন ও নবাবগঞ্জের ১৪ টি ইউনিয়ন নিয়ে ঢাকা ১ আসন। দোহারে মোট ভোটার রয়েছে ১ লাখ ৭৮ হাজার ৩৪৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮৮ হাজার ১৪৩ জন আর নারী ভোটার রয়েছে ৯০ হাজার ২০০ জন।

নবাবগঞ্জে মোট ভোটার রয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৯৪৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১লাখ ২৮ হাজার ৬৫১ জন, আর নারী ভোটার ১ লাখ ৩৩ হাজার ২৯৩ জন এসময় সাংবাদিকদের সঠিক তথ্য তুলে ধরার আহবান জানান তিনি।

কেউ আমার কাছ থেকে কখনও খালি হাতে ফেরেননি: সালমা ইসলাম

‘গত ১০ বছর ধরেই প্রতি সপ্তাহে ৩ দিন দোহার-নবাবগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছি এবং মানুষের সমস্যা সমাধানে কাজ করেছি। যিনি যখনই আমার কাছে এসেছেন, তার সঙ্গে দেখা করেছি, সমস্যা নিয়ে আসলে তার সমাধানের চেষ্টা করেছি। কেউ আমার কাছ থেকে কখনও খালি হাতে ফেরেননি। আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে বরাবরের মতো আপনাদের সেবা করে যাব।’

বুধবার নবাবগঞ্জ উপজেলার কৈলাইল ইউনিয়নের দৌলতপুর, মালিকান্দা এবং বকসনগর ইউনিয়নের উত্তর চৌকিঘাটা ও দোহার পৌরসভার খাড়াকান্দায় গণসংযোগের সময় এসব কথা বলেন ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাড. সালমা ইসলাম।

সালমা ইসলাম আরও বলেন, দোহার-নবাবগঞ্জ দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল। আমি সংসদ সদস্য হওয়ার পর উন্নয়ন কাজ শুরু করি। এলাকার সিংহভাগ সড়ক, সেতু, কালভার্ট ও অনেক বড় বড় সমস্যার সমাধান করেছি। এখনও কিছু সমস্যা রয়ে গেছে, আগামী ৩০ ডিসেম্বরের ভোটে মোটরগাড়ি প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে বিজয়ী করলে বাকি সব সমস্যার সমাধান করব ইনশাআল্লাহ।

দোহারে বসতবাড়িতে অগ্নিকান্ড

দোহার উপজেলার দক্ষিণ জয়পাড়া ঘোণা গ্রামের মোঃ আলমের বাড়িতে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এতে নগদ টাকা ও  আসবাবপত্র পুড়ে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা যায়। আলম স্থানীয় মৃত শেখ মজিদের পুত্র।

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, আলম জীবিকার তাগিদে কিছুদিন যাবত ঢাকায় থাকেন। বাড়িতে পুরুষ না থাকায় আলমের স্ত্রী হাসিনা ও মেয়ে আইরিন রাতে প্রতিবেশি ভাগিনী রেহেনার বাড়িতে ঘুমাতে যান। বুধবার রাত আনুমানিক ৩টার দিকে প্রতিবেশিরা দেখতে পায় আলমের ঘরে আগুণ চলছে। এলাকাবাসীর সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষনে আগুণে পুঁড়ে ঘরের সব ছাই হয়ে যায়। এতে ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। তবে এ ঘটনায় ঘরের আলমারী খোলা থাকায় এবং আলমের একটি বিফকেস পাশ্ববর্তী একটি খালে পাওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে রহস্য সৃষ্টি হয়েছে।

 ক্ষতিগ্রস্থ মো. আলম বলেন, ধারণা করা হচ্ছে উপজেলার কাটাখালির মুন্সিকান্দার শহিদুল এ ঘটনার সাথে জড়িত। ও কিছুদিন যাবত রাতের বেলা আমার বাড়ির আশেপাশে ঘুরাঘুরি করছিল। ঘর থেকে খোয়া যাওয়া বিফকেসটি শহিদুলের বাড়ির পাশে খালে পাওয়া গেছে। এব্যাপারে দোহার থানায় একটি অভিযোগ করবেন বলে জানান তিনি।

অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালমা খাতুন  ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আলীনুর।

এব্যাপারে  উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালমা খাতুন জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা স্যারের নির্দেশে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে সরকারীভাবে সহযোগিতা করা হবে।

দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন জানান, আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ঘটনাটি অবগত করেছি।

বিদেশ থেকে ফিরেই অংশ নিতে পারলেন না নির্বাচনে

সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে এসেছিলেন একটা উদ্দেশ্যেই, শেখ মুজিবের নৌকার নির্বাচন করা। কিন্তু সেই সাধ অপূর্ণ রেখে অকালেই চলে গেলেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক দোহারের আবুল হোসেন আবু (ইন্নালিল্লাহি…………..রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর। তিনি জেদ্দা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই আবুল হোসেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন নিবেদিত প্রাণ সৈনিক ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ ডিসেম্বর সোমবার সকালে সৌদি আরব থেকে ঢাকার বাড়িতে আসেন আবুল হোসেন আবু। ওইদিন রাত নয়টার দিকেই হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেণ আবুল হোসেন। তাঁর অকাল প্রয়াণে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক মেয়ে ও দুই ছেলে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মঙ্গলবার জানাজা শেষে ঢাকার খিলগাঁও কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

উল্লেখ্য যে, দোহার উপজেলার নয়াবাড়ি ইউনিয়নের বাহ্রা গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের জন্ম আবুল হোসেনের। তাঁর বাবার নাম মো. রমজান আলী। যিনি স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে নয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত সদস্য ও ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। আবুল হোসেন আশির দশকের গোড়ার দিকে আওয়ামী ছাত্র রাজনীতির দুর্যোগকালীন সময়ের সাহসী কান্ডারী ছিলেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি ছিলেন একজন মুজিব আদর্শের নিবেদিত প্রান সৈনিক।

বনের রাজা সিংহ কখনও পরাজিত হয় নাই: নাজমুল হুদা

ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ২০০১ সালের তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে যোগাযোগমন্ত্রী ছিলেন এবং বিএনপির প্রথম স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বিএনপি থেকে বের হয়ে তৃণমূল বিএনপি নামে একটি দল গঠন করেন। এ দলের মাধ্যমে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট অ্যালায়েন্স (বিএনএ) নামের একটি নতুন জোটও তার নেতৃত্বে রয়েছে। এ জোটের সভাপতি তিনি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পেতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন নাজমুল হুদা। নানা ঘটনার পর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ঢাকা-১৭ (গুলশান, বনানী, ঢাকা সেনানিবাস ও ভাষানটেকের কিছু অংশ) আসন থেকে রাজা সিংহ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন।

প্রতীক পাওয়ার পর নির্বাচনী মাঠে চষে বেড়াচ্ছেন। ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলশান-বনানী ছাড়াও ভাষানটেক কালাচাঁদপুরের পাশাপাশি নিম্ন আয়ের কড়াইল বস্তিতেও জনসংযোগ করেছেন নাজমুল হুদা। প্রতিদিনই বিভিন্ন কমিউনিটির সঙ্গে করছেন মত-বিনিময় সভা।

এই আসনে নাজমুল হুদা ছাড়াও হেভিওয়েট প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, আওয়ামী লীগের আকবর হোসেন পাঠান ফারুক (অভিনেতা ফারুক), জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ধানের শীষের প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।

ভোটারদের কাছ থেকে কেমন সাড়া পাচ্ছেন-এমন প্রশ্নের জবাবে নাজমুল হুদা এ প্রতিবেদককে বলেন, ভোটারদের কাছ থেকে এতটা সাড়া পাবো কল্পনাও করিনি। এলাকাবাসী চাই উন্নয়নের গণতন্ত্র এবং আওয়ামী লীগ সরকারের ধারাবাহিকতা। এখানকার অভিজাত এলাকার বাসিন্দাদের কাছে পরিচিত মুখ হওয়ায় মধ্যবিত্ত বা স্বল্প আয়ের লোকদের কাছে অনেকটাই পরিচিত আমি। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ঢাকা-১৭ আসনে আমার পৈতৃক ভিটা। এখানকার মানুষের সঙ্গে আমার নাড়ির সম্পর্ক রয়েছে।

বিজয়ের ব্যাপারে কতটুকু আশাবাদী- এমন প্রশ্নের জবাবে নাজমুল হুদা বলেন, আমি বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। এই আসনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে আমি নৌকা চেয়েছিলাম কিন্তু বিশেষ কারণে এখানে অন্য একজনকে নৌকার প্রার্থী করা হয়েছে। আমি এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। বনের রাজা সিংহ কখনও পরাজিত হয় নাই এবারও হবে না ইশাআল্লাহ।

আপনি তো বর্তমান সরকারকে অনেকটা কাছে থেকে দেখেছেন, নির্বাচনী প্রচারণায় কোন বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে নাজমুল হুদা বলেন, আমি কেন, আমার জানা মতে ঢাকা-১৭ আসনে কোনো প্রার্থীর প্রচারণায় কেউ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছেন না।

কারও কোনো চাপে আপনি নির্বাচন থেকে সরে যাবেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রশ্নই উঠে না। আমি নির্বাচনের মাঠে নেমেছি সরে দাঁড়াতে নয়। দেশ ও দেশের মানুষের জন্য করি, এখানে সরল ও ভিন্ন যুক্তি প্রদানের অবকাশ নেই।

দোহার-নবাবগঞ্জকে মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো: সালমান এফ রহমান

আওয়ামী লীগ সভাপতির বেসরকারি উন্নয়ন খাত বিষয়ক উপদেষ্টা ও দোহার-নবাবগঞ্জ ঢাকা-১ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী সালমান এফ রহমান বলেছেন আমি একজন ব্যবসায়ী। তাই ব্যবসায়ীদের ভাগ্য উন্নয়নে সব সময় কাজ করবো। এ জন্য আপনারা ব্যবসায়ীরা যদি দলমত নির্বিশেষে আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন তা হলে এই আসনটি আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দেবো। এ জন্য আপনাদের আমার হয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাইতে হবে। তিনি বলেন, প্রত্যেকটা ভোটারই আওয়ামী লীগের নয়। অন্য দলের ভোটার রয়েছে। এ জন্য আপনাদের ভালোবাসা প্রত্যেকটা মানুষেরই উপরে থাকতে হবে। তাহলেই দেখবেন ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ভোট প্রদানের মাধ্যমে জনগণ দেবে। এ সময় তিনি নির্বাচনে বিজয়ী হলে দোহার-নবাবগঞ্জ দুই উপজেলাকে মডেল উপজেলা করারও ঘোষণা দেন।

দোহারের জয়পাড়া বাজারে রোববার রাতে উপজেলার সকল বাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নির্বাচনী সভায় তিনি একথা বলেন। এ সময় বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ৮৫ জন ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি একে আজাদ বলেছেন, আসছে একাদশ নির্বাচনে দোহার নবাবগঞ্জ আসন থেকে আমরা চাই নৌকার প্রার্থী সালমান এফ রহমান নির্বাচিত হলে অন্তত সাধারণ, মাঝারি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা সামান্য জামানতে ব্যাংক থেকে লোন পাবে। সেই ব্যবস্থা সালমান এফ রহমান চেষ্টা করলে করতে পারবেন। তাই তারমতো এমন একজন মানুষকে যদি আপনারা নির্বাচনে জয়লাভ করাতে পারেন তাহলে আমি একজন ব্যবসায়ী হিসেবে বলতে পারি এ জয় আপনারা যারা ব্যবসায়ী তাদেরও হবে।

সভায় ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই-এর মহম্মদ আলী, খন্দকার রুহুল আমিন, হাবিবুল্লাহ ডন, শফিকুল ইসলাম ভরসা, আবু নাসের, রাসেদুল ইসলাম চৌধুরী রনী, হাফেজ মো. হারুন, আমজাদ হোসেন, মো. এহসান, আলাউদ্দিন মল্লিক, জান্নাতুল ফেরদৌস ডলি, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের চেয়ারম্যান সাহেদ রেজা, দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন, জয়পাড়া বড় বাজারের সভাপতি আজাদ খান, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন মাঝি, জয়পাড়া হাইস্কুল মার্কেট ও হাসপাতাল রোড ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি জামাল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক কবির আহমেদ, জয়পাড়া পূর্ব বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জুলহাস উদ্দিনসহ বিভিন্ন বাজারের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা-১০: বিএনপি প্রার্থী মান্নানের নানা অভিযোগ

ঢাকা-১০ আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী বিএনপি নেতা আবদুল মান্নান প্রচারে বাধা দেওয়া, নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারসহ নানা অভিযোগ করেছেন। আজ বুধবার দুপুরে ঢাকার ধানমন্ডিতে তাঁর বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন। মান্নান অভিযোগ করেন, তফসিল ঘোষণার পর থেকে এখন পর্যন্ত ঢাকা-১০ এলাকা নির্বাচনের কোনো পরিবেশ তৈরি হয়নি।

তফসিল ঘোষণার পর সাত-আটটি মামলাসহ মোট শতাধিক মিথ্যা ও গায়েবি মামলায় তাঁর নির্বাচনী এলাকায় প্রতিদিনই বিএনপি জোটের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করছে পুলিশ। এ পর্যন্ত ৭০ জনের বেশি নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মান্নান বলেন, তাঁর আইনজীবী ইকবালকে পরোয়ানাবিহীনভাবে গ্রেপ্তার করে ধানমন্ডি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় তিনি নিজে গিয়ে পুলিশকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করলে পুলিশ ওপরের নির্দেশের কথা জানিয়ে ছাড়তে অস্বীকার করে। ১৩ ডিসেম্বর নিউমার্কেট থানায় নিয়ে আসা বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর পাটোয়ারীর সঙ্গে দেখা করতে চাইলে পুলিশ দেখা করার অনুমতি পর্যন্ত দেয়নি।

আবদুল মান্নান বলেন, ১১ ডিসেম্বর তিনি নির্বাচন কমিশনে গিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর চিঠিতে নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার ও হয়রানি বন্ধের অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

১৬ ডিসেম্বর প্রচারণায় বাধা দেওয়া, মাইক ভাঙচুর ও মারধরের বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে জানানো হয়। এ সময় অনুলিপি দেওয়া হয় নির্বাচন কমিশনের সচিবকে। একই দিনে কলাবাগানের সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার সিরাজুল ইসলামকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।

নির্বাচনী প্রচারে পদে পদে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করে মান্নান বলেন, ‘আমার পোস্টার-লিফলেট ছেঁড়া, পোড়ানো, ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলা, মাইক ভাঙচুর, পোস্টার লাগানোর কাজে নিয়োজিত লোকদের গালিগালাজ করা হয়।’

মান্নান অভিযোগ করেন, তাঁর বাসার চারপাশে সাদাপোশাকে সব সময় পুলিশ ও বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছে। এতে ভীতিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ফলে তাঁর নেতা-কর্মীরা তাঁর সঙ্গে দেখা করতে ভয় পাচ্ছেন।

এসব নিয়ে মান্নান নিজে নির্বাচন কমিশনে উপস্থিত হয়ে সরাসরি অভিযোগ করলেও এখনো পর্যন্ত কমিশন গ্রেপ্তার বন্ধ ও তাদের প্রচারের সুযোগ নিশ্চিত করার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের অস্থিমজ্জা নেই মন্তব্য করে মান্নান বলেন, ‘আপনারা যে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না, সে দায়িত্ব নিলেন কেন?’ তিনি নির্বাচন কমিশনকে অ্যামিবার সঙ্গে তুলনা করেন। এই আসনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি বলেও মন্তব্য করেন মান্নান।

নির্বাচনী প্রচারে কবে নামবেন, তা জানতে চাইলে মান্নান বলেন, ‘দুই-এক দিনের মধ্যে আমরা শত বাধা উপেক্ষা করে মাঠে নামব।’